আমার প্রিয় পোস্ট
- বলো ভালো আছো তো? - শিরোনামহীন
- সচলায়তন ও সামহয়ারইন নিয়ে প্রথম আলোতে একটি লেখা - কম্পাইলার
- মুক্তিযুদ্ধের কিছু প্রামান্য বইয়ের তালিকা - ফারহান দাউদ
- সৃষ্টিতত্ত্বের গালগপ্প বনাম বিবর্তনের শিক্ষা-২ :: তানবীরা তালুকদার - অভীক.নেট
- সৃষ্টিতত্ত্বের গালগপ্প বনাম বিবর্তনের শিক্ষা :: তানবীরা তালুকদার - অভীক.নেট
- কেন কিনবেন বই যখন ফ্রী পাচ্ছেন? - তামিম
- বিদেশী পত্রিকায় মুক্তিযুদ্ধ, পর্ব ৩ - ফাহমিদুল হক
- ঢাকা - ৪০০ বছরের পূরানো এক শহর - পর্ব ৩ - ক্যামেরাম্যান
- The Tilt: বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও কিছু অজানা দলিল: পর্ব ২ - রাশেদ
- আইজকা ১৯মে......... এটিমের জন্মদিন - লাল মিয়া
- জনৈক নাস্তিকের সাক্ষাতকারের পরবর্তী অংশ - নাস্তিকের ধর্মকথা
- প্রতিষ্ঠানের নিরপরাধ সহযোগী আর জঙ্গীত্ব বিষয়ে: উৎসর্গ অপবাক - জামাল ভাস্কর
- 'আমি আরব গেরিলাদের সমর্থন করি' ১ - ফারুক ওয়াসিফ
- মানুষের বিশ্বাস - অপ বাক
- ধর্মে বিজ্ঞানঃ নিম গাছে আমের সন্ধান - নাস্তিকের ধর্মকথা
- ভুমিকম্প বহুত জ্বালাইছে - ব্লুজ
সেন্টমার্টিনের একাংশে ন্যুড বিচ তৈরি করা হোক
০৩ রা জুলাই, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:০২
বাংলাদেশে বহুত সমুদ্র সৈকত আছে। কক্সবাজাররে বড়ভাই ধরলে টেকনাফ, ইনানী, কুয়াকাটা, সেন্টমার্টিন সহ আরো ছোটখাট বিচ রয়েছে। দেশের দক্ষিণাঞ্চল পুরোটাই বিচ হিসেবে ধইরা লওন যায়। এসবের কিছু কিছুতে এখনো লোকজন যায় নাই। পরিচিত বিচগুলোর মধ্যে কক্সবাজার এবং সেন্টমার্টিন দ্বীপ বেশি জনপ্রিয়। কক্সবাজার বিশ্বের দীর্ঘ সমুদ্র সৈকত এবং সেন্টমার্টিন প্রবালদ্বীপ হিসেবে খ্যাত।
কিন্তু এসব বিচগুলোতে বিদেশী পর্যটকদের আনাগোনা কম। পর্যটন কর্পরেশনের মতো একটি অথর্ব প্রতিষ্ঠান রয়েছে এখাতে বৈদেশিক মুদ্রা বাড়ানোর প্রচেষ্টায়। অথচ বর্হিবিশ্বে এই দ্বীপ/বিচগুলো সম্পর্কে অনেকেই জানে না। এসব জায়গায় সুযোগ সুবিধাও নাই পর্যটকদের লাইগা। সুযোগসুবিধা বলতে আমরা বুঝছি একগাদা হোটেল বানানি যেখানে অতি উচ্চমূল্যে খাবার বেচা হয়। এইবার সেন্টমার্টিন গিয়া বিলা খাইয়া গেছি। এত্তো মানুষ, সারাক্ষণ চারপাশে কিলবিল করতাছে। ঢাকা আসার পথে কক্সবাজারে ঘন্টা দুয়েকের জন্য নাইমা দেখলাম সেই উচু উচু হোটেল।
খারাপ লাগলেও হাচা কতা হইল পৃথিবীর দীর্ঘ সমুদ্রসৈকত দেখার কোনো খায়েশ বিদেশীগো নাই। দীর্ঘ সমুদ্রসৈকত দিয়া কি বাল ফালানি যায় হেইডা নিয়া হেরা মাতা ঘামায় না। তাই তারা গোয়া চইলা যায়। প্রবাল দ্বীপে যদি পানির তলে স্কুবা ডাইভিং কইরা প্রবাল হাতান না যায় তাইলে প্রবাল দ্বীপেই বা যাইব ক্যান? একজন বিদেশি কক্সবাজারে গিয়া কি করব? রাস্তায় হাঁটতে গেলে পাবলিক মাইয়াগো দুধের দিকে চাইয়া থাহে। বিকিনি পইরা গোসল করন যায় না। কোনো ওয়াটার রাইড নাই। সারা শরীর ঢাইকা গোসল যদি করেও তাইলে সন্ধ্যার পর কি করব? বার্মিজ মার্কেট গিয়া পুতি, গামছা আর উপটান কিনব মুখে মাখার লাইগা? এত্তো এত্তো টাকা লইয়া যদি আসেই বা তাইলে জুয়া খেইলা সেই টাকা এদেশে রাইখা যাওনের মতো ক্যাসিনো কই? রাত্রেবেলায় ক্যাম্পফায়ার করনের খায়েশ জাগলে নির্ঘাত হেগোরে ছুরিকাঘাতে জীবন দিয়া যাইতে হইব এই দেশে। পানির কাছে আইসা পানির মইদ্যে থাকনের কোনো সুযোগ নাই। সিগারেটের পুটকি, পেলাশটিক, ছাগলের লাদি কি নাই বিচের মইদ্যে। শান্তিতে হাটনও তো যায় না। দেশি লোকেরাই মজা পায় না তো বিদেশিরা মুততে আইব বাংলাদেশের সীবিচে?
