সালাম সবাইকে

তুমি যে তোমারই তুলনা (উৎসর্গ - ইসলামের এক বীর সৈনিককে)

২৪ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ রাত ৯:২৯

শেয়ার করুন:                   Facebook

"উই আর নন-ভায়োলেন্ট টু দেম, হু আর নন-ভায়োলেন্ট টু আস"। অনেকটা দম্ভের সাথেই অহিংস আন্দোলনের প্রস্তাব উড়িয়ে দিয়ে যিনি সমসাময়িক কালে চরম আলোচিত ও সমালোচিত হয়েছিলেন তিনি হলেন ম্যলকম এক্স। কৃষ্ণাঙ্গ অধিকার আন্দোলনের অন্যতম নেতা মার্টিন লুথার কিং যখন সবাইকে অহিংস আন্দোলনের মাধ্যমে কৃষ্ণাঙ্গদের অধিকার আদায়ে উতসাহিত করছিলেন, ম্যালকম তখন এটিকে অবহেলার সাথে পাশ কাটিয়ে যান তার এই বিখ্যাত উক্তির মাধ্যমে। তার ব্যক্তিত্ব, অসাধারন বাগ্মীতা ও আপোষহীন মনোভাব তাকে নিয়ে যায় জনপ্রিয়তা ও খ্যাতির শীর্ষে। তিনি সমালোচিত হয়েছেন কিন্তু তা তাকে মোটেও দমাতে পারেনি। তিনি গোয়েন্দা সংস্থার নজরদারীতে থাকলেও বিন্দুমাত্র আপোষ করেন নি নীতির প্রশ্নে। নিজের অবস্হানে তিনি ছিলেন অবিচল। কোনো বাধা বিপত্তিই তাকে শংকিত করে নি কখনও। যার মাশুল তাকে দিতে হয় আততায়ীর হাতে জীবন দিয়ে। তবে আততায়ী তার জীবন কেড়ে নিলেও পারেনি নীতিকে কেড়ে নিতে। তাই আজ নর্থ আমেরিকাতে ইসলামী আন্দোলনের পুরোধা হিসেবে তাকেই গন্য করা হয়। তার অগনিত অনুসারী তার কর্মময় বৈচিত্রময় জীবনকে পৌছে দিয়েছে সাধারনের মাঝে, নূতন প্রজন্মের মাঝে।

ম্যালকম প্রথমে ন্যাশন অব ইসলামের সাথে সম্পৃক্ত ছিলেন। এই গ্রুপের চিন্তাভাবনা মূলধারার ইসলামের সাথে কিছুটা সাংঘর্ষিক। এটি মূলত কৃষ্ণাঙ্গদের সংগঠন। এই গ্রুপে তখন মুষ্টিযোদ্ধা মোহাম্মদ আলী সহ প্রায় সব বড় বড় ফিগাররা ছিলেন। আলী তখন ভিয়েতনাম যুদ্ধের প্রতিবাদ জানান এই ভাবে, "দিস ওয়ার ইজ এগেইনস্ট মাই রিলিজিয়াস বিলিফ।" আলীর পদক কেড়ে নেয়া হয়। তিনিও একরোখা - এসব থোড়াই কেয়ার করেন। পরে অবশ্য আলীকে তার পদক ফিরিয়ে দেয়া হয়। যা হোক, আমার এই পোস্ট মূলত ম্যালকমকে নিয়ে। আমি তাতেই আলোচনা সীমিত রাখব। নতুবা প্রত্যেকের জীবন নিয়েই বিশাল ইতিহাস লেখা যায়।

ম্যলকম ন্যাশন অব ইসলামে থাকা কালে হজ্জব্রত পালন করেন। এটিই তার জীবনের মোড় ঘুড়িয়ে দেয়। তিনি অনুভব করতে পারেন ইসলামে সাম্যের অর্থ। ইসলাম যে কালো সাদা ফকির আমীরের মধ্যে কোনো পার্থক্য করে না, সেটি হজ্জের মাধ্যমেই অনুধাবন করতে পারেন। তিনি ন্যাশন ছেড়ে দেন এবং হয়ে যান সুন্নী মুসলিম।

তার এই নূতন যাত্রাকে শুরুতে অনেকেই ভালভাবে নেয় নি। আলীসহ প্রায় সবাই রয়ে যান ন্যাশনের ছায়াতলে। তিনি তা বলে দমে যাবার পাত্র নন। একাই আবার গুছাতে চান সব কিছু। কিন্তু তার সেই উদ্যোগ থমকে দেয় আততায়ীর বুলেট।

ম্যালকম সমসাময়িক কালে রাজনৈতিক বিশ্বাসের জন্য হয়েছেন সমালোচিত। প্রেসিডেন্ট কেনেডির একজন নামকরা সমালোচক ছিলেন ম্যালকম। কেনেডি নিজেও কৃষ্ণাংগ অধিকারে বিশ্বাসী ছিলেন। তার সময়ে ইউনিভার্সিটি অব আ্যলাবামাতে কালোরা ভর্তি হবার সুযোগ পায়। কাজটা ছিলো বেশ কঠিন। কারন আলাবামার গভর্নর ওয়ালেস ছিলেন কালো আর সাদার একত্রীকরনের বিরোধী। তার সময়ে "ওনলি ফর হোয়াইটস" সাইনটি ছিল দৃশ্যমান। তার বিখ্যাত উক্তি, "আই ওয়ান্ট সেগরেগেশন টুডে, আই ওয়ান্ট সেগরেগেশন টুমোরো, আই ওয়ান্ট সেগরেগেশন ফর এভার।" কিন্তু কেনেডিও অনমনীয় ছিলেন। যার ফলে ইউনিভার্সিটি অব আলাবামা এট টাস্কালুসাতে কালোদের অর্ন্তভূক্তি নিশ্চিত হয়। ওয়ালেসের বিরোধিতা সত্ত্বেও।

