somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

কিছু ১৮+++ (বেরসিকদের প্রবেশ নিষেধ!!) পর্ব-১ :):P:D;):D

১৪ ই জুন, ২০১১ রাত ১১:১৩
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

*****
১/ এক লোক বাজারে গেছে মুরগী কিনতে।
সে মুরগিওয়ালাকে বলল একটা রাজশাহীর মুরগী দেও। মুরগিওয়ালা একটা মুরগি দিয়া বলল এই নেন রাজশাহীর মুরগি।
লোকটা মুরগীর পাছা দেখে কইলো। অই মিয়া এইডা তো রাজশাহীর মুরগী না। এটা যশোর এর মুরগী।

মুরগিওয়ালা অনেক খুজে আরেকটা মুরগি দিয়া কইলো এই নেন রাজশাহীর মুরগি।
লোকটা আবার মুরগীর পাছা দেখে কইলো, ধুর মিয়া এইডাও তো রাজশাহীর মুরগি না। এটা ফরিদপুরের এর মুরগী।

মুরগিওয়ালা এবার অনেক ক্ষন খুজে আরেকটা মুরগি দিয়া কইলো এই নেন এইটাতো রাজশাহীর মুরগি হইবোই।
লোকটা এবার রাইগা কইলো। কি মিয়া? কি ব্যবসা কর একটা মুরগিও চিনো না। তোমার বাড়ি কই?
এইবার মুরগিওয়ালা পিছন ফিরে লুঙ্গি উপরে তুইলা কইলো আপনেই দেইখা কয়া দেন আমার বাড়ী কই? :D

*****
২/ আব্দুল রাস্তা দিয়ে হেটে যাচ্ছে। এক পিচ্চি তাকে প্রশ্ন করল," কয়টা বাজে?"
-পৌনে তিনটা
- তিনটা বাজলে আমার পাছায় একটা চুমো দিও।
এই কথা বলেই পিচ্চি দিয়েছে দৌড়। আব্দুল রেগে গিয়ে তার পিছে পিছে দৌড়াচ্ছে।

...পথে বাবলুর সাথে ধাক্কা খেল।
বাবলু- কিরে দোস্ত, দৌড়াস কেন?
- আরে হালার পিচ্চি কয় তিনটা বাজলে ওর পাছায় চুমু খেতে...
- এই জন্য দৌড়াচ্ছিস!! এত তাড়াহুড়া কিসের শুনি ???? তিনটা বাজতে এখনো দশ মিনিট বাকি :)

*****
৩/ লিফটে ওঠার সময় সুমন এর চোখ পড়ল যে , লিফটে খুব সুন্দর ফিগারের এক মেয়ে দাড়িয়ে আছে । লিফটে ঢুকেই সুমন ওই মেয়ের পাশে গিয়ে দাড়ালো , তারপর আসতে করে তার হাতের কনুই দিয়ে মেয়েটার বুকে চাপ দিল ।

চাপ দিয়েই সুমন বলল , '' সরি , গুতো টা ইচ্ছে করে লাগে নি , আপনার মন যদি আপনার বুকের মত নরম হয় , তবে মাফ করে দিয়েন ''

তৃতীয় তলায় নেমে যাবার আগে মেয়েটা সুমনের দিকে ঘুরে বলল , '' আপনার অইটা যদি আপনার কনুইটার মত শক্ত হয় , তবে আমার রুম নাম্বার ৩২১ ' ;)

*****
৪/ এক ভদ্র মহিলা প্রচন্ড জোরে কাঁদছেন শুনে একজন জিজ্ঞেস করলো
-ম্যাডাম আপনি কাঁদছেন কেন?
-কী বলবো! গতকাল ডাকাত পড়েছিল আমার ঘরে,সমস্ত গয়না ডাকাতি করে নিয়ে গেছে।
-যাক! ইজ্জতটা তো বেঁচেগেছে!
- ওটা বেচেইতো গয়না কিনেছিলাম!! ;)