অথচ মালদ্বীপের দিকে তাকালে আমরা কি দেখি? সমুদ্রবেষ্টিত দেশটির আয়ের প্রধান উৎস সামুদ্রিক মৎস। এরপরেই রয়েছে পর্যটন। সমুদ্রকে কেন্দ্র করে নানান আয়েজন করে রেখেছে দেশটি। বিশ্বসুন্দরি প্রতিযোগিতাও হয়েছিল সেইদেশে। নিচের ছবিগুলা দেখুন। মালদ্বীপ সম্পর্কে আর কিছু বলতে হবে না। মালদ্বীপের উদাহরণ টানলাম কারণ এটা একটি মুসলিম দেশ। দেখুন আর নিজের দেশের বিচগুলার কথা ভাইবা আফসোস করুন।
![]()
![]()
![]()
![]()
![]()
![]()
![]()
![]()
![]()
বাংলাদেশের কিন্তু সৌন্দর্য্যের অভাব নেই। শুধুমাত্র দক্ষিণাঞ্চলকে মাথায় রেখে প্ল্যান করলে দেশ বৈদেশিক মুদ্রায় ভেসে যেত। শুধু সেন্টমার্টিন দিয়েই তো কোটি কোটি ডলার ইনকাম করা সম্ভব। নিচের ছবিটা দেখুন।
![]()
মনে হচ্ছে না এটা সেন্টমার্টিন আর অদূরের ওইটা ছেড়াদ্বীপ? হুমম, কিন্তু এটা হচ্ছে মালদ্বীপের ছোট দুইটি দ্বীপ। অথচ দেখেন সেন্টমার্টিনের সঙ্গে কি চমৎকার মিল। আসেন এই ছবিটিকে কেন্দ্র করে আপনি দ্বীপটি সাজান। কোথায় কি কি হবে সেটা বসিয়ে দিন। আমি কি কি চাই সেটা জানিয়ে দিচ্ছি।
প্রবেশ ফি : এই প্রস্তাবে আপনারা নাখোশ হইতে পারেন। কিন্তু আমার সাফ কথা হইল সেন্টমার্টিন ঢুকতে পয়সা লাগব। বাঙালিরে বহুত ফ্রি দেয়া হইছে, তাই জায়গায় জায়গায় হাইগা রাখছে। সব বন্ধ। তবে এই প্রবেশ ফি বাংলাদেশের যেখানে সেখানে দেয়ার সুযোগ থাকবে। পোস্টঅফিসগুলোতে অথবা নির্ধারিত দুয়েকটি সরকারি ব্যাংকে প্রবেশ ফি দিয়ে সেন্টমার্টিনে যাওয়ার প্ল্যান করতে পারেন। তবে ফরমে উল্লেখিত নির্ধারিত তারিখের পর আপনি সেন্টমার্টিনে গেলে ঢুকতে দেয়া হবে না। সেক্ষেত্রে ঘাটে কিংবা সেন্টমার্টিনে প্রবেশমুখে পুনরায় প্রবেশ ফি দিয়ে অনুমতি আদায় করতে পারেন।
পরিবহন ব্যবস্থা : সেন্টমার্টিন পরথম গেছিলাম ট্রলারে কইরা। দ্বীপের অনেকদূরে ট্রলার থামাইয়া দিছিল। ছোট ডিংগি নৌকা কইরা পাড়ে গেছি। ট্রলারে যাইতে ভয় লাগছিল তয় মজা বহুত পাইছি। এ্যাডভেঞ্চার প্রিয়দের জন্য এই ব্যবস্থা আবার চালু করতে হবে। কিপ্টা পর্যটকরা কম পয়সায় এইটায় চইড়া সেন্টমার্টিন যাইব। এছাড়া যারা দিনে দিনে দ্বীপে আসা-যাওয়া করতে চান তাদের জন্য ট্রলারগুলো প্রতিঘন্টায় রওনা দেবে। অন্যান্য পরিবহনগুলার মধ্যে ইয়ট এবং ছোট দুইপাখার উভচর প্লেন থাকবে। পরিবহন ফি একটু এক্সপেন্সিভ হবে। পুরো সেন্টমার্টিনে কোনো পরিবহন থাকবে না। শুধু দ্বীপ কর্তৃপক্ষের ব্যবস্থাপনায় ছোট ট্যুরিস্ট বাস দ্বীপের চারপাশের রাস্তা দিয়ে সময় মেপে চলাফেরা করবে। যারা হোটেল বুক করবেন আগে থেকে তাদের জেটি থেকে ছোট গাড়িতে রিসিভ করা হবে এবং বিদায়ের দিন জেটিতে দিয়ে আসা হবে। ট্যুরিস্টরা যদি হাঁটতে ক্লান্ত হয়ে পড়েন সেক্ষেত্র ফোন করে ছোট গাড়ি (যেগুলো ঘাস, বেলাভূমি, রাস্তাসহ সবজায়গায় চলতে পারে) ডেকে আনতে পারেন। সেক্ষেত্রে ছোট ফি দিতে হবে। এছাড়া পুরো দ্বীপজুড়ে পরিকল্পনামাফিক সাইকেল লেন/ হাঁটাপথ থাকবে। ট্যুরিস্টরা সাইকেল ভাড়া করে চলাফেরা করতে পারেন।
