আমার প্রিয় পোস্ট

কাগু ক্যান স্টার্ট অ্যা ফায়ার ইউজিং জাস্ট টু আইস কিউবস

আলুপুড়া পুস্ট (ফ্রম অ্যা মেইল শোভিনিস্ট)

২১ শে অক্টোবর, ২০০৯ রাত ৮:৪৪

শেয়ারঃ
0 0 0

১ : চাষার সমস্ত স্বপ্ন আস্তাকুড়ে ছুঁড়ে একদিন
সাধের সমাজতন্ত্রও নষ্টদের অধিকারে যাবে (হুমায়ুন আজাদ)

কম্বোডিয়ায় পলপটের গণহত্যা যুগের শেষের দিকে হাজার হাজার খেমররুজ নেতা কর্মীরাও খুন হয় এক গ্রুপ আরেক গ্রুপের হাতে । পরবর্তী যুগের বিশ্লেষণে পাওয়া যায় তাদের কমান্ডিং লাইনে অবিশ্বাস মতানৈক্য এমন পর্যায়ে পৌঁছে যে, কেউ কাউকে আর বিশ্বাস করতে পারে না । প্রতিটা নেতা পাতিনেতা তাদের নিজেদেরকে আল্টিমেট বিপ্লবী এবং তাদের চেয়ে সামান্য ভিন্নমতাবলম্বীদের প্রতিবিপ্লবী বা দূষণকারী আখ্যা দিতে থাকে । ফল যা হবার তাই হয়, দে ফাকড ইচ আদার আপ ।

নারীবাদের আদি জননী মেরি ওলস্টোনক্র্যাফট স্বয়ং শতাব্দী জুইড়া দার্শনিক পাত্তা পান নাই, তার বিতর্কিত (তখনকার মানদন্ডে) ব্যক্তিগত জীবন এবং নৈরাজ্যবাদীদের সাথে খাতিরের কারণে । দুই শতাব্দি ঘুইরা আমাদের হালের তসলিমাও অনেকের কাছে চুতরা পাতার বেশি কিছু না একই কারণে । যদিও অনেকের কাছে এইটা পুরুষতান্ত্রিকতার চাপানো ইভালুয়েশনের বেশী কিছু না, তাও আমার মনে হয় এই পয়েন্টে একটা মৌলিক সমস্যা আছে নারীবাদীদের নিজেদের ভিতর ।

মেল শোভিনিস্ট পিগ বৈলা গালি খাওনের আগেই কিলিয়ার কৈরা রাখি, সমস্যাটা আমি তাদের জীবনাচরনের ঔচিত্য অনৌচিত্য নিয়া দেখি না । সমস্যাটা একটা টেকসই দর্শণের ধারা তৈরীতে তেনাদের ব্যর্থতা নিয়া । তারা নিজেরাই কনফিউজড, নারীবাদী জীবন বা সমান জীবন বলতে তারা কি বুঝেন এইটা নিয়া । ফলস্বরুপ ডেনোমিনেশনের মাশাল্লাহ অভাব নাই, ক্রিস্টিয়ানিটি ইছলামের মত, নারীবাদেও । এবং সময় সুযোগমত একদল আরেকদলের বোরকা স্কার্ফ বিকিনির ফাঁক দিয়া স্পর্শকাতর জায়গাগুলাতে চুলকাইতে থাকেন অনবরত । আর আমার মত মেল শোভিনিস্টরা ফাঁকে ফোকরে আলু ঢুকাইয়া দেয় পুড়াইয়া খাওনের লাইগা । মাঝে মইধ্যে কেবল মেলা দেইখা বিমলানন্দলাভ ।

২ : উই ডোন্ট ড্রেস আওয়ার উইম্যান, দে ড্রেস দেমসেল্ভস । (রিচার্ড ডকিন্স)

রিচার্ড ডকিন্স একবার তার স্বদেশী এক মুল্লার সাথে কথা কৈতে গেছিলেন তাদের ধর্মচিন্তা নিয়া । তো সেই মুল্লা কেন সে পাশ্চাত্য সমাজরে ঘৃণা করে সেইটা বলতে গিয়া কয়, আপনেরা আপনাদের নারীদের দেহপসারিনীর মত পোশাক পরান , এইটা খুবই জঘণ্য । ডকিন্স হেরে যতই বুঝায়, তারা নিজেরা পোশাক পরে, আমরা তাগোরে পরাই না, মুল্লা ঘুইরা ফিরা আবার একই কথা কয় ।

ইথোলজিস্ট (প্রাণীর আচরণবিদ্যা) ডকিন্স সমাজ ও মানুষের আচরণ সংক্রান্ত যেকোন কিছুর ব্যাখ্যায় বিবর্তন টাইনা আনেন প্রতিনিয়ত । এবং মোটামুটি অনেক ক্ষেত্রেই সেইটা লজিকালও । যেমন ক্ষুধার সময় খাবারের গন্ধ ভালো লাগার কারণ হৈলো সেইটা তখন সারভাইভাল সিগন্যাল দেয় । আবার পিপাসার সময় পানিরে অনেক টেস্টি মনে হওয়া একই কারণে । অর্থাৎ খাবারের স্বাদের জন্য খাবার জিনিসটার নিজের এমন কোন আহামরি বৈশিষ্ট্য দায়ী না, বরং আমাদের সেন্সরি রিসেপ্টরগুলা ঐভাবে গইড়া উঠছে, আমাদের শরীরের জন্য যেইসব জিনিস প্রয়োজন ঐগুলা দেখলেই কাতুকুতু দেয় । যদি শরীরের জন্য গোবরের খুব প্রয়োজন হৈত, তাইলে গোবর দেখলেই জিহ্বায় লুল আসতো । শত শত টিভি প্রোগ্রাম হৈতো গোবর রান্নার টিপস বিষয়ক ।

