মহানন্দায় ভারতের পাথর ফেলা নিয়ে ভোলাহাটে বিডিআর-বিএসএফ উত্তেজনা
৩০ শে মার্চ, ২০০৬ সন্ধ্যা ৭:১৬
গতকাল বৃহস্পতিবার সকালে চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার ভোলাহাট উপজেলার জিকে পোল্ললাডাঙ্গা সীমান্তে বিডিআরের বাধার মুখে ভারতীয়রা মহানন্দা নদীতে অবৈধভাবে পাথর ফেলা বন্ধ করতে বাধ্য হয়েছে। এ নিয়ে বিডিআর ও বিএসএফের মধ্যে সীমান্তে উত্তেজনা বিরাজ করছে। উভয়পক্ষ এখন সীমান্তে কড়া নিরাপত্তামূলক ব্যবস্থা জোরদার করেছে। বিডিআর ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গতকাল সকাল 9টার দিকে ভারতের পানি সম্পদ বিভাগের কমর্ীরা যৌথ নদী কমিশনের সিদ্ধান্ত উপেক্ষা করে কৃষ্ণনগর 27 ব্যাটালিয়ন বিএসএফের শুকনগর বিওপির জোয়ানদের সহায়তায় মহানন্দা নদীর শূন্য রেখার দেড়শ' গজের ভেতরে একতরফাভাবে পাথর ফেলা শুরু করে। এতে পোললাডাঙ্গা বিওপির বিডিআর সদস্যরা প্রতিবাদ জানিয়ে পাথর ফেলায় বাধা দিলে উভয়পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা দেখা দেয়। 28 রাইফেলস ব্যাটালিয়নের ভারপ্রাপ্ত কমান্ডিং অফিসার মেজর কোরাইশী টেলিফোনে 27 ব্যাটালিয়ন বিএসএফের কমান্ড্যান্টের সাথে কথা বললে ভারতীয় পক্ষ মহানন্দ নদীতে পাথর ফেলা বন্ধ করে। বর্তমানে সীমান্ত এলাকায় উভয়পক্ষ শক্তি বৃদ্ধি করে টহল ব্যবস্থা জোরদার করেছে। উলেখ্য, 2005 সালের 19 আগস্ট মহানন্দা নদীর ভাঙ্গন রোধে বালুর বসতা ও সিসি ব্ললক ফেলাকে কেন্দ্র করে বিডিআর ও বিএসএফের মধ্যে দীর্ঘ 36 ঘণ্টাব্যাপী ব্যাপক গুলি বিনিময় হয়। পরে পতাকা বৈঠকে উভয়পৰ সীমান্তে শানত্দি-শৃঙ্খলা যৌথ নদী কমিশনের (জেআরসি) আলোচনার পর নদী ভাঙন রোধের ব্যাপারে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হবে বলে সম্মত হয়। কিন্তু ভারতীয় পক্ষ পতাকা বৈঠকের সেই সিদ্ধান্ত উপেক্ষা করে আবারও মহানন্দা নদীতে একতরফাভাবে বালুর বস্তা ফেলা শুরু করেছে।
ঃঃ দৈনিক ইত্তেফাক ঃ 31.03.2006 ঃঃ
প্রকাশ করা হয়েছে: আমার আর্কর্াইভ বিভাগে ।
পলাশ বলেছেন:
আপনাকে-ও ধন্যবাদ । আমি লিখিনি । পেপার থেকে ধার করা । পেপারে কেউ এগুলো পড়েনা । আমি পেপার কাটিং সংরক্ষণ করছি ।
বিডি আইডল বলেছেন:


















দুখঃ লাগে এদেশেরই কিছু জনগন যখন আবার তাদের পক্ষে সাফাইর গীত গায়।
এরকম একটি বিষয়বস্তু নিয়ে লিখার জন্য ধন্যবাদ পলাশ ভাই।