somewherein... blog badh bhangar awaaj recent posts http://www.somewhereinblog.net http://www.somewhereinblog.net/config_bangla.htm copyright 2006 somewhere in... একটি অপরিপক্ক কাব্যপ্রচেষ্টা
মৌনকথা
ইমরান মাহমুদ

নিস্তরঙ্গ জলে আর কোন আলোড়ন উঠুক, চাই না
নিঃসীম স্বচ্ছ আকাশে মেঘের আনাগোনা হোক, চাই না
রাতের নিঃশব্দ, নিঃস্তব্ধ মৌনতা ভেঙ্গে যাক, চাই না
মধ্যদুপুরের নীরবতা ভাঙুক কোন কর্কশ চিল, চাই না
বন্ধ এ জানালা বন্ধ হয়েই থাক।

গহীন গভীর কালো জলে ছলকে উঠুক কোন মাছ, চাই না
সবুজে ছাওয়া ধানের খেতে আসুক মাতাল হাওয়া, চাই না
শোকাতুর জনমন্ডলীতে গর্জে উঠুক কোন বজ্রকণ্ঠ, চাই না
শান্ত পর্দায় লাগুক কোন পাগলা হাওয়ার নাচন, চাই না
বন্ধ এ দরজা বন্ধ হয়েই থাক।

অনাবিল নীরবতা ঢেকে দিক চারপাশ
অশেষ অপেক্ষা গ্রাস করে নিক সময়কে
স্থবিরতায় ঢেকে যাক সমস্ত কোলাহল
বন্ধ এ হৃদয় বন্ধ হয়েই থাক।






[রচনাকাল - ২৫ জানুয়ারী, ২০১২] ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/imran-mahmudblog/29529103 http://www.somewhereinblog.net/blog/imran-mahmudblog/29529103 2012-01-25 17:36:23
অনন্য কিছু ফটো আর ফটোগ্রাফারের কথা
‘বিহাইন্ড ফটোগ্রাফ’ একটি অসাধারণ প্রজেক্টের নাম। এর ব্যাপ্তি অন্যান্য প্রজেক্টের চেয়ে একটু আলাদা। ‘আনসাং হিরো দের গান গাওয়া’ র মতোও বলতে পারেন অনেকটা। জগদ্বিখ্যাত অনেক ছবিই আমরা চিনি, যেমন ধরুন তিয়েনআমেন স্কয়ারের সেই ট্যাংক-মানবের ছবি, কিংবা আফগানিস্তানের সেই কিশোরীর ছবি। কিন্তু এর পেছনের কারিগরদের আমরা অনেকেই চিনি না, তারা ঝলমলে জগতে রয়ে যান বাতির সলতের নিচেই।

ঠিক এমনই কিছু মানুষদের নিয়ে কাজ করছেন ফটোগ্রাফার টিম ম্যান্টনি। তিনি ফটোগ্রাফি করেন ফটোগ্রাফারদের নিয়ে। অর্থাৎ তিনি ছিবি তোলেন তাদের, যারা শুধুই ছবি তোলে। এমনই একটা প্রজেক্টের নাম ‘বিহাইন্ড ফটোগ্রাফ’। কিছুদিন আগে বিখ্যাত কিছু ফটোগ্রাফারকে তিনি অনুরোধ করেন তাদের তোলা সবচেয়ে বিখ্যাত ছবি নিয়ে মডেল হতে। নিচে দেখুন সেরকম কয়েকটি ব্যাতিক্রমধর্মী ছবি।

.
.
.
ফটোগ্রাফার জেফ ওয়াইডেনার ধরে আছেন ১৯৮৯ তে তোলা চীনের তিয়েনআমেন স্কয়ারে তোলা, সকল বাধা বিপত্তিকে তুচ্ছ করে ফলের বাক্স হাতে সাধারণ এক মানুষের ট্যাংকের সামনে বুক চিতিয়ে দাঁড়ানোর ছবিটি। পরবর্তীতে আর কোন হদিস পাওয়া যায়নি সাহসী এই লোকটির।

