আমার প্রিয় পোস্ট
- বেদনাজলের গাঙচিল - ইমরান খান ইমু
- কপি করুন আপনার Scratched অথবা Damaged CD এবং DVD - তারকে
- ঘাতক দালালদের তালিকা: - ফিরে দেখা ১৯৭১
- জঙ্গলরাজ্যে অমঙ্গল - ফারহান দাউদ
- জীবনানন্দ দাশ : কবিতায় খুঁজি বাংলার রূপ - একরামুল হক শামীম
- আমি বন্দী কারাগারে,আছি মা গো বিপদে - ফারহান দাউদ
- ফটোগ্রাফির কিছু কথা - বিবর্তনবাদী
- ব্লগের কপালে সাতটি রাগফোটা - রাগ ইমন
- গল্পঃ যে বছর গ্রামে পাখিবৃষ্টি হয়েছিল - মোস্তাফিজ রিপন
- কবির অর্ন্তদৃষ্টি, কবিতার যোজন গ্রহপথ - ফকির ইলিয়াস
- মেহেদি রাসেল এর কয়েকটা কবিতা - মাঠশালা
- জল প্রিজমের গান - মৃদুল মাহবুব
- পলি ও পল্লবের দেশে - আজহার ফরহাদ
- নবীনদের জন্য - নাদান
- পণ্ডিত-উবাচ - মাসুদ খান
- ‘সিংহ রাশি’র পাহারাদার কুকুর - মাজুল হাসান
- আর যারা যারা কোলাহলপ্রিয় খুব,তারা ধুলির মাদুরে বসে করছিলো হৈ চৈ।তাদের মাথার চারপাশে বোমারু বিমান উড়ছে বোমা নিয়ে,তারা তা জানেও না!।বৈতালিক ছন্দে বোমারু বৈমানিক বিস্মিত হয়। - মুয়ীয মাহফুজ
- বৃষ্টিমুখর দিনরাত্রি - আহমাদ মোস্তফা কামাল
- নীল অশ্বারোহী - তারিক টুকু
- পিয়াস মজিদের কবিতা - তারিক টুকু
- মানুষ একাকী এক মিথ - মৃদুল মাহবুব
একটি সরল গল্প
০২ রা নভেম্বর, ২০০৭ রাত ১০:১৩
(আমি এই লেখাটা ক্যান লিখসিলাম??? এখন আর মনে নাই। অনেকদিন আগের প্রলাপ....)
একটি সরল প্রেমের গল্প
আমরা তখনো সবাই বেঁচে আছি। আমরা মানে- আমি, আমার ভেতর আমি আবার আমার ভেতর আমি... এভাবে অনেকেই একসাথে। আমরা তখনো বেঁচে কারন আমরা তখনো বিনয় কপচাই- 'মানুষ নিকটে গেলে প্রকৃত সারস উড়ে যায়'। এবং কোন একদিন সারসের নিকটে গেলে সারস পাত্তাই দেয় না। এইরূপ ঘটনায় দ্বিবিধ প্রশ্নের উদয় হয়- এক. সারসটা কি প্রকৃত সারস ছিল? দুই. আমরা কি আদৌ মানুষ নই? এর আগে অবশ্য আমরা কবির বক্তব্য নিখাদ সত্য বলে মেনে নিচ্ছি। কারন আমাদের ততোদিনে এই প্রতীতি জন্মেছে যে দুই প্রকারের মানুষই কেবল সর্বদা সত্য কথা বলে- নবী ও কবি, যে যার মতো করে। যাই হোক, মোদ্দা কথা এই যে, আমরা তখনো বেঁচে আছি। যদিও আমরা প্রায়ই হতবিহ্বল হয়ে পড়তাম প্রেমিকাকে ভেবে হস্তমৈথুন ইথিক্যাল কিনা এই জাতীয় জটিল জাগতিক প্রশ্নের সামনে। অবশ্য আমরা এই প্রশ্নটিকে বয়কট করি। তখন আমাদের কাছে প্রেমিকা'র প্রতিশব্দ মিথীলা, যে কিনা চুম্বনের সময় মুখের ভেতর জিভ পুরে দেয়, অবিরাম উষ্ণতা বিলি