আমার প্রিয় পোস্ট
- Beauty of Math!!! - নিয়ান্দার্থাল
- তিনদিনে পিএইচপি শিখুন (৩য় দিন) - মদন
- লিনাক্স-এ কি ভাবে C প্রোগ্রাম রান করাবেন - মো: আরিফুর রহমান (সি.এস.ই)
- "এপ্রিল ফুল" এর সংক্ষিপ্ত ইতিবৃত্ত - সততার আলো
- Some important tips on PHP & MySQL - মশিউর রহমান মেহেদী
- সেলুনে চুল কাটার সময় সাবধান!!!!!!! - ক্রাউন
- শৈশবে একুশে ফেব্রুয়ারি - ইরতেজা
- “মানুষ খুঁজিয়া ফিরি জনতায়, মানুষ কই?” - ফারজানা মাহবুবা
- ওয়েব সার্চ টিপস: গুগুলে ফাইল খুঁজতে খুঁজতে হয়রান? - ত্রিভুজ
- কম্পিউটারের কর্মদক্ষতা বাড়ানোর কয়েকটি টিপস্!!! - ক্রাউন
- গল্প: একটা সরল স্বপ্নের কথা (চতুর্থ অংশ) - জ্বিনের বাদশা
- কুর'আন, নারী ও শস্যক্ষেত্র, ইসলাম বিদ্বেষ ও আমার বিশেষ জ্ঞানী হওয়া। - আবূসামীহা
- ছি ছি! ইসলাম এতো খারাপ? - ফারজানা মাহবুবা
- একজন প্রেসিডেন্টের ইমেইল এবং আমাদের নেগেটিভ মনোভাব - শামসুজ্জামান সিদ্দিকী শাহীন
- লিনাক্স ডিরেক্টরি স্ট্রাকচার - আবুফয়সাল আহমেদ
- কবর - নুপুর
- ডিজিটাল প্রযুক্তিতে তথ্য সংরক্ষণ - নামিরা নাওয়ার
- আল্লাহ্ কে, তাঁর পরিচয় কি? তিনি দেখতে কেমন, তাঁর লিঙ্গ কি? - আবূসামীহা
বোকাখোকার বোকা বিষয়ক বোকা বোকা ভাবনা
৩০ শে মার্চ, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:২৯
কিছুদিন আগে একটা বিয়েতে গিয়েছিলাম। গেট ধরা শেষে কয়েকজন কিশোর-কিশোরীকে দেখলাম রাগে গড়গড় করছে। ব্যাপারটা কি? খোঁজ নিয়ে জানা গেল, বর পক্ষ তাদের ভালো মত বোকা বানিয়েছে। পরপর সুদৃ্শ্য তিন-তিনটে বক্স তাদের হাতে ধরিয়ে নিশ্চিত করেছে ভেতরে ৩০০ আছে। পিচ্চি গুলান মনে করেছে ৩০০ কানাডিয়ান ডলার, খুলে দেখে ৩০০ বাংলাদেশী এক টাকার কয়েন। ততক্ষণে বর মঞ্চে।
বিয়েতে বর বা কনে পক্ষকে বোকা বানানো একটা আনন্দের বিষয় হয়ে গেছে। কিন্তু প্রবাসে বেড়ে ওঠা ইয়ুথদের মেঘ কালো মন দেখে কেন জানি মনে হলো আমাদের বোকা বানানো এই সংস্কৃতিতে তারা একদম খুশি নয়, তাদের কেউ বোকা বানাক এটা তাদের একদম না পসন্দ।
