আমার প্রিয় পোস্ট

নাস্তিকতা কার স্বার্থে?

৩১ শে মে, ২০০৮ রাত ৯:০৩

শেয়ার করুন:                   Facebook

শিকারী সমাজ থেকে দাসব্যবস্থার সমাজ সেখান থেকে সামন্তসমাজ এই হচ্ছে মানুষের ইতিহাসের বেশীরভাগ সময়। সামন্ত সমাজে রাষ্ট্র সরাসরি ধর্মের অধীনে আসে। রাষ্ট্রীয় সিদ্ধান্তে প্রার্থনাগার খুব জরুরি ভুমিকা পালন করতে থাকে। এই সময়টাই কিন্তু মানবেতিহাসের দীর্ঘতম সময়। মানুষে মানুষে যোগাযোগ, উৎপাদন বন্টন সবই সীমিত পর্যায়ে ছিল। সামাজিক অসমতা ছিল। লোভও ছিল। কিন্তু পুঁজিবাদের মতো বড় দাগে ছিল না। সেইসময়কার সামাজিক অনাচারের বিরুদ্ধে দাঁড়িয়েছে ধর্ম। ধর্মের মাধ্যমে নৈতিকতা শক্তিশালী হয়েছে। তখনকার সমাজনিয়ন্ত্রকরা নিজেরা বিশ্বাস করে অনুশীলন করে একেকটা ধর্মমত গ্রহণ করেছেন। ধর্মের পথে চলা না চলা নিয়ে হয়ে গেছে যুদ্ধের পরে যুদ্ধ। ধর্মমতের সংঘর্ষেও যুদ্ধ হয়েছে অনেক। তবে সবার উপরে একটা কথাই ছিল। সেটা হচ্ছে যত যুদ্ধই হোক যত রাজনীতিই হোক, রাজা শেষ পর্যন্ত ধর্মের অধীন। কোন না কোনভাবে ধর্মের পথে তাকে থাকতে হবে।

যে সময়টাকে রেনেসাঁ বলা হয়, সেসময় আসলে ইউরোপে প্রযুক্তির বিকাশ ঘটেছিল। বিজ্ঞান বলা ভুল হবে কারণ বিজ্ঞানের চর্চা সেসময় করেছেন মুসলমানেরা। ব্যবসায়ীদের স্বার্থে বিজ্ঞানের কিছু ধারনাকে ব্যবহার করে ইউরোপে সেসময় উৎপাদন প্রযুক্তির বিকাশ ঘটানো হয়। এর মূল উদ্দেশ্য ছিল আরো মুনাফা। এই বাড়তি মুনাফার ব্যাপারে তখনকার চার্চ বাধা হয়ে দাড়ায়। বিজ্ঞান-প্রযুক্তির কথা বলা হলেও আসলে মুনাফাখোরদের চাপেই জন্ম হয় এভাঙ্গেলিকিজমের, তাঁদের চাপেই চার্চ থেকে শেষ পর্যন্ত রাষ্ট্র আলাদা হয়। মুনাফা আর প্রটেস্ট্যান্ট ধর্ম একটা আরেকটার পরিপূরক। ম্যাক্স ওয়েবারের "প্রটেস্ট্যান্ট এথিকস অ্যান্ড স্পিরিট অফ ক্যাপিটালিজমে" সেই কথাই বর্ননা করা হয়েছে।

শেষের প্রক্রিয়াটি ঘটেছে খুব দ্রুত এবং প্রচুর রক্তপাতের বিনিময়ে। আর এই ঘটনাটি ঘটেছে শুধুমাত্র ইউরোপে। পৃথিবীর বাকি অংশে কিন্তু ঘটেনি। তারা জানতোও না কাকে বলে রেনেসা কাকে বলে শিল্পবিপ্লব। বেনিয়ারা শোষনের স্বার্থে পৃথিবীর বাকি এলাকায় উপনিবেশ করে সেখানে শোষনের সাথে সাথে নিজেদের অভিজ্ঞতার সমাজবিজ্ঞান গিলিয়ে দিয়ে এসেছে। এতে করে পুঁজির স্বার্থে নাস্তিকতা উৎসাহিত হয়েছে।

 

 