হোটেল : উন্নতমানের একটি ৫/৭ স্টার ৮ তলা হোটেল থাকবে। এর ফ্রন্ট থাকবে সমুদ্রের দিকে। সেখানে সুইমিং পুল থাকবে। ছাদের উপরে হোটেলের নিজস্ব হেলিপ্যাড থাকবে। এটা বিশ্বের চেইন হোটেলগুলোর কোনো একটি ব্রাঞ্চ হলে সুবিধা হয়। তাহলে সেন্টমার্টিনের বিপণন ওইসব হোটেলগুলোর ওয়েবসাইটে অটোম্যাটিকালি হয়ে যাবে।
কটেজ/ ডরমেটরি/ এ্যাপার্টমেন্ট/ রিসোর্ট : সারা সেন্টমার্টিন জুড়ে তীর থেকে সাঁকো হয়ে সমুদ্রের মাঝে অসংখ্য কটেজ থাকবে। ডিজাইনটা অনেকটা অক্টোপাসের মতো হবে। এছাড়াও বিচের কোনো একজায়গায় নারিকেল গাছগুলোর নিচে কুড়েঘর টাইপ বেশ অনেকগুলো কটেজ থাকবে। কটেজগুলোর ডিজাইন নানারকম হবে। কিছু কিছু কটেজ থাকবে যেটা শুধু মাত্র ঘন্টা হিসেবে (উর্ধ্বে ৩ ঘন্টা নিম্নে ১ ঘন্টা) ভাড়ায় যাবে। একটা ডরমেটরি থাকবে কিপ্টা পর্যটকদের জন্য। দ্বীপের দুটি স্থানে ৪ তলা বিশিষ্ট এ্যাপার্টমেন্ট থাকবে যেখানে একতলা বিশিষ্ট স্টুডিও এ্যাপার্টমেন্ট থাকবে। এগুলো তুলনামুলকভাবে কটেজ/ হোটেলের চাইতে শস্তা কিন্তু ডরমেটরির চাইতে ব্যয়বহুল হবে। যারা দীর্ঘমেয়াদীভাবে দ্বীপে অবস্থান করতে চায় তাদের জন্য। রিসার্চার বা সাহিত্যিক টাইপের লোকজনের জন্য স্টুডিও এ্যাপার্টমেন্ট থাকার জায়গা হিসেবে ভালো হবে।
বার-রেস্টুরেন্ট- ক্যাসিনো : একটি বড় এবং মাঝারি সাইজের ২টি সহ মোট ৩টি ক্যসিনো থাকবে। ৩টি ক্যাসিনো থাকার কারণ হইল জুয়ায় হেরে গেলে লাক চেঞ্জ করার জন্য পর্যটকরা অন্য কোনো ক্যাসিনো খুঁজতে পারে (আমি যেমন তিনতাসে বেশি হেরে গেলে জায়গা চেঞ্জ করি)। দ্বীপের নানা জায়গায় ওপেন বার/ ক্লোজড বার থাকবে। এছাড়াও বিভিন্ন দেশের খাবারের স্বাদ নেয়ার জন্য নানান টাইপের রেস্টুরেন্ট থাকবে। বাঙালি চটকদার খাবার থাকার জন্য ছোট ছোট বুথ থাকতে পারে সারা দ্বীপ জুড়ে।
সিনেমা হল/ মুক্তমঞ্চ : একটি সিনেপ্লেক্স থাকবে যেখানে ২টি সিনেমা হল থাকবে। মুক্তমঞ্চে নানান ধরনের পার্ফমেন্স হবে। কনসার্টই প্রাধান্য পাবে বেশি।
এমিউজমেন্ট পার্ক/ রাইড : নানান ধরনের গেমস এবং রাইড থাকতে হবে। এছাড়াও ওয়াটার রাইড সহ স্কুবা ডাইভিংয়ের সকল সুবিধা নিশ্চিত করতে হবে। আকাশে উড়াল দেয়ার মতো কিসব খেলা বিদেশী টিভিতে দেখি তার সবগুলোই বিদ্যমান হতে হবে। বিচজুড়ে চড়ে বেড়ানোর জন্য ছোট ছোট গাড়ি থাকবে। মাঝারি মানের একটা গলফ মাঠ হবে।
ন্যুড বিচ : এটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ এবং থাকতেই হবে সেন্টমার্টিনে। পুরো ন্যুড না হয়ে টপলেস হতে পারে। যতোদুর জানি দক্ষিণ এশিয়ায় এ ধরনের বিচ নেই। তাই প্রথম সুযোগটা বাংলাদেশকেই নিতে হবে। ন্যুড বিচের পাশে একটি সনা/ ম্যাসেজ পার্লার তৈরি করা যায়। সেখানে বাষ্পীয় গোসল সহ হাবিজাবি সব গোসলই করা যাবে। ন্যুডবিচকে চোখের আড়াল করার জন্য এর চারপাশ দিয়ে ঝাউগাছ দিয়ে দেয়াল তৈরি করতে হবে। শুধু সেন্টমার্টিনে প্রবেশে সময় ইয়ট/ট্রলার থেকে ন্যুডবিচটি হালকা দেখা যেতে পারে। এটা অনেকটা সিনেমার ট্রেলার দেখানো, যারা সিনেমা দেখতে চাইবেন তারা গাঁটের পয়সা খরচ করে ন্যুডবিচে যাবেন।
