আমার প্রিয় পোস্ট

আস সালাম - আপনার উপর শান্তি বর্ষিত হোক

মাদ্রাসার ছাত্রদের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি প্রসংগে

০৩ রা নভেম্বর, ২০০৮ রাত ৩:১০

শেয়ারঃ
0 2 0

[সম্প্রতি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে আটটি বিভাগে ভর্তির বিভিন্ন শর্ত আরোপের মাধ্যমে মাদ্রাসা শিক্ষার্থীদের জন্য বন্ধ করে দেয়া হল সেসব বিভাগের প্রবেশ দুয়ার। আমার এই লেখাটি মূলত এই প্রসংগ নিয়ে। তবে সে আলোচনায় যাবার আগে কিছু পূর্বকথা বলাটা প্রয়োজনীয় হোম ওয়ার্ক বলে মনে করছি।]

বাংলাদেশে মাদ্রাসার ছাত্রদের প্রতি নাক উচু প্রগতিশীলদের বৈরী মনোভাব নূতন কিছু নয়, বরং প্রথাগত। যতই মেধার পরিচয় দিক না কেন, তাদের দৌড় মাদ্রাসা পর্যন্তই - এই বিদ্রুপাত্মক মনোভাব পোষন করে থাকেন আমাদের প্রগতিশীল গ্রুপ। এটা অবশ্যই সত্য যে, প্রগতিশীলদের সাথে মাদ্রাসাশিক্ষার্থীসহ অন্যান্য ধর্মীয় গ্রুপগুলোর বিদ্বেষ বিনা কারনে কিংবা একদিনে তৈরী হয় নি। বিশ্বাস ও অনুভূতির পরস্পর বিরোধী অবস্থান থেকে আজকের এই পারস্পরিক মুখোমুখি অবস্থান। নিউটনের সূত্র "এভরি একশন হ্যাজ এন অপোজিট রিএকশন" ফর্মূলায় বিদ্বেষ যেন দিন দিন বেড়েই চলছে। প্রগতিশীলদের অভিযোগ, তাদের মুক্তবুদ্ধির চর্চায় অন্যায় অযৌক্তিক বাধা হয়ে দাড়িয়েছে স্বল্প বুদ্ধির মধ্যযুগীয় মানসিকতার এই মাদ্রাসা শিক্ষার্থীরা। অন্যদিকে মাদ্রাসা শিক্ষার্থীরা দাবী করে আসছে ইসলামী সংস্কৃতির প্রতি ধর্ম নিরপেক্ষ প্রগতিশীলদের সুস্পষ্ট অবজ্ঞাকে - মানুষের ধর্মীয় অনুভূতির প্রতি তারা শ্রদ্ধাশীল নন। যার ফলে ঘুনে ধরা বিশ্বাস নিয়ে দুই পক্ষ রয়েছে একটা কঠোর মুখোমুখি অবস্থানে। আরো হতাশাব্যন্জ্ঞক হল, কোন পক্ষই এখন পর্যন্ত উদ্যোগ নিয়ে এগিয়ে আসেন নি সম্পর্কের এই বরফ গলানোর জন্য। বিশেষত প্রগতিশীল গ্রুপ এদের কোন ছাড় দিতে একবারে প্রস্তুত নন, বরং সম্পূর্ন প্রতিহত করার পক্ষপাতী। যুদ্ধ ঘোষনার যে আহ্বান তাতেও ধ্বনিত হয় একই সুর, "আমাদের যুদ্ধ এমন এক গোষ্ঠীর সাথে ওরা বোঝে না ফুল কি, সংস্কৃতি কি, গান কি, কবিতা কি"। তবে সে যুদ্ধে কোন পক্ষই যে পুরো সফল হতে পারেন নি, তা নির্বাচন সহ অনেক ইস্যুতে ইতিমধ্যেই প্রমানিত।

