somewherein... blog badh bhangar awaaj recent posts http://www.somewhereinblog.net http://www.somewhereinblog.net/config_bangla.htm copyright 2006 somewhere in... মৃত্যু ও অন্যান্য শস্য
'সাড়া দাও সাড়া দাও' বলে কেঁদে যায় অনামা অসুখ;
একটু কি দাঁড়াবে চঞ্চল- খুলে দেখো বৃহন্নলা বুক।
বিস্মৃতির ব্যথা আর অনারোগ্য অ্যানিমিয়া কোনখানে।
আহা হারানো হিমোগ্লোবিন, তুমি কার সুদূর বাগানে
রক্তজবা হয়ে ফুটে ওঠো ঝরে যাও অলক্ষ্যেতে তার।
বর্ণহীন বসন্তের দিন ডাকে 'ফিরে তাকাও আবার'
অথবা স্থিরতা শয্যা হোক, অথবা অন্ধত্ব যেন পাই-
রূপক দেখলো চোখ শুধু, কোনদিন রূপ দেখে নাই। ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/iftekharinanblog/28859241 http://www.somewhereinblog.net/blog/iftekharinanblog/28859241 2008-10-24 23:25:55
গতরাতের গল্প গতরাতের গল্প

গোধুলির দিকে যেতে যেতে
ছুঁড়ে দিলে রক্তমুদ্রা-
সে তার দুইপিঠ দেখিয়ে অস্ত গেলে
আমাদের চোখের ভেতর
সন্ধ্যার কংকালের উপর বসে আড্ডা জমে ওঠে;
আমাদের অস্থি ও মজ্জায় বেড়ে ওঠে কুয়াশাব্যাধি;
শিরাস্রোতে ঘন হলে চিনির দ্রবণ-
অনুল্লেখের অপমানে আড্ডা ছেড়ে
চলে যায় যে প্রেমের গল্প,
তার নাম ধরে পিছু ডাকি।
তবু ডানাদোষে সে ঠিক উড়ে যায়।

ঠিক মধ্যরাতে, পথজুড়ে পড়ে থাকতে দেখি একটি খাটিয়া-
তাতে শুয়ে আছে একটা মৃত মিনিটের দীর্ঘ লাশ।


(অনেকদিন পর পোস্ট অনেকদিন পর লিখলাম। লাস্ট কয়েক লাইন নিয়ে আমি ব্যক্তিগতভাবে সন্তুষ্ট না। কিন্তু বহুদিন পর বলেই হয়তো শেষ করার তাগিদ থেকেই লাইনগুলো লেখা। পরে পরিবর্তন করার ইচ্ছা রাখি।) ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/iftekharinanblog/28857088 http://www.somewhereinblog.net/blog/iftekharinanblog/28857088 2008-10-19 23:54:49
কেট-এর মৃত্যু প্রচেষ্টা অথবা একটি অসাধারন উদ্যোগ
I'm going to become a Rickshaw Walla and ride a Rickshaw across Bangladesh to raise money for an amazing Non-Profit organisation named The centre for Rehabilitation of the Paraylsed (CRP)

I will ride from as far north as i can get to as far south. Beginning at the Indian Border, near Darjeeling, and finishing on the coast of Bangladesh, Past Teknaf.
We estimate that it will take somewhere between one and two months but there isn't really anyway of judging how long this will take as it has never been done before, so who knows!

I don't want to murder my butt for nothing so support whats sure to be my suicide mission and give disabled Bangladeshis a second chance at life because this country really deserves it.

If you love me, you get the satisfaction of making me the happiest girl in Bangladesh and giving me the adventure of a life time, meeting all the people of this wonderful country and getting me really really fit!

If you hate me, theres a good chance i will be murdered, robbed, kidnapped, tortured and contract malaria along the way so support me anyway!

The people of this country really deserve a chance, they deserve to opportunity to live and to be happy, it's a strange and beautiful place and it really needs your help to stay strong. In the most densly populated country in the world, with a population of 150 million, 10% of the people suffer from a disability, thats 15 million disabled Bangladeshis, the majority of whom live on less than US$2 a day. Thats a packet of chips in Australia.

So please help in any way you can, whether its donating, fundraising, hooking me up with a company or just spreading the word around, i'll love you forever and ever. Promise. Not to mention youll be giving everyone who sees be along the way the best laugh.

Anyone who wants to come along and have the adventure of a lifetimes is more than welcome, theres enough bangladesh to go around. I brought enough for the whole class.

এই অসাধারন উদ্যোগটির প্রতি সমর্থন জানাচ্ছি এই পোস্টটির মাধ্যমে। আর ফেসবুক গ্রুপ-টির অ্যাড্রেস- Click This Link

প্রার্থনা করি কেট-এর ভ্রমণ আনন্দময় হোক।




]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/iftekharinanblog/28828544 http://www.somewhereinblog.net/blog/iftekharinanblog/28828544 2008-08-08 00:19:29
চলে যাওয়ার আগে চলে যাওয়ার আগে

চলে যাব, একবার সবগুলো স্মৃতি খুঁজে পেয়ে গেলেই।
নিয়ে যাব বৃষ্টিতে ভেজা বাক্য আর
প্রেমের প্রসাধনমাখা ক্লিশে কথাগুলো।
ভাঙা জানালা গলে চলে আসা ভোর;
ভোরের ভাঁজে লেগে থাকা গতরাতের মুমূর্ষু মর্মর-
যা আমাকে প্রতিদিন জাগিয়ে তোলে
তাও নিয়ে যাব মুঠোয় ভরে।
আরো নেব যা কিছু আমার মুখোমুখি দাঁড়ায় প্রাত্যহিক,
নিয়ে যাব যা কিছু ভঙ্গুর, অনড়, শীতল আর অর্থহীন।

যদি খুঁজে পেয়ে যাই আমার সমস্ত স্মৃতি-
করতল থেকে টান দিয়ে আয়ুরেখা তুলে নিয়ে নিশ্চিত চলে যাব।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/iftekharinanblog/28825094 http://www.somewhereinblog.net/blog/iftekharinanblog/28825094 2008-07-28 22:40:26
মজনু শাহ-র নিকট ব্লগীয় চিঠি: ভাষা সংক্রান্ত স্বীকারোক্তি আপনার দীর্ঘ একটি মন্তব্যের প্রেক্ষিতে এই লেখার অবতারনা। (নিচে মন্তব্যটি তুলে দিলাম) । অনেক কথা চলে আসছে বলে আলাদা পোস্ট দিলাম। প্রথমে আপনার প্রতি অশেষ কৃতজ্ঞতা জানাই। কারন প্রথমতঃ আপনার মন্তব্যটি আমাকে এমন কিছু ভাবনা দিয়েছে যা আমি আগে ভাবি নাই; এবং দ্বিতীয়তঃ আপনাকে আমি একরকম অভিভাবক মনে করি আর এই মন্তব্যটা প্রমান করে যে আমার তা মনে করাটা ভুল নয়।

