Setting priority
০৫ ই ডিসেম্বর, ২০০৭ সকাল ১০:৪৮
1. Incident 1: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের খেলার মাঠে আর্মিদের সাথে লেগে গেল ছাত্রদের। খুব ই পরিস্কার ভাবে বুঝা গেল আর্মিদের ই গলদ হয়েছিল। ওরা মাফ চেল কি চেল না, তার বিচারে না গিয়ে, ছাত্ররা নেমে গেল রাস্তায়। তাদের ছুতার দরকার ছিল... দম বন্ধ হয়ে থাকা অবস্থায় যে কোন ছুতাই ভাল ছুতা, আর এতো রীতিমত legitimate! ব্যাস – শুরু হয়ে গেল স্বতঃস্ফুর্ত আন্দোলন। ঢাকা থেকে রাজশাহী, রাজশাহী থেকে সারা দেশে! এমন সময় রসিক মিডিয়া দিল আরো রসদ – ছেপে দিল তারা ঐ ছবিটা। উফ... ক্যামোফ্লাজ কম্ব্যাট ইউনিফরম পরা একজন প্রানভয়ে দৌড়াচ্ছে আর তার ঠিক পেছনেই ধেয়ে আসছে এক ছাত্রের (মনে হয় সে ছাত্রই) উড়ন্ত লাথি!!
ব্যাস, আর যাবে কোথায়! মারধোর চল্লো উত্তম মধ্যম – ঘর থেকে বের করে করে মাইর দেওয়া হল। কে আন্দোলনে ছিল কি ছিল না সেই সব বাছবিচার না করেই বেদম মাইর চল্লো। এর মধ্যে চল্লো ভাংচুর রাস্তায় রাস্তায়... আর কি ই বা করবে। দেওয়ালে পিঠ ঠেকে যাওয়া মানুষের দল আর কিছু না পেয়ে ভাংলো যা পেল সামনে তা ই। অবস্থা আসলেই মনে হয় এর চাইতেও অনেক বেশী desperate. কিন্তু তাতে কি? আর্মি, বি ডি আর, পুলিশ নামিয়ে সব শান্ত করে ফেলা হল কোন organized movement শুরু করার আগেই।
এরপর ধরা খেলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের বেশ কিছু শিক্ষক – ঢাকা আর রাজশাহী থেকে। ঢাকা উনারা এখনো বিচার ছাড়াই জেলে আছেন, আর রাজশাহীর উনাদের বিচারের রায় হল গতকাল... তাতে দুজন ছাড়া বাকি চার জনের হয়েছে দুই বছরের জেল... মেইন অন্যায়: জরুরী অবস্থা চলাকালে মৌন মিছিল!!! বেশ।
ঢাকার উনাদের সময়ও আসছে...
2. Incident 2: কোন এক আরিফুর রহমান একটা কার্টুন আকলো প্রথম আলোর আলপিনে (যা নাকি অনেক বছর আগে “বেগম” এবং ছাত্র-শিবিরের “কিশোর কন্ঠে” প্রকাশ হয়েছিল... so hardly original!) আর তাকে কেন্দ্র করে শুরু হয়ে গেল হিজবুত তাহরিরের মিটিং, মিছিল, কাগজ আর এফিজি পুড়ানো, আর violent শ্লোগান দেওয়া!
তখন সরকার কি করলো? আপনি যদি মনে করে থাকেন, মৌন মিছিলের জন্য যদি দুই বছরের জেল হয় (অবশ্যিই সেটা DGFI এর black hole পরিক্রমার পর ই, আগে না!), তাহলে নিশ্চই এই মিটিং মিছিলের কারনে ওদের রীতিমত পাছার চামড়া তুলে নেওয়া হয়েছিল, তাহলে আপনি খুব ই ভুল করবেন। কারন, এতে করে punishment তো দুরের কথা, বরং সেই পত্রিকার সম্পাদককে মুফতির কাছে নুয়ে গিয়ে মাফ চাইয়েছে এই সরকার!
