আমার প্রিয় পোস্ট

আল্লাহ আমার রব, সেই রবই আমার সব। মনে মনে তনুমনে তাঁরই অনুভব।

আল্লামা আবদুল জব্বার রহঃ-বায়তুশ শরফের প্রধান রূপকার

২৬ শে মার্চ, ২০০৮ সকাল ৯:৪৪

শেয়ার করুন:                   Facebook

বায়তুশ শরফের প্রধান রূপকার হাদিয়ে জামান শাহ সুফি আল্লামা শাহ মোহাম্মদ আবদুল জব্বার রহঃ-এর দশম মৃত্যুবার্ষিকী পালিত হয়েছে গতকাল। এ উপলক্ষে চট্টগ্রামের বায়তুশ শরফ প্রাঙ্গণে মরহুমের রূহের মাগফিরাত কামনায় দোয়া ও মুনাজাতের আয়োজন করে বায়তুশ শরফ আঞ্জুমানে ইত্তেহাদ বাংলাদেশ। এ ছাড়া সারাদেশে মরহুমের ভক্তরাও যথাযোগ্য মর্যাদায় দোয়া-মুনাজাতের মাধ্যমে ইসলামের এই একনিষ্ঠ সাধকের মৃত্যুবার্ষিকী পালন করেন।

উল্লেখ্য, ১৯৯৮ সালের এই দিনে চট্টগ্রাম ধনিয়ালাপাড়ার বায়তুশ শরফ কমপ্লেক্সের নিজ হুজরা শরীফে আকস্মিকভাবে তিনি ইন্তেকাল করেন। পরদিন চট্টগ্রাম রেলওয়ে পলোগ্রাউন্ড ময়দানে প্রায় ২ লাখ মুসলমানের অংশগ্রহণে স্মরণকালের বৃহত্তম জানাজা শেষে কেন্দ্রীয় বায়তুশ শরফ মসজিদের পাশে তাকে কবরস্থ করা হয়। তার সময়কালে তিনি ছিলেন অন্যতম আলেমে দীন, পীরে কামেল, মসজিদভিত্তিক সমাজসেবার পুরোধা, শিরক-বিদআতের বিরুদ্ধে বলিষ্ঠ কণ্ঠস্বর, ইসলামি শিক্ষার প্রচার ও প্রসারে নিবেদিতপ্রাণ, দুস্থ মানবতার সেবায় সদা সক্রিয়।

ইন্তেকালের সময় তিনি বাংলাদেশের জাতীয় পর্যায়ে অন্যতম শ্রেষ্ঠ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বায়তুশ শরফ আদর্শ কামিল মাদ্রাসাসহ ১৬টি মাদ্রাসা, ১২টি এতিমখানা ও হিফজখানা, বাংলাদেশের প্রধান প্রধান শহর-নগর-বন্দর-জনপদে ৬০টি বায়তুশ শরফ মসজিদ এবং পর্যটন নগরী কক্সবাজারে একটি পূর্ণাঙ্গ চক্ষু ও পঙ্গু হাসপাতাল প্রতিষ্ঠা করেন। এ ছাড়া তিনি একটি হাইস্কুলসহ পাঁচটি প্রাইমারি স্কুল প্রতিষ্ঠা করেন।

একজন সফল লেখক ও অনুবাদক হিসেবে তিনি ছোট-বড় ১৫টি গ্রন্থ প্রণয়ন করেন। জীবনে ৩৩ বার পবিত্র হজব্রত পালন করেন। তিনি বায়তুশ শরফ আঞ্জুমানে ইত্তেহাদ বাংলাদেশের সাংগঠনিক কার্যক্রম সারা পৃথিবীতে ছড়িয়ে দেয়ার লক্ষ্যে যুক্তরাজ্য, যুক্তরাষ্ট্র, ফ্রান্স, বুলগেরিয়া, সৌদি আরব, কুয়েত, কাতার, ওমান, বাহরাইন, ইরাক, সিঙ্গাপুর, থাইল্যান্ড, মালয়েশিয়া, ভারত ও পাকিস্তান সফর করেন।
এই মহামনীষী ১৯৩৩ সালের ১ ফেব্রুয়ারি আপার বার্মার থাংগু জেলার পিনজুলুক রেলস্টেশন সংলগ্ন বাঙালি কলোনিতে জন্মগ্রহণ করেন।