প্রথমেই বলে নেই- এই লেখাটি আপনার মন্তব্যের পাল্টা যুক্তি দেখানোর কোন প্রয়াস নয়, বরং এক ধরনের আত্মস্বীকারোক্তি । আপনার কথা সত্য - নির্দ্বিধায় স্বীকার করছি। আমার কবিতার ভাষা এবং মন্তব্যের ভাষা স্পষ্টতই ভিন্ন এবং তা ভাষা ব্যবহারের ক্ষেত্রে এক ধরনের শঠতা বলে চিহ্নিত করা যায়, অবশ্যই সত্য। তা আপনার এবং আরো অনেকেরই হয় তো বিরক্তির কারন হয়েছে এবং এজন্য আমি আন্তরিকভাবে দুঃখিত । এই দুই ক্ষেত্রে ভাষার ভিন্নতা নিয়ে আমি নিজেও সচেতন। এখন এইরকম লেখার কারনটা ব্যাখ্যা করার চেষ্টা করি। আমি কিন্তু কথা বলি এই ‘খাইতেসি/ করতেসি’ জাতীয় মিশ্র কথ্য ভাষাটিতে । কবিতা লেখা আর কথা বলা এই দুই ক্ষেত্রে আমার ভাবনার ভাষা সত্যিকার অর্থে দুইরকম। যখন আমি কবিতা নিয়ে ভাবি, কবিতার পঙক্তিগুলো যখন আমার মাথায় তৈরি হতে থাকে তখন আমি মান চলিত ভাষাতেই চিন্তা করি। সম্ভবত: এই ভাষাতেই বেশির ভাগ কবিতা পড়েছি আর কবিতার ক্ষেত্রে এই ভাষাতে প্রথম থেকে ভাবতেই আমি অভ্যস্ত বলে। যদি আমি কথ্য ভাষায় কবিতার কথা ভাবতে পারতাম তাহলে সেই ভাষাতেই লিখতাম। এতে ভাষার দূষণ হয় কি না জানি না, আমি আসলে ভাষার বিশুদ্ধতায় বিশ্বাস করি না। আবার যখন মন্তব্যের জবাব দেই, তখন তা একধরনের আলাপচারিতা বলে মনে হয় । এবং অনেক সময় কেউ যদি মানভাষায় মন্তব্য করে তাহলে দেখা যায় জবাবটাও ওই ভাষাতেই লিখছি । কারন তখন ভাবনাটা মান ভাষাতেই করা হয় । যখন আমি যেভাবে ভাবি তখন ঠিক সেভাবেই লিখি। তবে কিছু শব্দ আছে যেগুলো ইচ্ছাকৃত ভাবে ব্যবহার করি । আপনি নিশ্চয়ই লক্ষ করেছেন যে এই ব্লগের নিজস্ব কিছু শব্দ আছে যা কথ্য বা মান চলিত ভাষা থেকে ভিন্ন । এখানে কিছু শব্দ ইচ্ছা করেই খানিকটা বিকৃত করে লেখা হয় যেমন: বোলগ, পুষ্ট, কোবতা ইত্যাদি। প্রথম যখন ‘কোবতা’ শব্দটা এখানে পেলাম তখন সত্যি বলতে খানিকটা আহত হয়েছিলাম। পরে দেখলাম, মূলতঃ মজা করার জন্যই এইরকম লেখা হয়। আমিও এই শব্দগুলো নিছক মজার জন্যই ব্যবহার করেছি, আর কিছু ভাবি নি ।

চলিত যে মানভাষায় আমরা লিখছি সে ভাষাটাকে আমি সাহিত্য ছাড়া আর কোথাও তো অস্তিত্বশীল দেখি না। মানুষ কথা বলে ‘করতেসি/যাইতেসি’ এই মিশ্র কথ্য ভাষায় নয়তো কোন আঞ্চলিক ভাষায় । রাইসুদা এবং আরো কয়েকজন এই মিশ্র কথ্য ভাষাটিকে কবিতায় প্রয়োগ করছেন। এইটা আমার ভালোই লাগে। রাইসুদা’র কিছু লেখা পড়ে খুব মজা পেয়েছিলাম । যাই হোক, আমার ব্যক্তিগত অভিমত হল - এই মিশ্র কথ্য ভাষাটিতে ‘কবিতা’ লেখা অত্যন্ত কঠিন ব্যাপার। এর জন্য অনেক প্রতিভাবান হওয়া প্রয়োজন। এবং আমি আসলে মান চলিত ভাষাতেই কবিতা লেখার পক্ষপাতী। কারন আমার মনে হয় এখনো এই ভাষাতেই বৃহত্তর পাঠকের সাথে কম্যুনিকেট করা যায়। অদূর ভবিষ্যতেও অবস্থা এই রকম থাকবে বলেই আমার বিশ্বাস। এবং এই ব্যাপারেও আমার কোনই সন্দেহ নাই যে যদি আমার কোন লেখা টিকে থাকে তবে আমার মান চলিত ভাষায় লেখা কবিতাগুলোই টিকে থাকবে, কথ্য ভাষায় করা মন্তব্যগুলি টিকে থাকার বিন্দুমাত্র কোন সম্ভাবনা নাই। আর এই মিশ্র কথ্য ভাষায় কবিতা লেখা আমার সামর্থ্যে কুলাবে বলেও মনে করি না।

আগেই বলেছি আমি ভাষার বিশুদ্ধতায় বিশ্বাসী না। আজ যে ভাষাকে আমরা স্ট্যান্ডার্ড বলে ধরে নিচ্ছি তা ৫০ বা ১০০ বছর পর আর স্ট্যান্ডার্ড হিসেবে গন্য হবে বলে ভাবি না। তাই ভাষার দূষণ সংক্রান্ত ইস্যুতে সম্ভবত: আমাদের মতভিন্নতা থাকবে।

