আমার প্রিয় পোস্ট
- নিজামীর জেলে যাওয়া । আহা , কতো তুচ্ছ কারনেই না মানুষ খুশী হয়ে ওঠে - আরিফ জেবতিক
- জামায়েত নেতাদের বিরুদ্ধে করা রাষ্ট্রদ্রোহ মামলা খারিজ! - পান্জেরী
- কুরআনের অত্যাশ্চর্য প্রভাব ও প্রাথমিক কুরআনিক প্রজন্ম - ২ - আবূসামীহা
- ১৯৫৮ সালে আয়ুব ক্ষমতা গ্রহনের পরে শেখ মুজিবুর রহমানকে দুর্নীতির অভিযোগে গ্রেফতার করে!! উইকিপেডিয়ার যোচ্চুরী!! - এহহামিদা
- @ধর্মনিরপেক্ষতা নয়; ইসলামই বাংলাদেশের ভবিষ্যত - ফজলে এলাহি
যুদ্ধাপরাধী প্রসঙ্গে প্রথম আলোর রিপোর্ট এবং দুটি প্রশ্ন
২৬ শে মার্চ, ২০০৮ বিকাল ৩:৩২
দৈনিক প্রথম আলো পত্রিকায় “গোলাম আযমসহ ১৪ রাজনীতিককে আত্মসমর্পণের নির্দেশ দেওয়া হয় : সবুর-শাহ আজিজদের মুক্ত করেছিলেন বঙ্গবন্ধু” এই শিরোণামে একটি প্রতিবেদন ছাপা হয়েছে। এতে বলা হয়েছে,
১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের সময় পাকিস্তান সরকার ও সেনা কর্তৃপক্ষকে সহযোগিতা করার অভিযোগে জামায়াতে ইসলামীর সাবেক আমির অধ্যাপক গোলাম আযমসহ ১৪ জন রাজনৈতিক নেতাকে আদালতে আত্মসমর্পণের নির্দেশ দিয়েছিল বাংলাদেশ সরকার।
এ ব্যাপারে ১৯৭২ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে তদন্ত ও বিচার প্রক্রিয়া শুরু করতে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক প্রজ্ঞাপন জারি করে। প্রজ্ঞাপনে সই করেছিলেন তৎকালীন স্বরাষ্ট্রসচিব তসলিমউদ্দিন আহমেদ।
রিপোর্টে যে ১৪জন যুদ্ধাপরাধীর তালিকা দেয়া হয়েছে সেখানে গোলাম আযমের নাম নেই! ভাল করে লক্ষ্য করে দেখুন তো -
’৭২-এর প্রজ্ঞাপনে যাঁদের আদালতে হাজির হতে বলা হয়েছিল, তাঁরা হলেন পাকিস্তান ডেমোক্রেটিক পার্টির (পিডিপি) নেতা নুরুল আমীন, মুসলিম লীগের খান এ সবুর, ওয়াহিদুজ্জামান (ঠান্ডা মিয়া), খাজা খয়েরউদ্দিন, কাজী আবদুল কাদের, এ কিউ এম শফিকুল ইসলাম, পিডিপির মাহমুদ আলী, রাঙামাটির রাজা ত্রিদিব রায়, ডা. মালিক মন্ত্রিসভার সদস্য চট্টগ্রামের অধ্যাপক এ কে এম শামসুল হক, ফেনীর ওবায়দুল্লাহ মজুমদার, বান্দরবানের অংচই প্রু চৌধুরী, শাহ আজিজুর রহমান, আবদুল জব্বার খদ্দর ও হামিদুল হক চৌধুরী। ”
এবার বলুন তো ঘটনা কি ? তালিকায় নাম না থাকা সত্ত্বেও শিরোনামে গোলাম আযমের নাম দেয়া হলো কিভাবে ?