আমরা সকলেই জীবনের বাঁকে বাঁকে কম-বেশী বোকামী করি। পরে আবার এর জন্য খুব লজ্জিত হই। নিজের চুল নিজের ছিঁড়ি। তারপরে আবার কখন কিভাবে যেন একই বোকামো করে বসি। কেউ কখনো ইচ্ছে করে, ছক কষে বোকামো করেনা। বোকামো হয়ে যায় । জীবনে বোকামো করেনি এমন লোকের সংখ্যা খুব কমই পাওয়া যাবে।
বোকামি করা অপছন্দ হলেও অনেকেই আবার বোকা থাকতে বা বকে হতে ভালবাসেন। আমিও মাঝে মাঝে কেন জানি ভাবি বোকা হওয়াইতো ভালো। আমরা যারা এমন বোকা হতে চাই, তারা আসলে বোকামী বলতে সরলতাকে বুঝি। মিথ্যা, ঠকবাজীর বিপরীতে সৎ ও সততাকে বুঝি। বোকা থাকা মানা সৎ থাকা । বোকা হওয়া মিথ্যার মারপ্যাঁচ ছাড়িয়ে মানে সত্য-সরল হওয়া। তাইতো শহরে এসে হঠাৎ চালাক হয়ে ওঠা ছেলেও মায়ের কাছ থেকে লুকোতে চায় তার চালাক হয়ে ওঠার গল্প। সবার মতো মায়ের কাছে সেও আজীবনের বোকা-খোকা হয়ে থাকতে চায়।
" সুপের সাথে সসটা এখন
তার ছেলেটা মেশাতে জানে
কান্নাগুলো হাসির বুকে
তার ছেলেটা লুকোতে জানে
এই পাপগুলি সব গোপন করে
আমার কথা বন্ধুরে তুই মাকে বলিস
বাড়ি ফিরে বন্ধুরে তুই মাকে বলিস"
কারণ মায়ের কোলটাই যে সন্তানের একমাত্র বিশুদ্ধ আশ্রয়। একদম কৃত্রিমতা মুক্ত, সরলতা আর ভালবাসায় টইটুম্বুর।
যারা বোকা থাকতে চায় তারা কিন্তু আবার কেন জানি বোকা বনতে রাজী না। যারা তাদের বোকা বানায় কিংবা বানাতে চায় তাদের উপর সহজ সরল বোকা মানুষগুলোর অনেক রাগ। তারা চায় পৃথিবীর সকল মানুষ তাদের মতো বোকা হোক কিন্তু কেউ কাউকে বোকা না বানাক। যারা অপরকে বোকা বানাতে চান তার নিজেদের অতি চালাক ভেবেই কাজটি করেন। এতে সাময়িক সাফল্য এলেও আখেরে কিন্তু তাদের ক্ষতিই হয়, এ সত্যটুকুন আমাদের চালাক মাথারা কখনোই বুঝতে পারেন না। এ ব্যাপারে বহুল আলোচিত রাখাল ছেলের গল্প কে না জানে?
রাখাল ছেলে বনের ধারে গরু-মেষ চড়াতে যেত। একদিন তার মাথায় খেলে গেলো দুস্ট বুদ্ধি। সে গ্রামের মানুষকে বোকা বানিয়ে আনন্দ পেতে চাইল। এক দুপুরে বাঘ বাঘ করে জুড়ে দিল চিৎকার। গ্রামের লোকজন যার যা আছে তাই নিয়ে ছুটে এলো রাখালকে বাঘের হাত থেকে বাঁচাতে। এসে দেখে রাখাল তাদের বোকা বানিয়েছে। গ্রামের মানুষের খুব রাগ হলো। তারা বোকা বলে কেউ তাদের বোকা বানাক এটা তাদের একদম পছন্দ হলোনা। একদিন সত্যি সত্যি বাঘ এলো। রাখাল আগের মতোই চিৎকার করলো। এদিন কেউ আর তাকে বাঁচাতে এলোনা। কেউ বোকা হতে চাইলোনা। কিন্তু সকলকে বোকা বানাতে চাওয়া বেচারা রাখাল হলো বাঘের খাবার। যারা অপরকে বোকা বানিয়ে আনন্দ পেতে চায় তাদের শেষটা বুঝি এমনি করুণ হয়।