এই লেখাটি কিন্তু মান চলিতভাষায় লিখলাম। অনেস্টলি এইভাষাতেই চিন্তা করেছি লেখার সময়। তবে আপনার মন্তব্যটি আমাকে যথেষ্ট প্রভাবিত করেছে। আমি সিদ্ধান্ত নিয়েছি যে এই ভাষাতেই এখন থেকে লিখব- কবিতা, অন্য লেখা বা মন্তব্য- সবই। ভাষা আসলে সামন্জস্যপূর্ণ হওয়াই উচিত। অন্যথায় পাঠকের বিরক্তি উৎপাদন হলে তাকে খুব একটা দোষ দেয়া যায় না। ব্যাপারটা এভাবে ধরিয়ে দেয়ার জন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ।

প্রবাস জীবন কেমন কাটছে? আলিফ কেমন আছে? আর আপনার নতুন লেখা রোমান হরফে হলেও পোস্ট করুন প্লিজ, পড়তে চাই।
ভাল থাকবেন।

অনেক শুভেচ্ছা জানবেন ।


"prothome bole rakhi kobita-ta valo laglo.

aj ami ektu onno bisoye montobbo korte chai, seta holo, jevabe, je vashay tumi lekho, ar je vashay tumi pathokke sara dao sobsomoy, tar moddhe ekta doitota ase. doitota dekhle hasi pay, kenona eta ek dhoroner shothotao bote, ontoto vashar khetre.

likhbar belay tumi man-vasha ar montobber belay ekta odvut jogakhichuri toiri koro... dekhe kemon khotka lage, tokhon vabi, konta tomar vasha ?

kobi nijei jodi tar kobitake kobte bole, tahole pathok setake kobte bolei vabte obvosto hoye uthbe ekdin.
kenona ekta style dariye jay ei korte korte. ami tomar kobitar mugdho pathok, kintu tomar oi lagtase jaitase hattase khaitae ...boro srutikotu lage ...

raisu e bepare honest. se jevabe bole sevabei lekhe.


kintu tomar kobita porar por, montobber ghore jokhon lagtase jaitase khaitase dekhi... tokhon vabi, banglavashata ekhon torun kobir hat dhore
koi jaitase ?

othocho etodin sune elam, kobirai naki vashatake jabotiyo dushoner hat theke bachanor lorai kore...


vul sune elam tobe ?"


]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/iftekharinanblog/28822649 http://www.somewhereinblog.net/blog/iftekharinanblog/28822649 2008-07-21 16:40:24
কার্যকারণ

আমাদের হৃদয়ের রঙ, অধীর বধির মন
খুব ধীরে গাঢ় হয়,
পরিপক্ক হয়ে ওঠে বেদনা জারকে।
ভুলে যাওয়া পথেদের অভিমান ঢাকা পড়ে
ধুলির চাদরে। আমরা হাঁটি না আর -
নিরাকার হয়ে উঠি বাতাসের মতো;
আমাদের আর কোন পদচিহ্ন কোথাও পড়ে না।
পাঠশালা সেই কবে ছুটি হয়ে গেছে
পাঠাভ্যাস নেই তাই ভুলে গেছি প্রেমপ্রকৌশল।
কোন একদিন আমরা- ক'জন জমাট বেদনা,
কতিপয় মন কেমন কেমন,
কিছু অহেতু বালক-
হাস্নাহেনার ঘ্রাণ চুরি করে চুপিসারে
যাত্রা করি দিকশূন্য গোলার্ধের দিকে।

সেই থেকে,
সব পথ অভিমান ভুলে গিয়ে অপেক্ষা শিখেছে,
বাতাসেরা শুধু জানে ঘূর্ণিসূত্র, হু হু শব্দস্রোত।
আর তুমি ক্রমে আরো ছায়ানিষ্ঠ হয়ে ওঠো;
কিছুতেই বুঝতে পারো না কেন মাঝরাতে
বিড়ালের গোঙানি শিশুর কান্না ভেবে ভুল কর।
তোমার প্রাঙ্গণ জুড়ে টুকরো টুকরো হয়ে
রঙধনু পড়ে থাকে। খুব সাবধানে তুমি
পা বাঁচিয়ে হেঁটে যাও
ঘরহীন গৃহে। ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/iftekharinanblog/28818341 http://www.somewhereinblog.net/blog/iftekharinanblog/28818341 2008-07-09 02:16:37
ধাঁধাময় দৃশ্যাবলী ধাঁধাময় দৃশ্যাবলী


যা যা জানা বোঝা হয় নি,
হবে না কখনো,
যে গল্পগুলো রাংতার ওপর বাদামী রেখার মতো
অনিবার্য অপচয়-
তারা ক্রমশই আরো দুর্বোধ্য;
মূর্খের কাছে বর্ণমালা যেরকম অযথা জ্যামিতি।

দিগন্তের ঢালে তবু বসে আছে
এই বর্ণান্ধ বালক-
এলোমেলো একটি রুবিক কিউব হাতে,

তাকে দিও দিব্যচোখ, ভাষাভেদজ্ঞান। ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/iftekharinanblog/28817704 http://www.somewhereinblog.net/blog/iftekharinanblog/28817704 2008-07-07 15:01:49
শূণ্যস্থান___পূরণ শূন্যস্থান পূরন করার প্রশ্নগুলিতে
একটি ছোট্ট সরলরেখা আবির্ভূত হত 'শূণ্যস্থান' হয়ে।
প্রায়সময়ই দুটি শব্দের মাঝের একটি শব্দকে
বেমালুম গিলে খেয়ে এই শূণ্যসূচক সরলরেখাটি
নিশ্চুপ বসে থাকত।

এখন এই সরলরেখাটিকে মনে হয়-
তীব্র রোদের মাঝে হাঁটতে হাঁটতে
হঠাৎ পেয়ে যাওয়া একটা ছায়াময় পার্কের নির্জন বেন্চ।

ইচ্ছা করে দুপাশের দুটি শব্দের উপর হাত ছড়িয়ে দিয়ে
বেন্চটিতে কিছুক্ষণ বসে বিশ্রাম নিই।
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/iftekharinanblog/28811661 http://www.somewhereinblog.net/blog/iftekharinanblog/28811661 2008-06-20 13:23:00
অনুবাদ কবিতা: বাগান বিজয়
মূল কবিতা: ফরাগ ফাররখজাদ

