সাহিত্য ও নৈতিকতা
১৮ ই নভেম্বর, ২০০৭ রাত ১১:০৭
সাহিত্য আর নৈতিকতা কি কোন প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ ভাবে জড়িত?
একজন সাহিত্যিককে কি নৈতিক ও হতে হবে (মানে, সবাইকে নৈতিক হবার মত না... সাহিত্যিক হবার কারনে নৈতিক হওয়ার মত আর কি)?
একটা বই এর লেখকের অনৈতিক কার্যকলাপ প্রকাশের পর তার সৃস্ট সাহিত্যের মান কি ক্ষুন্ন হয়?
২. ১৮ ই নভেম্বর, ২০০৭ রাত ১১:১১
৩. ১৮ ই নভেম্বর, ২০০৭ রাত ১১:১২
বজলু মহাজন বলেছেন:
হ। বজলু মহাজনের খারাপ কতায় হের নিজের সৃষ্ট সাহিত্য ধরাশায়ী।
বজলু মহাজন বলেছেন:
হ। বজলু মহাজনের খারাপ কতায় হের নিজের সৃষ্ট সাহিত্য ধরাশায়ী।
৪. ১৮ ই নভেম্বর, ২০০৭ রাত ১১:৩০
সারওয়ারচৌধুরী বলেছেন:
সৃস্ট সাহিত্যের মুল্যায়নের সাথে সাহিত্যিকের ব্যাক্তি চরিত্রের সংযোজনের কোন মানে হয় না।
৫. ১৮ ই নভেম্বর, ২০০৭ রাত ১১:৩১
আইকোনাস ক্লাস্টাস বলেছেন:
@ মহাজন,
সাহিত্যের মান সেই সাহিত্যেই পাওয়া যায় আমার মনে হয় - সাহিত্যিককে সে কারনে বিচারে বসাতে হয় না। আপনার সাহিত্য সাহিত্যের যায়গায়, আর আপনি আপনার যায়গায়।
@ সু-শান্ত,
কঠিন? হুম... কিন্তু, হ্যা না না না বলা যাবে না? অনেক দিন ই-বাংলাদেশে যাওয়া হয় না... আবার হবে কোন এক দিন...
সাহিত্যের মান সেই সাহিত্যেই পাওয়া যায় আমার মনে হয় - সাহিত্যিককে সে কারনে বিচারে বসাতে হয় না। আপনার সাহিত্য সাহিত্যের যায়গায়, আর আপনি আপনার যায়গায়।
@ সু-শান্ত,
কঠিন? হুম... কিন্তু, হ্যা না না না বলা যাবে না? অনেক দিন ই-বাংলাদেশে যাওয়া হয় না... আবার হবে কোন এক দিন...
৬. ১৮ ই নভেম্বর, ২০০৭ রাত ১১:৩২
আইকোনাস ক্লাস্টাস বলেছেন:
সহমত সারওয়ার চৌ:
৭. ১৮ ই নভেম্বর, ২০০৭ রাত ১১:৫০
নাজিম উদদীন বলেছেন:
ব্যক্তিচরিত্রের সাথে তার সৃষ্ট সাহিত্যের সাথে মেলানো ঠিক হবে না। সাহিত্য বোঝার জন্যে অবশ্য তা করা যেতে পারে।
নাজিম উদদীন বলেছেন:
ব্যক্তিচরিত্রের সাথে তার সৃষ্ট সাহিত্যের সাথে মেলানো ঠিক হবে না। সাহিত্য বোঝার জন্যে অবশ্য তা করা যেতে পারে।
৮. ১৯ শে নভেম্বর, ২০০৭ রাত ১২:০২
সিহাব চৌধুরী বলেছেন:
নৈতিকতা কে যদি ডিফাইন করে দেন তবে, সাহিত্যের সাথে একে জড়ানোর কোন মানে নেই । ডেফিনিশন যেকোন শিল্পের মৃত্যু ঘটায় । ৫ ।
