হিযবুত তাহরির এর কিছু ছবি...
২৬ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৭ দুপুর ১:১৬
ছবিগুলো আমার তোলা না... ই-বাংলাদেশ এ আজই তাদের ফোটো ব্লগে ছাপানো হয়েছে। ছবিগুলো এখানে দেওয়ার কারন হলো আলোচনা শুরু করা... ছবিগুলো দেখুন, তারপর চলেন আলোচনা করি... দেশ কোথা থেকে কোথায় যাচ্ছে...
২. ২৬ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৭ বিকাল ৫:০৯
উদাসী স্বপ্ন বলেছেন:
"এই টোপ তো আমাদের রাজনৈতিক দলগুলোই তুলে দিয়েছে, তাই না?"
আমাদের দল কে বললো? সব চোর তো দেখি এক!
অবশ্য জন্গি এইসব দলগুলা মানুষ না ওরা জংলী, সোজা ফায়ারিং স্কোয়াডে গুলি!
উদাসী স্বপ্ন বলেছেন:
"এই টোপ তো আমাদের রাজনৈতিক দলগুলোই তুলে দিয়েছে, তাই না?"আমাদের দল কে বললো? সব চোর তো দেখি এক!
অবশ্য জন্গি এইসব দলগুলা মানুষ না ওরা জংলী, সোজা ফায়ারিং স্কোয়াডে গুলি!
৩. ২৬ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৭ বিকাল ৫:৩৪
আইকোনাস ক্লাস্টাস বলেছেন:
আমাদের তো বটেই - এদেশের সবকিছুই তো আমাদের। আপনার মনভাব বুঝেছি, তবে সহমত নই - জঙ্গিদের সাথে জং এ গেলে হিতে বিপরিত ই হবে, আমার ধারনা। খুব সহজেই নিয়মতান্ত্রিক ভাবেই তাদের হটিয়ে দেওয়া যায়, তাই না?
৪. ২৬ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৭ বিকাল ৫:৪৩
সংস্থাপক বলেছেন:
শাদা শাট পতাকার নিচে ত্রিভুজ?
৫. ২৬ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৭ বিকাল ৫:৪৩
উদাসী স্বপ্ন বলেছেন:
জামাত বাদে। কারন এরা খুবই ধুর্ত। এরা খাতা কলমে বেশ পরিস্কার আর লবিঙ এর দিক থিকা খুব পোক্ত। আপনি চাইলেও নানান ফিকিরে আপনি দিশাহারা হবেনই। তাই এগো জুতানি আর ফায়ারিং স্কোয়াড নাইলে কসাইখানা!
উদাসী স্বপ্ন বলেছেন:
জামাত বাদে। কারন এরা খুবই ধুর্ত। এরা খাতা কলমে বেশ পরিস্কার আর লবিঙ এর দিক থিকা খুব পোক্ত। আপনি চাইলেও নানান ফিকিরে আপনি দিশাহারা হবেনই। তাই এগো জুতানি আর ফায়ারিং স্কোয়াড নাইলে কসাইখানা!
৬. ২৬ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৭ সন্ধ্যা ৭:২৩
নি বলেছেন:
আরে আপনি এখানে!@ আইকোনাস ক্লাস্টাস।
নি বলেছেন:
আরে আপনি এখানে!@ আইকোনাস ক্লাস্টাস।
৭. ২৬ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৭ সন্ধ্যা ৭:৫০
আইকোনাস ক্লাস্টাস বলেছেন:
আপনি আমাকে চিনলেও, আমি কিন্তু আপনাকে চিন্তে পারিনি নি।
উদাসী, আবার বলছি - সম্মিলিত আন্দলন করে ধর্ম ভিত্তিক রাজনিতিকে বে-আইনি ঘোষনা করাটাই শ্রেয়। তাছাড়া, নির্বাচনি বিধিমালায় এই আইনের সংযোজন অন্য অনেক দল যারা জামাতের ছত্রছহায়ায় বেচে আছে তাদের ও এই প্রক্ক্রিয়া থেকে বাদ দেবে। সহিংস আচরন জামাতের পক্ষেই যাবে।
উদাসী, আবার বলছি - সম্মিলিত আন্দলন করে ধর্ম ভিত্তিক রাজনিতিকে বে-আইনি ঘোষনা করাটাই শ্রেয়। তাছাড়া, নির্বাচনি বিধিমালায় এই আইনের সংযোজন অন্য অনেক দল যারা জামাতের ছত্রছহায়ায় বেচে আছে তাদের ও এই প্রক্ক্রিয়া থেকে বাদ দেবে। সহিংস আচরন জামাতের পক্ষেই যাবে।
৮. ২৬ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৭ রাত ৮:০৫
ধারাভাষ্য বলেছেন:
হিযবুত তাহরীর বাইরের শক্তির হাত থেকে আমাদের বাঁচাতে এসেছে, এমন কথা বলে। কিন্তু দলটি নিজে সম্পূর্ণ বাইরের সাপ্লাই।
ধর্ম নিয়ে বাংলাদেশের রাজনীতির ক্ষেত এখন উর্বর। তাই চলছে শনই শনই উন্নতি। কাল আপনিও একটা খুলে দিন। তবে, বাইরের ফান্ড অ্যাশিওর করতে হইবেক।
হিযবুত তাহরীর বাইরের শক্তির হাত থেকে আমাদের বাঁচাতে এসেছে, এমন কথা বলে। কিন্তু দলটি নিজে সম্পূর্ণ বাইরের সাপ্লাই।
ধর্ম নিয়ে বাংলাদেশের রাজনীতির ক্ষেত এখন উর্বর। তাই চলছে শনই শনই উন্নতি। কাল আপনিও একটা খুলে দিন। তবে, বাইরের ফান্ড অ্যাশিওর করতে হইবেক।
৯. ২৬ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৭ রাত ৯:৫০
আইকোনাস ক্লাস্টাস বলেছেন:
উর্বর ক্ষেত্রটা কোন ভাবেই "জনগন" এর তৈরী না। আমি আপনার সাথে সম্পূর্ন একমত। ঐ যে উটের কথা বললাম না - ঐ উটের উপরই সওয়ার হয়ে আসছে এই ক্ষেত্র বানানোর রশদ। আরবীয় পয়সায় গজাণো কতগুলা এনজিও। মজার ব্যপার হল, সবাই বেশ পড়াশনা করা পাবলিক। ইউনির ছাত্র/ছাত্রি মোটামুটি সবাই। দেশে ঘটে যাওয়া এলিট রেওয়োলুশান এর সাথে কোথায় যেন একটা যোগসাজোশ আছে।
"দেশের মানুষ কোন ভাবেই ধর্মান্ধ না। মিলেমিশে আমরা অনেক দিন ধরেই আছি এবং থাকব। বিশ ছড়াতে চাইলেই তা পারা যাবে না বা পারতে দেওয়া হবে না।" এই মনভাব টা কিন্তু দিনকে দিন কমে যাচ্ছে।
কিন্তু বন্দুকের সামনে কি যুক্তির কথা বলে কোন লাভ আছে? এক দিকে বন্দুক, এক দিকে পশ্চিম (দু'ধরনের মানে আছে এখানে), এক দিকে পড়ালেখা করা উচ্চ মধ্যবিও-ধনী শ্রেনীর কিছু এলিট মানুষজন। ব্যাস। এত সুন্দর কম্বিনেশন বোধহয় দুনিয়ার কোথাও কখন হয়নি!
