somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

ইন্টারনেট থেকে ফ্রি গেমস ডাউনলোড

০৬ ই অক্টোবর, ২০০৮ দুপুর ১:৩৯
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

ফ্রি গেমস ডাউনলোডের জন্য ইন্টারনেটে অনেকগুলো ওয়েবসাইট আছে। এসব ওয়েব সাইটে নতুন রিলিজ পাওয়া গেমসগুলো নেই। কোন বড় আকারের ১ জিবি বা ২ জিবি’র থ্রিডি গেমসগুলো নেই। তবে ছোট আকারের যেসব গেমস আছে তা খুবই আকর্ষণীয়। টু ডি স্ট্রিট ফাইটার গেমস, পিন বল বা ফানি পাজল টাইপের গেমসগুলো সব গেমারদের কাছেই আকর্ষণীয়। এছাড়া ফ্ল্যাশ দিয়ে বেশ কিছু ভাল টু-ডি রেসিং গেমস, ফাইটিং গেমস, চেজিং গেমস রয়েছে। এসব গেমসের আকার খুব বেশি হলে ৫০০ এমবি, অধিকাংশই ১০ এমবি সাইজের। তাই সহজেই ডাউনলোড ও সেটআপ করে খেলা যায়। এমন সব ছোট আকারের আকর্ষণীয় গেমসগুলো ডাউনলোড করার জন্য ভাল ওয়েব সাইট হল htp://www.myplaycity.com। মাইপ্লেসিটি সাইটটিতে একটি ফ্রি গেমস টুলবার রয়েছে। এটি ডাউনলোড করে নিলে ফ্রি গেমসের বিশাল এক দুনিয়া আপনার ডেস্কটপে চলে আসবে। এই টুলটির সাহায্যে আপনার পছন্দমত স্বাদের গেমস ইচ্ছামত ডাউনলোডের সুবিধা নিতে পারবেন। বিভিন্ন প্রকারের গেমসের কালেকশন আলাদা আলাদাভাবে এই গেমস টুলবারে সাজানো আছে। মাই গেম সিটি সাইটটিকে এক কথায় বলা যায় মজার মজার সব গেমসের ইন্টারনেট ফ্রি ডাউনলোড রাজ্য। এ রাজ্যের রাজা আপনি নিজেই যখন এ রাজ্য আপনার কম্পিউটারে গেমস টুলবারটি ইন্সটল করে নিবেন। গেমসগুলোর সাইজ খুব ছোট হওয়ায় খুব হাইস্পিড ইন্টারনেট ছাড়াও আপনি সহজেই গেমস ডাউনলোড করতে পারবেন। ডাউনলোড হয়ে গেলে শুধু ডাবল ক্লিক করে চোখের পলকে গেমসটি সেটআপ করে নিলেই হবে। ফ্রি অ্যাকশন গেমস : স্কাই গুফারস- প্লেন ফাইটিং গেমস, হেলিকপ্টার- যুদ্ধের গেমস হেলিকপ্টার দিয়ে, ট্রায়াল বাইক-আল্ট্রাবাইক রেসিং গেমস, এয়ার ফোর্স মিশন- বিমানের সাহায্যে যুদ্ধের গেমস, ফাইট টেরর- ফাইটিং গেমস, লাস্ট পাইলট- এয়ার ফাইটিং গেমস। ফ্রি আর্কেড গেমস : ইজেপ্টবল- পিনবল টাইপের গেমস, বিলিয়ার্ড আর্ট- বিলিয়ার্ড খেলার গেমস, ভিভিড আরকানোয়েড- তারকা যুদ্ধের গেমস, মাউন্টেইনকার- কার রেসিং গেমস, গ্যালাকটিক আর্কানোয়েড- অ্যালিয়েনদের সাথে যুদ্ধের গেমস, নিউ ফর এক্সটিম- থ্রিডি রেসিং গেস। ফ্রি পাজল গেমস : মাহ্জং ফর এভার- প্রাচীন ধ্বংসাবশেষ এর মাঝে পাজল গেমস, পেরিল পাজল- ব্রিক পাজল টাইপের গেমস, হেল হাউজ- মুরগীর বাচ্চা ও ডিম নিয়ে মজার সংখ্যাতাত্ত্বিক পাজল গেমস, সি গার্ড- জাহাজ নিয়ে সমুদ্রে ঘুরে বেড়িয়ে রহস্যের সমাধান।
০টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

আমার মালেয়শিয়া ভ্রমন এবং তাহাদের স্বপ্নের মালেয়শিয়া(ভ্রমন কাহিনী)।

লিখেছেন আমিই সাইফুল, ২৮ শে জুন, ২০১৬ রাত ৯:৪০



নিউজিল্যান্ডে একবছর কাটানোর পর ইচ্ছে হলো দেশে যাবো। আব্বু আম্মুকে অনেক মিস করতাম তাই হঠাত সিদ্ধান্তেই টিকেট কেটে ফেললাম। তারপর বন্ধু বললো দেশেত যাবোই চল এশিয়া ট্যুর দিয়ে... ...বাকিটুকু পড়ুন

"চুধুরী সাহেপ, আমি গরিব হইবার পারি কিন্তু ছুটলোক নই" -(ঈদের ড্রেস নিয়ে রম্য অনুগপ্পো) :-P

লিখেছেন আব্দুল্লাহ তুহিন, ২৮ শে জুন, ২০১৬ রাত ১১:০৩

-চুধুরী সাহেপ, আমি গরিব হইবার পারি কিন্তু ছুটলোক নই,, আমি আপনার মেয়েকে "কিরণমালা, পাখি, খলিফা ড্রেস" কিনে দিতে পারবো না জানি! তবে মাঝে মোধ্যে "কিরণমালা, পাখি" মেহেদি... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমি, আমার বন্ধু, জানা মেম, কাল্পনিক ভালোবাসা, হাসান মাহবুব ও শায়মা।

লিখেছেন গোফরান চবি, ২৮ শে জুন, ২০১৬ রাত ১১:২৮

শুভ সন্ধ্যা। আমার ব্লগে স্বাগতম।এখন থেকে ৮ দিন আগে এই ব্লগে রেজিস্ট্রেশন করি।বেশ ঝামেলাপূর্ণ কাজ।অনেকবার চেষ্টা করার পর সফল হই। নিজের জন্ম তারিখ,মোবাইল নাম্বার, ঠিকানা লিখতে বলে।লিখলাম।তারপর জানালো প্রথম পাতায়... ...বাকিটুকু পড়ুন

শুধু তোমারই চলে চাষআবাদ

লিখেছেন নীলপরি, ২৯ শে জুন, ২০১৬ সকাল ৮:২৭



যতই ভাবি ভুলে যাবো
ভাববো না আর কিছু
ততই দেখি দাঁড়ায়ো এসে
তুমি আমার পিছু পিছু ।

সময়ের মাঝে হারায় সময়
ঝরাপাতা মাড়ানো পদধ্বণীর সুর
তাই যেন বাতাস... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমাদের কোন "কফি হাউস" ছিলো না

লিখেছেন কল্লোল পথিক, ২৯ শে জুন, ২০১৬ সকাল ১০:৩৩



আমাদের কোন "কফি হাউস" ছিলো না।
আমরা শফিকুলের টং চায়ের দোকানে
তিনটা চা পাঁচটা করে পাইলট খেতাম।
রতনের মুখেই আমরা
প্রথম কফির গল্প শুনেছিলাম।
সে বলেছিল
ও জিনিষ খেতে পোড়া পোড়া লাগে
আর স্বাদটা বিটকেলে।

তাই... ...বাকিটুকু পড়ুন

×