আমার প্রিয় পোস্ট

যুদ্ধাপোরাধের বিচার নয়, ধর্মীয় রাজনিতি বন্ধ করুন… বিচার তখন আপনে হবে

২৭ শে অক্টোবর, ২০০৭ সকাল ৮:৩০

শেয়ার করুন:                   Facebook

জামাত বললো, দেশে কোন জুদ্ধাপোরাধী নেই এবং কোনদিন ছিলও না। জামাত কখনই দেশের স্বাধিনতার বিরুদ্ধে কাজ করেনি। ৭১ এ জামাতের ভূমিকা পর্যালোচনা করলেই নাকি সেই সত্য বেদিয়ে আসবে।

মুজিব সরকার থেকে শুরু করে শেষের বিএনপি সরকার পর্যন্ত প্রতিটি সরকারের আমলেই জামাত এক-দু কদম করে এগিয়ে আজকে তাদের এই অবস্থানে এসেছে। আইগত ভাবে কোনটা সত্যি আর কোনটা মিথ্যে সেটা বের করারই কোন প্রয়োজন এখন আর হবে না, কারন রাজনৈতিক যুদ্ধে ওরা জিতেই গেছে বা যাচ্ছে। প্লিজ, মনে রাখবেন, এই কথা তারা নির্বাচন কমিশনের সাথে আলাপ আলোচনার সময়েই বলেছে, এবং সেই নির্বাচন কমিশনের আশির্বাদ পুষ্ট হয়েই তারা আগামি নির্বাচনে অংশ নেবে, মানুষের ধর্মীয় অনুভূতি নিয়ে রাজনিতি করবে, এবং খুব সম্ভব বেশ কিছু আসনও লাভ করবে।

অন্যান্য রাজনৈতিক দলগুলা যতই যুদ্ধাপোরাধীদের বিচারের কথা বলুক না কেন আর ব্লগাররা যতই সেটা নিয়ে লিখুন না কেন, দিবালোকের মতই সত্য হল উপরের কথা গুলো। এর সাথে সাথে সত্য হল, যুদ্ধাপোরাধীদের বিচার তত্যাবধায়ক সরকারের এখতিয়ারে নেই – আগামিতে নির্বাচিত কোন একটা সরকারই শুধুমাত্র এক কাজ করলেও করতে পারে [যদিও আমার সন্দেহ হয় সেটা কেউ করবে, করার থাকলে তো তারা সেতা অনেক আগেই করত, তাই না?]

তবে, আমার চিন্তায়, নির্বাচন কমিশন নির্বাচনী নিয়মকানুনে যেহেতু পরিবর্তন আনছে, তারা অতি সহজেই এবং খুবই যৌক্তিক কারনেই ধর্মীয় রাজনিতির ইতি ঘটাতে পারে। গনতন্র যদি আমরা চাই, তাহলে আমরা ধর্ম নিয়ে রাজনিতি করতে পারবো না – গনতন্র হল মানুষের তন্র আর ধর্মীয় শাশন ব্যবস্থা হল সৃষ্টিকর্তা প্রদত্ত তন্র। এই তেল জলের মিশ্রন সম্ভব না, হওয়া উচিৎও না। আমরা যদি মনে করি এই নির্বাচন কমিশনের কাজ হল অনেক ধরনের সংস্কার এনে দেশে গনতন্র আসার পথ সুগম করে দেওয়া, তাহলে অবশ্যি তাদের ধর্মীয় রাজনিতির উপর নিশেধাজ্ঞা জারী করতে হবে, তানাহলে গনতন্র এনে এক সময়ে ইসলামী শাশন্তন্রও আনতে হবে – অন্য কথায়, খাল কেটে কুমির আনা আর কি।