মানুষকে বোকা বানানোর ইতিহাস ততটাই প্রাচীন, যতটা প্রাচীন মানুষের ইতিহাস। শয়তান আদমকে বোকা বানিয়ে নিষিদ্ধ ফল খাইয়েছিল। আদম নিজের বোকামী বুঝতে পেরে পরে ক্ষমা চেয়ে নিলেও শয়তান মানুষকে বোকা বানানোর চাকুরিতেই স্থায়ী হল। বোকামি করে ভুল করেও আদম হলো সৃস্টির সেরা জীব আর আদমকে বোকা বানিয়ে শয়তান হলো নিকৃস্ট কীট। শয়তানে সেই পথ ধরে যারা আদম সন্তানকে বোকা বানাতে চায় তারা শয়তান এন্ড কোং এর চাকুরে কিনা জানিনা, তবে তারা যে শয়তানের সাথে একই পেশায় নিয়োজিত এতে কোন সন্দেহ নাই।
তারপরেও আমরা অপরকে বোকা বানিয়ে আনন্দ পাই। অপরকে বোকা হতে দেখে খিলখিলিয়ে হাসি। যাকে বোকা বানানো হলো, তার বেদনা আমাদের স্পর্শ করেনা। তার দুঃখগুলো আমাদের কাঁদায়না।
আমাদের নাটকগুলোও মাঝে মাঝে মানুষকে বোকা বানানো শেখায়। কোন একটা নাটকে অপি করিমকে দেখেছি ফ্যানের সাথে ঝুলে আত্মহত্যার কসরত করতে। বুয়ার মুখে খবর শুনে বাবার চরিত্রে অভিনয় করা আবুল হায়াত হন্তদন্ত হয়ে ছুটে আসলে অপি হাসতে হাসতে নিচে নেমে এসে বলে বাবা তোমাদের বোকা বানাতে এটা করেছি। বাবা-মাকে বোকা বানাতে ফাঁসির মঞ্চ রূপায়ন? আমাদের শিশু-কিশোররা, ক্ষুদে দর্শকরা, এ থেকে কি শিখছে? কেউ যদি মজা করে একই কায়দা অনুসরণ করতে যায়, এতে অনাকাংখিত মৃত্যু হবেনা তার গ্যারান্টি দেবে কে? টেলিভিশন একটি শক্তিশালী গণমাধ্যম। নতুন প্রজন্মের উপর টিভি নাটকের প্রভাব ও আবেদন অনেক বেশী। যারা নাটক লিখেন, পরিচালনা করেন, অভিনয় করেন তারা কি সামাজিক দায়বদ্ধতার কথা ভাবেন, নাকি আমাদের বোকা বানিয়ে নিজেদের পকেট ভারী করাতেই ব্যস্ত থাকেন?
বছর ঘুরে আমাদের দুয়ারে এখন পয়লা এপ্রিল, অথবা পয়লা এপ্রিলের দুয়ারে দাঁড়িয়ে আমরা। এপ্রিল ফুল তেমনি অপরকে বোকা বানানোর আরেকটি দিন। অনেক মজা হয়তো হবে এ দিন, আবার বরাবরের মতো অনেক দুর্ঘটনার জন্মও দেবে।
ভাবি,
মানুষকে বোকা বানিয়ে আনন্দ পাওয়ার এ চেস্টা কতটুকু মানবিক?
এপ্রিল ফুল পালন করা আসলেই কতটা যৌক্তিক?