নাইট আউট/ ক্যাম্পফায়ার : বিচের নির্ধারিত ৩/৪ জায়গায় নাইট আউট করা যাবে। কেউ তাবু খাটিয়ে কিংবা আগুন জ্বালিয়ে ক্যাম্পফায়ার করতে চাইলে তাদের জন্য এ সুবিধা রইল।
হোটেল এন্ড ট্যুরিজম ইন্সটিটিউট : ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিচালনায় এবং অথর্ব হলেও পর্যটন কর্পরেশনের সহায়তায় সেন্টমার্টিনে হোটেল এন্ড ট্যুরিজম ইন্সটিউট খোলা যেতে পারে। বাংলাদেশের বিভিন্ন ছাত্রছাত্রী এতে ডিপ্লোমা কিংবা গ্রাজুয়েশন করতে পারে ট্যুরিজমের নানা বিষয়ে। পযর্টনের কর্পরেশনের বর্তমানে পরিচালিত কোর্সগুলো আন্তর্জাতিক মানে এখানে পড়ানো হবে। ভবিষ্যতে বিদেশি ম্যানেজমেন্ট মুখাপেক্ষী হয়ে যেন না হয়ে থাকতে হয় তারজন্য দক্ষ প্রজন্ম গড়ে তুলতে হবে। কারণ সেন্টমার্টিনের দেখাদেখি দেশের অন্যান্য বিচগুলোতেও উন্নতির ছোঁয়া লাগবে। যেহেতু আবহাওয়ার কারণে সেন্টমার্টিন ৬ মাস রিস্কি তাই মূল কোর্সটা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভবনে পড়ানো হবে। কোর্সের প্র্যাকটিকাল পার্টের জন্য ছাত্রছাত্রিরা এখানে আসবে। বিভিন্ন রিসোর্ট কিংবা হোটেল, তারা ইন্টার্নি করবে। ফিজিতে এরকম কোর্স চালু আছে। আমার বড়ভাই করেছিল।
বাংলাদেশি বাজার : গ্রামের বাজারের মতো করে তাবু খাটিয়ে হ্যাজাক লাইট দিয়ে একটি ছোট বাজার থাকবে যেখানে দেশীয় তাঁত, হ্যান্ডক্রাফট সহ বাংলাদেশি পণ্যের বাজার থাকবে। সরাসরি নির্মাতাদের কাছ থেকে পণ্যগুলো কেনা হবে। নো চান্স ফর গ্রামীন, আড়ং কিংবা বুনন। বিদেশী পর্যটকদের আকর্ষণ করার মতো বাংলাদেশি যাবতীয় জিনিস সেখানে মজুদ থাকবে।
আবহাওয়া অফিস/ বিদ্যুৎকেন্দ্র : স্বয়ংসম্পূর্ণ এবং আধুনিক সুযোগসম্পন্ন একটি আবহাওয়া অফিস এবং উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন বিদ্যুত অফিস থাকতে হবে।
সেন্টমার্টিনের যে জায়গাটায় বর্তমানে জেটি আছে সেটা পরিবর্তন হয়ে যাবে। কারণ জেটির ওই জায়গাটাসহ কর্ণারটিতেই একমাত্র গোসল করা সুবিধা রয়েছে কারণ এখানটাতে পাথর কম। ন্যুডবিচের জায়গাটা হবে এখানেই। কিন্তু জেটি পরিবর্তন করে বর্তমানে যেখানে পুলিশ ফাঁড়ি রয়েছে সেখানটাতে হতে হবে। ন্যুডবিচ যেহেতু একটি সংরক্ষিত জায়গা হবে তাই যারা ইয়টে কিংবা ট্রলারে করে সেন্টমার্টিনে যাবে তারা যেন একঝলক ন্যুডবিচ সম্পর্কে ধারণা পায় সেজন্যই জেটিটি সরিয়ে নিতে হবে। কটেজগুলো হবে ছেড়াদ্বীপে। সীমানা পেরিয়ে নামে যে কটেজটি রয়েছে সেখানে হতে পারে মূল হোটেলটি। গলফ কোর্সটি হবে একেবারে দ্বীপের বুকে যেন বার্ডসআই ভিউটা সুন্দর আসে। সেন্টমার্টনের মূল পার্টটি একটা হইচই টাইপ এলাকা হবে। ছেড়াদ্বীপ হবে কটেজ/রিসোর্টের জন্য কারণ জায়গাটা একটু নিরব। বিচের নানা জায়গায় ভলিবল কোর্ট, টেনিস কোর্ট বানাতে হবে। রাতের জন্য পরিকল্পিতভাবে লাইটিং করা হবে।