কিন্তু তা সত্ত্বেও কেনেডির সমালোচনায় ম্যালকম ছিলেন মূখর। ম্যালকমের কেনেডি বিরোধী এই ব্যাপারটিকে আমি কখনই সমর্থন করিনি কারন আমি নিজেও কেনেডির ভক্ত। আমেরিকার প্রেসিডেন্ট হয়ে কেনেডিও মিথ্যা বলেছেন তবে তা যুদ্ধকে এড়িয়ে যাওয়ার জন্য। কেনেডির এই শান্তিপ্রিয় মানবতাবাদী ভূমিকা তাকে অনন্য করে তুলে। কিন্তু ম্যালকম বিভিন্ন ইস্যুতে তার সমালোচনা করে নিজেও হয়েছেন আলোচিত।

ম্যালকমের ইসলামী আন্দোলনের পেছনে যার অবদানকে গুরুত্ব দিতে হয় তিনি হলেন তার স্ত্রী এমা। এমাই প্রথমে ন্যাশন অব ইসলামের আভ্যন্তরীন সমস্যাগুলো তুলে ধরেন ম্যালকমের কাছে। এমার অকুন্ঠ সমর্থনেই ম্যালকম মূলধারার ইসলামে নিজেও সম্পৃক্ত হয়েছেন এবং অন্যদের সম্পৃক্ত করেছেন।

ম্যালকমকে নিয়ে আমেরিকায় যে মুভিটি হয়েছে তাতে ম্যালকমের ভূমিকায় অভিনয় করেছেন ডেনজেল ওয়াশিংটন। আমার এই লেখাটি অনেক আগে দেখা সেই মুভির স্মৃতি থেকে নেয়া। ভুল ত্রুটি থাকলে মার্জনা চাইছি।

কস্ট করে লেখাটি পড়ার জন্য সবাইকে ধন্যবাদ।

 

 

  • ৭৫ টি মন্তব্য
  • ৫৮৯ বার পঠিত,
Send to your friend Print
রেটিং দিতে লগ ইন করুন
পোস্টটি ১৯ জনের ভাল লেগেছে, ২ জনের ভাল লাগেনি
১. ২৪ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ রাত ৯:৩৮
comment by: সারওয়ারচৌধুরী বলেছেন:
+

ইনফরমেটিভ পোস্ট। গুড।
২৪ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ রাত ৯:৪১

লেখক বলেছেন: থ্যাংক ইউ সারোয়ার।

২. ২৪ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ রাত ৯:৪১
comment by: পথহারা বলেছেন: আপা, '

'ন্যাশন অব ইসলাম ' এটা জিনিস, একটু বুঝাইয়া বলবেন কয়েক লাইনে?..or any reference?
২৪ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ রাত ৯:৪৪

লেখক বলেছেন: আমেরিকার একটি প্লাটফর্ম। লুই ফারাহ খানের নেতৃত্বে। গুগল সার্চ দিয়ে দেখতে পারেন। সেটাই সবচেয়ে ভাল হবে।

৩. ২৪ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ রাত ৯:৪২
comment by: পথহারা বলেছেন: এটা জিনিস=এটা কি জিনিস
৪. ২৪ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ রাত ৯:৪৩
comment by: মাহিরাহি বলেছেন: ম্যালকমকে বলা হত কালোদের রাজপুত্র, ধন্যবাদ পোষ্টের জন্য।
২৪ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ রাত ৯:৫২

লেখক বলেছেন: আপনাকে ধন্যবাদ পড়ার জন্য।

৫. ২৪ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ রাত ৯:৪৩
comment by: বুড়া শাহরীয়ার বলেছেন: পোস্ট টা ভাল লাগল এমন আরো পোস্ট চাই।+
২৪ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ রাত ৯:৫২

লেখক বলেছেন: চেষ্টা থাকবে।

৬. ২৪ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ রাত ৯:৪৮
comment by: ইছামতীর পাড়ে বলেছেন: ওয়াও! এক্সিলেন্ট!
খুব সুন্দর হয়েছে। আরো একটু সাজিয়ে পেপারে পাঠিয়ে দিন।
২৪ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ রাত ৯:৫৩

লেখক বলেছেন: ভাল লেগেছে জেনে খুশী হলাম।

৭. ২৪ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ রাত ৯:৫০
comment by: সারওয়ারচৌধুরী বলেছেন: লুই ফারাহ খানের ভাষণ আমি দেখেছি। এতো প্রাঞ্জল সহজ উপস্থাপনের ক্ষমতা দেখে বিস্মিত হয়েছি।
২৪ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ রাত ৯:৫৪

লেখক বলেছেন: হ্যা। লুই ফারাহ খানের বক্তব্য চমতকার।

৮. ২৪ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ রাত ৯:৫৩
comment by: ভ্রুক্ষেপিত জ্ঞান বলেছেন: অনেক কিছু জানতে পারলাম।
ধন্যবাদ আপনাকে।
২৪ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ রাত ৯:৫৫

লেখক বলেছেন: আপনাকেও ধন্যবাদ।


৯. ২৪ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ রাত ১০:১০
comment by: পথহারা বলেছেন: [আলীসহ প্রায় সবাই রয়ে যান ন্যাশনের ছায়াতলে।]

আপা,

একটু আগে উইকি পড়লাম। আলী পরবরতিতে main stream
ইসলামে যোগ দেয় following ম্যালকম এক্স......

