নাস্তিক আস্তিক সমাচার
২৪ শে অক্টোবর, ২০০৭ দুপুর ২:৪০
হয়তো এ নিয়ে আগেও অনেকবার অনেকেই লিখেছে, কিন্তু নতুন ব্লগার হওয়ার কারনে আমি সেই আগের পোস্টগুলোর খবর জানিনা। সে যাই হোক -
আমি এখানে শুধু একটা যৌক্তিক দিক তুলে ধরতে চাই - আপনার মতামত জানালে খুশি হব।
আমার চিন্তায়, নাস্তিক এবং আস্তিক এর মধ্যে "যৌক্তিক" কোন পার্থক্যই নেই। দুজনেই বিশ্বাস করেন। পার্থক্য আছে তাদের বিশ্বাসের বিষয়বস্তুতে। একজন বলছেন "উনি" আছেন, আর অন্যজন বলছেন "উনি" নেই।
আপনাদের কি মত?
লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): নাস্তিকতা ও আস্তিকতা ;
১. ২৪ শে অক্টোবর, ২০০৭ দুপুর ২:৪৫
বাকী বিল্লাহ বলেছেন:
নাস্তিক বিশ্বাস করে না। যিনি নেই তার অস্তিত্বে অবিশ্বাস হয় না। এটা করতে পারে সংশয়ীরা।
বাকী বিল্লাহ বলেছেন:
নাস্তিক বিশ্বাস করে না। যিনি নেই তার অস্তিত্বে অবিশ্বাস হয় না। এটা করতে পারে সংশয়ীরা।
২. ২৪ শে অক্টোবর, ২০০৭ দুপুর ২:৪৭
গনডার বলেছেন:
প্রপাইলের ফটুকটা কি Thich Quang Duc এর
গনডার বলেছেন:
প্রপাইলের ফটুকটা কি Thich Quang Duc এর
৩. ২৪ শে অক্টোবর, ২০০৭ দুপুর ২:৪৮
চির সবুজ বলেছেন:
কে বলেছে নাস্তিক আর আস্তিকের মধ্যে পার্থক্য নেই? দুজনের কাজকর্ম পুরো বিপরীত ধর্মী। একজন সৃষ্টিকর্তা আছেন, এটা মানেন আর একজন সৃষ্টিকর্তা নেই, এটা মানেন।
এটাই তাদের বড় পার্থক্য।
চির সবুজ বলেছেন:
কে বলেছে নাস্তিক আর আস্তিকের মধ্যে পার্থক্য নেই? দুজনের কাজকর্ম পুরো বিপরীত ধর্মী। একজন সৃষ্টিকর্তা আছেন, এটা মানেন আর একজন সৃষ্টিকর্তা নেই, এটা মানেন। এটাই তাদের বড় পার্থক্য।
৪. ২৪ শে অক্টোবর, ২০০৭ দুপুর ২:৪৯
যাযাবর পংক্তিমালা বলেছেন:
নাস্তিক যুক্তির সিড়ি ভেঙে ভেঙে এগিয়ে যান। যেহেতু কোন বিশ্বাস নাই তাই যুক্তিই সম্বল।
যেটা নাই তাতে আবার বিশ্বাস-অবিশ্বাস কিসের।
যাযাবর পংক্তিমালা বলেছেন:
নাস্তিক যুক্তির সিড়ি ভেঙে ভেঙে এগিয়ে যান। যেহেতু কোন বিশ্বাস নাই তাই যুক্তিই সম্বল।যেটা নাই তাতে আবার বিশ্বাস-অবিশ্বাস কিসের।
৫. ২৪ শে অক্টোবর, ২০০৭ দুপুর ২:৫৯
মাহমুদ মামূন বলেছেন:
ধর্ম হচ্ছে একপ্রকার দর্শন। যুগে যুগে বিভিন্ন মনীষী বিভিন্ন ধর্মের অবতারনা ঘটান। তারা তাদের সৃষ্ট ধর্মকে মানুষের মাঝে প্রসার ঘটানোর জন্য বিভিন্ন কল্পিত কাহিনী, মিথ প্রভৃতির আশ্রয় নিয়ে তাদের প্রবর্তিত ধর্মকে আকর্ষনীয় করার প্রচেষ্টা করেন। যার দরুন ধর্মের কোন বৈজ্ঞানিক ভিত্তিই দেখা যায়না। এগুলো শুধুইমাত্র চোখ-কান বন্ধ রেখে অন্ধদের মত বিশ্বাস করেই যেতে হয় যুগ-যুগান্তর ধরে।
মাহমুদ মামূন বলেছেন:
ধর্ম হচ্ছে একপ্রকার দর্শন। যুগে যুগে বিভিন্ন মনীষী বিভিন্ন ধর্মের অবতারনা ঘটান। তারা তাদের সৃষ্ট ধর্মকে মানুষের মাঝে প্রসার ঘটানোর জন্য বিভিন্ন কল্পিত কাহিনী, মিথ প্রভৃতির আশ্রয় নিয়ে তাদের প্রবর্তিত ধর্মকে আকর্ষনীয় করার প্রচেষ্টা করেন। যার দরুন ধর্মের কোন বৈজ্ঞানিক ভিত্তিই দেখা যায়না। এগুলো শুধুইমাত্র চোখ-কান বন্ধ রেখে অন্ধদের মত বিশ্বাস করেই যেতে হয় যুগ-যুগান্তর ধরে।
৬. ২৪ শে অক্টোবর, ২০০৭ বিকাল ৫:০১
আইকোনাস ক্লাস্টাস বলেছেন:
কোন এক কারনে আপনারা কেউ ই আমার logical পয়েন্টটা ধরতে পারেননি। দেখি - আমি আরো একটু clear করতে পারি কি না -
@ বাকী বিল্লাহ বলেছেন - "নাস্তিক বিশ্বাস করে না। যিনি নেই তার অস্তিত্বে অবিশ্বাস হয় না। এটা করতে পারে সংশয়ীরা।"
যিনি নেই - সেটা একজন নাস্তিক জানলো কেমন করে? সেটা কি বিশ্বাসের ব্যপার না? আর সংশয়ীদের কথা বলছেন - উনারাই মনে হয় একমাত্র যারা আসলেই বিশ্বাস করেন না।
@ গন্ডার বলেছেন "প্রপাইলের ফটুকটা কি Thich Quang Duc এর"
That is correct.
@ চির সবুজ - আমিতো কাজকর্মের অমিলের কথা বলিনি - আমি বলেছি "যৌক্তিক" মিলের কথা।
@ যুক্তির সিড়ি বেয়ে কিভাবে "theos" এর অস্তিত্ব নেই প্রমান করা যায় আমি জানি না - আপনি জানলে আমাকে জানিয়েন।
@ মাহমুদ মামুন - ধর্মের যেমন বৈজ্ঞানিক বিত্তি নেই, বিজ্ঞানেরও তেমন ধর্মীয় ভিত্তি নেই। আমার দৃষ্টিতে, এই ধরনের ভিত্তির কোন প্রয়োজনও নেই।
@ বাকী বিল্লাহ বলেছেন - "নাস্তিক বিশ্বাস করে না। যিনি নেই তার অস্তিত্বে অবিশ্বাস হয় না। এটা করতে পারে সংশয়ীরা।"
যিনি নেই - সেটা একজন নাস্তিক জানলো কেমন করে? সেটা কি বিশ্বাসের ব্যপার না? আর সংশয়ীদের কথা বলছেন - উনারাই মনে হয় একমাত্র যারা আসলেই বিশ্বাস করেন না।
@ গন্ডার বলেছেন "প্রপাইলের ফটুকটা কি Thich Quang Duc এর"
That is correct.