পুরো পরিকল্পনায় এমনটি মনে হতে পারে যে সেন্টমার্টিন বাংলাদেশিদের জন্য এক্সপেন্সিভ হবে। আপনি ঠিকই ধরেছেন। সেন্টমার্টিনের এই পরিকল্পনাটি পুরোপুরিই বিদেশি পর্যটকদের কথা মাথায় রেখে তৈরি করতে হবে। আপনার যদি অনেক পয়সা থাকে তাহলেই সেন্টমার্টিন যাবেন। মনে রাখতে হবে বছরের ৬মাস সেন্টামার্টিনের আবহাওয়া পর্যটনের মতো থাকে না। বছরের বাকি ৬মাসে সে খরচটা তুলে আনতে হবে। বাংলাদেশিদের জন্য আরো যেসব বিচ রয়েছে সেখানে যাবেন তারা।
ন্যুড বিচ সম্পর্কে আপত্তি আসতে পারে। সেক্ষেত্রে এ বিচে কোনো বাংলাদেশিদের প্রবেশাধিকার নিষিদ্ধ করা হবে। হাতের কাছেই উদাহরণ আছে। নেপালের ক্যাসিনোতে নেপালিরা ঢুকতে পারেন না। ওইটা শুধুমাত্র বিদেশিদের জন্য। সেন্টমার্টিন ন্যুডবিচটাও তেমনই হবে।
এখন আসা যাক ম্যানেজমেন্টের ব্যাপারে। প্রাথমিকভাবে দক্ষ বিদেশি কোনো ম্যানেজেমন্টের কাছে দ্বীপের ব্যবস্থাপনা ছেড়ে দিতে হবে। তবে খেয়াল রাখতে হবে যেন ৫/১০ বছর পর আমরা দ্বীপটি সুষ্ঠুভাবে পরিচালনা করতে পারি। এজন্য হোটেল এন্ড ট্যুরিজম খাতে প্রজন্ম তৈরি করতে হবে। সেন্টমার্টিনে কোটা বেসিসে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে চাকরির ক্ষেত্রে বাংলাদেশিদের অগ্রাধিকার দেয়া হবে। সেন্টমার্টিনে যাওয়ার জন্য চট্টগ্রাম আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরকে আরো আধুনিকায়ন এবং সেখানে থেকে হেলিকপ্টারে যাওয়া-আসার সুবিধা নিশ্চিত করতে হবে।
কি বলেন আপনারা ?
শামীম রিয়াজ বলেছেন:
ভেবে দেখার মত পোস্ট, শোকেজ এ রাখলাম...কারন অনেকগুলা ভাল ভাল আইডিয়া আসে। ধন্যবাদ আপনাকে
সিএইচকে বলেছেন:
প্রস্তাব দিলেই হইবো না, বাস্তবায়িত হওনের কুনো সম্ভাবনা নাই। ছাঈদী ফতোয়া দিবো .... সাবধান।
স্বাধীন বাংলা বলেছেন:
চমৎকার + প্রিয়
অপু দি গ্রেট বলেছেন:
ভাল আইডিয়া। তবে এতো টাকা দিব কে ?
আরিফুর রহমান বলেছেন:
প্রস্তাব ঠিকাছে.. কিন্তু, সারা দুইন্নার মাঝে এই একটা জায়গা আছে যেখানে রাত ১১ টার পরে নিঃঝুম নিরবতার সাথে সূচীভেদী অন্ধকার খোলা আকাশ আর বিস্তীর্ন সমুদ্রের সামনে উপভোগ করা যায়!
এই বছরই জানূয়ারীতে দেশে গিয়া বউ সহকারে কাটানো সেই 'অপার্থিব' আধাঘন্টা আমার সারা জীবন মনে থাকবো!
পিছায়া পড়া দেশেও কিছু নন-কমার্শিয়ালাইজড্ রত্ন এখনো আছে... সেন্টমার্টিন তার একটা।
এইটারেও বিদেশীগো হাতে তুইলা দেওনের ইচ্ছা আমার করতাছে না!
সরি!
লেখক বলেছেন:
ভুল কইলেন আপনে। মোটেল থেকে ঘাটে ভ্যানে কইরা গ্যাছেন। হয়তো লবস্টার দিয়া ডিনার সারছেন। তারপর শখ কইরা আরেক দোকান থিকা পান/সিগারেট কিনা তারপর হ্যান্ডিক্রাফটের দোকান থিকা ছোট গিফট কিনা বউরে কইছেন চল আজ রাতে বিচে বসব। হজমের জন্য হয়তো বাজার থেকে ডাব কিনা খাইছেন। বউ আচার ভালো পায়, তাই দুপ্যাকেট আচারও কিনছেন।
এখন আপনিই বলেন বউয়ের লগে আধাঘন্টা কি আপনি কোনো ননকমার্শিয়াল রত্নবিশেষ জায়গায় কাটিয়েছিলেন?