*****
৫/ শাকিব খান ফাদারের কাছে গিয়ে বলল , '' ফাদার , আমার দুইটা মেয়ে তোতা আছে,কিন্তু ওরা একটা কথা ছাড়া আর কিছুই বলেনা ।''
ফাদার বললেন , ''কি বলে ওরা??
শাকিব খান বললেন ,' ওরা খালি বলে ...''হেই , আমরা দুই নষ্টা , আস ফুর্তি করি '' ।
ফাদার বললেন , ''খুব খারাপ কথা ..... তবে আমার আরো দুইটা পুরুষ তোতা আছে , ওরা সারাদিন প্রভুর নাম জপ করে ...ওদের সাথে রাখলে তোমার মেয়ে তোতাগুলো আর খারাপ কথা বলবেনা ..... ভালো হয়ে যাবে ''
এই বলে ফাদার ওই মেয়ে তোতা দুইটা কে পুরুষ তোতা দুইটার খাচায় ঢুকিয়ে দিলেন। তখনও পুরুষ তোতা দুইটা চোখ বন্ধ করে অন্যদিনের মতই জপ করছিল । ঢুকিয়ে দেওয়ার পরপরই অন্যদিনের মতই মেয়ে তোতা দুইটা পুরুষ তোতা দুইটার দিকে চোখ মেরে বলল , '' হেই , আমরা দুই নষ্টা , আস ফুর্তি করি ''
সাথে সাথে একটা পুরুষ তোতা তার চোখ খুলে অন্য তোতা কে বলল , '' দোস্ত , এইবার জপ করা বন্ধ করতে পারস , আমাগো দীর্ঘদিনের আশা পূর্ণ হইসে। B-)

*****
৬/ ইংরেজ শাসন আমলের রাজস্থানের মরুভুমিতে একটা দুর্গ। সেইখানে সেনাপতি হয়ে এসেছে জাত্যাভিমানী এক ইংরেজ যুবক। এসেই শুরু করছে হম্বি-তম্বি। এরে ধমকায় ত ওরে মারে। কোনো কিছু তার পছন্দ হয় না। ইন্ডিয়ানদের রুচি নাই। চোর-বাটপার সব কয়টা। প্রথম দিনেই দুর্গ পরিদর্শনের সময় সেনাপতি দেখে একটা উট বাধা। " ওই হারামজাদা। উট এইটা কিসের জন্য? " একজন কাচুমাচুভাবে বলল " আমরা তিন-চার মাস একটানা দুর্গে থাকি। এইখানে কোনো মেয়ে নাই। সৈনিকরা মাঝে মাঝে খুব একা বোধ করলে এই উট ব্যাবহার করে। " সেনাপতি ত bloody indian দের কথা শুনে থ। শুয়োরের বাচ্চারা উটকে "কামে" লাগায়...ছি ছি ছি। সে কড়া নির্দেশ দিলো যে এরপর কোনো নেটিভ হারামজাদা উট ব্যাবহার করলে তাকে ঝুলিয়ে পিটানো হবে। যাই হোক তার কড়া শাসনে দুর্গে নিয়ম-শৃংখলা ফিরে আসলো। সবাই সোজা। সব কিছু ঠিকমত চলছে। মাসের পর মাস যাচ্ছে।

এক সময় সেনাপতির একা একা লাগা শুরু করল। শালার একটা মাইয়া দেখি নাই গত চার মাস। আরো এক মাস গেলো। একদিন সকালে সে হুকুম দিলো, শুয়োরের বাচ্চারা, উটটা নিয়ে আয় আমার তাবুতে। কিছুক্ষন ধস্তা-ধস্তি হল। উটের চিৎকার শুনা গেল। এরপর সেনাপতি প্যান্টের চেইন লাগাতে লাগাতে বের হয়ে আসল। বড় বড় চোখ করে bloody indian গুলো তাকিয়ে আছে। এদের দিকে তাকিয়ে সেনাপতি বলল

