আল কুরআনের প্রথম বাংলা অনুবাদক কে ছিলেন ?

১৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ বিকাল ৫:৩০

শেয়ার করুন:                   Facebook






লেখক- আবদুল হালীম খাঁ

বাংলা ভাষাভাষীদের মধ্যে ব্যাপকভাবে প্রচলিত আছে যে, ভাই গিরীশ চন্দ্র সেন আল কুরআনের প্রথম বাংলা অনুবাদক। এ প্রচারণার কিছু কারণ ছিল। বৃটিশ আমলে এদেশে ব্রাহ্মধর্মের একটা জোয়ার এসেছিল। গোঁড়া হিন্দু ভাই গিরীশ চন্দ্র সেন এক সময় হিন্দু ধর্ম ত্যাগ করে ব্রহ্মধর্ম গ্রহণ করেন। ব্রাহ্মধর্ম এ দেশে ছিল একটি নতুন ধর্মমত। তাই এ ধর্মমত আপামর জনসাধারণের মধ্যে প্রচারের জন্য গিরীশ চন্দ্র নিজে উদ্যোগী হলেন। কিন্তু অর্থকড়ির তো প্রয়োজন। সেটা আসবে কোথেকে! তিনি আরবী ও ফারসী ভাষায় পণ্ডিত ছিলেন। মুসলমানদের পকেট থেকে টাকা বের করার জন্য বেশকিছু ইসলামী বই রচনা করলেন এবং সেই সাথে পবিত্র আল কুরআনের অনুবাদ করে প্রকাশ করলেন। মুসলমানরা এ বই কিনলোও প্রচুর। ফলে বাংলা ভাষাভাষী যারাই কুরআন শরীফের বঙ্গানুবাদ হাতে পেতে চাইলো তাদের হাতে পৌঁছে গেল তার অনূদিত কুরআন শরীফ। এ ব্যাপারে তাঁকে ব্রাহ্মসমাজ হিন্দু ব্যক্তিবর্গ এমন কি বৃটিশরাও যথেষ্ট সহযোগিতা করেছে। ফলে মানুষ মনে করেছে পবিত্র কুরআন শরীফের প্রথম বঙ্গানুবাদকারী হচ্ছেন ভাই গিরীশ চন্দ্র সেন। আসলে পবিত্র কুরআনের প্রথম বঙ্গানুবাদকারী যে মৌলবী মোহাম্মদ নঈমউদ্দীন সে কথা অল্প কিছু লোক জানলেও ব্যাপকভাবে প্রচার করার সুযোগ আসেনি। গিরীশ চন্দ্র কুরআনের অনুবাদ বিক্রি করে যে অর্থ লাভ করতেন তা ব্যয় করতেন ব্রহ্মধর্ম প্রচার কাজে। ফলে ব্রাহ্মধর্ম প্রচারের মিশনের সাথে কুরআন বিক্রয়ের একটা গভীর সম্পর্ক ছিল।
মৌলবী মোহাম্মদ নঈমউদ্দীন ছিলেন একজন মুসলমান। তিনি স্বত:প্রণোদিত হয়ে আল কুরআনের বঙ্গানুবাদ করেছিলেন। তা প্রচারের জন্য গিরীশ চন্দ্র সেনের মতো কোনো মিশন ছিল না। যার কারণে তার প্রচার প্রসার ছিল সীমিত। এমনি করেই আল কুরআনের প্রথম বঙ্গানুবাদকারী হয়েও মৌলবী মোহাম্মদ নঈমউদ্দীন ভাই গিরীশ চন্দ্র সেনের মতো প্রচার পেতে পারেননি।
মৌলবী নঈমউদ্দীন ছিলেন প্রকৃত ইসলামী চিন্তাবিদ, সুসাহিত্যিক, ইসলাম প্রচারক, সমাজ সংস্কারক, সুবক্তা এবং মানবপ্রেমিক। মুসলমানদের মধ্যে তিনিই প্রথম বাংলায় আল কুরআনের অনুবাদকারী হিসেবে অক্ষয় গৌরব অর্জন করেছেন। সেজন্য মুসলিম সমাজ তাঁকে চিরকাল অসীম শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করবেন।
বর্তমানে বাংলা ভাষায় কুরআন শরীফের অনেক অনুবাদ-তফসীর প্রকাশিত হয়েছে। অথচ একশত বছর পূর্বে এর একটিও ছিল না। অবিভক্ত বাংলার জ্ঞানরসহীন বিশাল মরুভূমিতে কী অপরিসীম প্রাণাবেগে ও আকাáক্ষায় বক্তৃতা দিয়ে ঝড়ের মতো দেশের এক প্রান্ত থেকে আরেক প্রান্তে ঘুরে বেড়িয়েছেন একজন আলেম-উদ-দহর মৌলবী মোহাম্মদ নঈমউদ্দীন তা ভাবতে আজ অবাক লাগে। করটিয়া থেকে ঢাকা, ঢাকা থেকে বার্মা সিলেট, সিলেট থেকে রংপুর, তারপর কলকাতা, কলকাতা থেকে আসাম, বিহার আর দার্জিলিং ছিল তাঁর হাতের তলা যেনো।
এই মহা মনীষীর ত্যাগ ও সাধনার উপর ভিত্তি করে আজ সমাজ ও জাতি অনেক দূর অগ্রসর হয়েছে। সমাজ যে প্রদীপ থেকে আলো পেয়ে আলোকিত হয়েছে, সমাজ এখন সেই আলোর মূল উৎসকেই ভুলে গেছে। বর্তমান সমাজের তরুণেরা তো দূরের কথা, প্রবীনেরাই তাঁকে ভুলে গেছে। তাঁর রচিত মূল্যবান গ্রন্থগুলো এখন আর কোথাও পাওয়া যাচ্ছে না। বড়ই দু:খের বিষয়, নামটিও একেক লেখক একেকভাবে লিখেছেন। কেউ তাঁর নামের আগে ‘মৌলবী’ লিখেছেন, কেউ লিখেছেন ‘মুন্সী’। কেউ নামের সঙ্গে মোহাম্মদ যুক্ত করেছেন, কেউ বাদ দিয়েছেন। নামটিতে কেউ ‘ঈ’ আবার কেউ ‘ই’ ব্যবহার করেছেন। উদ্দীনকে কেউ ‘ম’-এর সঙ্গে যুক্ত করে দিয়ে ‘নঈমুদ্দীন’ এবং কেউ ‘নঈমউদ্দীন’ লিখেছেন। কেউ কেউ আবার মূল নামটি ‘’ৈ দিয়ে ‘নৈমুদ্দীন’ লিখেছেন।
বাংলা ভাষায় কোনো খ্যাতিমান ব্যক্তির নাম বোধহয় এতো নানা রূপে বিকৃত করে আর লিখা হয়নি। এই বিকৃতিরীতি মৌলবী মোহাম্মদ নঈমউদ্দীনের প্রতি অবজ্ঞা ও অজ্ঞানতার পরিচয় বহন করে।
জন্ম ও বংশ পরিচয়
মৌলবী নঈমউদ্দীন সম্পর্কে তাঁর পুত্র মৌলবী রোকন উদ্দীন আহমদ তাঁদের খানদানী কুরছিনামা থেকে যেসব তথ্য পরিবেশন করেছেন তাতে দেখা যায় যে, তাঁদের পূর্ব পুরুষ শাহ সৈয়দ মুহাম্মদ খালেদ বাগদাদ থেকে মুঘল সম্রাট জাহাঙ্গীরের আমন্ত্রণক্রমে দিল্লীতে আগমন করেন। তাঁর অধস্তন পঞ্চম পুরুষ সৈয়দ মুহাম্মদ তাহের দিল্লী থেকে শিক্ষকতার উদ্দেশ্যে ঢাকায় আসেন এবং ঢাকায় বিবাহ করে মানিকগঞ্জের গালা গ্রামে স্খায়ীভাবে বসবাস করেন। তাঁর মৃত্যুর পর তাঁর বংশধররা ‘সৈয়দ’ উপাধি ত্যাগ করেন এবং গালা গ্রাম থেকে টাঙ্গাইল জিলার করটিয়ার নিকটবর্তী সুরুজ গ্রামে এসে বসবাস শুরু করেন। মৌলবী মোহাম্মদ নঈমউদ্দীন ১৮৩২ সালে সুরুজ গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর পিতার নাম ছলিমউদ্দীন এবং মাতার নাম তাহেরা বানু।