কিন্তু - ফাক আছে - আর সেটাই হলাম আমরা। মানে - জনগন।
"দেশের মানুষ কোন ভাবেই ধর্মান্ধ না। মিলেমিশে আমরা অনেক দিন ধরেই আছি এবং থাকব। বিশ ছড়াতে চাইলেই তা পারা যাবে না বা পারতে দেওয়া হবে না।" এই মনভাব টা কিন্তু দিনকে দিন কমে যাচ্ছে।
কিন্তু বন্দুকের সামনে কি যুক্তির কথা বলে কোন লাভ আছে? এক দিকে বন্দুক, এক দিকে পশ্চিম (দু'ধরনের মানে আছে এখানে), এক দিকে পড়ালেখা করা উচ্চ মধ্যবিও-ধনী শ্রেনীর কিছু এলিট মানুষজন। ব্যাস। এত সুন্দর কম্বিনেশন বোধহয় দুনিয়ার কোথাও কখন হয়নি!
কিন্তু - ফাক আছে - আর সেটাই হলাম আমরা। মানে - জনগন।


















১) ধর্ম ভিত্তিক রাষ্ট্র পাকিস্তান ভেঙ্গে হল বাংলাদেশ... এর মুলেই ছিল ধর্মনিরপেক্ষতা
২) স্বাধিন বাংলাদেশে বঙ্গবন্ধু তার প্রথম ভাষনে ঘোষনা দিলেন - "আমরা হলাম দ্বিতীয় ভৃহত্তম মুসলিম রাষ্ট্র..."
৩) বঙ্গবন্ধু বেচে থাকা অবস্থাতেই বিদায়ি সম্ভাষন "জয় বাংলা" থেকে হল "খোহাহাফেজ"... সেতা আবার উটের পিঠে করে কখন যেন হয়ে গেল "আল্লাহ হাফেজ"
৪) ওয়াইসি তে আমরা ৭৫ এর আগেই যোগ দিলাম
৫) ঘোষক সাহেব "বিসমিল্লাহ" ঢুকালেন সংবিধানে
৬) পুনরবাসিত করলেন দেশ-বিরোধীদের
৭) মাফ করলেন তাদের যারা ছিলেন চিহ্নিত যুদ্ধাপরাধি (আর ঘটনা ক্রমে বঙ্গবন্ধুর ঘাড়ে পড়লো সব দোষ)
৮) শাহ আজিজ হল প্রধান মন্ত্রি
৯) সংবিধান থেকে ধর্মনিরপেক্ষতা উঠানো হল এরশাদের আমলে - ব্যাস - কেল্লা ফতেহ
এরপর তো আর কোন বাধা থাকে না - তাই না? সকল ধর্ম-ভিত্তিক রাজনৈতিক দল ই লাইসেন্স পেল - ভোটে গেল - বড় দলগুলোর সাথে এক-ই মঞ্চে এসে দাড়াল...
অবস্থাটা এখন এমন যে প্রধান ইলেক্সন কমিশনার বলছেন - আপনারাই তো এই অবস্থা করেছেন - এখন বলেন আমরা কি করতে পারি..."
ভাবখানা এমন যেন উনারা যদি না করতেন, তাহলে অবশ্যই জামাতের রাজনিতি না করার দাবি মেনে নেওয়া হত! কিন্তু, এই টোপ তো আমাদের রাজনৈতিক দলগুলোই তুলে দিয়েছে, তাই না?
কিন্তু - আসল কথা হল... গনতন্রের সাথে ধর্ম-ভিত্তিক রাজনিতি যা নাকি ইসলামি শাষন্তন্র কায়েম করতে চায় সেতা কখনই যায় না। আল্লাহর তন্র আর মানুষের তন্র কি এক হতে পারে - আপনারাই বলেন।
ইতিহাসের পাতায় আমাদের হেরে যাওয়ার ইতিহাসই ভর্তি... ছবি গুলো সেতাই বলে দিচ্ছে... তাও আবার স্বাধিনতার ৩৮ বছর পর!!!