- খারাপ না, তোরাও কি এইভাবেই ব্যাবহার করিস?
- না হুজুর। আমরা এইটাতে চড়ে মাইলদুয়েক দুরের একটা শহরে যাই। :P

*****
৭/ হাসপাতালে এক মেয়ের বাচ্চা হয়েছে। বাচ্চাকে মা থেকে পৃথক রুমে রেখে নার্স তাকে খবর দিলো, "আপনার ছেলে হয়েছে। আপনার স্বামীকে দেখছিনা যে?"
মেয়ে, "ইয়ে মানে, আমার বিয়ে হয় নি।"
নার্স, "তাহলে আপনার বয়ফেন্ড/পার্টনার কোথায়?"
মেয়ে, "আমি একা।"
নার্স, "ও আচ্ছা। আপনার ব্যক্তিগত বিষয় নিয়ে কথা বলার জন্য দুঃখিত। কিন্তু আপনার জানা জরুরী যে আপনার ছেলেটি কিন্তু কালো হয়েছে!"
মেয়ে, "আসলে হয়েছে কি জানেন, গত বছর আমি খুব টাকার অভাবে ছিলাম। টিউশন ফি দিতে পরছিলাম না। তাই বাধ্য হয়ে একটি পর্ন মুভিতে কাজ করতে হয়েছিলো! আর ওখানে এক নিগ্রো ছিল!"
নার্স, "আমি আসলেই দুঃখিতো। আপনার মতো অবস্থায় পড়লে যে কেউ এই কাজ করতো। আরেকটি কথা হলো আপনার ছেলেটি ব্লন্ড চুল পেয়েছে!"
মেয়ে, "না মানে ঐ মুভিতে এক সুইডিস লোকও ছিলো!"
নার্স, "ও! আমি দুঃখিত যে আমার জন্য আপনাকে ঐ সব স্মৃতি মনে করতে হচ্ছে। তবে আপনার ছেলের চোখ কিন্তু খুব ছোট ছোট!"
মেয়ে, "ইয়ে মানে ওখানে একজন জাপানি লোকও ছিলো!
আপনার কি আরো কিছু বলার আছে?"
নার্স, "না না আর কিছু না!"
মেয়ে, "আমি কি আমার ছেলেকে দেখতে পারি?"
নার্স, "জি অবশ্যই পারেন। আমি নিয়ে আসছি।"

নার্স ছেলেটিকে এনে মেয়েটির কোলে দিলো। মেয়েটি বাচ্চা টিকে কোলে নিয়েই গালে জোরে একটা চড় বসিয়ে দিলো এবং বাচ্চাটি চড় খেয়ে জোরে কেঁদে উঠলো!

নার্স হতবম্ভ হয়ে ছেলেটিকে মেয়ের কাছ থেকে নিয়ে নিলো এবং বললো, "এ আপনি কি করছেন?"
মেয়েটি তখন স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলে বললো, "উফফ! বাঁচা গেলো! আমি তো ভেবেছিলাম কুকুরের মতো ঘেউ ঘেউ করে উঠবে!!" ;)

*****
৮/ একজন স্ট্রীট ম্যাজিশিয়ান ম্যাজিক দেখাচ্ছেন কোন এক আবাসিক এলাকার এক রাস্তার উপরে। সবাই সাগ্রহে তাকে ঘিরে আছে। মূল আকর্ষণ হচ্ছে নাকি তার ম্যাজিক স্পেল আউড়ানোর সাথে সাথে কোথাও নাকি কিছু দাঁড়িয়ে যাবে আর সবাই মিলে যদি ফুঁ দেয় তবে তা বসে পড়বে।

প্রথম বারঃ হ্রিঙ্গা ত্রিঙ্গা ছট্টে... সামনে দাঁড়িয়ে থাকা বাচ্চাটির পকেট থেকে পেন্সিলটি উঠে দাঁড়িয়ে গেলো। সবাই মিলে একযোগে ফুঁ... বসে পড়লো পেন্সিলটি তার জায়গায়।