এইটারেই দুই লাইন সামনে নিয়া পোশাকের সৌন্দর্য্য বিষয়ক বিদ্যার কাজে লাগানি যায় । নারীর পোশাকের সোন্দর্য্য অসৌন্দর্য্যের মূলেও একইভাবে মানুষের যৌনাকাঙ্খা , বিবর্তনের ভাষায় প্রজননের ইচ্ছা-অনিচ্ছা জড়িত । যেই পোশাকে সুড়সুড়ি বেশি লাগে সেইটা সুন্দর যেইটাতে সুড়সুড়ি কম লাগে সেইটা কম সুন্দর । ভালো খাবারের কনসেপ্টে যদি শরীরের জন্য প্রয়োজনীয় উপাদান (গ্লুকোজ দরকার দেইখা মিষ্টি ভালু লাগে) গুলা থাকা না থাকাটা ফ্যাক্টর হয়, তাইলে সুন্দর পোশাকেও একই লজিক না খাটার কোন কারণ নাই । সুড়সুড়ি বেশি দেওনেই যদি পোশাকের সৌন্দর্য্য হয়, তাইলে একই বায়োলজিকাল সিগন্যাল মাইনা, লোকে লুল ফালায় , তাতে দোষটা কোথায় ।

তবে সমাজের দায়িত্ব, সবার নিরাপত্তা দেয়া, এইটা কোনমতেই এড়ানির চান্স নাই । কিন্তু লুল ফালানির বিরুদ্ধে কথা বলাতে একটা ইনহেরেন্ট হিপোক্র্যাসি থাইকাই যায় ।

৩ : তসলিমা গুলিস্তানে মুততে চাওয়াতে তার ফাঁসী চাওয়ার মত কিছু হয় নাই, তারে মুততে দিলেই হয় (মাওলানা দুরের পাখি)

সভ্যতার শুরু থাইকাই জৈবিক প্রয়োজন মিটানোর মূহুর্তগুলারে এক্সট্রিমলি প্রাইভেট বৈলা বিবেচনা করা হৈয়া আসতাছে । হয়ত ভালোর জন্যই, হয়তো না । সবাই মিল্যা খাইতে বসলে যেমন বাইরের লোকজন দেখলে অস্বস্তি লাগে, তেমনি হাগা মুতার সময় আশেপাশের লোকজন দেখলে অস্বস্তি লাগে । একই কথা প্রযোজ্য যৌনাচরণের জন্যও । যৌনতার অনুভুতিগুলা প্রকাশ্যে প্রদর্শণ কৈরা পাব্লিক চিয়ারকে লিড করার সময় সেই প্রাইভেসিবোধ কৈ যায় ? আশি বছরের বুড়ী যদি বিকিনি পইরাও চিয়ারলিডিং করে, সেইখানে গুটিকয়েক ফ্রিক ছাড়া আর বাকি সবারই বমিবোধ হওয়ার কথা । তাইলেতো সেই মূল কারণের জায়গায় রইলো যৌন সুড়সুড়িই । তো, বিশ বছরের ছুড়ি চিয়ারলিডিং এর নামে শরীর ছুড়াছুড়ি করলে কেউ যদি সুড়সুড়িতাড়িত হয় তাইলে এত দোষের কি ।

আধুনিকতার একটা বিশাল অনুষঙ্গ হৈল, ব্যক্তির মতামত এবং বোধের স্বকীয়তার স্বীকৃতি । সমাজ রাষ্ট্র এবং সার্বজনীন প্রতিষ্ঠাগুলা অবশ্যই ব্যক্তির ব্যক্তিগত ভালোলাগার চাইতে সার্বজনীন মতৈক্যকেই প্রাধান্য দিবে এবং সেই অনুসারে আইন প্রণয়নও সবার নিরাপত্তা নিশ্চিত করবে, সেইটা অতি অবশ্যই ঠিকাছে । এর সাথেই আবার সম্পর্কিত হৈলো, ব্যক্তির পছন্দের নিশ্চয়তা । ইনডিভিজ্যুয়াল কোন পেশা পছন্দ করবে, কোনটাকে ঘৃণা করবে (কিন্তু এই ঘৃণার প্রকাশ কোনভাবেই ঐ পেশাজীবির উপর বৈষম্যের মাধ্যমে হতে পারবে না, এজ লং এজ সেইটা আইনত বৈধ), কোনটায় যাইতে চাইবে কোনটায় যাইতে চাইবে না সেইটা ঠিক করার এবং প্রকাশ করার অধিকার তার আছে ।

এইখানে অবশ্য একটা বিশ্রী প্যারাডক্স জাঁইকা বসে । চিয়ারলিডার মেয়ে বা মডেল ছেলে বিয়ে করতে কেউ না চাইতেই পারে । মেয়েপক্ষের যদি খাটো ছেলে অপছন্দ হয়, ছেলেপক্ষের তাইলে কালো মেয়ে অপছন্দ হৈতেই পারে । এইখানে মননের বিশ্রী বৈষম্যবোধ জড়িত হৈলেও আইনগত ও যুক্তিগত দিক থাইকা কারোরই কিছু বলার অধিকার নাই ।

ইনডিভিয্যুয়াল পছন্দের দোহাই অপরপক্ষও যে দিতে পারে, সেইটা বুইঝাই নিজের পছন্দের সাফাই গাওয়া ভালো ।

 

সর্বশেষ এডিট : ১৬ ই ডিসেম্বর, ২০১০ দুপুর ১:৪৮ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১. ২১ শে অক্টোবর, ২০০৯ রাত ৮:৫৪
আরিফুর রহমান বলেছেন: চিন্তাইতাছি!

