আমার প্রিয় পোস্ট
- নিজামীর জেলে যাওয়া । আহা , কতো তুচ্ছ কারনেই না মানুষ খুশী হয়ে ওঠে - আরিফ জেবতিক
- প্রতি ঘন্টায় আপডেট হচ্ছে রেডিও তেহরান - আশরাফ রহমান
- সালাম : প্রীতি, বন্ধুত্ব ও দয়ার প্রকাশ (দুই) - আশরাফ রহমান
- জামায়েত নেতাদের বিরুদ্ধে করা রাষ্ট্রদ্রোহ মামলা খারিজ! - পান্জেরী
- কুরআনের অত্যাশ্চর্য প্রভাব ও প্রাথমিক কুরআনিক প্রজন্ম - ২ - আবূসামীহা
- ১৯৫৮ সালে আয়ুব ক্ষমতা গ্রহনের পরে শেখ মুজিবুর রহমানকে দুর্নীতির অভিযোগে গ্রেফতার করে!! উইকিপেডিয়ার যোচ্চুরী!! - এহহামিদা
- @ধর্মনিরপেক্ষতা নয়; ইসলামই বাংলাদেশের ভবিষ্যত - ফজলে এলাহি
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি ক্ষেত্রে মুসলিম অবদানের স্বরূপ সন্ধানে
১৪ ই আগস্ট, ২০০৭ ভোর ৫:৩৫
ইসলাম অনলাইন : আধুনিক যুগের বৈজ্ঞানিকদের বহু অত্যাধুনিক প্রযুক্তি ও যন্ত্রপাতির মূল সূত্র ও কাঠামো প্রণয়ন ও প্রস্তুত করেছিলেন বহু শত বছর আগে মুসলিম বৈজ্ঞানিকরা। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নিউ জার্সি একজিবিশকে বৈজ্ঞানিক উদ্ভাবন ও আবিক্রিয়া ক্ষেত্রে মুসলিম বৈজ্ঞানিকদের অবদানের নমুনা প্রদর্শিত হয়। প্রদর্শনীর আয়োজক লির্বাটি সায়েন্স সেন্টারের ভাইস প্রেসিডেন্ট ওয়েন লেবার গত রোববার নিউ ইয়র্ক টাইমসকে বলেন, আমাদের এই প্রদর্শনীতে মূলত বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক উদ্ভাবন ও উন্নয়নগুলোকে তুলে ধরা হয়েছে।
আজকের যুগের বিমানের বহু শত বছর আগে মুসলিম বৈজ্ঞানিকদের তৈরি আদি উড্ডয়ন যন্ত্র সংস্করণের মডেল প্রদর্শনীতে পেশ করা হয়। অত্যাধুনিক নাবিকীয় দিক নির্দেশক যন্ত্রের (মেরিন কম্পাস) মুসলিম বৈজ্ঞানিকদের উদ্ভাবিত মূল রূপ ও কাঠামো প্রদর্শনীতে উপস্খাপিত হয়। মানবশরীরে রক্ত চলাচল প্রক্রিয়ার ডায়াগ্রাম প্রথম প্রস্তুত করেন মুসলিম বৈজ্ঞানিকেরা, এই গুরুত্বপূর্ণ ঐতিহাসিক উদ্ভাবন তথ্যটি তুলে ধরা হয় প্রদর্শনীতে।
মুসলিম বৈজ্ঞানিকদের নাড়ির স্পন্দন নিরূপক যন্ত্রের নমুনা প্রদর্শনীতে পেশ করা হয়। কেপটাউন ও দুবাইভিত্তিক এমটিই স্টুডিয়োজ মিলিতভাবে “ইসলামিক সায়েন্স রিডিসকভার্ড” নামের এই প্রদর্শনটির আয়োজন করে। ৭শ' থেকে ১৭শ' খৃস্টাব্দ পর্যন্ত মুসলিম বৈজ্ঞানিকদের উদ্ভাবিত যন্ত্রোপকরণের নমুনা দর্শকেরা সরেজমিন প্রত্যক্ষ করার সুযোগ পান এই প্রদর্শনীতে। অন্ততপক্ষে নয়টি অঙ্গনে যেমন জ্যোতির্বিজ্ঞান, প্রকৌশল বিদ্যা, খনন বিদ্যা, উড্ডয়ন, ওষুধ, চক্ষুবিজ্ঞান, পানিনিয়ন্ত্রণ, গণিত এবং শিল্পকলা ও স্খাপত্যে প্রদর্শনীতে উপস্খাপিত মুসলিম বিজ্ঞানীদের অবদান মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বহু বিশেষজ্ঞের জন্য বিস্ময়ের কারণ হয়ে ওঠে।
