আমার প্রিয় পোস্ট

ধর্মনিরপেক্ষতা, আহমদ শরীফ, ও ব্লগার

১২ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ দুপুর ২:২২

শেয়ার করুন:                   Facebook

অন্য এক ব্লগারের ধর্মনিরপেক্ষতা নিয়ে পোস্ট থেকেই এই পোস্ট দেওয়ার ইচ্ছার জন্ম। ঐ ব্লগার আহমদ শরীফ কোন এক বক্তৃতা থেকে উদ্দৃতি দিয়ে বলেছেন যে ধর্মনিরপেক্ষতা আসলে ধর্মহীনতাই বুঝায়। এই কথার জবাব আসলে অনেক ভাবেই দেওয়া যায়...
১। আহমদ শরীফ ধর্মনিরপেক্ষতা সম্পর্কিত সবকিছুর জাজক নন। তিনি যা বলবেন তা ই সবাইকে মানতে হবে, সেটা উনি নিজেই মনে করেন না - আর আমাদের তা মনে করার তো আরো কোন কারন নেই।
২। ধর্মনিরপেক্ষতা নিয়ে এই দুনিয়ায় অনেকেই অনেক কথা বলেছেন - সবই তো আর ঠিক না, এবং সব কথা সব যায়গায় প্রযোয্যও না। পরিপ্রেক্ষিত বুঝতে হবে এবং তারপরই যে কোন concept এর মুল্যায়ন করত হবে।

ধর্মকে নিয়ে এক এক জন এক এক রকমের চিন্তা করেন। কেউ কেউ হলেন professed atheists, আবার কেউ agnostics, কেউ আবার spiritual আর মনে করেন ধর্ম আসলে সীমাবদ্ধ করে দেয়, কেউ বা বিশ্বাস করেন আবার কেউ বা বলেন এটা ব্যক্তিগত ব্যপার। অনেকেই আবার বলেন এটা একটা social phenomenon। কেউ মনে করে শুধু মাত্র একটা ধর্মই শ্রেষ্ঠত্ব দাবী করতে পারে, আবার অনেকে মনে করেন সব ধর্মই আসলে একই কথা বলে। অন্য দিকে আরো কিছু মানুষ আছেন যারা মনে করেন সব ধর্মই বাজে।

এই positions গুলোর সবই religio-philosophical position। কিছু কিছু arguments এর যৌক্তিক ভিত্তি আছে, আবার অনেকের ভিত্তিটা হল বিশ্বাসে যা নাকি যুক্তি-তর্কের ধার ধারে না। এই যুক্তি-তর্কের পরিধি যেমন academic আবার তেমনি non-academic হতে পারে, কিন্তু সেটা political হবে কি না, সেখানে রাষ্ট্র নাক গলাবে কিনা, সেই সব ব্যপার address করার জন্যই আমরা "secularism" কথাটা নিয়ে আজ বসেছি... দেখি অপারেশন করে কি বের হয়।

এই যদি হয় মানুষজনের অবস্থা, তাহলে এই ক্ষেত্রে রাষ্ট্রের কি করা উচিত? এই রাষ্ট্রেই তো ঐ সব মানুষগুলো থাকে একসাথে। ঘটনাটা সম্পূর্নই অন্যরকম হল যদি এক এক টা রাষ্ট্র শুধু মাত্র একটা ধর্মের মানুষ নিয়েই গঠিত হত। তাছাড়া, মানুষের বিশ্বাসের ধরন-ধারন যে কত রকম হতে পারে তার তো কোন exhaustive লিস্ট আমি দেই নি! আমার কাছে মনে হয় - আমার উল্লেখ কথা পজিশন গুলার যে কোন একটা পজিশন যদি রাষ্ট্র নেয়, তাহলেই সে অন্য সব মানুষকে তার ছাতার তলে যায়গা দিতে পারবে না। অথচ, আমার চিন্তায়, রাষ্ট্রকে সকল ধর্মাবলম্বীদের accommodate করতে পারা উচিত তাদের ঐ differing points of views সহ।

কিন্তু কেমন করে?