আসুন,
সবাই মিলে বোকা হই,
অপরকে বোকা বানানো থেকে বিরত রই।
( লেখাটা শেষ করার পর আমাদের গৌরবের মুক্তিযুদ্ধকে ব্যবহার করে কলেজ কর্তৃপক্ষকে বোকা বানানোর প্রচেষ্টা সম্পর্কিত একটা খবর পড়ে মনটা খারাপ হয়ে গেল।
খবরে প্রকাশ, পাবনা এডওয়ার্ড কলেজে ২০০৭-০৮ সম্মান প্রথম বর্ষে মুক্তিযোদ্ধা কোটায় ভর্তি হচ্ছে ইচ্ছুক আবেদনকারীদের সাক্ষাৎকার ছিল গতকাল শনিবার। আবেদনকারী ছিল ১০০। এদের কাগজ পত্র দেখে কর্তৃপক্ষের সন্দেহ হলে তাদের বলা হয় "যারা ভুয়া কাগজ পত্র জমা দিয়েছেন, তারা চলে যান, নাহলে পুলিশে দেয়া হবে।" এ ঘোষণার পরে ৯১ জন ভুয়া আবেদনকারী চলে যান। বাকি নয়জনকে ভর্তি করা হয়। সংখ্যাটি রীতিমত আঁতকে ওঠার মত। ১০০ জনে ৯১ জন ছাত্র-ছাত্রী ভুয়া মুক্তিযোদ্ধার সন্তান হতে তৈরী ? জাতি হিসেবে কতটা দৈন্য হলে আমাদের প্রজন্ম এমন পথে পা বাড়াতে পারে। অপরকে বোকা বানানোর এ সংস্কৃতি থেকে কবে আমরা মুক্তি পাবো? সংবাদটি গতকালের প্রথম আলোর প্রথম পাতায় প্রকাশিত। http://www.prothom-alo.com/mcat.news.details.all.php?mid=MQ==)
কৌশিক বলেছেন:
গুড পোস্ট। কিপ ইট আপ।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।
হোঁদল কুঁত কুঁত বলেছেন:
ভাল কইছেন
লেখক বলেছেন: হাচানি? আসলেই ভাল কইছিনি?
পথিক!!!!!!! বলেছেন:
" সুপের সাথে সসটা এখনতার ছেলেটা মেশাতে জানে
কান্নাগুলো হাসির বুকে
তার ছেলেটা লুকোতে জানে
এই পাপগুলি সব গোপন করে
আমার কথা বন্ধুরে তুই মাকে বলিস
বাড়ি ফিরে বন্ধুরে তুই মাকে বলিস"------
গoুsডe পrেcাfষN্gটt
পথিক!!!!!!! বলেছেন:
খবরটা পড়লাম , সকালে ...সত্যিই হৃদয় নাড়া দেয়ার মতোতবে নাড়াটা কষ্টদায়ক , নেতিবাচক
লেখক বলেছেন: মুক্তিযুদ্ধের তথাকথিত চেতনাধারীরা এ সব নিয়ে দেখবেন একদম চুপচাপ।
কিছু দিন আগে পত্রিকায় পড়েছিলাম, কয়েকজন পুরোনো অফিসার ভুয়া কাগজপত্র দিয়ে নিয়োগ পেয়ে ২৫ বছরের বেশী সময় চট্রগ্রাম বন্দরে কাগজ করার পর ধরা পড়ে চাকুরি হারিয়েছেন।
এ সব সম্ভব হয়েছে, হচ্ছে কোটা সন্ত্রাসের জন্য। জাতিকে বোকা বানানোর এ পথটা রুদ্ধ করা উচিত।
তীর্যক বলেছেন:
সনদের বহুমুখি ব্যবহার বটে! আমাদের দেশের বিশেষ চেতনাবাজ গোষ্ঠি মহান মুক্তিযুদ্ব কে সার্টিফিকেট নির্ভর করে ফেলেছে, ফলে কে মুক্তিযোদ্বা আর কে না বলাই মুশকিল। আর এই সার্টিফিকেট সংস্কৃতি পৃথিবীর কোথাও আছে কিনা জানিনা।
দিনে দিনে সবকিছুতেই আমাদের কপটতা বেড়ে চলেছে, চেতনার নাম করে অনেকে আবার মুক্তিযুদ্ব ভিত্তিক অহরহ বানিজ্যিক, রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক ধান্দ্বাবাজিতে লিপ্ত আছে।
লেখক বলেছেন: দেশে নাকি এখন নকল টাকার মত নকল সার্টিফিকেটও পাওয়া যায়। এসব বন্ধ হওয়া উচিত।
পরীক্ষায় এখন নকল অনেকটা বন্ধ হয়েছে। সমাজের সব ক্ষেত্রে নকল বন্ধ হওয়া জরুরী।
ক্রাউন বলেছেন:
ভালো লিখেছেন, গেট ধরার কথায়, মনে পড়ে গেল সেই দুরন্ত শৈশবের কথা! ধন্যবাদ!
