ব্যাকগ্রাউন্ডঃ আমার বুক শেলফ...
স্থানঃ ত্রিকোন এর কারখানা...
০০৭ স্টাইলটা ফেসবুকে অনেকেই পছন্দ করতে পারে নাই...
ফেসবুকে সব চেয়ে বেশী সমালোচিত ছবি...
ফেসবুকে আরো ছবি রয়েছে।
ত্রিকোন এর কথাঃ
প্রায় বছর চারেক আগে ব্লগার খন্দকার ইশতিয়াক মাহমুদ এসে আবদার করে বসল একুশে ফেব্রুয়ারীর জন্যে একটা গেজ্ঞির ডিজাইন করে দিতে হবে। আমি তখন শখের বশে গ্রাফিক্সের কাজ করতাম। ছেলেটা আমার ভাগ্নের ক্লাসমেট। তাই আবদার রাখতেই হল। বলা যায় আমার ফ্যাশন ডিজাইনিংএর শুরুটা এভাবেই। এর প্রায় ১ কি দেড় বছর পরে বউ এল দেশের বাড়ি থেকে আমার দীর্ঘ বিবাহিত ব্যাচেলার লাইফের সমাপ্তি টানবার জন্যে (আমার পুত্রের বয়স তখন সাত)। সাথে বেশ কিছু স্ব-উপার্জিত টাকা পয়সাও নিয়ে এল। প্রতিষ্ঠিত হল বুটিক শপ ত্রিকোন। বুঝতেই পারছেন মেজর শেয়ার হোল্ডার হিসেবে আমার বউ ত্রিকোনের বস আর আমি তার ক্রিয়েটিভ হেড। ত্রিকোনের যাত্রা শুরু হয় আজিজ সুপার মার্কেট থেকে।বর্তমান শো রুম বসুন্ধরা সিটিতে।ত্রিকোনের মূল মন্ত্র-শৈল্পিক বানিজ্যিক স্বদেশীক।
মডেল পরিচিতিঃ
ছেলেটি আমার ভাগ্নে। ঢাকা ভার্সিটিতে পড়ে।ফ্যামিলি পিকচার ছাড়া অন্য কোন ছবির জন্যে এর আগ পর্যন্ত ক্যামেরার সামনে দাঁড়ায় নাই।
মেয়েটি আমার বউয়ের কাজিনের মেয়ে। বছর খানেক হল গ্রাম থেকে এসেছে। পড়াশুনার পাশাপাশি আমাদের কারখানার গুরু দায়িত্ব মেয়েটার ছোট্ট কাঁধে ন্যাস্ত।
কি কি পাওয়া যায়ঃ
থ্রি পিস, মেয়ে ফতুয়া, ছেলে ফতুয়া, পাঞ্জাবী, টি-শার্ট, বাচ্চাদের পোষাক, কুশন কাভার, বেড কাভার। আগামী বৈশাখের আগে শাড়ি নামাবার জোর চেষ্টা চলছে। (আপাততঃ পাঞ্জাবী ও মেয়ে ফতুয়ার ছবি তোলা হয়েছে। বাকি প্রোডাক্টের ছবি তোলার প্রস্তুতি চলছে)
ঠিকানাঃ
শো রুম- দোকান-১১৩, ব্লক-ডি, লেভেল-২, বসুন্ধরা সিটি, পান্থপথ, ঢাকা।
কারখানা-১২৬৮ পূর্ব মনিপুর, মিরপুর, ঢাকা।
ত্রিকোনের ফেসবুক লিংক

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

