সালাম সবাইকে (মডারেটেড ব্লগ)

একটি অর্থহীন গল্প

১০ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ সকাল ৮:২৩

শেয়ার করুন:                   Facebook

চৌধুরী সাহেবের মুহুর্তমাত্র অবসর নেই। ব্যবসার কাজে তাকে প্রতিনিয়ত ব্যস্ত থাকতে হয়। তার উপর আজ আবার ফরেন ডেলিগেটসদের সাথে মিটিং। আজকের মিটিংটা অসম্ভব গুরুত্বপূর্ন। বেশ বড় একটা ডিল। সকাল সকাল সেভাবেই প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন। এমনিতেই অনেক দেরী হয়ে গেছে।

"মতি মিয়া, চা নিয়ে আসো।"

"আনতাছি বড় সাব।"

আপন মনে ব্রিফকেসে সব ফাইল গুলো আবার দেখতে থাকেন। না, কাগজ পত্র সব ঠিক আছে। যা যা দরকার সবই আছে। ব্রিফকেসটা একটু উচিয়ে ধরলেন। ঠিক তখনি ঘটল অঘটনটা। চা পুরোটা ছলকে পড়ল ব্রিফকেসে। সাথে সাথে নষ্ট হয়ে গেল কাগজপত্র গুলো। এক মিনিটের ব্যাপার। অথচ ধ্বংস করে দিল মাসের পর মাসের প্রস্তুতিকে।

মতি মিয়া কখন পিছনে এসে দাড়িয়েছিল টের পান নি চৌধুরী সাহেব। তাই অসাবধানে এ ঘটনা ঘটতে পারল। প্রথমটা তিনি বোধবুদ্ধি হারিয়ে ফেলেন। সম্বিত ফিরে আসতে প্রথম যে কথাটি মনে এল তা হল, "এখন মিটিং এর ফলাফল কি হবে?" চোখের সামনে বার বার কল্পিত মিটিং ভাসতে লাগল। এত বড় ডিলটা মিস হয়ে যাবে? কাগজ পত্র না দেখাতে পারলে কি অর্ডারটা পাবেন? সে সম্ভাবনা নেই বললেই চলে।

প্রাথমিক ধাক্কাটা কেটে যাবার পরে চৌধুরী সাহেব তাকালেন মতি মিয়ার দিকে। মতি মিয়া ভয়ে কাপছে। মৃদু কন্ঠে তিনি বললেন,"মতি মিয়া, তুমি নিজেও জানো না আমার কত বড় ক্ষতি তুমি করেছ। তুমি এখনই এই বাসা থেকে বের হয়ে যাও। বলা যায় না, অফিস থেকে এসে আমি তোমাকে খুনও করে ফেলতে পারি।"

মতির গা কাপতে থাকে। বড় সাহেব এসব কি বলছেন। বড় সাহেব আবারো গর্জে উঠলেন, "কথা কানে যায় না? বার হও বাসা থেকে?"

এবার হাউ মাউ করে কেদে উঠে মতি মিয়া। ধপ করে চৌধুরী সাহেবের পায়ের কাছে বসে যায়, "সাহেব, আমারে মাফ কইরা দেন। আমারে বাইর কইরেন না। আমার কুনু ঘর নাই।"

"আর একটা কথা না বলে বেরোও। নতুবা পুলিশে দেব।"

বেগম সাহেবার কাছে হাজারো কান্নাকাটি করল মতি। লাভ কিছু হল না। মাথা নীচু করে ভগ্ন হৃদয়ে মতি বেরিয়ে গেল চৌধুরী সাহেবের বাড়ী থেকে। কোথায় গেল কেউ জানেনা। জানার প্রয়োজনও কেউ মনে করেনি।

এই অর্থহীন ঘটনাটিকে ভুলে যায় সবাই। বড় সাহেব কাজ নিয়ে ব্যস্ত থাকেন। সেদিনের বড় ডিলটা মিস হওয়ার ক্ষতিকে যাতে পুষিয়ে নেয়া যায় তার সর্বাত্মক চেষ্টায় নিজেকে নিয়োগ করেন। মতি নামের কেউ যে তার বাসায় কখনও ছিল সেটাই এক সময় তার মন থেকে হারিয়ে যায়।

