আমার প্রিয় পোস্ট

তালপট্টি ও সমুদ্র সীমা : গণচীন মিয়ানমারের পক্ষে : বাংলাদেশের অবস্খান কোথায়?

০৪ ঠা সেপ্টেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৪:৪৭

শেয়ারঃ
0 0 0

মোবায়েদুর রহমান €

বর্তমান সরকারের আমলে বাংলাদেশের সমুদ্র এলাকার সার্বভৌমত্ব হুমকির মুখে নিক্ষিপ্ত হয়েছে। এই ইস্যুটি নিয়ে একদিকে ভারত ও মিয়ানমার আমাদের সমুদ্র এলাকার সিংহভাগ গ্রাস করার পাঁয়তারা করছে। অন্যদিকে বাংলাদেশ সরকার ভারত ও মিয়ানমারের এই আগ্রাসী পাঁয়তারার মুখে রহস্যজনক নীরবতা অবলম্বন করে বাংলাদেশের অবস্খানকে ক্রমান্বয়ে দুর্বল করে ফেলছে। গত ২৪ আগস্ট সোমবার সমুদ্র তলদেশের তিনটি ব্লকে তেল ও গ্যাস অনুসìধানের কার্যাদেশের সাথে শর্ত জুড়ে দেয়া হয়েছে। এর ফলে দক্ষিণ তালপট্টি এবং বাংলাদেশের ন্যায্য সমুদ্র এলাকার স্বার্বভৌমত্বের প্রশ্নে আওয়ামী লীগ সরকার মিয়ানমার ও ভারত বিশেষ করে ভারতের সাথে আপোষ করছে বলে প্রতীয়মান হচ্ছে। উল্লেখ করা যেতে পারে যে, গত সোমবার এই সরকার দুটি বিদেশী কোম্পানিকে গভীর সমুদ্রের ৩টি ব্লকে তেল ও গ্যাস অনুসìধানের জন্য ইজারা দেয়ার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে। এই দুটি কোম্পানিকে তিনটি ব্লক বরাদ্দ দেয়ার সময় এই মর্মে শর্ত জুড়ে দেয়া হয়েছে যে এসব কোম্পানি কোনো বিরোধপূর্ণ এলাকায় অনুসìধান কাজ চালাতে পারবে না। এই বরাদ্দ দিয়েছে মন্ত্রিসভার অর্থনৈতিক বিষয় সম্পর্কিত ক্যাবিনেট কমিটি। এই কমিটির প্রধান হলেন অর্থমন্ত্রী জনাব আবদুল মুহিত। অর্থমন্ত্রীকে সাংবাদিকরা জিজ্ঞাসা করেছিলেন যে সমুদ্র এলাকার কতোখানি অংশ বা কোন্ কোন্ ব্লক বিরোধপূর্ণ। এই প্রশ্নের উত্তর জনাব মুহিত এড়িয়ে যান। তিনি বলেন যে, অনেকগুলো ব্লকই বিরোধপূর্ণ। উল্লেখ করা যেতে পারে যে ২০০৫ সালে বেগম খালেদা জিয়ার নেতৃত্বাধীন জোট সরকার বাংলাদেশের সমুদ্র এলাকায় ২৮টি ব্লক সৃষ্টি করে এবং তেল ও গ্যাস অনুসìধানের পদক্ষেপ গ্রহণ করে। জোট সরকারের এই পদক্ষেপ তাৎক্ষণিকভাবে ভারত ও মিয়ানমারের বিরোধিতার সম্মুখীন হয়। কিন্তু তাদের এই বিরোধিতা বেগম জিয়ার সরকার সাহসিকতার সাথে উপেক্ষা করেন এবং এ সম্পর্কিত আনুষ্ঠানিকতা পালন শুরু করেন।

