আব্বু কতদিন তোমায় দেখিনি, জানি দেখবনা কোন দিন।
১১ ই জানুয়ারি, ২০০৮ রাত ১০:২৬
দেখতে দেখতে মাস হয়ে গেল।
গত ১১ডিসেম্বর ২০০৭, দুপুর ১২টায় যখন মামার ফোন পেলাম, তখনও তিনি আমার কাছে বেঁচে ছিলেন।
মামা বললেন, তাড়াতাড়ি গাবতলী যেতে, সেখান থেকে চিটাগং যেতে। মামাও আসবেন সেখানে।
আমি জিজ্ঞাস করলাম," কোন দুর্ঘটনা?", বললেন-" না , তোমার আব্বু অসুস্থ তো. তাই...."
তখনই মনটা আশংকার মেঘে ভরে গেল। নিশ্চিত হলাম ৩টার দিকে ,যখন মামা বললেন, ' সকাল ৭ টায় গাজিপুর পৌছলাম চট্টগ্রাম থেকে, আর ১০টায় একটা রত্ন হারিয়ে ফেললাম।"
তখন চোখ ভরে গিয়েছিল কিন্তু কাঁদিনি, কাঁদিনি এমনকি রাত ১১টায় যখন বাড়ি পৌছলাম তখনও, এমনকি যখন তাকে কবরে শুইয়ে দিচ্ছিলাম
তখনও না।কান্নাগুলো বুকের কোথায় যেন পাথর হয়ে রইল।
কান্না এসেছিল রাতে ঘুমানোর সময়। নিশ্বব্দে, অন্ধকারে। বাঁধ ভাঙ্গা।
আব্বুকে আর দেখবনা। সালাম দিতে পারবনা।
আব্বু আমার সবকিছু।
আমার আল্লাহ্,রাসুল,ইসলাম সবই তাঁর কাছ থকে পাওয়া।
বাংলা,ইংরেজী,আরবী,নামায,চিন্তাধারা সবকিছু আমি তাঁর কাছ থেকেই পেয়েছি। শিখেছি সততা , সরলতা, ভদ্রতা (জানিনা কতটুকু রাখতে পেরেছি)।
হয়ত এখন দু:খ ভুলে দিন গুলো সেখেলে কাটাচ্ছি। হয়ত এমনি ভাবে কোন একদিন বাড়ি ফিরব নামের আগে প্রকৌশলী লাগিয়ে। কিন্তু আমার প্রথম শিক্ষক -আমার আব্বুকে তা দেখাতে পারবনা।
তাকে তো রেখে এসেছি সেই নদীর তীরে, সেই মাঠের কোনে , সেই মসজিদের পাশে মাটির বিছানায়, যেখানে কেটেছে তার শৈশব........
আমার শৈশব।
(আল্লাহ তুমি আমার আব্বুকে সর্বোচ্চ জান্নাতে দাখিল করো, আমিন)
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ
রাগিব বলেছেন:
আল্লাহ তাঁকে জান্নাতবাসী করুন, এই দোয়া করছি। আমার বাবা মার-ও বয়স হচ্ছে, প্রবাসে থেকে চিন্তায় থাকি সারাক্ষণ তাঁদের স্বাস্থ্য নিয়ে। আপনি আপনার বাবার স্মৃতিকে ধরে রাখুন, উনার আত্মার মাগফিরাত কামনা করছি।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।
আল্লাহ আপনার পিতামাতাকে সুস্থ ও দীর্ঘ জীবন দিন।
মেহরাব শাহরিয়ার বলেছেন:
আল্লাহ তাঁকে জান্নাতবাসী করুন ।
বজলু মহাজন বলেছেন:
আল্লাহ আপনার আব্বুকে সর্বোচ্চ জান্নাত দাখিল করুন, আমিন



















আপনার বাবার রুহের মাগফিরাত কামনা করি, তিনি যেন স্বর্গবাসী হন।
তিনি যে আদর্শ রেখে গিয়েছেন সে আলোকে আপনার বাবার স্বপ্ন পূরনে সচেষ্ট এবং দৃঢ়প্রতিজ্ঞ হবেন, সে কামনাই করি