আমার প্রিয় পোস্ট
- Beauty of Math!!! - নিয়ান্দার্থাল
- তিনদিনে পিএইচপি শিখুন (৩য় দিন) - মদন
- লিনাক্স-এ কি ভাবে C প্রোগ্রাম রান করাবেন - মো: আরিফুর রহমান (সি.এস.ই)
- Some important tips on PHP & MySQL - মশিউর রহমান মেহেদী
- সেলুনে চুল কাটার সময় সাবধান!!!!!!! - মুকুট
- শৈশবে একুশে ফেব্রুয়ারি - ইরতেজা
- “মানুষ খুঁজিয়া ফিরি জনতায়, মানুষ কই?” - ফারজানা মাহবুবা
- ওয়েব সার্চ টিপস: গুগুলে ফাইল খুঁজতে খুঁজতে হয়রান? - ত্রিভুজ
- কম্পিউটারের কর্মদক্ষতা বাড়ানোর কয়েকটি টিপস্!!! - মুকুট
- গল্প: একটা সরল স্বপ্নের কথা (চতুর্থ অংশ) - জ্বিনের বাদশা
- কুর'আন, নারী ও শস্যক্ষেত্র, ইসলাম বিদ্বেষ ও আমার বিশেষ জ্ঞানী হওয়া। - আবূসামীহা
- ছি ছি! ইসলাম এতো খারাপ? - ফারজানা মাহবুবা
- একজন প্রেসিডেন্টের ইমেইল এবং আমাদের নেগেটিভ মনোভাব - শামসুজ্জামান সিদ্দিকী শাহীন
- লিনাক্স ডিরেক্টরি স্ট্রাকচার - আবুফয়সাল আহমেদ
- কবর - নুপুর
- ডিজিটাল প্রযুক্তিতে তথ্য সংরক্ষণ - নামিরা নাওয়ার
- আল্লাহ্ কে, তাঁর পরিচয় কি? তিনি দেখতে কেমন, তাঁর লিঙ্গ কি? - আবূসামীহা
ইসলাম : নারী উন্নয়নের প্রবর্তক।
১৩ ই মার্চ, ২০০৮ ভোর ৪:৪১
ইসলাম নারী উন্নয়নের বিরোধী নয়, প্রবর্তক। নারীদের যখন কোনো অধিকার ছিল না, ইসলাম সে সময়ে নারীদের অধিকার প্রতিষ্ঠা ও নিশ্চিত করেছে।
ইসলামি অনুশাসনে নারী আলাদা সত্তা, যেমন পুরুষ। তার জন্ম-মৃত্যু, অস্তিত্ব, আদালতে-আখিরাতের হিসাব-নিকাশ এবং ইসলামি অনুশাসনের সব নিয়ম সমানভাবে প্রযোজ্য। এটি নারীর মত প্রকাশের এখতিয়ার থেকে স্বামী বেছে নেয়া পর্যন্ত বিস্তৃত। নিজস্ব সম্পত্তি রাখা থেকে হস্তান্তর ও ভোগ পর্যন্ত প্রলম্বিত। শুধু আচরণ বিধিটি শরিয়তসম্মত হওয়া জরুরি। শরিয়ত নারী-পুরুষের জন্য পৃথক নয়। ক্ষেত্র এবং দায়গত ফারাক ছাড়া ইসলাম মানবিক সত্তায় নারী-পুরুষ, ধর্ম-গোত্র, জাত-পাত স্বীকার করে না।
পৌত্তলিক ধর্ম বিশ্বাসে নারী অবমূল্যায়িত হয়। কখনো নারী এক ধরনের প্রাণী, কখনো এরা দেবী, কখনো দেবদাসী, আবার কখনো ঈশ্বরসৃষ্ট নরকের কীট। নীচ হীন এবং ভোগ্যপণ্যের মতো ভোগের সামগ্রী। জাতপাতে নিষ্পেষিত নারীসত্তা এমন এক ধরনের সৃষ্টি তার অস্পৃশ্যতায় ও ছলনার কারণে ঈশ্বরও তার চরিত্র বুঝতে অক্ষম। ইসলাম এসব কূধারণার শেকড়সুদ্ধ উপড়ে ফেলার কথা বলেছে।
পৌত্তলিক ধর্ম বিশ্বাস নারীকে সম্পত্তির উত্তরাধিকার দেয়নি। তাই কন্যাদায়গ্রস্ত পিতা বা অভিভাবক যৌতুক, পণ বা উপঢৌকনের নামে এককালীন মোটা অঙ্কের দায়সহ মেয়েকে স্বামী দেবতার কাছে সঁপে দেন। ইসলামে এসব কুসংস্কার, ভ্রান্ত বিশ্বাসজনিত লোকাচার ও বিশ্বাসের কাছেও ঘেঁষতে দেয় না।
ইসলামে স্বীকৃত নারীর অধিকারগুলো ব্যাখ্যা করতে চাইলে বলা যায়,
ক. জন্মগতভাবে নারী-পুরুষ অভিন্ন এবং একই মর্যাদাসম্পন্ন মানব সত্তা।
খ. নর-নারীর শাস্তিত্ম এবং পুরস্কার আল্লাহর কাছে একই পাল্লায় বিবেচ্য।
গ. উভয়ের জন্য শিক্ষা ফরজ, জ্ঞানার্জনের ক্ষেত্রে কোনো বৈষম্যের সুযোগ নেই।
ঘ. নর-নারী উভয়ই মত প্রকাশের ক্ষেত্রে স্বাধীন।
ঙ. নারীর অভিমত নেয়ার ক্ষেত্রে নারী বলে কোনো ধরনের পূর্বধারণা লালন করা যায় না।
চ. নাগরিক ও সামাজিক কাজে নারী-পুরুষের অংশগ্রহণে পূর্ণ এবং শর্তহীন জীবনধারার নিশ্চয়তা রয়েছে।
ছ. নারীর নিজস্ব ব্যবসায়-বাণিজ্য করার অধিকার রয়েছে।
জ. একই ধরনের শ্রম ও কাজের জন্য একই মানের বেতন-ভাতা পাওয়ার নিশ্চয়তা রয়েছে।
ঝ. নিজস্ব সম্পত্তির মালিকানার পূর্ণ এখতিয়ার রয়েছে।
ঞ. স্বামী হিসেবে কাউকে মেনে নেয়ায় নারী স্বাধীন এবং অভিমত তার দিক থেকে চূড়ান্ত বিবেচিত হবে।
ট. স্বামীর কাছ থেকে আর্থিক সহযোগিতা পাওয়ার নিশ্চয়তার আগে বাবার কাছ থেকে, কিংবা বড় ভাইয়ের কাছ থেকে সেই নিশ্চয়তা পাবে। এ ধরনের পারিবারিক নিশ্চয়তা না থাকলে রাষ্ট্র তার দায়িত্ব বহন করবে।
ঠ. বিয়ের পর স্বামীর নামের লেজুড়বৃত্তি কোনো ইসলামি বিধান নয় বরং নারী সব সময় স্বনামেই পরিচিত হওয়ার পূর্ণ এখতিয়ার রাখে।
ড. কার্যকারণ থাকলে নারী স্ব-উদ্যোগে তালাক চাওয়ার অধিকার ও তালাক পাওয়ারও মহিলার পূর্ণ নিরাপত্তার গ্যারান্টি রয়েছে।
ঢ. সন্তানের দায় পিতা বহন করতে বাধ্য, এমনকি বিবাহ বিচ্ছেদের পরও।
ণ. উত্তরাধিকার সূত্রে সম্পত্তি পাওয়ার পূর্ণ নিশ্চয়তা রয়েছে। একজন পুরুষ উত্তরাধিকার আইনে বাবা-মায়ের দিক থেকে অর্থসম্পদ পেতে পারেন, কিন্তু একজন নারী বাবা মায়ের দিক থেকে এবং স্বামী উভয় দিক থেকে উত্তরাধিকার বিধিসম্মত অর্থসম্পদের উত্তরাধিকারী হতে পারেন। এটি করুণা কিংবা দয়া নয়, নারীর স্বীকৃত ও প্রাপ্য অধিকার।
ত. ‘আদিপাপ’ বলে যে ধারণা কোনো কোনো সম্প্রদায় লালন করে এবং এর দায় নারীর ওপর আরোপ করে সে ক্ষেত্রে ইসলাম এমন কোনো ধারণাও স্থান দেয় না।
থ. দেনমোহর পাওয়ার নিশ্চয়তা দেয়া হয়েছে, বিবাহ বিচ্ছেদ ঘটলেও নারী স্বামীর কাছ থেকে প্রতিশ্রুত দেনমোহরের পূর্ণ হকদার। রাসূল সাঃ-এর যুগে আরবে ‘দেনমোহর’ তথা স্বামীর পক্ষ থেকে স্ত্রীকে প্রদেয় বাধ্যতামূলক অর্থসম্পদ দেয়ার প্রথা চালু ছিল। কিন্তু বিয়েতে নারীর সম্মতিকে প্রয়োজন বিবেচনা করা হতো না এবং দেনমোহর স্ত্রী অধিকার স্বীকৃত ছিল না। বরের প্রদত্ত অর্থসম্পদ মেয়ের অভিভাবকরা তথা পিতা, ভাই, চাচা, মামারা ভোগ করত।
রাসূলুল্লাহ সাঃ দেনমোহরকে বিয়ের শর্ত এবং স্বামীর পক্ষ থেকে স্ত্রীকে প্রদত্ত অর্থসম্পদে স্ত্রীর অধিকার নিশ্চিত করে দিলেন। এর অর্থ ইসলামে পণ ও যৌতুক নামের কোনো জুলুম বা বাধ্যতামূলক দায়বদ্ধ রেওয়াজ বা প্রথার কোনো সুযোগ নেই।
উল্লেখ্য, ইসলাম সাধারণভাবে পাঁচটি মৌলিক খাত থেকে সম্পদ অর্জন এবং মালিকানার শর্ত স্বীকার করে।
ক. শ্রমের বিনিময়ে অর্জিত অর্থসম্পদ।
খ. শ্রমিক খাটিয়ে বা বিনিয়োগ পদ্ধতিতে প্রাপ্ত অর্থসম্পদ।
গ. উত্তরাধিকার সূত্রে পাওয়া ধনসম্পত্তি।
ঘ. রাষ্ট্র বা খেলাফতের প্রদত্ত মৌল চাহিদা তথা অন্ন, বস্ত্র, শিক্ষা, চিকিৎসা, বাসস্থান প্রভৃতি পূরণের জন্য দেয় বা পাপ্য অর্থসম্পদ।
ঙ. দান, সাদাকা, উপহার, জাকাত বা অন্য কোনোভাবে পাওয়া পুরস্কৃত সহায়-সম্পদ ও অর্থ।
এই পাঁচটি মৌলিক খাতের সাথে শর্ত হচ্ছে দুটো,
১। শ্রম-মেধা অর্থসম্পদ সবই আল্লাহর পক্ষ থেকে প্রদত্ত নেয়ামত। বান্দা শুধু আমানতদার।
২। উপায়, উৎস ও প্রক্রিয়া বৈধ বা হালাল হতে হবে। ভালো কাজটি খারাপ পদ্ধতিতে, কিংবা খারাপ কাজ ভালো পদ্ধতিতে ও অবৈধ সম্পত্তির মালিক হওয়ার অবকাশ নেই। অন্যের সম্পদ জোর করে কিংবা বাধ্যগত শর্ত আরোপ করে আত্মসাৎ করার কোনো নিয়ম ইসলাম রাখেনি।
এই পাঁচটি খাতের মধ্যে সব ধরনের বৈধ পেশা এবং উৎস খুঁজে পাওয়া যাবে। এর বাইরে একজন নারী আরেকটি বাড়তি খাত থেকে অর্থাৎ ষষ্ঠ খাত থেকে সহায়-সম্পদের ও অর্থবিত্তের মালিকানা অর্জন করতে পারে। সেটি ‘দেনমোহর’। এ ছাড়া স্বামীর পক্ষ থেকে নারীর সম্মান ও মর্যাদার স্বীকৃতিস্বরূপ প্রদত্ত অলঙ্কার, স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তি ও অর্থ।
নারীর পণ্যমান, পশ্চিমা বস্তুবাদী সংস্কৃতির কুপ্রভাব, আকাশ সংস্কৃতির কারণে যৌনাচার এখন সহজলভ্য। ভোগবাদ ও পুঁজিবাদের ধনিক ও বণিকতন্ত্র নারীকে উপভোগ্য করে বাজারজাত করছে। ফলে আমাদের বিশ্বাসের ফাটল দিয়ে, বেকারত্বের সুযোগে নারীসত্তার অবমূল্যায়ন অনেকগুলো পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার জন্ম দিয়েছে। এর ফাঁক দিয়ে প্রবেশ করেছে ভোগবাদী-বস্তুবাদী মানসিকতা। এর প্রতিক্রিয়ায় আমাদের পরিবার প্রথার বন্ধন টুটে যাচ্ছে। নারী নির্যাতন, নিপীড়ন অজস্র গুণ বেড়ে গেছে। কোনো কোনো সুবিধাবাদী মুসলিম নামধারী কালো টাকার মালিক, অসৎ উপায়ে উপার্জিত অর্থগৃধ্নুরা টাকার বিনিময়ে বর কিনছে। নিজস্ব কৌলীন্য প্রকাশের ধারায় স্বীয় কন্যার জন্য দু’হাতে অর্থবিত্ত খরচ করছে। উপঢৌকনের কথা বলে গাড়ি, বাড়ি, গয়না, চাকরি, সুযোগ-সুবিধা ধরিয়ে দিচ্ছে। উপরতলায় পরিবার প্রথার ভাঙন এবং নৈতিক স্খলন এখন উচ্চবিত্তের মাঝে এসব এক ধরনের বিকৃতি-বিকার। এ ব্যাপারে ইসলামের অবস্থান অনেক বেশি মানবিক ও যুক্তিগ্রাহ্য।
সততার আলো বলেছেন:
Wonderful. WonderFul. wonderful.Wonderful. WonderFul. wonderful.Wonderful. WonderFul. wonderful.Wonderful. WonderFul. wonderful.Thank you for this post....
১৯৭১ আমার চেতনা বলেছেন:
Wonderful.
উম্মু আবদুল্লাহ বলেছেন:
অসম্ভব ভালো হয়েছে। ধন্যবাদ।
ক্যালী বলেছেন:
ইসলামে নারীর অধিকার পুরুষের সমান হলে সম্পত্তি ভাগে ছেলে-মেয়ে সমান ভাগে ভাগ করার কথা নেই কেন?
লেখক বলেছেন: ইসলামে নারীর অধিকার পুরুষের সমান এ কথাটা ভুল। বরং সঠিক কথাটা হবে, ইসলাম নারী ও পুরুষের যথাযথ ন্যায্য অধিকার দিয়েছে।
প্রয়োজন মতো কখনো নারীকে বেশী অধিকার দেয়া হয়েছে, কখনো পুরুষকে বেশী অধিকার দেয়া হয়েছে। কখনো সমান দেয়া হয়েছে। এখানে বেশী, কম, সমান বিবেচ্য না। বিবেচ্য হলো প্রাপ্য অধিকার যথাযথভাবে দেয়া। ইসলাম সেটাই নিশ্চিত করেছে।
সম্পত্তির কথাই ধরুন না কেন?
১। ছেলেদের দায়িত্ব হলো বিয়ের সময় মোহরানা দিতে হবে। এটা ভিক্ষা নয়, মেয়েদের অধিকার। স্ত্রীকে কিন্তু স্বামীকে কিছু দিতে হবেনা।
২। স্ত্রীর ভরণ পোষনের সব দায়িত্ব স্বামীর। স্ত্রী যদি আয় রোজগার করে তারপরেও তার আয় থেকে স্বামীকে এক পয়সাও দিতে বাধ্য নয়।
৩। সন্তানের ভরণ পোষণের দায়িত্বও বাবার। এক্ষেত্রে মা সম্পদশালী হলেও সন্তাদের ভরণপোষণ দিতে তিনি বাধ্য নন।
৪। স্বামীর মৃত্যুর পর একজন ছেলে সন্তান সম্পত্তির যতটুকু পাবে স্ত্রী পাবে তার অর্ধেক। আবার বাবার মৃতুর পর একজন ভাই যতটুকু পাবে বোন হিসেবে তিনি পাবেন তার অর্ধেক।
সুতরাং দেখা গেল, আমি ছেলে হিসেবে আমার বাবা থেকে যখন যা সম্পত্তি পাচ্ছি আমার বোন পেল তার অর্ধেক। আবার আমার বোন তার স্বামী থেকে পাবে অর্ধেক। দুই হাফ মিলে সে পেল এক। আমি বাবা থেকে পেলাম এক। দুজনেই আসলে পুরো এক ভাগ পেলাম। যেটা সমানাধিকার। কিন্তু আমার বোন যে তার স্বামী থেকে মোহরানা ও ভরণ পোষণ পাচ্ছে সেটা আমি পাচ্ছিনা বরং আমাকে আমার স্ত্রীকে মোহরানা দিতে হয়েছে, আজীবন তার ভরণ পোষণ আমাকেই করতে হচ্ছে, তার উপর সন্তানরা তো আছেই।
এবার বলুন প্রাপ্তির সময় আমি ও আমার বোন যখন সমান, কিন্তু ব্যয়ের সময় আমার দায়িত্ব ও ব্যয় অনেক বেশী। তাহলে আমার বোনটি ঠকলো কোথায়?
কেউ কি জবাব দেবেন প্লীজ?
বৃত্ত বলেছেন:
thanks.+
হলদে ডানা বলেছেন:
অত্যন্ত চমৎকার একটি রচনা। +
মাহমুদ রহমান বলেছেন:
একসেলেন্ট............ কর্তৃপক্ষের কাছে অনুরোধ এই পোস্টকে স্টিকি করা হোক।
ইলা বলেছেন:
ইসলামে পুরুষ - নারীর অধিকার সমান নয় বরং বেশী দিয়েছে। সম্পত্তির ক্ষেত্রে নারীরা বাবার অংশ থেকে একতৃতীয়াংশ পান, স্বামীর অংশ থেকেও পেয়ে থাকেন। বিবাহের সময় স্বামীর কাছ থেকে দেনমোহর বা সম্মানী পেয়ে থাকেন। আর এই দেনমোহরকে ইসলামে ফরজ করা হয়েছে। যা স্বামী তার স্ত্রীকে বাসর রাতেই পরিশোধ করতে বাধ্য। সরকারী চাকুরীজিবী স্বামীর মৃতুর পরে স্ত্রী আজীবন পেনশন ভোগ করে থাকেন। এক্ষেত্রে সরকারী চাকুরীজীবি স্ত্রীর অবর্তমানে স্বামী পেনশন পাবেন না। কোন পুরুষ স্ত্রীর সম্পত্তির অংশিদারিত্ত পাবেন না। অন্যকোন ধর্মে নারীদের এতো সম্মান দেওয়া হয়েছে কি না জানি না। বিশেষ করে মহরানার বিষয়টি।
আর আজ যারা সমান অধিকারের কথা বলছেন, হলফ করে বলেন তো ক`জন আছেন যারা বিবাহের সময় স্ত্রীর দেনমোহর পরিশোধ করেছেন? শতকরা একজনও হবেন কি না সন্দেহ আছে।
আমার খুব হাসি পায় লুঙ্গি, সিগারেট, সিমেন্ট ইত্যাদি দ্রব্যসামগ্রির বিজ্ঞাপনে নারীদের কিভাবে উপস্থাপন করা হয়। যেখানে নারীদের উপস্থিতির কোন দরকার নেই। নারীদের এখানে সম্পূর্ণ পণ্য হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছ।আজ আপনারাই সমান অধিকারের কথা বলছেন।
সজীব১৬১২ বলেছেন:
এই পোস্টকে স্টিকি করা হোক।+
সামী মিয়াদাদ বলেছেন:
স্বামীর কাছ থেকে আর্থিক সহযোগিতা পাওয়ার নিশ্চয়তার আগে বাবার কাছ থেকে, কিংবা বড় ভাইয়ের কাছ থেকে সেই নিশ্চয়তা পাবে। এ ধরনের পারিবারিক নিশ্চয়তা না থাকলে রাষ্ট্র তার দায়িত্ব বহন করবে। নারী কি নিজের নিশ্চয়তা নিজে দিতে পারেনা? নিজের দায়িত্ব কি নিজে নিতে পারেনা? এখানেই তো চরম বৈষম্য দেখি?
আলাদা সত্ত্বা বুঝলাম, কিন্তু এই কথা দিয়েতো সেটা খারিজ হয়ে যাচ্ছে দেখি?
লেখক বলেছেন: নারী তার উপার্জন ও ব্যয়ের ব্যাপারে সম্পূর্ণ স্বাধীন। কিন্তু পুরুষ তার ব্যায়ের ব্যাপারে স্বাধীন না। তার দায়িত্ব হলো স্ত্রী ও সন্তানদের ভরণপোষন করা।
স্ত্রী যদি সম্পদশালী হয় আর স্বামী থেকে ভরণপোষন না নেয় তাতে ইসলাম বাধা দেইনি।
কিন্তু এমন যদি হয়, স্বামী মারা গেছেন, স্বামী অসুস্থ কিংবা পংগু, সংসার চালাতে পারেনা, স্ত্রীর পক্ষেও সংসারের ঘানি টানা অসম্ভব। তখন রাস্ট্রের দায়িত্ব এ নারী ও সংসারের টেক কেয়ার করা।
একে ৪৭ বলেছেন:
ভাল লাগল
লেখক বলেছেন: থ্যানকস। কোন ছাগল? রাম ছাগল না বাম ছাগল? নাকি দুটোই?
স্করপিয়ন্স বলেছেন:
"নারীদের যখন কোনো অধিকার ছিল না, ইসলাম সে সময়ে নারীদের অধিকার প্রতিষ্ঠা ও নিশ্চিত করেছে।"
নারীদের অধীকার সে সময় নাই থাকলে ইসলামের প্রফেট একজন ধনবান ব্যবসায়ী নারীর অধীনে কর্মচারী হিসাবে কাজ করতেন কিভাবে?
লেখক বলেছেন: গুড কোশ্চেন।
ভাইজান তার আগে কনতো দেহি,
বাংলাদেশে খালেদা হাসিনা পরধান মন্ত্রী ছিল বইলা নারীদের অধিকার প্রতিস্ঠা ও নিশ্চিত হয়ে গেছে?
নাকি হিলারী প্রেসিডেন্ট প্রার্থী হইছে দেইখাই আমেরিকায় নারী অধিকার প্রতিস্ঠা ও নিশ্চিত হয়ে গেছে?
লেখক বলেছেন: কারন নারীর প্রতি দুর্বল পুরুষের চোখ ও মন নামাজের পরিবর্তে নারী ইমামের প্রতি নিবদ্ধ থাকিবে।
একটা কথা কনতো ভাই,
একটা তরুনীর পেছনে যদি একটা অচেনা ছেলে হাঁটতে থাকে তরুনীটি কেমন ফীল করে?
একটা তরুণের পেছনে যদি একটি সু্ন্দরী অচেনা হাঁটতে থাকে তরুণটি কেমন ফীল করে?
স্করপিয়ন্স বলেছেন:
ণ. উত্তরাধিকার সূত্রে সম্পত্তি পাওয়ার পূর্ণ নিশ্চয়তা রয়েছে। একজন পুরুষ উত্তরাধিকার আইনে বাবা-মায়ের দিক থেকে অর্থসম্পদ পেতে পারেন, কিন্তু একজন নারী বাবা মায়ের দিক থেকে এবং স্বামী উভয় দিক থেকে উত্তরাধিকার বিধিসম্মত অর্থসম্পদের উত্তরাধিকারী হতে পারেন। এটি করুণা কিংবা দয়া নয়, নারীর স্বীকৃত ও প্রাপ্য অধিকার।
স্ত্রীর সম্পতি কি স্বামীরা পাইনা?
লেখক বলেছেন: না বানানো না। ঠিক মতো পইড়া দেখেন। নারী শস্য ক্ষেত্র এ নিয়ে আবু সামীহার পোস্ট টি পড়ার অনুরোধ করবো।
মোস্তাফিজ রিপন বলেছেন:
একজন মন্তব্য করেছেন-সরকারী চাকুরীজিবী স্বামীর মৃতুর পরে স্ত্রী আজীবন পেনশন ভোগ করে থাকেন। এক্ষেত্রে সরকারী চাকুরীজীবি স্ত্রীর অবর্তমানে স্বামী পেনশন পাবেন না।..
এটি খুব সম্ভবত কোন ইসলামী বিধান নয়।
লেখক কি জানাতে পারবেন-
* অবিবাহিত নারীদের ক্ষেত্রে সম্পদের বন্টন কতটুকু ন্যায় সঙ্গত?
*নারী অধিকার সংক্রান্ত যে ইসলামী বিধানের কথা এখানে বলা হয়েছে সেগুলো মূলতঃ শরিয়া আইন। শরিয়া আইন কি ইসলামী আইন?
* সম্পদের সমবণ্টনে নারী কতটুকু ক্ষতিগ্রস্ত হয়?
লেখক বলেছেন: অবিবাহিত নারীদের ক্ষেত্রে সম্পদের বন্টন কতটুকু ন্যায় সঙ্গত নয় কিভাবে সেটা জানালে আমি উত্তর নিয়ে আসব ইনশা আললাহ।
আপনার মতে ইসলামী আইন ও শরীয়া আইনের পারথক্য টা কি? আমরা কিন্তু কুরআন সম্পদের যে বন্টন নীতি দিয়েছে তা নিয়ে কথা বলছি। কুরআনের আইন কি শরীয়া আইন না কি ইসলামী আইন বলেনতো দেখি।
ইসলাম সম্পদের সমবন্টনে কথা বলেনা। সুষম বন্টনের কথা বলে।
জাহিদ সোহাগ বলেছেন:
দেন মোহর ব্যাপারটাই নারীর পক্ষে লজ্জাজনক। িদ্বমত থাকলে মেইল কইরেন
লেখক বলেছেন: সম্মানজনক কোনটা একটু কইয়া যাইবেন?
এ দাবীটা নারীবাদিরা করলে ভালো শোনাতো।
নতুন বলেছেন:
কেউ কি... একটা হিসেব দিতে পারেন... যে যদি বাবার ১০০টাকার সম্পত্তি থাকে... এবং স্বামীর ১০০টাকা এবং ভাইরা যখন বিবাহ করবেন তখন তাদের স্ত্রীররা) এই একই রকম পরিবারের সদস্য( বাবার ১০০টাকা এবং দুই ভাই আছে) থেকে এসেছে...
তবে.. দুই ভাই এক বোন এর পরিবারে ... ভাই এবং বোন .. কত করে ভাগ পাবে...
যদি কারো জানা থাকে.. তবে হিসাব টা দিলে.. বুঝতে সুবিধা হতো...
ফজল বলেছেন:
এমন একটি লেখার জন্য আল্লাহ্ আপনাকে সর্বোত্তম প্রতিদান দিন @ নাবিক।কর্তৃপক্ষের প্রতি অনুরোধ: লেখাটিকে স্টিকি করুন।
ওবায়েদ বলেছেন:
এই পোষ্ট স্টিকি করা হোক।
ইয়র্কার বলেছেন:
এই পোষ্টের জন্য একটি মাইনাসসহ ৫ রিয়াল বরাদ্দ হইল।ব্লগসমাজকে একজন ছাগল ব্লগার চিনাইবার জন্য এ পোষ্ট স্টিকি করা হোক।
হলদে ডানা বলেছেন:
"ইসলামে পুরুষ - নারীর অধিকার সমান নয় বরং বেশী দিয়েছে। . . ." - ইলা তো দেখি আসল কথা বলে ফেলেছেন। তারপরও কি অন্ধদের চোখ খুলবে? স্টিকি করা হোক।
সিন-লাম-মীম বলেছেন:
১৪ ই মার্চ, ২০০৮ রাত ১২:২২ হলদে ডানা বলেছেন: "ইসলামে পুরুষ - নারীর অধিকার সমান নয় বরং বেশী দিয়েছে। ¬¬¬¬¬¬¬¬¬¬¬¬¬¬¬¬¬¬¬¬¬¬¬¬¬¬¬¬¬¬¬¬¬¬¬¬¬¬
মানি না, মানবো না!
লেখক বলেছেন: মাইনেন না। আপনি মানবেন না বলে কি সত্য মিথ্যা হয়ে যাবে?
উম্মু আবদুল্লাহ বলেছেন:
নাবিক, এরকম পোস্টের জন্য লাল গোলাপের শুভেচ্ছা। বিরোধীরা আপনাকে কাবু করতে পারে নি। কমেন্ট পড়লে বোঝা যায়।
স্করপিয়ন্স বলেছেন:
"লেখক বলেছেন: কারন নারীর প্রতি দুর্বল পুরুষের চোখ ও মন নামাজের পরিবর্তে নারী ইমামের প্রতি নিবদ্ধ থাকিবে।
একটা কথা কনতো ভাই,
একটা তরুনীর পেছনে যদি একটা অচেনা ছেলে হাঁটতে থাকে তরুনীটি কেমন ফীল করে?
একটা তরুণের পেছনে যদি একটি সু্ন্দরী অচেনা হাঁটতে থাকে তরুণটি কেমন ফীল করে? "
আপনার মত এত কম বুদদি ওয়ালা মানুষ গুলা ইসলাম ইসলাম বইলা চিল্লাই বইলাই ইসলামের আজ এই দুরাবস্থা
স্কুল কলেজ বা বিশ্ববিদ্যালয়ে কি কখনো কোনো নারী শিক্ষকের ক্লাস করেছেন? মাদ্রাসায় শিক্ষিত না হলে কমপক্ষে ১ বা ২ জন নারী শিক্ষকের ক্লাস করার কথা,
সেই শিক্ষকের দিকে কি আপনি কামুক দৃষ্টি নিয়া তাকাতেন ,না তিনি কি শিক্ষা দিচ্ছেন তাতে মনোনিবেশ করতেন।
কোন নারী ইমামতী করলে পুরুষরা তার দিকে বদ নজর দিবে এরম চিন্তাভাবনা আপনাদের মত বিকৃতমনস্ক এবং না বুঝে ইসলামের ভালো করতে যেয়ে উল্টো ক্ষতি করা পাবলিকের মাথাতেই আসতে পারে
লেখক বলেছেন: হাসাইলেন। বিশ্ববিদ্যালয়ে আমাদেরও যাওয়ার সুযোগ হয়েছে। সুন্দরী প্রফেসর হলে কিছু কিছু ছাত্রের ফোকাস তাদের অজান্তেই কোথায় থাকে তা কম বেশী আপনার অজানা থাকার কথা নয়।
এক প্রফেসরের কথা মনে পড়ে। বিব্রত হয়ে তিনি ছেলেটিকে বললেন এই এমন করে কি দেখছো? ছাত্ররাও ছিল ত্যাদর। লজ্জা শরমের মাথা খেয়ে বললো, আপনারে দেখছি ম্যাডাম। আমরাতো সবাই বেকুব। টিচার যেন ভ্যাবাচ্যাকা খেয়ে গেলেন। স্মার্ট টিচার পরিস্থিতি সামলে নিলেন ঠিকই, ঐদিনই ছাত্রটি শোকজ খেল।
এতো গেলো সামনা সামনির ব্যাপার। টিচার পেছন ফিরে বসলে কি অবস্থা হবে বলুন তো। আর তিনি যদি হন ইমাম।
চিটি (হামিদা আখতার) বলেছেন:
ভালো লেখার জন্য ধন্যবাদ
উম্মে হানী বলেছেন:
প্রিয় পোস্টে যোগ করলাম অসাধারণ লিখাটা!



















+