এটা উল্লেখ করলে মনে হয় ভালো হয়.....
২৪ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ রাত ১০:৩৮

লেখক বলেছেন: স্যরি। আলী বর্তমানে সুন্নী মুসলিম। যখন ন্যাশন ভাগ হয় তখনকার কথা বলছিলাম।

১০. ২৪ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ রাত ১০:১৯
comment by: মুনিয়া বলেছেন: ভালো লাগল...
২৪ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ রাত ১০:৩৯

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

১১. ২৪ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ রাত ১০:২৪
comment by: বাঙাল যুবক বলেছেন: বাংলাদেশে এক আমেরিকান নেতা এসেছিলেন? তিনি কি লুই ফারাহ খান? মনে করতে পারছিনা। তবে তার বক্তব্য শুনেছি ।

ধন্যবাদ পোষ্টের জন্য।
২৪ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ রাত ১০:৪০

লেখক বলেছেন: মনে হয় লুই ফারাহ খান।

যতদূর মনে করতে পারি তার পকেট থেকে বারশ ডলার চুরি হয়ে যায়।

১২. ২৪ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ রাত ১০:৩৬
comment by: আবূসামীহা বলেছেন: "There is nothing in the Quran, as you call it koran, that teaches us to suffer peacefully. Our religion teaches us to be intelligent, be peaceful, be courteous, obey the law, respect everyone. But if someone puts his hand on you, then send him to the Cemetery." - Alhajj Malik al-Shabazz (Malcolm X)
Malcolm, my brother! O prince of Islam! This ummah needs a man like you again. Today we have leaders who love us to suffer peacefully. The youth of the Ummah, who stood up to defend the honor of the ummah, so as to send those to cemetery who laid hand on us, are branded terrorists. Our rulers and intellectuals prefer peaceful suffering over dignified living.
Oh Allah! send us thousands of Malik Shabazz who will raise the honor of this ummah - "by any means necessary" - if the enemy is nonviolent then by way of nonviolence and if they are violent then violently.

Click This Link
২৪ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ রাত ১০:৪২

লেখক বলেছেন: আবু সামীহা, আপনার লেখা পড়ে দেখি আমার কান্না চলে আসল।

ধন্যবাদ।

১৩. ২৪ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ রাত ১০:৪৭
comment by: আবূসামীহা বলেছেন: আমিতো এখনো কাঁদছি।
আমার চোখ ব্রাদার ম্যালকমের মত মানুষদের জন্য অবিরাম অশ্রু ঝরাতেই থাকবে,
তাঁর মত মানুষদের জন্য আমার হৃদয়ে রক্তক্ষরণ হতেই থাকবে।

আমার সমগ্র সত্ত্বা জুড়ে এ বাসনা জাগরুক থাকবে তাঁর মত মানুষদের সঙ্গী হওয়ার জন্য জান্নাতে।
২৪ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ রাত ১০:৫০

লেখক বলেছেন: একমত। তবে আপনি যেহেতু বড় মাপের লেখক, তাই কান্নাকে প্রকাশ করতে হবে লেখায়। ম্যালকমের জীবনী নিয়ে আপনার কাছ থেকে তথ্যবহুল আর সাবলীল লেখা চাই।



১৪. ২৪ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ রাত ১০:৪৯
comment by: বাঙাল যুবক বলেছেন: আবু সামীহাকে ধন্যবাদ
১৫. ২৪ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ রাত ১১:০০
comment by: কোলাহল বলেছেন: উম্মু আব্দুল্লাহ বলেছেন: কৃষ্ণাঙ্গ অধিকার আন্দোলনের অন্যতম নেতা মার্টিন লুথার কিং যখন সবাইকে অহিংস আন্দোলনের মাধ্যমে কৃষ্ণাঙ্গদের অধিকার আদায়ে উতসাহিত করছিলেন, ম্যালকম তখন এটিকে অবহেলার সাথে পাশ কাটিয়ে যান তার এই বিখ্যাত উক্তির মাধ্যমে।



ম্যালকম অহিংস আন্দোলনকে প্রত্যাখ্যান করেছিলেন তার মানে কি সহিংস আন্দোলন করেছিলেন ? এই সহিংস আন্দোলনের সাথে তার ইসলাম গ্রহনের কোন সম্পর্ক আছে কি?
২৪ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ রাত ১১:১৬

লেখক বলেছেন: তিনি মার্টিন লুথার কিং এর ফিলোসোফিকে গ্রহন করেন নি। তার সেই বিখ্যাত উক্তিটি তিনি কিং এর উদ্দেশ্যে বোধ করি ছিল। তিনি কালোদের অধিকার আদায়ের সংগ্রামে কিং প্রতি অকুন্ঠ সমর্থন দেন নি।

আশা করি আমার চেয়ে যারা ভাল জানেন তারা ব্যাপারগুলো ব্যাখা করতে পারবেন। আমি যেহেতু স্মৃতি থেকে লিখছি তাই ভুল হওয়া বিচিত্র নয়।

১৬. ২৪ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ রাত ১১:০২
comment by: আবূসামীহা বলেছেন: আমি যে লিঙ্কটা দিয়ে ছিলাম আগে দয়া করে ওটা দেখুন।
Malcolm X - Prince of Islam.