 

 

  • ২২ টি মন্তব্য
  • ১৮২ বার পঠিত,
Send to your friend Print
রেটিং দিতে লগ ইন করুন
পোস্টটি ৭ জনের ভাল লেগেছে, ৫ জনের ভাল লাগেনি
১. ২৬ শে মার্চ, ২০০৮ সকাল ৯:৪৬
comment by: এস্কিমো বলেছেন: খুবই ভাল একটা পোষ্ট। বাংলাদেশের স্বাধীনতা দিবসে এর চেয়ে ভাল মণীষি জামাতিদের চোখে পড়ার সম্ভাবনা আর কতটুকু।
২৬ শে মার্চ, ২০০৮ সকাল ৯:৫৩

লেখক বলেছেন: "ইন্তেকালের সময় তিনি বাংলাদেশের জাতীয় পর্যায়ে অন্যতম শ্রেষ্ঠ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বায়তুশ শরফ আদর্শ কামিল মাদ্রাসাসহ ১৬টি মাদ্রাসা, ১২টি এতিমখানা ও হিফজখানা, বাংলাদেশের প্রধান প্রধান শহর-নগর-বন্দর-জনপদে ৬০টি বায়তুশ শরফ মসজিদ এবং পর্যটন নগরী কক্সবাজারে একটি পূর্ণাঙ্গ চক্ষু ও পঙ্গু হাসপাতাল প্রতিষ্ঠা করেন। এ ছাড়া তিনি একটি হাইস্কুলসহ পাঁচটি প্রাইমারি স্কুল প্রতিষ্ঠা করেন।"

একজন আলেম হয়েও ১৯৭১ হতে ১৯৯৮ পর্যন্ত এতো গুলো প্রতিস্ঠান করে স্বাধীনতা দিবসের কোন চেতনা বিরোধী কাজ তিনি করেছেন যে, স্বাধীনতা দিবস বলে তার মৃত্যুবার্ষিকী নিয়ে পোস্ট দেয়া যাইবোনা?

২. ২৬ শে মার্চ, ২০০৮ সকাল ৯:৪৮
comment by: নাবিক বলেছেন: এসকিমো দেখি মাইনাস মাইরা গেল। জনদরদি একজন গুনীলোকের মৃত্যু বার্ষিকীর সংবাদে মন্তব্য না কইরা মাইনাস দিয়ে কি মানসিকতার পরিচয় দিলেন?
২৬ শে মার্চ, ২০০৮ সকাল ১০:০৬

লেখক বলেছেন: অবশেষে মন্তব্য করলেন, কিন্তু পাঠকই বিচার করুক আপনার মানসিকতা।

৩. ২৬ শে মার্চ, ২০০৮ সকাল ৯:৫০
comment by: এস্কিমো বলেছেন: আপনের চাইতে বেশী জামাতি ছিলো নাকি ভদ্রলোক। আপনের জীবনী কেউ এইভাবে লেখলে অবশ্যই প্লাস দেব...গ্যারান্টিড।
২৬ শে মার্চ, ২০০৮ সকাল ১০:০৪

লেখক বলেছেন: আপনাদের প্লাস কারা পায় তা আমাদের জানা আছে। যে লোকটি দল মতের উর্ধে ছিল, আজীবন মানবতার সেবায় কাটিয়ে গেছে তাকে নিয়ে কথা বলার আগে শতবার ভেবে দেখা আপনার উচিত ছিল।

তার বাড়ীতে এখনো টিনের চাল। মাটির দেয়াল। কিন্তু গরিবদের জন্য কাঁদতো তার মন। বেসরকারী উদ্যোগে ফ্রী চক্ষু আর পংগু হাসপাতাল করে কি তিনি অন্যায় করেছেন?