চমৎকার লেখা যদিও...
২১ শে অক্টোবর, ২০০৯ রাত ৮:৫৮

লেখক বলেছেন: মেলা দিন পর আপ্নেরে দেইখা ভালো লাগতাছে ।

২. ২১ শে অক্টোবর, ২০০৯ রাত ৮:৫৭
টাইগার্স বলেছেন: গুয়ের পাখি কিমুনাচো?
২১ শে অক্টোবর, ২০০৯ রাত ৮:৫৯

লেখক বলেছেন: ভালু ।

৩. ২১ শে অক্টোবর, ২০০৯ রাত ৯:০১
বৃত্তবন্দী বলেছেন: ৩ নং নিয়া কৈ যে তার যদি সমস্যা না হয় তৈলে আম্গো সমস্যা কৈ?

আধুনিকতার একটা বিশাল অনুষঙ্গ হৈল, ব্যক্তির মতামত এবং বোধের স্বকীয়তার স্বীকৃতি । সমাজ রাষ্ট্র এবং সার্বজনীন প্রতিষ্ঠাগুলা অবশ্যই ব্যক্তির ব্যক্তিগত ভালোলাগার চাইতে সার্বজনীন মতৈক্যকেই প্রাধান্য দিবে এবং সেই অনুসারে আইন প্রণয়নও সবার নিরাপত্তা নিশ্চিত করবে, সেইটা অতি অবশ্যই ঠিকাছে । এর সাথেই আবার সম্পর্কিত হৈলো, ব্যক্তির পছন্দের নিশ্চয়তা । ইনডিভিজ্যুয়াল কোন পেশা পছন্দ করবে, কোনটাকে ঘৃণা করবে (কিন্তু এই ঘৃণার প্রকাশ কোনভাবেই ঐ পেশাজীবির উপর বৈষম্যের মাধ্যমে হতে পারবে না, এজ লং এজ সেইটা আইনত বৈধ), কোনটায় যাইতে চাইবে কোনটায় যাইতে চাইবে না সেইটা ঠিক করার এবং প্রকাশ করার অধিকার তার আছে ।

১০০ ভাগ সহমত


আপ্নের কি অবস্তা? জেনারেল হৈছেন?
২১ শে অক্টোবর, ২০০৯ রাত ৯:০২

লেখক বলেছেন: সেফ এখন ।

৪. ২১ শে অক্টোবর, ২০০৯ রাত ৯:০৮
আকাশ_পাগলা বলেছেন: অওসাম লেখা।

কতদিন পরে আপনার লেখায় প্লাসাইলাম :( :( :( !!!
২১ শে অক্টোবর, ২০০৯ রাত ৯:২৬

লেখক বলেছেন: হায় হায় । তাইলেতো মনে হৈতাছে লেখায় কোন সমস্যা আছে ।

৫. ২১ শে অক্টোবর, ২০০৯ রাত ৯:১৪
অলস ছেলে বলেছেন: মাথার তার ছিড়া গেছে। বুঝমু কেম্নে?
২১ শে অক্টোবর, ২০০৯ রাত ৯:২৬

লেখক বলেছেন: জোড়া দেন ।

২১ শে অক্টোবর, ২০০৯ রাত ৯:৫৪

লেখক বলেছেন: থ্যান্কু ।

মাগার ঈমান্কি কই, পুস্টখান লেখতে চাইছিলাম আফনের বিপক্ষে । এখন পইড়া দেখি উল্টাডা হৈছে । X(

৭. ২১ শে অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১০:০৪
রাতমজুর বলেছেন:
হা হা হা, ভাই শুনেন, প্রবলেম হৈল, আমি কড়া কৈরা লিখতে পারি না, অশিক্ষিত কিনা, তাই মাথায় বড় বড় জিনিষ ঠিক মত ঢুকে না।

আমি আমার মতবাদটা সামনাসামনি পাইলে হয়তো বুঝাইতে পারুম, বাট লেইখ্য না, সেই শক্তি আমার নাই।

চিয়ার লিডিং নিয়া ঐ পোষ্টে আমি বিরোধিতা করি নাই, যাষ্ট জানতে চাইছি আপনের মতবাদ কি। এ্যাজ, আপনে নাও চাইতে পারেন আপনের বৌ মাষ্টারি করুক, তাই বইলা সে কি তার অপার্চুনিটি ছাড়বো? নাকি আপনে জোর করবেন?