  • ৮ টি মন্তব্য
  • ১৪৬ বার পঠিত,
Send to your friend Print
রেটিং দিতে লগ ইন করুন
পোস্টটি ৩ জনের ভাল লেগেছে, ৩ জনের ভাল লাগেনি
১. ৩১ শে মে, ২০০৮ রাত ৯:০৯
comment by: ঘনাদা বলেছেন: আচ্ছা, হুসাইন, কোন বইয়ে থেকে চ্যাপ্টার বাই চ্যাপ্টার তুলতেছ বলত?
২. ৩১ শে মে, ২০০৮ রাত ৯:৪০
comment by: বন্ধনহীন বলেছেন: আপনার লেখার উপর কমেন্ট করবো ভাবছিলাম। এখন দেখি ঘনাদার কথাই ঠিক। এতো ভুল-ভাল কেন, কিভাবে লিখলেন আল্লাই জানে।

আপনার লেখার মধ্যেই রয়েছে স্ববিরোধিতা। কোন আলোচনা (করেও লাভ নাই) ছাড়া তুলে ধরছি আপনার কিছু আজগুবি বক্তব্য:

১। সামন্ত সমাজে রাষ্ট্র সরাসরি ধর্মের অধীনে আসে।
- ঠিক উল্টাটাই।

২। বিজ্ঞান বলা ভুল হবে কারণ বিজ্ঞানের চর্চা সেসময় করেছেন মুসলমানেরা।
- খুব ভালো বলেছেন। তবে মনে রাখা উচিত মিথ্যা বলা মহাপাপ।

৩। সেইসময়কার সামাজিক অনাচারের বিরুদ্ধে দাঁড়িয়েছে ধর্ম।
- নাকি ধর্মই অনাচারে সাহায্য করেছিল?

৪। বিজ্ঞান-প্রযুক্তির কথা বলা হলেও আসলে মুনাফাখোরদের চাপেই জন্ম হয় এভাঙ্গেলিকিজমের, তাঁদের চাপেই চার্চ থেকে শেষ পর্যন্ত রাষ্ট্র আলাদা হয়।
- নাকি ধর্ম কে ধর্মব্যবসায়ী থেকে বাঁচানোর জন্য। (চার্চ তখন বেহেস্তের টিকেট বিক্রি করতো।)

৫। মুনাফা আর প্রটেস্ট্যান্ট ধর্ম একটা আরেকটার পরিপূরক।
- প্রচন্ড এক মিথ্যা।

৬। বেনিয়ারা শোষনের স্বার্থে পৃথিবীর বাকি এলাকায় উপনিবেশ করে সেখানে শোষনের সাথে সাথে নিজেদের অভিজ্ঞতার সমাজবিজ্ঞান গিলিয়ে দিয়ে এসেছে।
- কিভাবে প্রমান দিতে পারবেন? ( সমাজবিজ্ঞান বিষয়টি)


৭। এতে করে পুঁজির স্বার্থে নাস্তিকতা উৎসাহিত হয়েছে।
- ঠিক এর উল্টোটাই।
০৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ৮:৪৪

লেখক বলেছেন: বন্ধনহীন আপনিই প্রমাণ করুন আগে

৩. ৩১ শে মে, ২০০৮ রাত ৯:৪৪
comment by: বৈকুনঠ বলেছেন: একবাল না আবাল, বহুত হইচে, এহন ছাইরাদে মা কাইন্দা বাঁচি
৪. ৩১ শে মে, ২০০৮ রাত ১০:১৭
comment by: পরাজিত বলেছেন: ++++++++++
৫. ৩১ শে মে, ২০০৮ রাত ১১:৩২
comment by: সাধক শঙ্কু বলেছেন: রামছাগল
৬. ০২ রা জুন, ২০০৮ ভোর ৪:১৪
comment by: আলিফ দেওয়ান বলেছেন: সাধক শঙ্কু বলেছেন: রামছাগল
৭. ২৬ শে আগস্ট, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:২৩
comment by: বোলারস ব্যাকড্রাইভ বলেছেন: আলিফ দেওয়ান বলেছেন: সাধক শঙ্কু বলেছেন: রামছাগল

 



 


পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ

    কোন বিভাগ নেই

সর্বমোট হিট

 ৫৭০৭