আমার প্রিয় পোস্ট
- Beauty of Math!!! - নিয়ান্দার্থাল
- তিনদিনে পিএইচপি শিখুন (৩য় দিন) - মদন
- লিনাক্স-এ কি ভাবে C প্রোগ্রাম রান করাবেন - মো: আরিফুর রহমান (সি.এস.ই)
- Some important tips on PHP & MySQL - মশিউর রহমান মেহেদী
- সেলুনে চুল কাটার সময় সাবধান!!!!!!! - মুকুট
- শৈশবে একুশে ফেব্রুয়ারি - ইরতেজা
- “মানুষ খুঁজিয়া ফিরি জনতায়, মানুষ কই?” - ফারজানা মাহবুবা
- ওয়েব সার্চ টিপস: গুগুলে ফাইল খুঁজতে খুঁজতে হয়রান? - ত্রিভুজ
- কম্পিউটারের কর্মদক্ষতা বাড়ানোর কয়েকটি টিপস্!!! - মুকুট
- গল্প: একটা সরল স্বপ্নের কথা (চতুর্থ অংশ) - জ্বিনের বাদশা
- কুর'আন, নারী ও শস্যক্ষেত্র, ইসলাম বিদ্বেষ ও আমার বিশেষ জ্ঞানী হওয়া। - আবূসামীহা
- ছি ছি! ইসলাম এতো খারাপ? - ফারজানা মাহবুবা
- একজন প্রেসিডেন্টের ইমেইল এবং আমাদের নেগেটিভ মনোভাব - শামসুজ্জামান সিদ্দিকী শাহীন
- লিনাক্স ডিরেক্টরি স্ট্রাকচার - আবুফয়সাল আহমেদ
- কবর - নুপুর
- ডিজিটাল প্রযুক্তিতে তথ্য সংরক্ষণ - নামিরা নাওয়ার
- আল্লাহ্ কে, তাঁর পরিচয় কি? তিনি দেখতে কেমন, তাঁর লিঙ্গ কি? - আবূসামীহা
ফুল ফুটুক আর নাইবা ফুটুক আজি বসন্ত।
২১ শে মার্চ, ২০০৮ বিকাল ৫:৫০
"ফুল ফুটুক আর নাইবা ফুটুক আজি বসন্ত।"
আজ বিশে মার্চ। অফিসিয়ালি কানাডায় এ বছরের বসন্তের প্রথম দিন।
কিন্তু বসন্তের সে কাঙ্খিত ফুল ফোটেনি কানাডায় আজ , কবে ফুটবে জানেওনা কেউ।
এখনো মেলেনি দেখা বসন্তের মৃদু সমীরণের। ডাকেনি কোকিল গাছে-গাছে।
বরং সম্ভাব্য বন্যার অজানা আশন্কায় কাঁপছে কানাডাবাসী।
চারিদিকে সাদা সাদা বরফ পাহাড়। এখনো সফেদ চাদর মুড়ি দিয়ে শীতকোলে ঘুমে অচেতন প্রকৃতি। কিন্তু আবহাওয়াবিদরা ধারণা করছেন, যে কোন সময় বরফের সাদা খোলস ছেড়ে বেরিয়ে আসতে বেপরোয়া হয়ে উঠবে প্রকৃতি। আড়মোড়া ভেংগে হুড়মুড় করে জেগে উঠবে। তখনি যত বিপত্তি হতে পারে। হঠাৎ গলা বরফের পানিতে প্লাবিত হতে পারে নিম্নাঞ্ঝল, ভেসে যেতে পারে মানুষের বসতবাড়ী, তলিয়ে যেতে পারে পুরোনো শহরগুলোর পথ-ঘাট। তার সাথে যদি যোগ হয় খেয়ালী প্রকৃতির অশ্রুবর্ষণ! এসব শন্কা বুকে নিয়েই বসন্তের প্রথম দিনটি কাটিয়েছেন কানাডার আবহাওয়াবিদ আর নগরকর্তারা।
এ বছর কানাডার ইতিহাসে ১৯৭৬ সালের পর সবচাইতে বেশী তুষার পড়েছে, যা প্রায় ৪০০ সেন্টিমিটারের কাছাকাছি। তীব্র শীতে শাচকাচুনের এক গ্রামে মারা গেছে দু'জন তুষারপরিস্কারকারী। অতিরিক্ত তুষার জমে ধসে পড়েছে অনেক বাড়ী-ঘরের ছাদ। এতে মারা গেছে অন্তত: পাঁচজন। আহত হয়েছে অনেক। নিউব্রান্সঊইকে বাস্কেটবল খেলে ফেরার পথে দূর্যোগপূর্ন আবহাওয়ার কবলে পড়ে গাড়ি দূর্ঘটনায় প্রাণ হারিয়েছে সাত সম্ভাবানময় কিশোর খেলোয়াড় আর তাদের জনপ্রিয় শিক্ষক কাম কোচ । বারবার বাতিল হয়েছে স্কুলগামী বাসের নিয়মিত যাত্রা। কোমলমতি শিশুরা অনেকদিন যেতে পারেনি স্কুলে। নস্ট হয়েছে অনেক কর্মঘন্টা। তুষার পরিস্কার ও রাস্তায় লবন ছিটানো বাবদ সরকারী বাজেট ফুরিয়ে গেছে অনেক আগে। সাধারণ মানুষের খরচের তালিকায় যুক্ত হয়েছে অতিরিক্ত গাড়ি ধোয়া আর বাড়ীর সামনের তুষার পরিস্কারের বাড়তি খরচ। চিকিৎসা বিজ্ঞানীরা বলছেন, প্রলম্বিত শীতে মানসিকভাবে অবসাদগ্রস্থ হয়ে পড়ছেন অনেকে।
এতো সবের পরেও খেয়ালী প্রকৃতি এখনো শীতের চাদর গায়ে বেঘোর ঘুমে। আর মানুষ দিন গুনছে অজানা আশংকায়, সম্ভাব্য বন্যার।
বন্যা না হোক, বসন্তের ফুল ফুটুক দ্রুত, বসন্তের প্রথম সকালে এই আমাদের কামনা।
লেখক বলেছেন: আপনাকেও।
আশরাফ মাহমুদ বলেছেন:
বাসন্তী শুভেচ্ছা রইলো!