Well. রাষ্ট্রিয় পর্যায়ে সেকুলারিজম চর্চা করে। রাষ্ট্র যদি ধর্মনিরপেক্ষ হয়, তাহলে আমরা খুব সহজেই এই সব তর্ক বিতর্ক এড়িয়ে যেতে পারব। কে কোন ধর্মীয় বিশ্বাসে বিশ্বাসী সেটা জানার বা সেই অনুযায়ি তার সাথে oppressive/repressive ব্যবহার করার প্রশ্নই উঠবে না। রাষ্ট্রের তো জানার দরকার নেই আমি সৃষ্ঠিকর্তার ব্যপারে কি মনে করি! অনেকেই মনে করতে পারেন "secularism" ব্যপারটা anti-religion. আমাদের কথায় অনেক সময় সেই রকম ভাব ভঙ্গি ফুটে উঠে - কেউ বলেন ইসলামই শ্রেষ্ঠ, আবার কেউ বলেন বিজ্ঞান ই মুক্তি... এই রকম অবস্থায় দেখা যায় যারা সেকুরালিজমের কথা বলেন তাদের কে ঐ বিজ্ঞান মনস্ক anti-religion গোত্রে ফেলে দেওয়া হয়। কিন্তু, অন্য ভাবে চিন্তা করলে (আমি যেমন টা করছি...) দেখা যাবে, এই concept টা আসলে যদি কিছুই হয়ে থাকে, তাহলে সেটা more pro-religion than anti- religion. কেমন করে? সেকুলারিজম মানুষকে তার নিজস্ব ধর্মীয় আচার-অনুচার practice করার সুযোগ করে দেয় এবং অন্য কোণ ধর্ম যদি অন্য ধর্মের প্রতি oppressive হয়ে পড়ে, তাহলে সেই oppressive ধর্মকে তা করা থেকে বিরত রাখারও ব্যবস্থা করে দিতে সাহায্য করে। কিভাবে এক ধরনের ধর্মীয় অনুশাসন অন্য ধর্মের প্রতি oppressive হয়ে যেতে পারে তার উদাহরন সারা পৃথিবীতে হাজারোটা আছে, আর আমাদের দেশের কথাতো বাদ ই দিলাম।

অথএব, আমি চাই "secularism", এই কারনে নয় যে আমি ধর্ম ব্যপারটাই ভাল মনে করি না বা আমাদের ক্ষেত্রে ইসলামকে খারাপ মনে করি। বরং এই জন্য যে, এটা ধর্মকে preserve করতে সাহায্য করে। শুধু ইসলাম না, বরং সকল ধর্মই এই সেকুলারিজম এর আওতায় এক ধরনের রাষ্ট্রীয় protection পায়। Pre-enlightenment Christian যুগে ইউরোপে মুক্তবুদ্ধির চর্চাকে persecute করা হত - গ্যালিলিও গ্যালিলি শুধু একটা উদাহরন। Taliban style সরকার কিভাবে oppressive হতে পারে অন্য ধর্মের মানুষদের কাছে বা অন্য মুসলিমদের কাছেও যারা নাকি তাদের আদর্শে বিশেয়াস করে না তা তো আর বলে দেওয়ার দরকার নেই। জামাতী নেতৃত্ব কিভাবে কিছু মানুষের সর্বনাশ করতে পারে সেটাও আমাদের সকলেরই জানা। কিন্তু এই সন আমরা খুব সহকেই এড়িয়ে যেতে পারি যদি সরকার বা রাষ্ট্র সেকুরালিজমের চর্চা করে এই ধর্মীয় ব্যপারে বা ধর্ম আর রাষ্ট্রের সম্পর্কের ব্যপারে।

অথএব, সারমর্ম হল, রাষ্ট্র ও ধর্ম থাকবে আলাদা। এতে করে রাষ্ট্র ও ধর্ম দুইএরই ভাল হবে। দুটোকে মিলিয়ে ফেল্লেই শুরু হবে দ্বন্দ্বের, ভুলবুঝাবুঝির, oppression এর, আধ্যাতিকতার গলাচাপা দেওয়া হবে, গলা চাপা দেওয়া হবে একই ভাবে মুক্তবুদ্ধি চর্চার। এর শেষ হবে রক্তের গঙ্গা বইয়ে দেওয়ার মধ্য দিয়েই। আমার মনে হয় - এখানেই মানবতাবাদ আর ধর্মীয় মতবাদ একই কথা বলে - তারা সকলেই চায় শান্তি।

 

 

