-সরকার ডাটা আর ভয়েসকে আলাদা হিসাব কষে দেশে আইসিটি এর যথাযথ ব্যবহার করতে চাইছিল!!! এরকম অযৌক্তিক এবং বেমানান দর্শনের জন্য আইসিটি এবং কম্পিউটারাইজেশনের নামে হাজার হাজার কোটি টাকা বিভিন্ন অর্থ-সাহায্য লোন খরচও হয়ে গেছে। সরকারের যথাযথ সেক্টরের পরামর্শকগন তখন কি করেছিলেন? ডাটা আর ভয়েসকে আলাদা আলাদা হিসাব কষার মহান কাজ করে সরকারকে ভি-ও-আই-পি অবৈধ হিসাবে চেনাতে সাহায্য করেছেন!!!?!
ব্যান্ডউয়িথ এর জন্য আমরা নাগরিকরা সরকারকে চার্জ দিছি, কিন্তু ভয়েসকে আলাদা হিসাব করে ভি-ও-আই-পি অবৈধ ভেবে প্রশাষন কাজ করছে। তাহলে আমি তো gtalk, Y!M এসবে ভয়েস চ্যাট করি সেটাও অবৈধ!!!?!
ডিজিটাল/কম্পিউটারাইজেশনের কাজে সরকারে বিভিন্ন আধিদপ্তরে একই উদ্দেশ্যে আলাদা আলাদা প্রজেক্ট নেয়া বন্ধ করতে হবে। যেমনঃ স্কুল/কলেজের মানচিত্র ডিজিটাল করার জন্য এলজিইডি কোটি টাকার প্রজেক্ট নিয়েছিল আবার ব্যন্সডকও একই কাজের জন্য প্রজেক্ট নিয়েছিল। আর একটি মতামত, ২০০১ সাল হতে আজ পর্যন্ত প্রায় ৩ হাজার কোটি টাকা খরচ করে এলজিইডি ১০০ এরও অধিক পৌরসভার সকল হোল্ডিং এর তথ্য ডিজিটাল করেছে, এই ডাটাবেস ডিজিটাল বাংলাদেশে তৃণমূলে বিভিন্ন সার্ভিস আরম্ভ করার জন্য সহায়ক হবে বলে মনে করছি।
আর একটি আশংকা রাজাকার শ্রেণীর কিছু পরামর্শক/কর্মচারী তখনকার সময়ে এবং গোপনে এখনও সরকারকে আজগুবি - মনগড়া হিসাব চেনাচ্ছেন আর নিজেদের ফায়দা লুটেছেন। যেমন ভিওআইপি, ডাটাবেস নরমালাইজেশন না করে অতিরিক্ত র্যা মের বাজেট বরাদ্দ ইত্যাদি। যা প্রকৃতভাবে দেশের জন্য সুফল বয়ে আনতে পারে না। সবচেয়ে বড় কথা এ সব অযৌক্তিক ভূলের জন্য দেশের প্রচুর অর্থ অপচয় জনগন মেনে নিতে পারবে না। আশাকরি সকল বাধা অতিক্রম করে বাংলাদেশের সরকার একটি সফল দেশ হিসেবে তথ্য-প্রযুক্তির ব্যবহার করবে।
এটা পরিস্কার যে, তথ্য-প্রযুক্তি এর যথাযথ ব্যবহারের ফলেই সুফল পাওয়া যাবে। যথাযথ ব্যবহার নিশ্চিত করার জন্য সরকার যথাযথ পরামর্শকের সাথে আলোচনা করেন। এরপর সিদ্ধান্ত নিয়ে থাকেন। পরামর্শকের মতামত ছাড়া কোন সরকারই এ সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত নিতে পারবে না। এ রকম অনেক ব্যাপার আছে সরকারের ভিতরে। এটা না মানার জন্য সরকারের সবাই যেমন দায়ী নন, তেমনি দুই-তিনজনের জন্য অন্য পরামর্শকগনের সফলতাকেও ছোট করা যাবে না।
-আশাকরছি সকল বাধা অতিক্রম করে বর্তমান সরকার ডিজিটাল দেশ গঠনে সঠিক পথেই যাবে।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