আমাদের priority কোথায়??
অচেনা বাঙালি বলেছেন:
মুফতি না খতিব
মাদারি বলেছেন:
নিধ্রাম আবালচোদা কাইল একডা পুশট দিসে- যাইয়া দ্যাইখো।নাস্তিক, এশকিমোরা অবশ্য ভালা আনচার দিয়া দিসে হালার ফুতেরে।
মাদারি বলেছেন:
যঃঃঢ়://িি.িংড়সবযিবৎবরহনষড়ম.হবঃ/নষড়ম/হরফযরৎধসনষড়ম/28749411
মাদারি বলেছেন:
যঃঃঢ়://িি.িংড়সবযিবৎবরহনষড়ম.হবঃ/নষড়ম/হরফযরৎধসনষড়ম/28749411
সরি... খতিব হবে... তবে সে কি এক ই সাথে একজন মুফতিও না? কি জানি?
@ নাজিরুল হক,
আরেকটু খোলাসা করে বলবেন? মনে হয় পুরাটা বুঝি নাই।
@ মাদারি,
কিছুই বুঝি নাই... কিছু অপ্রাসঙ্গিক গালি ছাড়া।
উভয়ের খামখেয়ালীর প্রতিদানে দেশ পেল কয়েক দিনের কারফিউ। ক্ষতি সাধন হল সাধারণ জনগনের।
ফাহমিদুল হক বলেছেন:
পোস্টের জন্য ৫।নাজিরুল হক, দুই মারের পার্থক্য। আছে। ছাত্ররা ক্যান্টনমেন্টে গিয়ে জওয়ানকে মারেনি। জওয়ানরা ঢাবিতে এসে ছাত্রদের মেরেছে।
আপনি যে-নিরপেক্ষ অবস্থান নিচ্ছেন, সেই নিরপক্ষেতা সর্বত্র কাম্য নয়।
মাদারি বলেছেন:
কি কও, গালি কোই পাইলা?রীতিমতন যুক্তি হোইসে।
শ্যাষের দিকে রাতুল আবালডার কতাবার্তা খলি পড়সো নিহি?
উপ্রের দিকে- নাস্তিক, রোকন, এশকিমো, মাতামুডা, ফা.হকের মন্তব্য পইড়া দ্যাখো।
ধন্যবাদ
@ মাদারি,
এই থ্রেডে আপনার পোস্ট এর কথা বলছিলাম... লেখাগুলা ঠিক মত উঠে নাই তো, তাই। anyways থ্রেডটা পড়েছি আর কমেন্ট ও করেছি। দারুন লাগলো আলোচনাটা। এখনো তো চলছে মনে হয়। আর রাতুল... [মুচকি হাসলাম] কিছুই বলার নাই। কিছু মানুষতো থাকবেই হুদা ক্যাচাল করার জন্য। Makes life more interesting I guess.
কিন্তু ছাত্রদের আন্দোলনের নামে যা হয়েছে সেটাকে আপনি কিভাবে বৈধ আখ্যা দিবেন? @ ফাহমিদুল।
মাদারি বলেছেন:
@নজুএই মন্তব্য দ্যাখেন
নাস্তিকের ধর্মকথা বলেছেন :
২০০৭-১২-০৪ ২৩:২৫:৫১
প্রশ্ন বলেছেন
"তবে ঐ ঘটনা ছাত্রদের বা শিক্ষকদের কারোই নিয়ন্ত্রনে ছিল না শেষতক...ইন্সট্যান্ট অ্যাকশনের চান্স 'যারা' নেওয়ার তারা ঠিকই নিয়েছে 'ঠোঙ্গা' পেয়েছে ছাত্ররাই!