Click This Link
১৭. ২৪ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ রাত ১১:৩৫
comment by: আবূসামীহা বলেছেন: "ম্যালকমের ইসলামী আন্দোলনের পেছনে যার অবদানকে গুরুত্ব দিতে হয় তিনি হলেন তার স্ত্রী এমা। এমাই প্রথমে ন্যাশন অব ইসলামের আভ্যন্তরীন সমস্যাগুলো তুলে ধরেন ম্যালকমের কাছে। এমার অকুন্ঠ সমর্থনেই ম্যালকম মূলধারার ইসলামে নিজেও সম্পৃক্ত হয়েছেন এবং অন্যদের সম্পৃক্ত করেছেন।"
==========
উপরের ইনফরমেশনে একটু ভুল আছে। এমা ম্যালকমের বোন। তাঁর উৎসাহেই ম্যালকম হজ্জে গিয়েছিলেন যা তাঁর জীবনের মোড় ঘুরিয়ে দিয়েছিল। ম্যালকমের স্ত্রীর নাম বেটি - পরবর্তীতে ডঃ বেটি আল-শাবাজ।
২৫ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ সকাল ৮:৫২

লেখক বলেছেন: ভুল ধরিয়ে দেয়ার জন্য ধন্যবাদ। হ্যা, এমা হলেন বোন আর বেটি হলেন স্ত্রী। তবে বেটি ন্যাশনের ব্যাপারে তার কাছে প্রশ্ন তোলেন। সে প্রশ্ন ম্যালকমকেও সন্দিহান করে তোলে।

১৮. ২৫ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ রাত ২:০৪
comment by: আবূসামীহা বলেছেন: Eulogy speech by Actor Ossie Davis on Malcolm's funeral

Here at this final hour, in this quiet place, Harlem has come to bid farewell to one of its brightest hopes, extinguished now, and gone from us now forever. It is not in the memory of men that this beleaguered, unfortunate but nonetheless, proud community has found a braver more gallant young champion then this Afro-American who lies before us unconquered still. I say the word again as he would want me to "Afro-American, Afro-American Malcolm." Malcolm stopped being Negro years ago. It had become too small, too puny, too weaker word for him. Malcolm was bigger than that.

There are those who will consider it their duty, as friends of the Negro people, to tell us to revile him, to flee, even from the presence of his memory, to save ourselves by writing him out of the history of our turbulent times. Many will ask what Harlem finds to honor in this stormy, controversial and bold young captain — and we will smile. Many will say turn away — away from this man, for he is not a man but a demon, a monster, a subverter and an enemy of the black man — and we will smile. They will say that he is of hate — a fanatic, a racist — who can only bring evil to the cause for which you struggle! And we will answer and say to them: Did you ever talk to Brother Malcolm? Did you ever touch him, or have him smile at you? Did you ever really listen to him? Did he ever do a mean thing? Was he ever himself associated with violence or any public disturbance? For if you did you would know him. And if you knew him you would know why we must honor him.

Malcolm was our manhood, our living black manhood. This was his meaning to his people, an in honoring him we honor the best in ourselves. However much we may had differed with him or with each other about him, and his value as a man let his going from us serve only to bring us together now. Consigning this mortal remains to earth, the common mother of all, securing the knowledge that what we place in the ground as no more now a man, but a seed, which after the winter of our discontent will come forth again to meet us and we shall know him then for what he was and is, a prince -shining prince who didn't hesitate to die because he loved us so.
২৫ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ বিকাল ৫:৪৭

লেখক বলেছেন: স্পীচটি খুব টাচি।

১৯. ২৫ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ রাত ২:১১
comment by: শমশের আলম শোভন বলেছেন: ওকে আন্ডারস্টুড করলাম যে আপনেরা সহিংস আন্দোলনের বড় ভক্ত৷ নাসারাগো দ্যাশে বইসা নিমকহারামি করতাছেন তো ভালোই
২০. ২৫ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ রাত ২:২৩
comment by: ডোরাকাটা বলেছেন: তুমি যে তুমার তুলনা......
২১. ২৫ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ রাত ২:২৭
comment by: "কুদরত আলী" বলেছেন: বলেছেন: ম ্যালকম-এক্স সম্পর্কে লেখা গুলো পড়লাম। এখন কিছু প্রশ্ন? ম্যালকম-এক্স একজন দাগী আসামী এবং আমেরিকান কারগিার কতৃপ ম্যালকম-এক্সকে সমস্ত রকম মানবাধিকার সুযোগ সুবিধা দিয়েছেন যাতে তিনি উনার কতকর্মর শাস্তি ভোগ করার পরে সম্মানৈর সাথে সমাজে ফিরে যেতে পারেন। ব্যপিারঠি কি সম্বভ হতো আস্তমেয়ের শরীয়া আইনে। ম্যালকম-এক্স কে হয়তো দোররা মারা হতো,কিংবা হাত কাটা হতো। আর শেষ হয়তো গলা কাটা হতো শেষৈ। যদি আমি মেনে নেই ম্যালকম-এক্স এর মহাত্ব তা কিন্ত ইসলামের দান নয়। দান আমেরিকার কারাগার ব্যবসহার। ঐশলামিক আইনে তিনি হয়তো হারিয়ে যেতেন এক হাত কাটা ভিখারী হিসাবে।