  • ২৬ টি মন্তব্য
  • ২১৯ বার পঠিত,
Send to your friend Print
রেটিং দিতে লগ ইন করুন
পোস্টটি ৫ জনের ভাল লেগেছে, ৩ জনের ভাল লাগেনি
১. ১২ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ দুপুর ২:২৭
comment by: ফারজানা মাহবুবা বলেছেন: ‘হুমায়ুন আজাদ’ না, ডিয়ার তো ‘আহমেদ শরীফ’র কথা বললেন মনে হয়!
:)
২. ১২ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ দুপুর ২:৩১
comment by: রায়হান আবির বলেছেন: হুম
৩. ১২ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ দুপুর ২:৩১
comment by: পান্জেরী বলেছেন: হা হা..। অন্ধের মতো পোস্ট দিলেন নাকি!
৪. ১২ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ দুপুর ২:৩২
comment by: বাঙাল যুবক বলেছেন: ধর্মনিরপেক্ষতাবাদীদের মধ্যে মৌলবাদ জাগ্রত হলে সেটার কি হবে?
অর্থাৎ মৌলবাদী ধর্মনিরপেক্ষবাদ কি ধর্মকে ধর্মকে preserve করতে সাহায্য করবে?
৫. ১২ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ দুপুর ২:৩৪
comment by: আইকোনাস ক্লাস্টাস বলেছেন:
সরি - সংশোধন করলাম। ধন্যবাদ ফারজানা ভুল ধরিয়ে দেওয়ার জন্য।

@ পাঞ্জেরী - যদি ফারজানার দেখানো কারনটাই হয়ে থাকে আপনার কমেন্ট এর কারন, তাহলে - আপনার জন্যও বলি - সংশোধন করেছি। কিন্তু একই সাথে চিন্তা হচ্ছে আমি কি আপনার পায়ে পাড়া দিলাম? সে যাক।
৬. ১২ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ দুপুর ২:৩৫
comment by: ফারজানা মাহবুবা বলেছেন: এটা কেমন কথা?
ভুল শুধরে দিলাম, পোষ্টে ঠিক করে নিলেন, অথচ একটা শুকনা ধন্যবাদও দিলেন না!:(
১২ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ দুপুর ২:৪০

লেখক বলেছেন: আপনার মত তড়িৎ গতিতে কাজ করতে পারিনি বলেই এই বিভ্রাট। :)

৭. ১২ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ দুপুর ২:৩৫
comment by: সুশীল সমাজ বলেছেন: সারমর্ম হল, রাষ্ট্র ও ধর্ম থাকবে আলাদা। এতে করে রাষ্ট্র ও ধর্ম দুইএরই ভাল হবে। দুটোকে মিলিয়ে ফেল্লেই শুরু হবে দ্বন্দ্বের, ভুলবুঝাবুঝির, oppression এর, আধ্যাতিকতার গলাচাপা দেওয়া হবে, গলা চাপা দেওয়া হবে একই ভাবে মুক্তবুদ্ধি চর্চার। এর শেষ হবে রক্তের গঙ্গা বইয়ে দেওয়ার মধ্য দিয়েই। আমার মনে হয় - এখানেই মানবতাবাদ আর ধর্মীয় মতবাদ একই কথা বলে - তারা সকলেই চায় শান্তি।
১২ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ দুপুর ২:৪৩

লেখক বলেছেন: শুধু মাত্র কপি/পেস্ট করলেন... হুম - ধরে নিচ্ছি আপনার সমর্থন আছে এই কথায়...

৮. ১২ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ দুপুর ২:৩৬
comment by: ফারজানা মাহবুবা বলেছেন: :) দিলেন যা হোক!
এখন ক্লাসে যাই, ক্লাস থেকে এসে পুরোটা পড়তে হবে।
৯. ১২ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ দুপুর ২:৩৮
comment by: আইকোনাস ক্লাস্টাস বলেছেন:
@ বাঙ্গাল যুবক - না - যে কোনকিছুই যখন মৌলবাদী হয়ে পড়ে, তখন সেটা আর কল্যানকর থাকে না। কমিউনিজমের কথাতো এখন সবাই জানে, তাই না। মৌলবাদ প্রশ্নকে নিরুৎসাহিত করে - ফলে, oppressive হয়ে পড়ে খুব তাড়াতাড়ি। Context মাথায় রাখতে পারাই আসল। সেই জন্য রাষ্ট্রিয় যন্ত্রে থাকতে হবে সেই রকম ব্যবস্থা - checks and balance তো সব্র জন্যই প্রযোজ্য, তাই না?
১০. ১২ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ দুপুর ২:৪৩
comment by: বৃত্ত বলেছেন: রাষ্ট্র ও ধর্ম আলাদা?
হাহ!
১২ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ দুপুর ২:৪৪

লেখক বলেছেন: আমাদের বা অন্য কারো ক্ষেত্রে আলাদা সেটা বলিনি... বলেছি - আলাদা হওয়াটা খুবই প্রয়োজন। (আরেক বার হাহ! বলুন - শুনি - কি বলেন... )

১১. ১২ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ দুপুর ২:৪৬
comment by: বাঙাল যুবক বলেছেন: এজন্যই যদি বলা হয় যে রাষ্ট্র থেকে ধর্মনিরপেক্ষতাবাদকে আলাদা করতে হবে তখন কি হবে?