এর পর কেটে যায় দশ বছর।

চৌধুরী সাহেবের জীবনে এসেছে অনেক পরিবর্তন। অতীতের সেই জৌলুস এখন আর নেই। হঠাৎ স্ত্রী অসুস্থ হওয়ায় জলের মত টাকা খরচ হতে থাকে চিকিৎসায়। একই কারনে ব্যবসাতেও মনোযোগ দিতে পারলেন না। সেখানেও নামল ধ্বস। চিকিৎসকদের সব চেষ্টা ব্যর্থ করে স্ত্রী মারা গেলেন। ব্যথিত হলেন ঠিকই তবে সে শোক সামলে নিয়ে আবার ব্যবসা দাড় করাতে মনস্থির করলেন চৌধুরী সাহেব।

কিন্তু অভাগা যেদিকে যায় সাগর শুকিয়ে যায়। বিপদ যখন আসে তখন চারিদিক থেকে আটঘাট বেধেই আসে। চৌধুরী সাহেবের একমাত্র পুত্র সন্তান মায়ের অভাবে অযত্ন অবহেলায় দিন দিন শুকিয়ে যেতে থাকে। এটা ওটা অসুখ লেগেই থাকে। একসময় গুরুতর অসুস্থতায় শয্যাশায়ী হয়ে পড়ে। এই রোগ ভাল হবে কিনা চিকিৎসকরা কেউ বলতে পারেনা। এদিকে চিকিৎসা করানোর সামর্থ্যও যেন নেই। প্রায়ই ডাক্তারের ভিজিট বাকী পড়ে।

"আমার আর সয় না।", এই বলে সেজদায় কান্নায় ভেংগে পড়েন, "হে আল্লাহ, এই নাদানকে তুমি আর কত পরীক্ষা করবে। আঘাতে আঘাতে আমি তো জর্জরিত। আর আঘাত নেয়ার ক্ষমতা, শক্তি কোনটাই অবশিষ্ট নেই। রহম কর। আমার ছেলেটাকে ভিক্ষা চাইছি।"

জায়নামাজ ভিজে যায় প্রতি রাতের কান্নায়। দিনের পর দিন, রাতের পর রাত কেটে যায় এই জায়নামাজে। "ও আল্লাহ, আমার ছেলের জান ফিরিয়ে দাও। আর কিছু চাই না।" ইবাদতে ডুবে থেকে এই একটি দোয়া তিনি ঘুরিয়ে ফিরিয়ে বার বার\পুনরাবৃত্তি করতে থাকেন।

এমনি একদিন নামাজ শেষে ক্লান্ত হয়ে জায়নামাজে ঘুমিয়ে যান চৌধুরী সাহেব। কিছুক্ষন পরে একটি অদ্ভূত স্বপ্ন দেখে উঠে গেলেন তিনি। কেমন যেন আনমনা হয়ে গেলেন অদ্ভূত স্বপ্নটির কথা ভেবে। একটা আলোক বিন্দু। সেই আলোক বিন্দু থেকে ভারী গলায় কে যেন তাকে বলছে, "আজ তুমি যেমন করে কড়জোড়ে তোমার সৃষ্টিকর্তার কাছে অনুগ্রহ ভিক্ষা করছ, ঠিক তেমনি করেই দশ বছর আগে একজন মানুষ তোমার কাছে অনুগ্রহ ভিক্ষা করেছিল। তুমি তাতে সাড়া দাওনি। তার ব্যথিত বুক ভাংগা আর্তনাদ তোমার হৃদয়কে স্পর্শ না করলেও তা আল্লাহর আরশকে স্পর্শ করেছে। সে জন্যই তোমার আজ এত দুর্দশা।"

"এর কি কোন প্রতিকার নেই? আমি কি সেই ভুলের জন্য একেবারেই ধ্বংস হয়ে যাব?"

