আমার প্রিয় পোস্ট

এই ব্লগের বিষয় বলে কিছুনেই। যাচ্ছেতাই।

[link|http://boodhooram.blogspot.com/2007/02/rezwan.html|G

১৩ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৭ সন্ধ্যা ৭:০৬

শেয়ারঃ
0 0 0

দুই বাংলা ভাগ হলো নয় নয় করে ষাট বছর।
তিরিশ বছর আগে এক বন্ধুর ( ওরা পূর্ব পাকিস্তান থেকে অনেক পরে এসেছিলো) বাড়ীতে গ্রুপ স্টাডি করতে গিয়ে জানলাম ওর ছোট বোনকে ওরা আপা ডাকে। মানেটা বুঝিনি। সামহোয়ারে এসে অভিধানে মানেটা দেখতেই হল।
বুদ্ধুরাম বা রামবুদ্ধুগালিটা বাংলাতে চালু না থাকলেও মানেটা মনে হয় বোঝা যায়। আমার অভিধানে রেজওয়ান বা রেজওয়ানা মানে নেই। উদাহরণটা বেশ কাঁচা হয় গেলো। ধর্মের প্রভাবে ই হোক বা রাষ্ট্রভাগে হোক ভাষায়, খাওয়া পরা রুচিতে অনেকটা ফারাক হয়েছে। আমাদের মধ্যে সীমান্তের এপার ওপাড় চোরা হোক সোজাহোক লেনদেন অর্থনৈতিক মূলতঃ। তবে বাঙ্গালি চরিত্র কি পালটায় এত তাড়াতাড়ি? তা সম্ভব না।
টিভি বা টেলিভিসান একেবারেই দেখি না। যখন দু দেশেই সরকারি টিভি একাই একশ ছিলো তখন মান বেশ নিচে ছিলো মনে আছে। এখন কি কিছু উন্নতি হয়েছে? চকমকে ভাবটা বেড়েছে মনে হয়, তাই না। যাঁরা দেখেন তাঁরাই বলতে পারেন।

 

প্রকাশ করা হয়েছে: আমার দিনকাল  বিভাগে । সর্বশেষ এডিট : ১৪ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৭ সন্ধ্যা ৭:১৭ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১. ১৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৭ রাত ৩:১৯
অতিথি বলেছেন: নামে কিবা আসে যায় যদি পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও ভালবাসা থাকে। বন্ধুকে শালা বলতে আগে-পিছে তাকাইনা।

ওপার বাংলা েলোকেরা কতটুকু বাংলাদেশ থেকে সাহিত্য পড়ে বা টিভি দেখে জানিনা। তবে আমরা একটা জেনারেশন দেশ পত্রিকা পড়ে (মহিলাদের ক্ষেত্রে সানন্দা) বড় হয়েছি। খটকা লাগত মুসলমান নামগুলো ঠিকমত ছাপা হতো না বলে। খায়ের সহজেই খয়ের হয়ে যায়। অথচ বাংলাদেশী মাধ্যমে অজিতেশ কখনও অজিত্যাশ হয়ে যায়না। গন্ডগোলটা কোথায় ধরার অপেক্ষায়। ধর্ম কেন বাগড়া দেবে?

বাংলাদেশে ভারত বিদ্্বেষ তো রয়েছেই। দ্্বিজাতিতত্ত ও মৌলবাদের পুনরুথথানের সাইড এফেক্ট থাকবেনা? কিন্তু তার চেয়েও বড় কারন অনেক ক্ষেত্রেই বিদ্্বেষটি এসেছে ওপারের অবহেলা ও বড়ভাইসুলভ আচরন থেকে। এক্ষেত্রেও ওপার বাংলা হয়ত এপার বাংলাকে বিধর্মী হিসেবেই দেখেছে।

আজকে সৌরভ গাঙুলী বাংলাদেশে আসলে কতটা সম্মান পায়, আপন মনে করে। কারন সৌরভ খেললে বাঙালী হিসেবে সৌরভকেই সাপোর্ট করে বাংলাদেশ। আর বাংলাদেশ শ্রীলনকার সাথে খেললে পশ্চিম বঙের কত ভাগ বাঙালী বাঙলাদেশকে সাপোর্ট করে? তাদের মতে হয়ত কোয়ালিটি এখানে প্রশ্নসাপেক্ষ। কাঁধে কাঁধ মেলানোর মত মানসিকতার কেন যে অভাব!
২. ১৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৭ রাত ১:০৫
অতিথি বলেছেন: আপনার, রেজওয়ান, লেখাটা বুলস আই হিট করেছে।
তৃতীয় প্যারাতে বুদ্ধু কিছু সংযোজন করতে চায় মাত্র। হিন্দু বাঙ্গালী তো, বুধুর মতে, সংখ্যা লঘু। পসচিমের বাঙ্গালী বড় ভাই সুলভ আচরণ করলে তা প্রলাপ মাত্র।
আর শ্রী ইউনুস বা শ্র ীমতি তসলিমা পশ্চিমবঙ্গে তারকা সৌরবের মতই। বুধুর তারকা দ্্বয় ভক্তি বহু দিনের।
দেশ বা সানন্দা ব্যবসার ফসল। বাংলাদেশের কয়কটা শাড়ীর খুব টান।
আপনার মন্তব্যটা মূল পাতায় রাখার মতই ভারী। ধন্যবাদ।
৩. ১৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৭ রাত ১:২২
অতিথি বলেছেন: মন্তব্য লিখে ওকে করলাম। মন্তব্য ভ্যানিশ।
৪. ১৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৭ সকাল ১০:৫২
অতিথি বলেছেন: আবার করুন। এবার ওকে করার আগে সিলেক্ট করে কপি করে রাখবেন। যাতে আবার পেষ্ট করে করতে পারেন।
৫. ১৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৭ বিকাল ৩:৪৫
অতিথি বলেছেন: আপনার মন্তব্য নিটোল এবং নিখুত।
সংযোজন করে বলা যায়, বুধু তথা হিন্দু বাঙ্গালী সংখ্যা লঘু, বড়দা সুলভ আচরণ প্রলাপ মাত্র।
ডা ইউনুস এবং তসলিমা সুধু সৌরভ নয়, তারকা পশ্চিমেরও।
অমর্ত্য ইউনুস দের নিয়ে সবাই গর্বকরি।
৬. ১৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৭ বিকাল ৪:১৭
অতিথি বলেছেন: বলতে ভুলেছি, সফল ব্যবসার ফসল দেশ ও সানন্দা সেতু রচনায় সক্ষম।

 

মোট সময় লেগেছে ০.৯৩৯৪ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