হতাশ হবার প্রশ্নটা আসে এখানেই – নির্বাচন কমিশন তাদের এখতিয়ারে যা আছে সেটাও করবে না আভ্যন্তরীন লবীর কারনেই। তাদের অনেকেরই পরিস্কার কথা – “জামাত বা অ-জামাত মূল ব্যপার না কোন ক্রমেই। দূর্নীতিমুক্ত কিনা সেটাই একমাত্র দেখার বিষয় এখানে।” আমি যদি মনে করি এদেশে আল্লাহর নিয়মকানুন জারী হয়া উচিৎ - সেই ক্ষেত্রে, আমি যদি দেখি, আল্লাহর নিয়মকানুন জারী করার বিরুদ্ধে কিছু মানুষ (তা সে যতই বড় হোক না কেন সেই সংখ্যা) সেকুলারিজম এর কথা বলছে, তাহলে তো তাদের কতল করাই যায়... এটা একটা আদর্শিক পজিশন, কোণ দূর্নীতি নেই এখানে!!!

হা হা হা পায় যে হাসি... আগের অনেক সরকারের মত এক সরকার ও মনে করে, ইসলামী শক্তিকে সাথে রেখেই কাজে আগাতে হবে, যদিও আজকাল কে যে কাকে “সাথে” রাখছে আর আসলে কে সে “চালাচ্ছে” সেটাই বুঝা ভার হয়েছে।

 

 

  • ৮ টি মন্তব্য
  • ১৪০ বার পঠিত,
Send to your friend Print
রেটিং দিতে লগ ইন করুন
পোস্টটি ৫ জনের ভাল লেগেছে, ১ জনের ভাল লাগেনি
১. ২৭ শে অক্টোবর, ২০০৭ সকাল ৮:৫২
comment by: কালাসনিকভ বলেছেন: আবালিয় পোস্ট।
২. ২৭ শে অক্টোবর, ২০০৭ সকাল ৮:৫৮
comment by: আইকোনাস ক্লাস্টাস বলেছেন: কেন বলবেন কি কালাসনিকভ?
৩. ২৭ শে অক্টোবর, ২০০৭ সকাল ৯:৫৩
comment by: হমপগ্র বলেছেন: @ কালাসনিকভ
চ্যাটের বাল বুঝস? তুই একটা চ্যাটের বাল।
৪. ২৭ শে অক্টোবর, ২০০৭ সকাল ১০:২৯
comment by: কালাসনিকভ বলেছেন: হমপগ্র বিরাট চ্যাটের বাল বুঝেন?......।। না? সারা দিন কি এইটা নিয়ে চুষেন নাকি? রাম ছাগল আইছে একটা।
৫. ২৯ শে অক্টোবর, ২০০৭ বিকাল ৪:৫৫
comment by: আইকোনাস ক্লাস্টাস বলেছেন: Such intelligent deliberations... I am amazed!
৬. ১৪ ই নভেম্বর, ২০০৭ বিকাল ৪:৩০
comment by: আরিফুর রহমান বলেছেন: আপনার পোস্টের টাইটেলের সাথে একমত। ৫
৭. ১৪ ই নভেম্বর, ২০০৭ বিকাল ৪:৩৭
comment by: প্রশ্নোত্তর বলেছেন: নীতিগত কারণেই গণতন্ত্র আর ধর্মতন্ত্র একসাথে চলতে পারে না! যারা গণতন্ত্রের কথা বলছে তারা ধর্মতান্ত্রীকদের কায়দা বুঝেও না বোঝার ভান করছে। আর যারা ধর্মতন্ত্র করছে তারা কৌশলে এগুচ্ছে, মুখে গণতন্ত্র আর সময়মতো (নির্বাচনের সময়) ঠিকই বলছে আল্লাহর আইন চাই!

এখনই সময় এইসব ধোকাবাজি বন্ধ করার!

৫।
৮. ১৪ ই নভেম্বর, ২০০৭ বিকাল ৪:৩৮
comment by: দ্বিধা বলেছেন: ৫

 

 


তেমন কিছুই বলার নেই নিজের সম্পর্কে...
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ

    কোন বিভাগ নেই

সর্বমোট হিট

 ৬৭৫৪