রিপোটে আরেকটি বিষয়ে বিস্ময় প্রকাশ করে বলা হয়েছে,
“ বিস্নয়কর হলো, তাঁদের কয়েকজনকে ’৭৩ সালে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ব্যক্তিগত উদ্যোগে কারাগার থেকে মুক্ত করেছিলেন। এরপর কেউ কেউ ’৭৫-পরবর্তী সময়ে সরকারের পৃষ্ঠপোষকতায় বাংলাদেশের রাজনীতিতে প্রতিষ্ঠা পেয়েছিলেন।”
এখন আপনারাই বলুন যাদের নাম তালিকায় রয়েছে তাদেরকে পৃষ্ঠপোষকতা দেয়ার জন্য দায়ী কারা ? তাদের কি শাস্তি হওয়া উচিত ?
হ্যারি সেলডন বলেছেন:
পরথম আলো কি জামাতের দলীয় পত্রিকা? সংগ্রাম থিকা খবর দেন, বিশ্বাস করতে সুবিধা হয়।
যুিক্ত বলেছেন:
প্রথম আলোর বিরুদ্ধে মামলা করা উচিৎ
আশরাফ রহমান বলেছেন:
কথিত মুক্তিযোদ্ধারা এ পোষ্টের একেবারে চুপচাপ দেখছি ! চেতনা কি লোপ পেয়েছে?
অবকাশ বলেছেন:
চেতনার আকাশে দূর্যোগের ঘনঘটা.... কে কারে আশা দিবে কে কারে ভরসা দিবো। রাজাকারদের পৃথিবীতে সূয্যদোয় হইছে। জিয়ে পাকিস্থান।
িদদারুল আলম বাননা বলেছেন:
কথিত মুক্তিযোদ্ধারা এ পোষ্টের একেবারে চুপচাপ দেখছি ! চেতনা কি লোপ পেয়েছে?
আসুন না এবার দেখি কিছু বলতে পারেন কিনা?
আপনাদের একটি কথা বলতে চাই লোকের মুখে শোনা কথা কে বিশ্বাস না করে আসুন সত্যিকার ইতিহাস কে জানার চেষ্টা করি।
ধন্যবাদ।
ধন্যবাদ সালাম ভাইকে সুন্দর একটা পোষ্ট দেওয়ার জন্য।
সরলরেখা বলেছেন:
প্রথম আলোর আসল চরিত্র প্রকাশিত হলো। স্বাধীনতার বিষয় হলেই জামায়াত এর সাথে জড়াতে হবে । সত্য-মিথ্যা বিচারের বিষয় নয়।
উম্মু আবদুল্লাহ বলেছেন:
প্রথম আলোর আসল চরিত্র অনেক আগেই প্রকাশিত।
কেএসআমীন বলেছেন:
১৯৭২ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারী যে সরকারী প্রজ্ঞাপন জারি করা হয় তাতে কি গোলাম আযমের নাম ছিল না?নাকি প্রথম আলো হেডিং-এ গোলাম আযমের নাম উল্লেখ করায় বাকিদের নাম পরে উল্লেখ করে? নাকি ভুলক্রমে পত্রিকায় নামটি আসেনি...
আমরা জানতে চাই লিস্টে গোলাম আযমের নাম ছিল কিনা? এখানে জামায়াত সমর্থিত অনেকেই আছেন তাই এই প্রশ্ন...
লেখক বলেছেন: গোলাম আযমের নাম সহ ১৫ জন হয়। এর মানে হচ্ছে গোলাম আযমের নাম ছিলই না। প্রথম আলোর জামায়াত বিদ্বেষী মনোভাবের কারণেই গোলাম আযমের নাম দেয়া হয়েছে।
পান্জেরী বলেছেন:
এনিয়ে আমার পোস্ট গুলো দেখুন।কেএসআমীন , কষ্ট করে আমার ব্লগটি যদি একবার দেখতেন।
ধন্যবাদ।
মাহমুদ রহমান বলেছেন:
এ দেশের মানুষকে এখনও বোকা মনে করার কারণ নেই। ইলেকট্রনিক মিডিয়া আর প্রিন্ট মিডিয়ার মাধ্যমে বারবার চিৎকার করলেই সব জায়েজ হয়ে যায় না।এ কারণেই তারা মামলা করতে পারে না; কারণ প্রকৃত ব্যাপার অন্য রকম। এসব দিয়ে রাজনৈতিক সুবিধা আদায়ই লক্ষ্য। এদের চিৎকার চেচামেচি এতই বাড়াবাড়ি রকমের বেশি যে মাঝে মধ্যে ভাল মানুষদের মধ্যেও কনফিউশন তৈরি করে। এসবের মোকাবেলায় সঠিক তথ্য জানা জরুরি, পোস্টদাতাকে ধন্যবাদ।
সজীব১৬১২ বলেছেন:
মজা পেলাম প্রথম আলোর ভন্ডামি দেখে+
আর খান বলেছেন:
মিথ্যাচারে সিদ্ধহস্ত প্রথম আরলা ধ্বংশ হোক, নিপাত যাক।
আর খান বলেছেন:
প্রথম আরলা=প্রথম আলো
রাফা বলেছেন:
এই জন্যই তো আপনাদের কে নব্য রাজাকার আখ্যা দেওয়া হয়েছে। ঘটে কি কিছুই নাই, যে নাম হেড লাইনে ব্যবহার করা হয়েছে সেটাকে কি পূনরায় উল্লেখ করা খুবই জরুরী।গাধা কোথাকার।
লেখক বলেছেন: নিজের পরিচয় নিজেই দিলেন। আচ্ছা জনাব, গোলাম আযমের নাম তালিকায় সংযোজন করলে ১৫ জন কেন হয় বলতে পারেন ? তাকে ছাড়াই তো ১৪জনের নাম দেখা যাচ্ছে। তাহলে ঐ নামটি বিদ্বেষবশত দেয়া হয় নাই কি?
উম্মু আবদুল্লাহ বলেছেন:
আমরা জানতে চাই লিস্টে গোলাম আযমের নাম ছিল কিনা? এখানে জামায়াত সমর্থিত অনেকেই আছেন তাই এই প্রশ্ন...আমীন, আমারও একই প্রশ্ন। পুরো লিস্ট দেখতে চাই।
ফজলে এলাহি বলেছেন:
ক'দিন থেকে বিবিসি শুনছি, শ্রোতাদের মধ্য থেকে ফোনালাপে যারা অংশ নেন, দেখা যাচ্ছে অনেকেই সত্য কথা সৎসাহস নিয়ে বলতে চান, কিন্তু ওনাদের অবহেলাগুলো ধরা পড়ে যায় প্রশ্নকারী সংবাদ পরিচালকের প্রশ্নের বানে। বলতে চাইছি না যে, এ এক কৌশল, কেননা অনেকের ক্ষেত্রেই আবার অদ্ভুত নিরব দেখা যায প্রশ্নকারীকে।মোটের উপর আমাদের সচেতন হবার সময় এসে অনেকটা গড়িয়ে গেছে। এখনো না হতে পারলে ভবিষ্যতে আরো দুঃসময় দেখা যাচ্ছে। তাই সাংবাদিক ভাইদের উচিত ব্যক্তিগত পর্যায়ে আশপাশের সচেতন হতে আগ্রহী ভাইদের সাংবাদিকতা শেখানো। মনে রাখতে হবে যে, আগামীর সাংবাদিকতা কিন্তু শুধুমাত্র ডিগ্রির উপর নির্ভরশীল হচ্ছে না। একটা সাধারণ রূপ নিচ্ছে ধীরে ধীরে সাংবাদিকতা ব্যাপারটি।


















বিচার মানি তবে তাল গাছ টা আমার ।