গাদ্দাফী ! আমার গাদ্দাফী!!
লিবিয়বাসী! কারে, কার প্ররোচনায় মারলি তোরা ?
মেরে কি পাবি? কবে পাবি? আদৌ কি পাবি কিছু?!
বুঝলাম গাদ্দাফী তোদের কিছু অধিকার হরণ করেছিল; কিন্তু যাদের দাদাগিরীতে তারে মারলি তারা তোদের অধিকার ফিরিয়ে দিবে। না তাদের কাছে নিজে দাসখত করিয়ে নিলি?
হিসাব করেছিস কিছু?
পশ্চিমা বিশ্ব যে মুসলিমদের বন্ধু; তাদের তো আর শত্রুর দরকার নাই।
২-৩% ভাগ লিবিয়দের স্বার্থের কারনে পুরো লিবিয়বাসীদের স্বার্থের মূলে আঘাত হানলি রে তোরা !
একটুও ভাবলি না এই কথা?
একটা সচ্ছল লিবিয়ার পরিবর্তে দেখতে পাচ্ছি এক ক্ষুধার্ত-অসহায়-দাসত্বের শৃংখলে আবদ্ধ এক লিবিয়াকে।
সেই ট্রিলিয়ন ডলার সম্পদ থেকে হয়ত অল্প কিছু অংশ ঐ ২-৩% ভাগকে ভাগিদার করা হবে। বাকি পুরো দেশ থাকবে অসহায় গরিবি হালে।
আগে শতকরা একশভাগ লিবিয়বাসীর একটা বাসযোগ্য ফ্লাট ছিল।
- এখন হাজারে একজনের হবে প্রাসাদ; আর বাকি সবাই হবে উদ্বস্তু।
আগে শতকরা একশভাগ লিবয়বাসীর একটা ব্যক্তিগত গাড়ী ছিল।
- এখন দশ হাজারে একজনের হবে একটা হেলিকপ্টার বা ব্যক্তি বিমান; বাকি সবাই চলবে লোকাল সিটি বাসে।
আগে শতকরা একশভাগের ছিল না কোন খাদ্যের অভাব।
- এখন শতকরা একভাগ খাবে আর অঢেল নষ্ট করবে; বাকি সবাই হয়ত ন্যাটো জোটের সৈন্যদের ফেলে দেয়া খাবারের ঠোঙা চাটবে।
আগে লিবিয় সুন্দরী হয়ত কোন সুদর্শন লিবিয় তরুনের কন্ঠলগ্নার জন্য স্বপ্নে বিভোর হোত; কিংবা নিজের সতিত্ব উপহার দিত প্রেমিক বা স্বামীকে।
- এখন হয়ত অপেক্ষা করবে কোন পশ্চিমা সৈন্যের বিছানায় সয্যাসঙ্গি হয়ে বেশ্যাবৃত্তির।
গাদ্দাফী যা লিবিয়া থেকে নিয়েছিল; দিয়েছিল ঢের বেশী তার দেশের জনগণকে।
- এখন হয়ত লিবিয়া যুগ যুগ ধরে শুধু গুনতে থাকবে পশ্চিমা ঋণের সুদের হার।
আফসোস লিবিয়ার জন্য।
আফসোস লিবিয়াবাসীর জন্য।
সর্বশেষ এডিট : ২৯ শে অক্টোবর, ২০১১ বিকাল ৫:১২

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



