আমার প্রিয় পোস্ট
- Beauty of Math!!! - নিয়ান্দার্থাল
- তিনদিনে পিএইচপি শিখুন (৩য় দিন) - মদন
- লিনাক্স-এ কি ভাবে C প্রোগ্রাম রান করাবেন - মো: আরিফুর রহমান (সি.এস.ই)
- Some important tips on PHP & MySQL - মশিউর রহমান মেহেদী
- সেলুনে চুল কাটার সময় সাবধান!!!!!!! - মুকুট
- শৈশবে একুশে ফেব্রুয়ারি - ইরতেজা
- “মানুষ খুঁজিয়া ফিরি জনতায়, মানুষ কই?” - ফারজানা মাহবুবা
- কম্পিউটারের কর্মদক্ষতা বাড়ানোর কয়েকটি টিপস্!!! - মুকুট
- গল্প: একটা সরল স্বপ্নের কথা (চতুর্থ অংশ) - জ্বিনের বাদশা
- কুর'আন, নারী ও শস্যক্ষেত্র, ইসলাম বিদ্বেষ ও আমার বিশেষ জ্ঞানী হওয়া। - আবূসামীহা
- ছি ছি! ইসলাম এতো খারাপ? - ফারজানা মাহবুবা
- একজন প্রেসিডেন্টের ইমেইল এবং আমাদের নেগেটিভ মনোভাব - শামসুজ্জামান সিদ্দিকী শাহীন
- লিনাক্স ডিরেক্টরি স্ট্রাকচার - আবুফয়সাল আহমেদ
- কবর - নুপুর
- ডিজিটাল প্রযুক্তিতে তথ্য সংরক্ষণ - নামিরা নাওয়ার
- আল্লাহ্ কে, তাঁর পরিচয় কি? তিনি দেখতে কেমন, তাঁর লিঙ্গ কি? - আবূসামীহা
আরশোলা থেকে সাবধান!
১৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ১০:৫২
আরশোলা থেকে সাবধান! ঘরের কোনায় কোনায় ঘুরে বেড়ানো এই বিদঘুটে প্রাণীটি আপনার শরীরে মারাত্মক হাঁপানি এবং অ্যালার্জির জীবাণু ঢুকিয়ে দিতে পারে। ভারতের মুম্বাইয়ের লীলাবতী হাসপাতালের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক ডা· সঞ্জীব মেহতা জানিয়েছেন, আরশোলার মাধ্যমে প্রায় ৫০ রকমের জীবাণু মানুষের দেহে ছড়িয়ে পড়ে। বিশেষত শিশুরা খুব সহজেই এইসব জীবাণুর কবলে পড়ে। ডা· মেহতা জানিয়েছেন, শিশুদের হাঁপানির প্রধান কারণ হল ধুলোর মধ্যে লুকিয়ে থাকা জীবাণু। বাড়ির বিছানা, বালিশ, কাপের্ট প্রভৃতিতে এগুলো বাস করে। ভয়াবহতার বিচারে এর পরেই আছে আরশোলা। আরশোলা ৩৩ রকমের ব্যাকটেরিয়া, ৬ রকমের পরজীবী এবং কম করেও সাত রকমের প্যাথোজেন বহন করে। আরশোলার বর্জø পদার্ধ, লালা এবং শরীরের স্পর্শ থেকে এই জীবাণুগুলো ছড়িয়ে পড়তে পারে। পৃথিবীর সমস্ত অঞ্চলে সবরকমের জলবায়ুতেই মানিয়ে চলার ক্ষমতা আছে আরশোলার। ফলে উন্নত অথবা অনুন্নত কোনও দেশই আরশোলার প্রকোপ থেকে মুক্ত নয়। এমনকী ঝাঁ চকচকে, অত্যাধিক ঘরবাড়ির নালা নর্দমাতেও শয়ে শয়ে আরশোলা লুকিয়ে থাকে। বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের সমীক্ষায় জানা গেছে, শহরাঞ্চলের যত মানুষ হাঁপানিতে ভোগেন তাদের মধ্যে ২৩ থেকে ৬০ শতাংশেরই রোগের প্রধান কারণ আরশোলা। শহরাঞ্চলের অনেক শিশুই শ্বাস-প্রশ্বাসের সমস্যায় ঘনঘন হাসপাতালে ভর্তি হয়। এদের অসুখের পিছনেও আছে আরশোলা ঘটিত অ্যালার্জি। ১৯৪৩ সালে এক রোগীর শরীরে আরশোলা হেঁটে যাওয়ার পরেই তার শরীরে র্যাশ বেরিয়ে যায়। সেই প্রথম আরশোলা থেকে অ্যালার্জির ঘটনা জানাজানি হয়। ১৯৫৯ সালের পরীক্ষা করে আরশোলার এই ক্ষতিকারক দিক সন্মন্ধে নিশ্চিত হওয়া যায়। সত্তরের দশকে জানা যায়, আরশোলা ঘটিত অ্যালার্জি অচিরেই তীব্র হাঁপানিতে পরিণত হতে পারে।
লেখক বলেছেন: আপনাকেও ধন্যবাদ। টরোন্টোর সব বিল্ডিং গুলো আরশোলায় ভরা। নিউইয়র্কেও তাই দেখেছি। আমাদের বাচ্চারা এর মাঝেই বড় হচ্ছে। আল্লাহ ওদের এবং আমাদের সকলকে হেফাজত করুন।
লেখক বলেছেন: আমি আবার এতো ইমপর্টেন্ট হইলাম কবে থেইকা যে আমারে মাইনাস দেয়ার জন্য চিকন মিয়া আমার ব্লগ ভিজিট করতে আসছে?
মাইনাস একখান না হয় দিয়াই যাইতেন , এতো কস্ট কইরা আইলেন, মাইনাস না দিয়াই ফিরা গেলেন?
ফারজানা মাহবুবা বলেছেন:
আমি আরশোলার ছবি দেখে পোষ্টটাতে ঢুকিনি প্রথমে। কিন্তু আপনার নাম ক্লিক করে ঢুকে দেখি পোষ্টটা আপনার! আরশোলা আমার ভীষন ঘেন্না লাগে……ইইইইইইইইই! লেখক বলেছেন: ঘেন্না লাগলেতো হইতো। এখন তো দেখি রীতিমত বেঁচে চলতে হবে। বিশেষ করে বাচ্চাদের।
লেখক বলেছেন: হ সারওয়ার ভাই, তেলাপোকা ওদের নিক নেম। আরশোলা হইলো অফিসিয়াম নেম।
আবূসামীহা বলেছেন:
উত্তর আমেরিকায় আরশোলাগুলো খুব ছোট ছোট। ঝাঁকে ঝাঁকে থাকে। বড়্গুলোও আছে। কিন্তু সেগুলো খুব কম।বড়্গুলোকেও কেমন একটু ভয় লাগে। কিন্তু ছোট-ছোট দল-বাঁধাগুলো প্রচণ্ড ঘৃণার উদ্রেক ঘটায়। নিউ ইয়র্ক সিটি মারাত্বকভাবে ইনফেস্টেড এগুলো দিয়ে। এত দ্রুত এরা বংশ বিস্তার ঘটায়, যা বলার অপেক্ষা রাখেনা। এদের মেরে শেষ করা যায়না। মাঝে মাঝে মনে হয় ঘরে আগুন জ্বালিয়ে দেই, যাতে ঘর সমেত এগুলোও পুড়ে মরে।
লেখক বলেছেন: হুম, এগুলো বাংলাদেশের গুলোর চেয়েও মনে হয় মারাত্মক।
নেমেসিস বলেছেন:
বলেন দেখি আরশোলা বা তেলাপোকার সাথে একমাত্র কার তুলনা করা চলে??
লেখক বলেছেন: পারলাম না। বলে দিন।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ



















ধন্যবাদ।