আমার প্রিয় পোস্ট
- Beauty of Math!!! - নিয়ান্দার্থাল
- তিনদিনে পিএইচপি শিখুন (৩য় দিন) - মদন
- লিনাক্স-এ কি ভাবে C প্রোগ্রাম রান করাবেন - মো: আরিফুর রহমান (সি.এস.ই)
- Some important tips on PHP & MySQL - মশিউর রহমান মেহেদী
- সেলুনে চুল কাটার সময় সাবধান!!!!!!! - মুকুট
- শৈশবে একুশে ফেব্রুয়ারি - ইরতেজা
- “মানুষ খুঁজিয়া ফিরি জনতায়, মানুষ কই?” - ফারজানা মাহবুবা
- কম্পিউটারের কর্মদক্ষতা বাড়ানোর কয়েকটি টিপস্!!! - মুকুট
- গল্প: একটা সরল স্বপ্নের কথা (চতুর্থ অংশ) - জ্বিনের বাদশা
- কুর'আন, নারী ও শস্যক্ষেত্র, ইসলাম বিদ্বেষ ও আমার বিশেষ জ্ঞানী হওয়া। - আবূসামীহা
- ছি ছি! ইসলাম এতো খারাপ? - ফারজানা মাহবুবা
- একজন প্রেসিডেন্টের ইমেইল এবং আমাদের নেগেটিভ মনোভাব - শামসুজ্জামান সিদ্দিকী শাহীন
- লিনাক্স ডিরেক্টরি স্ট্রাকচার - আবুফয়সাল আহমেদ
- কবর - নুপুর
- ডিজিটাল প্রযুক্তিতে তথ্য সংরক্ষণ - নামিরা নাওয়ার
- আল্লাহ্ কে, তাঁর পরিচয় কি? তিনি দেখতে কেমন, তাঁর লিঙ্গ কি? - আবূসামীহা
দিনে আপনার সেভ করা মাত্র ৫০ সেন্টস বদলে দিতে পারে একটি জীবন।
১৬ ই জানুয়ারি, ২০০৮ রাত ৮:০৩
সালাউদ্দিন ভাই ভ্যাংকুবারে থাকেন। পেশায় প্রকৌশলী। ভালো জব করেন। প্যালটকে 'বাংলাভাষায় ইসলাম" রুমে মাঝে মাঝে আসতেন। ওখানেই উনার সাথে পরিচয়।
একদিন ফোন করে বললেন; নাবিক ভাই, ঢাকায় মেয়েদের জন্য একটা ভোকেশনাল মাদ্রাসা করবো। আপনার হেল্প লাগবে। আমি রাজি হয়ে গেলাম।
উনাকে প্রশ্ন করলাম মেয়েদের জন্য ভোকেশনাল মাদ্রাসার আইডিয়া এই প্রথম শুনলাম। এ আইডিয়া কই পেলেন?
বললেন; "অনেকদিন পর দেশে গেলাম। আমাদের বাড়িতে এক মহিলা প্রায় পনের বছর কাজ করে। কথায় কথায় উনাকে জিজ্ঞেস করলাম। নামাজ পড়েনতো? উনি বললেন, "আমাদেরকে নামাজ পড়া কে শেখাবে। সেই ছোট বেলা থেকেইতো মানুষের বাড়িতে ঝি এর কাজ করি। সবাই কাজ চায়। নামাজ রোযা শিখার সময় কই?"
