বিশ্ববিদ্যালয়ে এসব কী হচ্ছে কেন হচ্ছে?
১৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ৮:০৬
একজন শিক্ষকের বিরুদ্ধে ছাত্রীর শরিরের স্পর্শকাতর অংশে হাত দেবার অভিযোগ খুবই দু:খজনক। এটা শুধু সেই শিক্ষা প্রতিস্ঠানের নয় সারা জাতির জন্য লজ্জার কথা। এখানে মনে রাখতে হবে এধরণের ঘটনায় শুধু সেই শিক্ষক নয় সংশ্লিষ্ট পরিস্থিতিতে সেই ছাত্রী সেই শিক্ষককে বা অন্য পুরুষ শিক্ষার্থীদের প্রলুব্ধ করছিলেন কীনা। অথবা সেই শিক্ষা প্রতিষ্ঠাণে এরকম কোন পরিস্থিতি বিরাজ করছিল কিনা যাতে মানুষ সভ্যতার নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে রিপুপরায়ণ হয়ে পড়তে পারে।
দেশের এমন দুটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠাণের বিরুদ্ধে এই ধরণের বেদাতীর অভিযোগ উঠছে যেখানে ইসলামপন্থীদের প্রবেশ নিশেধ। বিশেস করে জাহাঙ্গীরনগর। আমার শেওড়াপাড়ার এক প্রতিবেশীর ছেলেকে ১৯৯৩ বা ৯৪ সালে সেখানে গুন্ডারা গলাটিপে হত্যা করে বিশ মাইল গেটে ঝুলিয়ে রেখেছিল। ছেলেটি ছোটবেলা থেকেই খুব লক্ষী। পাঞ্জেগানা নামাযী। ভর্তি পরীক্ষা দিতে জাহাঙ্গীরনগরের কোন একটা হলে উঠেছিল। কোন এক দিন জুম্মার পরে হলের কিছু পান্ডা এসে তার বিছানবালিশ ঘেটে মওলানা দেলোয়ার হোসেন সাইয়েদীর ওয়াজ মহফিলের একটি লিফলেট পায়। এরপর শিবির অভিযোগে তাকে সেই বামপন্থী নাস্থিক পান্ডারা গলাটিপে হত্যা করে। সেই ঘটনার সাথে জড়িত বামপন্থীদের অনেকেই শুনেছি আজকে ইহুদিদের দালাল বড় বড় পত্রিকার সাংবাদিক।
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রায় কুড়ি বছর যাবৎ ইসলামী ছাত্র শিবিরের রাজনীতি নিশিদ্ধ। কোন ধরণের ধর্মীয় নৈতিকতার তৎপরতা চালাতে গেলে সেখানে জীবনের ঝুঁকি নিতে হয়। নাস্থিকদের অভয়ারাণ্য এই ক্যাম্পাসে সন্ধ্যা হতে না হতে ঝোপে ঝাড়ে অধ:পতিত ছাত্রছাত্রীদের কলতান শোনা যায়। পরহেযগার পরিবারের সন্তানেরাও এই পরিবেশে এসে প্রবৃত্তির ফাঁদে পড়ে অধ:পাতে যায়। এই সব কিছুর জন্য দায়ী যারা আজকে সেখানে আন্দোলনের ধোঁয়া তুলছেন তারা। এইসব বামপন্থী রাজনীতিক সংস্কৃতি কর্মীরা নিজেরা অসংযত যৌনজীবন যাপন করে অন্যদের প্রলুব্ধ করেন। বাম সংগঠণের ছাত্রীরা অসংযত পোষাকে চলাফেরা করেন।
সেই শিক্ষক যদি দোষী হন তবে তার শাস্তি হোক। কিন্তু বারে বারে এই সব ঘটনা যাদের কারণে ঘটছে সেই সব বামপন্থী নাস্থিকদেরও ঐ ক্যাম্পাস থেকে বিতাড়িত করতে হবে। নইলে এইসব ঘটনা ঘটতেই থাকবে।
রাইডার বলেছেন:
যাঝাকুল্লাহ খায়রান
একবাল হুসেন বলেছেন:
সুস্থ তর্ক করতে পারলে করুন। শুধু শুধু মাইনাস দিয়ে কী প্রমাণ করতে চান?
হাসিব মাহমুদ বলেছেন:
চাঘোল
মেন্টাল বলেছেন:
পোদে আঙ্গুল ঢুকায়া বইসা থাক
হিমালয়৭৭৭ বলেছেন:
আপনার নামের মতই ভীষণ কুচ্ছিৎ আপনার চিন্তাধারা.......shame on u...