সিহাব চৌধুরী বলেছেন:
নৈতিকতা কে যদি ডিফাইন করে দেন তবে, সাহিত্যের সাথে একে জড়ানোর কোন মানে নেই । ডেফিনিশন যেকোন শিল্পের মৃত্যু ঘটায় । ৫ ।
৯. ১৯ শে নভেম্বর, ২০০৭ রাত ১২:১৩
দ্বিধা বলেছেন:
হুম
দ্বিধা বলেছেন:
হুম
১০. ১৯ শে নভেম্বর, ২০০৭ রাত ১:০০
মৃদুল মাহবুব বলেছেন:
'সাহিত্য' এবং 'সাহিত্যিক' এই দুইটা পরস্পর আলাদা এবং বিরোধী। ফলে একটার সাথে আর একটা মেলালে অনুচিত বলে মনে হয় আমার কাছে। আর সাহিত্যকের ব্যক্তি জীবন খুব বেশী কিছু না, আমার কাছে তা গুরুত্বহীন। শেষমেষ টেক্সটাই বেঁচে থাকে যদি তা মহান কোন সৃষ্টি হয়ে থাকে। প্রত্যেকের ব্যক্তি জীবনতো পাখির পালকের মত হালকা। আল মাহমুদ এর ব্যক্তিগত বিশ্বাসকে অবশ্যই একজন সচেতন মানুষ এড়িয়ে চলবেন। তা না হলে সে আর পাঠক কিসের। কোন কিছু সম্ভন্ধে যে কোন কঠোর মানসিকতা ফ্যাসিবাদের লক্ষণ। তবে তো একজন নীতিবাগীস অলেখককে কি আমরা গ্রহন করবো? অথবা করবো না? হ্যাঁ, তাকেও আমরা গ্রহন করা যেতে পারে। শিল্পের কোন চরিত্র নেই,এটা হলো যাচ্ছেতাই রকম উদারতায় ভরা মানস পর্যটন। জীবনের মত স্বচ্ছ,অদৃশ্য। লেখা আর লেখক এক বিষয় নয়। একটার দায় আর একটার উপর চাপালে মানসিক চাপই বাড়ে বোধ হয়। আর কিছু কি হয়?
মৃদুল মাহবুব বলেছেন:
'সাহিত্য' এবং 'সাহিত্যিক' এই দুইটা পরস্পর আলাদা এবং বিরোধী। ফলে একটার সাথে আর একটা মেলালে অনুচিত বলে মনে হয় আমার কাছে। আর সাহিত্যকের ব্যক্তি জীবন খুব বেশী কিছু না, আমার কাছে তা গুরুত্বহীন। শেষমেষ টেক্সটাই বেঁচে থাকে যদি তা মহান কোন সৃষ্টি হয়ে থাকে। প্রত্যেকের ব্যক্তি জীবনতো পাখির পালকের মত হালকা। আল মাহমুদ এর ব্যক্তিগত বিশ্বাসকে অবশ্যই একজন সচেতন মানুষ এড়িয়ে চলবেন। তা না হলে সে আর পাঠক কিসের। কোন কিছু সম্ভন্ধে যে কোন কঠোর মানসিকতা ফ্যাসিবাদের লক্ষণ। তবে তো একজন নীতিবাগীস অলেখককে কি আমরা গ্রহন করবো? অথবা করবো না? হ্যাঁ, তাকেও আমরা গ্রহন করা যেতে পারে। শিল্পের কোন চরিত্র নেই,এটা হলো যাচ্ছেতাই রকম উদারতায় ভরা মানস পর্যটন। জীবনের মত স্বচ্ছ,অদৃশ্য। লেখা আর লেখক এক বিষয় নয়। একটার দায় আর একটার উপর চাপালে মানসিক চাপই বাড়ে বোধ হয়। আর কিছু কি হয়?