মাথার উপর দিয়ে যে কাকটি উড়ে গিয়ে
ডুবে গেল ভবঘুরে মেঘেদের উদ্ভ্রান্ত ভাবনার ভেতর-
তার চিৎকার দিগন্তের প্রস্থবরাবর ছিঁড়ে ফেলে বর্শার ফলার মতো,
ছুটে গিয়ে শহরে পৌঁছে দেয় আমাদের একান্ত সংবাদ।

প্রতিটি মানুষ জানে.
প্রতিটি মানুষই জানে-
তুমি আর আমি শীতল নৈঃশব্দের জানালা থেকে
দেখেছি বাগান আর ক্রমশ নাগালের বাইরে চলে যেতে থাকা
সহৃদয় ডাল থেকে আমরাই ছিঁড়েছি আপেল।

প্রতিটি মানুষ ভীত,
প্রত্যেকে সন্ত্রস্ত, শুধু তুমি আর আমি-
ভয়হীন বেঁচে থাকি ঝাড়বাতি, জল আর আয়নার সাথে।

দুটি অলৌকিক নামের নড়বড়ে যোগাযোগ আর
প্রাচীন পুঁথির জীর্ণ পাতার ভাঁজে তাদেরই মাখামাখি নিয়ে
আমি কিছু বলব না।

তারচে বরং বলি আমার এই ভাগ্যবতী বেনীটির কথা,
যাতে গুঁজে দিয়েছ তোমার দগ্ধ চুম্বনের সুরভি।
আর বলি আমাদের অঙ্গের অন্তরঙ্গতার কথা,
আর আমাদের উজ্জ্বল নগ্নতার কথা-
যেমন নদীর জলে হঠাৎ ঝলকে ওঠে
তরুন মাছের আঁশ।
তারচে বরং পাঠ করি-
তিরতিরে ঝরনাটি প্রতিদিন ভোরে গাইছে যে গান;
সেই গানটির রূপালী জীবন।

শ্যামল বহতা বনের খরগোসগুলো,
শীতলরক্ত সমুদ্রের মুক্তাবতী ঝিনুকেরা,
আকাশে এলায়িত আশ্চর্য পাহাড়ের ঈগলশিশু-
কোন এক রাতে জানিয়ে দিয়েছিল কি করতে হবে আমাদের।

এখন সবাই জানে,
প্রতিটি মানুষ জানে-
আমরা পেয়েছি পথ ফিনিক্সের শান্ত শীতল স্বপ্নের মাঝে,
আমরা পেয়েছি সত্য-
বাগানের অনাম্নী ফুলটির লজ্জাবনত পাপড়িতে,
এবং আমরা পেয়েছি অমরতা-
একটি অনিঃশেষ মুহূর্তের ভেতর,
যখন দুটি সূর্য তাকায় পরস্পরের দিকে।

অন্ধকারে কাঁপা কণ্ঠে কানাকানির কথা আমি বলছি না,
আমি বলছি উজ্জ্বল দিন আর উন্মুক্ত জানালার কথা,
উচ্ছল বাতাস আর গনগনে উনুনের কথা,
বিচিত্র শস্যে ভরা উর্বর জমির কথা,
জন্ম, বিবর্তন আর অহংকারের কথা,
আমি বলছি আমাদের প্রেমময় হাতের গল্প-
যা একাকী অন্ধকার রাতগুলোর মাঝে গড়েছে সেতু;
সৌরভ, আলো আর বাতাসের বার্তা জুড়ে জুড়ে।

এসো এই মাঠে,
বিস্তীর্ণ এই প্রান্তরে এসো-
আর আমাকে ডাকো,
রেশমাকীর্ণ একাশিয়া গাছের নিঃশ্বাসের পেছনে দাঁড়িয়ে
যেভাবে হরিণ তার সঙ্গিনীকে ডাকে।

ক্রোধের সুতোয় বোনা মায়াবী পর্দাগুলো
আর পাপশূণ্য কবুতর যত,
স্বর্গের শুভ্র উচ্চতায় বসে বসে
দেখুক আমাদের এই পার্থিব বাগান....]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/iftekharinanblog/28801088 http://www.somewhereinblog.net/blog/iftekharinanblog/28801088 2008-05-22 00:19:59
গল্প: শুভ জন্মদিন (প্রথম অংশ)
টিটি কলেজের বিশাল বটগাছর দু’পাশে পরাজয়ের বেদনা নিয়ে নতজানু দেয়াল। তার সামনে গভীর গভীর ড্রেন.. ছোট বেলায় দেখেছি ঘোঁত ঘোঁত করে সুইপার কলোনির শুয়োরগুলো ছুটছে। ড্রেনের পাশে আমরা তিনজন একসাথে চেইন খুলি.. অনেকটা আলো জল হয়ে গেছে.. অন্ধকারে মিশিয়ে দেই। আবার হাঁটি আমরা, শহরের শতাব্দীপ্রাচীন আত্মা ছায়ার ছদ্মবেশ নিয়ে আমাদের সাথে সাথে হাঁটে, ফিসফিস করে।
এই যে দেখছো রাস্তার পাশের প্রাচীন বাড়ি- লোহার কুঠি, এর একচিলতে অন্ধকারের বাতাস জানে তোমার প্রখম চুম্বনের শব্দ, দ্বিধান্বিত কিশোর হাতের কাঁপন আর লালাসিক্ত স্বাদ। আর কান পাতো কান পাতো.. শুনতে পাও নদীর নি:শ্বাস? আর একটু এগোলেই ব্রক্ষ্মপুত্র পূণ্যজল আর তার পার ধরে পার্ক। মান্দার গাছটির কথা মনে পড়ে যার ছায়ায় আড়ালে লুকানো তোমার কৈশোরের অসংখ্য দিনলিপির পাতা? ... ... ...
আমি জানি এই কণ্ঠস্বর আর থামবে না। আরো তীব্র আরো বাচাল হয়ে উঠবে কেবল। আমি আর এগুবো না। আমি এগুতে পারবো না। কেননা সামনে গেলেই মান্দার গাছটির ছায়া আমাকে ডাকবে, জড়িয়ে ধরতে চাইবে উষ্ণ মমতায়। নদীর নি:শ্বাস বয়ে আনবে সেই অতি পরিচিত ঘ্রাণ। প্রতি পদক্ষেপে আমার মুখোমুখি হতে হবে স্মৃতির, যার একাধিক মুখমন্ডল আর সব মুখই আমার চেনা।