.
.
.
‘বিটলস’ এর স্বর্ণযুগের প্রথম দিককার ছবি এটি। তাদের ম্যানেজার এইমাত্র জানালেন, আমেরিকান টপচার্টে বিটলস এখন নাম্বার ওয়ান। ছবিটি ধরে আছেন হ্যারি বেনসন।

.
.
.
লয়েল ওয়েরকো ধরে আছেন তাঁর তোলা ৯১১ এ অসাধারন একটি মুহূর্তের ছবি

.
.
.
এ ছবিটা ভিরাঙ্গায় (কঙ্গো) তোলা, ভিরাঙ্গা হলো আফ্রিকার প্রথম ন্যাশনাল পার্ক। এখানকার ‘সিলভারব্যাক গরিলা’ অন্যতম বিলুপ্তপ্রায় বন্যপ্রাণী, সারা বিশ্বে আছে মাত্র ৩৬ টি। প্রথম যখন এ পার্কটি প্রতিষ্ঠা হলো, স্থানীয় চোরাচালানকারীরা অনেকেই সংরক্ষিত বনাঞ্চলকে মেনে নিতে পারেনি। তাদের করেকজন একবার কয়েকটি সিলভারব্যাক গরিলা মেরেও ফেললো। উপায়ান্তর না দেখে বনবিভাগ গরিলাগুলোকে আরও নিরাপদ কোন স্থানে স্থানান্তর করার সিদ্ধান্ত নেন। প্রায় তিনশ কেজির গরিলাকে অচেতন করে, দুর্গম আর পাহাড়ী খানাখন্দকে ভরা সেই স্থানান্তর প্রক্রিয়াতে প্রাণ যায় বেশ কিছু কর্মীর। আলোকচিত্রী বেন স্টিরটন ধরে আছেন তার তোলা সেরকম একটি চিত্র।

.
.
.
আমার সাথে কাটানো মেরিলিন মনরোর একটি সন্ধ্যা – মন্তব্য করেছেন ফটোগ্রাফার ডগলাস কির্কল্যান্ড

.
.
.
১৯৯৩ সালে ন্যাশনাল জিওগ্রাফিক পত্রিকায় বিড়াল নিয়ে সিরিজ প্রকাহনার সময় তোলা ছবি এটি। শর্ত ছিল, প্রচলিত ফর্মাল কোন বিড়ালের ছবি তোলা যাবে না।
বিড়াল নাকি সবসময় ব্যালেশিল্পীর পায়ে পায়ে থাকে, দেখা গেলো, আসলেও তাই ! ছবি তুলেছেন ক্যারেন কোয়েন।

.
.
.
ঘাতকের হাতে কেনেডির মৃত্যুর ঠিক পরমুহূর্তের ছবি এটি (৫ জুন ১৯৬৮)। তুলেছেন বিল এপ্রিজ

.
.
.
দোর্দন্ডপ্রতাপ আলীর সাথে সেসময়কার আরেক সুপারস্টার বক্সার সানি লিস্টন এর বিখ্যাত ছবি। তুলেছেন নীল লীফার

.
.
.
এবং এই ছবিটি। সেভিয়েতবিরোধী যুদ্ধে যুদ্ধবিধ্বস্ত আফগানিস্তানের সমস্ত শংকা, ঘৃণা আর হতাশা যেন মিশে আছে এই কিশোরিটির চোখের তারায়। ছবিটি তোলা হয় ১৯৮৪ সালে। শরবত গুলা নামের এই কিশোরীকে তারপর ১৮ বছর পরে আবার খুঁজে পান ফটোগ্রাফার স্টিভ ম্যাককারি।

.
.
.
.
.
সময় পেলে আরো লিখব, আজ এ পর্যন্তই
লেখাটি পূর্বে এই ব্লগেও প্রকাশিত]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/imran-mahmudblog/29526534 http://www.somewhereinblog.net/blog/imran-mahmudblog/29526534 2012-01-21 19:49:42
পানির ফোঁটায় অসাধারন কিছু ছবি
তার ছবি তোলার বিষয়বস্তু আর কিছুই না, সামান্য এক ফোঁটা পানি। শুনলে হাসি পাবে, কিন্তু আসলে একফোঁটা পানিই তার মডেল। এর সাথে উপকরণ হিসেবে থাকে একটা হাইস্পীড ক্যামেরা আর কিছু ব্যাকগ্রাউন্ড।