"তাকে অথবা তার উত্তরসূরীদের খুজে বার কর। তাদের দোয়াই পারবে তোমার ছেলের জীবন ফিরিয়ে দিতে।"

আচ্ছা, এ স্বপ্ন কি সত্য হতে পারে? কে জানে। কিন্তু চৌধুরী সাহেবের তো আর কোন উপায় নেই। দেয়ালে পিঠ ঠেকে গেছে। ডাক্তাররা ক্ষমা চেয়ে বিদায় নিয়েছেন। কেউ আর আশাবাদী নয়।

হ্যা। তিনি যাবেন মতি মিয়ার খোজে। শেষ চেষ্টা শুধু সেটাই।

চৌধুরী সাহেব কি করে মতির বাড়ী খুজে বার করলেন সে আরেক ইতিহাস। ঝাড়া দুইটি বছর অক্লান্ত চেষ্টায় মতির বাড়ীর সামনে দাড়িয়ে কড়া নাড়লেন।

ভেতর থেকে প্রশ্ন এল, "কাকে চাই?"

জবাব দিতেই এক তরুনী বেড়িয়ে এল,"বাবা তো মারা গিয়েছেন অনেক দিন হল। আপনি তাকে তাড়িয়ে দেন। সে শোক তিনি সইতে পারেন নি। তার মন ভেংগে যায়। নিজের প্রতি মোটেই যত্ন নিতেন না। কিছুদিন পরে তিনি মারা যান।"

"আমি অত্যন্ত লজ্জিত কৃতকর্মের জন্য।" একটু থেমে বললেন, "আপনার কাছে এসেছি ভিক্ষা চাইতে।"

সব খুলে বললেন চৌধুরী সাহেব। পরে বললেন, "আমি আজ রিক্ত। শুধু একটি সন্তানই আমার রয়েছে। আপনি আমার অপরাধ ক্ষমা করে দিন। আমার ছেলেটির জন্য মন থেকে দোয়া করুন। আল্লাহ আপনার সহায় হোন।"

তরুনীর মুখ কিছুটা কঠিন হয়ে গেল, "আপনি যতটা সহজে ক্ষমা চেয়ে নিজের পাপ মোচন করতে চাইছেন, আমার বাবা তার চেয়ে অনেক বেশী আঘাত পেয়েছিলেন। আমার পক্ষে তা ভোলা সম্ভব নয়। আপনি আসুন।"

চৌধুরী সাহেব এবার বসে পড়লেন তরুনীর পায়ের কাছে। ঠিক সেভাবে যেভাবে মতি মিয়া বসেছিল একদিন তার পায়ের কাছে।

"আমি ফিরে যেতে আসিনি। খালি হাতে আমি ফিরে যাবো না। আমার একমাত্র সন্তানের মুখ চেয়ে আপনি নিজের গুনে আমায় ক্ষমা করে দিন। আপনি ক্ষমা না করলে সে সুস্থ হবে না।" হাউ মাউ করে কান্নায় ভেংগে পড়েন।

অবশেষে তরুনী কঠিন শক্ত মুখ কোমল হয়ে আসে। অশ্রু দেখা দেয় তার চোখেও, "আমি আমার বাবার কষ্ট দেখেছি। সেই একই কষ্ট আপনি পান তা চাই না। আল্লাহ যাতে আপনার ছেলেকে সুস্থ করে দিন।"

চৌধুরী সাহেব স্থির হন। তার বিশ্বাস দৃঢ় হয় তার ছেলে বেচে উঠবে। এ শুধু সময়ের ব্যপার।

আরো বছর খানেক পরে সুস্থ ছেলেকে নিয়ে চৌধুরী সাহেব আবার তরুনীর কাছে দেখা করতে এসে শুধালেন, "মতি মিয়ার কবরের কাছে আমাকে নিয়ে চলুন। আমি তার বিদেহী আত্মার কাছে ক্ষমা চাইব। আপনি এবং আপনার বাবা মহানুভবতা দিয়ে আমাকে পরাজিত করেছেন।"

 

 

  • ৪৭ টি মন্তব্য
  • ৪০০ বার পঠিত,
Send to your friend Print
রেটিং দিতে লগ ইন করুন
পোস্টটি ২৩ জনের ভাল লেগেছে, ১২ জনের ভাল লাগেনি
১. ১০ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ সকাল ৮:২৭
comment by: ত্রিভুজ বলেছেন:

হুমমম....
+
১০ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ১০:০০

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

২. ১০ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ সকাল ৮:৩৬
comment by: কণা বলেছেন: ভাল লাগলো...
১০ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ সকাল ৯:১২

লেখক বলেছেন: অন্তত একজনকে ভাল লাগাতে পেরেছি। ধন্যবাদ।

৩. ১০ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ সকাল ৮:৪১
comment by: এম.এ.হামিদ বলেছেন: দয়া করে আগে লিকতে শিকেন তারপর লিকুন
১১ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ১২:২২