আজীবন রাজনীতিবিমুখ এই আল্লাহভীরু মানুষটার জানাযাই প্রমাণ করে তিনি কেমন লোক ছিলেন।

সকল দলের নেতার শিশুর মতো কেঁদেছেন সেদিন।

আওয়ামীলীগ নেতা মহিউদ্দীন চৌধুরী, আখতারুজ্জামান বাবু, চট্টগ্রামের সকল মুক্তিযোদ্ধা নেতারা সেদিন উপস্থিত ছিলেন জানাযায়।

স্বাধীনতা দিবসের অনুস্ঠান শোক সভাতে পরিণত হয়েছিল সেদিন।

বিশ্বাস না হলে সেদিনের চট্টগ্রামের সকল সংবাদপত্র খুলে দেখুন।

সেদিনের লীড নিউজ ছিল তার জানাজা।

আপনাদের জন্য আসলেই করুণা হয়।

স্বাধীনতা দিবসটাই বুঝেন, স্বাধীনতাকে অর্থবহ করতে যারা তিলে তিলে নিজের জীবনের সবটুকুন বিলিয়ে দিয়েছে সে সব সাধকদের বুঝেন না।

৪. ২৬ শে মার্চ, ২০০৮ সকাল ৯:৫২
comment by: বাফড়া বলেছেন: -
৫. ২৬ শে মার্চ, ২০০৮ সকাল ৯:৫৪
comment by: মাহমুদ রহমান বলেছেন: ধন্যবাদ পোস্টের জন্য।

আব্দুল জব্বার রহ. এর রুহের মাগফিরাত কামনা করছি।
২৬ শে মার্চ, ২০০৮ সকাল ১০:১৬

লেখক বলেছেন: আল্লাহ তাঁর ভাল গুলোকে কবুল করুন।

ভুল সমূহ ক্ষমা করুন।

পরকালে তাঁকে উত্তম প্রতিদান দিন।

আর আমাদেরকে তাঁর মতো মানবতাদরদী হওয়ার, দল-মত নির্বিশেষে মানুষের কল্যানে কাজ করার তৌফিক দিন।

সত্যি বলতে কি, তার দরবারে হিন্দুদের ভিড় লেগেই থাকতো। তিনি সবাইকে আপন ছেলের মতো দেখতেন।

কোন গরীব লোক তার কাছে গিয়ে খালি হাতে ফিরে আসেনি।

হাইস্কুল, প্রাইমারী স্কুলের পাশাপাশি তিনি পাড়ায়-পাড়ায় মহল্লায়-মহল্লায় ফ্রী দাতব্য চিকিৎসালয় গড়ে তুলেছিলেন।


১২ টি এতিমখানার ছাত্রদের স্বনির্ভর করে গড়ে তুলতে দানের পরিবর্তে তিনি এতিম ছাত্রদের পরিচালনায় গড়ে তুলেছিলেন, মধু চাষ প্রকল্প, বাগান, প্রিন্টিং প্রেস, প্যাকেজিং ফ্যাক্টরী, সেলুন এবং টেইলার্স।

সব সময় দারিদ্রমুক্ত একটি বাংলাদেশের স্বপ্ন দেখতেন তিনি। প্রচারবিমুখ এ সাধক সে লক্ষ্যেই নীরবে কাজ করে গেছেন আজীবন।

৬. ২৬ শে মার্চ, ২০০৮ সকাল ১০:১৬
comment by: এস্কিমো বলেছেন: খুবই ভাল লাগলো এই বিরাট জীবনী পড়ে। তবে যখন কিছু লেখেন তখন একটু খেয়াল করবেন যাতে ফেব্রিকেশন করতে গিয়ে পুরাটাই নস্ট না হয়ে যায়।

আওয়ামীলীগ নেতা মহিউদ্দীন চৌধুরী, আখতারুজ্জামান বাবু, চট্টগ্রামের সকল মুক্তিযোদ্ধা নেতারা সেদিন উপস্থিত ছিলেন জানাযায়।