বলতে চাই আমেরিকা বর্নবৈষম্য এবং সামাজিক বৈষম্যর পরিবর্তন ঘটিয়েছে তার সামাজিক বিপ্লবের মাধ্যমে।ইতিহাস পযালোচনা করলে দেখা যাবে ,কৃতিত্বআব্রাহাম লিক্নন দাস প্রথ িউঠিয়ে দেয়ার জন্য আর নেডী,জনসন এবং নিক্সন প্রেসিডেনিস সামাজিক পরিবর্তনের এে তৈরির জন্য। আন্দোলনের কৃতিত্ব যাবে মাটিন লুথার কিং বা রোসা পার্কের াছে। সাংবিধানিক পরিবর্তনের দিক নির্দেশনা দিয়েছে ইউ এস সুপ্রিম কোট।ম ্যালকম-এক্স র ভমিকা খুবই কম এবং প্রশনবিদ্্ব ঐতিহাসিকদের কাছে। তিনি ধর্মের নামে পরিবর্তন আনতে যেয়ে বিছিছন্নকরেছেন মুল আন্দোলনকে। উসকে দিয়েছেন ব্লল্যাক প্যানহরি জাতীয় দলগুলোকে।চরমপনিহ আনেদালনখে বেগবান করেছেন। ফল হয়েছে যে সামাজিক পরিবর্তন বাধা প্রাপ্ত হয়েছে। উনার ধর্মযইি হোক আমেরিকার পরিবতর্নে ম ্যালকম-এক্স র ভূমিকা খুবই কম এবং কোন কোন ঐতিহাসিক ওনাকে চরমপনিহ বলবেন। আরও জানাচিছ কালো কমুনিটি ম ্যালকম-এক্স কে তাদের এাতা মনে না করে , মূল সমস্যা থেকে ডিসট্রকিশন মনে করে।। আইন যদিহয় ভালো সময়ে হাত কাটা তহিলে আপনরি হিরোর হাত কাটা যেতো। ঐশলামিক আইন সেদিক দিয়ে সফল।
আমেরিকার কালোরা অনেক এগিয়েছৈ গত কয়েক দশকে। কৃতিত্ব যাবে ষাটের দশকের আনেদালন মাটিন লুথার কিংকিংবা আলবামার বাস বয়কট এর রোসা পার্কের। সততর দশকের সামাজিক পরিবর্তন এনফোর্সড বাই ইউ এস সুপ্রিম কোর্ট বিশাল অবদান রেখেছে। কেনেডী,জনসন এবং নিক্সন প্রেসিডেনিস রেখেছে বিশাল ভুমিকা ।সকল প েএকএ্র কাজ করেছেন,আপনার হিরো ছাড়া। ধর্মের নামে তিনি সমাজকেদই ভাগে ভাগ করেছেন।
২৫ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ সকাল ৮:৪৯

লেখক বলেছেন: ম্যালকমের অবদান আছে বলেই তার স্মারক ডাকটিকেট প্রকাশিত হয়েছে (আমার স্মৃতি যদি বিশ্বাস ঘাতকতা না করে)।

আমি উগ্রবাদে বিশ্বাস করি না। সেজন্য প্রথম প্রথম ম্যালকমকে আমার ততটা ভাল লাগত না। পরে যখন বর্ন বৈষম্যের আসল রূপটি দেখি, তখন আমি ম্যালকমসহ হাজারো কালোদের মানসিকতা বুঝতে পারি।

ম্যালকম পরবর্তী জীবনে সাদাদের প্রতি অনেকটাই নমনীয় হয়ে ছিলেন।

২২. ২৫ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ সকাল ৯:০৮
comment by: প্রচেত্য বলেছেন:
ম্যলকম এর জন্য তো শ্রদ্ধাই রইলই
আপনার প্রতিও সম্মানের স্তরটি অনেক উচুতে স্থান করে নিলাম
২৫ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ সকাল ৯:২১

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ প্রচেত্য। লজ্জা লাগল কিছুটা। আমি সম্মানের ততটা যোগ্য নই।

২৩. ২৫ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ সকাল ৯:১২
comment by: দ্বীপবালক বলেছেন: সুন্দর লিখিয়াছেন। ম্যালকম এক্স সম্পর্কে অনেক কিছু জানা হইল লেখা এবং মন্তব্য সমূহ হইতে। ধন্যবাদ।
২৫ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ সকাল ৯:২৩

লেখক বলেছেন: আপনাকে ব্লগ পড়ার জন্য ধন্যবাদ। আমার অসময়ের এলোমেলো ভাবনা গুলো যদি পড়ার যোগ্য মনে করেন তবে আমি সার্থক।

