আমার প্রিয় পোস্ট
- Beauty of Math!!! - নিয়ান্দার্থাল
- তিনদিনে পিএইচপি শিখুন (৩য় দিন) - মদন
- লিনাক্স-এ কি ভাবে C প্রোগ্রাম রান করাবেন - মো: আরিফুর রহমান (সি.এস.ই)
- Some important tips on PHP & MySQL - মশিউর রহমান মেহেদী
- সেলুনে চুল কাটার সময় সাবধান!!!!!!! - মুকুট
- শৈশবে একুশে ফেব্রুয়ারি - ইরতেজা
- “মানুষ খুঁজিয়া ফিরি জনতায়, মানুষ কই?” - ফারজানা মাহবুবা
- কম্পিউটারের কর্মদক্ষতা বাড়ানোর কয়েকটি টিপস্!!! - মুকুট
- গল্প: একটা সরল স্বপ্নের কথা (চতুর্থ অংশ) - জ্বিনের বাদশা
- কুর'আন, নারী ও শস্যক্ষেত্র, ইসলাম বিদ্বেষ ও আমার বিশেষ জ্ঞানী হওয়া। - আবূসামীহা
- ছি ছি! ইসলাম এতো খারাপ? - ফারজানা মাহবুবা
- একজন প্রেসিডেন্টের ইমেইল এবং আমাদের নেগেটিভ মনোভাব - শামসুজ্জামান সিদ্দিকী শাহীন
- লিনাক্স ডিরেক্টরি স্ট্রাকচার - আবুফয়সাল আহমেদ
- কবর - নুপুর
- ডিজিটাল প্রযুক্তিতে তথ্য সংরক্ষণ - নামিরা নাওয়ার
- আল্লাহ্ কে, তাঁর পরিচয় কি? তিনি দেখতে কেমন, তাঁর লিঙ্গ কি? - আবূসামীহা
বাংলা একাডেমীর বইমেলায় ইসলামী বই প্রকাশকদের প্রবেশাধিকার থাকছে না?
৩১ শে জানুয়ারি, ২০০৮ রাত ১২:১৮
দু’হাজার আট সালের বাংলা একাডেমীর বইমেলায় ইসলামী বই প্রকাশকদের প্রবেশাধিকার থাকছে না। মেলা কমিটি এমনটাই জানিয়েছেন। এমন সিদ্ধান্ত এবারই প্রথম। একটি নবতর মাত্রাযুক্ত করলো একাডেমী এ জাতীয় হঠকারি সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে। মেলা কমিটি অর্থাৎ বাংলা একাডেমীর এমন নিচমানের মনোভাব মোটেও ভব্যতাকে স্পর্শ করে না। কর্তৃপক্ষের সাম্প্রতিক আচরণ স্পষ্টতই জ্ঞানকে বিভাজন করার নামান্তর। মহাপরিচালক অবশ্য একটি খোড়া যুক্তি আবিষ্কার করে বলেছেন, তারা অর্থাৎ ইসলামী প্রকাশনাগুলো নাকি অন্য একটি মেলায় অংশগ্রহণ করে। বোঝা যাচ্ছে তিনি ইসলামিক ফাউন্ডেশনের বইমেলার প্রতি ইঙ্গিত করতে চাচ্ছেন। এটি কি তাদের অপরাধ! বরাদ্দ পাওয়া প্রকাশনার কেউ কেউ তো ঢাকা বইমেলায়ও অংশ গ্রহণ করে। তাছাড়া একুশে বই মেলায় যে সব প্রকাশনী (মহাপরিচালকের ভাষায় ইসলামী নয়) তাদের অধিকাংশই তো ঢাকা বই মেলায় অংশ নেয়। এদের বেলায় মহাপরিচালকের কী ভাষ্য। এক যাত্রায় দু’ফল এ কেমন আচরণ। গ্রন্থতো গ্রন্থই, এখানে সব পুস্তকই জ্ঞানকে উন্মোচিত করে, সমৃদ্ধ করে। মেলা কর্তৃপক্ষের এই বিভাজনের পশ্চাদপটে কী অন্য কোন উদ্দ্যেশ্য আছে!
লোকালটক বলেছেন:
ইসলামী প্রকাশনা শুধুমাত্র প্রকাশকদের নিজস্ব সম্পত্তিই নয়; বরং এগুলো এদেশের কোটি কোটি মুসলমানদেরও দ্বীনী সম্পত্তি। তাই মুসলমানদের উচিত এবারের মেলা বর্জন করা; যেখানে ইসলামের প্রবেশাধিকার নেই।ফজল ভাই @ সহমত।
মাসুদ যা বলেছেন ঠিকই বলেছেন:
বাংলা একাডেমীর এহেন কর্মকান্ডে তীব্র প্রতিবাদ জানাচ্ছি
১৯৭১ আমার চেতনা বলেছেন:
বাংলা একাডেমী চেতনার খপ্পরে পরছে।
জেনারেল বলেছেন:
তেবরো পেরতিবাদ
এম.এ.হামিদ বলেছেন:
ইসলামী প্রকাশনা শুধুমাত্র প্রকাশকদের নিজস্ব সম্পত্তিই নয়; বরং এগুলো এদেশের কোটি কোটি মুসলমানদেরও দ্বীনী সম্পত্তি। তাই মুসলমানদের উচিত এবারের মেলা বর্জন করা; যেখানে ইসলামের প্রবেশাধিকার নেই।
পান্জেরী বলেছেন:
ব্যাপারটা বড়ই দু:খজনক।বাংলা একাডেমীর মহাপরিচালক প্রফেসর শাহেদ একজন কম্যুনিস্ট। ইনি সাংস্কৃতিক সংগঠন খেলাঘরের সভাপতি ছিলেন। তিনি এরকম কিছু করবেন তা তো জানাই।
এজন্য অবশ্যই সরকার দায়ী। সরকারের দৃষ্টিভঙ্গিও একই।
শমশের আলম শোভন বলেছেন:
প্রতিটি মুমিন মুসলমানের উচিত বইমেলা বর্জন করা। ফজলু ভাইর লগে এক্মত। আমার মতে পর্তেক মুসলিমের বাঙলা পড়াই নিষিদ্দ করা উচিত ওবিলম্বে



















এবারের মেলাকে বাম-আওয়ামীকরণ করার নীল নকশার বাস্তবায়নের চূড়ান্ত ধাপ ছিল এটি; যা ইতিমধ্যে তারা করে ফেলেছে।
ইসলামী প্রকাশনা শুধুমাত্র প্রকাশকদের নিজস্ব সম্পত্তিই নয়; বরং এগুলো এদেশের কোটি কোটি মুসলমানদেরও দ্বীনী সম্পত্তি। তাই মুসলমানদের উচিত এবারের মেলা বর্জন করা; যেখানে ইসলামের প্রবেশাধিকার নেই।