এবার দেখে নিন তার তোলা অসাধারণ কিছু ছবি।


















কেমন দেখলেন? তাহলে দেখে নিন কোন সেই স্টুডিও যেখানে মার্কাস র‍্যুগেলস ছবি তোলেন




এ ধরনের আরও ছবি পাবেন এখানে
http://www.flickr.com/photos/maianer/
এবং এখানে
http://www.markusreugels.de/refraktion.html

ফটোগ্রাফার মার্কাস র‍্যুগেলস এর ওয়েবসাইট
http://www.markusreugels.de/refraktion.html






লেখাটা একই সাথে এই ব্লগেও প্রকাশিত



]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/imran-mahmudblog/29517577 http://www.somewhereinblog.net/blog/imran-mahmudblog/29517577 2012-01-06 21:51:44
দেখে নিন এবছরের অনন্যসাধারন ৪৫ টি ছবি [রিপোস্ট]

গ্রাউন্ড জিরো তে সন্তানের নামের ওপর চুমু খাচ্ছেন এক বাবা





তাহরীর স্কয়ারে মুসলমানরা নামায পড়ছে, আর তাদের নিরাপত্তার দায়িত্ব পালন করছে খ্রিস্টানরা





মধ্যপ্রাচ্যের আন্দোলনে একটা বড় ভূমিকা পালন করেছে ফেসবুক। এ প্ল্যাকার্ডটি যেন তারই প্রতীক





জাপানে তেজস্ক্রিয়তার কারণে আলাদা করে রাখা এক নারী ও তার কুকুর



আরো ছবি দেখুন এখানে
Click This Link


]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/imran-mahmudblog/29512344 http://www.somewhereinblog.net/blog/imran-mahmudblog/29512344 2011-12-29 19:43:53
দেখে নিন এবছরের অনন্যসাধারন ৪৫ টি ছবি

গ্রাউন্ড জিরো তে সন্তানের নামের ওপর চুমু খাচ্ছেন এক বাবা





তাহরীর স্কয়ারে মুসলমানরা নামায পড়ছে, আর তাদের নিরাপত্তার দায়িত্ব পালন করছে খ্রিস্টানরা





মধ্যপ্রাচ্যের আন্দোলনে একটা বড় ভূমিকা পালন করেছে ফেসবুক। এ প্ল্যাকার্ডটি যেন তারই প্রতীক





জাপানে তেজস্ক্রিয়তার কারণে আলাদা করে রাখা এক নারী ও তার কুকুর



আরো ছবি দেখুন এখানে
Click This Link]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/imran-mahmudblog/29512135 http://www.somewhereinblog.net/blog/imran-mahmudblog/29512135 2011-12-29 13:40:00
বছরের সেরা ত্রিশটি ছবি ও তাদের পেছনের গল্প

১.
প্রতিবাদমুখর এক আন্দোলনকারী জ্বলন্ত আগুনের মুখে দাঁড়িয়ে
Cairo, Egypt 1/28/2011





২.
তিউনিসিয়ায় জনতা-পুলিশ সংঘর্ষে এক সৈন্য জনতাকে শান্ত করার চেষ্টা করছে
Tunis, Tunisia 1/14/2011





৩.
সিরত শহরে এক বিদ্রোহী ক্রাচে ভর দিয়ে রকেট লঞ্চার চালাচ্ছে
Sirte, Libya 9/24/2011