২৪. ২৫ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ সকাল ৯:৩৫
comment by: আবূসামীহা বলেছেন: জনাব কুদরত আলী,
মুসলিম বিদ্বেষে আপনি অন্ধ জানি। কিন্তু যে ধরণের মন্তব্য করলেন এক মহান ব্যক্তি সম্পর্কে তা কোনভাবেই জাস্টিফাই করা যায়না। ম্যালকম তার প্রথম যৌবনে যে উচ্ছৃংখল জীবন যাপন করেছেন তাও বর্ণবৈষম্যের শিকার হওয়ার কারণে। হোয়াইট সুপ্রিমেসিস্টরা [ সাদা বর্ণবাদীরা] তাঁর পিতাকে হত্যা করলে তার মা পাগল হয়ে যান। ফলে তিনি এবং তার ভাই বোনেরা কোন রকমের যথার্থ অভিভাবকত্ব ছাড়াই বড় হয়েছেন। ফলে সৃষ্টি হয় তার জীবনের প্রাথমিক উচ্ছৃংখলতাগুলো। আর সেগুলোও মূলতঃ বেঁচে থাকার প্রয়োজনে। আর বেঁচে থাকার প্রয়োজনে যারা অপরাধ করে ইসলাম তাদের শাস্তি দেয়না। ইসলাম শাস্তি দেয় তাদেরকে যারা অপরাধপ্রবণ এবং বিনা কারণে অন্যের অধিকার নষ্ট করে ও সমাজে বিশৃংখলা সৃষ্টি করে।

ম্যালকম তার জীবনকে সংশোধন করেছেন। নিজেকে নিজে শিক্ষিত করেছেন। কৃষ্ণাঙ্গদের মাঝে আত্মমর্যাবোধ সৃষ্টি করতে চেষ্টা করেছেন। তিনি মিলিট্যান্ট ছিলেন শব্দে, কাজে নয়। এটা এজন্য ছিল যাতে কৃষ্ণাঙ্গদের মাঝে সাদাদের প্রতি যে ভীতি ছিল তা চলে যায়। ব্যক্তিগতভাবে তিনি কখনো কোন সহিংস ঘটনায় অংশ নেননি বা কাউকে সেজন্য নিয়োগ করেননি। বরং নিজেই সহিংসতার শিকার হয়েছেন। এজন্যই আমার আগে উদ্ধৃত করা অভিনেতা ওসি ডেভিসের বক্তব্যের একটা অংশের দিকে চোখ ফেরাতে বলবঃ
There are those who will consider it their duty, as friends of the Negro people, to tell us to revile him, to flee, even from the presence of his memory, to save ourselves by writing him out of the history of our turbulent times. Many will ask what Harlem finds to honor in this stormy, controversial and bold young captain — and we will smile. Many will say turn away — away from this man, for he is not a man but a demon, a monster, a subverter and an enemy of the black man — and we will smile. They will say that he is of hate — a fanatic, a racist — who can only bring evil to the cause for which you struggle! And we will answer and say to them: Did you ever talk to Brother Malcolm? Did you ever touch him, or have him smile at you? Did you ever really listen to him? Did he ever do a mean thing? Was he ever himself associated with violence or any public disturbance? For if you did you would know him. And if you knew him you would know why we must honor him.

ম্যালকম সাদা কালোদের মাঝে বিভেদ ঘুচাতে অনেক বেশি ভূমিকা পালন করেছেন। বর্ণবাদী পরিচয় বাদ দিয়ে তিনি হতে পেরেছিলেন উদার সর্বগ্রাহী। আর আজ এজন্য কালোদের নিগ্রো না বলে আফ্রিকান-আমেরিকান বলা হয় যা ম্যালকমের বানানো টার্ম "afro-american" থেকেই নেয়া।

ম্যালকমের মত মানুষেরা চিরকাল বেঁচে থাকবেন সুন্দর পৃথিবী আকাঙ্খী মানুষদের অন্তরে। আর ঘৃণা ও বিদ্বেষ সৃষ্টিকারী কুদরত আলীদের নাম কেউ কখনো মনে রাখবেনা। রাখলেও রাখবে ঘৃণার উপাদান হিসেবে।
২৫ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ সকাল ৯:৪৪

লেখক বলেছেন: আবু সামীহা, আবারো আপনার লেখা পড়ে কাদলাম। আসলে ম্যালকমের মত উচু মানুষ নিয়ে লেখার কোন যোগ্যতা আমার নেই। আপনার এই মন্তব্য গুলোই এই লেখার প্রান।

আমি আপনাকে ম্যালকমকে নিয়ে একটি পোস্ট দেয়ার অনুরোধ জানাই। পারলে ইংরেজীটুকু অনুবাদ দেবেন।

২৫. ২৫ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ সকাল ৯:৫০
comment by: আবূসামীহা বলেছেন: চেষ্টা করবো, আপু।
২৫ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ সকাল ১০:০০

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ। আরেকটি অনুরোধ।

ইসলাম শেষ সম্বল আত্মরক্ষার কৌশল হিসেবে অস্ত্র ধারনের অনুমতি দিলেও তা কঠিন শর্তের জালে বাধা। ম্যালকমের পরিস্থিতিতে যা মানানসই, তা স্বাভাবিক অবস্থায় বেমানান।

তাই যে কোন সহিংতাকে আমি মনে করি নিরুতসাহিত করা উচিত। ধৈর্য এবং সহনশীলতা দিয়ে পরিস্থিতি মোকাবেলা করাটাই প্রথম কর্তব্য।

আমি এই নিয়ে তর্কে যেতে চাই না। তবে আমার দৃষ্টিভংগি ব্যাখা করলাম।

২৬. ২৫ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ সকাল ১০:১১
comment by: আবূসামীহা বলেছেন: "ইসলাম শেষ সম্বল আত্মরক্ষার কৌশল হিসেবে অস্ত্র ধারনের অনুমতি দিলেও তা কঠিন শর্তের জালে বাধা।"
এর সাথে আমারো দ্বিমত আছে। আমি অবশ্য বিতর্ক করছিনা। নীচের লিঙ্কে একটা লেখা আছে ইংরেজীতে।