দ্বিতীয় বারঃ ম্যাজিশিয়ানের মন্ত্র... মাঝখানে দাঁড়িয়ে থাকা একজন ভদ্রমহিলার মাথা থেকে তার হেয়ার পিনটি উঠে দাঁড়ালো। সবাই আবারো ফুঁ... বসে পড়লো হেয়ার পিন।
শেষ বারঃ মন্ত্র পড়া শেষ... সবাই ফুঁ দেবার অপেক্ষায়... কিন্তু কেউ বুঝতে পারছে না কোথায় কি দাঁড়ালো...!! আকস্মিক ভাবেই পাশের এক বাড়ীর দরজা খুলে একজন ৮৫ বছরের বৃদ্ধ বেরিয়ে এসে হাঁক ছাড়লেন, "এই পাঁজির দল, নচ্ছার গুলো, খবর্দার বলে দিচ্ছি, কেউ কিন্তু ফুঁ দিবি না হতচ্ছাড়ারা"...!! :D

*****
৯/ পার্কে একটা বিরাট কুকুর নিয়ে বসে আছে বাবু। এক তরুণী যাচ্ছিলো পাশ দিয়ে, দাঁড়িয়ে বললো, ‘বাহ, বেশ তো কুকুরটা!’
বাবু হাসলো। ‘হ্যাঁ। খুব রোমান্টিক ও। আর মেয়েরা তো ওকে খুব পছন্দ করে, দারুণ আদর করতে পারে কি না।
তরুণীর চোখে আগ্রহ ফুটলো। ‘তাই?’ ফিসফিস করে জানতে চাইলো সে।
বাবু বললো, ‘হ্যাঁ, দেখতে চান? চলুন আমার বাসায়।’
বাড়ি ফিরে মেয়েটাকে সাথে নিয়ে নিজের ঘরে এলো সে। মেয়েটাকে জামাকাপড় খুলতে বলে সে কুকুরটার দিকে ফিরলো, ‘কালু, এই আপুটাকে আদর করো তো!’
টমির কোন ভাবান্তর হলো না।
বাবু আবার হুকুম দিলো, তবুও সে গ্যাঁট হয়ে বসে রইলো।
এবার বাবু একটা দীর্ঘশ্বাস ফেলে প্যান্ট খুলতে খুলতে বললো, ‘ঠিক আছে, টমি, তোমাকে দেখিয়ে দিচ্ছি কিভাবে কী করতে হবে, কিন্তু এ-ই শেষবার, বলে দিচ্ছি!’ ;)

*****
১০/ এক ভদ্রলোক বীয়ার ছাড়া কিছু বোঝেন না। সন্ধ্যা হলেই তার বীয়ার চাই। তার মাসের অর্ধেক বেতন চলে যায় পাবে বীয়ারের পেছনে। তার স্ত্রী বেচারা সন্ধ্যায় একা একা থাকতে থাকতে বিরক্ত হয়ে যান, তাই তিনি প্রার্থনা করলেন তার স্বামীকে তার কাছে ফিরিয়ে দিতে। ঈশ্বর প্রার্থনা শুনলেন, তাই একদিন স্বামীর কাছে দেবদূত এল। তাকে বললেন, তোমার একটি ইচ্ছা আমি পূরণ করব। অনেক চিন্তা ভাবনার পর, লোকটি বলল, আমার খালি বীয়ার খাওয়ার শখ, মাসের বেতনের অনেকটাই চলে যায় বীয়ারের পেছনে। এ থেকে আমি বাঁচতে চাই, তাই আমার এমন ব্যবস্থা করে দিন যাতে আমার মূত্রই যেন খুব ভাল বীয়ার হয়ে বের হয়! দেবদূত তার ইচ্ছা মঞ্জুর করলেন। লোকটি সাথে সাথে একটা গ্লাস এনে পরীক্ষা করে দেখলেন। সন্তুষ্ট হয়ে খুশিতে সে সন্ধায় আগে আগে ঘরে ফিরে গেল। স্ত্রী খুবই আনন্দিত হয়ে স্বামীকে সঙ্গ দিতে চাইলেন। স্বামীতো আরও খুশি, তিনি স্ত্রীকে একটা বীয়ারের গ্লাস নিয়ে আসতে বললেন। স্ত্রী দৌড়ে গ্লাস এনে দেখেন স্বামী নগ্ন হয়ে বসে আছেন। স্ত্রী বুঝলেন আজ কিছু একটা হবে, তাই স্বামীকে আরো উত্তেজিত করার জন্য বললেন, তিনিও আজ বীয়ার খেতে চান, আরেকটা গ্লাস নিয়ে আসছেন। স্বামী বললেন, অসুবিধা নেই, ডারলিং, গ্লাস আনতে হবেনা! আজ তুমি সরাসরি ট্যাপ থেকে খাবে! :D
সর্বশেষ এডিট : ১৫ ই জুন, ২০১১ রাত ১২:১৩
১৯টি মন্তব্য ১৯টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