মাদ্রাসর বিরোধীরা নানাভাবে চেষ্টা করেছে এই শিক্ষাকে কলুষিত করতে। এই বিরোধিতা যত না পাশ্চাত্য থেকে এসেছে, তার চেয়ে বেশী এসেছে মুসলিম দেশ থেকে। মাদ্রাসাকে জড়ানোর চেষ্টা করা হয় সন্ত্রাসবাদের সাথে। জংগিবাদসহ আরো অনেক অপরাধের সাথে। দাবী করা হয় বাংলাদেশ সহ মুসলিম দেশগুলোতে হাজারে বিজারে গড়ে উঠা মাদ্রাসাই নাকি জংগীবাদের মূল কারন। অথচ এর কোনটিই প্রমানিত সত্য নয়। নিউ ইয়র্ক টাইমসের সেই বিখ্যাত আর্টিক্যাল "দ্য মাদ্রাসা মিথ" (Click This Link) লেখায় সুস্পষ্ট ভাবে দাবী করা হয়, মাদ্রাসা নয় বরং সাধারন শিক্ষায় শিক্ষিতদের মধ্যেই রয়েছে বেশী সন্ত্রাসী। (We examined the educational backgrounds of 75 terrorists behind some of the most significant recent terrorist attacks against Westerners. We found that a majority of them are college-educated, often in technical subjects like engineering)। মাদ্রাসা শিক্ষাকে জংগিবাদের কোন হুমকি নয় বলে দাবী করা হয়। জলন্ত আগুনে যেন পড়ে পানি। আর কোন ভাষা থাকে না মাদ্রাসা বিরোধীদের।

এই সব ইতিহাস কারো অজানা নয়। সাম্প্রতিক সময়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির এমন কিছু শর্ত দেয়া হল যার ফলে মাদ্রাসা শিক্ষার্থীরা অনেকগুলো বিভাগে আবেদন করার যোগ্যতা হারাল। বিশ্ববিদ্যালয়ের আটটি বিভাগ মাদ্রাসা শিক্ষার্থীদের জন্য বন্ধ সংক্রান্ত সংবাদটি পড়ে প্রথমেই যে প্রশ্নটি মনে এসেছে তা হল : ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এই শর্তারোপ কি সে চিরায়ত মাদ্রাসা বিরোধী মনোভাবের বহিপ্রকাশ মাত্র? মাদ্রাসা বিরোধী এই সর্বশেষ পদক্ষেপ কি অতি পরিচিত সে ধারাকেই অনুসরন করেছে?

এই প্রশ্ন আরো বদ্ধমূল হয় যখন পত্রিকায় প্রাক্তন ভিসি মনিরুজ্জামান মিয়ার বক্তব্য পড়ি : ৭৩ এর বিশ্ববিদ্যালয় আদেশের অপব্যাখা করা হয়েছে মাদ্রাসা শিক্ষার্থীদের ঠেকানোর জন্যে। আমি যখন ভর্তি বন্ধের সংবাদটি পত্রিকায় পড়ছিলাম তখনই কেন যেন আমার মনে পড়ে যায় আয়েন্দেসহ সমাজতান্ত্রিক বিশ্বের নেতাদের অনুসৃত নীতির কথা। এসব সমাজতান্ত্রিক দেশে মাঝারী মানের কোন ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বিকশিত হতে পারে না কারন সরকারের বেধে দেয়া হাজারোটা শিকলসম নীতিমালার কারনে। যার ফলে উঠে দাড়াতে পারে না কোন ব্যবসা শিল্প, বিকশিত হতে পারে না পুজির পথ। আমেরিকা সহ মুক্ত বিশ্বের দেশগুলো যার সম্পূর্ন বিপরীত অবস্থান নিয়ে থাকে। ফলশ্রুতিতে এসব দেশ হয়ে উঠেছে মুক্ততার প্রতীক, অপার সম্ভাবনাময়। যোগ্যতা প্রমান করতে পারলে মুক্ত বিশ্বের ষষ্ঠ শ্রেনীর ছাত্র এক গ্রেড টপকে সহসাই চলে যায় পরের গ্রেডে। যে কেউ যে কোন স্কুল থেকে যে কোন বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়তে পারে যদি স্যাট বা অন্য স্ট্যান্ডার্ড টেস্ট গুলোতে ভাল করতে পারে। পাবলিক, প্রাইভেট, হোম স্কুলিং - সবগুলোই স্বীকৃত শিক্ষা ব্যবস্থা। এডমিশন টেস্ট থাকে না তবে শিক্ষা ব্যবস্থার এই বিচিত্রতা পরীক্ষিত হয় স্যাট বা সেরকম স্ট্যান্ডার্ড টেস্টের মাধ্যমে। যাকে বাংলাদেশের এডমিশন টেস্টের সাথে তুলনা করা যায়। মেধার বিকাশের সবরকম সহায়তা প্রদানে রাষ্ট্র যেন অংগীকারাব্দ্ধ।

