"পানির অপর নাম জীবন।" প্রবাদটি কে না জানে?
এখন যুদ্ধ হয় তেলের জন্য, আগামী দিনে নাকি যুদ্ধ হবে পানির জন্য।
মানুষের যত রোগ হয়, তার মাঝে নাকি বেশী রোগ হয় বিশুদ্ধ পানির অভাবে।
তাই বাঁচার জন্য চাই পানি, এক আঁজলা বিশুদ্ধ পানি।
আমাদের দেশে এখনো অনেক গ্রাম আছে, যেখানে মানুষ যে পুকুরে কাপড় কাচে, গোসল সারে, সেই পুকুরের পানিই পান করে, একই পানি দিয়ে রান্নার কাজ চালায়, আবার প্রাকৃতিক কর্ম সারার অপরিচ্ছন্ন বদনাটাও একই পুকুরে ডোবায় বারবার।
অনেক গ্রাম আছে যেখানে বিশুদ্ধ পানির জন্য একটা টিউবওয়েল নাই। স্বাস্থ্যসম্মত স্যানেটারি ল্যাট্রিন নাই। রোগ বালাই লেগে আছে তাদের জীবনে শুধুমাত্র বিশুদ্ধ পানির অভাবে।
অকালে ঝরে যাচ্ছে কত কচিপ্রাণ, হারিয়ে যাচ্ছে অযুত সম্ভাবনা।
কতই বা আর লাগে একটা টিউবওয়েল বসাতে কিংবা স্বাস্থ্যসম্মত স্যানেটারি ল্যাট্রিন বানাতে?
কিন্তু ওদের যে সে সামর্থটুকুনও নেই। পাশাপাশি রয়েছে সচেতনতার অভাব। সরকার অনেক বড় ব্যাপার। উনারা করছেন সংস্কারের মতো বড় বড় কাজ। গরীবের সুপেয় পানির চিন্তা করার সময় উনাদের কোথায়? এনজিও গুলো রবি ঠাকুরের কাবুলি ওয়ালার মতো সূদ কষার অন্ক নিয়ে ব্যাস্ত। তাই মানুষের জীবন বাঁচাতে চাই, আপনার আমার সদিচ্ছা, সামাজিক আন্দোলন, একটু সহানুভূতিপূর্ণ মন।
আমরা যারা বাইরে আছি
আমরা কি পারিনা ছোট্ট এ কাজটুকু নিজেদের কাঁধে নিতে?
আমরা কি পারিনা বদলে দিতে গ্রাম বাংলার চিত্র?
সপ্তাহে কয়েক ঘন্টা অতিরিক্ত কাজ করলেইতো মাস শেষে আমরা যোগাতে পারি একটা টিউবওয়েল ও স্বাস্থ্যসম্মত স্যানেটারি ল্যাট্রিনের খরচ বা তারও বেশী।
বাচাঁতে পারি সহস্র জীবন, ফোটাতে পারি অসংখ্য শিশুর মুখে হাসি, মায়ের মুখে আগামীর স্বপ্ন।
আপনি কি শুনতে পাচ্ছেন লাখো শিশুর আর্তি ?
ওরা বলছে,
একটা টিউবওয়েল চাই।
একটি স্বাস্থ্যসম্মত স্যানেটারি ল্যাট্রিন চাই।
এক আঁজলা বিশুদ্ধ পানি চাই।
একটা সুন্দর জীবন চাই, বাঁচার মতো বাঁচতে চাই।
আমরা যে তোমাদেরই বোন ও ভাই!
চলুন না ওদের আহবানে সাড়া দেই। নিজ নিজ গ্রামে প্রয়োজনীয় সংখ্যক টিউবওয়েল বসাই, স্বাস্থ্যসম্মত স্যানেটারি ল্যাট্রিন বানাই। জীবন বাঁচানোর সংগ্রামে শামিল হই।
সর্বশেষ এডিট : ১৪ ই জানুয়ারি, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:৪৮

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