তাই ইন্সট্যান্ট হোক আর যাই হোক সব রকমের অ্যাকশন-রিঅ্যকশানের ক্ষেত্রেই মনে রাখতে হবে, নিয়ন্ত্রন না রাখতে পারলে সবই বিপদজনক।"
-----------------------------------
১। অন্যায়ের বিরুদ্ধে সব রকমের অ্যাকশন-রিঅ্যকশানের ক্ষেত্রেই- নিয়ন্ত্রণ রাখতে না পারলে কাঙ্খিত ফল পাওয়া যায় না, নিয়ন্ত্রণ রাখতে পারলে- অনেক দূর পর্যন্ত এগুনো যায়। তাই বলে- নিয়ন্ত্রণ রাখতে না পারলে এটাকে বিপদজনক মোটেই বলা ঠিক হবে না।
২। বরাবর ছাত্ররাই 'ঠোঙ্গা' পায়, আর এর বিনিময়েই কিন্তু আমাদের সমস্ত অর্জন।
৩। 'চান্স' যদি অন্যরা নিয়েও থাকে- সেটা এই আন্দোলনের জন্য মন্দ হয়নি বৈকি। জরুরি অবস্থায় এহেন চপোটাঘাত সরকারের প্রাপ্যই ছিল।
৪। হকার সহ খুদে ব্যবসায়িরা এত এরোগেন্ট হওয়ার একটা বড় কারণ তাদের প্রতি মাসের পর মাস ধরে করা জুলুম।
মাদারি বলেছেন:
@নজুএই মন্তব্য দ্যাখেন
ফাহমিদুল হক বলেছেন :
২০০৭-১২-০৪ ২৩:৩৮:০০
আবারও সহমত নাস্তিকের ধর্মকথা।
জলপাই আর ছাত্রদের খেলার মাঠে ঠেলাঠেলি থেকে এতবড় বিক্ষোভ কি এমনি এমনি হয়েছে? জমা হওয়া ক্ষোভের আগুন এক লহমায় জ্বলে উঠেছে।
আরে ভাই, মানুষ তো এমনিতেই পদে পদে শৃঙ্খলিত, বাকস্বাধীনতা না থাকলে আর কী থাকে?
তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রাথমিক কাজের মধ্যে হকার-বস্তি উচ্ছেদ পড়ে? পাটকল বন্ধ। জিনিসের দাম বাড়ছে, হু হু করে। দুর্নীতিমুক্ত দেশ উপহার দেবার নামে আপনি পদে পদে আমাকে বানতাছেন, আর বলতেছেন জরুরি আইন চলে, কথা কইস না। বিক্ষোভ করিস না।
একটা ছাত্রবিক্ষোভকে কেবল ঘটনার কার্যকারণ দিয়ে বুঝতে চাইলে সেটা হবে পাটিগণিত। আপনাকে আমাকে সমাজতত্ত্বও একটু বুঝতে হবে।
মাদারি বলেছেন:
মাথামোটা বলেছেন :২০০৭-১২-০৫ ০০:১৬:২৩
নিধিরাম সর্দার -
সবকিছু নিয়া গবেষনা করা যায় কিন্তু ১৫ কোটি লোকের ভাগ্য নিয়া?
এই সরকারের পক্ষে কারা থাকতে পারে?
জামাত
জাতীয় পার্টির কিছু অংশ
বিএনপি ও আলীগের কিছু ক্ষুদ্র অংশ
আন্তাজী দল সমুহ
তাইলে মূল কি দাড়াইলো? এইটা কার দল হইব? এইটা হইব জামাত আর মিলিটারির একটা কোয়ালিশন।
৩৭ বছর(পাচ বছর ক্ষমতায়ও ছিল) চুপ থাকার পর জামাত এখন কি ক্ষমতা পাইছে যে এইরকম লাফাইতাছে? তার মনোবল বৃদ্ধির কারন কি?
