আমার প্রিয় পোস্ট

আল্লাহ আমার রব, সেই রবই আমার সব। দমে-দমে তনু-মনে তাঁরই অনুভব।

আরশোলা থেকে সাবধান!

১৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ১০:৫২

শেয়ার করুন:                   Facebook

আরশোলা থেকে সাবধান! ঘরের কোনায় কোনায় ঘুরে বেড়ানো এই বিদঘুটে প্রাণীটি আপনার শরীরে মারাত্মক হাঁপানি এবং অ্যালার্জির জীবাণু ঢুকিয়ে দিতে পারে। ভারতের মুম্বাইয়ের লীলাবতী হাসপাতালের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক ডা· সঞ্জীব মেহতা জানিয়েছেন, আরশোলার মাধ্যমে প্রায় ৫০ রকমের জীবাণু মানুষের দেহে ছড়িয়ে পড়ে। বিশেষত শিশুরা খুব সহজেই এইসব জীবাণুর কবলে পড়ে। ডা· মেহতা জানিয়েছেন, শিশুদের হাঁপানির প্রধান কারণ হল ধুলোর মধ্যে লুকিয়ে থাকা জীবাণু। বাড়ির বিছানা, বালিশ, কাপের্ট প্রভৃতিতে এগুলো বাস করে। ভয়াবহতার বিচারে এর পরেই আছে আরশোলা। আরশোলা ৩৩ রকমের ব্যাকটেরিয়া, ৬ রকমের পরজীবী এবং কম করেও সাত রকমের প্যাথোজেন বহন করে। আরশোলার বর্জø পদার্ধ, লালা এবং শরীরের স্পর্শ থেকে এই জীবাণুগুলো ছড়িয়ে পড়তে পারে। পৃথিবীর সমস্ত অঞ্চলে সবরকমের জলবায়ুতেই মানিয়ে চলার ক্ষমতা আছে আরশোলার। ফলে উন্নত অথবা অনুন্নত কোনও দেশই আরশোলার প্রকোপ থেকে মুক্ত নয়। এমনকী ঝাঁ চকচকে, অত্যাধিক ঘরবাড়ির নালা নর্দমাতেও শয়ে শয়ে আরশোলা লুকিয়ে থাকে। বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের সমীক্ষায় জানা গেছে, শহরাঞ্চলের যত মানুষ হাঁপানিতে ভোগেন তাদের মধ্যে ২৩ থেকে ৬০ শতাংশেরই রোগের প্রধান কারণ আরশোলা। শহরাঞ্চলের অনেক শিশুই শ্বাস-প্রশ্বাসের সমস্যায় ঘনঘন হাসপাতালে ভর্তি হয়। এদের অসুখের পিছনেও আছে আরশোলা ঘটিত অ্যালার্জি। ১৯৪৩ সালে এক রোগীর শরীরে আরশোলা হেঁটে যাওয়ার পরেই তার শরীরে র‌্যাশ বেরিয়ে যায়। সেই প্রথম আরশোলা থেকে অ্যালার্জির ঘটনা জানাজানি হয়। ১৯৫৯ সালের পরীক্ষা করে আরশোলার এই ক্ষতিকারক দিক সন্মন্ধে নিশ্চিত হওয়া যায়। সত্তরের দশকে জানা যায়, আরশোলা ঘটিত অ্যালার্জি অচিরেই তীব্র হাঁপানিতে পরিণত হতে পারে।

 

 

  • ১৪ টি মন্তব্য
  • ১৫৫ বার পঠিত,
Send to your friend Print
রেটিং দিতে লগ ইন করুন
পোস্টটি ৪ জনের ভাল লেগেছে, ০ জনের ভাল লাগেনি
১. ১৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ১০:৫৬
comment by: ভাঙা চাঁদ বলেছেন: তথ্যবহুল পোস্ট।
ধন্যবাদ।
১৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ১২:৫৬