২০০৬ সালের অক্টোবর মাসে মেয়াদ শেষ হওয়ার কারণে জোট সরকারকে ক্ষমতা ছাড়তে হয়। বিগত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলে ঐসব ব্লকে অনুসìধান কাজের জন্য আন্তর্জাতিক দরপত্র আহ্বান করা হয়। সেই দরপত্র মোতাবেক মার্কিন কোম্পানি কনোকো ফিলিপসকে ৮টি ব্লক এবং আইরিশ কোম্পানি তাল্লোকে একটি ব্লকের জন্য বিবেচনা করা হয়। কিন্তু এই সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত করার আগেই ভারত ও মিয়ানমার এর তীব্র বিরোধিতা করে। তারা বলে যে, এই ১৪টি ব্লকই তাদের এলাকায় অবস্খিত। ভারত ও মিয়ানমারের পটভূমিতে আওয়ামী লীগ সরকার এখন উপরোক্ত তিনটি ব্লক বরাদ্দ করল। এই সিদ্ধান্তের ফলে সরকার ভারত এবং মিয়ানমারের আপত্তির কাছে নতি স্বীকার করল। এখন ওয়াকিবহাল মহলের প্রশ্ন সমুদ্রসীমার প্রশ্নে ভারত ও মিয়ানমারের কাছে সরকারের আপোষকামীতার এটিই কি শেষ নাকি এটি মাত্র শুরু? কারণ সরকার বলেছে যে যেসব এলাকায় বিরোধ আছে সেসব এলাকায় বাংলাদেশ অনুসìধান কাজ চালাবে না। তাহলে প্রশ্ন ওঠে, বাংলাদেশের দাবি ২৯ হাজার বর্গনটিক্যাল মাইল। এই ২৯ হাজারের মধ্যে ২২ হাজার নটিক্যাল মাইল দাবি করেছে ভারত এবং বার্মা। তাহলে বাংলাদেশ কি শুধুমাত্র অবশিষ্ট ৭ হাজার নটিক্যাল মাইলের মধ্যে তার অনুসìধান কাজ চালাবে? এই প্রশ্নের উত্তর দেয়ার পূর্বে সমুদ্রসীমা ও তালপট্টি সমস্যার গোড়ায় যাওয়া যাক।
তালপট্টি ও সমুদ্র সীমার গোড়ার কথা

ভারত মহাসাগরের উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় অংশ হল বঙ্গোপসাগর। ত্রিভুজ আকৃতির এই উপসাগরটির পশ্চিমে অবস্খিত ভারত এবং শ্রীলঙ্কা। উত্তরে বাংলাদেশ এবং ভারতের পশ্চিম বাংলা। পশ্চিমে মিয়ানমার, আন্দামান ও নিকোবর দ্বীপপুঞ্জ। দক্ষিণ সীমান্তে শ্রীলঙ্কা এবং সুমাত্রার উত্তরাঞ্চল। এর আয়তন ২১ লাখ ৭২ হাজার বর্গকিলোমিটার। বঙ্গোপসাগরের দৈর্ঘ্য ১৩০০ বর্গমাইল এবং প্রস্খ ১০০০ মাইল। এই উপসাগরের প্রধান নদ-নদীসমূহ হল গঙ্গা, পদ্মা, ব্রহ্মপুত্র, যমুনা, মেঘনা, মহানন্দা, গোদাবরী, কৃষäা, কাবেরী প্রভৃতি। প্রধান সমুদ্র বন্দর হল চট্টগ্রাম, মংলা, কোলকাতা, রেঙ্গুন, ভিশাখাপত্তম, চেন্নাই প্রভৃতি। সেই বঙ্গোপসাগরের সমুদ্র সীমা নিয়ে বাংলাদেশের সথে দীর্ঘকাল ধরে বিরোধ চলছে ভারত এবং মিয়ানমারের (বার্মা)। এই বিরোধ নিষ্পত্তির এখন পর্যন্ত কোন লক্ষণ দেখা যাচ্ছে না। অথচ সম্মানজনক শর্তে সেই বিরোধ নিষ্পত্তির সাথে জড়িত রয়েছে বাংলাদেশের সার্বভৌমত্ব এবং অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি। কারণ সমুদ্রসীমা নির্ধারণের সাথে জড়িত রয়েছে দক্ষিণ তালপট্টির মালিকানার প্রশ্নটি। এর সাথে জড়িত রয়েছে সমুদ্রের তলদেশে নিহিত বিপুল পরিমাণ তেল, গ্যাস ও অন্যান্য প্রাকৃতিক সম্পদের মালিকানা নির্ধারণের প্রশ্নটি।