পিতার নিকট থেকে আরবী, ফারসী ও উর্দু ভাষা শিক্ষা লাভের পর উচ্চ শিক্ষা লাভের জন্য নঈমউদ্দীন ঢাকা চলে আসেন এবং আট বৎসর কাল এক বিশিষ্ট আলেমের তত্ত্বাবধানে থেকে আরবী ফারসী ও উর্দু ভাষায় এবং হাদীস, তাফসীর, ফিকাহ ও মান্তেক প্রভৃতি শাস্ত্রে গভীর জ্ঞান অর্জন করেন। অত:পর তিনি বিহার, এলাহাবাদ, মুর্শিদাবাদ, জৌনপুর, আগ্রা, দিল্লী প্রভৃতি স্খান পর্যটন করেন। এসব স্খানের খ্যাতনামা আলেমদের নিকট থেকে প্রভূত জাহেরী ও বাতেনী বিদ্যা আয়ত্ত করেন। তিনি তাঁর সর্বশেষ উস্তাদের নিকট থেকে আলেম-উদ-দহর উপাধি লাভ করে ৪১ বৎসর বয়সে স্বগৃহে ফিরে আসেন।
সত্যিকার অর্থে তিনি ছিলেন আলেম-উদ-দহর অর্থাৎ জ্ঞান সুমদ্র। তৎকালে হিন্দু সমাজে যেমন ছিলেন ঈশ্বর চন্দ্র বিদ্যাসাগর, মুসলিম সমাজে তেমনি ছিলেন মৌলবী মোহাম্মদ নঈমউদ্দীন। গ্রামে ফিরে এসে তিনি সমাজের উন্নতিকল্পে চিন্তা করতে লাগলেন। তিনি সর্ব প্রথম লক্ষ্য করলেন যে, ইসলামী সমাজ ব্যবস্খা ও রীতি থেকে বিচ্ছিন্নতাই মুসলমানদের অধ:পতনের অন্যতম প্রধান কারণ। কিন্তু ইসলামী শিক্ষা লাভের জন্য মুসলমানদের যেমন আগ্রহ নেই, তেমনি কোনো সুযোগ সুবিধেও নেই। ইসলামী জ্ঞান লাভ করার জন্য বাংলা ভাষায় কোনো গ্রন্থ নেই। অল্প শিক্ষিত মুসলমানদের পক্ষে সম্ভব নয় মূল আরবী ও ফারসী ভাষা থেকে জ্ঞান আহরণ করা। মৌলবী নঈমউদ্দীন জানতেন একমাত্র সাহিত্য সঞ্জীবনী সুধার মাধ্যমেই জাতিকে জাগ্রত ও উন্নতির পথে এগিয়ে নেয়া সম্ভব। তাই তিনি ধর্ম, শিক্ষা, সাহিত্য ও অর্থনীতিতে পিছিয়ে পড়া মুসলিম সমাজকে জাগিয়ে তোলার জন্য সাহিত্য সাধনা শুরু করলেন। এ সময়ে মুসলমানদের অধ:পতনের চিত্রটি ফুটে ওঠেছে করটিয়ায় এক জাতীয় সম্মেলনের একটি গানে। গানটি দীর্ঘদিন সবার মুখে মুখে ধ্বনিত হয় :
তোমহারা ছুরুজ ডুবু ডুবু হ্যায়
তভী তোমাহারা খবর নাহি হ্যায়,
তখ্ত তোমহারা উলট রহী হ্যায়
তভী তোমহারা খবর নাহি হ্যায়। ...
মৌলবী নঈমউদ্দীনের অর্থসম্পদ কিছুই ছিল না। কিন্তু ছিল তাঁর জ্ঞান এবং সমাজসেবা করার মতো বিশাল হৃদয়। তৎকালের করটিয়ার প্রখ্যাত জমিদার হাফেজ মাহমুদ আলী খান পন্নী তাঁকে সহযোগিতা করার জন্য এগিয়ে এলেন। করটিয়ায় তিনি স্খাপন করেছিলেন ‘হাফেজ মাহমুদীয়া যন্ত্র’ নামে একটি ছাপাখানা। এ ছাপাখানা তিনি তাঁকে ব্যবহার ও পরিচালনা করতে দিয়েছিলেন। এখান থেকে মৌলবী নঈমউদ্দীন ‘আখবারে এসলামীয়া’ নামে একটি মাসিক পত্রিকা প্রকাশ করেন। এতে ইসলামের বিভিন্ন দিক নিয়ে প্রবìধ নিবìধ ফিচার ও মুসলিম বিশ্বের বিশেষ খবরাদি ছাপা হতো। প্রতি মাসের সম্পাদকীয় ছিল খুব আকর্ষণীয়। তাঁর সমাজ সংস্কারমূলক প্রবìধগুলো পাঠক সমাজের সাড়া জাড়িয়ে ছিল। ‘আখবারে ইসলামীয়া’ মুসলিম সম্পাদিত পত্রিকাগুলোর মধ্যে ছিল উল্লেখযোগ্য। তৎকালে কলকাতা থেকে প্রকাশিত পত্রিকাগুলোর সঙ্গে পাল্লা দিয়ে সারাদেশে চলতো এ পত্রিকা।
ঊনবিংশ শতাব্দীর শেষ কয় দশকে এবং বিংশ শতকের শুরুতে মৌলবী মোহাম্মদ নঈমউদ্দীন ছিলেন মুসলিম বাংলার রামমোহন। এই মহাপ্রাণ মানুষটি সেদিন বাংলার মুসলমানদের আত্মসচেতন করে তোলার জন্য বক্তৃতা ও লেখনির মাধ্যমে সমাজসেবা ও সমাজ সংস্কারের প্রবল ঝড় তুলেছিলেন। এ সময়ে তাঁর সান্নিধ্যে এসেছিলেন দেশের কয়েকজন উল্লেখযোগ্য কবি-সাহিত্যিক ও সমাজসেবক। এদের মধ্যে কয়েকজন :
মুন্সী মুহাম্মদ মেহেরুল্লাহ, মুন্সী জমিরুদ্দীন, শেখ আবদুর রহীম, মোজাম্মেল হক, মুন্সী মোহাম্মদ রেয়াজুদ্দীন আহমদ, পণ্ডিত রেয়াজুদ্দীন আহমদ মাশহাদী, মোহাম্মদ গোলাম হোসেন, মাওলানা মনিরুজ্জামান ইসলামাবাদী, রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন, মীর মশাররফ হোসেন, মুন্সী মেহেরুল্লাহ (সিরাজগঞ্জ), কবি ইসমাঈল হোসেন সিরাজী প্রমুখ।
আধুনিক বাংলা সাহিত্যে মুসলিম সাধনার দু’টি ধারা সূচিত হয়েছে মীর মশাররফ হোসেন ও মৌলবী মোহাম্মদ নঈমউদ্দীন হতে। সাহিত্যের এই দুই দিকপাল সম্পর্কে মুন্সী শেখ আবদুর রহীম বলেছেন:
‘আমার প্রথম যৌবনে যখন সাহিত্যের পুন্যক্ষেত্রে প্রথম পদার্পণ করি, মুসলমানের জাতীয় জীবনে তখন এক সুচীভেদ্য ঘোর অমানিশা রাজত্ব করিতেছিল। ... দেখিলাম সেই অìধকার যুগেও বাঙ্গালা সাহিত্য গগনে সমাজের দু’টি ধ্রুবতারা অìধকারে আলোকচ্ছটা বিকিরণ করিতেছে, তাহার একটি পরলোকগত মীর মশাররফ হোসেন সাহেব এবং অন্যটি মৌলবী নঈমুদ্দীন মরহুম মগফুর সাহেব।’