লেখক বলেছেন: সেটা মনে হয় আর হয়ে উঠবে না। যার হয় তার নয়েই হয়। যার হয় না তার নব্বই তেও হয় না।

৪. ১০ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ সকাল ৮:৫৭
comment by: পান্জেরী বলেছেন: +
৫. ১০ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ সকাল ৯:০২
comment by: আবূসামীহা বলেছেন: গল্পটা কি আগে কোথাও প্রকাশিত হয়েছিল? কেমন যেন পড়া পড়া মনে হচ্ছে।

বেশ ভাল লাগল।
১০ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ সকাল ৯:০৫

লেখক বলেছেন: এরকম ভাব ধারা হয়ত নূতন কিছু নয়।

আমার মনে এল তাই লিখে ফেললাম।

আসলে আমি নিজেও সেরকম। কোন খারাপ কিছু হলে মনে হয়, "কারো বদ দোয়া লাগে নি তো?"

৬. ১০ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ সকাল ৯:০৭
comment by: আবূসামীহা বলেছেন: আমি ভেবেছিলাম আপনিই আগে কোথাও প্রকাশ করেছিলেন কিনা!
১০ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ সকাল ৯:০৮

লেখক বলেছেন: নাহ। গল্প লেখার ব্যপারে একেবারেই আনাড়ী। এম এ হামিদের কথাটা মনে হয় সত্যি।

৭. ১০ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ সকাল ৯:৩২
comment by: শামসুজ্জামান সিদ্দিকী শাহীন বলেছেন: প্রবালে মন্তব্য করে আসলাম এই মাত্র!
আনাড়ি তো মনে হল না। বেশ গুছিয়েই তো লিখেছেন!
১১ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ১২:২১

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ। প্রবালে মন্তব্য পড়লাম, জবাবও দিলাম।

৮. ১০ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ সকাল ৯:৩৬
comment by: রন্টি চৌধুরী বলেছেন: হু .. ভাল লাগল না, এমন অতি নাটকীয়তা। জরুরী কাগজ নষ্ট হওয়ায় তাড়িয়ে দেয়ার সময় মাফ চেয়েছিলেন একজন, তা না দেয়ায় এমন পরিনতি? কারন হিসেবে এটা দুর্বল, দরকার ছিল চৌধুরী সাহেবকে খারাপ লোক হিসেবে দেখানো, সেটার ন্পষ্ট করে দেখানো হয় নি। শেষ দিকে ভদ্রলোক বউএর অসুখের জন্য এত কিছু করছে তাতেও তার ভালমানুষি চলে এসেছে, এটাও গল্পের আরেক দুর্বলতা। আর মতি লোকটা দু:খ পেয়ে মারা গেল , এটা হয়? কি এমন দু:খ পাওয়ার আছে এখানে।

তবু গল্পের জন্য ধন্যবাদ, আপনার কাছ থেকে আরও গণ্প আশা করছি। আপনার লেখার হাত ভাল।
১০ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ৯:২৪

লেখক বলেছেন: রন্টি মন্তব্য করেছেন আমি চৌধুরী সাহেবকে কেন ভাল মানুষ হিসেবে উপস্থিত করলাম। আমার উচিত ছিল খারাপ হিসেবে তুলে ধরা। মজার ব্যপার হল সেটাই আমি গল্পে চেয়েছি। ভাল মানুষ তার মুহুর্তের ভুলের জন্য স্রষ্টার বিরাগভাজন হয়েছেন - সেটাই লিখতে চেয়েছি। অনুতপ্ত হয়েছেনও ভাল মানুষ হিসেবেই। ভালরাও মাঝে মাঝে কিছু ভুল করে। আমার দুর্বল লেখার হাত বোধ করি তা সুন্দরভাবে তুলে ধরতে পারে নি।

আমার ব্যর্থতা ঠিক আছে। তবে তা গল্পের মূল থিমকে প্রকাশ করতে পারেনি বলে।

৯. ১০ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ সকাল ১১:৫৫
comment by: ষড়যন্ত্রকারীদের জম বলেছেন: চালিয়ে যান রন্টির সমালোচনাকে পাথেয় করে ,হবে আপনাকে দিয়ে।
১০ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ৯:৫৯