মাদ্রাসার শিক্ষার্থীদের জন্য কি করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি বন্ধ করা হল তা আরেকবার দেখা যাক। যুক্তি দেখানো হয়েছে সাধারন শিক্ষা থেকে আসা ছেলে মেয়েরা যেখানে ২০০ নম্বরের বাংলা, আর ২০০ নম্বরের ইংরেজী পড়ে আসে, সেখানে মাদ্রাসা ছাত্ররা ১০০ নম্বরের বাংলা এবং ১০০ নম্বরের ইংরেজী কোর্স পড়ে আসে। কিন্তু এসব যুক্তি কি ধোপে টেকে? এই প্রিরিকুইজিটের অর্থ কি? একটি বিশ্ববিদ্যালয়ে কেন প্রি রিকুইজিট দেয়া হয়? প্রিরিকুইজিট দেয়ার কারন কি এই নয়, যে ছাত্ররা যাতে সফল ভাবে এই কোর্স কমপ্লিট করতে পারে?

আমার কথাই ধরা যাক। আমি যখন আমেরিকাতে একটি স্কুলে ভর্তি হই তখন একটি কোর্স নেই। পরে আমাদের পারফরম্যন্স দেখে সেই কোর্সে পরবর্তীদের জন্য প্রিরিকুইজিট আরোপ করা হয়। আমাদের যেহেতু সেই কোর্স বুঝতে অসুবিধা হচ্ছিল এবং টিচারকে যেহেতু অনেক ব্যাকগ্রাউন্ড বুঝাতে হচ্ছিল, সে কারনে পরবর্তীতে প্রিরিকুইজিট দেয়া হয় সিনিয়র লেভেলের একটি কোর্স। প্রিরিকুইজিট দেয়ার মানে এই নয় যে কেউ সেই কোর্স নিতে পারবে না বা সেই বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়তে পারবে না। প্রিরিকুইজিটের অর্থ আমাদের আগে সেসব কোর্স নিয়ে পরবর্তী কোর্সের প্রিপারেশন শেষ করতে হবে।

মাদ্রাসা ছাত্ররা এতদিন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়ন করেছে। তারা কি রকম পারফরম্যান্স করে আসছে তার উপর নির্ভর করে আদৌ শর্ত আরোপের কোন প্রয়োজন আছে কিনা। যে ইংরেজী নিয়ে এত কথা, মজার ব্যপার হল ২০০৬-২০০৭ শিক্ষাবর্ষে সেই ইংরেজীতে ৩০ পয়েন্টে ২৮.৫ পেয়ে "গ" তে ফার্স্ট এবং "খ"তে সেকেন্ড হয় আবদুল্লাহ আল আমীন নামে এক মাদ্রাসার ছাত্র। সুতরাং এখন পর্যন্ত এমন কোন যুক্তি পাওয়া যাচ্ছে না যাতে মাদ্রাসার ছাত্রদের জন্য শর্ত আরোপ করে বিশ্ব বিদ্যালয়ের দুয়ার বন্ধ করতে হবে।

আরো ব্যাখা করছি। আর্কিটেকচার এডমিশন টেস্ট যারা দিয়েছেন তারা জানেন কি পরিমান ড্রইং লাগে এডমিশন টেস্টের জন্য। এই বিভাগের পড়ার অন্যতম যোগ্যতা হল ড্রইং এ পারংগমতা। এডমিশন টেস্টের প্রশ্ন সে লক্ষ্যকে সামনে রেখেই করা হয়। অথচ একে পরীক্ষার শর্ত হিসেবে রাখা হয় নি। আমি ড্রইং এর কিছুই জানতাম না। অথচ আমিও টে্স্টে অংশ গ্রহনের যোগ্য ছিলাম। কিন্তু যেই বুঝতে পেরেছি এডমিশন টেস্টে গোল্লা ছাড়া কিছু কপালে নেই (ড্রইং জানি না বলে), অমনি আর পরীক্ষা দেই নি। সুতরাং যেখানে এডমিশন টেস্ট রয়েছে, সেখানে কেন নূতন করে অতিরিক্ত শর্ত আরোপ করতে হবে? মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার যোগ্য কিনা তা দেখার জন্য তো এডমিশন টেস্ট নামের ফিল্টার তো রয়েছেই। অতিরিক্ত শর্ত আরোপ করা কি বৈষম্যের পর্যায়ে পড়ে না? অথচ বৈষম্য ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মূলনীতির বিরোধী।

মাদ্রাসা শিক্ষা সরকার অনুমোদিত একটি শিক্ষা ব্যবস্থা। এই শিক্ষায় শিক্ষিত ছেলেদের জন্য ঢাকা বিশ্ব বিদ্যালয়, যেটি কিনা জনগনের অর্থে পরিচালিত, বন্ধ করে দেয়া শুধু অযৌক্তিক নয়, বরং অন্যায়ও বটে। সেই শুভ বুদ্ধির প্রত্যাশায় রইলাম।