মীর মশাররফ হোসেন আর মৌলবী নঈমউদ্দীন সমকালের দু’জন বিশাল ব্যক্তিত্ব, চিন্তা ও জীবন দর্শনের কারণে পৃথক দু’টি ধারায় সাহিত্য রচনা করেন। বলতে গেলে দু’জনই ছিলেন দু’দিগন্তের অধিবাসী। মীর মশাররফ হোসেনের ‘গোজীবন’ নামে ৬৬ পৃষ্ঠার বইটি প্রকাশিত হলে, তার কঠোর সমালোচনা করে নঈমউদ্দীন আখবারে এসলামীয়ায় ফতোয়া প্রকাশ করেন। এতে আখবারে এসলামিয়া সম্পাদক ও মীর মশাররফ হোসেনের মধ্যে মসী যুদ্ধ শুরু হয়। এ মসী যুদ্ধ শুধু টাঙ্গাইল-করটিয়ার মধ্যে সীমাবদ্ধ ছিল না, বাংলা ভারতের বিভিন্ন স্খানে এর প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছিল। তৎকালের বিখ্যাত পত্রিকা ‘সুধাকর’ মীর মশাররফ হোসেনকে সমর্থন করেনি। এ বিরোধ উল্লেখ করে মুন্সী মোহাম্মদ রেয়াজুদ্দীন আহমদ বলেন :
‘যখন প্রধান সাহিত্যিক মীর মশাররফ হোসেন ‘গোজীবন’ নামক পুস্তক লিখিয়া মুসলমানদিগের গো মাংস ভক্ষণ ও গো কুরবানীর বিরুদ্ধে অন্যায় দোষারূপপূর্বক তীব্র মন্তব্য প্রকাশ করেন এবং তদুত্তরে অন্যতম সাহিত্যিক ও ধর্মগ্রন্থ প্রণেতা আখবারে এসলামীয়ার সম্পাদক মৌলবী নঈমউদ্দীন সাহেব ঐরূপ গ্রন্থ লেখক মুসলমানের উপর কাফেরী ফতোয়া দিয়া আখবারে এসলামীয়ায় তা প্রকাশ করেন এবং মীর সাহেব মৌলবী সাহেবের নামে মানহানির মামলা দায়ের করেন, তখন আমরা সুধাকরে অবশ্যই মৌলবী সাহেবের পক্ষ সমর্থন করিতেছিলাম। কিন্তু পণ্ডিত (রেয়াজুদ্দীন আহমদ মাশহাদী) সাহেবও এ বিষয়ে আমাদিগকে বিশেষভাবে উত্তেজিত করিয়া ধর্মের পবিত্র মর্যাদা রক্ষা করিতে সনিবìধ অনুরোধ করিয়াছিলেন। তিনি বিপন্ন মৌলবী সাহেবকে নানা প্রকার সাহায্য করিতে কুণ্ঠিত হইয়াছিলেন না। সে ক্ষেত্রে মীর সাহেবের বìধুতার দিকে তিনি আদৌ দৃকপাত করেন নাই।’
মৌলবী নঈমউদ্দীন মীর মশাররফ হোসেনকে কাফের ফতোয়া দিলে টাঙ্গাইল থেকে মীর মশাররফ হোসেন সাহেবের সম্পাদনায় পাক্ষিক হিতকরীতে বাদানুবাদ শুরু হয় এবং তা দীর্ঘকাল চলে। তারপর পণ্ডিত রেয়াজুদ্দীন আহমদ মাশহাদীর চেষ্টাতে শেষ পর্যন্ত উভয় পক্ষ একটা মিটমাট হয়ে যায়। মীর সাহেব ‘গৌজীবন’ পুনমুদ্রিত করবেন না বলে আশ্বাস দিলে মৌলবী সাহেব তাঁর তারিফ করেন। আদর্শের দিক থেকে দুই সাহিত্যেকের মধ্যে মসী যুদ্ধ হলেও ব্যক্তি জীবনে তাদের মধ্যে আন্তরিকতা ছিল প্রচুর। প্রায়ই তাঁরা একত্র মিলিত হয়ে পারিবারিক সুখ-দু:খ থেকে মুসলমানদের সামাজিক, অর্থনৈতিক, রাজনৈতিক ও সাহিত্য-সংস্কৃতি নিয়ে আলাপ-আলোচনা করতেন।
মৌলবী নঈমউদ্দীনের জীবনের সবচেয়ে বড় কাজ, পবিত্র আল কুরআনের বঙ্গানুবাদ। তাঁর অনুবাদের প্রত্যেকটি আয়াতের অংশসমূহ আলাদা আলাদাভাবে আরবী হরফে মুদ্রিত করে তার নিচে সে অংশের বাংলা তরজমা এবং তার পরে অপেক্ষাকৃত ছোট হরফে তার ব্যাখ্যা ও বিস্তৃত তফসীর করেছেন। তাঁর অনূদিত কুরআন শরীফ প্রথম খণ্ড ১৮৯১ ইছায়ী সালের ২৬ সেপ্টেম্বর প্রকাশিত হয়। দ্বিতীয় খণ্ডের প্রথম সংস্করণ ১৮৯২ সালে হাফেজ মাহমুদ আলী খান পন্নী জমিদার সাহেবের অনুগত্যানুসারে করটিয়া মাহমুদীয়া যন্ত্রে ছাপা হয়। এই ছাপাখানা থেকে তৃতীয় খণ্ডও প্রকাশিত হয়। তৃতীয় খণ্ড ছাপা হওয়ার পর তিনি কলকাতা চলে যান এবং জলপাইগুড়ির জমিদার খানবাহাদুর রহিম বক্স খানের অর্থানুকূল্যে তাঁর অনূদিত কুরআন শরীফের ৭ম, ৮ম ও ৯ম পারা পর্যন্ত প্রকাশ করেন। ১০ম পারা মুদ্রণ শেষ হওয়ার পূর্বেই ১৯০৮ সালে ২৩ নবেম্বর মৌলবী নঈমউদ্দীন ইন্তেকাল করেন। তিনি সর্বমোট তেইশ পারা পর্যন্ত অনুবাদ করেন। অবশিষ্ট অংশ তাঁর পুত্র কাছেম উদ্দীন ও ফখরুদ্দীন আহমদকে অনুবাদ ও প্রকাশ করার নির্দেশ দিয়ে যান।
মৌলবী নঈমউদ্দীন ফতয়ায়ে আলমগিরী বাংলায় অনুবাদ করে চার খণ্ডে প্রকাশ করেন। তিনি বুখারী শরীফের অনুবাদ করেন। কিন্তু বুখারী শরীফের আংশিক না সম্পূর্ণ অনুবাদ করেছিলেন তা সঠিক জানা যায়নি।
অন্যান্য রচনাবলী
মৌলবী নঈমউদ্দীন রচিত আরো কিছু পুস্তক রয়েছে। এগুলো হচ্ছে :
১. কালেমাতল কোফর, ২. এছাবাতে আখের জ্জোহর, ৩. এনসাফ, ৪. রফা-এদায়েন, ৫. আদেল্লায় হানিফীয়া, ৬. মায়াদানোল ওলুম, ৭. ইউসুফ সুরার সুবিস্তৃর্ণ তফসীর, ৮. সেরাতল মস্তাকিম, ৯. সেরাতল মস্তাকিম (নব পর্যায়), ১০. ধর্মের লাঠি, ১১. বেতের, ১২. তারাবিহ।
এগুলো ব্যতিত পুঁথির ভাষায় এবং পুঁথির আদর্শে আরো কয়েকটি জীবন চরিত লিখেছিলেন। এগুলো হচ্ছে :
১. ছহী শাহ আলমের কিচ্ছা, ২. ছহী শের সাহেবের কিচ্ছা, ৩. ছহী আলমগীরের কিচ্ছা, ৪. ছহী নূরজাহান বেগমের কিচ্ছা, ৫. ছহী আলাউদ্দীনের কিচ্ছা, ৬. ছহী হোসেন শাহের কিচ্ছা, ৭. গোকান্ড।
মৌলবী নঈমউদ্দীন তাঁর আরদ্ধ কাজ সম্পন্ন করে যেতে না পারলেও মুসলিম সমাজে আল কুরআনের প্রথম বঙ্গানুবাদকারী হিসাবে অক্ষয় যশের অধিকারী হয়ে আছেন। তৎকালে মুসলিম সমাজে তাঁর মতো অসাধারণ জ্ঞানী আলেম এবং বহু গ্রন্থ প্রণেতা ও অনুবাদকারী আর কেউ ছিলেন না। অসাধারণ বাগ্মী হিসাবেও তিনি সারাদেশে সুখ্যাতি লাভ করেছিলেন।