টিভি পর্দায় মুসলিম বিজ্ঞানীদের প্রতিকৃতি ও পরিচিতি তাদের উদ্ভাবন কর্মের পাশাপাশি প্রদর্শিত হয়। ৮৮০ খৃস্টাব্দে আকাশযাত্রায় সফল যে উড্ডয়ন ক্ষম যন্ত্রটি আব্বাস বিন ফিরনাস উদ্ভাবন করেন, তার নমুনা প্রদশর্নীতে উপস্খাপিত হয়। ১৩শতকে মুসলিম চিকিৎসাবিজ্ঞানীদের নির্মিত শল্যোপচার উপকরণগুলো ছিল আজকের চিকিৎসক সমাজের ব্যবহৃত অস্ত্রোপচার যন্ত্রের আদিরূপ। মানবশরীরে রক্ত সঞ্চালন প্রক্রিয়ার ডায়াগ্রাম বিশ্বের প্রথম প্রস্তুত করেন ইরাকী চিকিৎসাবিজ্ঞানী আলি ইবনে নাফি ১২৪২ খৃস্টাব্দে। শতশত বছর আগে নভোলোকে নক্ষত্রের গতিবিধি নিরীক্ষণের জন্য যে যন্ত্র ইরানী জ্যোতির্বিজ্ঞানী আল খোয়ারিজমি নির্মাণ করেছিলেন, তার প্রতিরূপও প্রদর্শনীতে তুলে ধরা হয়। বিবিধ যন্ত্রপাতির উদ্ভাবক ১২ শতকের সিরীয় ইঞ্জিনীয়ার ইবনে ইসমাইল আল যাজারির যন্ত্র সংগ্রহ এবং ইরাকী চিকিৎসাবিজ্ঞানী আবুল আলি ইবনে আল হাইসামের নেত্রবিজ্ঞানবিষয়ক গুরুত্বপূর্ণ সূত্রগুলো প্রদর্শনীতে দর্শকেরা বিস্ময়ের সঙ্গে প্রত্যক্ষ করেন। চীনা মুসলিম এডমিরাল জেং এর ১৩ শতকে উদ্ভাবিত অভিনব চুম্বকীয় কম্পাস প্রদর্শনীতে সমাগত দর্শকদের অভিভূত করে। লিবার্টি সায়েন্স সেন্টারের ভাইস প্রেসিডেন্ট লেবার বলেন, ইসলামী সভ্যতার সমুন্নত স্বাক্ষর উপস্খাপনের মাধ্যমে মুসলিম জনগোষ্ঠীর অবদান সম্বে অজ্ঞ জনগণকে সুমহান কর্মপ্রেরণার উৎস ইসলাম সম্পর্কে সম্যক জ্ঞানে আলোকিত করে তোলার লক্ষ্যে আমরা প্রদর্শনী আয়োজনের উদ্যোগ নিয়েছি। মুসলিম জনগোষ্ঠী সম্বে বিরাজমান নেতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গীর নিরসনে ও মুসলিম সভ্যতার সত্য ও মহৎ স্বরূপ জনচিত্তে সঞ্চারিত করায় আমাদের এই উদ্যোগ ফলপ্রসূ হবে বলে আমাদের বিশ্বাস। তিনি বলেন, মুসলিম শিল্পসভ্যতা এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি ক্ষেত্রে মুসলিম অবদান ও মুসলমানের অনন্য সাফল্য জনসমক্ষে উ ঘাটিত ও উদ্ভাসিত হওয়ার আজ বিশেষ প্রয়োজন আমরা অনুভব করছি। পাশ্চাত্যে প্রচলিত ও পাশ্চাত্যের নিজস্ব সামগ্রী স্বরূপ গৃহীত বহুতর মুসলিম উদ্ভাবনের প্রকৃত নায়ক ও জনক মুসলিম বিজ্ঞানীরা, এই সত্য সুস্পষ্ট শব্দে আজ ঘোষিত হওয়ার প্রয়োজন রয়েছে। গত বছর লন্ডনে “এক হাজার এক উদ্ভাবন : বিশ্বব্যাপী মুসলিম উত্তরাধিকার উন্মোচন” নামে আয়োজিত মুসলিম বিজ্ঞানপ্রদর্শনী মুসলিম জনগোষ্ঠী সম্বে বিশ্ববাসীর অজ্ঞতা দূর করার ক্ষেত্রে কেবল নয়, বিশ্বসভ্যতার পাশ্চাত্যবাসীর আহরিত জ্ঞানের ভিত্তিটিকেই সমূলে আন্দোলিত ও উৎপাদিত করে তোলে।
বইপাগল বলেছেন:
আমি অভিভূত !
আশরাফ রহমান বলেছেন:
৫
এ্যাটেম পার্টি বলেছেন:
১
মোহক বলেছেন:
এখন কিছু পারেনা কেনো? সমস্যা কি?
এ্যাটেম পার্টি বলেছেন:
সালাম ভাই,৫/৬ শ বছর আগে অনেক কিছু করলেও এখন কিছু পারে না ক্যান?