সবাইকে ধন্যবাদ।


 

লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): শিক্ষা ;
সর্বশেষ এডিট : ২৫ শে অক্টোবর, ২০০৯ সকাল ৮:৪৯ | বিষয়বস্তুর স্বত্ত্বাধীকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১. ০৩ রা নভেম্বর, ২০০৮ রাত ৩:২৯
ক্যালী বলেছেন: নিউটনের সূত্র "এভরি একশন হ্যাজ এন অপোজিট রিএকশন"----------- ঠিক নয়।

নিউটনের সূত্র "এভরি একশন হ্যাজ এন অপোজিট এন্ড ইকুয়াল রিএকশন"
০৩ রা নভেম্বর, ২০০৮ ভোর ৪:৫৪

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

২. ০৩ রা নভেম্বর, ২০০৮ রাত ৩:৪৮
শঙ্খচীল বলেছেন: আসলে নীল দলের শিক্ষকরা রাজনৈতিক হীনমন্যতার কারনে মাদ্রাসা ছাত্রদের উচ্চশিক্ষার অধিকার নস্ট করতে চাইছে। ঢাকা ইউনিভার্সিটিতে ইকোনোমিক্স , ইংলিশ, আন্তার্জাতিক সম্পর্ক, আইন সহ বিভিন্ন বিষয়ে শখানেক টিচার আছে , যাদের ব্যাকগ্রাউন্ড মাদ্রাসা। ডঃ মুহান্মদ শহীদুল্লাহ, ডঃ কুদরত ই খুদা, মৌলানা ভাসানী প্রমুখরা ছিলেন মাদ্রাসা ব্যাকগ্রান্ডের। আসলে পলিটিক্স মানুষ কে কত নীচে নামাতে পারে, এই নীল দলে টিচার দের দেখলে বুঝা যায়।
০৩ রা নভেম্বর, ২০০৮ ভোর ৪:৫৭

লেখক বলেছেন: আমার কাছেও এটাকে পলিটিক্স মনে হচ্ছে।

৩. ০৩ রা নভেম্বর, ২০০৮ রাত ৩:৫২
ত্রিভুজ বলেছেন: আমার মতে ভালই হয়েছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পূর্বের সেই মান এখন আছে বলে মনে করেন? ওখানে পাঠিয়ে মেধাবী ছাত্রদের মাধাগুলো নষ্ট করার কোন মানে হয় না। এখন IDB'র উচিত আমাদের এখানে আন্তর্জাতিক মানের বিশ্ববিদ্যালয় করা যেখানে মাদ্রাসা ছাত্রদের ভর্তি করা যাবে। আর তা না করতে পারলে ইসলাম নিয়ে এইসব নাঁকি কান্না বন্ধ করা উচিত তাদের...

তবে আমি মনে করি মাদ্রাসা শিক্ষার মত পিছিয়ে পড়া একটা সিস্টেমের উন্নতি করা উচিত। মাদ্রাসা ব্যবস্থা চালু হওয়ার ইতিহাস সম্ভবত আপনি জানেন। আমার মতে মাদ্রাসার মত একটা সিস্টেম করে মুসলিমদের সব ক্ষেত্রে পিছিয়ে পড়ার সিস্টেম চালু করতে পারা ব্রিটিশদের অনেক বড় অর্জনগুলোর ভেতরে একটি। আফসোস যে আমরা এখনো এই বৃত্তের বাইরে চিন্তা করতে পারছি না... মাদ্রাসা পাশ করা বাঙালী মেধাবী মুসলিমদের মানেই এখন হতদরিদ্র পরনির্ভশীল এক জনগোষ্ঠী! সত্যিই আফসোস লাগে...

মহাথির মোহাম্মদ আমাদের জন্য কেন মডেল হতে পারছে না সেটাই ভাবি মাঝে মাঝে।
০৩ রা নভেম্বর, ২০০৮ ভোর ৬:২০

লেখক বলেছেন: ঠিক ধরতে পারলাম না ত্রিভুজ। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় একটি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়। মাদ্রাসা শিক্ষা সরকার অনুমোদিত। সেখানে এইসব বৈষম্য কি করে সুস্থ বুদ্ধির পরিচয় বহন করে? এটা ভাল হয় কি করে?