( সোনার বাংলা )

 

 

  • ৭০ টি মন্তব্য
  • ৭৮৮ বার পঠিত,
Send to your friend Print
রেটিং দিতে লগ ইন করুন
পোস্টটি ১৪ জনের ভাল লেগেছে, ২২ জনের ভাল লাগেনি
১. ১৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ বিকাল ৫:৩৫
comment by: নাঈম বলেছেন: দুঃখ জনক
২. ১৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ বিকাল ৫:৪০
comment by: ঐশ্বরিয়া বলেছেন: এ কথা প্রকৃতপক্ষেই সত্য যে কোরআনের প্রথম বাংলা অনুবাদ করেন ভাই গিরীশ চন্দ্র সেন।

দয়া করে মিথ্যা তথ্য দিয়ে মানুষকে বিভ্রান্ত করবেননা। হোক ভাই গিরীশ চন্দ্র সেন বিধর্মী। কিন্তু কোরান বাংলায় প্রথম অনুবাদ করার কারনে তিনি সব ধর্মের লোকদের কাছেই সম্মানীত।

তাই মানুষকে বিভ্রান্ত করবেন না প্লিজ।
৩. ১৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ বিকাল ৫:৫১
comment by: ত্রিভুজ বলেছেন:

বিষয়টি আমি আগে পড়েছিলাম কোন এক বইয়ে। দু:খজন বিষয় যে এটি অনেক মুসলমানই জানে না। ধন্যবাদ ইবনে সালাম।

প্রিয় পোস্টে রাখলাম।

৪. ১৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ বিকাল ৫:৫২
comment by: ঐশ্বরিয়া বলেছেন: @ ইবনে সালাম (সোনার বাংলা)

ভন্ডামী বন্ধ করেন। মানুষকে বিভ্রান্ত করবেন্না।
৫. ১৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:০০
comment by: অমি রহমান পিয়াল বলেছেন: সোনার বাংলা কোন বই থেকে লিখাটা ছাপিয়েছে সেই তথ্যসূত্রটা উল্লেখ করেত পারলে ভালো হতো। এমন ঐতিহাসিক তথ্য যাতে বিতর্কিত না হয সেজন্য যারা আগে এ ব্যাপারে পড়েছেন তাদের অনুরোধ করছি। একজন হিন্দু কোরআন অনুবাদ করে সে টাকা বিধর্ম প্রচারে ব্যবহার করছেন এরচেয়ে কুফরী আর কি হতে পারে। ধন্যবাদ ইবনে সালামকে সোনার বাংলার চাঞ্চল্যকর প্রবন্ধটি কাটপেস্ট করার জন্য। পোস্ট পর্যবেক্ষণে রাখলাম বিস্তারিত জ্ঞানের আশায়
৬. ১৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:০২
comment by: সত্যদা বলেছেন: জনাব সালামের পুত,
এইভাবে তথ্যই সত্য বাক্য বুকে ধারন করিয়া আপনি তথ্য বিভ্রাটে ভরপুর রচনা কিভাবে রচিলেন , ভাবিতেছি...