বাকি ছবিগুলো দেখুন এখানে

Click This Link
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/imran-mahmudblog/29509811 http://www.somewhereinblog.net/blog/imran-mahmudblog/29509811 2011-12-25 14:33:16
নিকুচি করি সাহিত্যের
লিখিবার বিষয় নির্ধারণ করা হইয়াছে ‘শীতকাল’। ইহা লইয়া লিখিবার তেমন কিছু পাইতেছি না। এদিকে না লিখিলেও বিপদ। ভাবিলাম, যেনতেন প্রকারে কিছু একটা লিখিয়া দিই। যা প্রথমেই মাথায় ঢুকিল তাহা হইল কবিতা। তাও যে সে কবিতা নহে, একেবারে আধুনিক উত্তুঙ্গ কবিতা। ‘কোনও এক শীতের সকালে তোমারে দেখিয়াছি আমি গহীন নীরব অরণ্যে’, এই জাতীয় কতিপয় ছত্রও লিখিলাম। কিন্তু ওই পর্যন্তুই, কলম আর আগাইল না। ক্ষণকাল পরে ভাবিলাম গদ্য লিখিব। নতুন উদ্যমে কাগজ কলম লইয়া বসিলাম, যেন জগতের শ্রেষ্ঠ গদ্যটি এইমাত্র এইখানে প্রসূতঃ হইবে। কিন্তু বিধি বাম। সাহিত্যে যে এখনও অ আ ক খ স্তর পার করিতে পারে নাই, তাহার হাতে গদ্য! গোবরে কষ্টেসৃষ্টে যদিও বা পদ্মফুল ফোটানো যায়, বহুক্ষণ পন্ডশ্রম করিতা এতটুকুন বুঝিলাম, গদ্য আমার জন্য নহে।

শেষবেলায়, যাহা বাকি থাকে তাহা হইল প্রবন্ধ। এই ফাঁকে একটি কথা বলিয়া রাখি, আগামী পরশুদিন আমার কলেজে সাময়িক পরীক্ষা আরম্ভ হইবে। বছরব্যাপিয়া বাউন্ডুলেপনা করিয়া বেড়াইয়াছি, এইবার মনা পড়িয়াছে ফান্দে। মাতামহোদয় অবশ্য আমার ওপর বড়ই প্রীত। তিনি ভাবিতেছেন, তাহার বাউন্ডুলে ছেলেটি বুঝি এইবার পরীক্ষার জন্য হইলেও বশ মানিল। কিছুক্ষণ পরপরই তিনি দুধ, চানাচুর ইত্যাদি টেবিলে রাখিয়া যাইতেছে। যদিবা ঘুণাক্ষরেও তিনি টের পাইতেন তাহার গুণধর ছেলেটি খাতায় মুখ গুঁজিয়া পড়াশুনার নাম করিয়া কী কুকীর্তি করিয়া চলিতেছে, তাহা হইলে বোধকরি তিনি মনে দুঃখে বাড়ি ছাড়িতেন।

যাহা হউক, ইত্যবস্যরে ‘শীত’ নামক প্রবন্ধ লইয়া কিছুদূর আগানো গেল। প্রবন্ধের রূপ দেখিয়া আমি নিজেই মুগ্ধ। মনে ফুর্তি, বুঝিবা অদূর ভবিষ্যতে রবীন্দ্র-নজরুলের যুগ শেষ হইল বলিয়া! দ্বিগুণ উৎসাহে লিখিতে থাকিলাম। যখন প্রায় শেষ করিয়া আনিয়াছি, এমন মুহূর্তে ঘটিল সেই ঘটনা। ইহার জন্য আমি নিয়তিকেই দায়ী করিব, নতুবা কেনই বা তখন আমি প্রবন্ধখানা জোরে জোরে পড়িতেছিলাম, আর কেনই বা ঠিক তখনই পিতৃমহোদয় ঘরে ঢুকিলেন। আর পিতৃমহোদয়, উহার কথা আর নাই বা বলিলাম, যিনি সাহিত্যকে বলেন ছাগলের খাদ্য, তাহার সামনে প্রবন্ধ পাঠ! পৃষ্ঠদেশে বেত্রাঘাতের দাগ আর ব্যাথা লইয়া সেই রাতে আমি দুই চোখ এক করিতে পারি নাই।

পরের দিন সকাল হইতে বাড়ির সদস্যদের সাহিত্যকর্ম লইয়া টিপ্পনি, বেত্রাঘাত লইয়া অবিরাম হাসাহাসি চলিতেছিল। ঘরের এক কোণে মুখ চুন করিয়া বসিয়া থাকা ছাড়া আমার আর কোন গত্যন্তর ছিল না। অবশেষে আমিও ‘নিকুচি করি সাহিত্যের’ বলিয়া দরজা বন্ধ করিয়া পদার্থবিজ্ঞান পড়িতে বসিলাম। ফলে, অকালমৃত্যু ঘটিল এক উদীয়মান জ্যোতিষ্কের, বিশ্ব হারাইল এক অমূল্য রত্ন।