সেই বিষয়টা একটু শরীয়তি মোতাবেক আলোচনা করেন।
সূর্য বলেছেন:
জ্ঞান-বিজ্ঞানে কেন সেইসময় মুসলমানরা এগিয়ে ছিল তার কোনরকম বুদ্ধিবৃত্তিক বিশ্লেষণ না করে ভক্তি গদগদ হয়ে সব মুসলমানদের/ইসলামের শ্রেষ্ঠত্ব ভাবা সিরিয়াস আহাম্মকি ছাড়া আর কী হতে পারে?আজকের যুগের সমস্ত আবিষ্কার যে সব ঈহুদি-নাসারাদের!
ভক্তিই শক্তি! ভক্তিই মুক্তি! চিন্তা করা শয়তানি।
ডাক্তার আইজউদ্দিন বলেছেন:
Click This Link লেকাটি দৈনিক সংগ্রামে ছাপা হয়েচে আর উনি কোন সোর্স ছাড়া তুলে দিসেন
ডাক্তার আইজউদ্দিন বলেছেন:
ঘাতক ভাই আপনি লিন্কে যান তাহলে দেকতে পারবেন
উদাসী স্বপ্ন বলেছেন:
@আইজু, বান্দরের চক্ষু যে এত সার্প হয়, এইডা জানতাম না!পুষ্ট খানা পইড়া গর্বে আমার পেট বড় না হইয়া ছাতি ৪৪ থিকা ৫৪ হইয়া গেলো গা, কিন্তু একটা প্রশ্ন পইড়া ছাতি আবার আগের জায়গায় ফিরিয়া আসলো: প্রশ্নটা হইলো খ্রীস্টাব্দ ৭০০ বছর আগে আর খ্রীস্টাব্দ ১৭০০ বচর পর মুসলমানরা কেন ডিম ভাজতে লাগলো?
মুসলামানদের পতন তো খ্রীস্টাব্দ ১৩০০ বছর থিকাই শুরু হইছিলো। আর খ্রিস্টানরা খ্রীস্টাব্দ ১৭০০ বছর পর কি এমুন সুধা খাইলো, বা কুন দুকানের চাইল খাইলো আমি বুঝ পাইলাম না? নাকি চেঙ্গিস খানের সাথে এর কোনো সম্পর্ক আছে?
শুনেছিলাম খ্রীস্টাব্দ ৮০০ থেকে ১২০০ পর্যন্ত তুর্কীর মুসলমানদরা নাকি গেরিলা স্টাইলে তরবারী নিয়া যুদ্ধ কইরা মধ্য এশিয়াগুলান নাকি পকেটস্হ করছিলো? তারপর ঐসব দেশের জিনিস গনীমতের মাল হিসেবে নিজেদের হয়ে গিয়েছিলো?
আবার পৃথিবীর ৮০% বেসিক সূত্র তো দেখি ইহুদি নাসারা গো? আবার ইরান যে পরমানু অস্ত্র নিয়া লাফালাফি কইরাও করে না, সেইটাওতো ইসরাইলের বাপ ইহুদি আইনষ্টাইন নাকি বানাইছিলো?
অজ্ঞানী কে জানাইলে বাধিত হইবো!
ফজলে এলাহি বলেছেন:
পৃথিবীতে ইসলামের বিজয় ঘটবে পৃথিবীর প্রয়োজনেই। ইনশাআল্লাহ্।ইসলামের প্রতি আন্তরিকভাবে (দেশে দেশে এনজিওদের মত টাকার বিনিময়ে নয়) মানুষের অনুপ্রবেশ এবং বিশেষজ্ঞদের (এমনকি অমুসলিম বিশেষজ্ঞরাও) দূরদৃষ্টিও তাই বলছে।
অতএব, বর্তমান পৃথিবীর প্রেক্ষাপটে ইসলাম বিজয়ী হতে হলে এর অনুসারী/ধারক/বাহকদের নিকটও উন্নত বিজ্ঞান-প্রযুক্তি আসতে হবে অথবা বিজ্ঞান-প্রযুক্তিকেই ইসলামকে সমর্থন দিতে হবে।
আর এর প্রেক্ষিতে এ আশা করা অতিরিক্ত হবে না যে, মুসলমানেরা আবার তাদের অতীত ঐতিহ্যের দিকেই ধাবিত হচ্ছে দিনে দিনে। আল্লাহ্ সহায়।
বইপাগল বলেছেন:
ইনশাল্লাহ ...
ইবনে সালাম বলেছেন:
আহহারে হারাধন, সংগ্রামওয়ালাদের সাথে তোমার তো ভালাই খাতির তাহলে তাগো জিগাইও যে লেখাটা কার ?
ডঃ আইজউদ্দিন বলেছেন:
লেকাটা তো হেগো সম্পাদকীয় পেজে ছাপা হইসে। ক্যান তুমি কি হেই টাট্টি খানায় কাম কড়ও
ইবনে সালাম বলেছেন:
চান্দু তুমিও তো মাঝে মাঝে বিভিন্ন পত্রিকা থেকে লেখা দাও তাহলে তুমি কেন ঐ কাম কর? আসল কথা হইতাছে এই ধরণের খবর শুনলে তোমার কষ্ট হয় তাই না ?

