বাংলাদেশের দাবি

নির্ভরযোগ্য সূত্রে জানা গেছে যে, বঙ্গোপসাগরের ২৯ হাজার বর্গনটিক্যাল মাইলকে বাংলাদেশ তার সামুদ্রিক এলাকা বলে মনে করে। যদিও জাতিসংঘে এই ২৯ হাজার নটিক্যাল মাইলের ভিত্তিতে এখন পর্যন্ত কোনো আনুষ্ঠানিক দাবি উথাপন করা হয়নি, তবে ভবিষ্যতে সেই ভাবেই দাবি উথাপিত হবে বলে জানা গেছে। কিন্তু ইতিমধ্যেই ভারত ও মিয়ানমার জাতিসংঘের নিকট নিজ নিজ দাবি উথাপন করেছে। একটি বিশেষ সূত্রে জানা গেছে যে প্রতিবেশী দেশ দুইটি ২৯ হাজার নটিক্যাল বর্গমাইলের মধ্যে ২২ হাজার নটিক্যাল মাইলকে নিজেদের এলাকা বলে দাবি করেছে। বাংলাদেশ বলছে যে, যে তিনটি ব্লকের তেল ও গ্যাস অনুসìধানের কার্যাদেশ দেয়া হবে সেগুলো নাকি বিরোধপূর্ণ এলাকা নয়। আন্তর্জাতিক সমুদ্র আইন মোতাবেক সমুদ্রের উপকূলে যে দেশ অবস্খিত সেই দেশ নিম্নলিখিত দাবিসমূহ উথাপন করতে পারে :

১. উপকূল থেকে ১২ নটিক্যাল মাইল পর্যন্ত হবে তার সামুদ্রিক এলাকা।
২. সন্নিহিত এলাকা হবে ২৪ নটিক্যাল মাইল।
৩. এক্সক্লুসিভ অর্থনৈতিক জোন হবে ২০০ নটিক্যাল মাইল।
৪. এই ২০০ নটিক্যাল মাইলের বাইরে ১৫০ নটিক্যাল মাইল বা তারও বেশি এলাকা হবে সম্প্রসারিত কন্টিনেন্টাল শেলফ।
আন্তর্জাতিক সমুদ্র আইন অনুযায়ী ২০০৫ সালে উপকূলীয় অঞ্চলে যে ৮টি এবং অর্থনৈতিক অঞ্চলে বাংলাদেশ যে ২০টি ব্লক চিহ্নিত করেছিলো সেগুলো ছিলো ন্যায্য এবং আন্তর্জাতিক আইনের সাথে সম্পূর্ণ সঙ্গতিপূর্ণ।

সমুদ্রসীমা ও দক্ষিণ তালপট্টি

সমুদ্রসীমা নির্ধারণের সাথে অবিচ্ছেদ্যভাবে জড়িত রয়েছে দক্ষিণ তালপট্টির মালিকানার প্রশ্নটি। বাংলাদেশ যদি এক্সক্লুসিভ অর্থনৈতিক এলাকা সম্পর্কিত ২০০ নটিক্যাল মাইলের দাবি প্রতিষ্ঠা করতে পারে তাহলে দক্ষিণ তালপট্টি বাংলাদেশের অন্তর্ভুক্ত হবে। দক্ষিণ তালপট্টির ওপর ভারতীয় মালিকানা দাবি করে যে যুক্তি দেখানো হচ্ছে সেটি ধোপে টেকে না। বলা হচ্ছে যে হাড়িয়াভাঙ্গা নদীর প্রধান স্রোতধারা নাকি দক্ষিণ তালপট্টির পূর্বদিক দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে। তাই দক্ষিণ তালপট্টি ভারতের। কিন্তু এ ব্যাপারে বাংলাদেশের দাবি এবং যুক্তি অকাট্য। বাংলাদেশের যুক্তি হল, হাড়িয়াভাঙ্গা, রায়মঙ্গল এবং যমুনা নদীর সম্মিলিত প্রবাহ থেকে সৃষ্টি হয়েছে দক্ষিণ তালপট্টি। সুতরাং দক্ষিণ তালপট্টি বাংলাদেশের।

