তৈমুর খুব দৃঢ়তার সাথে ঘোষনা দিয়েছিলেন, যত কিছুই হোক, তিনি নির্বাচন করবেন এবং নির্বাচন করেই সরকারকে বুঝিয়ে দিবেন যে নির্বাচন সুষ্ঠ হয়নি।
যুদ্ধে তিনি পিছপা হবেন না। তিনি প্রমাণ করে দিবেন যে সব বিষয়ে তিনি আপত্তি করেছিলেন সেগুলো যে আসলে অযৌক্তিক নয় তা তিনি নিজে নির্বাচনে অংশ নিয়েই সরকার ও জনগণের কাছে প্রমাণ করবেন।
তার দল বিএনপিও এর বাহিরে কোন কথা বলে নাই। তার ও তার নিজ দলের কথা একই রকম ছিল।
যে সময় তৈমুর ও বিএনপি নির্বচন থেকে সরে আসার সিদ্ধান্ত নেয়, সেসময়ের পরিস্থিতি আর তার আগের ২৪ ঘন্টার পরিস্থিতির কোন পরিবর্তন ছিল না। একই রকম পরিবেশ-পরিস্থিতির দুই রকম বক্তব্য।
হাস্যকর তৈমুর !
হাস্যকর বিএনপি !!
হাস্যকর রাজনীতি !!!
নারায়নগঞ্জসহ সারা দেশের জনগণ অবশ্য অবাক হয়নি, এধরনের কৌতুককর রাজনৈতিক পরিস্থিতির জন্য। এদেশের জনগণ এদেশের রাজনীতিবিদদের আরো বেশী কৌতুককর আচরনে অভ্যস্থ। আমরা বরং আমাদের রাজনীতিবিদদের এরকম মেরুদন্ডহিন অবস্থাকেই স্বাভাবিক মনে করি।
রাজনীতিবিদদের এরকম ভাড়ামোতে বাংলাদেশের জনগণের আর হাসিও পায় না।
সে তুলনায় আইভীকে অনেকটাই সবল ও সাহসী মনে হয়।
এগিয়ে যাও নারায়নগঞ্জবাসী।
এগিয়ে যাও আইভী।
পোড়খাওয়া মানুষ -
প্রতারিত মানুষ -
বঞ্চিত মানুষ -
অসহায় মানুষ -
মার খাওয়া মানুষ -
নারায়নগঞ্জের মানুষ -
তোমার সাথে আছে। তুমি না জিতলে জনগণ ই এই নির্বাচন বর্জন করবে। যে সাহসটা তৈমুরের পৌরুষে কুলাল না।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