লেখক বলেছেন: আপনার কাছ থেকে ইরানী গোলাবের প্রত্যাশা ছিল।
সুলতানা শিরীন সাজি বলেছেন:
দারুন তো ছবিগুলো।ভালো লাগলো।
আপনি সোহাগের বন্ধু?পৃথিবীটা আসলেই অনেক ছোট।
ভালো থাকবেন।শুভেচ্ছা।
লেখক বলেছেন: হ্যা। ও আমার ছোটভাই। আপনি কি অটোয়া থাকেন?
রোডায়া বলেছেন:
শুভ বসন্ত৷
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।
সুলতানা শিরীন সাজি বলেছেন:
অসুবিধা নাই..........আমি সোহাগদেরকে কিছু বলবোনা।
ওদেরকে নিয়ে আমার ও লিখতে ইচ্ছা হয়।এত দারুন উদাহরন আর হয়না ভার্চুয়াল বন্ধুত্বের।আপনি দারুন একটা কাজ করেছেন......
গলতে থাকা বরফ এর উপর দিয়ে হাঁটতে হাঁটতে কালকে এই কথাটাই বলছিলাম,"ফুল ফুটুক আর না ফুটুক আজ বসন্ত।"
তবে দারুন বসন্তের বাতাস বইছিলো সারাটাদিন।
রাতে অবশ্য আবার তাপমাত্রা কমে এলো।
বসন্তের শুভেচ্ছা।
লেখক বলেছেন: বললেও অসুবিধা নাই। ওদের আমার সালাম দেবেন।
আমাদের এখানে কাল খুব ঠান্ডা ছিল।
আসম বলেছেন:
বাসন্তী শুভেচ্ছা। আপনাকে এবং কানাডা প্রবাসী সকল বাংলাদেশীকে।
লেখক বলেছেন: আপনাকে অনেক অনেক ধন্যবাদ।
সুলতানা শিরীন সাজি বলেছেন:
ঠিক আছে বলবো তাহলে......।বলবো ভার্চুয়াল হিরো হয়ে গেছো।জি এক শহরেই কাছাকাছি থাকি।
শুভেচ্ছা।
নাবিক বলেছেন:
ভার্চুয়াল হিরো, হা হা হা
কানাডীয় বসন্তের শুভ্র শুভেচ্ছা।
ওখানে হলুদাভতার সমারোহ নেই! আছে শুধু শুভ্র স্নিগ্ধতা!
ছবিগুলো সুন্দর
+
লেখক বলেছেন: আপনাকেও অনেক অনেক শুভ্র স্নিগ্ধ হলুদাভ ধন্যবাদ।
কানাডায় বর্ণ বৈচিত্রের অভাব নাই। এই শীতটাই একটু ম্যাড়ম্যাড়ে। বসন্ত জাগলে দেখবেন, সবুজ-হলুদ, নীল-লালে বর্ণিল ধরণী।
শুধু চেয়ে থাকতে ইচ্ছে করে।
সুলতানা শিরীন সাজি বলেছেন:
জি সারোয়ার ঠিক বলেছেন.........কোন রং ছুঁয়ে যায়নি এখনো বসন্তকে..........শুধু স্নিগ্ধতা।
তবে সেই স্নিগ্ধতা অনুভব করবেন.......।মাখতে যাবেন না।নিউমোনিয়া হতে পারে।
ভালো থাকবেন..........
শুভেচ্ছা।
লেখক বলেছেন: সেই স্নিগ্ধতা অনুভব করবেন.......।মাখতে যাবেন না।নিউমোনিয়া হতে পারে।
@সাজি
ঠান্ডা মৌসুম আমার ভালো লাগে না। কোল্ড এ্যালার্জি আর ডাস্ট এ্যালার্জি সর্দি নিয়ে আসে
গরমে ঘামতে ঘামতে শেষ তবু ভালো লাগে। তবে এখানকার জুন জুলাইয়ের ৪৫-৫০ ডিগ্রি তাপমাত্রা আর ৯০% হিউমিডিটি সাংঘাতিক উষ্ণতা কাকে বলে ভালো করে বুঝিয়ে দেয়। কুলার ছাড়া ৫ মিনিটও থাকা যায় না
উষ্ণতা মাত্রারিক্ত হলেও যে বিপদজনক!
লেখক বলেছেন: হুম।
আবূসামীহা বলেছেন:
আমিও ভাবছিলাম কাল বসন্ত কবে এল? গাছগুলো এখনো মরার মতোই। কিন্তু কিছু কিছু গাছে দেখলাম নতুন কুঁড়ি বেরুচ্ছে। আমরা আপনার দক্ষিণে বলে হয়তো আমাদের এখানে একটু আগেই কুঁড়িরা এসে যাচ্ছে।আজ আবার সকালে শীতের মত ঠাণ্ডা।
যাই হোক, বাসন্তী শুভেচ্ছা থাকল!
লেখক বলেছেন: আপনাকেও।
উম্মু আবদুল্লাহ বলেছেন:
বাসন্তী শুভেচ্ছা থাকল!


















