জন্মদিনে বিয়েটা ছিল এক চালাকি।
আর এটা তো জানা কথা "চালাকি" আর "নিজ স্বার্থ" মাসতুতো ভাই।
তাহলে স্বার্থটাই বা কি, আর চালাকিটাই বা কোথায়।
বিয়ে যত পুরনো হতে থাকে স্বামীরা সাধারনত এই দুর্ঘটনাটা [?] ভুলে যাওয়ার চেষ্টা করে; আর স্ত্রী'রা সেই তারিখটাকেই আরো জোরালোভাবে মনে রাখে এবং মনে করিয়ে দেয়ার চেষ্টা করে।
কারনটা কি?
আর কিছুই না; এই অযৌক্তিক-একপেশে-লিঙ্গতান্ত্রিক-ভদ্র-নরপৃষ্ট মেকি সমাজের সামাজিক ব্যবস্থা।
কোন পন্ডিত বলেছিলেন, " অভদ্রলোক বৌকে পেটায়; আর ভদ্রলোক বৌ এর মার খায়।" এখন আপনি সিদ্ধান্ত নেন আপনি ভদ্র না অভদ্র লোক।
সেই বিয়ের প্রথম রাত থেকে স্বামী বেচারা দেয়া যে শুরু করেছে বিরামহীন ভাবে এখনো সে দেয়া চলছে তো চলছেই।
তাই স্বামীরা আর সেই সব-হারানো-গেমের উদ্ভোধনী তারিখটা আর মনে করতে চা্য় না।
আর স্ত্রী'র সেই সব পাওয়ার শুভ উদ্ভোধনী দিনটা মনে রাখে সাড়ম্ভরে।
ভুলে না।
ভুলতে দিতে চায় না।
তাই কখনো যদি কেউ বলে বসে - কেমন স্বামী আমি আমাদের বিয়ের তারিখটাই ভুলে গেছি। তখন একটা উত্তর দেয়া যাবে - দেখুন আমি আমার জন্মতারিখটাই ভুলে গেছি। বিয়ের তারিখটাও সেটার সাথে চলে গেছে।
এত কচলাকচলির পরও সুখে আছি বস - সুখ নামের এই দুর্মুল্যের বাজারে। নচিকেতার কথাকে উল্টে ফেলে আমি বলতে চাই -
পুরুষ মানুষ দুই প্রকার -
১. এক জীবনের অধিকারী পুরুষ।
২. দ্বিগুন জীবনের অধিকারী পুরুষ।
আমি দ্বিগুন জীবনের অধিকারী।
আজ আমাদের বিয়ের ১১ বছর পুর্তি; আর আমি জীবনের ৪২ বছর পার করে দিয়েছি।
সর্বশেষ এডিট : ২৫ শে নভেম্বর, ২০১১ রাত ১১:৫২

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