আমি চাই আমার কাজিন পিওর কমার্স পড়ুক, সে চায় ফ্যাশান ডিজাইনিং পড়তে, আমি আমার মত বুঝাইছি, সে মানে নাই। তাই বৈলা জোর কৈরা আমি ঠেকাইছি? বরং হের কাজের যাবতীয় সফ্টওয়্যার থিক্যা ডাটা পর্যন্ত আমি সাপ্লাই দেই।

সমস্যাডা উগ্রবাদীতার। আমাগো কাছে বিএনপি = এ্যান্টি লীগ আর লীগ = এ্যান্টি বিএনপি।

হালায়, একটা কিছু পাইলে অলওয়েজ চরমপত্র হিসাবে নেই ক্যান আমরা? (আমিও নেই, আফটার অল আমি বাঙালী) ;)
২১ শে অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১০:২৩

লেখক বলেছেন: হুমম । পরামর্শ আর জোরের পার্থক্য মাঝে মাঝেই ভুইলা যাই আমরা ।

৮. ২১ শে অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১০:৩৭
শূন্য আরণ্যক বলেছেন: + দিসি --

আধুনিকার অনুষংগ ব্যক্তি মতামত আর বোধের স্বকীয়তা --

হমমম ---

বিচার ব্যবস্থা গুলোর বেহাল অবস্থা দেখলে অবশ্য সেটা মনে হয় না -

~~~~~~

গড়পড়তা হিসাবে -- পয়েন্ট গুলোতে একমত ।
২১ শে অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১০:৪১

লেখক বলেছেন: আধুনিকতার অনুষঙ্গ মানে যে পুরাপুরি একমপ্লিশড , তা কিন্তু না । গাইডলাইন ঐটা , এরপর যে যতটুকু পারছে, ততটুকু আরকি । চেষ্টা চলতেছে ।

৯. ২২ শে অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১:০৭
দ্বিতীয়নাম বলেছেন: + লেখায় আর
একটা + প্রোফাইলের জন্যি ;)
২২ শে অক্টোবর, ২০০৯ সকাল ১১:২৬

লেখক বলেছেন: হে হে হে ।

১০. ২২ শে অক্টোবর, ২০০৯ রাত ২:২১
মনির হাসান বলেছেন: ভাষা হারায় ফেললাম ... অসাধারণ & অসাধারণ ।
২২ শে অক্টোবর, ২০০৯ সকাল ১১:২৬

লেখক বলেছেন: আইলসা মন্তব্য X(

১১. ২২ শে অক্টোবর, ২০০৯ রাত ২:৩৫
ভুরিদত্ত বলেছেন: সমস্যাটা অন্য জায়গায় আই গেস।

কার বোন কি হবে, যারা এই সব খুঁজে বেড়াতে বেড়াতে ডিক্টেট করে, দিজ গাইজ আর সোশ্যালি প্রগ্র্যাম্ড টু ফিল অ্যাপোলোজেটিক অ্যাবাউট সেক্স অ্যান্ড সেকশুয়্যালিটি।

প্রোফাইলে ঝাঝা দেওয়া যায় না কেন? :(

এইটাকে মতান্তরে ছায়া বেলাউজ সিন্ড্রোমও বলে। ;)

২২ শে অক্টোবর, ২০০৯ দুপুর ২:৫১

লেখক বলেছেন: সবই প্রভু তথাগতের ইচ্ছা ।

ছেক্স এন্ড ছেক্সুয়ালিটি নিয়া এপোলোজেটিক হওনের কিছু নাই । বাট হাগামুতা যেমন একটু আড়াল কৈরা করাই ভালো , তেমনি এম্পল বাস্টও দুইন্যার চোখে মুখে ডলার কিছু নাই ।

আমার প্রনন্যান্সিয়েশিশ্ন অতটা আ্যাকিউরেইট না । স্যরি ফ দ্যাট ।

২২ শে অক্টোবর, ২০০৯ দুপুর ২:৪২

লেখক বলেছেন: থ্যান্কস ।

১৩. ২২ শে অক্টোবর, ২০০৯ ভোর ৬:২৫
কঁাকন বলেছেন: ভালো পোস্ট তবে আমিও আপনার সাথে সুর মিলাইয়া বলতে চাই:

"আকাশ_পাগলা বলেছেন: অওসাম লেখা।

কতদিন পরে আপনার লেখায় প্লাসাইলাম !!! :(:(:(
২১ শে অক্টোবর, ২০০৯ রাত ৯:২৬
লেখক বলেছেন: হায় হায় । তাইলেতো মনে হৈতাছে লেখায় কোন সমস্যা আছে ।
"
২২ শে অক্টোবর, ২০০৯ দুপুর ২:৪২

লেখক বলেছেন: হা হা হা । মুজতবা আলীর ইশটাইলে মানদন্ড বিচার ।

১৪. ২২ শে অক্টোবর, ২০০৯ দুপুর ২:১৩
লীনা দিলরূবা বলেছেন: হৈলে হয় আরকি। তত্ত্বকথাতো সব বই টইএ দেখি বাড়িতে যেই রসুই সেই রসুইই।
২২ শে অক্টোবর, ২০০৯ দুপুর ২:৩৩

লেখক বলেছেন: হ, রসুই ঘরে কি আর জ্ঞান আলুছনা হয় !

১৫. ২২ শে অক্টোবর, ২০০৯ দুপুর ২:৪২
লীনা দিলরূবা বলেছেন: মিয়া রসুই ঘরের কথা কই নাই, রসু খাঁ'র কথা কৈছি X((
২২ শে অক্টোবর, ২০০৯ দুপুর ২:৪৫

লেখক বলেছেন: হা হা হা । একটা ই বেশি লাগায়া ফেলছেন । আমরা নুয়াখাইল্যা তো । কি বুঝতে কি বুঝি ।

রসু খাঁরা আউট অফ অর্ডার । ঐগুলি নিয়া কিছু করার নাই । তত্তালুছানা তাগোরে বাদ দিয়াই হয় । এইটা সে এগারটা পুরুষ মারলেও যেমন, এগারটা গাছ কাটলেও তেমন ।

১৬. ২২ শে অক্টোবর, ২০০৯ দুপুর ২:৪৯
লীনা দিলরূবা বলেছেন: যার যা পছন্দ সে তাই করবে এইটা হৈলে সমস্যা কি বুঝিনা আসলে, তসলিমা গুলিস্তানে---করলে কারও গায়ে সেইটা ছিটকাইয়া পড়লে নাহয় বাগড়া দিতো? তসলিমারে স্যালুট আপায় পোলা রাখতো বাড়িত।
২২ শে অক্টোবর, ২০০৯ দুপুর ২:৫২

লেখক বলেছেন: মাওলানা দুরের পাখিও তাই বলেছেন ।

নেক্সট পার্টের জন্য : দ্বিতীয় পর্ব শীঘ্রই শুভমুক্তি ।

১৭. ২২ শে অক্টোবর, ২০০৯ বিকাল ৫:২৪
শয়তান বলেছেন: দুরের পাখি আর দুরের মানুষে ইদানিং গেনজাম হৈতাসে :(
২৩ শে অক্টোবর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:০১

লেখক বলেছেন: X((

১৮. ২৩ শে অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১১:০৯
দেশী পোলা বলেছেন: লেখা সুন্দর হইছে, পেলাস
২৩ শে অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১১:৩১

লেখক বলেছেন: থ্যান্কস ।

১৯. ২৪ শে অক্টোবর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:৪৪
মনির হাসান বলেছেন: পোস্ট'খানা রাতমজুরের বিপক্ষে গেছে নাকি রাতমজুর পক্ষে আয়া পর্ছে ... এইটা নিয়া দোনোমোনোর মধ্যে আছি ...


ভ্যাজাল ! !
২৪ শে অক্টোবর, ২০০৯ রাত ৮:৩৬

লেখক বলেছেন: হেহেহে । ভ্যাজালে আমি নিজেই পড়ছিলাম । উপ্রের কমেন্ট আর তার উত্তর খিয়াল করলেই বুঝপেন ।

২০. ২৪ শে অক্টোবর, ২০০৯ রাত ৮:৪১
রাতমজুর বলেছেন: নয়া পাট কৈ? আলু কয়লা হাজির তো।
২৪ শে অক্টোবর, ২০০৯ রাত ৮:৪২

লেখক বলেছেন: কৈ ? তেমন কিছুতো চউক্ষে পড়লো না । থাকলে লিংকান ।

২১. ২৪ শে অক্টোবর, ২০০৯ রাত ৮:৪৯
রাগ ইমন বলেছেন: নারীবাদী বলে কিছু নাই । আরো অনেক আফিমের মতন " নারীবাদিতা" ও পুরুষের তৈরী একটি " কন্ট্রোল ফ্যাক্টর" ।

ক্ষমতায় গেলে নারীও যদি আগ্রাসী আচরন করে তাইলে সেইটারে আগ্রাসন বলাটাই শ্রেয় , পুরুষতান্ত্রিক , নারীতান্ত্রিক এই আব জাব গান না গেয়ে ।

যারা সমান অধিকারের কথা বলে , সমান সুযোগ ও স্বাধীনতার কথা বলে , পরমত সহিষ্ণুতার কথা বলে , তারা সবার কথাই বলে - সেইটা মানব বাদিতা । তারা নারী পুরুষ আলাদা করে না । তারা শোষিত ও শোষক হিসেবে আলাদা করে । ক্ষমতাধর ও ক্ষমতাহীন হিসেবে আলাদা করে । " যাদের আছে" ও " যাদের নাই" হিসেবে আলাদা করে ।

ঘটনা চক্রে যদি শোষক, ক্ষমতাধর ও " সব আছে" দের দলে ঘুরে ফিরে পুরুষদের আধিক্য দেখা দেয় আর নারী মায়ের পেটে শিশু অবস্থা থেকে শুরু করে বার বার অপর শ্রেনীর দলটাতেই পড়ে আর সেখানে তাকে ফেলানোর সামাজিক, রাষ্ট্রীয় , অর্থনৈতিক কাঠামোটা পাকাপোক্ত করা থাকে তাহলে সেটাকে ( ঘটনার কাকতাল বলে না মেনে নিয়ে ) সমাজটাকে পুরুষতান্ত্রিক বলা যাইতে পারে কিন্তু সেই সমাজকে বদলানো ও ব্যালেন্স করার চেষ্টাকে নারীবাদিতা বলা মনে হয় ঠিক না ।

নারীবাদি বলে গালি দেওয়াটা পাপীর পাপ ঢাকার কৌশল আর পাশ্চাত্যের কিছু নারীর অতিমাত্রায় " পুরুষ হইবার " চেষ্টা । দুইটাই সমান ফাউল।
২৪ শে অক্টোবর, ২০০৯ রাত ৯:০২