লেখক বলেছেন: পড়ে মন্তব্য করেছেন। ধন্যবাদ।

১০. ১০ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ দুপুর ১২:১১
comment by: স্নোবল বলেছেন: কি বেপার, সবাই শুদু সান্তনামূলক কতাবার্তা বলতেসে? রিয়াল ইনকারেজিং কতা কেউ সুনাচ্চে না কেন?
১০ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ৯:২৫

লেখক বলেছেন: সবাই বোধ করি বুঝে গেছে আমার দৌড় কতটুকু।

১১. ১০ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ দুপুর ১২:২১
comment by: বিহংগ বলেছেন: একটানে পড়লাম।
তবে সূচনা যেমন আকর্ষনীয় করেছিলেন,উপসংহার ততো জোরালো মনে হয়নি। অবশ্য এ আমার একান্ত ব্যক্তিগত অভিমত।
পরের গল্পের অপেক্ষায় থাকবো।
১০ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ৮:২৫

লেখক বলেছেন: ব্লগে বড় কিছু লেখার ধৈর্য থাকে না। সেজন্যই শেষটা ভাল হয় নি। বড় কিছু ব্লগে লেখা খুব কঠিন।

১২. ১১ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ১:১৪
comment by: সারওয়ারচৌধুরী বলেছেন:

+

হামিদের কথায় কান দেয়ার দরকার নেই। সে শুধু তার ফালতু লেখাকেই ভালো বলে। বাকি সবার লেখা তার কাছে বাজে!!

আপনার গল্পের বিষয় সাদামাটা হলেও ভাষা বুনন গতিশীল। ছোট ছোট বাক্যে থর থর করে এগিয়ে যেতে সবাই পারে না। আপনি পেরেছেন।
১১ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ১:৩৯

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ। তবে হামিদের মত আমারো মনে হয় আমি খুব ভাল গল্প লিখতে পারি না।

১৩. ১২ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ২:০২
comment by: বিবেক সত্যি বলেছেন: কি বলছেন ? এটা অর্থহীন গল্প কি করে হয় !!

দারুন সাজানো একটা গল্প হয়েছে...
১৩ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ সকাল ৭:৩৭

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

১৩ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ সকাল ৭:৩৭

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

১৪. ১৩ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ সকাল ৭:৫৬
comment by: রৈদের বলেছেন: ভালো লেগেছে +
১৩ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ সকাল ৮:১৯

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

১৫. ১৪ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:১০
comment by: উম্মু আবদুল্লাহ বলেছেন: আমার এই সাদামাটা লেখায় মন্তব্য করার জন্য সবাইকে অভিনন্দন। এটি খুব প্রেরনাদায়ক।
১৬. ১৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ সকাল ৯:০০
comment by: প্রচেত্য বলেছেন: অর্থহীন নয় অর্থপূর্ণই মনে হল, মনে হওয়াটাই বাস্তবতা
১৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ সকাল ৯:১৯

লেখক বলেছেন: সেজন্য খুশী হলাম। ব্লগে কিছুদিন ছিলেন না। আশা করি এখন নিয়মিত থাকবেন।

১৭. ১৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ সকাল ৯:২৬
comment by: মুনিয়া বলেছেন:

ভাল লেগেছে, তবে কোথাও কোথাও বাস্তবের সাথে সংগতির অভাব মনে হল।
ধন্যবাদ।
১৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ সকাল ৮:২১

লেখক বলেছেন: ভাল লাগল আপনার মন্তব্য। গল্পটা প্রত্যাশা পূরন করতে পারে নি।

১৮. ১৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ সকাল ৯:৩৮
comment by: নাবিক বলেছেন: ভালো লাগলো।
১৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ সকাল ৮:২২

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

১৯. ১৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ সকাল ৮:২৭
comment by: পিচাশ বলেছেন:
পড়লাম
১৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ১০:১৯

লেখক বলেছেন: ভালো লাগল কিনা, এ নিয়ে কোন কথা বলার ইচ্ছে নেই বুঝি। খারাপ লাগলেও কোন সমস্যা নেই। আপনার প্রতিক্রিয়া জানতে চাই।