আসলে কেউ ফেরে না।

লিখেছেন রানার ব্লগ, ০৮ ই জুন, ২০২৬ সকাল ৭:০৬

মৃতরা ফিরে আসে না।
ফিরে আসে তাদের ফেলে যাওয়া শূন্যতা,
চায়ের কাপের ধোঁয়া,
অধেক বলা কোনো কথা
অথবা হঠাৎ থেমে যাওয়া কোন সুর

যে প্রেম চলে গিয়েছিল,
সে আর কোনোদিন দরজায় কড়া নাড়ে না।
শুধু একদিন আয়নায়... ...বাকিটুকু পড়ুন

দ্য ড্রাগ কিং

লিখেছেন শাম্মী নূর-এ-আলম রাজু, ০৮ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ১২:১৫


সতর্কবার্তা: এটি একটি সম্পূর্ণ কাল্পনিক ক্রাইম ফিকশন। বাস্তব একটি অপরাধের কাঠামোর ওপর ভিত্তি করে পাঠকদের জন্য এর চরিত্র, নাম এবং স্থান পরিবর্তন করে গল্পটি সাজানো হয়েছে।

খুলনা... ...বাকিটুকু পড়ুন

সামুতে আবারও লিলিপুটিয়ানদের সংখ্যা বেড়ে যাচ্ছে

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ০৮ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ১২:৫৮

আমার গত পোস্টে আলামিন১০৪ নামের এক ব্লগার মন্তব্য করেছেন যে - "এ আই দিয়ে হুমায়ূন আহমেদের মতো লেখা যায়।"
তিনি এ আই-কে প্রম্পট দিয়েছিলেন ' হুমায়ুন আহমেদের মতো গল্প লিখে... ...বাকিটুকু পড়ুন

ইজিবাইক চলাচলের প্রকৃত কর্তৃপক্ষ কে?

লিখেছেন মাহদী হাসান শিহাব, ০৮ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ২:৩৪



দেশের বিভিন্ন শহর ও গ্রামে ইজিবাইক নামে একটি যানবাহন চলাচল করে। কিন্তু এর পরিচালনা, লাইসেন্সিং এবং চলাচলের ক্ষেত্র সম্পর্কে সুস্পষ্ট ও সর্বজনবিদিত কোনো নীতিমালা সাধারণ মানুষের কাছে দৃশ্যমান নয়।

শহরের ভেতরে,... ...বাকিটুকু পড়ুন

মন কথনিকা-৪৮৭৩-৭৪

লিখেছেন কাজী ফাতেমা ছবি, ০৮ ই জুন, ২০২৬ রাত ১০:০৯

মন কথনিকা-৪৮৭৩
তোমার আমার মতামতে আকাশ পাতাল সীমা
আমার বুলি বরফ জলের তোমার যেন বোমা,
তুমি বলো রোদের তেজে আমি বর্ষার মতন
বুকের ভিতর বন্ধু বুঝি পাথর পুষো যতন।

মন কথনিকা-৪৮৭৪
পিঠে ব্যথা ভাল্লাগে না, মন... ...বাকিটুকু পড়ুন

×