সামরিক গুরুত্ব

ভারতের কাছে বঙ্গোপসাগর পরিবর্তিত পরিস্খিতিতে অসাধারণ সামরিক গুরুত্ব বহন করে। আন্দামান ও নিকোবর দ্বীপপুঞ্জ এই বঙ্গোপসাগরে। কোলকাতা ভিশাখাপত্তম প্রভৃতি সমুদ্র বন্দরও বঙ্গোপসাগরেই অবস্খিত। কিছুদিন আগেও গণচীন ভারত মহাসাগরীয় রাজনীতিতে জড়িত ছিলো না। কিন্তু বিগত দুই দশকে অর্থনৈতিক কারিগরি ও প্রযুক্তিগত ক্ষেত্রে বিস্ময়কর অগ্রগতি সাধন করার পর গণচীন ভারত মহাসাগর তথা বঙ্গোপসাগরে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে চলেছে। মিয়ানমারের অকুণ্ঠ সহযোগিতা পাওয়ায় চীনের পথ এ ব্যাপারে সুগম হয়েছে। ভারত মহাসাগরে চীনের ক্রমবর্ধমান প্রভাব মোকাবেলা করার জন্য আমেরিকার সাথে যৌথভাবে এখানে ভারত অনেকগুলি সামরিক মহড়া করেছে। ২০০৭ সালে বঙ্গোপসারে সাম্প্রতিককালের বৃহত্তম নৌ সামরিক মহড়া অনুষ্ঠিত হয়। এই মহড়ার নাম ছিল ‘মালাবার’। এই মহড়ায় ভারত, আমেরিকা, সিঙ্গাপুর, জাপান এবং অস্ট্রেলিয়ার যুদ্ধ জাহাজ অংশগ্রহণ করে। অনেক প্রতিরক্ষা বিশ্লেষকের মতে, সামরিক কৌশলগতভাবে কেমন করে চীনকে চারদিক দিয়ে ঘিরে ফেলা যায় এটা ছিল তারই একটি মহড়া। মালেশিয়া, থাইল্যান্ড এবং ইন্দোনেশিয়ার সাথে ভারত নৌ সহযোগিতা চুক্তি সম্পাদন করেছে। উদ্দেশ্য, এই এলাকায় ভারতের কৌশলগত গভীরতা বৃদ্ধি করা। পোর্ট ব্লেয়ারের অদূরে ভারত স্খাপন করেছে ‘দূরপ্রাচ্য নৌ কমান্ড’। উদ্দেশ্য আন্দামান সাগরে পর্যবেক্ষণ বৃদ্ধি করা।

ভারত মিয়ানমার ও বাংলাদেশের সামরিক শক্তি

(ক) ভারত : ইন্টারনেট সূত্রমতে, ভারতের সামরিক বাহিনীর জনবল হল ১৩ লাখ ২৫ হাজার। ট্যাঙ্কের সংখ্যা ৩৯০০। নৌ বাহিনীতে রয়েছে একটি বিমানবাহী জাহাজ, ১৪টি সাবমেরিন, ১৬টি ফিন্সগেট এবং ৮টি ডেস্ট্রয়ার। বিমান বাহিনীতে জঙ্গি বিমান ১০০৭টি।
(খ) বাংলাদেশ : বাংলাদেশ সামরিক বাহিনীর জনবল ২ লাখ ৫২ হাজার। সেনাবাহিনী ১ লাখ ৫০ হাজার, ট্যাঙ্ক ৫৮০টি, জঙ্গী বিমান ৮৬টি, রণপোত ৮০। উল্লেখ করা যেতে পারে যে, ১৬ কোটি লোকের তুলনায় এগুলো কোনো শক্তি নয়।
(গ) মিয়ানমার : সামরিক বাহিনীর জনবল ৪ লাখ ৯২ হাজার। সেনাবাহিনীর জনবল ৩ লাখ ৫০ হাজার। গত তিন বছরে মিয়ানমার গণচীনের নিকট থেকে বাংলাদেশী মুদ্রায় ২১ হাজার কোটি টাকার সমরাস্ত্র কিনেছে। বিস্তারিত তথ্য এখনও পাওয়া যায়নি। তবে সাধারণভাবে যেসব তথ্য পাওয়া যাচ্ছে সেই তথ্য থেকে দেখা যায় যে, দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় মিয়ানমারের সামরিক বাহিনী এখন দ্বিতীয় বৃহত্তম।

শুধুমাত্র ভারত নির্ভরতা

শুধুমাত্র ভারত নির্ভরতা বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের জন্য যে কতবড় সর্বনাশ ডেকে আনছে সেটির প্রমাণ পাওয়া যাবে আপৎকালে। সমুদ্রসীমা বা তালপট্টি নিয়ে যদি কোনো সংঘাতের আশঙ্কা দেখা দেয় তাহলে ভারত অবস্খান নেবে তার আপন শক্তিতে। মিয়ানমার ইতিমধ্যেই সামরিক দিক দিয়ে বাংলাদেশের চেয়ে অধিকতর শক্তি অর্জন করেছে। এছাড়াও তার পিছনে রয়েছে গণচীন। সেখানে বাংলাদেশের অবস্খান কোথায়? এই অসহায় অবস্খার কথাই বিবেচনা করেই কি বাংলাদেশ আটাশটি ব্লকের মধ্যে অনুসìধান চালানোর জন্য মাত্র তিনটি ব্লকের বরাদ্দ দিতে পেরেছে? সে কারণেই কি বাংলাদেশকে অবশিষ্ট ব্লকগুলো থেকে পিছু হটতে হয়েছে? সম্পূর্ণভাবে ভারত নির্ভর হয়ে শেখ হাসিনার সরকার আর কতদিন পিছু হটবে?

 

বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

২. ০৪ ঠা সেপ্টেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৫:৩৫
আরেফিন জিটি বলেছেন: দেশের সার্বভৌমত্তের উপর বিরাট হুমকি পরিস্কার দেখা যাচ্ছে।

অবিলম্বে দেশের নৌবাহিনীকে আরও শক্তিশালী করা উচিৎ। অন্তত ২ টি বিএনএস বঙ্গবন্ধুর মত নতুন ফ্রিগ্রেট কেনা উচিৎ অবিলম্বে।

সাথে সাথে কুটনৈতিক ভাবেও এগোতে হবে। এ ক্ষেত্রে আমেরিকা ছাড়া আমাদের আর বিকল্প নাই। মিয়ানমারের অযুহাত দেখিয়ে আমেরিকা থেকে সামরিক সাহায্য পাবার কৌসল খাটাতে হবে। কিন্তু আমাদের নেতারা কি এতটুকু বুদ্ধি রাখেন।
০৪ ঠা সেপ্টেম্বর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:০৬

লেখক বলেছেন: নেতাদের বুদ্ধি নিয়ে সন্দেহের অবকাশ আছে।

৩. ০৪ ঠা সেপ্টেম্বর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:০০
আলঝেইমার ক্রিস্টোসান বলেছেন: বড় পোস্ট, আপাতত প্রিয়তে, পরে সময় নিয়ে পড়ব। তবে যেটুকু দেখলাম তাতে মনে হচ্ছে স্টিকি হওয়ার মতো পোস্ট।
৪. ০৪ ঠা সেপ্টেম্বর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:১২
মাহবুবুর রহমান বলেছেন: আমাগো নেতারা আছে খালি দুর্নিতী আর টাকা খাওয়ার ধান্ধায়, তাগো কি আর হেই খেয়াল আছে। খুবই চিন্তার বিষয়, দেখা যাক কি হয় তবে এক্ষেত্রে কুটনৈতিক তৎপরতা বেশী দরকার।
০৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৪:৩০

লেখক বলেছেন: কুটনৈতিক তৎপরতার বিকল্প নেই। কিন্তু সরকারের পররাষ্ট্র দপ্তর এ ব্যাপারে তেমন তৎপরত মনে হচ্ছে না।

৫. ০৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ১২:৪২
লেখাজোকা শামীম বলেছেন: আপনি অনেক সিনিয়র ব্লগার।
আপনার ও অন্য ব্লগারদের সুচিন্তিত মতামত চাই।
Click This Link
৬. ১৬ ই অক্টোবর, ২০০৯ রাত ৩:০২
দূর আকাশের নীল তারা বলেছেন: বিএনপি, আওয়ামী সবএকই; তেনাদের এসব ভাবার টাইম কই, তেনারা তো আছেন, জনগণরে বাঁশ মেরে কিভাবে তেনারা আখের গোছাবেন ওই তালে। ভারত বা মিয়ানমার যদি তেনা গো ঘুষ দেয়, তাইলেই তো তেনারা চুপ মাইরা বইসা থাকবে আর দেশের সম্পদ হাতছাড়া অইবে। নাকি মিছা কইলাম?
৭. ২৮ শে অক্টোবর, ২০১০ রাত ১১:২৬
মাসুদ যা বলেছেন ঠিকই বলেছেন: অবিলম্বে দেশের নৌবাহিনীকে আরও শক্তিশালী করা উচিৎ।
৮. ০৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০১১ বিকাল ৫:০৯
চিন্তায় আছি বলেছেন: খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটি পোস্ট । আপনাকে অনেক ধন্যবাদ

 

মোট সময় লেগেছে ০.৯৪৫৯ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
নিত্য সজীব যৌবন যার, এসো এসো সেই নও-জোয়ান,
সর্ব্বক্লৈব্য করিয়াছে দূর তোমাদেরই চির আত্ম-দান!
ওরা কাদা ছুঁড়ে বাধা দেবে ভাবে-ওদের অস্ত্র নিন্দাবাদ
মোরা...
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ

    কোন বিভাগ নেই