আর আমি হারাইলাম? থাক, তাহা আর নাই বা বলিলাম।
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/imran-mahmudblog/29313436 http://www.somewhereinblog.net/blog/imran-mahmudblog/29313436 2011-01-24 15:39:23
ঘটলো কি?
ক্লাসের বেশিরভাগ ছেলেমেয়ের ধারণা আমি সকালের ক্লাসে কখনই সময়মতো আসতে পারিনা। কথায় যে কিছুমাত্র সত্যতা নেই, তা নয়। প্রায় দিনই দেখা যায়, সকালের ক্লাসের মাঝামাঝি বা শেষের দিকে আমি হাঁপাতে হাঁপাতে হাজির।

কি ঘটনা? স্যারের এ কোশ্চেনের জবাবে রাস্তায় জ্যাম, বাস এক্সিডেন্ট বা ‘পারিবারিক কাজ’ জাতীয় এক্সকিউজ যা মুখে আসে একটা বলে ফেলি। স্যারের চেহারা ভাবলেশহীন থাকলেও পেছনে ক্লাসভর্তি ছেলেমেয়ের মুখটিপে হাসা দেখে বুঝতে পারি, কথাগুলো মোটেও মার্কেট পায়না।

তো সেই আমিই যখন সেদিন সকালের ক্লাসে টাইমলি হাজির হলাম, অনেকের চোখ বিষ্ময়ে কপালে উঠলো। অনেকের বিষ্ময়ধ্বনি আর ছানাবড়া চোখকে উপেক্ষা করে ‘ভাবের সাথে’ সবার সামনের বেঞ্চে ব্যাগ রাখলাম। ক্লাসসুদ্ধু ছেলেমেয়ের দৃষ্টি তখন আমার দিকে। অনেকের মুখই প্রশ্ন করার জন্য হাঁ হয়ে ছিলো। অনেকে পশ্চিম আকাশে মুখ করে সূর্য খুঁজতে লেগে গেলো(সূর্য পশ্চিম দিকে উঠেছে কিনা দেখার জন্য। কি ফাজিল!)। যাই হোক , আমি হাত তুলে সবাইকে আশ্বস্ত করলাম। বললাম, তাড়াতাড়ি আসার পেছনে দৈব বা অলৌকিক কোন কারণ নেই। আমি একান্ত নিজের ইচ্ছায় এসেছি এবং আমি চাইলেই তা পারি। তবে আজ আমার একটি বিশেষ দিন এবং তা তোদের সাথে শেয়ার করার জন্যই আগে এলাম।

একজন ফস করে বলে বসলো, তোর জন্মদিন, তাই না? বললাম , লোকে যে তোকে গাধা বলে , এমনি এমনি বলে না। জন্মদিন হলে আমি কেক নিয়ে ঢুকতাম না?

“তাহলে কি .........কাউকে প্রপোজ টপোজ করেছিস নাকি?” আরেকজন বললো। বললাম, দ্যাখ, ডিসেন্ট একটা ছেলে হিসাবে যে ইমেজ আমার আছে, এক নিমিষে তা শেষ করে দেয়ার কোনো অধিকার তোর নেই।

চাকরি পেয়েছিস? বাতিল। লটারি জিতেছিস? বাতিল। বিয়ে করেছিস? বাতিল।

“তো কি?......... কি এমন রাজকার্যটা সেরে এসেছেন যে এত ভনিতা করতে হবে?” একজন বললো, অনেকটা রাগতঃস্বরেই।

বুঝলাম, ধৈর্যের বাঁধন যায় যায়। এখন না বললে কিল আর হিল একটাও মাটিতে পড়বেনা।

বললাম , শোন.........

