আমার প্রিয় পোস্ট
- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রদের আত্বসম্মানবোধ!!! - কিংকর্তব্যবিমূঢ়
- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রসঙ্গ: একটি ব্যক্তিগত ক্ষমাপ্রার্থনা! - দেবদারু
- লো লাইফ বাঙালীর লো লাইফ ইতিহাস - নিরপরাধ
- স্বপ্নের পশু ডাক্তার - কালপুরুষ
- সামহোয়ার, ইলেকট্রনিক মোল্লা, ভার্চুয়াল মুক্তিযুদ্ধ ও লেখক যশোপ্রার্থীদের তড়পানি - মাহবুব মোর্শেদ
- হাসিন ভাই, মুসলমানদের ধর্মানুভূতি আবার কি জিনিস? - বিদ্রোহী
- 1975: প্রেইজ বি টু দেম - বিদ্রোহী
- কে বলে যুদ্ধ শেষ? - বিদ্রোহী
- আছো যতো বাচ্চা রাজাকারের, গিয়ে মরে করো শান্ত তাদের - বিদ্রোহী
- আওয়ামী লীগের ক্যারেক্টার ডিফাইনিং ডে এবং ভার্চুয়াল মুক্তিযোদ্ধাদের গাত্রদাহ - নিরপরাধ
- নব্য রাজাকারগো হোগামারা জায়েজ হইলে নব্য মুক্তিগো হোগামারাও জায়েজ - নিরপরাধ
লো লাইফ বাঙালীর লো লাইফ ইতিহাস
২২ শে আগস্ট, ২০০৭ রাত ৮:৫০
বর্তমানের অস্থিরতা আর প্রতিমূহুর্তে দূর্যোগের আশংকায় যে দমবন্ধকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে তার সাথে হয়তো '৭১ এর মার্চ মাসের অস্থিরতার কিছুটা মিল থাকতে পারে। কখন কি হবে তার কিচ্ছু বলা যাচ্ছে না, ধারণাও করা যাচ্ছেনা।
মুক্তিযুদ্ধের পেক্ষাপট যদি চিন্তা করা হয় তাহলে দেখা যাবে অর্থনীতি সেখানে একটা বড় ভূমিকা পালন করেছে। বর্তমান অস্থিরতার পেছনেও অর্থনীতির একটি বিশাল ভূমিকা রয়েছে। ছাত্রদের আন্দোলনে শরীক হচ্ছে ছিন্নমূল হকার, রিক্সাওয়ালা, এবং বস্তিবাসী। বর্তমান সরকারের অনেক কার্যক্রমের ভিকটিম এই নিম্ন আয়ের লোকেরা। তার উপর দ্রব্যমূল্যের উর্ধ্বগতিতে এই শ্রেণীর মানুষের টিকে থাকা দায়।
দ্বিগ্বিদিকজ্ঞানশূণ্য এই মানুষেরা যেকোনো কিছু করতে পারে। তাই মধ্যবিত্ত এবং ধনীরা স্বভাবতই এই শ্রেণীর "আন্দোলনে" জড়িয়ে যাবেন না। কারণ তারা এই তথাকথিত "আপরাইজিং" এর ভিকটিম। রাস্তায় তাদের গাড়িই পোড়ানো হচ্ছে, তাদের ব্যবসা প্রতিষ্ঠানেই ভাংচুর হচ্ছে, তাদের অট্টালিকাতেই ঢিল ছোড়া হচ্ছে।
যারা গাড়ি পোড়াচ্ছে তারা জানে যে ওই গাড়িতে সে জীবনেও চড়তে পারবে না। তাই রাখার দরকার কি? পুড়িয়ে ফেল শালা! তাদের কোনো ভবিষ্যত নেই। নেই কোনো অতীত। দেশপ্রেম এদের কাছে লাগ্জারি। কিন্তু ওদের একটা জিনিস আছে। ফার্টিলিটি! ব্যাঙের ছাতার মতো গজিয়ে ওঠা ঢাকার বস্তিগুলোতে কিলবিল করে মানব সন্তান। সংখ্যায় এরা ছাড়িয়ে যায় একটা সভ্য সমাজকে রক্ষার কাজে নিয়োজিত সীমিত বাজেটের সশস্ত্রবাহিনী এবং আন্ডারপেইড পুলিশবাহিনীকেও।
এদের জন্মে যেমন আহলাদিত হবার কিছু নেই, তেমনি এদের মৃত্যুতেও শোকাহত হবার কিছু নেই - এমনটা মনে করেন অনেকে। আর্মিতেও এই ধারণাটা প্রবল। তাই কমান্ডিং পোস্টের দেশপ্রেমিক অফিসাররা ভাবতেই পারেন "উই ক্যান গেট রিড অফ দেম"। কি দাম আছে একটা লো-লাইফ, কলহপ্রিয়, ডার্টি, ব্লাডি বাঙালীর জীবনের?
কিন্তু কিছু সুযোগসন্ধানী নেতা সুযোগ বুঝে "দাবায়া রাখতে পারবানা" বলে হুংকার দেন। আর অন্ধ পতঙ্গের দল ধাবিত হয় সে ডাক শুনে। আর্মির বুলেট ফুরিয়ে যায় কিন্তু পতঙ্গের সেই ঢল রোধ করা সম্ভব হয়না। অতঃপর, সরকার গঠন করেন সেই সুযোগসন্ধানী নেতা। সেই লো-লাইফরা তাদের লো-লাইফে ফিরে যায়। অপেক্ষা করে পরবর্তী আপরাইজিং-এর।
এই আর্বতে ঘুরপাক খাচ্ছে লো লাইফ বাঙালীর লো লাইফ ইতিহাস। ১৯৭১ যে ট্রাডিশনের শুরু, ২০৭১-এও বাঙালী সেখানেই. ২১৭১ কিংবা ৩০৭১ এই অবস্থান অপরিবর্তিত থাকবে ইনশাআল্লাহ্।
নিরপরাধ বলেছেন:
বুঝে নিন @ নাজিম উদদীন
অমিত বলেছেন:
আহারে পাকিদের গুহ্যদ্বার নিসৃত কৃমিটা কত কষ্ট করে বাংলা শিখসে...
নিরপরাধ বলেছেন:
অমিত, আমার বাংলা দেখে হিংসা হচ্ছে নাকি! তুমি কার গুহ্যদ্বার দিয়ে নিসৃত হইছো চোদনা? শ্যাখের? আহা ... তাঁর গুহ্যদ্বার দিয়ে নিসৃত হওয়ার অভিজ্ঞতাটা যেকোনো কৃমির জীবনেই স্মরণীয় হয়ে থাকবে ...
অমিত বলেছেন:
কি আর করা এই স্মরণীয় অভিজ্ঞতাটা তুই পাইলি না।


















"কিন্তু কিছু সুযোগ সন্ধানী নেতা সুযোগ বুঝে "দাবায়া রাখতে পারবানা" বলে হুংকার দেন।" এর দ্বারা কি বুঝাতে চাচ্ছেন, বংগবন্ধু সুযোগ সন্ধানী ছিলেন?