লেখক বলেছেন: জনাবা, নারীবাদীতাকে আমি গালি মনে করি না । এবং ইহা গালি নয়ও । ইহাকে গালি মনে করাই বরং রেকলেস পুঁজিবাদের ভোগ-বিলাসের প্রোপাগান্ডাতে ডুবিয়া যাইবার লক্ষণ । কারণ হালের আম্রিকাতেই নারীবাদী শব্দটা একটা গালি হিসাবে বিবেচিত । এবং ইহা ব্যবহৃত হয়, যেইসব মেয়ে কুল বিচ/ডার্টি গার্ল না হইয়া সম্মান নিয়া বাঁচিতে চায় তাহাদের বিরুদ্ধেই ।

ইহাকে সিম্পলি একটা কয়েনড টার্ম হিসাবে দেখিলেই অত প্যাঁচের প্রয়োজন পড়ে না ।

আর উপযুক্ত সময়ে সার্বজনীনতার মেগালোম্যানিয়াতে না ভুগিয়া ছোটখাট সমস্যা নিয়া শুরু করার প্রয়োজনীয়তাও কম নহে । সার্বজনীন সাম্যবাদের মূলা ঝুলাইয়া নারীর মুক্তিকে অনেকদিন পিছাইয়া রাখিয়াছিলেন সাম্যবাদী কম্যুনিস্ট পয়গম্বররাই । সেই প্যাঁচে আদিমাতা সিমন দ্য বুভেয়ারও পড়িয়াছিলেন ।

নারীবাদ টেকসই দর্শন হিসাবে বিকাশ লাভ করুক, কেবলমাত্র যত্রতত্র যৌনসুড়সুড়িওয়ালা পোশাক পরার অধিকারের আন্দোলন হিসাবে নয় । এই প্রত্যাশা নিয়াই পোস্টখান দিয়াছিলাম ।

২২. ২৪ শে অক্টোবর, ২০০৯ রাত ৮:৫১
রাগ ইমন বলেছেন: " পুরুষ হইবার" = আগ্রাসী আচার আচরন অর্থে ।
২৪ শে অক্টোবর, ২০০৯ রাত ৯:০৩

লেখক বলেছেন: ওক্কে ।

২৩. ২৪ শে অক্টোবর, ২০০৯ রাত ৯:২৮
রাগ ইমন বলেছেন: নারীবাদীতাকে আমি গালি মনে করি না। ---

আমি তো আপনার ঘাড়ে ফেলি নাই । নিজেই নিজের ঘাড়ে নিলেন কেন? আপনি মনে করেন না , কিন্তু অনেকেই শব্দটাকে " গালি" হিসেবে ব্যবহার করে এই অর্থে সে নারীদের বেশি বেশি সুবিধা দিতে হবে , পুরুষকে বঞ্চিত করে এইটাই মনে হয় নারিবাদিতা । " ফেমিনিজম" এর অর্থ এতদিকে এতভাবে বিকৃত হয়েছে যে এইটারে এখন সঙ্গায়িত করাই মুশকিল যদি এর প্রায়োগিক দিক দেখতে যাই। যেইটা আপনার উদাহরন থেকে উঠে এসেছে । সেই হিসেবে সমাজতন্ত্রের মতই এইটা বহুরুপী মতবাদ ( যেহেতু যে যার নিজের মত করে বুঝে রুপ দিয়েছেন) ।

এই নানা প্রকার ওয়াহাবের হাত থেকে মাথা বাঁচিয়ে সরল সোজা করে আমি যেইটা বুঝি সেইটা হইলো নিজেরটা নিজে বেছে নেওয়ার স্বাধীনতা অন্যের কোন ক্ষতি না করে । আশা করি এইখানে আপনিও একমত হবেন । প্রায়োগিক খুটি নাটি এই খানে উহ্য।

সার্বজনীন সাম্যবাদের মূলা --- এইটাও সেই প্যাচেই পড়বে আপনি যদি " সমান" এর সংজ্ঞা দিতে বসেন । মাপ কাঠি কি হবে ? সমান সম্পদ ? সমান আয়ু? সমান বেতন? এইজন্যই আপনার ভাষায় ছোট খাট সমস্যাগুলা নিয়ে কিছু বলিনি ।


আমেরিকার সংবিধান মনে হয় কয়েক পৃষ্ঠা । আর বাংলাদেশের মহাভারত । কিন্তু সাম্যবাদের বা সমান সুযোগের দৌড়ে কোন দেশের মেয়েরা এগিয়ে বলেন?

পিছিয়ে পড়া কিংবা পেছনে ফেলে রাখা মানুষ গুলো এখানে নারীই বেশি বলে নারীদের আলাদা সুযোগ সুবিধা দিয়ে একটা সমান সুযোগ, অবস্থান সৃষ্টি করা দরকার সেইটা আমিও জানি , এবং মানি । আমার ব্যাপারে এই বুঝাটা আপনি এখনো বুঝেন না দেখে একটু অবাকই হলাম । হয়ত আমার লেখা ও মন্তব্যের সাথে আপনার সম্যক পরিচয় নেই । সেইটাই কারন ।

--------------------------------------------

সংখ্যা গরিষ্ঠ নারী যদি যৌণ সুড়সুড়ি আলা পোশাক পরাটাই তাদের নিজেদের পছন্দ ও অধিকার বলে বেছে নেয় তো তখন কি করবেন? এই বেছে নেওয়ার সম্পূর্ণ স্বাধীনতা তার থাকা উচিত না কি উচিত না ?
২৪ শে অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১০:১৮

লেখক বলেছেন: হাহাহা । আমার ঘারে নিই নাইতো । নিজের অবস্থান ক্ল্যারিফাই করলাম মাত্র ।

