আমার প্রিয় পোস্ট
- কিছু ইসলামী সফটওয়্যার ও প্রয়োজনীয় সাইট...... - অগ্রপথিক...
- সেক্যুলার বাংলাদেশে ইসলাম বিদ্বেষ - ইবনে সালাম
- ফিরে দেখা ২০১১ : বছরজুড়ে সামহোয়্যারইন ব্লগে যা কিছু আলোচিত-সমালোচিত... - ফিউশন ফাইভ
- যুদ্ধাপরাধ বিচারের লাইভ কমেডি পড়ুন, বাআল এর নিয়োগ দেওয়া কমেডিয়ান প্রসিকিউটরদের বাহবা দিন - প্রলেতারিয়েত
- যেভাবে নগ্ন হলেন দৈনিক আমাদের সময়ের সম্পাদক নাঈমুল ইসলাম খান - ১ - ফিউশন ফাইভ
- যে কারণে আমি শেষ পর্যন্ত খৃষ্টান হই নি - নিরপেক্ষ চিন্তা
- মুক্তিযুদ্ধের বিরোধীতা করার জন্য ৪৩ জন গণপরিষদ সদস্যকে আলীগ থেকে বহিষ্কার করা হয়। সংসদে আইন মন্ত্রী - Hanif
- ইরানের মহিলা ফুটবল : নাচতে নেমে ঘোমটা দেয়া - রেনেসা
- "স্যাররে কইয়া দিসি কাইলকা থিকা কলেজে লুঙ্গি পিন্ধা আমু। গদাম দিলে কইলাম হাইকোর্টে রিটামু" - এবং আব্দুল্লাহ
- বাহাত্তরের সংবিধানে যিনি স্বাক্ষর করেননি তাকেই সেই সংবিধান পুনঃপ্রবর্তনের দায়িত্ব দেয়া হয়েছে ! - ইবনে সালাম
- কুৎসিত চেহেরা ঢাকতেই মহিলার বোরকা পড়ে..... বলেছেন মাননীয় ডেপুটি স্পীকার শওকত আলী

- রংধনুর সাত রঙ
- @ ইসলামী সংস্কৃতির দলিল-প্রমাণ: ৬-১০ - ফজলে এলাহি
- DOI : ২ টি টেলিফোন , রাত ১২-১.০০ টা , শেখ মুজিবের ট্রু লাইস : মার্চ ২৬ - দাসত্ব
- সিইসি,এইচটি ইমাম ও কামরুল ইসলামকেও গ্রেপ্তার করা হোক - ইবনে সালাম
- কোরআন শরিফ এর সুন্দর সাইট - ফেরদাউস আল আমিন
- সেই রাজপুত্রটা, বিশ্ব ফুটবলের রাজ্যে যে এনেছিল বাঁধভাঙা আবেগ - তায়েফ আহমাদ
- ফতোয়া, ইসলামপন্থীদের নিরবতা এবং আমার মাথার উপর গোল গোল ধোঁয়ার রিং! - ফারজানা মাহবুবা
- আইন অনুযায়ী আমার দেশ বন্ধ হয়েছে ? - আশরাফ রহমান
- গাজা অভিমুখী ত্রাণবাহী জাহাজবহরে হামলার বিশ্বব্যাপী নিন্দা এবং রাজনৈতিকভাবে কোনঠাসা ইসরাইল - নূরুল্লাহ তারীফ
- হরতাল : ২০ বছরে আ’লীগের তিন শতাধিক, বিএনপি জামায়াতের ৫৯ - সুধাসদন
- ৭১ এ আলীগের ২৫ জন সংসদ সদস্য স্বাধীনতার বিরোধীতা করেছিলেন। - বিশ্ব শান্তি
- শেখ মুজিবকে বঙ্গশত্রু উপাধি দিয়েছিলেন মতিয়া চৌধুরী - সুধাসদন
- শেখ মুজিবকে কি করে 'জাতির পিতা' কিংবা 'বঙ্গবন্ধু' আখ্যা দেয়া যায়? - অন্তীম
- আওয়ামী লীগ ও রক্ষী বাহিনীর নির্যাতন : কেউ ভোলে কেউ ভোলে না (পর্ব-১) - সুধাসদন
- আল মাহমুদের মুক্তিযোদ্ধা পরিচয় নিয়ে প্রশ্ন তোলার আগে বালেগ হয়ে আসা জরুরি! - ফিউশন ফাইভ
- জিয়ার পরিবর্তে আমাকে সেনাপ্রধান বানিয়ে বঙ্গবন্ধু ভুল করেছিলেন: কে এম সফিউল্লাহ - সুধাসদন
- মুজিব শাসনে রেডক্রসের দুর্নীতির শ্বেতপত্র ও মোশতাক সরকারকে স্বীকৃতি - সুধাসদন
- লগী বৈঠার সেই দিন গুলো এবং শান্তির কন্যা - ইরফান আহেমদ