আমি আর এগুবো না। আমরা ঘুরে যাই। রিকশা ডাকি। শহরের আত্মা মৃদু হেসে নিশ্চুপ হয়ে যায়। সাইফ ...সাইফ... রিকশা থামা... আমার বমি আসছে। রাস্তায় ঢেউ, গাছের গায়ে ঢেউ, পুরোন দালানকোঠাজুড়ে ঢেউ। সমস্ত শহর কেঁপে কেঁপে ওঠে। সময় দুমড়ে মুচড়ে যায়। আমার শরীর, তার ভেতরের শরীর থেকে স্রোত ছুটে আসে। গাঙিনারপার মোড়ের কোলাহল আমার মাথার ভেতর সুই হয়ে বিঁধে যেতে থাকে। আমি এই যন্ত্রণা আর হাল্কা হতে পারার স্বস্তি নিয়ে পানি দিয়ে মুখ ধুই। দোকানের লোক পানি ঢালতে ঢালতে বলে, ভালো আছেন ভাই? বহুৎ দিন পর দ্যাখলাম আপনারে। তার দিকে তাকিয়ে আমি হাসি। আমি বুঝতে পারি আমি তাকে চিনি। আর কিছু আমার মনে পড়ে না।

আমরা তিনজোড়া এলোমেলো পদক্ষেপবাহী জুতা এক হোটেলের সিঁড়ি বেয়ে উপরে উঠি। নয়ন কাকে যেন খুঁজতে থাকে, পেয়েও যায়। দুই ঘন্টার জন্য লাগবে, কত টাকা? খুঁজে বের করা লোকটি জানায় আজ রাতে কিছুতেই সম্ভব না। টাকা কোন বিষয় না। নয়ন আরো কিছুক্ষণ চেষ্টা করে। তারপর আসলেই সম্ভব না বুঝতে পেরে হাল ছেড়ে দেয়। আমরা নেমে আসি। শহরের ভদ্র জনগোষ্ঠী সাধারণত: যে গলিটি সযত্নে এড়িয়ে চলে তাতে নিঃসঙ্কোচে ঢুকে পড়ি। কেমন একটা চাপা কিন্তু ঝাঁঝালো গন্ধ টের পাই। পুরুষ আর নারীকণ্ঠের নানা মাত্রার স্বর- গুঞ্জন থেকে শুরু করে চিৎকার পর্যন্ত। কিছু শিশুর চিৎকার শোনা যায়। সরু গলির দুইপাশে একতলা দোতলা বাড়ি... নোনা ধরা দেয়াল.. মানুষ ঢুকছে আর বের হচ্ছে। আমরা এক বাসায় ঢুকি। মেয়েটার মাথায় ঘোমটা। আমাদের দিকে কিছুক্ষণ তাকিয়ে থাকে। তারপর মৃদুস্বরে বলে, অ্যাডিক্ট পোলাপান লই না। যাইন গা। আমরা নিঃশব্দে বের হয়ে আসি। সাইফ শুধু একবার বলে, মালডা ভাল আসিল। একটা দোতালায় উঠি। বারান্দায় তিনটা মেয়ে আর একজন মহিলা দাঁড়ানো। মহিলা আমাদের বলে, দ্যাখেন কারে পসন্দ হয়? আমি শ্যামলা ক্ষীণ মেয়েটিকে জিজ্ঞেস করি- নাম কি তোমার? মাথা নাড়তে নাড়তে সে বলে, মৌ। আমি জানি মৌ তার নাম না। কি আসে যায়, কি আসে যায় তাতে- শুধুই তো একটি নাম।

সাইফ আর নয়ন বুঝতে পারে। তারা মহিলার সাথে রফা করে। তারপর 'শুধুই-একটি-নাম-মৌ' একটা ঘরের দরজা খুলে ডাকে, আসেন। কথা বলার সময় তার নাকের দু’পাশ সামান্য কুঁচকে যায় খেয়াল করি। সাইফ আর নয়ন বলে, যা আমরা বাইরে আছি। সমস্যা নাই। আমি ঘরে ঢুকি। মৌ দরজা লাগিয়ে দেয়। দুপাশের দেয়ালে ভূমিকা চাওলা আর কারিনা কাপুর-এর রঙীন পোস্টার চকচক করছে। মৌ বিছানায় শুয়ে পড়ে। আমি বিছানার একপাশে চুপচাপ বসে থাকি। মৌ সম্ভবত কিছুটা বিভ্রান্ত হযে পড়ে। কি করবে বুঝতে না পেরে বোধ হয় বলে ফেলে, টাইম নাই, টাইম নাই... শুরু করুইন। আমি হাসি, তোমাকে তো এক ঘন্টার জন্য নেওয়া হইসে। মৌ আর কিছু বলে না। আমি জিজ্ঞেস করি, তোমার মা বাপ নাই? এই কাম করো ক্যান?
যেই বেটির কাছ থেইকা ভাড়া লইলেন, হেয় আমার মা.. আর বাপ কেডা মায়েও কইবার পারবো না। মৌ হাসে। তার নাকের দু’পাশ সামান্য কুঁচকে যায়। আমার খুব অস্বস্তিবোধ হয়। আমি পকেট থেকে মোবাইল বের করে হাতে নেই। মেয়েটার সন্দেহ তৈরি হয়। আপনি কি কিসু করবাইন না? খালি আলাপ করবাইন? খালি আলাপ আমার ভালা লাগে না। টাইমডি নষ্ট।
তার সময় সচেতনতা মুগ্ধ হবার মতো। আমি মুগ্ধ হই এবং প্রাসঙ্গিক একটা প্রশ্ন করি, তুমি কি করনের সময় চিল্লাও?
এইতা চিল্লানি আর আমগো আহে না। তবে ২০ টাকা বেশি দিলে চিল্লামু।
আমি মোবাইল পকেটে ভরে উঠে দাঁড়াই। সামান্য হেসে বলি, থাক.. তোমার কিসু করতে হবে না। বের হয়ে আসি দরজা খুলে। মেয়েটা এক অজানা কারনে বের হওয়ার সময় চাপা কণ্ঠে বলে, জানোয়ার। তার নাক সামান্য কুঁচকে যায়।
বাইরে নয়ন আর সাইফ দাঁড়িয়ে সিগ্রেট টানছে। আমরা তিনজন নিঃশব্দে বের হযে আসি। রিকশায় উঠি। ওদেরকে রাস্তায় নেমে যেতে বলি।
তুই কই যাবি??তোর বাসায়? তোর বাসায় না ভাড়াটে ছিল? চল, আমার বাসায় থাকিস। সাইফ বলে।
ভাড়াটে গত মাসে বাসা ছেড়ে দিসে। সমস্যা নাই, যা তোরা।
আচ্ছা যা তাইলে। কালকে ঢাকায় যাওয়ার আগে দেখা কইরা যাইস।
আমি কিছু বলি না আর।