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।
হুম। ঠিকই বলেছেন। আপনি আমাকে আমার দুরন্ত শৈশবের স্মৃতিতে টেনে নিয়ে গেলেন।
সুফিয়া কামালের কি একটা জানি কবিতা আছে শৈশব নিয়ে। আমার মনে খুব দাগ কাটতো। ভুলে গেছি আজ। উহু, অনেক চেস্টা করেও কিছু মনে পড়ছেনা।
ক্রাউন বলেছেন:
ভালো লিখেছেন, গেট ধরার কথায়, মনে পড়ে গেল সেই দুরন্ত শৈশবের কথা! ধন্যবাদ!
ফারজানা মাহবুবা বলেছেন:
দূর্দান্ত লিখেছেন ভাইয়া। একদম বাস্তব সমস্যা নিয়ে।এইতো পহেলা এপ্রিল আসছে। ইতিহাস ভুলে নিজেদেরই দুঃখজনক ইতিহাসকে কেন্দ্র করে অনেকেই মেতে উঠবে বোকা বানানোর প্রতিযোগীতায়। অথচ ভুলেও তাদের মনে পড়বেনা এ দিন আমরা নিজেরাই বোকা বনে গিয়ে গ্রানাডায় দলে দলে প্রান খুইয়েছিলাম মসজিদের ভিতর জীবন্ত অগ্নিদগ্ধ হয়ে।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ,
ছোড বোনডি।
আমি দূর্দান্ত লিখেছি কিনা জানিনা, কিন্তু আপনাদের ভাল লেগেছে জেনে খুশী হলাম।
আপনি ঠিকই বলেছেন, ইতিহাসে সে করুণতম অধ্যায় নিয়ে একটা তথ্যমূলক পোস্ট দেখলাম ব্লগে। সবার পড়া উচিত।
Click This Link
আচ্ছা ছোটবেলার স্মৃতি নিয়ে আপনার লেখাটা কি ব্লগে পোস্ট করেছেন?
আবূসামীহা বলেছেন:
অসম্ভব ভাল হয়েছে।
লেখক বলেছেন: সকল প্রশংসা আল্লাহর জন্য।
সব ভালো ভালো লেখকদের প্রশংসা পেয়ে মনটা আজ ভালই লাগছে।
ভবিষ্যতে আরো যাতে ভালো লিখতে পারি, সে দোয়া চাই।
আপনি কেমন আছেন?
সুস্থ? ভাবী, বাচ্ছারা?
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: আপুনি, আপনিও কইলেন ভালো? ভাল আছেন?
ত্রিভুজ বলেছেন:
হুমম.. চমৎকার!
মাহমুদ রহমান বলেছেন:
যাদেরকে বোকা বানানো হয় তারা বেশিরভাগই ভাল মানুষ........সবাই ভাল হলে বোকা বানানোর লোক থাকবে না, সেদিন ফিরে আসুক।
লেখক বলেছেন: সবাই ভাল হলে বোকা বানানোর লোক থাকবে না, সেদিন ফিরে আসুক।
ফারজানা মাহবুবা বলেছেন:
ছোটবেলার কোন লেখা ভাইয়া?
লেখক বলেছেন: লেখাটার শিরোনাম সম্ভবত " সেই যে আমার হারিয়ে যাওয়া নানা রঙের দিনগুলি"
অনেক আগে কর্ণফুলিতে পড়েছিলাম।
আশরাফ রহমান বলেছেন:
এপ্রিল ফুল কেবল মুসলমানদের বোকা বানানোর দিন। এটিকে একটি শোক দিবস হিসেবে পালন করা উচিত।............................
কয়েকমাস আগে পড়েছিলাম দেশে ভুয়া মুক্তিযোদ্ধার সংখ্যা ২ লাখ। মুজিব সরকারের আমলে বহু রাজাকারও মুক্তিযোদ্ধার সার্টিফিকেট সংগ্রহ করেছিল।
লেখক বলেছেন: এপ্রিল ফুল কেবল মুসলমানদের বোকা বানানোর দিন।
ভাই আমার মনে হয় এই কেবল শব্দটা ঠিক না।



