মাদারি বলেছেন:
নাস্তিকের ধর্মকথা বলেছেন :২০০৭-১২-০৫ ০০:২৮:০৪
প্রশ্ন
১। নিয়ন্ত্রণ রাখতে না পারলে অনেক দূর এগুনো না গেলেও- প্রতিবাদমাত্রেরই একটা গুরুত্ব আছে, প্রতিবাদহীন অন্যায় হজমের মত ঘৃণ্য ও অপমানকর আর কিছুই হতে পারেনা; সে অর্থে যেকোন অন্যায়ের প্রতিবাদ করার একটা গুরুত্ব আছে এবং সে অর্থে- নিয়ন্ত্রণ না থাকলেও সেই অ্যাকশন-রিঅ্যাকশনের অবশ্যই গুরুত্ব আছে, এবং এটাকে বিপদজনক বলাটাই যেকোন জাতির জন্য মানুষের জন্য বিপদজনক।
উল্টো দিকে চুড়ান্ত ফলের অর্থে বললে- অনেকসময়ই কোন আন্দোলন নিয়ন্ত্রণে থাকার পরো লক্ষে পৌঁছাতে নাও পারে। ফলে উদ্দেশ্যে পৌঁছাটা দিয়ে কোন অ্যাকশন-রিঅ্যাকশনকে বিপদজনক কিনা বিচার করা টা মূর্খতা(সরি, আপনাকে প্রকৃতই মূর্খ মনে করিনা)।
সাম্প্রতিক আন্দোলনের বিচারে দেখি।
সরকারের কীর্তি-কলাপ সম্পর্কে ফা,হক ও রোকন বলেছে (আমি একমত)। এর বিরুদ্ধে অলআউট প্রতিরোধ দরকার ছিল।
বস্তি উচ্ছেদের ঘটনায় পারা যায়নি, হকার উচ্ছেদের ঘটনায় পারা যায়নি, পাটকল বন্ধের ঘটনায় পুরোপুরি পারা যায়নি(শ্রমিকরাই অবশ্য প্রথম জরুরি অবস্থা ভেঙ্গে প্রতিবাদ জানিয়েছিল, তারাই তো অগ্রসর অংশ, রেড স্যালুট!!)- কিন্তু ঢা.বি. ঘটনায় দেশ ফুটে উঠেছিল।
যদি, নিয়ন্ত্রণ থাকতো- যদি সারা দেশের ছাত্রদের- শ্রমিকদের- ঢাকার সমস্ত উচ্ছেদকৃত ও উচ্ছেদ হতে যাওয়া বস্তিবাসীকে, হকারকে একত্রিত করা যেত- হয়তো এই সরকারকে বঙ্গোপসাগরে নিক্ষেপ করা যেত- সে অর্থে, নিয়ন্ত্রণ না থাকায় কাঙ্খিত ফল পাওয়া যায়নি।
কিন্তু, নিয়ন্ত্রণ ছাড়াই- যতটুকু চপোটঘাত সরকারকে করা গেছে- তাতেই এই আন্দোলনের সার্থকতা।
২। ভুল, ইতিহাস দেখুন, পড়ুন, জানুন- ছাত্রদের সবসময়ই সবচেয়ে বেশি নির্যাতন সহ্য করতে হয়েছে।
৩। অন্যরা চান্স নেয়াতেই স্পেশাল ডাইমেনশন পেয়েছে এটা বলিনি। সরকারকে লাথি মারা দরকার ছিল, এই ইচ্ছা যদি কোন অসত গোষ্ঠীরো থেকে থাকে- তাহলে তা আন্দোলনের মূল উদ্দেশ্যের সাথে কন্ট্রাডিক্ট করে না, বরং- সরকারের পাছায় দেয়া লাথির মোমেন্টাম বাড়ায়- সে অর্থে আন্দোলনকে খুব একটা ক্ষতি করেনি।
৪। বছরের পর বছর সকল গণতান্ত্রিক(!)-অগণতান্ত্রিক সরকারই জুলুম করেছে এবং রিসেন্ট মাসে পর মাস এই জলপাই সরকার জুলুম করেছে।
আপনি অন্য পোস্ট এখানে আনছেন কেন? সেই পোস্টে যেতে বলাটাই যথেষ্ট। প্লিজ... ফ্লাডিং হয়ে যাচ্ছে ব্যাপারটা।
আমার মনে হয়, ছাত্রদের আন্দোলন বৈধ কি অবৈধ তার চাইতে বেশী জরুরী হল - সেটা সময়ের দাবী কি না, রাইচাস কি না। জরুরী আইনের আওতায় তো সব কিছুই বেআইনী...