১১. ১৯ শে নভেম্বর, ২০০৭ রাত ১:০৬
নাজিম উদদীন বলেছেন:
'আল মাহমুদ এর ব্যক্তিগত বিশ্বাসকে অবশ্যই একজন সচেতন মানুষ এড়িয়ে চলবেন।'
মৃদুল
আল মাহমুদ এগজাক্ট উদাহরণ।
নাজিম উদদীন বলেছেন:
'আল মাহমুদ এর ব্যক্তিগত বিশ্বাসকে অবশ্যই একজন সচেতন মানুষ এড়িয়ে চলবেন।'মৃদুল
আল মাহমুদ এগজাক্ট উদাহরণ।
১২. ১৯ শে নভেম্বর, ২০০৭ দুপুর ১:০৬
আইকোনাস ক্লাস্টাস বলেছেন:
সবাইকে অনেক অনেক ধন্যবাদ এই আলোচনায় অংশ নেওয়ার জন্য। আমি একটা উদাহরন নিয়ে কথা বলছিলাম কোন এক দিন (অনেক আগে) আমার এক প্রফেসরের সাথে। তিনি ছিলেন সাইকলজির টিচার, কিন্তু তার affiliation ছিল এডুকেশন ডিপার্টমেন্টের সাথে। তার একটা ক্লাসের একটা required reading ছিল এক লোকের লেখা childhood learning এর উপর একটা বই। এই বই শুধু সেই ক্লাসেই না, বরং সারা দেশেই বেশ পপুলার হয়েছিল। অনেক মা বাবাই সেই বই পড়ে বাচ্চা লালন-পালনের অনেক খুটিনাটি জেনেছেন এবং সেটা অনেক সমাদৃত ও হয়েছিল।
অনেক বছর পর, সেই লেখকের নিজের তিন মেয়ে যখন বড় হয়ে কলেজে পড়তে শুরু করেছে (সব মিলিয়ে বই লেখা এবং সেই বই পপুলার হওয়ার প্রায় ১৫ কি ২০ বছর পর), তখন কোন কারনে সেই তিন মেয়ের মুখ থেকেই তাদের ছোট বেলার horror stories গুলা প্রকাশ পেয়ে যায়। ঘটনা কোর্ট পর্যন্ত গড়িয়ে যায় এবং শেষ-মেষ সেই লেখকের হয় অনেক বছরের শাস্তিfor inflicting both mental and physical abuse and torture on his daughters, including sexual abuses and advances.
এই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে, আমার প্রফেসর, যিনি নাকি সেই লেখকের লেখা বইটা তার ক্লাসে পড়াতেন, তিনি তার ক্লাসের পাঠ্য বই এর লিস্ট থেকে সেই বইটা বাদ দিয়ে দিলেন।
এরকম ই এক সময়ে সেই প্রফেসরের সাথে আমার কথা হচ্ছিল (পড়ুন argument)। আমি ছিলাম বই টা লিস্টে থাকার পক্ষে, আর তিনি নিজে ছিলেন তার বিপক্ষে।
অনেক বছর পর, সেই লেখকের নিজের তিন মেয়ে যখন বড় হয়ে কলেজে পড়তে শুরু করেছে (সব মিলিয়ে বই লেখা এবং সেই বই পপুলার হওয়ার প্রায় ১৫ কি ২০ বছর পর), তখন কোন কারনে সেই তিন মেয়ের মুখ থেকেই তাদের ছোট বেলার horror stories গুলা প্রকাশ পেয়ে যায়। ঘটনা কোর্ট পর্যন্ত গড়িয়ে যায় এবং শেষ-মেষ সেই লেখকের হয় অনেক বছরের শাস্তিfor inflicting both mental and physical abuse and torture on his daughters, including sexual abuses and advances.
এই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে, আমার প্রফেসর, যিনি নাকি সেই লেখকের লেখা বইটা তার ক্লাসে পড়াতেন, তিনি তার ক্লাসের পাঠ্য বই এর লিস্ট থেকে সেই বইটা বাদ দিয়ে দিলেন।
এরকম ই এক সময়ে সেই প্রফেসরের সাথে আমার কথা হচ্ছিল (পড়ুন argument)। আমি ছিলাম বই টা লিস্টে থাকার পক্ষে, আর তিনি নিজে ছিলেন তার বিপক্ষে।


















= কঠিন প্রশ্ন।