আজ আমার মাস্টার্স এর কমপ্রিহেনসিভ পরীক্ষার ডেট ছিল। কিন্তু গতকাল শুনেছিলাম ঢাবির সব পরীক্ষা ৫ তারিখ পর্যন্ত স্থগিত হয়েছে। তাই সকালে ঘুম থেকে উঠলাম সাড়ে নটায়। এর পর হাতমুখ ধুয়ে ১০টার দিকে যখন নাস্তা করতে বেরুবো ঠিক তখন ফোন আসল পরীক্ষা আজই হবে এবং আধা ঘন্টার মধ্যে। তো তাড়াতাড়ি করে কাপড় চেঞ্জ করছি তখন আবার ফোন। পরীক্ষা এখনই শুরু হবে। আমার জন্য ওয়েট করা হচ্ছে। দ্রুত বের হয়ে একটা সি.এন.জি নিলাম। ফার্মগেটে থাকি। সি.এন.জি সোনারগা সিগনালে আসতেই আবার ফোন। আমি কতদূর ? যাই হোক আধা ঘন্টারো বেশি সময় পরে হলে উপস্থিত হলাম। গিয়ে দেখি সবাই আমার খোজ করছে। আমার জন্যই পরীক্ষা শুরু হতে পারছে না। সবাই হালকা বকাঝকা করল কেননা সবাই আমার জন্য বসে ছিল। পরীক্ষা শেষ করে যখন বেরুচ্ছিলাম তখন স্যার বললেন সবাইকে যেন আমি নাস্তা করাই দেরী করানোর জন্য।
এক ঝামেলা শেষ করে গেলাম সমাবর্তনের ফর্ম কিনতে। যথারীতি বেশ বড় লাইন। মেয়েদের লাইন কিছুটা ছোট। সে লাইনে আবার আমাদের পরিচিত দুইজনকে পাওয়া গেল। তো তাদের হাতে আমাদের ৭জনের টাকা দেয়া হলো। তারা নিজেদের সাথে আমাদের ফর্মগুলোও কিনে আনলো। ফর্মগুলো নিয়ে যখন রেজিস্টার্ড বিল্ডিং থেকে বেরোলাম ফর্মের ২য় পাতা খুলে আমাদের আক্কেল গুড়ুম!! সবগুলো ফর্মে লেখা ছাত্রীদের জন্য। আমাদের দলে মাত্র একজনই মেয়ে বাকী সবাই ছাত্র। এখন কি করি?? শেষে অতিরিক্ত ফর্ম গুলো লাইনে দাড়ানো আপুদের কাছে বিক্রি করে পূনরায় ছেলেদের লাইনে দাড়িয়ে যখন ফর্ম হাতে পেলাম তখন আমাদের পেছনে লাইনে আর কোন লোকই নেই। কত সৌভাগ্যবানই না আমরা!!!

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


