আমার প্রিয় পোস্ট
- Beauty of Math!!! - নিয়ান্দার্থাল
- তিনদিনে পিএইচপি শিখুন (৩য় দিন) - মদন
- লিনাক্স-এ কি ভাবে C প্রোগ্রাম রান করাবেন - মো: আরিফুর রহমান (সি.এস.ই)
- Some important tips on PHP & MySQL - মশিউর রহমান মেহেদী
- সেলুনে চুল কাটার সময় সাবধান!!!!!!! - মুকুট
- শৈশবে একুশে ফেব্রুয়ারি - ইরতেজা
- “মানুষ খুঁজিয়া ফিরি জনতায়, মানুষ কই?” - ফারজানা মাহবুবা
- কম্পিউটারের কর্মদক্ষতা বাড়ানোর কয়েকটি টিপস্!!! - মুকুট
- গল্প: একটা সরল স্বপ্নের কথা (চতুর্থ অংশ) - জ্বিনের বাদশা
- কুর'আন, নারী ও শস্যক্ষেত্র, ইসলাম বিদ্বেষ ও আমার বিশেষ জ্ঞানী হওয়া। - আবূসামীহা
- ছি ছি! ইসলাম এতো খারাপ? - ফারজানা মাহবুবা
- একজন প্রেসিডেন্টের ইমেইল এবং আমাদের নেগেটিভ মনোভাব - শামসুজ্জামান সিদ্দিকী শাহীন
- লিনাক্স ডিরেক্টরি স্ট্রাকচার - আবুফয়সাল আহমেদ
- কবর - নুপুর
- ডিজিটাল প্রযুক্তিতে তথ্য সংরক্ষণ - নামিরা নাওয়ার
- আল্লাহ্ কে, তাঁর পরিচয় কি? তিনি দেখতে কেমন, তাঁর লিঙ্গ কি? - আবূসামীহা
পুলিশ ভেরিফিকেশন, সংস্কার ও ঘুষের নয়া রূপ-ফ্ল্যাক্সি!!!!
১৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ২:২৭
জরুরী কাজে পুলিশ ভেরিফিকেশন করাতে হবে।
আমি থাকি বাইরে। আব্বাকে বললাম। আব্বা থানায় গেলো। ওসি বললেন, আমাকে স্বশরীরে উপস্থিত হতে হবে না হ্য় স্থানীয় বাংলাদেশ হাইকমিশন থেকে লিখিত কিছু একটা আনতে হবে।
এ "লিখিত কিছু একটা" কি তা পরিস্কার করে বললোনা। আমি স্থানীয় বাংলাদেশ হাইকমিশনের ওয়েব পেজে গেলাম। কোন ইনফরমেশন পেলাম না। ১০০ ডলার খরচ করে হাইকমিশনে গেলাম।
সংশ্লিস্ট কর্মকর্তা বললেন, ২৫ ডলার আর পাসপোর্টের ফটোকপি জমা দেন। আমরা পাসপোর্টের ফটোকপি সত্যায়িত করে দিব। ওটা থানায় জমা দিলেই পুলিশ ভেরিফিকেশন পেয়ে যাবেন।
সকাল দশটায় ২৫ ডলার আর পাসপোর্টের ফটোকপি জমা দিলাম। বিকেল চারটায় পাসপোর্টের সত্যায়িত কপি ফেরত পেলাম।
কপিটা নিয়ে আব্বু গেলেন থানায়। ওসি বললেন হবেনা। আমাকে নাকি একটা দরখাস্ত লিখতে হবে সেটা বাংলাদেশ হাইকমিশন থেকে সত্যায়িত করে জমা দিতে হবে।
আব্বু বললেন একথা আগে বললেনা কেন? ওসি বললেন, কথা বেশি কইয়েন না। কাগজ নিয়ে আসেন নাইলে কাজ হবেনা।
আবার ১০০ ডলার খরচ করে যেতে হলো স্থানীয় বাংলাদেশ হাইকমিশনে। আবার ২৫ ডলার ফী। এবার দরখাস্ত সত্যায়িত করলেন উনি। আমার নস্ট হলো আরো একটি কর্ম দিবস।
আব্বু এবার দরখাস্ত নিয়ে গেলেন থানায়।
দরখাস্ত জমা নিলেন। ফী জমা দিলেন ২৫০ টাকা। কিন্ত্ত "সম্মানী" না দিলে কাজ হবেনা।
সংস্কারের সময়ে সম্মানী? সংশ্লিস্ট কর্মকর্তা বললেন, সরাসরি দেবেন না এতে প্লবলেম হতে পারে। অবশেষে আমার ছোটভাইকে বললেন ৬০০ টাকা ফ্ল্যাক্সি করেন আমার মোবাইলে।
ফ্ল্যাক্সি !!!! ঘুষের আধুনিক পদ্ধতি?
আমার ছোটভাই ফ্ল্যাক্সি করলো। অবশেষে আমার ফাইলো নড়লো।
এখনো অবশ্য ক্লিয়ারেন্স পাইনি। অপেক্ষায় আছি।
লেখক বলেছেন: কয়লা ধুইলে ময়লা যায়না।
লেখক বলেছেন: অভাবে স্বভাব নস্ট।
লেখক বলেছেন: ত্রুস ফায়ার মনে হ্য় না সমস্যার সমাধান করবে,
ফজল বলেছেন:
+
ফজল বলেছেন:
+
চিপা রংবাজ বলেছেন:
ওয়ান স্টপে কমপ্লেন করেন
লেখক বলেছেন: কিভাবে?
আহমাদ মুজতবা বলেছেন:
এই হারামির বাচ্চা পুলিশরা অনেক হ্যারাস করে। সব কয়টা ঘুষ খায়
লেখক বলেছেন: সবাই মনে হ্য় খায়না। অনেকে খায়।
এস্কিমো বলেছেন:
ঘুষ দেওয়া আর নেওয়া সমান। ঘুষ না দিয়ে চেষ্টা করতে পারতেন।
মুলত আইনের অস্পষ্টতাই পুলিশকে ঘুষ নিতে সুযোগ করে দেয়।
লেখক বলেছেন: আমার ছোটভাইয়ের কাজটা করা উচিত হয়নি। আমাকে জিজ্ঞেস না করেই ও টাকাটা ফ্ল্যক্সি করেছে। ও আবার ভয়ে আমাকে বলেনি। আমার বউরে বলেছে। ঘুষের নতুন রূপটা জেনে খুব অবাক হয়েছি। তাই সকলকে জানাতে এ পোস্ট।
চিপা রংবাজ বলেছেন:
হ । ঘুষ দেওয়া কৈলাম হারাম ।
লেখক বলেছেন: ঘুষ দেওয়া কৈলাম হারাম ।
এম.এ.হামিদ বলেছেন:
ফাজলামি গল্প আপনার প্রথম বার যাবার দরকার কি ছিল। কমিশনে তো ফোন করা যায়। পাসপোর্ট মেইলে পাঠানো যায়। আপনার কমিশনের গল্প সত্য নয়
লেখক বলেছেন: ফোন করা যেত। পাসপোর্ট মেইলে পাঠানো যেত। কিন্ত্ত আমার হাতে সময় ছিলোনা।
আপনি সত্য বলেন আর মিথ্যা বলেন তাতে তো যা ঘটেছে তা আর বদলাবে না।
যা ঘটেছে আমি তাই বলেছি ।
লেখক বলেছেন: আপনি আমার পুরো অবস্থা জানলে সত্য ঘটনাকে ফাজলামো বলতেন না।
আর ওয়েব সাইটে ইনফরমেশন গুলো আপডেট রাখতে ওদের প্রব্লেম কোথায়?
নেমেসিস বলেছেন:
নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা ।
লেখক বলেছেন: চিরন্তন সত্য কথা।
এম.এ.হামিদ বলেছেন:
আর ফ্লেকসিতে ঘুষ নেয়া মানে প্রমান বানানো। হেরা কেন পরমান বানানো
চির সবুজ বলেছেন:
আপনার কাজ হওয়ার পর ঐ পুলিশের নামে কমপ্লেন করুন সদর দফতরে।
মামু বলেছেন:
গুষ নেয়ার জন্য থানায় লিকিত অবিযোগ করেন
মাহবুব সুমন বলেছেন:
২৫০ টাকা ফি সোনালী ব্যাংকের ট্রেজারী চালানের মাধ্যমে দিতে হয়। থানায় তো সরাসুরি ক্যাশ টাকা নেয় না !! ব্যপারটা বুঝলাম না।একটা দরখাস্ত + পাসপোর্টের ফটোকপি + ২৫ ডলার মানি অর্ডার রিসিট হাইকমিশন বা এমবেসিতে জমা দিলে তারা সত্যায়িত করে দেয়। সেগুলো ও ট্রেজারী চালান থানায় জমা দিলে পুলিশ ভেরিফিকেইশন রিপোর্ট দেয়া হয়।
লেখক বলেছেন: ২৫০ টাকা ফি সোনালী ব্যাংকের ট্রেজারী চালানের মাধ্যমে দিয়েছি।
হাইকমিশনে আমাকে দুবার যেতে হয়েছে। কারণ হাইকমিশন দরখাস্ত লাগবেনা বলেছে।
প্রথম দিন ২৫ ডলার মানি অর্ডার দিয়ে পাসপোর্টের ফটোকপি সত্যায়িত করিয়েছি।
দ্বিতীয় দিন পুলিশ দরখাস্ত ছাড়া করবেনা বলায় আবার ২৫ ডলার মানি অর্ডার দিয়ে দরখাস্তটা সত্যায়িত করাতে হয়েছে।
মাহবুব সুমন বলেছেন:
এনিওয়ে ঘুষ দেয়া ও ঘুষ খাওয়া দুইটাই সমান অপরাধ/পাপ। ইসলামে তাই বলে। আপনিতো ইসলাম নিয়ে লেখালেখি করেন, তাই বল্লাম।
লেখক বলেছেন: সহমত। ঘুষ দেয়া ও ঘুষ খাওয়া দুইটাই সমান অপরাধ/পাপ।
আমার ভাই আমাকে জানালে তাকে মানাই করতাম।
ও কাজটা ঠিক করেনি।
লেখক বলেছেন: আপনিতো মাইনাস দেবার কথা ছিল।
মাহবুব সুমন বলেছেন:
হাইকমিশন বা এমবেসীগুলোতে ফোন করে তেমন একটা লাভ না হলেও , যদি অনেক দূরে থাকেন তবে ফোন করে বিস্তারিত জেনে গেলে ভালো হয়।
আবূসামীহা বলেছেন:
ক্লিয়ারেন্স কি পেয়েছেন এখন?
ওয়ালী বলেছেন:
ফ্ল্যাক্সির কথা শুনছিলাম আমাদের সাইমুমের কাছে। সে দেশে গেছিলো তার বাবার জমির পর্চা বেড় করতে। সংশ্লিষ্ট ব্যাক্তি তার ওয়াইফের নম্বর দিয়ে বললেন ১০০০ টাকা ফ্ল্যাক্সি করতে। বেটার ওয়াইফ আবার ফোনে রিকনফ্রাম করার পরে কাজ নাকি হইছিলো।।। কত অভিনব কায়দা যে শুরু হইছে।



















হায়রে আমার ফকির উদ্দিনের দেশ!