ইয়াহিয়া বলেছেন:
চমৎকার পোষ্ট+
গিফার বলেছেন:
হুমম ভালো তুমি তৈরি কর....ভালো হবেএত পয়সা মনে হয় না বাংলাদেশের আছে আর থাকলেো সরকার মনে হয় না করেব....
বেবি রহমান বলেছেন:
ন্যুড বিচ সম্পর্কে আপত্তি আসতে পারে। সেক্ষেত্রে এ বিচে কোনো বাংলাদেশিদের প্রবেশাধিকার নিষিদ্ধ করা হবে...........................................................................................
বলি ক্যানো? আপনি পরিবারের সবাইকে নিয়ে যেতে চান না....
মানে ক্যাসিনো খেলতে?
আর যেখানে যে ব্যবস্থার জন্য দেশের জনগন যেতে পারবে না...
তাকে সমর্থন করতে পারলাম না... আপনার প্রগতিবাদিতা ও ব্যবসা মানসিকতা... আপনাকেই মোবারোক...
ব্যবসার অনেক উপায় আছে... তাই বলে নাগা সন্যাসী হয়ে ব্যবসা করায় একমত হইলাম না।
লেখক বলেছেন:
ন্যুড বিচ ও ক্যাসিনোতে বাংলাদেশীদের যেতে কোনো বাধা নেই। আমার পক্ষ থেকে তো নয়ই। এটা একটা উপায় হিসেবে ভাবা হয়েছে।
ময়ুরবাহন বলেছেন:
ছবিগুলো অসাধারন সুন্দর।ভাই এইসব প্রস্তাব দেবার আগে ভাবুন কাট মোল্লারা যখন "ইসলাম বিপন্ন" বলে আপনার নামে ফতোয়া জারী করবে তখন কী করে বাচবেন?
আহসান হাবিব শিমুল বলেছেন:
এত্তো হাবি-জাবি পড়ার টাইম নাই।মাইনাচ।
সুদীপ্ত সরকার বলেছেন:
আপনার প্রস্তাবগুলো ভাল, তবে ন্যুড বিচকে মাইনাস। কাম-কেন্দ্রিক বিনোদনকে পুজিঁ করে ব্যবসা করার মানসিকতা থেকে বেরিয়ে আসুন, প্লিজ! পাশ্চাত্যের সব কিছুই গ্রহণ করতে হবে এমন কোন কথা নেই।
লেখক বলেছেন: ন্যুডবিচকে বাংলাদেশী কিংবা ইসলামি ধারণায় শুধুমাত্র কাম মনে হতে পারে। কিন্তু বিষয়টি তা নয়। বিদেশীদের যদি আকৃষ্ট করতেই চান তবে তাদেরকে সমুদ্রের পাশে তাদের চামড়ার স্বাস্থ্য রক্ষার সুযোগটুকুও দিতে পারেন।
আর সে কারণেই বাংলাদেশীদের সেখানে প্রবেশাধিকার সংরক্ষণের প্রস্তাবটিও করেছিলাম।
আরিফুর রহমান বলেছেন:
নারে ভাই, পান্সিগ্রেট যেহুতু খাইনা তাই...তোবে ভ্যানে কৈরা যাতৈ খারাপ লাগে নাই, মানে যাত্রাপথের আরাম আয়েশ তো সবখানেই কর্লাম, এইখানে যন্ত্রবিহীন যানে চর্তে খারাপ লাগে নাই।
হুম.. 'সেই আধঘন্টা' আগেও কৈ যানি বয়ান কর্ছিলাম। যাক! আপনার অনারে আবার মনে পৈরা গেল!
---
রাইত এগারোটার পরে একে একে সব জেনারেটর যখন ধিম ধিম শব্দে বন্দ হৈয়া যাইতেছিলো আমি লগে তারে নিয়া সৈকতে ওয়েটিং, টর্চলাইট সম্বল!
একসময় শেষ জেন্রেটর নিভা গেলে, হঠাৎ বউ দেখি গুরগুর কৈরা কাঁপে, আমি ভাবছি সমুদ্রের বাতাসে ঠান্ডা লাগে, কিন্তু মুখেও দেখি কতা নাই!!
উপ্রে আসমান, এমাথা ওমাথা তারাখচা বিশাল চাঁদোয়া দেইখা তো আমার আক্কেল গুড়ুম!!
প্রথম্বার সূচীভেদ্য অন্ধকার দৈখা ভয়ে এট্টুক হয়া যাওন বৌরে লগে সেই আধাঘন্টা, চারিদিকে কিছু নাই, উপ্রে ঝিকিমিকি আকাশ... মনে হৈতাছিলো স্বপ্ন দেক্তাছি... সেই স্বপ্ন এখনো আমার চামড়ায় বুলাইয়া দেয়..
বুজছেন তো!!
এই জিনিস আমি আবার কর্তাম চাই!