@ চির সবুজ - আমিতো কাজকর্মের অমিলের কথা বলিনি - আমি বলেছি "যৌক্তিক" মিলের কথা।
@ যুক্তির সিড়ি বেয়ে কিভাবে "theos" এর অস্তিত্ব নেই প্রমান করা যায় আমি জানি না - আপনি জানলে আমাকে জানিয়েন।
@ মাহমুদ মামুন - ধর্মের যেমন বৈজ্ঞানিক বিত্তি নেই, বিজ্ঞানেরও তেমন ধর্মীয় ভিত্তি নেই। আমার দৃষ্টিতে, এই ধরনের ভিত্তির কোন প্রয়োজনও নেই।
৭. ১৪ ই নভেম্বর, ২০০৭ বিকাল ৪:৪৪
প্রশ্নোত্তর বলেছেন:
@আইকোনাস ক্লাস্টাস
একজন যদি দাবী করে তার একটা পেগাসাস আছে, তবে সেটা প্রমাণের দায়ীত্ব তারই। কনভিন্সিং লজিক দিতে পারলে 'অন্যরা' তা মানবে নয়তো মানবে না! এখন এই 'অন্যদের' মধ্যে থেকে যারা মানলো তারা তো বিশ্বাস করলো না, যুক্তিতে মানলো।
এখন ধরা যাক, যে পেগাসাস দাবী করেছিলো সে প্রমাণ করতে পারলো না। তাই 'অন্যরা' তা মানলো না। এখন এই 'অন্যদের' মধ্য থেকে যদি কিছু লোক যুক্তি-প্রমাণ ছাড়াই মেনে নেয় তারা বিশ্বাস করলো!
আপনিই সিদ্ধান্ত নিন (আর আমাদের জানান), আস্তিক আর নাস্তিকের "যৌক্তিক" কোন পার্থক্য আছে কিনা!
প্রশ্নোত্তর বলেছেন:
@আইকোনাস ক্লাস্টাস একজন যদি দাবী করে তার একটা পেগাসাস আছে, তবে সেটা প্রমাণের দায়ীত্ব তারই। কনভিন্সিং লজিক দিতে পারলে 'অন্যরা' তা মানবে নয়তো মানবে না! এখন এই 'অন্যদের' মধ্যে থেকে যারা মানলো তারা তো বিশ্বাস করলো না, যুক্তিতে মানলো।
এখন ধরা যাক, যে পেগাসাস দাবী করেছিলো সে প্রমাণ করতে পারলো না। তাই 'অন্যরা' তা মানলো না। এখন এই 'অন্যদের' মধ্য থেকে যদি কিছু লোক যুক্তি-প্রমাণ ছাড়াই মেনে নেয় তারা বিশ্বাস করলো!
আপনিই সিদ্ধান্ত নিন (আর আমাদের জানান), আস্তিক আর নাস্তিকের "যৌক্তিক" কোন পার্থক্য আছে কিনা!
৮. ২২ শে নভেম্বর, ২০০৭ বিকাল ৩:৪০
আইকোনাস ক্লাস্টাস বলেছেন:
@ প্রশ্নোত্তর,
আস্তিকতা ও নাস্তিকতা দুটোর ই ভিত্তি বিশ্বাসে... এটাই বলতে চাইছিলাম। কেউ কোন যুক্তির কারনে বিশ্বাসী বা অবিশ্বাসী হয় বলে মনে হয় না... ফাইনাল ডিসিশন টা বিশ্বাসের উপর ই স্থাপিত। পেগাসাসের অস্তিত্ব কেউ যদি মেনে নেয় কারো কোন যুক্তির কারনে, তার মানে এই নয় যে তার এই মেনে নেওয়া "যৌক্তিক"। চেখে নেওয়ার ব্যপারটা থেকেই যায়। কি বলেন?
আস্তিকতা ও নাস্তিকতা দুটোর ই ভিত্তি বিশ্বাসে... এটাই বলতে চাইছিলাম। কেউ কোন যুক্তির কারনে বিশ্বাসী বা অবিশ্বাসী হয় বলে মনে হয় না... ফাইনাল ডিসিশন টা বিশ্বাসের উপর ই স্থাপিত। পেগাসাসের অস্তিত্ব কেউ যদি মেনে নেয় কারো কোন যুক্তির কারনে, তার মানে এই নয় যে তার এই মেনে নেওয়া "যৌক্তিক"। চেখে নেওয়ার ব্যপারটা থেকেই যায়। কি বলেন?

