কথাটা সালাউদ্দীন ভাইয়ের মনে খুব দাগ কাটলো। উনি তার বাড়িতেই গ্রামের গরিব মেয়েদের জন্য অস্থায়ী স্কুল চালু করলেন। কিন্তু সমস্যা দেখা দিল অন্য জায়গায়। কোন মেয়েই পড়তে আসেনা। কারণ দরিদ্র হওয়ায় তাদের কাজ করে খেতে হয়। স্কুলে আসলে কাজে যাওয়া হয়না। তাই স্কুল বাদ। ক্ষুধার জ্বালা মেটানো আগে।
সালাউদ্দিন ভাইও নাছোরবান্দা। তিনি তার গ্রামের গরীব মেয়েদের শিক্ষিত করে তুলবেনই। নিলেন উচ্চাভিলাষী পরিকল্পনা। ঢাকার অদূরে মুন্সিগন্জে নিজ পৈতৃক ভিটায় ২ লক্ষ ৪০ হাজার ডলার ব্যয়ে মেয়েদের জন্য দেশের প্রথম ভোকেশনাল মাদ্রাসা প্রতিস্ঠার উদ্যোগ নিলেন।
পুরো প্রজেক্টকে চারটা ধাপে ভাগ করলেন।
২০০৮ সালের জানুয়ারীতে প্রথম ধাপ সম্পন্ন করে ৫০ জন গরীব মেয়েকে নিয়ে ভোকেশনাল আবাসিক স্কুলটি চালু হবার পরিকল্পনা হল।
সালাউদ্দীন ভাই দিনের পর দিনের মানুষের দুয়ারে দুয়ারে ঘুরলেন। পৈতৃক ভিটা দান করে দিলেন স্কুলটির জন্য। টরন্টো, মন্ট্রিয়াল, অটোয়া চষে বেড়ালেন সাহায্যের জন্য।
অবেশেষে স্বপ্ন সত্য হলো। গত ৪ তারিখে স্কুলটির যাত্রা শুরু হল। ছবিতে সে সব মেয়েদের দেখা যাচ্ছে যারা কোন দিন স্কুলে পড়ার কথা ভাবতেও পারেনি। যারা ভেবেছিল, অপরের বাসায় ঝি এর কাজ করেই কেটে যাবে তাদের জীবন। সেই সব কচি মুখগুলোর দিকে একবার ভালোভাবে তাকিয়ে দেখুন, অযুত স্বপ্ন তাদের চোখে মুখে।
সালাউদ্দীন ভাই স্বপ্নহীন এ সব শিশু-কিশোরীদের চোখে-মুখে স্বপ্ন বুনে দিতে পেরেছেন। আয়োজন করেছেন তাদের পরিচর্যার।
এদের পড়াশোনা, থাকা খাওয়া, পোশাক সব কিছু স্কুল ব্যবষ্থা করবে। শেখাবে কম্পিউটার, সেলাই, হাতের কাজ ইত্যাদি। শিক্ষার আলো হতে ছিটকে পড়া শত জীবনকে করে তুলবে শিক্ষিত ও আত্মনির্ভরশীল।
সালাউদ্দীন ভাই এর পক্ষে এ কাজ একা করা খুবই দূরূহ। আপনার সহযোগিতা তাই সবসময় কাম্য। বছরে মাত্র ১৮০ ডলার খরচ আপনিও হতে পারেন একটি মেয়ের গর্বিত স্পন্সর। দিনে মাত্র ৫০ সেন্টস যদি সেভ করেন তা বদলে দিতে পারে একটি জীবন।বিস্তারিত জানতে ভিজিট করুন সেন্টারের ওয়েব সাইট http://www.aiwvc.com/Default.asp
কবি বলেছেন,
"আমার দেশে সেই ছেলে হবে কবে?