- খন্দকার মোশতাকের সঙ্গে মার্কিন ও ভারতীয় রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাত্ : সহযোগিতা অব্যাহত রাখতে ইন্দিরার প্রতিশ্রুতি - সুধাসদন
- শান্তিবাহিনী ও বর্মী বিদ্রোহীদের সমর্থন দিয়েছিল ভারত - সুধাসদন
- ’৭২-এর সংবিধান দিয়ে আজকের বাংলাদেশ চালানো সম্ভব নয় : আ স ম রব - সুধাসদন
- "মুক্তিযোদ্ধা প্রজন্মে যোগদানের আহবান" ও আমার কিছু প্রশ্ন। - নাহিদ মাহমুদ
- মুখোশধারী ইসলামবিরোধী অন-লাইন যোদ্ধারা - ২ - দ্বীপবালক
- মেজর জলিল, আপনি ঠিক বলেছিলেন- ‘অরক্ষিত স্বাধীনতাই পরাধীনতা’'। - ফারজানা মাহবুবা
- আপনি কি আজও সেই লগি বৈঠার ভয়ে আছেন? - অমিত হাসান
- দিন বদলের শিক্ষানীতি ও বাস্তবতা - ইবনে সালাম
- আজকে মওলানা ভাসানী বেচে থাকলে ধমক দিয়ে উঠতেন 'খামোশ' বলে - চাষী
- সারা পৃথিবীতে রমযান এর কিছু ছবি - থেসাস
- অমুসলিম নাগরিকদেরকে "নিকাব" পড়ানোর প্রতিবাদ জানানো দরকার - ইন্সট্যান্ট জাতিসঙ্ঘ
- তালপট্টি ও সমুদ্র সীমা : গণচীন মিয়ানমারের পক্ষে : বাংলাদেশের অবস্খান কোথায়? - ইবনে সালাম
- ত্রিশ লক্ষ শহীদ : মিথ নাকি বাস্তবতা ? - লাইটহাউজ
- গ্যাস ব্লক ইজারা: এবার সাগর লুটের লাগলো ধুম - দিনমজুর
- ৩০ রোযার দোয়া - ইবনে সালাম
- পদ্মা-যমুনা হারিয়ে ২০টি জেলা মরুভূমি হবার আশংকা : গঙ্গা-ব্রহ্মপুত্রে অর্ধশত বাঁধ নির্মাণ করছে ভারত - ইবনে সালাম
- টিপাইমুখ না গিয়েই ভারতের পক্ষে দালালি - সুধাসদন
- বঙ্গবন্ধু নিহত হলে ইত্তফোক লিখেছিল জনগণ স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলিয়া একটিঃ - মো. লুৎফর রহমান
- বাংলাদেশের স্বাধীনতা বিক্রী হবে ভারতের বাজারে! বাহবা দিতেই হয় টেকি বোদ্ধাদের - রাজনীতি
- সিকিম সিনড্রোম? - েমাহাম্মদ িমজানুর রহমান
- টিপাইমুখ বাধ প্রসংগে: চাই সংগ্রামের আন্ত:সংযোগ - দিনমজুর
- দেশটার পশ্চাৎদেশে বেশ কটি বাঁশ দিয়ে মা মরা, বাপ হারা ছিন্নমূল বিলুপ্তপ্রায় বাম - পাললিক মন
- শেখ হাসিনা ১ টাকায় গণভবন পেয়েও রাখতে না পারার প্রতিহিংসা থেকেই এ সিদ্ধান্ত : অধ্যাপক মোজাফফর - রাজনীতিক
- ছাত্রলীগ, যুবলীগ, তরুণলীগের কিছু পুরুষের সম্মিলিত ধর্ষণের শিকার এক কিশোরী !!?? - শুভ৭৭
- ভারত বাংলাদেশের বন্ধু যেমন ইজরাইল ফিলিস্তিনের!!! - কাঙ্গাল মুরশিদ
- ভারতের প্রতি অনুগত হাসিনার আওয়ামীলীগ!!!!!!!!!!!!!! - কিরিটি রায়
- আওয়ামী লীগের পুরনো খেলা নতুন করে শুরু --- সিরাজুর রহমান - অারমান
- বাংলাদেশে আওয়ামীজোটের বিস্ময়কর বিজয় ও চারদলীয় জোটের অবিশ্বাস্য পরাজয় প্রসংগে : আব্দুদ্দাইয়ান মুহাম্মদ ইউনুছ - যুকরুফা ০৭
- জামায়েত নেতাদের বিরুদ্ধে করা রাষ্ট্রদ্রোহ মামলা খারিজ! - পান্জেরী
- কুরআনের অত্যাশ্চর্য প্রভাব ও প্রাথমিক কুরআনিক প্রজন্ম - ২ - আবূসামীহা