লেখক বলেছেন:
আমার প্রস্তাবগুলো সফল হলেও কিন্তু আপনার স্বপ্ন বাস্তবায়নের সুযোগ থেকেই যায়। কারণ আপনার মতো রোমান্টিক মানুষদের আধাঘন্টা কাটানোর জন্য বিচে অবশ্যই ব্যবস্থা থাকবে।
তবে ঘরে ফিরে যদি দেখেন মোমবাতি ভুলে আনেন নাই তাহলে টুথব্রাশটা খুঁজতে যেন আপনি লাইট জ্বালাতে পারেন আমি সেটারও নিশ্চয়তা দেয়ার জন্য বিদ্যুতের ব্যবস্থা করতে চাই।
আরিফুর রহমান বলেছেন:
না, থাক্ নারে ভাই! (রিচার্জেবল টচ্লাইট তো বেকতের গাঁট্টিতেই থাকে)যে মুহুর্তে পার্মানেন বিদ্যুৎ দিবেন, সেই ক্ষন থাইকা আলোর ধমকে আসমানের ওই চাদ্দরটা যাইবো গন কেস।
আসমান তো সবখানেই সমান, কিন্তুক আলোর অত্যাচার নাই এমন জায়গা বাংলা-দুইন্নাত বড়ই ওভাব!
বিদ্যুৎ/ইত্যকার আইনা, জায়গাটার 'আদিমতা' খায়া ফালাইয়েন না!
পিলিস!
লেখক বলেছেন:
ভাই। বাংলাদেশের দক্ষিণাঞ্চল পুরাটাই বিচ হিসেবে ধরে নিতে পারেন। আপনের কথা ঠিক আছে। বিদ্যুতের ঠেলায় ওই চান্দ ফ্যাকাশে হইয়া যাইব। কিন্তু তার জন্য বাংলাদেশের আরো অনেক জায়গায় সমুদ্রের পাশে ব্যবস্থা করন যাইব। আপনে নাহয় সেখানেই যাইবনে।
তয় গরীব বাংলাদেশে সেন্টমাটর্িন পর্যটনের দারুণ সম্ভাবনায়ময় একটা জায়গা। এইটারে কামে লাগাইতে হইব।
চলেন আপেন আর আমি দুইজনের বউ লইয়া ভোলার মনপুরা দ্বীপে চাদ দেখতে যাওনের একটা প্ল্যান বানাই।
একজন ব্লগার বলেছেন:
জামাতিরা বাইচাঁ থাকতে বাংলাদেশে এইটা কুনুদিনও সম্ভব না! পোস্টা ভাল তয় শিরোনামের জন্য মাইনাছ!
মনুমনু বলেছেন:
দিল থাইক্কা একটা পেলাচ দিলাম।প্রস্তাবে শমত আছি ১০০% ( ৯৫% না).....
তয় সব প্রস্তাব বাস্তবায়ন করার সময় নুড এলাকার জন্য একটা আলাদা জায়গা রাখতে পারে। পরে সুযোগমত নুড খুল্লাম হইতে পারে। কি কন। বিদেশীদের হাতে দিবার চাই না। এই প্লান আর মেনেজমেন্ট করার যোগ্য লোক দেশে আছে আমার বিশ্বাস( সরকারি লোক বাদে)।
গার্মেন্টস এর চেয়েও বেশী আয় করা যাইব ।
সুন্দর পোস্ট আর প্রস্তাবের জন্য অভিনন্দন। আশা করছি ঐ দিনের.........( তয় মনুর মন কইতাসে ৫০০ বছরের আগে হইব কিনা সন্দেহ)।
লেখক বলেছেন:
দেশই যদি এই ব্যবস্থাপনা সামলাইতে পারে তাইলে বিদেশীগো গোয়ায় (ম্যানেজমেন্ট সংক্রান্ত) লাথি।
তবে আমগো পর্যটন কর্পরেশনের অবস্থা তো জানেনই। তাই প্রাথমিক কিছু বছরের জন্য বিদেশী ম্যানজেমন্টের কাছে ছেড়ে দিলে খারাপ হয় না। তবে যে কোনো পর্যায়ে লাগাম বাংলাদেশের হাতেই থাকবে।
একজন ব্লগার বলেছেন:
ভাই, দারুন একটা প্ল্যান কর্ছেন। শিরোনামটা চেন্জ করেন। প্রিয়তে রাইখা দিমু।
লেখক বলেছেন:
ভাই শিরোনামটাও প্রস্তাবের একটা অংশ। মুইছা দিলেও তো পোস্টের কন্টেন্টে থাইকা যাইব। তাই মুছলাম না।
যারা ন্যুড বিচ মানে কাম-সেক্স বুঝে তারা আসলে বিষয়টি সম্পর্কে কোনো ধারণাই রাখে না। ন্যুড বিচ মানে কাম-সেক্স যারা বুঝে তারাই বরং বিকৃত কামরুচির শিকার।
কথাটা আপনের জন্য না কিন্তু মাইন্ড খাইয়েন না আবার।
সেক্ষেত্রে একটা ক্ষুদ্র অংশ রেস্ট্রিকটেড করলে কোন ব্যাপার না। আমাদের সচেতনতা না বাড়ালে আর দেশের বিশাল আয়ের খাতের ব্যাপারে মনযোগি না হলে এ অবস্হা কোনদিনই ঠিক হবেনা।
অনেক ধন্যবাদ আপনার পোস্টের জন্য।
গিফার বলেছেন:
যেই দেশে মানুষ ঠিক মত তিনবেলা ভাত খেতে পারেন নাহ সেই দেশে কেসিনো আর নুড্য বিচ....ভালোই
লেখক বলেছেন:
হ। হের লাইগ্যাই তো কইছি ওইগুলা বিদেশীগো লাইগা। আপনের আমার লাইগা কুয়াকাটা, ইনানী, মনপুরা, টেকনাফ তো রাইখ্যাই দিলাম।
গিফার বলেছেন:
হুমম ঠিক কইছেন...তবে আমার মতে আর কিছু না করতে পারলে কুয়াকাটায় আর একটু নিরাপত্তা বাড়াতে পারে তারপর কক্সবাজার বিচে নিরাপত্তা এবং কিছু ভালো ভালো স্পট করতে পারে....কারন বাংলাদেশে যে পরিমান দুর্নিতি এইটুকু যিনিষ করতে মনে হয় নাহ বাংলাদেশ সরকারের কোন সমস্যা হবে.....