বাসার দরজা খুলে ঢুকতেই সেই গন্ধটা এসে নাকে লাগে যেটাতে পরিত্যক্ত পরিত্যক্ত একটা ব্যাপার প্রকট। অন্ধকার খালি বাসা। যেই রুমটায় আমি থাকতাম ৭ বছর আগে সেই রুমের দরজা খুলি। ভেতরে ঢুকি। সকালে এসে একটা ৮০ ওয়াটের বাল্ব লাগিয়ে গিয়েছিলাম, সেটা জ্বালাই। তারপর ঘরের কোনে রাখা ব্যাগটা থেকে কালো প্যাকেটটা বের করি। সময় প্রায় হয়ে এসেছে। আজকের দিন, আমার তেইশতম জন্মদিবস শেষ হতে আর মাত্র ১৫ মিনিট বাকি আছে। আজ আমার জন্মদিন, সকাল বেলা আমি প্রথমে তেইশটা সিগারেট কিনেছি।
........................................

(পুরাটাই দিতাম, কিন্তুক পুরাটা আসলে লেখা হয় নাই))
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/iftekharinanblog/28797714 http://www.somewhereinblog.net/blog/iftekharinanblog/28797714 2008-05-13 23:45:46
নামহীন উড়ে এসো ডুমোমাছি ঝাঁক বেধে,
পায়ে পায়ে তুলে নিও
সর্বশেষ নিঃশ্বাসের রেণু;
নিয়ে যেও যেখানে সে থাকে-
সেই নীল নিরালায়, গভীর হিরণ গ্রামে।

পরিযায়ী পাখি হয়ে
যদি আসে দেখতে সে- আধখোলা চোখে তার থেমে থাকা আলো
আর হিম আঙুলের ভাঁজে মৃত মুদ্রাদোষ।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/iftekharinanblog/28794812 http://www.somewhereinblog.net/blog/iftekharinanblog/28794812 2008-05-06 14:27:22
অপরূপকথা বসে থাকো ব্যথা ভালবেসে,
শিউড়ে ওঠার দিন ফিরে গেছে জানো তবু বিপন্ন প্রেম
ঘিরে আছো আহত আশ্লেষে।

হে দাহ- সোনালী সুখ, হিম হৃদিতলে জ্বেলে আর্দ্র আগুন
ঢেকে রাখো স্মৃতিকাতরতা,
আগুনে আড়াল করো সযতনে ভুলে থাকা মগ্ন মিথুন,
পুড়ে যাওয়া অপরূপকথা।
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/iftekharinanblog/28793921 http://www.somewhereinblog.net/blog/iftekharinanblog/28793921 2008-05-03 23:44:52
দে জা ভু দাঁড়িয়ে রয়েছে যে কিশোরী তাকে খুব পরিচিত
মনে হয়। অবিকল এরকম ভঙ্গিমাতে ঠায়
দাঁড়াতে দেখেছি যেন ঠিক এমন রৌদ্ররহিত
দিনে প্রায় চেনা তোমাকেই কত অসংখ্য অতীতে।
অথবা অতীত নয়। হয়তোবা বৃত্তপথ ধরে
বারবার ঘুরে ঘুরে সাইক্লিক সময়স্থিতিতে
এই একই মেঘম্লান দিনে আছে বাধা পড়ে
তুমি, আমি, সাদাবাড়ি, ভাঙাগাছ, বন্ধ সেলুন...

অনন্তসময়দীর্ঘ এই এক দুর্বিষহ দিনের ভিতরে
বারান্দায় দাঁড়িয়ে তুমি হাতে ধরে কামরাঙা রোদের বেলুন.. ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/iftekharinanblog/28793718 http://www.somewhereinblog.net/blog/iftekharinanblog/28793718 2008-05-03 11:02:37
প্রিয় লিরিক: 'Where Do We Draw the Line' Where Do We Draw the Line

By ‘Poets of the Fall”
Album: Revolution Roulette
Released on 26th March, 2008


On your palm an endless wonder
Lines that speak the truth without a sound
In your eyes awaits the tireless hunger
Already looks for prey to run down

So why do we keep up this charade
How do we tell apart the time to leave from the time to wait

What does tomorrow want with me
What does it matter what I see
If it can't be my design
Tell me where do we draw the line

The dance of flames and shadows in the street
Make poetry nobody's ever heard
The weight of loneliness stands on your feet
The cage already there around the bird

So why don't we join the masquerade
Before it all falls apart before our love becomes insatiate

What does tomorrow want with me
What does it matter what I see
If I can't choose my own design
Tell me where do we draw the line

Where's the cooling wind
Where's the evergreen field
Where's my mother's open arms
Where's my father lionheart
S'like the sun's gone down
Sleeps in the hallowed ground now
With the autumn's browns leaves
With the one who never grieves

What does tomorrow want with me
What does it matter what I see
If we all walk behind the blind
Tell me where do we draw the line

Whatever tomorrow wants from me
At least I'm here, at least I'm free
Free to choose to see the signs
This is my line...

]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/iftekharinanblog/28791944 http://www.somewhereinblog.net/blog/iftekharinanblog/28791944 2008-04-28 02:06:34
পাখিকাতরতা

পর্যাপ্ত প্রবাসে উড়ে যাও পাখি
আমি রাখি প্রহরায়- ফেলে যাওয়া পালকের স্তুপ
গতকাল থেকে এল নিশ্চুপ গান, তার মুখোমুখি
বেড়ে উঠুক আত্মহত্যাপ্রবণ অপরাজিতা যত
দর্শকের গ্লাস ভরে যাক সোনালী দ্রবণে
মুগ্ধতা ও মাধুর্যের ক্ষত
রঙ হয়ে ঘ্রাণ হয়ে অলৌকিক জলপান হয়ে ফুটছে, ফুটুক।
এই নৈঃশব্দের নাটিকা চলতে চলতে পৃথিবীর
নিঃশ্বাস গুনে গুনে ঋতু বদলাবে, ঋতুবদল দেখতে দেখতে
পৃথিবীর যত দীর্ঘ দীর্ঘশ্বাস ঝড় হবে
তার আগেই প্রাণপণ উড়ে যাও পাখি যথার্থ আকাশ,
যেন পৌঁছাতে পারো তোমার প্রার্থিত
হলদেটে হাড়ের বাগানে।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/iftekharinanblog/28790331 http://www.somewhereinblog.net/blog/iftekharinanblog/28790331 2008-04-23 01:35:02
আরো ছবি: ব্রহ্মপুত্রের তীর থেকে Click This Link

আর এখানে পোস্টানো আগের ছবিগুলো- Click This Link


]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/iftekharinanblog/28788460 http://www.somewhereinblog.net/blog/iftekharinanblog/28788460 2008-04-16 19:32:03
১লা বৈশাখ: ব্রহ্মপুত্রের পারে

]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/iftekharinanblog/28788392 http://www.somewhereinblog.net/blog/iftekharinanblog/28788392 2008-04-16 16:29:41
পরাস্মৃতি- ৩
কতোটা দূরত্বে গেলে ছিঁড়ে যায় সুতো? কতোখানি নৈকট্য এনে দেয় শিথিলতা? সম্পর্কের সমীকরণ আমি আজো বুঝি নাই- এখনো রয়েছি শুধু স্পর্শাভিভূত; পালাবার প্রয়াসে তবু দূরে চলে গেলে- সামনে দাঁড়ায় এসে স্মৃতির পাঁচিল, আলটপকা যদি চলে যাই অন্যপাশে- একদা স্বপ্নেরা দেখি মৃত পড়ে আছে; এইসব পার হয়ে আরো কিছুদূর- যেখানে সীমান্ত এঁকে রাখে শূন্যতা, সেখানে নিভৃত এক কোণে ফুটে আছে অলৌকিক বিরহের বিষন্ন বাগান।

পরাস্মৃতি ১

পরাস্মৃতি ২ ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/iftekharinanblog/28757046 http://www.somewhereinblog.net/blog/iftekharinanblog/28757046 2008-01-05 22:41:56
পরাস্মৃতি ২
আর কোন কথা নয়- ওষ্ঠের ওপরে রাখো তর্জনি, সামান্য শব্দ হলে জেেগ যাবে সুপ্ত সময়, বহু কষ্টে করায়ত্ত্ব করেছি কুহক- যা কিছু মুহূর্ত ছিল যৌথ স্মারক- এখন আসবে ফিরে ধীরে ধীরে আমাদের চারপাশে জড়ো হবে নিমীলিত চোখ, সান্দ্র চুম্বন আর কোমল স্পর্শকাতরতা... অতএব সমাহিত হও সম্মোহিত হও; বিমুগ্ধ হৃদয়ে দ্যাখো চারুচিত্ররূপ, ইত্যবসরে আমি সময়ের গোপন ভাঁজে লুকিয়ে রাখি আরো কিছু উষ্ণতা।


porasriti 1 ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/iftekharinanblog/28756486 http://www.somewhereinblog.net/blog/iftekharinanblog/28756486 2008-01-04 00:01:18
পরাস্মৃতি- ১
কত যে গিয়েছি হেঁটে তন্দ্রামুখর গ্রাম, গাঢ়তম ঘুমের ভেতর। ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/iftekharinanblog/28756095 http://www.somewhereinblog.net/blog/iftekharinanblog/28756095 2008-01-02 21:01:50
অবশেষ
আমার আকাশে অমর অজর হয়ে
একটিমাত্র ধ্রুবতারকার স্থিতি,
আলোর আঘাতে মহাকাল যায় ক্ষয়ে
থাকে শুধু তার সৌরগন্ধা স্মৃতি।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/iftekharinanblog/28754234 http://www.somewhereinblog.net/blog/iftekharinanblog/28754234 2007-12-27 10:31:27
লিবিডো লিবিডো


... তারপর
অকস্মাৎ
লিবিডোতাড়িত রাত
স্মৃতিমৈথুনে ভাসায় শরীর
তখন কি সেই পার্থিব পরীর
তুলোট ডানায় কেঁপে কেঁপে ওঠে ঝড়?
ঝড় শেষে মন নিদ্রাকাতর
তবু ভাবে অবিরত
খরস্রোতা নদীপথে কে বেশি বেদনাহত-
জল না পাথর?
জল না পাথর?

সেই নদীটির নিঃশ্বাস
যদি কোনদিন ভেজায় আবার
আমার অথবা তার
গোপন হিরণবাস...!]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/iftekharinanblog/28752374 http://www.somewhereinblog.net/blog/iftekharinanblog/28752374 2007-12-18 21:03:38
মনোলগ তমিস্রার গাঢ় স্রাবে ডুবে থাকো তুমি-
ঘুম ঘুম নাম।

রূপসনাতন জলে ভেসে এলে জোৎস্নার ঘ্রাণ
আমিও তোমার সাথে একই তানে মেঘভেদী গান
হয়তোবা অকুণ্ঠ গাইতে পারতাম...

মনরূপমাঝি যদি উঠাতো বাদাম!]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/iftekharinanblog/28752134 http://www.somewhereinblog.net/blog/iftekharinanblog/28752134 2007-12-17 11:11:31
নিঃশব্দ নির্মাণ
নেমে আসি অসংখ্য মানুষের মিছিলে।
সারি সারি
ক্লান্ত
ক্লিষ্ট
রিক্ত
মুখের ভীড়ে।
শ্লোগান আর ফেলে আসা পদচিহ্ন গিলে
খেয়েছে সূর্যের প্রখরতা। ভাষাহীন শরীরে
প্রতিবাদ-
মূঢ়,
মৌন,
স্তব্ধ
হয়ে নিরুপায়
তাকিয়ে রয়েছে নির্নিমেষ, বিস্ফোরণের প্রতীক্ষায় ...
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/iftekharinanblog/28751419 http://www.somewhereinblog.net/blog/iftekharinanblog/28751419 2007-12-14 00:13:02
রোজনামচা