লেখক বলেছেন: আপনাকেও ধন্যবাদ। টরোন্টোর সব বিল্ডিং গুলো আরশোলায় ভরা। নিউইয়র্কেও তাই দেখেছি। আমাদের বাচ্চারা এর মাঝেই বড় হচ্ছে। আল্লাহ ওদের এবং আমাদের সকলকে হেফাজত করুন।

২. ১৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ১১:১১
comment by: চিকনমিয়া বলেছেন: জনগুরুত্বপূর্ন পোষ্ট
মাইনাচ দিতে আসছিলাম
দিলাম না
১৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ১২:৫৯

লেখক বলেছেন: আমি আবার এতো ইমপর্টেন্ট হইলাম কবে থেইকা যে আমারে মাইনাস দেয়ার জন্য চিকন মিয়া আমার ব্লগ ভিজিট করতে আসছে?

মাইনাস একখান না হয় দিয়াই যাইতেন , এতো কস্ট কইরা আইলেন, মাইনাস না দিয়াই ফিরা গেলেন?

৩. ১৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ১:০০
comment by: ফারজানা মাহবুবা বলেছেন: আমি আরশোলার ছবি দেখে পোষ্টটাতে ঢুকিনি প্রথমে। কিন্তু আপনার নাম ক্লিক করে ঢুকে দেখি পোষ্টটা আপনার! আরশোলা আমার ভীষন ঘেন্না লাগে……ইইইইইইইইই! :(
১৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ১:২৫

লেখক বলেছেন: ঘেন্না লাগলেতো হইতো। এখন তো দেখি রীতিমত বেঁচে চলতে হবে। বিশেষ করে বাচ্চাদের।

৪. ১৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ১:০৭
comment by: সারওয়ারচৌধুরী বলেছেন:


+

খুব দরকারী দরকারী পোস্ট।

আরশোলা=তেলাপোকা?
১৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ১:২৬

লেখক বলেছেন: হ সারওয়ার ভাই, তেলাপোকা ওদের নিক নেম। আরশোলা হইলো অফিসিয়াম নেম।

৫. ১৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ২:১৬
comment by: আবূসামীহা বলেছেন: উত্তর আমেরিকায় আরশোলাগুলো খুব ছোট ছোট। ঝাঁকে ঝাঁকে থাকে। বড়্গুলোও আছে। কিন্তু সেগুলো খুব কম।
বড়্গুলোকেও কেমন একটু ভয় লাগে। কিন্তু ছোট-ছোট দল-বাঁধাগুলো প্রচণ্ড ঘৃণার উদ্রেক ঘটায়। নিউ ইয়র্ক সিটি মারাত্বকভাবে ইনফেস্টেড এগুলো দিয়ে। এত দ্রুত এরা বংশ বিস্তার ঘটায়, যা বলার অপেক্ষা রাখেনা। এদের মেরে শেষ করা যায়না। মাঝে মাঝে মনে হয় ঘরে আগুন জ্বালিয়ে দেই, যাতে ঘর সমেত এগুলোও পুড়ে মরে।
১৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ সকাল ৮:০৬

লেখক বলেছেন: হুম, এগুলো বাংলাদেশের গুলোর চেয়েও মনে হয় মারাত্মক।

৬. ১৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ ভোর ৫:২৬
comment by: নেমেসিস বলেছেন: বলেন দেখি আরশোলা বা তেলাপোকার সাথে একমাত্র কার তুলনা করা চলে??
১৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ সকাল ৮:০৭

লেখক বলেছেন: পারলাম না। বলে দিন।

৭. ১৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ সকাল ১০:৫৮
comment by: ইছামতীর পাড়ে বলেছেন: তথ্যবহুল পোস্ট।
ধন্যবাদ।
১৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ সকাল ১১:০৭

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ

 

 


নিজেকে জানার জন্য লিখি।
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ

    কোন বিভাগ নেই

সর্বমোট হিট

 ১৬৪৮৬