- আওয়ামীলীগের এই দুই নেতা ছাড়া নিশ্চয় সেখানে জামাতে নেতা/রাজাকার/আলবদরও ছিলো। বিশেষ ভাবে মুক্তিযুদ্ধার কথা উল্লেখ করাটা বুঝা যায় আপনার দূর্বলতা।

লক্ষ্যনীয় উল্লেখিত দুইজনই কিন্তু নানান ধরনের অপরাধের অভিযগো অভিযুক্ত।

ঘটনা হলো পৌষ মাসে চৈত্রের ওয়াজ দিয়ে এক মোল্লার যে কি অবস্থা হয়েছিলো, সেই গল্পটা জানেন তো। আজ একটা বিশেষ দিন আর এইদিনে আপনার মহান ব্যক্তির কথা মনে হলো যার জানাযায় আওয়ামীলীগের নেতারা গিয়ে মহিমান্বিত করেছে।

২৬ শে মার্চ, ২০০৮ সকাল ১০:২৬

লেখক বলেছেন: আমার দুর্বলতা বলুন আর যাই বলুন,

আমি আপনার মন্তব্যের জবাবে তা লিখেছি।

প্রথম কথা হলো, আমি জামাতি না। আপনি আজীবন চিল্লাইলেও আমি জামাতি হয়ে যাবোনা।

এ মহান সাধক আমার সরাসরি শিক্ষক। তার কাছে হিন্দু মুসলিম সকলে ছিল সমান । তার দরবারে অপরাধীরাই আসে নিজেদের শুদ্ধ করার জন্য। ভালো মানুষ আসে প্রেরণা নেয়ার জন্য।

আপনি যখন উনাকে বড় জামাতী বললেন, তার উত্তরে আমি বলেছি, সেদিনকার পত্রিকার পাতা খুলে দেখুন, দল-মত নির্বিশেষে সবাই তার জন্য কেঁদেছে। আপনার মতো মুক্তিযুদ্ধ আর স্বাধীনতার চেতনার কথা কইয়া চিল্লায় নাই।

আপনিতো দেখি তাগো চেয়ে বড় মুক্তিযোদ্ধা হয়ে গেছেন যে, ২৬ শে মার্চ কোন দেশ প্রেমিক সাধকের মৃত্যু হলে সেদিন তার মৃত্যু বার্ষিকী নিয়ে পোস্ট দেয়া যাইবোনা। অন্যদিন দিতে হবে।

অপরকে না জেনে মন্তব্য করা থেকে বিরত থাকবেন আশা করি।

৭. ২৬ শে মার্চ, ২০০৮ সকাল ১০:৩১
comment by: নাবিক বলেছেন: এ পর্যন্ত ৪টি প্লাস আর ৪টি মাইনাস।

সাম্প্রতিক যারা ব্লগ দেখেছে

রাশেদ
স্করপিয়ন্স
এস্কিমো
পান্জেরী
নাইম
মাহমুদ রহমান
বাফড়া
বিবেক সত্যি
৮. ২৬ শে মার্চ, ২০০৮ সকাল ১০:৫২
comment by: এস্কিমো বলেছেন: আপনরে মাথাটা বেশ গরম হইছে।

আমি উনাকে কখন বড় জামাতি বলরাম?

এস্কিমো বলেছেন: খুবই ভাল একটা পোষ্ট। বাংলাদেশের স্বাধীনতা দিবসে এর চেয়ে ভাল মণীষি জামাতিদের চোখে পড়ার সম্ভাবনা আর কতটুকু।

আবার পড়েন।

আপনে জামাতি না - তবে শিবির।
২৬ শে মার্চ, ২০০৮ সকাল ১১:০১

লেখক বলেছেন: মাথা আমার গরম হয় নাই, বরং আপনারটা বোধহয় পুরোটাই গেছে।

২৬ শে মার্চ, ২০০৮ সকাল ৯:৫০ এস্কিমো বলেছেন: আপনের চাইতে বেশী জামাতি ছিলো নাকি ভদ্রলোক। আপনের জীবনী কেউ এইভাবে লেখলে অবশ্যই প্লাস দেব...গ্যারান্টিড।

নিজেকে নিজে যারা অস্বীকার করে তাদের জানি কি বলে।

আমি শিবির?? হাহাহহাহহা হাসাইলেন। হইলোনা।ভুল সবই ভুল। একবার কইলেন আমি জামাতি, এইবার কইলেন শিবির, এর পরের বার কি বলবেন ঠিক করছেন?