Click This Link

আর ম্যালকমের ব্যাপারটা হল, তিনি মূলতঃই ভায়োলেন্ট ছিলেননা। তাঁর পূরো সংগ্রামী জীবনে একবারও তিনি ব্যক্তিগতভাবে কোন সহিংস কাজে অংশগ্রহন করেননি এবং এর নির্দেশও কাউকে দেননি। যতটুকু মিলিট্যান্সি ছিল তার মধ্যে তা ছিল তার কথায়। এবং তা ছিল একটা স্ট্র্যাটেজির অংশ।
২৫ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ সকাল ১০:১৮

লেখক বলেছেন: ম্যালকম প্রতিবাদী হলেও সহিংসতাকে কথায় কিংবা কাজে কোন ভাবেই উস্কে দেন নি। এ ব্যাপারে আমি একমত।

বরং তিনিই বৈষম্যের স্বীকার হয়েছেন।


২৭. ২৫ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ সকাল ১০:২৬
comment by: আওরঙ্গজেব বলেছেন: সালাম,
ভাল পোস্ট। অনেক কিছু জানলাম।
২৫ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ সকাল ১০:৩৩

লেখক বলেছেন: ওয়াস সালাম।

ভালো লেগেছে তাই খুশী হলাম।

২৮. ২৫ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ রাত ৯:৪৮
comment by: সারওয়ারচৌধুরী বলেছেন:

কুদরত আলীর কাজই হলো মানুষের চরিত্রের ব্ল্যাক সাইড খুঁজে বের করা। আরে ব্ল্যাক তো থাকবোই। হোয়াইট সাইড যদি বেশি হয় সেটা বলবেনা?
২৫ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ রাত ৯:৫৬

লেখক বলেছেন: ভাল মন্দ সব মানুষেরই থাকে। তবে বীর সাহসী আর মানবতাবাদীদের দোষটুকু সহজে চোখে পড়ে না।

ম্যালকম মানুষ হিসেবে ছিলেন অসাধারন। তার একটি সভায় এক সাদা মেয়ে অংশ নেয় এবং পরবর্তীতে ম্যালকমের পাশে দাড়ানোর অভিপ্রায় জানায়। সে মুহুর্তে ম্যালকম তাকে এড়িয়ে যান কারন তিনি তখন সাদা কাউকে তার সাথে চাচ্ছিলেন না।

পরে সে জন্য দুঃখ করেছেন। তিনি বলেছেন, "তাকে আমি অনেক খুজেছি। পাই নি।"

২৯. ২৫ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ রাত ১০:০৫
comment by: সারওয়ারচৌধুরী বলেছেন: ঠিক বলেছেন এরকম হওয়াটা স্বাভাবিক।

একটা পক্ষে আন্দোলন করলে হুট করে অন্য পক্ষকে সাদর সম্ভাষণ জানানো যায় না। ম্যালকমের ওটা দোষ ছিলো না। বরং নিজের পক্ষের প্রতি নিষ্ঠাই প্রকাশ পেয়েছে।
২৬ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ রাত ১:৫২

লেখক বলেছেন: এই ব্লগে ডানপন্থী, বামপন্থী সহ বহু মতের মানুষ আছে। তবে সত্যিকার মানবতাবাদী আছেন গুটিকয়েক। সেই গুটিকয়েকের মধ্যে আপনি একজন। ম্যালকমকে কি আপনার কাছে ভাল না লেগে পারে?

৩০. ২৬ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ রাত ২:০২
comment by: সারওয়ারচৌধুরী বলেছেন: চোখ ভিজে উঠলো আপু আপনার মন্তব্যে।
২৬ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ রাত ৩:০৩

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

২৬ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ রাত ৩:০৫

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ। নিজের উপর বিশ্বাস করুন।

৩১. ২৬ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ রাত ২:০৭
comment by: শমশের আলম শোভন বলেছেন: হৃদয় ছুয়ে যায় লেখাটিতে৷ চলুন না আজই মেলকমের আদর্শে ঝাপিয়ে পড়ি৷ আপনিও করতে পারেন৷ যুদ্ধ এখনই শুরু করতে হবে আর দেরী নয়
২৬ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ রাত ৩:০৬

লেখক বলেছেন: ম্যালকমের ব্যাক্তিত্ব আমার নেই। তাও চেষ্টা করি মানুষকে সম্মান দিতে।

৩২. ২৬ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ রাত ৩:২৮
comment by: শমশের আলম শোভন বলেছেন: বেক্তিত্ব দরকার নেই৷ যার যা কিছু অস্ত্র আছে তা নিয়ে ঝাপিয়ে পড়া উচিত৷ যেমন আপনি রান্না ঘরের এক্টা ছুরি নিয়ে দুটো কাফের মেরে আসতে পারেন, সেই অবদান মুসলিমরা হাজার বছর মনে রাখবে৷
২৬ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ ভোর ৪:৩৯

লেখক বলেছেন: আপনার চিন্তাধারা ম্যালকমের আদর্শের বিপরীত। ম্যালকম বোধকরি আপনার প্রিয় ব্যক্তি নন। আপনার প্রিয় ব্যক্তিত্ব বোধকরি ম্যালকমের পিতৃঘাতক। লেখা পড়ে তাই মনে হচ্ছে।