করতে পারে আর কিভাবে যেন পৃথিবীর আকুলতম চিঠিগুলো লিখে ফ্যালে। আমরা পূর্বোক্ত প্রশ্নটি নিয়ে ভাবতে অস্বীকৃতি জানাই এই যুক্তিতে যে যেই ইথিকস্-এর কারনে সঙ্গম বাদ দিয়ে হস্তমৈথুন করতে হচ্ছে সেই ইথিক্স চু... না! এইরকম ক্রোধ যখন বাড়তে থাকে একদিন মিথীলা বলে আমার সাথে আর কখনো যোগাযোগের চেষ্টা করবে না, তাহলে আমি আরো তীব্রভাবে তোমাকে অনুভব করবো। আমাদের কয়েকজন তখুনি মারা যায়। মিথীলার ঠোঁটের কাছে, বুকের কাছে, উরুর কাছে মরে পড়ে থাকে; মিথীলা টেরও পায় না। কারন সে তখন আমাকে তীব্রভাবে অনুভব করায় ব্যস্ত। আমরা যে কজন বেঁচে থাকি তারা তিনবেলা গাঁজা খাই আর মিথীলাকে মনের সুখে গালিগালাজ করি। আর বাকি সময়টা কবিতা আমাদের খায়। হাটে মাঠে ঘাটে পথে প্রান্তরে কবিতা আমাদের আওড়ায়। কিবাশ্চর্যম! কিছুদিন পর থেকেই তা মন্ত্রমুগ্ধ হয়ে শোনে নন্দিনী। আমাদের শুভঙ্কর হয়ে উঠতে আর কতোক্ষণ? অতএব প্রাত্যহিকতা একটু বদলায়। এখন দুইবেলা গাঁজা খাই আর একবেলা চুমু খাই। একদিন 'কথোপকথন'।
-ধরো কবিতা আর আমার ভেতর একটা তোমার ছেড়ে দিতে হবে, তখন তুমি কি ছাড়বে?
-আপাতত তোমার হাত ধরে থাকতে চাচ্ছি। অন্য কিছু ধরতে পারবো না।
-ঠিক আছে, কিছু ধরতে হবে না। তুমি আমাকে বলো তুমি আমাকে বেশি ভালোবাসো না কবিতা?
-আমি ভালবাসি মেঘ, চলিষ্ণু মেঘ... ঐ উঁচুতে... ঐ উঁচুতে...
-ধ্যাত, তোমাকে প্রশ্ন করে কোন লাভ নেই।
-যে কথাটা বললাম সেটা ব্যোদলেয়ারের কবিতার লাইন। জবাব পাইসো?
নন্দিনী হাতটা ছাড়িয়ে নিয়ে নিঃশব্দে হাঁটতে থাকে। এবার আমাদের মাঝে কেউ আর মরে না। নন্দিনীর যাওয়ার পথ জুড়ে বসাতে থাকে একটার পর একটা শব্দ-
এসেছিলে, তাও নয়
তবু যেতে চাও- এই বিস্ময়।
এইসব অন্তরীন ঘটনাবলী
বাস্তব অনুপাতে নগন্য অতি
তবু বলি, নিরর্থক বলি-
জমা নেই আর কোন ব্যগ্র মিনতি।
অতএব ভেসে যেতে পারো সময়ের সাথে,
তোমাকে বাঁধবে না জেনো কোন অনুনয়.
নিরাশার রথে চড়ে মিশে যেতে পারো নাস্তির নীলে।
আদৌ কখনো এসেছিলে,
এমন যদিও নয়!
শীমুলতা বলেছেন:
আহেম! বাবারে কি লেকছেন? আমার তো অবস্তা টাইট
শীমুলতা বলেছেন:
তয় প্রিয়তে যোগ করলাম খুব বালা অইছে
মানুষ বলেছেন:
দারুন। ৫ দিলাম
ইফতেখার ইনান বলেছেন:
@ শীমুলতা এবং নাদান, অনেক ধন্যবাদ।
বিহংগ বলেছেন:
অসম্ভব রকমের সুন্দর।৫
ইফতেখার ইনান বলেছেন:
@ বিহংগ, অনেক ধন্যবাদ ভাই। শুকরিয়া।
মোহাম্মদ আলী আকন্দ বলেছেন:
সুন্দর গল্প।


















