এখন আর আগের মত প্রগ্রাম করে টিভি দেখা হয় না। দু'একটা সিলেক্টিভ অনুষ্ঠান ছাড়া টিভি'র সামনে সেভাবে আর বসাও হয়ে উঠে না। তবে হ্যাঁ, আমি সময় পেলে টিভিতে রাজনৈতিক নেতাদের -
বক্তৃতা-মিছিল-স্লোগান-আলোচনা-সমালোচনা-ঝগড়া-কর্মকান্ড-প্রতিবাদ-প্রতিক্রিয়া-আক্রমন-তোষামোদ-মন্তব্য-স্বিকারোক্তি-প্রত্যাখ্যান-হাসি-কান্না-অভিমান-আবেগ-গতি-আস্ফালন-দরদ-ঘৃণা-প্রেম-ধর্ম-ব্যায়াম-হাটা-দৌড়-মারপিট-সেবা-মালা[বদল]-প্রাপ্তি-অপ্রাপ্তি-যোগাযোগ সবকিছু আগ্রহভরে দেখি, আর অনাবিল আনন্দ লাভ করি।
আর ভিতর থেকে সুখের সাথে স্বগোতক্তি বেরিয়ে আসে -
আহা ! কি দারুন-দুর্দান্ত-সাবলীল অভিনয় প্রতিভা।
আমাদের নেতাদের কাছে অভিনেতারা তো একদম নস্যি।
কিসের নূর বা ফরিদি বা নানা পাটেকার;
কিংবা সুবর্ণা বা ফেরদৌসী মজুমদার -
অভিনেতাদের কাছে এরা তো দুগ্ধপৌষ্য শিশু।
গতকাল মীরাক্কেলে সুভদ্বীপ ও ড.কৃষ্ণেন্দু মিলে হিন্দুদের জন্মান্তরবাদ নিয়ে একটা কৌতুক এভাবে পরিবেশন করল -
দাদু জানতে চাইল -
- আচ্ছা একজন প্রতিষ্ঠিত রাজনৈতিক নেতা পূর্ব-জন্মে কি কি ছিলেন।
- একজন নেতা আগের জন্মে সিনেমা তো অভিনয় করত; তার আগের জন্মে নাটকে অভিনয় করত; আর তার আগের জন্মে করত যাত্রা।
- আরে ধুর! একজন একই ধরনের জীবন পরপর পায় নাকি?
- আরে, তিন-জন্মের অভিনয় শিল্পের অভিজ্ঞতা না থাকলে কি আর রাজনৈতিক নেতা হওয়া যায় ?!
আর তা না হলে শতকরা ১০০ ভাগ জেনে-বুঝে লোকমান হত্যা মামলার এজাহারভুক্ত আসামীদের পক্ষে এমন নির্বিকার-স্বাভাবিক ভাবে বিন্দুমাত্র অভিব্যাক্তি পরিবর্তন না করে, চোখে সামান্য কাঁপন অনৃভব না করে অবলীলায় এমন ডাহা মিথ্যা কথা দুই দুইজন এমপি সাফাই গাইতে পারেন না।
আর তাই আজ টিভি-সিনেমার অভিনেতাদের অভিনয় দেখে পানসে লাগে; অভিনয় দেখে যদি মজা পাই তো এই রাজনৈতিক নেতাদের অভিনয় দেখে আমি আনন্দ লাভ করি।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