আপনি ভাই গিরিশ চন্দ্র্রের উপর যে অপবাদের তকমা লাগানোর চেষ্টা করছেন....মুসলমানদের পকেট থেকে টাকা বের করার জন্য বেশকিছু ইসলামী বই রচনা করলেন এবং সেই সাথে পবিত্র আল কুরআনের অনুবাদ করে প্রকাশ করলেন ...

তার প্রমাণ তথ্য কই?.... নাই , সুতরাং আপনার বাণী অনুসারে আপনার বক্তব্য ভিত্তিহীন।

আর যে মান্যবরকে উর্দ্ধে তোলার বাসনায় তাহাকে বিতর্কিত করিলেন...তাহার সর্ম্পকে আপনার উক্ত্ই দ্বৈত্বতায় পূর্ণ...
আপনিই বলছেন... .তা প্রচারের জন্য গিরীশ চন্দ্র সেনের মতো কোনো মিশন ছিল না। যার কারণে তার প্রচার প্রসার ছিল সীমিত।

আবার আপনিই লিখছেন.....
মৌলবী মোহাম্মদ নঈমউদ্দীন। গ্রামে ফিরে এসে তিনি সমাজের উন্নতিকল্পে চিন্তা করতে লাগলেন।

কোন লোকের মিশন না থাকলে বিয়ে শাদী গ্রহস্থালী রেখে কেউকি সমাজের উন্নতি কল্পে জচন্তা করেন।....

আবার আপনার দাবীকৃত ব্যক্তি যে অর্থ যে ভালই চিনতেন বা পেয়েছেন...এবং নিয়েছেনও..তাতো আপনার লেখাতেই আছে...

"তৎকালের করটিয়ার প্রখ্যাত জমিদার হাফেজ মাহমুদ আলী খান পন্নী তাঁকে সহযোগিতা করার জন্য এগিয়ে এলেন। "....
...... তৃতীয় খণ্ড ছাপা হওয়ার পর তিনি কলকাতা চলে যান এবং জলপাইগুড়ির জমিদার খানবাহাদুর রহিম বক্স খানের অর্থানুকূল্যে তাঁর অনূদিত কুরআন শরীফের ৭ম, ৮ম ও ৯ম পারা পর্যন্ত প্রকাশ করেন
...

সুতরাং এসব লিখার আগে প্রচুর পড়াশোনা করুন। জ্ঞানেদের সাথে পরামর্শ করুন। তথ্য প্রমাণ যুক্ত করুন...তারপর প্রকাশ করুন।


অন্যথায় ঐশ্বরিয়ার মত কর্ই বলতে হয়..

ঐশ্বরিয়া বলেছেন: এ কথা প্রকৃতপক্ষেই সত্য যে কোরআনের প্রথম বাংলা অনুবাদ করেন ভাই গিরীশ চন্দ্র সেন।

দয়া করে মিথ্যা তথ্য দিয়ে মানুষকে বিভ্রান্ত করবেননা। হোক ভাই গিরীশ চন্দ্র সেন বিধর্মী। কিন্তু কোরান বাংলায় প্রথম অনুবাদ করার কারনে তিনি সব ধর্মের লোকদের কাছেই সম্মানীত।

তাই মানুষকে বিভ্রান্ত করবেন না প্লিজ।



৭. ১৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:১২
comment by: মাতব্বর বলেছেন: রেফারেন্স চাই...
তার আগে কিছুই বলতেছি না।
এটি সত্য হলে ভালো লাগবে....
রেফারেন্স .... রেফারেন্স ....
৮. ১৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:১৭
comment by: স্বাধীনতা তুমি বলেছেন:
সত্য মিথা জানি না। তবে সময় পেলে সত্যতা যাচায় করবো ভাবষ্যতে।
৯. ১৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:২০
comment by: সজীব১৬১২ বলেছেন: ভালো লাগল জেনে।
আজকে প্রথম ইসলাম গ্রুপে পোস্ট দিলাম. কিন্তু এখনো লেখাটা এখনো ১ম পাতায় বা সামনে বা ইসলাম গ্রুপেও প্রকাশ পায় নাই।
কেউ কি জানাবেন লেখাটা কি মডারেটর দ্বারা review হয়ে প্রকাশ পাবে??গ্রুপে লেখা প্রকাশে প্রক্রিয়া সম্পর্কে বিস্তারিত ডজানালে উপকৃত হবো।
১০. ১৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:২৪
comment by: সর্বনাশা বলেছেন: সংকীর্ণতার আরও পরিচয় দিন। এত কমে তো পোষাচ্ছে না। মৌলবী মোহাম্মদ নঈমউদ্দীন--শুধু মুসলমান বললে তো হবে না, তিনি শিয়া ছিলেন না সুন্নী ? সুন্নী হলে কোন মাযহাব ? হানাফী, মালিকী না শাফিয়ী ? তিনি কি তাবলীগ জামাতে বিশ্বাস করতেন না জামাতের মত ইসলামী হুকুমতে ?

আপনার সুমতি কামনা করি।

'এদের কিছু বলা বৃথা। এরা বিশ্বাস করে পৃথিবীর তাবৎ মহৎ কাজ তার নিজ সম্প্রদায়ের লোকই করেছে, অন্য কেউ তা করতে পারে না। এমন সংকীর্ণ হৃদয়ে ধর্মের মত বিশাল বিষয়কে তারা কিভাবে ধারণ করবে ??'
১১. ১৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:৩২
comment by: মাতব্বর বলেছেন: 'স্বাধীনতা তুমি' আমাদের ভরসা....
১২. ১৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:৩৪
comment by: নরাধম বলেছেন: সূত্র কই?
১৩. ১৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:৫২
comment by: দিগন্ত বলেছেন: "তাঁর অনূদিত কুরআন শরীফ প্রথম খণ্ড ১৮৯১ ইছায়ী সালের ২৬ সেপ্টেম্বর প্রকাশিত হয়। "

- আপনার এই তথ্য ভুল নয়, তবে আপনি যেটা জানেননা সেটা হল গিরীশ চন্দ্র সেনের কোরাণ অনুবাদ প্রকাশিত হয়েছিল ১৮৮১ থেকে ১৮৮৬ সালের মধ্যে। সুতরাং গিরীশ সেনই কোরাণের প্রথম অনুবাদক।