২০. ১৯ শে এপ্রিল, ২০০৮ সকাল ৮:৫৯
comment by: ত্রিভুজ বলেছেন: উম্মু আবদুল্লাহ, আপনি পোস্ট ডিলিট করে দিচ্ছেন কেন?
২১. ১৯ শে এপ্রিল, ২০০৮ সকাল ৯:০৩
comment by: রন্টি চৌধুরী বলেছেন: এমনটা করা ঠিক হচ্ছে না। ফিরে আসেন প্লিজ।
২২. ১৯ শে এপ্রিল, ২০০৮ সকাল ৯:০৫
comment by: বিবেক সত্যি বলেছেন: একেবারেই ঠিক হচ্ছেনা । পোষ্টগুলো ফেরত চাই ..:(
২৩. ১৮ ই জুন, ২০০৮ সকাল ৯:৩৩
comment by: বিবেক সত্যি বলেছেন:

বুয়েটে আমার দেখা রাজনীতি - পর্ব ২

স্মৃতিতে বুয়েট - রাজনীতি

হিলারী-ওবামা কথন (উৎসর্গ: সুপ্রিয় মেহরাবকে)

কিছু টুকরো স্মৃতি - সামহোয়ারের ডায়েরী থেকে

যতই ঘৃনা দাও, ততই তোমায় ভালবাসব

প্রথম পরীক্ষায় শূন্য দিয়ে শুরু - স্মৃতিতে অমলিন বুয়েট জীবন

জ্যোছনা এখনও কাদে - চতুরভূজ আপু, আপনি ফিরে আসুন।

ব্লগিং করুন, খরচ বাচান

যায় যায় দিন - এক নিষিদ্ধ নেশা

এই দিন কি কখনও সেই দিনের কাছে পৌছুবে?

অতীত যখন স্বপ্ন হয়ে আমার চোখের মাঝে ধরা দেয়

তোমাকে ঘিরে আমার ভাল লাগা - তার রেশ ধরে রাখতে চাই

নারীর রাজনীতি, রাজনীতির নারী -পর্ব ১

যে চিঠি প্রাপকের কাছে পৌছে নি
০২ রা জুলাই, ২০০৮ সকাল ৮:৪২

লেখক বলেছেন: তোমার এত মমতা আমাকে সুখময় কষ্টে অভিভূত করল। এই কমেন্ট করতে তাই বাধ্য হলাম।

ভালো থেকো।

২৪. ০৭ ই জুলাই, ২০০৮ দুপুর ১২:০৬
comment by: বিবেক সত্যি বলেছেন: আপনি আবার ফিরে আসেন এখানে । এখানেও লেখেন, প্যাচালীতেও লেখেন ।
০৭ ই জুলাই, ২০০৮ দুপুর ১২:০৯

লেখক বলেছেন: তাই তো করছি। তবে লেখা দিতে ইচ্ছে হয় না। যা বিশ্রি পরিবেশ। শুধু গুটি কয়েকের লেখায় মন্তব্য করতে ইচ্ছে হয়।

তোমার যাদুর বর্গে মন্তব্য করতে চাইলাম। পারলাম না। মন্তব্যের ভারে ওটা আমার কম্পুটার থেকে খোলা যাচ্ছে না।

২৫. ০৭ ই জুলাই, ২০০৮ দুপুর ১২:১৫
comment by: বিবেক সত্যি বলেছেন: পরিবেশ ভালো করবেন তো আপনারা । ফারজানা আপু ফিরেছেন । আপনি আসেন । আর সন্ধ্যাবাতি যদি এসে যায়... ব্যাস আবার ঠিক হয়ে যাবে সব ।

২৬. ০৯ ই জুলাই, ২০০৮ সকাল ৭:৫৫
comment by: রন্টি চৌধুরী বলেছেন: আপনি এখানে লিখবেন আবারও?
০৯ ই জুলাই, ২০০৮ সকাল ৮:০২

লেখক বলেছেন: জানি না। তবে প্রিয় ব্লগারদের বাড়ীতে বেড়াতে নিশ্চয়ই যাব। অন্তত যতদিন কর্তৃপক্ষ ব্যান না করে। ব্লগ বাতিল না করে।

প্যাচালীতে লেখাগুলো পোস্ট করছি আপাতত। পরে দেখা যাবে।

 



 


শুধুই শুন্যতা।

পরম করুনাময়, আমায় সাহায্য কর......................................
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ

সর্বমোট হিট

 ৪০৬৯৮