কারণ ধর্মনিরপেক্ষ রাষ্ট্রগুলোই আমাদেরকে যুদ্ধ ও সংঘাতের দিকে নিয়ে যাচ্ছে। ১ম বিশ্বযুদ্ধ থেকে শুরু করে এখন পর্যন্ত সব যুদ্ধই ধর্মনিরপেক্ষ রাষ্ট্রের ছায়ায় পরিচালিত হয়েছে।
১২ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ বিকাল ৩:০১

লেখক বলেছেন: আমিতো বলছি না যে "সেকুলারিজম" হল একমাত্র মুক্তির পথ। আমি বলেছি - সেকুলারিজমের বেশ কিছু দিকের কথা যা নাকি ধর্মীয় কারনে সৃষ্ঠ অনেক ক্যচালের একটা অল্টারনেতিভ দিতে পারে।

প্রথম আর দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ... হুম... দেখিতোঃ

জার্মানী - উগ্রপন্থি খৃষ্ঠান রাষ্ট্র
রাশা - ধর্ম-বিদ্বেসী রাষ্ট্র
আমেরিকা - সেকুলার গঠনতন্ত্র আছে, তবে আহুম... সবই তো জানেন... ভারতের মতই

দেখলেন - সেকুলার আইডিয়ালে কিন্তু সমস্যা না... সেটাকে ছায়া (আপনার ভাষা) বানিয়ে ধর্মকেই ব্যবহার করাটাই সমস্যার।

১২. ১২ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ দুপুর ২:৫০
comment by: সুশীল সমাজ বলেছেন: বাংলা টাইপিং এ তো সমস্যা ছিল আপনার, মোটামোটি শিখে গেছেন তাহলে? চালিয়ে যান, ভালো লিখেছেন। অন্ধদের চোখ খুলে যাওয়ার আপাতত সম্ভাবনা নাই। এরা আফিমে বুদ হয়ে আছে।
১২ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ বিকাল ৩:০৪

লেখক বলেছেন: সমস্যা অনেক ধরেনই ছিল... অনেক খানি উৎরিয়ে গেছি... ধন্যবাদ। আর... কে অন্ধ, কেন চোখ খুলে দেখে না, আর কে অন্ধ হওয়া সত্ত্বেও সন কিছুই সুন্দর মত দেখেন কে জানে... জ্ঞান আহোরন আর বিতরন চলছে... কখনো নেই (খুব কম ই দেই...) কখন দেওয়ার চেষ্টা করি। ভাল থেকেন।

১৩. ১২ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ বিকাল ৩:২৫
comment by: ওবায়েদ বলেছেন: আমার খাদ্যের চাহিদা থাকলেইতো আমি কিনবো, যেখানে চাহিদাই নেই সেখানে কিনার কি প্রয়োজন?

আমি মুসলমান হিসেবে বলছি।
১২ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ বিকাল ৫:২৩

লেখক বলেছেন: চাহিদা আছে বলেই বলছি। মুসলমান হিসেবে না, বলছি মানুষ হিসেবে। দেশে তো শুধু মুসলমান থাকে না, হিন্দু, বৌদ্ধ, খৃষ্ঠানেরাও থাকেন। বুঝাতে পারলাম?

১৪. ১২ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:৩৮
comment by: ফেলুদা বলেছেন: আমার একটা প্রশ্ন আছে। ধরলাম আমি ধর্ম নিরপেক্ষ না। তার মানে আমি আস্তিক। এখন অন্য ধর্মের প্রতি আমার দৃষ্টিভঙ্গী কি হবে? আমি কি তাদের ধর্ম তাদের মতো পালন করতে দিবো নাকি আমার খেয়াল খুশী মতো? যদি আমার ধর্ম আমার কাছে আর তার ধর্ম তার মতো করে পালন করতে দিই, তাহলে সেটারে কি বলা হবে। মানে এক্ষেত্রে রাষ্ট্রকে কি বলা হবে যদি সে সব ধর্মকে সমানভাবে পালনের অধিকার দেয় তার নাগরিকদের এবং আমার মতো নাগরিকদের কি বলা হবে যারা বিধর্মীদের ধর্মীয় অনুশাসনে নাক না গলানোয় বিশ্বাসী
১৪ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ বিকাল ৫:১৭

লেখক বলেছেন: আমিতো বলবো এটাই ধর্মনিরপেক্ষতা বা সেকুলারিজম, যদিও আহমেদ শরীফ সার হয়তো মানতেন না - আমিতো এই কথাটা বুঝানোর জন্যই পোস্টটা দিলাম। রাষ্ট্রের সাথে সেকুলারিজমের সম্পর্ক এবং তার রকমফের আর ব্যক্তির সাথে সেকুলারিজমের সম্পর্ক এবং তার রকমফের কিন্তু এক না - আমার মনে হয় আপনি সেটা গুলিয়ে ফেলছেন।

১৫. ২৪ শে মার্চ, ২০০৮ রাত ১২:১৬
comment by: মাহমুদ মামূন বলেছেন: প্রিয় সমাজতান্ত্রিক ফোরাম গ্রুপের ব্লগার,

আমাদের 'সমাজতান্ত্রিক ফোরাম 'গ্রুপটিকে সক্রিয় করতে এবং গ্রুপের ব্লগারদের মধ্যে আন্তঃ যোগাযোগ স্থাপনের জন্য আপনারা আপনাদের ইমেইল আড্রেস গ্রুপের স্টিকে পোষ্টের কমেন্টে এসে দিয়ে যাবেন প্লিজ। চাইলে কন্টাক্ট এড্রেসও দিতে পারেন। গ্রুপকে কার্যকর ও গঠনমূলক করতে আপনাদের প্রত্যেকের অংশগ্রহন একান্ত কাম্য।
১৬. ০৫ ই মে, ২০০৮ দুপুর ২:২৬
comment by: নাস্তিকের ধর্মকথা বলেছেন:

কেমন আছেন??

আপনাকে কম দেখি কেন????
১২ ই জুলাই, ২০০৮ দুপুর ২:৪৩

লেখক বলেছেন: অনেক ধরনের ঝামেলার কারনে আসা হয় না। লেখাও হয় না। তবে, আবার আসব (আসা শুরু করব) ভাবছি।

১৭. ২৮ শে মে, ২০০৮ দুপুর ১২:০৫
comment by: সমাজতান্ত্রিক ফোরাম বলেছেন:
প্রিয় সমাজতান্ত্রিক ফোরাম গ্রুপের সদস্য,

আমাদের প্রিয় ব্লগার নিকো "সমাজতন্ত্রের প্রায়োগিকতা" শীর্ষক তার একটি পোস্টে ( Click This Link) একটি আলোচনা উপস্থাপন করেছিলেন, যেখানে তিনি বাংলাদেশের বাম দলগুলোর বিরোধ নিয়ে চমৎকার একটি সমালোচনা করেছেন। এই আলোচনাটি নিয়ে সমাজতান্ত্রিক ফোরাম গ্রুপের সদস্যদের মধ্যে একটি ওপেন বিতর্ক হতে পারে বিবেচনা করে পোস্টটিকে স্টিকি করা হয়েছে। এবং মূল আলোচনার সাথে যুক্ত করে তিনটি প্রশ্ন নির্ধারণ করা হয়েছে। আমরা আশা করছি, আপনারা এই বিতর্কে অংশ নিবেন এবং আপনাদের গুরুত্বপূর্ণ মতামতটি জানাবেন।
প্রশ্ন গুলো নিম্নরূপঃ
১। কেন বাম দলগুলো এত ভাগে বিভক্ত? অন্তত তাদের নেতাদের বক্তৃতা শুনলে খুব বেশী পার্থক্য আছে বলে মনে হয় না।
২। বিপ্লবের স্তর কি হবে? সমাজতান্ত্রিক? জনগণতান্ত্রিক? বুর্জোয়া গণতান্ত্রিক?
৩। আমাদের রাষ্ট্র ব্যবস্থা ও উৎপাদন পদ্ধতি কিরূপ? পুঁজিবাদী? সামন্তীয়? আধা পুঁজিবাদ, আধা সামন্তবাদ? আধা সাম্রাজ্যবাদ আধা সামন্তীয়?

১৮. ৩০ শে জুন, ২০০৮ সকাল ৯:২৪
comment by: কানা বাবা বলেছেন:
অফটপিক:
লোতুন কুনু পুস্টো-ফুস্টো দ্যান্নারে ভাই...
বৈয়া রৈচি হেই কবেত্থন...

 



 


তেমন কিছুই বলার নেই নিজের সম্পর্কে...
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ

    কোন বিভাগ নেই

সর্বমোট হিট

 ৬০৯৪