- ১৯৫৮ সালে আয়ুব ক্ষমতা গ্রহনের পরে শেখ মুজিবুর রহমানকে দুর্নীতির অভিযোগে গ্রেফতার করে!! উইকিপেডিয়ার যোচ্চুরী!! - এহহামিদা
- @ধর্মনিরপেক্ষতা নয়; ইসলামই বাংলাদেশের ভবিষ্যত - ফজলে এলাহি
পদ্মা-যমুনা হারিয়ে ২০টি জেলা মরুভূমি হবার আশংকা : গঙ্গা-ব্রহ্মপুত্রে অর্ধশত বাঁধ নির্মাণ করছে ভারত
০৭ ই আগস্ট, ২০০৯ দুপুর ২:৪৭
শুধু টিপাইমুখ কিংবা ফারাক্কা বাঁধ নয়, ভারত ব্রহ্মপুত্র ও গঙ্গা নদীকে কেন্দ্র করে অর্ধশত প্রকল্প বাস্তবায়নের কাজ হাতে নিয়েছে। এসব বাঁধ-প্রকল্প ভারতের অনেক রাজ্যে কয়েক হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুত উৎপাদন ও লাখ লাখ হেক্টর জমিতে সেচ সুবিধা বৃদ্ধি করবে বলে জানা গেছে। প্রকল্পগুলোর জন্য মূল ব্রহ্মপুত্র নদ ও গঙ্গায় এবং এর শাখাগুলোতে বাঁধ নির্মাণ করতে হবে এবং ব্যাপকহারে পানি প্রত্যাহার করতে হবে। তবে এই কার্যক্রম বাস্তবায়নের বেলায় বাংলাদেশের বিস্তীর্ণ ভূমিতে ব্যাপক ও বিরূপ প্রতিক্রিয়ার বিষয়টি মোটেও আমলে নেয়া হয়নি। এই প্রকল্পগুলো বাস্তবায়িত হলে বাংলাদেশের উত্তর-পশ্চিম-দক্ষিণাঞ্চলের পদ্মা-ব্রহ্মপুত্র-যমুনা নদীর পুরো অববাহিকা মরুভূমিতে পরিণত হবে। বিশেষ করে এসব অঞ্চলের একদিকে চাঁপাইনবাবগঞ্জ, রাজশাহী, নাটোর, পাবনা, কুষ্টিয়া, রাজবাড়ি, শরিয়তপুর এবং অন্যদিকে নীলফামারী, লালমনিরহাট, কুড়িগ্রাম, রংপুর ও গাইবান্ধা, বগুড়া, জামালপুর, মোমেনশাহী, সিরাজগঞ্জ, পাবনা প্রভৃতি জেলার কৃষি, সেচ, মৎস্য ও নৌ যোগাযোগসহ প্রাকৃতিক পরিবেশ হবে বিপর্যস্ত। এ যাবত ফারাক্কা ও টিপাইমুখ বাঁধ নিয়ে আলোচনা হলেও বাকি প্রকল্পগুলো সম্পর্কে তেমন আলোচনা হয়নি।
ব্রহ্মপুত্র নদে ১২টি বাঁধ
পৃথিবীর বৃহত্তম নদীগুলোর অন্যতম ব্রহ্মপুত্র নদের উৎপত্তি তিব্বতের মানস সরোবরের নিকট চেমাইয়াংডুং হিমবাহ থেকে। অত:পর তা উত্তর-পূর্বে পুরো আসামের একপ্রান্ত থেকে আরেক প্রান্ত পর্যন্ত প্রায় সোয়া ৭শ’ কিলোমিটার প্রবাহিত হয়ে ধুবরী নামক স্খান দিয়ে বাংলাদেশের কুড়িগ্রামে প্রবেশ করেছে। বাংলাদেশে যমুনা নাম নিয়ে এই নদী গাইবাìধা, বগুড়া, পাবনা, জামালপুর, টাঙ্গাইল প্রভৃতি জেলার সীমানা ছুঁয়ে গোয়ালন্দের কাছে পদ্মায় মিলিত হয়েছে। যমুনার একটি শাখা ‘পুরাতন ব্রহ্মপুত্র’ নাম ধারণ করে মোমেনশাহী-জামালপুরের ভেতর দিয়ে ভৈরব বাজারের নিকট মেঘনা নদীতে পড়েছে। উৎপত্তিস্খল থেকে ব্রহ্মপুত্র-যমুনার মোট দৈর্ঘ্য ২ হাজার ৭শ’ ৩৭ কিলোমিটার। বাংলাদেশে এর দৈর্ঘ ২শ’ ৭৭ কিলোমিটার। ব্রহ্মপুত্র প্রতিবছর গড়ে ৫২৭ মিলিয়ন টন পলি বহন করে। ব্রহ্মপুত্র নদ থেকে বাংলাদেশ ৬৭ শতাংশ প্রবাহ পেয়ে থাকে। বাংলাদেশে ব্রহ্মপুত্র-যমুনার উপনদী ও শাখা-প্রশাখার মধ্যে রয়েছে, তিস্তা, ধরলা, করতোয়া, আত্রাই, হুরাসাগর, সুবনসিঁড়ি, পুরাতন ব্রহ্মপুত্র, ধলেশ্বরী, দুধকুমার, ধরিয়া, ঘাঘট, কংস, সুতলা প্রভৃতি। এসব নদীর অববাহিকা হলো বাংলাদেশের সবচেয়ে বিস্তৃত অববাহিকা।
বিভিন্ন তথ্যসূত্রে প্রকাশ, ফারাক্কা বাঁধ চালুর পরপরই ভারত ব্রহ্মপুত্র নদের ভারতীয় শাখা বরাকের টিপাইমুখে বাঁধ নির্মাণের পরিকল্পনা করে। ভারতের মনিপুর রাজ্যের চুরাচানপুর স্খানটি চূড়ান্ত নির্বাচন করা হয় ১৯৭৪ সালে। ভারতের নর্থ-ইষ্টার্ন ইলেক্ট্রিক পাওয়ার কর্পোরেশন লিমিটেড এই প্রকল্প শুরু করে। দীর্ঘ ৩৪ বছর গবেষণাসহ বাঁধ নির্মাণের প্রাথমিক কাজ শেষে ২০০৯ সালে বাঁধ তৈরীর মূল কার্যক্রম শুরু করে। যা দীর্ঘদিনেও বিস্তৃতভাবে জনসম্মুখে প্রকাশ পায়নি। অন্যদিকে, ভারত ইতোমধ্যে ব্রহ্মপুত্র নদকে ঘিরে টিপাইমুখসহ ১২টি জলবিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্র স্খাপনের পরিকল্পনা করেছে। এর মধ্যে সম্পূর্ণ শেষ হয়েছে ৪টি, বাস্তবায়নাধীন রয়েছে ৩টি এবং পরিকল্পনাধীন রয়েছে আরো ৫টি। সবগুলো প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে ১৩ হাজার মেগাওয়াটের বেশী বিদ্যুৎ উৎপন্ন হবে। ব্রহ্মপুত্র নদকে ঘিরে ভারত যে সকল প্রকল্প গড়ে তুলেছে এর মধ্যে অধিকাংশই হচ্ছে জলবিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্র। ইতোমধ্যেই নির্মাণ শেষ হয়েছে ৬টির। এরমধ্যে আছে, ২৫ মেগাওয়াট উৎপাদন ক্ষমতাসম্পন্ন দ্বিতীয় পর্যায় আসাম কোপিলি পানি বিদ্যুৎ প্রকল্প, ৪শ’ ৫ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন অরুণাচল প্রদেশের পানগানদী পানি বিদ্যুৎ প্রকল্পের প্রথম পর্যায়, ৭৫ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন নাগাল্যান্ড ডয়াং পানি বিদ্যুৎ প্রকল্প ও ২শ’ ৫০ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন আসাম কোপিলি পানি বিদ্যুৎ প্রকল্প। চলমান অবস্খায় রয়েছে ৩টির প্রকল্পের কাজ। এগুলো হচ্ছে ৬শ’ মেগাওয়াট অরুণাচল প্রদেশের কামেঙ্গ পানি বিদ্যুৎ প্রকল্প, ৭ দশমিক ৫ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন খাঙ্গটেন ছোট পানি বিদ্যুৎ প্রকল্প, ৬০ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন মিজোরাম টুরিয়াল পানি বিদ্যুৎ প্রকল্প। নতুনভাবে আরো যে প্রকল্প হাতে নেয়া হবে তার মধ্যে অন্যতম হলো, ১শ’ ৩০ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন অরুণাচল প্রদেশের পানগানদী পানি বিদ্যুৎ প্রকল্পের দ্বিতীয় পর্যায়, ১ হাজার ৩শ’ ৫০ মেগাওয়াট ক্ষমতা সম্পন্ন কামেঙ্গ বেসিন প্রকল্প, ১শ’ ১০ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন পারে পানি বিদ্যুৎ প্রকল্প, ৯০ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন মেঘালয় মাউহু পানি বিদ্যুৎ প্রকল্প, ৪শ’৫০ মেগাওয়াট ক্যানশি পানি বিদ্যুৎ প্রকল্প, ১ হাজার ৫শ’ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন মনিপুর টিপাইমুখ বহুমুখী পানি বিদ্যুৎ প্রকল্প। এ প্রকল্পগুলো বাস্তবায়ন করছে ভারতের নর্থ-ইষ্টার্ন ইলেক্ট্রিক পাওয়ার কর্পোরেশন লিমিটেড। এসব প্রকল্প থেকে প্রধানত: মেঘালয়, আসাম ও অরুণাচল প্রদেশ উপকৃত হবে বলে জানা গেছে।
ভারতের নর্থ-ইষ্টার্ন ইলেক্ট্রিক পাওয়ার কর্পোরেশন লিমিটেডের এক তথ্যে প্রকাশ, এ প্রতিষ্ঠানটি ফারাক্কা বাঁধ নির্মাণের পর টিপাই বাঁধ নির্মাণের প্রস্তাবনা দিয়েছিল। সে সূত্র ধরে ব্রহ্মপুত্র নদকে ঘিরে গড়ে তোলা হয় ঐ সকল জল-বিদ্যুৎ প্রকল্প। প্রয়োজনীয় বিদ্যুৎ উৎপাদনের জন্য যে পরিমাণ পানি প্রয়োজন তা বিভিন্ন কায়দায় বহু আগে থেকে প্রত্যাহার করে নিচ্ছে। ফলে উত্তরাঞ্চলের যমুনা, পদ্মা, করতোয়া, তিস্তা নদীর পানির প্রবাহ এখনই অনেকাংশে কমে গেছে। আর নদীর বুক ভরাট হয়ে বালি পড়েছে। চরের সৃষ্টি হচ্ছে এবং পানির স্তর নেমে যাচ্ছে। তারা আরো বলছেন, ব্রহ্মপুত্রের এসব বাঁধের প্রতিক্রিয়ায় বাংলাদেশের মধ্যে দিয়ে প্রবাহিত সকল নদীই প্রকৃতি থেকে হারিয়ে যাবে। বিশেষ করে যমুনা নদী পুরোপুরি শুকিয়ে যাবে। আর উত্তরাঞ্চলের যমুনার তীরের এলাকাগুলো পরিবেশে বিরূপ প্রতিক্রিয়া হয়ে ভয়াবহ রূপ ধারণ করবে। যা কৃষিক্ষেত্রের সবচেয়ে বেশী ক্ষতি সাধন করবে। তাছাড়াও বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বন্যার ধরনে ব্যাপক পরিবর্তন দেখা দিবে। এমনকি বন্যা নাও হতে পারে। নদীনির্ভর বা বন্যানির্ভর চাষাবাদ একেবারই বìধ হয়ে যাবে। ফসল উৎপাদন কমে যাবে এবং ক্রমশ: খাদ্য ঘাটতি দেখা দিবে।
গঙ্গাকেন্দ্রিক ৩৩টি অবকাঠামো
শুধু ফারাক্কা নয়, গঙ্গা-পদ্মাকেন্দ্রিক বাঁধ জলাধার ক্রসড্যাম রেগুলেটরসহ অন্তত: ৩৩টি মূল অবকাঠামো নির্মাণ করছে ভারত। এর সঙ্গে রয়েছে আনুষঙ্গিক আরো অসংখ্য ছোট-বড় কাঠামো। ‘ভারদুইন পরিকল্পনার’ অংশ হিসেবে এসব প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হচ্ছে বলে জানা গেছে।
এই সব প্রকল্প চালু রাখতে ভারত প্রয়োজনে পদ্মা নদীর সামগ্রিক পানিসম্পদ কাজে লাগাতে চাচ্ছে। এজন্য পদ্মার সম্পূর্ণ পানি প্রত্যাহার করতে দ্বিধা করবে না তারা। তাতে ফারাক্কা পয়েন্টে কতটুকু পানি থাকলো আর কতটুকু পানি বাংলাদেশ পেলো তাতে কোন গুরুত্ব দিচ্ছে না ভারত। পর্যবেক্ষকরা মনে করছেন, ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের পানি চুক্তি বর্তমানে যে পর্যায়ে আছে তাতে কোন ‘গ্যারান্টি ক্লজ’ না থাকায় ভারত বাংলাদেশকে তার ন্যায্য হিস্যা দিতে বাধ্য নয়। ফলে বাংলাদেশ চুক্তি মোতাবেক পানি পাচ্ছে না সে কারণেই। এই পরিস্খিতি অব্যাহত থাকলে আগামী দু’দেড় দশকের মধ্যে বাংলাদেশে পদ্মা নদীর মূল অস্তিত্ব হারিয়ে ‘নদী মরে, রেখ থেকে যায়’ এই প্রবাদের অংশ হয়ে যাবে বলে বিশেষজ্ঞরা মনে করেন।
প্রাপ্ত তথ্যে দেখা যায়, উৎস থেকে মোহনা পর্যন্ত গঙ্গা-পদ্মার দৈর্ঘ্য আড়াই হাজার কিলোমিটারের বেশী। আর বাংলাদেশে প্রবেশ থেকে চাঁদপুরের মেঘনার সঙ্গে মিলিত হবার স্খান পর্যন্ত এর দৈর্ঘ্য তিনশ’ কিলোমিটার। উত্তর ভারতের হরিয়ানা থেকে দিল্লী, উত্তর প্রদেশ, রাজস্খানের একাংশ, মধ্যপ্রদেশের অংশবিশেষ এবং পশ্চিম ভারতের বিহার ও পশ্চিমবঙ্গ এই সাতটি প্রদেশের বিস্তীর্ণ এলাকা গঙ্গা-বেসিনভুক্ত দেখানো হয়েছে। এসব এলাকায় গঙ্গার পানিভিত্তিক অসংখ্য বাঁধ, জলাধার, ক্রসড্যাম, রেগুলেটর প্রভৃতি অবকাঠামো নির্মাণ করা হচ্ছে।
সূত্রে প্রকাশ, ১৯৯৪ সালের ২৬শে জুলাই তৎকালীন ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী নরসীমা রাওয়ের নেতৃত্বে নয়াদিল্লীতে উচ্চ পর্যায়ের এক বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে ভারদুইন পরিকল্পনার পিআরডি অংশ বাস্তবায়ন করার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়। পিআরডি অংশ অনুযায়ী গঙ্গা-ব্রহ্মপুত্র দু’টি অববাহিকায় পানির ৩৩টি সঞ্চয়াগার নির্মাণ করা হবে। প্রতিটি সঞ্চয়াগারের ধারণ ক্ষমতা হবে ১ লাখ ৫০ হাজার কিউসেক। অর্থাৎ ৩৩টি সঞ্চয়াগারের সর্বমোট ধারণ ক্ষমতা হবে প্রায় ৫০ লাখ কিউসেক পানি। এ পানি ভারতের পূর্ব, মধ্য ও উত্তরাঞ্চলে সেচ কাজে ব্যবহার করা হবে। এর আওতায় থাকবে ৩ কোটি ৫০ লাখ হেক্টর জমি। পাশাপাশি উৎপাদন করা হবে ৩০ হাজার মেগাওয়াট পানি বিদ্যুৎ। সব মিলে খরচ হবে প্রায় ১শ’ বিলিয়ন ডলার। পরিকল্পনা অনুযায়ী বাঁধ সমূহের সাথে ৩৩ টি সঞ্চয়াগার প্রতিস্খাপন করা হবে। এর পরিণতি বাংলাদেশে হবে ভয়াবহ। কেননা ইতোমধ্যে স্খাপিত বাঁধের মাধ্যমে ভারত ৩৫ লাখ কিউসেক পানি ধরে রেখেছে। প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে ভারত ৩৩টি সঞ্চয়াগারের মাধ্যমে ধরে রাখতে সক্ষম হবে ৫০ লাখ কিউসেক পানি। বাড়তি ১৫ লাখ কিউসেক পানির ঘাটতি বাংলাদেশকে এক ভয়াবহ বিপর্যয়ের মুখে ঠেলে দিবে।
ওয়াশিংটন ভিত্তিক আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন বিশ্বের প্রকৃতি ও পরিবেশ পর্যবেক্ষণ সংস্খা ‘দি ওয়ার্ল্ড ওয়াচ ইনস্টিটিউট’ ১৯৯৭ সালে এক রিপোর্টে অভিযোগ করে, ভারত অপরিকল্পিতভাবে গঙ্গার পানি ব্যবহার করছে। পরিণতিতে দক্ষিণ এশিয়ার জনসাধারণ খাদ্য সংকটের সম্মুখীন হচ্ছে। ইনস্টিটিউট তাদের রিপোর্টে ভারত, চীন ও যুক্তরাষ্ট্রকে সতর্ক করে দেয়। সতর্কবাণীতে বলা হয়, তিনটি দেশের কোন কোন অঞ্চলে ভূপৃষ্ঠের পানি অতিমাত্রায় ব্যবহারের ফলে প্রতিবছর গড়ে ভূ-পৃষ্ঠের পানির মাত্রা এক মিটার করে কমে যাচ্ছে। উত্তর, মধ্য ও পূর্ব ভারতের খরা ও বন্যা সমস্যা সমাধানের জন্য ভারত তাদের স্বাধীনতার পর পরই পরিকল্পনা গ্রহণ করে। উল্লেখ্য, ১৯৫০ সালে পন্ডিত জওয়াহের লাল নেহেরু সরকার ‘ভারদুইন কমিশন’ গঠন করে। পাঁচ বছর কাজ চালাবার পর কমিশন সরকারের কাছে একটি পরিকল্পনা পেশ করে। দু’ভাগে বিভক্ত পরিকল্পনার প্রথম ভাগে রয়েছে হিমালয় থেকে উৎপন্ন নদী সমূহের উন্নয়ন (এইচআরডি) এবং অববাহিকা নদীসমূহের উন্নয়ন (পিআরডি)। এইচআরডি’র মূল উদ্দেশ্য ছিল ব্রহ্মপুত্র ও গঙ্গার ওপর বাঁধ নির্মাণ। বাঁধসমূহের সাহায্যে বর্ষা মওসুমের পানি প্রবাহ ধরে রেখে বন্যা নিয়ন্ত্রণ, শুকনো মওসুমে সেচের ব্যবস্খা এবং পানি বিদ্যুৎ উৎপাদন করা।
পিআরডির লক্ষ্য ছিল গঙ্গা ও ব্রহ্মপুত্রের পানি উত্তর ও মধ্য এলাকার খরাপীড়িত স্খানসমূহে নিয়ে যাওয়া। কমিশন প্রথমে এইচআরডিকে বাস্তবায়িত করে পিআরডি অংশের কাজ শুরু করার কথা বলে। ১৯৫৬ সালে নেহেরু সরকার এ পরিকল্পনা গ্রহণ করে। সেই থেকে এ যাবতকাল গঙ্গা ও ব্রহ্মপুত্র অববাহিকায় নির্মাণ করা হয়েছে কয়েকশ’ বাঁধ। সাম্প্রতিককালে ভারত ভারদুইন পরিকল্পনা বাস্তবায়নের উদ্যোগ নিয়েছে বলে সূত্রে প্রকাশ।
পর্যবেক্ষকরা বলছেন, ভারত গঙ্গা নদীর উপর শুধু ফারাক্কা বাঁধ নির্মাণ করায় এই নদীর পানির প্রবাহের সিংহভাগ ভারতের বিভিন্ন নদীতে গিয়ে পড়ছে। ফলে পদ্মা নদী এবং এই অঞ্চলের প্রানি প্রবাহ ব্যাপক হারে হন্সাস পাচ্ছে। ফারাক্কা বাঁধ তৈরীর আগে পদ্মা নদীতে সর্বোচ্চ পানি প্রবাহ ছিল প্রতি সেকেন্ডে প্রায় ৭৬ হাজার ঘনমিটার। কিন্তু বাঁধ নির্মাণের পরে এই নদীর পানি প্রবাহ অর্ধেকে নেমে এসেছে। বাংলাদেশের আরো প্রায় ৮০টি নদী শুকিয়ে গেছে। মৃতপ্রায় আরো ১শ’ টি। ভারতের অভ্যন্তরে আরো প্রকল্প তৈরী হলে বাংলাদেশের পরিণতি কি দাঁড়াবে তা ভাবতে শরীর শিউরে ওঠে। বাংলাদেশে পদ্মা নদীর মৃত্যু হলে দেশের অভ্যন্তরে নদীকেন্দ্রিক ৭টি কার্যক্রম এবং সেচকেন্দ্রিক ১২টি বৃহদাকার প্রকল্প মুখ থুবড়ে পড়বে বলে জানা গেছে। ফলে একদিকে যেখানে গঙ্গা-পদ্মার পানি সম্পদ ব্যবহার করে ভারত কৃষি, বিদ্যুৎ ও অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে সমৃদ্ধ হবে, সেক্ষেত্রে বাংলাদেশ হবে মরুময়তার শিকার। আগামী দেড়-দুই যুগের মধ্যে গঙ্গা- ব্রহ্মপুত্র নদীর পানি একতরফা ব্যবহার করে ভারত হবে সুজলা-সুফলা, আর বাংলাদেশের প্রায় দু’তৃতীয়াংশে নেমে আসবে মরুভূমির অভিশাপ।
সর্বশেষ এডিট : ০৭ ই আগস্ট, ২০০৯ দুপুর ২:৪৭ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
জইন বলেছেন:
বেজন্মা গুলারে গদাম লাথি
জইন বলেছেন:
প্লাস....... বাট ব্যান তাই দিতে পারলাম না
ধীবর বলেছেন:
আঃ লিগকে ক্ষমতা থেকে না সরালে, আক্ষরিক অর্থেই বাংলাদেশকে ভারতের অঙ্গরাজ্য বানিয়ে ছাড়বে। প্লাস।
সৌরদীপ্ত বলেছেন:
আল্লাহর গজব পড়ে না কেন এগুলার উপর ?
নদীপথ বলেছেন:
বাংলাদেশে বারোটা বাজানো ভারত প্রেমী আঃলীগের কাজ।
ফুরােমান বলেছেন:
রাজ্জাক ভাইয়ের টিপাইমুখ দর্শনটিপাইমুখ দেখে এলেন
রাজ্জাক ভাইয়ের দল
সাদা মেঘের ভেলা দেখে
খুশিতে ঝলমল
হাওয়াইযানে ঘুরে দেখেন
বাঁধের চিহ্ন নাই
জানা কথাই সত্যি হলো
বগল বাজান তাই
দিব্যজ্ঞানে জ্ঞানী হয়ে
দিল্লি গেলেন ফিরে
দাদা ভাইদের গুণকীর্তন
মুখে নাহি ধরে
ছয়জনাতে আলাপ করেন
কোথায় দিছে বাঁধ
দাদা ভাইরা কত ভালো
নীল আকাশের চাঁদ
দিলেও কি আর ক্ষতি হবে
লাভ আমাদের পাক্কা
বুঝতে যাদের কষ্ট হয়
দেখে আসুক ফারাক্কা
বাংলাদেশ জিন্দাবাদ বলেছেন:
+। তারপরেও রাজ্জাক ও আলীগ গং নিজেদের স্বাধীনতার স্বপক্ষের শক্তি বলে। নিকুচী করি এই কুলাঙ্গার ইন্দুস্থানের তাবেদারদের।
রিয়াজুল ইস্লাম বলেছেন:
গতকাল ব্লগে একটা গল্প লিখেছিলাম:একটা গল্প বলি:
এক নাম করা বক্তা ছিল। তাকে একটি ভদ্র সমাজে বক্তা হিসাবে ইনভাইট করা হলো। বক্তাকে রিসিভ করার জন্যে রেল ইষ্টেশনে ২/১ জন লোক গেল। বক্তা সহ লোকগুলো প্লাট ফর্ম থেকে বের হতেই জন্মদিনের পোষাক পরিহিত এক দরবেশ বাবা, গলায় তার ইয়া বড় বড় তজবিহ, চুলে ভরা দেহ, আনমনে কি বসে বসে কি যেন ভাবতেছে (এলাকার লোক তাকে সাধু বাবা , দয়াল বাবা বা স্প্রিচুয়াল ভাবে, তারা মনে করে এর কাছে মনে হয় কি জিনিষ না আছে)। যাইহোক বক্তা এরকম দরবেশ দেখেই দাঁড়িয়ে গেল। তখন লোকগুলো (বক্তাকে যারা রিসিভ করতে এসেছে) বক্তাকে বললো, স্যার উনাকে কিছু বলবেন না কারণ উনার কাছে জিনিষ আছে, শেষে আবার আপনার বিপদ হয়ে যাবে।
তখন বক্তা ঐ লোকগুলোকে বলল, হাঁ ঠিক-ই বলেছেন ওর কাছে জিনিষ আছে তবে কি জিনিষ আছে তা সব বাইরে থেকে দেখাই যাচ্ছে!
আমাদের সংসদীয়দলের কাছে ঐরকম-ই কিছু আছে মনে হচ্ছে যা আমরা বাইরে থেকেই দেখতি পাচ্ছি বা পাই।
লুথা বলেছেন:
ধীবর বলেছেন: আঃ লিগকে ক্ষমতা থেকে না সরালে, আক্ষরিক অর্থেই বাংলাদেশকে ভারতের অঙ্গরাজ্য বানিয়ে ছাড়বে।প্লাস।
সাবাব ইকবাল বলেছেন:
আমরা কি করতে পারি এর জন্য ?
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...