আমি ও আমার ছদ্মবেশ একসাথে জেগে উঠি,
সে বেরোয় শীৎকাররত এই শহরের বুকে;
কেনাবেচা করে কত হাসি-কথা-ইশারা-ভ্রুকুটি-
সারাদিন ধরে। আমি বসে মেঘ গুণি, কি অসুখে
ম্রিয়মান চোখে ঘোর লাগে, হিম স্মৃতির আঙুল
এলোমেলো চুলে সিঁথি কেটে দেয়। সিঁড়ি বেয়ে বেয়ে
গোধুলির দিকে যত যাই- উদ্বেল আলোর ফুল
ঝরে পড়ে। আকাশের গায়ে আঁকি মেঘরঙা মেয়ে;
রাত কালি ঢেলে দেয় ক্যানভাসে- ফিরে আসি ঘরে।
সেও ফিরে এলে আমি ও আমার ছদ্মবেশ বসে
পাশাপাশি দু'জন- উচ্ছিষ্ট আয়ু নিয়ে খেলা করে
কিছুক্ষণ, সহনিদ্রা যাই ঢুকে স্বপ্নের খোলসে।
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/iftekharinanblog/28751359 http://www.somewhereinblog.net/blog/iftekharinanblog/28751359 2007-12-13 17:59:33
শীতযাত্রা নদীর কিনার ধরে চালতা গাছের ছায়া ছিন্নফুল,
অদূরেই সারি সারি মিল ও মেশিন
ওগড়ায় জন্ডিস,
বিহবল বিষ ফুলের পাপড়ি ধুয়ে ছায়ার শরীর ছুঁয়ে
মিশে যায় জলে;
হলুদাভ স্রোতে দিনগুলি মুমূর্ষু মাছ-
ভেসে ওঠে, গিলে খায় আমাকে উদরে রেখে
দিনগুলি হলদেটে বাক্সের মতো,
ক্রমাগত ছোট হয়ে আসে।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/iftekharinanblog/28750443 http://www.somewhereinblog.net/blog/iftekharinanblog/28750443 2007-12-09 16:48:53
বেদনাউড্ডয়নপ্রকল্প
১. উপসংহারের শেষে

তোমাকে কামনা করে একে একে সব মুদ্রা ছুঁড়ে দেই জলে।
শুধু কিছু অনিচ্ছুক ঢেউ গোনা যায়। বুঝি প্রার্থণা বিফল পূনরায়!
অতএব হেঁটে যাই- গ্লানি, অবসাদ। হেঁটে যাই উদাসীন পথ।
ফিরে আসি ঘরে।বারান্দার বাতি থেকে ঝুলন্ত অর্ধেক রাত ছিঁড়ে ফেলি।
ছায়ার উপরে এসে শুই। আমাকে জড়িয়ে ধরে আমার ছায়ারা ঘুম যায়।

আমার আর একা লাগে না।

২. স্বাগত

এক ও অভিন্ন হতে পারি, একা নই।
যেহেতু জানি যে আরো কেউ কেউ আছে যার চোখ বিদ্ধ প্রিয় পাপে।
আরো কেউ আয়নার সামনে দাঁড়ালে প্রতিবিম্ব পড়ে বিষাদের।
আমার মতোন আরো কারো হাত বাঁধা জলের বাঁধনে।
পতিতালয়ের পথে কেউ কেউ খুঁজে ফেরে প্রেম বারবার।
আমারই মতোন ম্লান, আমারই মতোন ক্ষীণ হতে হতে হতে হতে
শত শত মুখ তলিয়ে গিয়েছে পিপাসায়।
এইবার উঠে এসো, হাত ধরো- ব্যথার ডানায় ভর করে
উড়ে যাব দহনের দিকে।

আমার যমজ যত ভাই
আমার যমজ যত বোন-
আহত হবার এই উত্সবে স্বাগতম!
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/iftekharinanblog/28747731 http://www.somewhereinblog.net/blog/iftekharinanblog/28747731 2007-11-26 18:03:12
ব্ল্যাকআউট

শাওয়ারের জলে ভেসে গেল ব্যর্থ বীজের বেদনা।

ফিরে এল জলরঙ চিঠি, আঁচলের প্রান্ত থেকে
পড়ে পাওয়া নীল, ফিল্টারের ছাইঘুম, সমুদ্রের
নোনাস্মৃতি, মুখ ও মোড়ক।
এইসব আকস্মিক অনুষঙ্গ- পারমুটেশন ও কম্বিনেশনে
অজস্র কোলাজ।
উদ্বায়ী উৎসাহে উড়ে গেলে সব চিত্ররূপ
দেয়ালের দু'পাশে দেখি একই মরুভূমি,
ধু ধু দৃষ্টিপথে শূন্যতার লুপ,
স্নায়ুর সৈকতে এসে আছড়ে পড়ল
অথৈ তন্দ্রার ঢেউ।

একটি অনুপম জীবনের প্রতিশ্রুতি রেখে
প্রতারক নাড়ী
সময়ের জরায়ু থেকে খসে পড়ে গেল।
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/iftekharinanblog/28747195 http://www.somewhereinblog.net/blog/iftekharinanblog/28747195 2007-11-23 23:02:56
রূপসনাতন
জ্যোত্স্নাজারিত জলে শেষ করে ক্রীড়া
ডানাদোষে উড়ে গেলে পবিত্র পরীরা;
একটি জন্মান্ধ ঢেউ-
সজল সাঁতারে আসে নিভৃত নৌকার কাছে,
ফিসফিস করে বলে-

এই দ্যাখো আমার বুকের বামদিক
ভিজে আছে অপার্থিব রূপের রেণুতে।

]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/iftekharinanblog/28744817 http://www.somewhereinblog.net/blog/iftekharinanblog/28744817 2007-11-12 00:52:09
মাধুকর
কুহকের দুয়ারে দাঁড়াই
ভিক্ষা চাই মাধুকরী হাত-
দাও কিছু গোপন আঁধার, দেবী;
আংটির মতন করে পরে নেব মধ্যমায়।
যন্ত্রমুগ্ধ মানুষের ভীড়ে হারিয়ে ফেলেছি চোখ;
খানিকটা দাও আলো, অধিবিদ্যা-
প্রকৃত পরাগায়ন দেখি।

বিমুখ করো না আর, তুমি তো জানোই-
গ্রন্থির কোন দায় নেই নিজেকে খুলে ধরবার।

]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/iftekharinanblog/28744029 http://www.somewhereinblog.net/blog/iftekharinanblog/28744029 2007-11-09 21:05:44