৩৩. ২৬ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ ভোর ৪:৪৩
comment by: শমশের আলম শোভন বলেছেন: আমার ত ধারনা আপনি মেলকমকে বুঝেন নি৷ উনি বলেছেনঃ "উই আর নন-ভায়োলেন্ট টু দেম, হু আর নন-ভায়োলেন্ট টু আস"৷ আজ কাফেররা লাখে লাখে মুসলিম হত্যা করছে, আর আপনি বলছেন চুপ করে থাকতে
২৬ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ ভোর ৫:৩০

লেখক বলেছেন: আমি অন্যায়ের প্রতিবাদ করি। অন্যায় দেখে চুপ করে থাকাটা আমার স্বভাব নয়। সহনশীলতা আর ধৈর্যের অর্থ অন্যায় মেনে নেয়া নয়।

যা হোক, আপনার সাথে আর আলোচনায় যাচ্ছি না। কারন এসব কথা এই পোস্টের সাথে অপ্রাসংগিক।



৩৪. ২৬ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ ভোর ৫:৪৫
comment by: ইছামতীর পাড়ে বলেছেন: কালো আমেরিকানদের মাঝে ম্যালকমের প্রভাব এখনো অতুলনীয়। কথায় কথায় তারা উনার উদাহরন নিয়ে আসেন। কোন এক হজ্জে উনি তো একটি যুগান্তকারী ভাষনও দিয়েছিলেন। সম্ভবত. ইউটিউবে এখনো আছে।
২৬ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ ভোর ৬:৩৮

লেখক বলেছেন: হ্যা, কালোদের মাঝে তিনি প্রবাদ পুরুষ।
সেজন্যই তারাই এই নর্থ আমেরিকার মুসলিম সমাজের মূল ধারা।

এই সময়ে ইমাম সিরাজ ওয়াহাজ হলেন সমাজ সংস্কারক এবং ইসলামী দাওয়া কর্মকান্ডে অগ্রদূত।



৩৫. ২৬ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ সকাল ৯:৫৯
comment by: শামসুজ্জামান সিদ্দিকী শাহীন বলেছেন: ধ্বংসের কিনারা থেকে উঠে দৃঢ বিশ্বাসী হয়ে আলোয় কিভাবে জীবনকে উদ্ভাসিত করা যায় ম্যালকম তার বলিষ্ঠ উদাহরন। তিনি শুধু নিজেকে বাচাননি, এ আলোর দ্যুতি তিনি হোয়াইট হাউজেও পাঠাতে সক্ষম হয়েছিলেন। পেরেছিলেন হতাশা, মাদকাশক্তিতে আসক্ত একটা জাতির মধ্যে প্রাণের স্পন্দন আনতে। নির্ভয়ে সত্য কথা বলতে পেরেছিলেন। সেজন্য সাম্রাজ্যবাদী শক্তি তাঁকে বাচতেও দেয়নি, কিন্তু তিনি বেঁচে আছেন লক্ষ লক্ষ মানবতাবাদী মানুষদের মনের মুকুরে।

ডেট্রোয়েটে মুসলিম অমুসলিম কালোদের মাঝে ম্যালকম মিশনের তত্‌পরতা দেখেছি।
আল্লাহ্‌ সুবহানাহু তাআলা তাঁকে বেহেশত নসীব করুন।
২৭ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ রাত ৩:১১

লেখক বলেছেন: একমত আপনার সাথে। আল্লাহ তাকে জান্নাত দান করুন।

৩৬. ২৬ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ সকাল ১০:১৫
comment by: শান্ত বলেছেন: ভালো লাগলো।
২৭ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ রাত ৩:১২

লেখক বলেছেন: ভাল লাগাতে পেরেছি জেনে খুশী হলাম।

৩৭. ২৭ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ রাত ৩:৩২
comment by: শমশের আলম শোভন বলেছেন: আন্টি, নতুন ল্যাখা দেন, এইটা লম্বা হয়া গেছে লোড হইতে টাইম লইতাছে
৩৮. ২৭ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ ভোর ৫:২৬
comment by: উম্মু আবদুল্লাহ বলেছেন: ব্যক্তিকেন্দ্রিক আর এই পোস্টের সাথে অপ্রাসংগিক মন্তব্য গুলো মুছে ফেললাম।

যে কোন অপ্রাসংগিক মন্তব্যে আমার প্রিয় পোস্টে রাখা পোস্ট টিতে করুন।

৩৯. ০৭ ই জানুয়ারি, ২০০৮ বিকাল ৪:৫১
comment by: স্হপতি বলেছেন: ধন্যবাদ।
০৮ ই জানুয়ারি, ২০০৮ ভোর ৪:২৩

লেখক বলেছেন: আপনাকেও ধন্যবাদ।

৪০. ১০ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ সকাল ৭:৪৭
comment by: ত্রিভুজ বলেছেন:

+

প্রিয় পোস্টেড!
১০ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ সকাল ৮:৩৯

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ

৪১. ২৯ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ সকাল ৮:৩১
comment by: উম্মু আবদুল্লাহ বলেছেন: আজ হাইওয়েতে ম্যালকমের নামে একটি রাস্তা দেখলাম, "ম্যালকম এভিনিউ"। তখন আমার এ লেখাটির কথা মনে এল। ম্যালকমের রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি দেখে খুব ভাল লাগল।

 



 


শুধুই শুন্যতা।

পরম করুনাময়, আমায় সাহায্য কর......................................
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস