আমার প্রিয় পোস্ট
- নিজামীর জেলে যাওয়া । আহা , কতো তুচ্ছ কারনেই না মানুষ খুশী হয়ে ওঠে - আরিফ জেবতিক
- প্রতি ঘন্টায় আপডেট হচ্ছে রেডিও তেহরান - আশরাফ রহমান
- সালাম : প্রীতি, বন্ধুত্ব ও দয়ার প্রকাশ (দুই) - আশরাফ রহমান
- জামায়েত নেতাদের বিরুদ্ধে করা রাষ্ট্রদ্রোহ মামলা খারিজ! - পান্জেরী
- কুরআনের অত্যাশ্চর্য প্রভাব ও প্রাথমিক কুরআনিক প্রজন্ম - ২ - আবূসামীহা
- ১৯৫৮ সালে আয়ুব ক্ষমতা গ্রহনের পরে শেখ মুজিবুর রহমানকে দুর্নীতির অভিযোগে গ্রেফতার করে!! উইকিপেডিয়ার যোচ্চুরী!! - এহহামিদা
- @ধর্মনিরপেক্ষতা নয়; ইসলামই বাংলাদেশের ভবিষ্যত - ফজলে এলাহি
বাংলাদেশ বিরোধী নতুন সংগঠন পাহাড়ী পিপলস আর্মির (পিপিএ) সাম্প্রতিক তৎপরতা
২২ শে জুলাই, ২০০৭ রাত ১:২৩
দেশব্যাপী চাঞ্চল্য সৃষ্টিকারী ড্যানিডা কর্মকর্তা সুমন পাহাড়ী পিপলস আর্মি পিপিএ কর্তৃক অপহরণের ১৩ দিন পর উদ্ধার শেষে শনিবার চট্টগ্রাম সেনানিবাসে আনুষ্ঠানিকভাবে সাংবাদিকদের মুখোমুখী হয়ে অপহরণের চাঞ্চল্যকর তথ্য দিয়েছেন। সুমন সাংবাদিকদের বলেছেন, পার্বত্য চট্টগ্রামে বিচ্ছিন্নতাবাদী সশস্ত্র সংগঠনগুলোর সাথে নতুনভাবে যোগ হয়েছে পাহাড়ী পিপলস আর্মি (পিপিএ) নামের সংগঠন। তারা পাহাড়ী এলাকায় খুন, অস্ত্র ব্যবসা, অপহরণসহ নানা তৎপরতায় লিপ্ত রয়েছে। তাদের হাতে প্রায় দুই শতাধিক মারণাস্ত্র রয়েছে। তারা বলে আমাদের যুদ্ধ করতে হবে। আর যুদ্ধ করতে অনেক ভারী অস্ত্র লাগবে। অস্ত্র কেনার জন্য ধনী ব্যক্তিদের অপহরণ করে টাকা আদায় করতে হবে। নতুন আত্মপ্রকাশ করা পিপিএ সংগঠনটি চাকমাদের বিরুদ্ধে কাজ করছে। তাদের অধিকাংশই বাংলা বলতে পারে না। তাদের রয়েছে স্যাটেলাইটের মাধ্যমে ফোন করার ব্যবস্খা।
গত ২৫ জুন অপহরণের পর সেনাবাহিনী ও বিডিআর-এর চিরুনি অভিযান ও ব্লক রেইড-এর কারণে অপহরণকারীরা গহীন পাহাড়ি জঙ্গলে সুমনকে ফেলে পালিয়ে যায়। পরে মারাত্মক আহতাবস্থায় সেনা সদস্যরা তাকে উদ্ধার করে ৮ জুলাই চট্টগ্রাম নিয়ে আসে।
সাংবাদিক সম্মেলনে সুমন অপহরণের দিনগুলোর দুর্বিষহ অভিজ্ঞতার বর্ণনা করতে গিয়ে বলেন, অপহরণকারী উপজাতি সশস্ত্র যুবক নিজেদেরকে পাহাড়ি পিপলস আর্মি (পিপিএ)-এর সদস্য পরিচয় দিয়ে বলেছে, তারা কোনো রাজনৈতিক দলের মদদপুষ্ট নয় তবে পার্বত্য চট্ট্রগামে যুদ্ধ করতে অস্ত্র কিনতে বিপুল টাকার প্রয়োজন। তাই টাকার জন্য এই অপহরণ করা হয়েছে। অপহরণকারীরা তার মুক্তির বিনিময়ে প্রথমে এক কোটি টাকা দাবি করলেও পরে ৩০/৪০ হাজার টাকায় নেমে আসে। সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দিতে গিয়ে সুমন বলেন, এক সময় আমি নিজেই পার্বত্য চট্টগ্রামে সেনা অবস্থানের বিরোধিতা করেছিলাম। কিন্তু আমার বাস্তব অভিজ্ঞতার আলোকে সে ধারণা পাল্টে গেছে। তিনি বলেন, পার্বত্য অঞ্চল অবশ্যই সেনাবাহিনীর নিয়ন্ত্রণে থাকা প্রয়োজন।
সন্ত্রাসীদের পরিচয় সম্পর্কে তিনি জানান, তাদের বেশীর ভাগই ছিল মারমা সম্প্রদায়ের । তবে তাদের নেতারা ভারতের ত্রিপুরা জনগোষ্ঠীর।
বাংলাদেশ স্বাধীন হবার পর থেকেই ভারতের প্রত্যক্ষ মদদে বাংলাদেশ বিরোধী অসংখ্য সংগঠন গড়ে উঠেছে। সম্প্রতি গারোল্যান্ড প্রতিষ্ঠার ষড়যন্ত্রের খবরও পত্রিকায় এসেছে। এসময় পিপিএর সন্ত্রাসী কর্মকান্ড বাংলাদেশের বিরুদ্ধে আরেকটি ষড়যন্ত্রের ফসল বলেই অভিজ্ঞমহল মনে করছেন। এ সময় দেশ প্রেমিক জনগণ এবং সেনাবাহিনীকে আরো সতর্ক হতে হবে।
ঘিরিঙ্গী বলেছেন:
ঠিক, শান্তি চুক্তির এখন কি হবে ?
অভিযাত্রী বলেছেন:
দাদা আর ভাদা গোরে উচিত একটা শিকষা দেয়া দরকার। বাংলাদেশের সেই বীর কবে আসবে? কবে?
আশরাফ রহমান বলেছেন:
এবার স্বাধীন গারোল্যান্ড প্রতিষ্ঠার ষড়যন্ত্রবাংলাদেশের গারো আদিবাসীদের সম্পৃক্ত করে স্বাধীন গারোল্যান্ড প্রতিষ্ঠার ষড়যন্ত্র চলছে। ইনডিয়ার আসাম, মেঘালয় ও বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী পাচ জেলার নয় উপজেলার বিস্তীর্ণ গারো পাহাড় অঞ্চলকে নিয়ে স্বাধীন গারোল্যান্ডের খোয়াব দেখছে আচিক ন্যাশনাল ভলান্টিয়ার্স কাউন্সিল (এএনভিসি) নামে একটি ইনডিয়ান বিচ্ছিন্নতাবাদী সংগঠন।
১৯৮৭ সাল থেকেই মেঘালয় ও আসাম সীমান্তের গারো জনগোষ্ঠীর সদস্যরা (সবাই নয়) এ সংগঠন গড়ে গারোদের পৃথক ভূমি প্রতিষ্ঠার লড়াই শুরু করে। কিন্তু বাংলাদেশে বসবাসকারী সাধারণ গারো অধিবাসী এ দাবিকে সমর্থন না করায় তাদের ওপর চলছে নানান নির্যাতন।
একাধিক গোয়েন্দা সংস্থার লোকজনের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, ন্যাশনাল ডেমক্রেটিক ফ্রন্ট অফ বোড়োল্যান্ডসহ ১৬টি ইনডিয়ান বিচ্ছিন্নতাবাদী সংগঠনের তৎপরতা রয়েছে এসব সীমান্তে। সীমান্তের আদিবাসীরা জানান, গারো পাহাড়ে বিভিন্ন সময় অত্যন্ত গোপনে এসব সংগঠনের সশস্ত্র ট্রেইনিং হয়। বিভিন্ন সময় বিডিআরের কাছে এসব বিচ্ছিন্নতাবাদী দলের সদস্যরা ধরাও পড়ছে। এএনভিসি প্রতিষ্ঠার পর থেকে মেঘালয় সাউথ, ইস্ট ও ওয়েস্ট এবং ওয়েস্ট গারো হিল ডিস্ট্রিক্ট এবং আসামের ধুবরী, বড়পেটা, নালিতাবাড়ী, কামরূপসহ ব্রহ্মপুত্র নদের পশ্চিম পাড় পর্যন্ত এলাকায় সাংগঠনিক তৎপরতা চালিয়ে বেশ জনসমর্থনও লাভ করে। এখন তারা বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী ময়মনসিংহ জেলার ধোবাউড়া, হালুয়াঘাট, জামালপুর জেলার শ্রীবরদী, নেত্রকোনার দুর্গাপুর ও কলমাকান্দা, শেরপুর জেলার ঝিনাইগাতী, মধুপুর ও নালিতাবাড়ী এবং সুনামগঞ্জ জেলার ধরমপাশা এলাকাকে তাদের অধিকারে নেয়ার টার্গেট নিয়ে কাজ করছে বলে বিভিন্ন সূত্র জানায়। (বিস্তারিত ১৪ জুলাই যাযাদি )
বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌম বিরোধী যড়যন্ত্রের খবর তুলে ধরার জন্য ধন্যবাদ।
রাজনীতিক বলেছেন:
বাংলাদেশ স্বাধীন করে দেয়ার দাবীদাররা এদেশকে তাদের করদ রাজ্য মনে করে। তাইতো স্বাধীনতার পর থেকেই তারা শান্তি বাহিনী, গারোল্যান্ড, মুহাজির সংঘ প্রভৃতি সংগঠনের মাধ্যমে বাংলাদেশ বিরোধি তৎপরতা চালিয়ে যাচ্ছে। অথচ বাংলাদেশের একটা দল তাদের ব্যাপারে টু শব্দটি করছে না! দালালীর একটা সীমা থাকা উচিত।
ইবনে সালাম বলেছেন:
গারোল্যান্ড প্রতিষ্ঠার ষড়যন্ত্রের খবরটি তুলে ধরার জন্য আশরাফ রহমানকে ধন্যবাদ। আর মন্তব্য করার জন্য সকলকে শুভেচ্ছা।
লাল মিয়া বলেছেন:
ছাগলের পোনা
ইবনে সালাম বলেছেন:
লাল মিয়া কারে ছাগলের পোনা কইলা? তুমি কি পিপিএ?
হোসেইন-দ্য এ টিম বলেছেন:
এই গুলান সব হয় ইন্ডিয়ার উষ্কানিতে।বাংলাদেশের উচিত ইন্ডিয়ার গারো ল্যান্ড,মনিপুরী বিচ্ছিন্নতাবাদী আন্দোলন,আসামের উলফা এই গুলারে সাপোর্ট দেয়া।
টিট ফর ট্যাট।
ইবনে সালাম বলেছেন:
হোসেইন- কি কইলেন? বাংলাদেশের ১৭টি জেলা নিয়া যারা গারোল্যান্ড প্রতিষ্ঠার চক্রান্ত করতেছে ভারতের পরামর্শে তাদের সাপোর্ট দিলে বাংলাদেশের কি লাভ ? তবে বাকীদের ব্যাপারে ঠিক আছে।
দিগন্ত বলেছেন:
"তবে বাকীদের ব্যাপারে ঠিক আছে।" - কেন?
ইবনে সালাম বলেছেন:
এই কেন'র উত্তর তো হোসেইনের কমেন্টেই আছে। আপনারা শান্তিবাহিনী,গারোল্যান্ড আন্দোলন, মুহাজির সংঘ,পিপিএ প্রভৃতি বাংলাদেশ বিরোধী সংগঠন তৈরী করে এদেশের স্বাধীনতা বিরোধী চক্রান্ত করতেছেন, তাহলে মণিপুর,নাগা, আলফাসহ অন্যান্য সংগঠনকে যদি বাংলাদেশ সমর্থন দেয় তাহলে অসুবিধা কোথায়? আপনারা বাংলাদেশের স্বাধীনতাকামী বিদ্রাহীদের সমর্থন দিচ্ছেন তাহলে ভারতের স্বাধীনতাকামীদের সমর্থন দিচ্ছেন না কেন ? কেন এই স্ববিরোধীতা বলবেন কি ?---দিগন্ত
দিগন্ত বলেছেন:
স্ববিরোধিতা নয়, আমার দাবী হল দুপক্ষকেই বন্ধ করতে হবে সাহায্য ... কারণ এতে কারোর কোনো লাভ হয় না। তবে ভারতের প্রত্যক্ষ মদতের কি প্রমাণ আছে আপনাদের কাছে সেটা আমার জানা নেই। উত্তর পূর্বে ভারত নিজেদের সমস্যা সামলাতেই ব্যস্ত।
ইবনে সালাম বলেছেন:
বাংলাদেশ তো ভারতের বিদ্রোহীদের সাহায্য করছে না সুতরাং তা বন্ধের প্রশ্নও অবান্তর। আর ভারতের প্রত্যক্ষ মদদে বাংলাদেশ বিরোধী সংগঠনগুলোর তৎপরতার হাজার হাজার প্রমাণ আছে। ভারতের ইন্সস্টিটিউট অব স্ট্র্যাটেজিক স্টাডিজের রিসার্চ ফেলো মি. অশোক এ. বিশ্বাস ৩১-৮-৯৪ তারিখে দ্য নিউ নেশন পত্রিকায় RAW's Role is Furthering India's Foreign Policy শিরোনামের প্রবন্ধে লিখেন,RAW is now involed in training rebels of Chakma tribes and Shanti bahini who carry out subversive activities in Bangladesh ১৯৯১ সালে পাবর্ত্য চট্টগ্রাম জুম্ম শরণার্থী কল্যাণ সমিতির এককালীন সভাপতি উপেন্দ্রলাল চাকমা শান্তিবাহিনীর নেতাদের সাথে মতভেদ দেখা দেয়ার পর বলে ফেলেন, শান্তিবাহিনীর নেতৃত্ব মূলত ভারতীয় গোয়েন্দা সংস্থার হাতে ন্যস্ত। শান্তিবাহিনী যে ভারতের সৃষ্টি এব্যাপারে বিস্তারিত বর্ণনা রয়েছে
অশোকা রায়নার ইনসাইড 'র' বইতে।
অন্যান্য বাহিনীর ব্যাপারেও অসংখ্য প্রমাণ আছে।
দিগন্ত বলেছেন:
চাকমাদের ব্যাপারটা জানা, কিন্তু যেটা (গারো) উল্লেখ করা হয়েছে আমি সেটার কথা বলেছি। আমার বক্তব্য, যে আন্দোলন ভারত থেকেও বিচ্ছিন্ন হতে চায় তাতে মদত দিয়ে ভারতের লাভ কি?
দিগন্ত বলেছেন:
আর চাকমারা কি ভারতে শখ করে গেছে? কত চাকমা রিফিউজি ভারতে ... এখন অনেকে ফিরেছে। প্রথমে কর্ণফুলী বাঁধ আর তারপরে আর্মি ...
আশরাফ রহমান বলেছেন:
যতদিন বিশ্বের মানচিত্রে বাংলাদেশ নামক একটি ভুখন্ড থাকবে ততদিন ভারতীয় চক্রান্ত অব্যাহত থাকবে।
আরিফুর রহমান বলেছেন:
এবং পাকিস্তানী এজেন্টরা এধরনের পোস্টাইতে থাকবে!!অসুবিধা নাই, মাইর চলবে রাজাকার/ড়াজাকারদের ওপর।
আশরাফ রহমান বলেছেন:
বাংলাদেশ বিরোধী ষড়যন্ত্রকারীদের বিরুদ্ধ কথা বললেই পাকিস্তানী হয় তাই না! তাহলে তো সকল বাংলাদেশী দেশেপ্রেমীই পাকিস্তানী! আজব তত্ত্ব!!
আরিফুর রহমান বলেছেন:
অসুবিধা নাই, মাইর চলবে রাজাকার/ড়াজাকারদের ওপর।


















আর আমাদের কিছু আবালে হাম্বা হাম্বা করে।
এই সব কাহিনী তাদের কানে যাবে না।
আমি চাই এই দেশের প্রতিটি নাগরিকের সমান অধিকার।আমরা সবাই বাংলাদেশী। ৫