কথায় বড় না হয়ে কাজে বড় হবে।"
সালাউদ্দীন ভাই তেমনি একজন, যিনি কথায় নয় কাজের মাধ্যমে বড় হয়ে উঠেছেন।
আসুন না আমরাও হই তার সহযোগী। অন্তত: একটি মেয়ের স্পন্সর হোন। তাকে শিক্ষিত ও আত্মনির্ভরশীল হতে সহায়তা করুন।
অনুনাদ বলেছেন:
স্বপ্নহীন এ সব শিশু-কিশোরীদের চোখে স্বপ্ন বুনে দিতে পারা সফল মানুষ কে হাজার সালাম।
ফজল বলেছেন:
এমন পোষ্টে মাইনাস দাতাকে মানবতার জন্য বিপদ্দজনক ভাবা মোটেও অযৌক্তিক মনে করি না।কার্যত একটি + আর মনে মননে অগুণিত দিলাম।
মেন্টাল বলেছেন:
উটুল ভায়া, মাইনাস আমি দিছি। মহিলা মাদ্রাসার নাম দিয়া জামাতের রিক্রুটমেন্ট সেন্টার বানানোর আইডিয়া তে + দিতে পারি নাই।লেখক বলেছেন: সালাহউদ্দীন ভাই জামায়াত করেন না। আমিও না। এই প্রতিষ্ঠান সকল রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত। বিশ্বাস না হলে একবার ঘুরেই আসুন না।
সব কিছুর মাঝে রাজনীতি খুঁজে বেড়ানো আমাদের অভ্যেস হয়ে গেছে।
অন্যকে বিকৃত নামে ডাকলে মন্তব্য ডিলিট করে দেয়া হবে।
লেখক বলেছেন: আমি সিওর না। জেনে জানাবো।
রামকৃষ্ণ মিশনে কি মুসলিম মেয়েদের পড়ায়? আমার জানা নেই। জানা থাকলে জানাবেন।
উনি না নয় মুসলিম মেয়েদের জন্য করছেন।
আপনি অমুসলিম মেয়েদের জন্য শুরু করুন, আমাকে সাথে পাবেন।
মুসলিম-অমুসলিম সকলের জন্য কাজ করা দরকার।
দারিদ্র বিমোচন, সমাজ বদলে অংশ গ্রহনই বড় কথা।
আবূসামীহা বলেছেন:
সালাহউদ্দীন ভাইকে অভিনন্দন এবং তাঁর জন্য দু'আ। আল্লাহ্ যেন তাঁর প্রচেষ্টাকে কবুল করেন। তাঁর মত আরো এরকম অনেক উদ্যোগী মানুষের দরকার দেশে যারা কথায় না বড় হয়ে কাজে বড় হবে।আপনাকে ধন্যবাদ খবরটা জানানোর জন্য।
আর হ্যাঁ সালাহউদ্দীন ভাই কোন নিকে আসতেন রুমে?
লেখক বলেছেন: খানমো নামে আসতেন। বেশির ভাগ সময় আপা আসতেন।একটাই নিক ছিল দু'জনের। দু'জনে শুধু শুনতেন। মেইন এ লিখতেন। কিন্তু মাইক নিতেন না কখনো। আপনাকে সালাম জানিয়েছেন। আমি বলতে ভুলে গেছি। সরি।
ফারজানা মাহবুবা বলেছেন:
উদ্যোগী এই মানুষটিকে স্যালুট।
আবূসামীহা বলেছেন:
খানমো নামে আসতেন। বেশির ভাগ সময় আপা আসতেন।একটাই নিক ছিল দু'জনের। দু'জনে শুধু শুনতেন। মেইন এ লিখতেন। কিন্তু মাইক নিতেন না কখনো। আপনাকে সালাম জানিয়েছেন। আমি বলতে ভুলে গেছি। সরি।==================
অসুবিধা নেই। আপু মনে হয় নিজের নিক নিয়েই আসতেন। এই ব্লগসাইটটা হয়েও আমাদের পালটক রূমটার বারোটা বেজেছে। মুজাহিদ ভাই পুরো এখানে ব্যস্ত হয়ে গেলেন। আমাকে এনে এখানে রেজিস্ট্রেশন করালেন। আমি রেজিস্ট্রেশন করার পর ৮/৯ মাস কিছুই লিখিনি, দু'একটা মন্তব্য ছাড়া।
পালটকে কিন্তু এখন কয়েকটা ইসলামিক রুম খোলা হয়। একদিন যেয়ে দেখি মৃত্তিকা আপু একটাতে অন্য নিকে। আমাকে প্রাইভেত মেসেজ দিয়ে জানালেন উনি মৃত্তিকা।
পালের রূমটা আবার রিভাইভ করলে কেমন হয়?
বুড়া শাহরীয়ার বলেছেন:
+ আমি সাথে আছি। যোগাযোগ করব ইনশাল্লাহ


