আর বাকি গিরীশ সেন সম্পর্কিত মতামত একান্তই আপনার ব্যক্তিগত। আমার মনে হয় সেরকম হলে আরো অনেক ব্রাহ্মই এইরকম কোরাণ অনুবাদ করে ফেলতেন।
১৪. ১৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:৫৪
comment by: দিগন্ত বলেছেন: আমার তথ্যসূত্র -
http://banglapedia.search.com.bd/HT/S_0190.htm

Click This Link
১৫. ১৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:৫৫
comment by: স্বাধীনতা তুমি বলেছেন: @মাতব্বর

আপনের মত মাতব্বর যদি একজন পাই ইনসাল্লাহ।
১৬. ১৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:০১
comment by: সন্ধ্যাপ্রদীপ বলেছেন:

দিগন্ত জবাব দিয়ে দিয়েছে ।
সবকিছুর ইসলামীকরন না করলেই কি নয়?
১৭. ১৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:০৩
comment by: সত্যদা বলেছেন: সর্বনাশা বলেছেন: সংকীর্ণতার আরও পরিচয় দিন। এত কমে তো পোষাচ্ছে না। মৌলবী মোহাম্মদ নঈমউদ্দীন--শুধু মুসলমান বললে তো হবে না, তিনি শিয়া ছিলেন না সুন্নী ? সুন্নী হলে কোন মাযহাব ? হানাফী, মালিকী না শাফিয়ী ? তিনি কি তাবলীগ জামাতে বিশ্বাস করতেন না জামাতের মত ইসলামী হুকুমতে ?

আপনার সুমতি কামনা করি।

'এদের কিছু বলা বৃথা। এরা বিশ্বাস করে পৃথিবীর তাবৎ মহৎ কাজ তার নিজ সম্প্রদায়ের লোকই করেছে, অন্য কেউ তা করতে পারে না। এমন সংকীর্ণ হৃদয়ে ধর্মের মত বিশাল বিষয়কে তারা কিভাবে ধারণ করবে ??'
++
১৮. ১৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:০৪
comment by: বাতিঘর বলেছেন: বিষয়টি যেহেতু প্রতিষ্ঠিত সত্য, তাই এর বিরোধিতা করতে হলে যথেষ্ঠ তথ্য প্রমাণসহ করা উচিত। এখানে যুক্তির কিছূ নেই।
১৯. ১৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:১২
comment by: ত্রিভুজ বলেছেন:

@দিগন্ত
আপনি যে বাংলাপিডিয়ার লিংক দিয়েছেন, সেটা বাংলা পিডিয়ার অফিসিয়াল সাইট নয়। অফিসিয়াল সাইটের লিংক নিচে দিলাম-
http://banglapedia.org/

আপনার সাইটের মত সাইট আমিও বানাতে পারি। বাংলাপিডিয়া.সামথিং.কম দিলেই সেটা বাংলাপিডিয়ার রেফারেন্স হিসেবে বিবেচনার যোগ্যতা রাখে না।
২০. ১৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:২৮
comment by: সিন-লাম-মীম বলেছেন:
@ত্রিভুজ

দেখুনতো বাংলাপিডিয়া.অর্গের গিরিশ চন্দ্র সেন আর দিগন্তের দেয়া সাইটের কন্টেন্টে তফাত আছে কিনা? http://www.banglapedia.org/HT/S_0190.HTM

না জেনে লাফালে তাকে বাংলায় কি বলে জানেন? না জানলে বলবেন, বলে দেব।
২১. ১৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:৩৩
comment by: দিগন্ত বলেছেন: @ত্রিভুজ ভাই
http://banglapedia.search.com.bd/
আপনি হয়ত এটার প্রথম পেজে গিয়ে দেখেন নি যে এটা এশিয়াটিক সোসাইটি অব বাংলাদেশেরই বানানো। আমার বানানো নয়। সোসাইটি অব বাংলাদেশই বাংলাপিডিয়া বানিয়েছেন। সুতরাং আমি ওদের ভুক্তিকে যথেষ্ট সম্মান করি। তবে আমি কিন্তু কোথাও দাবী করিনি যে আমি বাংলাপিডিয়া থেকে উদ্ধৃতি দিচ্ছি। আপনি অকারণে আমাকে দোষারোপ করছেন।

http://banglapedia.org/HTB/101348.htm
আপনার কথামত আমি বাংলাপিডিয়া গিয়ে একটু সার্চ করে দেখলাম। এই ভুক্তিতে প্রথম লাইনেই উল্লেখ আছে যে তিনিই প্রথম বাংলা ভাষায় কোরাণ শরিফের অনুবাদ করেন। তবে কোনো কারণে কোনো সালের উল্লেখ পেলাম না।

যাহোক আপনি আগে থেকেই সব জানেন যখন আশাকরি আমার কথাগুলো আপনার জ্ঞান বাড়াবে বা কমাবে না। এখন আপনি বলতেই পারেন বাংলাপিডিয়া বা উইকি সবই ইহুদীদের বানানো ... সেটা আপনার ব্যক্তিগত ব্যাপার।
২২. ১৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:৩৪
comment by: সন্ধ্যাপ্রদীপ বলেছেন: @ত্রিভুজ, দিগন্তের জবাবটা দেয়ার আগে নিজে আপনার দেয়া সাইটটা চেক কর নিতে পারতেন ।

আপনার সাইট থেকেই যা পেলাম, তা হুবহু দিগন্তের দেয়া লিংকের মতই, ওয়ার্ড বাই ওয়ার্ড । দেখুন আপনার সাইটে যা পেলাম:

Sen, Girish Chandra (1835-1910) religious scholar and translator who made the first creditable and full translation of the holy quran into Bangla, was born in the village of Panchdona in narayanganj. He studied Persian and Sanskrit and began working as a copyist at the court of the deputy magistrate in mymensingh. He taught for a short while at Mymensingh Zilla School before engaging wholeheartedly in journalism and literary activities.

Initially Girish Chandra worked at the dhaka prakash and later as assistant editor at the Sulabh Samachar and Bangabandhu, and as editor of the monthly Mahila. In 1871 he became a Brahmo under the influence of keshab chandra sen and bijoy krishna goswami and travelled through India and Burma to propagate his new faith. Encouraged and inspired by Keshab Chandra Sen, he went to Lucknow in 1876 to study arabic and Islamic literature. The outcome, a Bangla translation of the Quran (1881-86), was his greatest achievement. ......................................................

source: http://banglapedia.org/HT/S_0190.HTM


আর পোষ্টেই বলা, জনাম নঈমুদ্দিনের বাংলা কোরান আসে ১৮৯১-এ ।
তাহলে বিভ্রান্তিটা ছড়াচ্ছেন কেনো?



২৩. ১৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:৩৮
comment by: সন্ধ্যাপ্রদীপ বলেছেন: @দিগন্ত, আমার উপরের মন্তব্যে দেয়া লিংকটা দেখুন । এটার প্রতিটা শব্দ আপনার প্রথমে দেয়া লিংকের হুবহু প্রতিশব্দ ।
২৪. ১৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:৪১
comment by: স্বাধীনতা তুমি বলেছেন:
একি হিন্দু মুসলমানের যুদ্ধ চলছে? বুঝতে পারছিনা। দেখেন দাঙ্গা বাধিয়ে বসেন না যেন। ভারতীয়দের আবার দাঙ্গা করার অভ্যাস আছে। সাবধান কোন ভারতীয়দের উসকানীতে পরবেন না।
২৫. ১৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:৪২
comment by: সিন-লাম-মীম বলেছেন:
ছাগলের তিন নম্বর বাচ্চা এরেই কয়!
২৬. ১৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:৪৫
comment by: অমি রহমান পিয়াল বলেছেন: ত্রিভুজ অবশ্য পারেন এই বিভ্রান্তির অবসান ঘটাতে। তিনি বলেছেন একটি বইতে পড়েছেন আগে, সেটার নাম দিলেও আমরা একটা সূত্র পাই
২৭. ১৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:৪৫
comment by: লাল সালু বলেছেন: ওরে আমারে কেউ ধর! এত বড় জ্যামিতিক ছাগু আমি জীবনেও দেখি নাই! মি--------------------রাজ আপনি কই, দেখে যান কারে আপনি বুঝনোর চেষ্টা করছিলেন দিনের পর দিন। বাংলাপিডিয়ার এশিয়াটিক সোসাইটির ক্রস রেফারেন্স না বুইঝা ছাগলের ছাগল বাংলাপিডিয়ার হাইকোর্ট দেখাইতে গিয়া সন্ধ্যাপ্রদীপ এর কাছে ন্যাংটা হইছে।

২৮. ১৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:৪৭
comment by: লাল সালু বলেছেন: সন্ধ্যাপ্রদী


এশিয়াটিক সোসাইটি কি জ্যামিতিক ছাগুরে একটু জিগান। আর দিগন্তরে কি কইবেন। এশিয়াটিক সোসাইটি তো বাংলাপিডিয়ার ক্রস রেফারেন্স দিছে।
২৯. ১৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:৫১
comment by: `হাসান বলেছেন:
তিনকোনারে এভাবে ল্যাংটা করিয়া ফেলার তিবড়ো পরতিবাদ জানাই
৩০. ১৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:৫২
comment by: `হাসান বলেছেন:
তিনকোনার পঠিত বইয়ের নাম জাতী ঝানতে চাই
৩১. ১৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:৫৪
comment by: সিন-লাম-মীম বলেছেন:

এইবার ইবনে সালাম ভাই দয়া করে ছাগলের তিন নম্বর বাচ্চার কমেন্ট মুছে না ফেললেই হয়!
৩২. ১৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:৫৫
comment by: লাল সালু বলেছেন: এই পুস্টে আঠা লাগানো হোক যাতে তিনকোনার আবালীয় গেয়ান সবাই বুঝতে পারে।
৩৩. ১৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:৫৭
comment by: লাল সালু বলেছেন: হা হা হা লাভ নাইক্কা। পুরা হার্ডডিস্কে হান্দায় গ্যাছে। আফনেরাও তবারক রাইখা দিয়েন। আখেরে কামে দিব।
৩৪. ১৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ৮:০১
comment by: সিন-লাম-মীম বলেছেন:

এইখানেও পাদাবলী ছাইড়া দিল!
৩৫. ১৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ৮:০৯
comment by: মেন্টাল বলেছেন: ত্রিভুজ বলেছেন:

.........আপনার সাইটের মত সাইট আমিও বানাতে পারি।

---------------------------
আমি http://chagu.search.com.bd/HT/S_0190.htm এইরকম একটা সাইট বানাইতে চাই। কেম্নে কি করতে হইবো একটু যদি কয়া দেন।
৩৬. ১৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ৮:২৬
comment by: ত্রিভুজ বলেছেন:

@দিগন্ত
"এই ভুক্তিতে প্রথম লাইনেই উল্লেখ আছে যে তিনিই প্রথম বাংলা ভাষায় কোরাণ শরিফের অনুবাদ করেন। তবে কোনো কারণে কোনো সালের উল্লেখ পেলাম না।"
তাহলে দু'টো এন্ট্রি একই না এটাতো স্বীকরা করলেন?


বাংলা ভাষায় কোরান প্রথম অনুবাদ করেছেন গিরীশ চন্দ্র সেন, এটা তো আরো অনেক যায়গায়ই লেখা আছে। আমি নিজেও ছোট থেকে তাই যেনে এসেছি। এই বিষয়ে যদি কোন চাপাপড়ে যাওয়া ইতিহাস বের হয়ে আসে, তা মানতে আপনাদের সমস্যা কোথায়?

লক্ষ করে দেখতে পারেন এই টপিকটা লিখেছেন "আবদুল হালীম খাঁ"। এটা ইবনে সালাম বা আমার নিজের লেখা নয়! ইবনে সালাম কোন বই থেকে এটা উদৃত করেছেন সেটা উল্লেখ করা পর্যন্ত অপেক্ষায় থাকতে সমস্যা কোথায়?
৩৭. ১৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ৮:২৬
comment by: সন্ধ্যাপ্রদীপ বলেছেন: জনাব ইবনে সালাম, এবার পোষ্টটির বক্তব্য সংশোধন করুন । উপরে আমার দেয়া বাংলাপিডিয়ার লিংকটা নিশ্চয় ভিজিট করেছেন । ধর্মীয় উস্কানী সৃষ্টি যদি আপনার উদ্দেশ্য না হয় তবে পোষ্টটিতে সঠিক ইতিহাস উল্লেখ করে এডিট বা রিপোস্ট করুন । কাউকে বিভ্রান্ত করা বা নিজেকে বিভ্রান্ত দেখা নিশ্চয় আপনার উদ্দেশ্য নয়, কি বলেন !
৩৮. ১৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ৮:২৭
comment by: ত্রিভুজ বলেছেন:

স্বীকরা = স্বীকার
৩৯. ১৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ৮:২৮
comment by: সন্ধ্যাপ্রদীপ বলেছেন: ত্রিভুজ, আমার দেয়া লিংকটা ভিজিট করুন ।
এটা আপনার দেয়া বাংলাপডিয়া ।
আশা করি বুঝবেন ।
৪০. ১৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ৮:২৯
comment by: ফেলুদা বলেছেন: এইডা ছাগুরাম চানপুরির খাসিলত। জামাতিগো সব পুস্টেই দেখবেন যাই লেখা থাকুক সে কয় আগেই পড়ছে, আপনে বানাইয়া লিখলেও কইব পড়ছে কিংবা এমন কিছু লেখার কথা ভাবছে। খালি কই পড়ছে এইডাই মনে করার পারে না।
সারকথা : ক্লোরফিল মস্তিষ্কের জন্য ক্ষতিকারক
৪১. ১৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ৮:৩০
comment by: লাল সালু বলেছেন: তিনকোনা এইবার ফুডা লুংগি ঘুরইয়া গোআ ঢাকছে। লাভ নাই তালিব্বা শ বারাইয়া রইছে। কি চমেতকার দেখা গেল।
৪২. ১৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ৮:৩৩
comment by: ফেলুদা বলেছেন: একটি ছাগলীয় যুক্তি : এটা ইবনে সালাম বা আমার নিজের লেখা নয়! মানে কি আপনিই সালাম আঙ্কেলের ছেলে শামীম। আগে কইবেন তো। এত নিক মেন্টেইন করেন ক্যাম্বায়।
ইবনে সালাম কোন বই থেকে এটা উদৃত করেছেন সেটা উল্লেখ করা পর্যন্ত অপেক্ষায় থাকতে সমস্যা কোথায়?
ইবনে সালাম তো উল্লেখ করছে উনি সোনার বাংলা থাইক্যা পড়ছেন। বইয়ের কথা তো কইলেন আপনে। আপনেই বলেন কোন বইয়ে পড়ছেন
৪৩. ১৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ৮:৩৩
comment by: লাল সালু বলেছেন: ওরে কেউকি নাই এই পুস্টে আঠা লাগা। আঠা না পাইলে তিনকোনার বেহায়া তালিব্বা শ ধইরা চাপ মার!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!
৪৪. ১৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ৮:৩৪
comment by: সন্ধ্যাপ্রদীপ বলেছেন: আমার কমেন্টের কোনো জবাব নাই । কাহিনী কি ?
৪৫. ১৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ৮:৩৭
comment by: লাল সালু বলেছেন: ধুর মিয়া সন্ধ্যাপ্রদীপ, আমি ভাবলাম বাতি আইছে! তিনকোনার তালিব্বা শ হাতাইব, আমরা এট্টুস আঠা পামু আর পুস্ট টা ইসটিকি করমু।
৪৬. ১৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ৮:৪৩
comment by: দিগন্ত বলেছেন: "তাহলে দু'টো এন্ট্রি একই না এটাতো স্বীকরা করলেন?"
- না আমি বাংলাপিডিয়ার বাংলা ভার্সন দেখছিলাম। বাংলাপিডিয়ার একটা ইংরেজী ভার্সানও আছে যা আমার দেওয়া লিঙ্কের সাথে একই। আসলে সব তথ্যই এশিয়াটিক সোসাইটি অব বাংলাদেশের সৌজন্যে - সে আমার বা আপনার যার লিঙ্কই হোক না কেন।

আমার বক্তব্য গিরীশ সেন বাংলায় অনুবাদ প্রকাশ করেন ১৮৮১-১৮৮৬ সালে, আর মোহাম্মদ নঈমউদ্দীন করেন ১৮৯১-৯২ সালে। আপনার কাছে এর থেকে আলাদা কোনো তথ্য থাকলে জানান।

আর লেখক সুচতুর ভাবে গিরীশ সেন কত সালে অনুবাদ করেছিলেন তা এড়িয়ে গেছেন - এই ব্যাপারটা আমার খারাপ লেগেছে।
৪৭. ১৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ৮:৪৪
comment by: ফেলুদা বলেছেন: চানপুছাগুর জইন্য কটঠিন বানান লালু। আরেকটু সহজ করো ;)
৪৮. ১৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ৮:৪৫
comment by: লাল সালু বলেছেন: ফেলুদা, তালিব্বা শ বুঝ নাই, তুমি কিয়ের ফেলুদা। আমি খেলুম না।
৪৯. ১৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ৮:৫৫
comment by: ত্রিভুজ বলেছেন:
@দিগন্ত
আমি যেটা পড়েছিলাম সেটা হলো গিরিশ চন্দ্রের আগে 'মৌলবী নঈমউদ্দীন' অনুবাদ করেছেন। সালের বিষয়টা ঠিক খেয়াল নেই। আর এই প্রবন্ধেও সেই একই দাবী ওঠেছে। একই ধরনের একটি প্রবন্ধ খুব সম্ভব 'মাসিক মদিনা'য় পড়েছিলাম। যেহেতু বিষয়টা নিয়ে প্রশ্ন ওঠেছে, সেহেতু রিসার্স হতে পারে। কিন্তু "এটা সত্য নয়" বলে ফু দিয়ে উড়িয়ে দেয়ার প্রয়োজন কি? যেটা সত্য, সেটাই প্রতিষ্ঠিত হতে সমস্যা কোথায়?

৫০. ১৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ৮:৫৫
comment by: ফেলুদা বলেছেন: ধুরো লালু, আমি তো বুঝছি। যার লাইগ্যা হ্যায় তো বুঝব না। খুদা সাক্ষী, সে এইডা পড়ছি কইলেও আসলে পড়ে নাই
৫১. ১৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ৮:৫৫
comment by: এম.এ.হামিদ বলেছেন: আচ্ছা ইসলামের প্রসার বা মহাত্বর জন্য এ আলোচনা কেন গুরত্বপুর্ন ? নাকি পানি ঘোলা হইলে আবজাব বোঝানো সহজ
৫২. ১৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ৮:৫৯
comment by: ফেলুদা বলেছেন: হ, এইবার ত্রিভুজ ঠিক বলছে। মাসিক মদিনা বর্ষ ১৮, সংখ্যা ৯, পৃষ্টা ৬৩তে উল্লেখ আছে। কিন্তু তারপরও এখানে কনক্রিট কোনো ভিত্তি নাই। তথ্যসূত্র দেওয়া হয় নাই।
৫৩. ১৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ৯:০২
comment by: ফেলুদা বলেছেন: এম.এ হামিদ@ অবশ্যই গুরুত্বপূর্ণ। শালার হিন্দুরা হিন্দুয়ানি বাংলা ভাষায় কোরআন অনুবাদ করবে, তারপর সেই টাকা দিয়া আরো ব্রাক্ষ বানাবে এর চেয়ে অনর্থ শুনছো তোমার এই বুড়া বয়সে? তয় কিনা ব্রাক্ষ্য সমাজের যেই সংখ্যা, তাতে টেকাটা পানিত গেছিলো মালুম হয়। আইচ্ছা অফটপিক, ব্রাক্ষ্যরা কি হিন্দু কাদিয়ানী?
৫৪. ১৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ৯:০৫
comment by: এম.এ.হামিদ বলেছেন: হোকে ফেলুদা আমাগো তাইলে বেশী কইরা হিন্দু অনুবাদ কেনন কাম তাইলে হিন্দু কাদিয়ানী বাড়ব
৫৫. ১৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ৯:০৬
comment by: লাল সালু বলেছেন: তালিব্বা শ তিনকোনায় আসলেই নাও ঝানতে পারে। কেমনে যে বুজাই। পাইছি। তিনকোনার দুই ঠ্যাং দুইদিকে টান দিয়া ধান্দাবাত্তি, চাইরকোনা ওরফে বজলা, ফাকেজা-না, আবালুল্লাহ রা যে