কিছু গতানুগতিক প্রশ্ন
প্রায়ই জানতে ইচ্ছে হয়,
তবু অর্থের অর্থহীনতার অঙ্ক কষে
প্রায়শঃই প্রশ্নগুলো রুমালে মুছে ফেলি
তারপরও কি মনে করে
দেয়াল ঘড়িটাকে বিশ্বস্ত ভেবে
ছন্দছাড়া কথাগুলো
বলে যাচ্ছি.....।
আলোর কাছে কে কতটা ভিন্ন?
যদি একঝাঁক জোনাকি নিশাচরের জানালায় ছেড়ে দিই
নিশাচর কি ভোর হয়েছে ভেবে ঘুমোতে যাবে?
যদি এখন এসে ঘরটায় আলো জ্বেলে দিই
অন্ধকার কি পালিয়ে যাবে মন থেকে?
তারপরও আলো জ্বালাই আমরা
এর নাম কি লড়াই? নাকি নিয়ম?
অথবা ইচ্ছের ডানা মেলা পাখি; স্বপ্ননদী পাড়ি দেবে বলে
যে প্রতিদিন একবার করে আহত ডানা ঝাপটায়।
সবটাই কি তবে আশা? আশার সিড়িঁ বেয়ে কতদূর যাওয়া যায়?
সেই পথ ধরে যেতে যেতে স্বপ্ননদীর জোয়ার কি থেমে যায়?
ইচ্ছের প্রবল জোড়ে পাখিটা কি আহত ডানায় উড়তে শেখে?
নাকি হতাশার আয়নার চুরমার হয়ে ভেঙ্গে যায় সব? সবকিছু?
নিশাচর বুঝি তাই জোনাকির আলোয় ভেসে যায়না
অন্ধকারে তবে কিসের এত তাড়া?
দেয়াল ঘড়িটায় একমনে কাঁটা ঘুরছে
আমার একাধিক প্রশ্নের কি এক বিচ্ছিন্ন জবাব এল
বৃত্তাকারে ঘড়ির কাঁটায়
-রাত তিনটা।
দুরে কোথাও দৃষ্টি চলে যায়
আকাশ, রাতের আকাশে অজস্র তারা
এরমাঝে কেন জানি মেঘ খুঁজে বেরাই
বৃষ্টি, মুষলধারে বৃষ্টি
নিশাচরের মত অন্ধকারে আমারও আজ তাড়া
বৃষ্টির পরেই যে ভোর হবে
অন্ধকারের অশ্রুশিশির মিশে যাবে
বৃষ্টিস্নাত আলোর মিছিলে।
সর্বশেষ এডিট : ০৮ ই জানুয়ারি, ২০১৬ ভোর ৫:০৯

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