অন্য অংশগুলাতে আমার মতামতই একই রকম ।

-----------------------------------
এই বেছে নেওয়ার সম্পূর্ণ স্বাধীনতা তার থাকা উচিত না কি উচিত না ?


অবশ্যই উচিত । কিন্তু কেউ যদি এইটারে এবহর করতে চায়, (কোনপ্রকার আগ্রাসন এবং অফিসিয়াল বৈষম্য ছাড়া), তাইলে তার স্বাধীনতাও স্বীকার্য ।

এবং আরেকটু যদি এড করতে চাই, সেক্সুয়াল অর্গানরে দুনিয়ার চোখেমুখে ডলার কিছু নাই, এই বিনেপয়সার পরামর্শটা দিতে চাইছিলাম মাত্র , টেকসই নারীবাদী দর্শনের ভালোর স্বার্থেই ।

২৪. ২৪ শে অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১০:৪১
রাগ ইমন বলেছেন: সেক্সুয়াল অর্গানরে দুনিয়ার চোখেমুখে ডলার কিছু নাই -- এইটা আমিও মানি । ঐ জন্যই বলেছিলাম , আরো অনেক আফিমের মতন " নারীবাদিতা" ও পুরুষের তৈরী একটি " কন্ট্রোল ফ্যাক্টর" । ভিতরে ঘাটলে পুজিবাদিতা পাওয়া যাইতে পারে , নারীবাদিতা (নারীর ক্ষমতায়ন বা মঙ্গল অর্থে ) পাওয়া যাবে না ।

কাপড় খোলাটা , যত্র তত্র সেক্স করাটা , সিগারেট খাওয়াটা , চাকুরী করাটাই যে নারীবাদিতা -- এই ঘোর প্যাঁচ তৈরীর পেছনেও প্রচুর পুরুষ পাওয়া যাবে । মানে সিস্টেম সেই থোড় বড়ি খাড়া ঈ থাকলো । প্রভুর , শোষকের , ক্ষমতাধরের পক্ষেই থাকলো । পুরুষ বস সরিয়ে নারী বস বসালাম আর বললাম যে খুব নারী স্বাধীনতা অর্জন হয়েছে । নারী এগিয়ে গেছে । উন্নতি করেছে আরো আব জাব !

আর নারীও চাক্রি বাকরি করে , গাড়ি বাড়ি কিনে , সিগারেটের ধোয়ায় বুঁদ হয়ে , স্বাধীন ভাবে ন্যুড বিচে গিয়ে বুঝলো " সব পেয়ে গেছি"।

এই কারনেই " দি ম্যাট্রিক্স ট্রিলোজি " ছবি গুলো আমার কাছে দারুন অর্থবহ । কন্ট্রোল ইজ বেস্ট এচিভড হোয়েন ইউ আর গিভেন এ চয়েস এন্ড ইউ আর লেড টু বিলিভ দ্যাট চয়েস ওয়াজ একচুয়ালি ফ্রি । রিয়েলি ? আর ইউ ফ্রি টু মেক দা চয়েসেস ইউ মেক?

সিস্টেম না বদলায় সিস্টেমের ম্যানেজার বদলাইলে কি হবে?
২৪ শে অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১১:০৪

লেখক বলেছেন: আমার এক দোস্ত প্রায়ই বলে, মানুষ আসলে একটা উদ্দেশ্য বা কিছু একটা ভাইবা হঠাৎ একটা কাজ শুরু করে, তারপর আস্তে আস্তে নিজেই ভুইলা যায় আসলে সে কি কারণে ঐটা শুরু করছিলো । নারীবাদীতার ভিতরেও বোধহয় এই ভুত ঢুকছে ।

২৫. ২৯ শে অক্টোবর, ২০০৯ দুপুর ২:৪৮
বিপ্লব০০৭ বলেছেন: নারীবাদের আদি জননী মেরি ওলস্টোনক্র্যাফট স্বয়ং শতাব্দী জুইড়া দার্শনিক পাত্তা পান নাই, তার বিতর্কিত (তখনকার মানদন্ডে) ব্যক্তিগত জীবন এবং নৈরাজ্যবাদীদের সাথে খাতিরের কারণে । দুই শতাব্দি ঘুইরা আমাদের হালের তসলিমাও অনেকের কাছে চুতরা পাতার বেশি কিছু না "একই" কারণে।
_________________________

দ্বিমত। কোথায় ওলস্টোনক্র্যাফট আর কোথায় তসলিমা।
২৯ শে অক্টোবর, ২০০৯ বিকাল ৪:২১

লেখক বলেছেন: দুইজনের তুলনাটা এইখানে কথা না । তাদের রিজেকশনের কারণটা , নট বিকজ হোয়াট শি সেইড, বাট বিকজ হুম শি স্লেপ্ট উইথ ।

২৬. ২৯ শে অক্টোবর, ২০০৯ বিকাল ৪:২১
বিপ্লব০০৭ বলেছেন: বরং তসলিমা নাসরিন তাঁর প্রাপ্তির চেয়ে বেশি আলোচিত হন যদিও তাঁর পড়া বই থেকে আমার মনে হয় নাই তাত্ত্বিকভাবে তিনি অতটা প্রশংসার যোগ্য। ওলস্টোনক্র্যাফটের প্রতি আমি শ্রদ্ধায় মাথা নোয়াই, আর তসলিমার জন্য আমার সহানুভূতি।
২৭. ২৯ শে অক্টোবর, ২০০৯ বিকাল ৪:২৬