আলিফ দেওয়ান বলেছেন:
অতিতে এইসব পুষ্ট দিত তিরিভুজপাদ সফটোয়ারের পতিষ্ঠাতা সবাপতি, গুগুলের যম, ইসকিপ্ট কিডিদের জানি দুস্মন ছাগুরাম তিরিভুজ। তৎকালিন সচেতন বলোগারজনতা তাহাকে পুন্দাইয়া লাইনে রাখিত। কিন্তু এক তিরিভুজ পুড়িয়া ছাই হইতে না হইতেই সেই ছাই থিকা একবালেরা জন্মগহন করিছে।কিচুদিন আগে জনৈক সৈয়দ বঙশি আধবাল ছাহেব বলিছেন, খালেদা জিয়া নাকি ফিনিক্স পাকি। তাহইলে ছাগুরামদের বলিতে হয় ফিনিক্স পশু। এক ছাগুরামের লাদি থিকা আরেকটি ছাগুরাম জন্ম লইছে।
নাভদ বলেছেন:
এখানে মনে রাখতে হবে এধরণের ঘটনায় শুধু সেই শিক্ষক নয় সংশ্লিষ্ট পরিস্থিতিতে সেই ছাত্রী সেই শিক্ষককে বা অন্য পুরুষ শিক্ষার্থীদের প্রলুব্ধ করছিলেন কীনা।
========================================
কতটা নোংরা মানসিকতা থাকলে এভাবে কেউ লিখতে পারে জাহাঙ্গীরংনগেরের আন্দোলন সম্পর্কে !
মানবজমিন বলেছেন:
শিবিরের দালালি না করলে কি হয় না ??? উরা কি ফেরেস্তা...বিশ্ববিদ্যালয়ে একজন ছাত্র/ছাত্রীর আচরন কি শিবিরের কাছ থেকে শিখতে হবে...
সুতরাং আপনার লেখার সারমর্ম এবং থিওরী "জাবিতে শিবির থাকলে এমন হতনা" ইহা সম্পুর্ন অকার্যকর এবং এবং তাহা জঘন্য মিথ্যাচার ও বটে।
আলমগীর কুমকুম বলেছেন:
বামপনথি নাস্তিক খেদায়া এচলামি ছাত্রশিবিরকে ক্যাম্পাসে প্রতিষ্টা করা হউক, হুজুরগো হাতে মাইয়ারা ডলা খাইলে অসুবিধা নাই। লাড়ায়ে ঠাকবির .... এর সমর্থনে এই ছবিটি দিলাম। আশা করি এটা বলবেননা এটা মিথ্যা প্রচার।
রাজর্ষী বলেছেন:
আপনের এসব বিকৃত চিন্তা মানুষকে ইসলাম ধর্ম বিমুখি করবে।
মাজেদুল হক বলেছেন:
ভাবনা জাগিয়ে তুললেন।
ধীবর বলেছেন:
শিবির থাকলেই যে শুধু জাবির এই সমস্যা হতো না এমনটি নয়। বোঝা যাচ্ছে, একটি সামাজিক সমস্যাকে আপনি ধর্মীয় রাজনীতির সুবিধার জন্য ইস্যু করেছেন। নারীর আপনার ভাষায় "অশালিন" পোষাক পড়ার জন্যই এমন সমস্যা হচ্ছে বলে যা উক্তি করেছেন, সেটি ঠিক নয়। পর্দা শুধু নারীর জন্য না, পুরুষদের জন্যও। সমস্যা হচ্ছে, আমরা আমাদের নিজস্ব সংস্কৃতি চর্চায় উদাসীন হওয়াতে। পোশাক আশাক কথা বার্তা আচার আচরণে আমরা বিদেশিদের অনুকরন করতে গিয়ে নিজস্ব স্বকীয়তা হারিয়ে ফেলে দিক ভ্রান্ত। এ থেকে মুক্তি না মিললে এ রকম সমস্যা দেশের আনাচে কানাচে আরো ভয়াবহ আকার ধারণ করবে।
আমি এখানে নতুন। দেখছি, যুক্তির বদলে উগ্র আবেগকে অনেকেই প্রশ্রয় দিচ্ছেন। এভাবে কি আপন মতামত অন্যকে বোঝাতে পারবেন? ব্যাপারটা একটু চিন্তা করে দেখবেন কি প্লিজ?
একবাল হুসেন বলেছেন:
এইসব গালাগালিতে নিজেদের কোন পরিচয় তুলে ধরছেন আপনারা?
অমাবশ্যার চাঁদ বলেছেন:
অনির্বান বলেছেন: এই পোষ্টে জুতা রেটিং দেয়া হলো...আর তোর গালেও জুতার বড়ি মারা হইলো..



















বা
ল
তু
ই
ম
ই
রা
যা