এই বক্তব্যের সাথে কোন যুক্তিবাদীর বিরোধ থাকার কথা না। এমনকি নতুন রাজাকার এবং নতুন মুক্তিযোদ্ধারা পরস্পরের হোগা মারামারিতে ব্যস্ত থাকলেও সমস্যা ছিলনা। সমস্যা দেখা গেল অন্য জায়গায়। এইসব নব্য রাজাকারদেরও মা আছে, বোন আছে। এবং তারা কোন অপরাধ করেনাই। তারপরও প্রতিনিয়ত নব্য মুক্তিযোদ্ধারা এইসব মায়েদের পেলে কিভাবে '৭১ এর শোধ তুলবেন, কোনদিক দিয়ে ঢোকাবেন কোনদিক দিয়ে বের করবেন, কারে উপরে তুইলা কারে নিচে রাইখা করবেন, ইত্যাদির বয়ান দিয়ে যান। শুধু তাই না! এসব কথা বলার জন্য তারা যথেষ্ঠ বাহবা এবং পিঠ চাপড়ানি পেয়ে থাকেন সহব্লগারদের কাছ থেকে। আমার এতে কোন সমস্যা নাই কিন্তু ডিফেন্স ম্যাকানিজমটা দেখলে তাদের প্রতি করুনাই হয়।
সাধারণ নিয়ম হইতেছে গালি দিলে পাল্টা গালি খাইতে হবে। সেই গালি থাইকা হেগো মারে বাচাইতে তারা বইলা বসেন "একাত্তরের ৩ লক্ষ ধর্ষিতা নারীই আমার মা"। তাই যখন আমি তাগো মা তুইলা গালি দেই সেইটা আসলে ৩ লক্ষ ধর্ষিতা নারীরেই দেয়া হয়, এমনটা বোঝাইতে চান তারা। এই মিথ্যা আবেগের ফাঁদে পড়েন অনেকে, এমনকি যাদের নিরপেক্ষ ভূমিকা পালন করা উচিৎ সেই কর্তৃপক্ষও।
আমি এই অবস্থার কোন প্রতিকার চাইতে আসিনাই। শুধু সমগ্র নারী জাতিরে খানকি বলার অধিকার চাইতে আসছি। আমার মা-বোনরেও এবং '৭১-এ যে নিরপরাধ রমনী ধর্ষিতা হলেন তারেও।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

