“আমার আবিষ্কৃত মেশিনের নাম “এস,ডি,পি পাওয়ার প্লান্ট”। আমার মনে হয় শুধু বাংলাদেশে নয়- সারা পৃথিবীতে এরকম শক্তিশালী মেশিন ইতিপূর্বে আবিষ্কৃত হয়নি। কথাগুলো বলেন তরুণ ক্ষুদে বিজ্ঞানী ও আবিষ্কারক মোঃ শাহিদ হোসেন। তার ভাষ্য, এই মেশিনের বৈশিষ্ট্য হলো দু’টি। প্রথমটি হলো- সামান্য পরিমাণ তেল খরচ করে বিদ্যুৎ উৎপাদন করা যাবে। দ্বিতীয়, বিনা খরচে বিদ্যুৎ উৎপাদন করাও সম্ভব। শাহিদ হোসেন বলেন, বর্তমানে সারাদেশে বিদ্যুৎ ঘাটতি হলো প্রায় ১৩০০ মেগাওয়াট। এই ঘাটতি পূরণ করতে যদি বাংলাদেশ সরকারের খরচ হয় দৈনিক ১০০ টাকা, তবে তার আবিষ্কৃত মেশিন দ্বারা দৈনিক খরচ হবে মাত্র ১ টাকা। বর্তমান নিয়মে প্রায় ১৩০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন করার একটি কেন্দ্র স্থাপন করতে যদি বাংলাদেশ সরকারের ব্যয় হয় ১০০ টাকা, তবে তার আবিষ্কৃত “এস,ডি,পি পাওয়ার প্লান্ট” (১৩০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতা সম্পন্ন কেন্দ্র) স্থাপন করতে ব্যয় হবে মাত্র ৫০ টাকা। তার আবিষ্কৃত “এস,ডি,পি পাওয়ার প্লান্ট” পদ্ধতিতে বিদ্যুৎ উৎপাদন করলে শুধু ১৩০০ মেগাওয়াট নয়, আগামীতে বাংলাদেশে যত মেগাওয়াট বিদ্যুৎ ঘাটতি দেখা দিবে তত মেগাওয়াট বিদ্যুৎ তার উৎপাদিত প্লান্ট হতে ২৪ ঘন্টাই বিদ্যুৎ সরবরাহ করা সম্ভব এবং প্রতি ইউনিট বিদ্যুৎ বিল বর্তমান মূল্যের চেয়ে কম মূল্যে সরবরাহ করা সম্ভব হবে।
১১ই জুন দিনাজপুর প্রেসক্লাবে এক সাংবাদিক সম্মেলনে এ দাবি করেন “এস,ডি,পি পাওয়ার প্লান্টের তরুণ আবিষ্কারক দিনাজপুর শহরের পুলহাট মাঝিপাড়ার বাসিন্দা মোঃ বাবুল হোসেন গুল্লু’র পুত্র মোঃ শাহিদ হোসেন (১৮)।
আবিষ্কারক শাহিদ সাংবাদিকদের বলেন, আমার এই আবিষ্কারের ব্যাপারটি দিনাজপুর বিদ্যুৎ কর্তৃপক্ষকে অবগত করা হলে তারা আমাকে সাংবাদিক সম্মেলনের মাধ্যমে বাংলাদেশ সরকারের বিদ্যুৎ উপদেষ্টা জনাব তপন চৌধুরীকে জানানোর উপদেশ দেন।
শাহিদ হোসেন জানান, তার উদ্ভাবিত পাওয়ার প্লান্টে ব্যয় হয়েছে ২০ হাজার টাকা এবং সেখান থেকে ২৪ ঘন্টা ১ হাজার ওয়াটে বিদ্যুৎ সরবরাহ করছে। উক্ত প্লান্টের জ্বালানি হিসেবে তেল কিংবা সামান্য বিদ্যুৎ ব্যবহার করতে হচ্ছে।
।। ইত্তেফাক : ১২.০৬.০৭ ।।
সর্বশেষ এডিট : ১২ ই জুন, ২০০৭ ভোর ৪:১৬

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