৯. ২৬ শে মার্চ, ২০০৮ সকাল ১১:২৬
comment by: এস্কিমো বলেছেন: তাইলে আপনে স্বীকার করতাছেন আপনে জামাতি। আপনে জামাতি না হলে উনি বড় জামাতি হয় কিভাবে?
২৬ শে মার্চ, ২০০৮ সকাল ১১:২৯

লেখক বলেছেন: পাগলে কি না বলে, ছাগলে কি না খায়?

১০. ২৬ শে মার্চ, ২০০৮ সকাল ১১:৪৪
comment by: কাজ করে খাই বলেছেন: আমিও মাইনাস দিলাম, এ পোষ্ট টা অন্য কোন দিনের জন্যে রাখা যেত।
২৬ শে মার্চ, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:৫৬

লেখক বলেছেন: এ কথা কি অন্য সব পোস্ট গুলোতে বলেছেন, না শুধু এইটাতে।

মুসলমান আর ইসলামের কথা হুনলেই আপনাদের চুলকানি শুরু হয় বুঝা গেল।

১১. ২৬ শে মার্চ, ২০০৮ সকাল ১১:৪৬
comment by: শাহীন - চট্টগ্রাম বলেছেন: বায়তুশ শরফের পীর সাহেব কে খুব কাছ থেকে দেখার সৌভাগ্য হয়েছে, তিনি একজন কামেল পীর একজন শহীদের পিতা, আমরা তাঁর রূহের মাগফেরাত কামনা করছি।
১২. ২৬ শে মার্চ, ২০০৮ সকাল ১১:৫০
comment by: এস্কিমো বলেছেন: পাগলে কি না বলে, ছাগলে কি না খায়?


- তাইতো। যখন পুরো জাতি এক বিষয়ে কথা বলে নাবিক বলে অন্যটা।
২৬ শে মার্চ, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:৪৫

লেখক বলেছেন: কারণ নাবিক পাগল হলে আপনারা সবাই ডুববেন। তাই নাবিককে শক্ত হাতে বৈঠা ধরতে হয়।

আপনার সবগুলো কমেন্ট পড়লে আপনি নিজেই নিজের মানসিক সুস্থতা নিয়ে প্রশ্ন করবেন। জেগে জেগে ঘুমালে অবশ্য ভিন্ন কথা।

১৩. ২৬ শে মার্চ, ২০০৮ দুপুর ১২:০২
comment by: সাগর নীল বলেছেন: উনার মত মহান ব্যক্তিত্ত বাংলাদেশের ইতিহাসে খুব কমই আছে। সারা জীবন ইসলামের ও মানুষের খেদমত করে গেছেন। কিন্তু নিজের জন্য কিছুই করেন নি। চাইলে অন্যান্য ব্যবসায়ী পীরদের মত কোটি কোটি টাকার মালিক হতে পারতেন। কিন্তু উনি নিজে মধুর ব্যবসা করে কোনমতে সংসার চালাতেন। উনার স্ত্রী যে বাড়িতে থাকেন সেই বাড়ির দাম ২৫ হাজার টাকাও হবেনা। এই কথাটা এক আলেমের মুখে শুনেছি।
ধন্যবাদ।

 



 


নিজেকে প্রকাশের জন্য নয়, নিজেকে জানার জন্য লিখি। পুরোনো লেখা পরে নিজের অতীতকে দেখতে পাই, নিজেকে নতুন করে আবিস্কার করি।
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ

    কোন বিভাগ নেই

সর্বমোট হিট

 ১৪৬৪৫