বিপ্লব০০৭ বলেছেন: "দুই শতাব্দি ঘুইরা আমাদের হালের তসলিমাও অনেকের কাছে চুতরা পাতার বেশি কিছু না "একই" কারণে।"

আপ্নে বলতে চান, সেই কারণটা না থাকলে তসলিমা "চুতরা-পাতার" চেয়ে বেশি কিছু হইত। আমি এইখানটাতেই একমত না। নারী-স্বাধীনতা মানেতো আর শারীরি-স্বাধীনতা না...আমি বলতে চাই, সেই কারণটা না থাকলেও তসলিমা এমন কিছুই না, আমি তাঁর ব্যক্তিগত কোন অর্জন দেখি না।
২৯ শে অক্টোবর, ২০০৯ বিকাল ৪:২৯

লেখক বলেছেন: হুমম । তার ব্যক্তিগত অর্জন ওলস্ট্যানক্র্যাফটের সমতূল্য না হৈলেও, হুমায়ুন আহমেদ যদি মূল্যায়িত হৈতে পারে তাইলে সে না কেনো ?

সমস্যাটা তার মূল্যায়নটা তার দর্শণের মেরিটে না কৈরা, তার সেক্সলাইফের মেরিটে করাতে ।

২৮. ২৯ শে অক্টোবর, ২০০৯ বিকাল ৪:৪৬
বিপ্লব০০৭ বলেছেন: আন্নে ভেজাল লাগাইবেন বুঝিয়ের.... :(

হুমা-কে টেনে আনছেন...লীনা আপুর সাথে মহাগ্যাঞ্জাম লাগছিলো আপ্নের একবার এইটা নিয়া, এখনও কোনদিকে টানবেন আইডিয়া পাইতেছি। "হুমায়ুন আহমেদ যদি মূল্যায়িত হৈতে পারে"- এই কথাকয়খানের মধ্যেই অনেক প‌্যাঁচ বাইরাইতাছে আমার। তবে লীনা আপু বা হুমায়ুন আজাদের মতন আমি হুমা-কে "সস্তা" আখ্যা দিতেছি না।
___________________________________________

বাট আইজকা না। আইজকা আমারে ছাইড়া দেন। এ নিয়া অবশ্যই ক্ল্যাশ হইবো।
২৯ শে অক্টোবর, ২০০৯ বিকাল ৪:৫৪

লেখক বলেছেন: হাহাহা । ডরের কিছু নাই । হুমায়ুন আহমেদ তার মেরিট অনুসারে, যেই লেভেলের পাঠকদের কাছে যেই ধরণের মূল্যায়ন সে ডিজার্ভ করে, সেইটা পাইছে । ক্ষেত্র বিশেষে একটু বেশিই পাইছে । বাট লেটস কল ইট লাক ।

কথা হুমার বিপক্ষে না । সে যেইটা করছে সেই অনুসারে পাইতে পারলে তসলিমা যতটুক করছে ততটুক অনুসারেও পাওন উচিৎ । হুমা যখন তিনচাইরডা বাচ্ছাসহ পুরান বউরে তালাক দিয়া নিজের মাইয়ার সমান মডেলরে বিয়া করে, তখন কিন্তু তসলিমাবিরোধী সুশীলরাই ব্যক্তিজীবন আর লেখকজীবনের বিচ্ছেদ নিয়া লেকচার ঝাড়ে ।

২৯. ০৬ ই জুলাই, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:২২
মিরাশদার১০ বলেছেন: নিতান্তই সিদ্ধান্তহীনতার প্যারাডক্স।
মাইনাস।
০৭ ই জুলাই, ২০১০ সকাল ১০:৩১

লেখক বলেছেন: কি বিষয়ক স্বিদ্ধান্তহীনতা ? বুঝি নাই ।

এনিহাউ, এই পোস্টটা এখন আসলে পরম্পরাহীন । এটা যখন লেখা হইছিলো, তখন তুমুল তর্ক চলতেছিলো, চিয়ার লিডারদের নিয়া । খুব সম্ভবত বাংলাদেশে কোন একটা ক্রিকেট টুর্নামেন্ট চলতেছিলো তখন ।

আমার স্ট্যান্স ছিলো এইরকম, কে চিয়ার-লিডার হবে, মডেল হবে সেইটা নিয়া আমার মতামতের বিন্দুমাত্র মূল্য নাই । সে নারী হোক আর পুরুষ হোক, এইটা তার স্বাধীনতা । এইটা সম্পূর্ণরূপে তার নিজের স্বাধীনতা ।

তবে, আধাল্যাঙটা চিয়ার-লিডারের প্রতি আমি লালসা ছাড়া আর কোন আবেগ নিয়া তাকাইতে পারবো না । এবং এর জন্য আমি বিন্দুমাত্র লজ্জিত বা দুঃখিত নই ।

৩০. ০৭ ই জুলাই, ২০১০ রাত ৮:২৩
মিরাশদার১০ বলেছেন: আপনার জবাব পড়ে ভালো লাগলো।

 

মোট সময় লেগেছে ০.৯৪১১ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
গালাগালি পাঠানোর ঠিকানা
iqramrtn@yahoo.com


ফারুক ওয়াসিফ সিন্ড্রোম : লক্ষণসমূহ

১ > সকালে ঘুম থেকে উঠে পেট ক্লিয়ার না হওয়া : ইঙ্গ-মার্কিন সাম্রাজ্যবাদী চক্রান্ত...
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