তুমি কি কক্সবাজারের মারমেইড কেফেতে গিয়েছো?
লেখক বলেছেন: না।
প্রত্যুৎপন্নমতিত্ব বলেছেন:
প্রয়োজনে চাদনী রাতে ১/২ ঘন্টা সমস্ত দ্বীপে বিদ্যুত বন্ধ রেখে চন্দ্র প্রেমীদের জন্য একটা সুযোগ রাখা যেতেপারে
লেখক বলেছেন: হতে পারে। প্রস্তাব খারাপ না।
আশিকুর রহমান বলেছেন:
আপনে এতগুলা প্রস্তাব দিলেন, কিন্তু শিরোনাম দিলেন ন্যুডবীচ। এইটারে আগে প্রাধান্য দেয়া ঠিক হবে না। এইদেশে এইটা করলে অনেক সমালোচনা হইব। আগে বরং অন্যদিক গুলা যেমন নিরাপত্তা, পরিচ্ছন্নতা, থাকার জায়গা, ক্যাম্পিং, পরিবহন ইত্যাদি দেখতে হবে। বিশেষ কইরা আমগো সৈকত খুব নোংরা থাকে যেইটা বিদেশীগো আকর্ষণ করার কোন কারন নাই। মালদ্বীপের পানি দেখছেন কি সুন্দর ঝকঝকা। আহারে...
নতুন বলেছেন:
জটিল পরিকল্পনা... ++++++++++++++++++++++++++++এই ধরনের চিন্তা নিয়া আমাদের দেশের পয`টনের জন্য কাজ করলে অবশ্যই আমরা একটা বিরাট বাজার ধরতে পারবো...
এই ধরনের লেখা পত্রিকায় দেওয়া উচিত...
তার ছিড়া 74 বলেছেন:
নুড বিচ জিন্দাবাদ, রেডি করেন, আমি এখনই কাপড় খুইলা রেডি হইতাসি।
ইফতেখার ইনান বলেছেন:
ভালা পরিকল্পনা.. হুদাই একটা আজাইরা জরিপে ভুটাভুটি করনের চাইতে এইটা অনেক ভাল প্রস্তাব.. +
তার ছিড়া 74 বলেছেন:
++
তবে সত্যিই আইডিয়া গুলো অনেক চমৎকার। তবে বাংলাদেশের জনগনের প্রবেশাধিকার থাকবে না এটা ভাল লাগল না।
গিফার বলেছেন:
পোস্ট দিচ্ছি দেখ...
একজন ব্লগার বলেছেন:
আপনার কথা ঠিকাছে। কিনতু নুড বিচ হওনের পর কোন বিদেশী যদি কোন স্থানীয় মাস্তান বা রাজনিতিবিদ কর্তৃক ধর্ষিত হয়, তাইলে সেই দায়িত্ব কে লইবো?ইংলন্ড-আম্রিকার কোন মাইয়া যদি বাংলাদেশে আইসা রেইপড হয়, আপনার নুড বিচরেই নুড কইরা ছাইড়া দিবো। বিদেশী অপহরন, নির্যাতন নিয়া দেশে তো কম কেলেংকারি হয় নাই।
মাইন্ড খাইলাম না।
একজন ব্লগার বলেছেন:
যে দেশের ৮৫% লোক মুসলমান এবং ধর্মপ্রান, সেই দেশে নুড বিচ করা এত সোজা না। করতে পারলে সেইটা টিকায়া রাখাও টাফোবে।
কিসলু বলেছেন:
গুড আইডিয়া , কিন্তু কবে এগুলো বাস্তবায়িত হবে ?
মামু বলেছেন:
হ নুড বিচ দরকার
লেখক বলেছেন:
মামা তুমি থাকলেই অইব কামডা।
পইরা মনটা খারাপ হইল...
সব আচে মাগার করার ইচ্ছা নাই!!!!
না ভাই মনটা খারাপ হইল।
যা কইসেন একটাও ফেলনা না, স্বপ্ন দেখা শুরু করছিলাম পইরা, যে এরকম হইব.....
কিন্তু হইব কবে????????????????????

