@ কৈলাস,
ধন্যবাদ
আইরিন সুলতানা বলেছেন:
ভাবতে হবে; দেশ কোন দিকে ধাবিত হচ্ছে...
নাস্তিকের ধর্মকথা বলেছেন:
ভালো না-রে ভাই।
এখানে অনেক কিছু হয়ে গেছে।
রাজাকার ও নব্য রাজাকারদের উত্থান- ব্লগ কর্তৃপক্ষের সব মত প্রকাশের নীতির নামে রাজাকার তোষণ- প্রতিবাদ- প্রতিবাদকারীর ব্যান- আনব্যানের দাবিতে কলমবিরতি- আনব্যান দাবি আদায়- সুশীল শ্রেণীর আবির্ভাব- যারা একসাথে রাজাকার ও গালিবাজির বিরুদ্ধে কথা বলে- সব মিলিয়ে যাচ্ছেতাই অবস্থা!!!!!!!
লাস্ট ঘটনা হলো- অমি রহমান পিয়াল কে হাশেম পোদ্দার অমির স্ত্রী তুলে পোস্ট দেয়ায় অমি হাশেমকে গালি দিয়েছে- ফলে- ব্লগ কর্তৃপক্ষ অমিকে ব্যান করেছে। এমনকি মন্তব্য দেয়ার রাইটও কেড়ে নিয়েছএ।
হাশেম পোদ্দারের ঐ পোস্টের পিছনে মনে হয়- একটি বিশেষ উদ্দেশ্য থাকতে পারে। অমি-কে যে প্রভোক করা হলো- সেটা নিয়ে কারো রা নেই!!!!
অথচ- এখনো অনেক পোস্ট আছে- যেখানে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে প্রশ্ন তুলা হয়েছে- জাতীয় সঙ্গীত পরিবর্তনের দাবি তোলা হয়েছে। সেসব মুছে ফেলা হয় না- সেসবের লেখককে ব্যান করা হয় না!!!!
যাহোক, আমার লাস্ট পোস্ট ও রবীন্দ্রনাথকে নিয়ে করা পোস্ট দুটি পড়ার ও কমেন্ট করার আহ্বান জানাচ্ছি।
নাস্তিকের ধর্মকথা বলেছেন:
পাশের একটি পোস্টে আপনার একটি কমেন্ট দেখলাম।
আপনার মত আমিও ভিন্ন মতের পোস্টে বেশি কমেন্ট করি- যেচে গিয়ে গিয়ে ডিবেট লাগিয়ে দেয়ার চেস্টা করি।
এখনকার এই অস্থির সময়েও এই কাজ করেছি। কিন্তু যারা রাজাকারদের পোস্টে কমেন্ট করতে মানা করছে- সেটিরও একটি কারণ আছে। সেটি একটি আন্দোলনেরই অংশ ছিল- সিস্টেম নিয়ে আপনার আমার মতান্তর থাকতে পারে- কিন্তু এটা আমি স্বীকার করি- রাজাকারদের বিরুদ্ধে তাদের ইমোশনটি খাঁটি।
আপনি আমি রাজাকার নিক, পাঞ্জেরী নিক, পল্লব মুনতাকা নিক এদের কিছু পোস্ট দেখলে বুঝতে পারবেন। ঘটনা কোন জায়গায় গিয়েছিল।

