(আজ এ পর্যন্তই)]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/imran-mahmudblog/28978272 http://www.somewhereinblog.net/blog/imran-mahmudblog/28978272 2009-07-14 19:34:52
হারেনি ভারত হারেনি পাকিস্তান জিতেছে ক্রিকেট এমনই এক খেলা , শেষ হবার পরও যার রেশ লেগে থাকবে বহুক্ষণ। শুধু মনে হবে , কি দেখাইলা !
কাকে সেরা বলবেন , টিম ইন্ডিয়ার প্ল্যানড ব্যাটিং নাকি পাকিস্তানি ইনডিভিজুয়াল পারফর্ম্যান্স?
কাকে সেরা মানবেন , ইরফান পাঠানের স্বপ্নের স্পেল নাকি মিসবাহ'র হার না মানা সংগ্রাম?
কাকে দুষবেন, হরভজনের দুই ছক্কা হজম নাকি আফ্রিদির সিলভার(?) ডাক ?
কাকে দেখবেন , গ্যালারী মাতানো উদ্দাম নৃত্য নাকি হাতজোড় করে প্রার্থনা করতে থাকা পাকিস্তানী অফিসিয়াল?
এর যে কোন একটিই যথেষ্ট কোন খেলাকে জমিয়ে দিতে। অথচ সবগুলোই পাওয়া গেলো শ্বাসরুদ্ধকর পাক-ভারতের এই অন্যরকম যুদ্ধে।
এটাই আনপ্রেডিক্টিবলিটি, এটাই গৌরবময় অনিশ্চয়তা, এটাই দমবন্ধ উত্তেজনা এটাই ক্রিকেট । টিভিতে ভারতকে দেখিনি পাকিস্তানকে দেখিনি দেখেছি ক্রিকেট।
আর তাই
হারেনি ভারত হারেনি পাকিস্তান জিতেছে ক্রিকেট
হারেনি ভারত হারেনি পাকিস্তান জিতেছে ক্রিকেট]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/imran-mahmudblog/28733355 http://www.somewhereinblog.net/blog/imran-mahmudblog/28733355 2007-09-24 22:47:26
ভালো লাগার মতো গান.....শুনছি আর শুনছি.....শুনে দেখতে পারেন লিংক
http://tinyurl.com/27y5ad
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/imran-mahmudblog/28724208 http://www.somewhereinblog.net/blog/imran-mahmudblog/28724208 2007-08-04 22:34:34
কেন লিখবেন ?
আপনার যদি কোন মিশন থাকে, আপনি যদি মানুষকে শুদ্ধ-সংস্কৃত করতে চান, আপনি যদি সমাজ সংস্কার করতে চান, আপনি যদি মানুষকে আপনার আদর্শের প্রতি উদ্বুদ্ধ করতে চান, তবে লিখুন। আপনি যদি মানুষকে আপনার পথে আনতে চান, কোনো অন্যায়ের বিরুদ্ধে উত্তেজিত করতে চান, কিংবা যদি চান কোন যালিমের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ করতে, তবে লিখুন। আপনার উদ্দেশ্য হাসিলের জন্য লেখা দারুণ কার্যকর শক্তি। সুতরাং আসুন আমরা লিখি।

এক্ষেত্রে ব্লগ হতে পারে চমৎকার একটি মাধ্যম।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/imran-mahmudblog/28720085 http://www.somewhereinblog.net/blog/imran-mahmudblog/28720085 2007-07-08 20:36:29
একটি ভালো কথা একটি ভালো গাছের মতো!
কী অনুপম উপমা! আপনার মনকে কি নাড়া দেয়না? আপনার হৃদয়াবেগ জাগ্রত করেনা ? একটু গভীরে যার শিকড়, হালকা বাতাসে তো দূরের কথা, তুফানেও সে টলেনা। শাখা বিস্তার করে দিয়ে সে মানুষের জন্য ছায়া ঘেরা নিসর্গ তৈরি করে রেখেছে। বারো মাস সে সরবরাহ করে যায় ফল আর ফল।
আপনার একটি সুন্দর কথা, একটি ভালো কথা ঐ গাছটির মতোই কল্যাণময়। আপনার একটি সুন্দর কথা ঐ গাছটির মতোই হতে পারে শন্তির বাহক, কল্যাণের কাসিদা, আনন্দের দূত আর অফুরন্ত সুফলদায়ক।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/imran-mahmudblog/28719865 http://www.somewhereinblog.net/blog/imran-mahmudblog/28719865 2007-07-07 20:27:39