মন্তব্যের বাকী অংশের সাথে একমত।

৪. ০৩ রা নভেম্বর, ২০০৮ রাত ৩:৫৩
নরাধম বলেছেন: সবাই মাইনাস দিচ্ছে কেন?? :):):)
০৩ রা নভেম্বর, ২০০৮ রাত ৩:৫৬

লেখক বলেছেন: পোস্ট ভাল লাগে নি বলে। আমার লেখার হাত ভাল নয় বলে মনে হচ্ছে।

পোস্ট পড়ার জন্যে ধন্যবাদ।

০৪ ঠা নভেম্বর, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:১৪

লেখক বলেছেন: আরেকটা কারনে মাইনাস দিতে পারে। অনেকেই, বিশেষত আওয়ামী মানসিকতার কেউ কেউ, মাদ্রাসা শিক্ষাকে খুব অপছন্দ করে থাকে। তাদের পক্ষে মাইনাস দেয়াটাই স্বাভাবিক। কারন এরকম লোক আছে বলেই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে মাদ্রাসার ছাত্র ভর্তি বন্ধ হয়েছে।

৫. ০৩ রা নভেম্বর, ২০০৮ রাত ৩:৫৪
ফারজানা মাহবুবা বলেছেন:
আপু, সবাই বলে উন্নত বিশ্বে রেসিজম বেশী। আমি বলব আমরা নিজেরা নিজেদের বিরুদ্ধে যে পরিমান রেসিস্টগীরি করি তার নমুনা আর কোথাও পাওয়া দুস্কর। যতক্ষন পর্যন্ত মাদ্রাসা শিক্ষা সরকার অনুমোদিত আছে, ততক্ষন পর্যন্ত এই বিশাল সংখ্যক শিক্ষার্থীকে একটা নির্দির্ষ্ট ক্রাইটেরিয়ায় ফেলে দিয়ে উচ্চশিক্ষা থেকে বঞ্চিত করার এই পায়তারা নিকৃষ্ট রকমের রেসিজম।
০৪ ঠা নভেম্বর, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:১২

লেখক বলেছেন: যতক্ষন পর্যন্ত মাদ্রাসা শিক্ষা সরকার অনুমোদিত আছে, ততক্ষন পর্যন্ত এই বিশাল সংখ্যক শিক্ষার্থীকে একটা নির্দির্ষ্ট ক্রাইটেরিয়ায় ফেলে দিয়ে উচ্চশিক্ষা থেকে বঞ্চিত করার এই পায়তারা নিকৃষ্ট রকমের রেসিজম

একমত।

৬. ০৩ রা নভেম্বর, ২০০৮ রাত ৩:৫৮
রাগিব বলেছেন: মাদ্রাসা ছাত্রদের অধিকার নিয়ে পুরোই একমত। তবে সবার জন্য একই রকম যোগ্যতা থাকাটাও সবার অধিকার। আপনি বুয়েটের ভর্তি পরীক্ষার প্রাক-বাছাই যোগ্যতার কথা তো ভালো করেই জানেন -- এখন যদি বলা হয়, পদার্থ-রসায়ন-গণিত এগুলোতে ৬০০ নম্বরের বদলে বিশেষ কোনো শিক্ষা ব্যবস্থার জন্য ৩০০ নম্বরে পড়লেই চলবে, সেটা কি সাধারণ শিক্ষাব্যবস্থার সবার জন্য বৈষম্যমূলক নয়?

ভর্তি পরীক্ষাতে কে কী করলো সেটা পরের কথা, অনেক প্রতিভাবান ছাত্র এইচএসসি পাশের আগেই পদার্থ ও গণিতে এতই দক্ষ হয়, হয়তো বুয়েটের ভর্তি পরীক্ষাতেও পাশ করবে। তাহলে কি আপনি বলবেন, এদের সবাইকে এইচএসসি পাস করার আগেই ভর্তি পরীক্ষায় বসতে দিতে হবে?

মাদ্রাসার এই ভর্তি জটিলতাকে ইস্যু করে প্রতিক্রিয়াশীলেরা পানি ঘোলা করতে উদ্যোগী ... হায়, মাদ্রাসা শিক্ষাক্রমের উন্নতি সাধনের জন্য তাদের তৎপর হতে একেবারেই দেখা যায় না। আপনার পোস্টেও মাদ্রাসা শিক্ষার উন্নতির কোনো দাবী দেখলাম না।

আর বাংলাদেশের বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষাকে রাতারাতি মার্কিন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা ব্যবস্থার সাথে তুলনা করাটা একটু হাস্যকর। বায়োলজি না থাকলে আপনি কি দাবী করবেন মেডিকেলে পরীক্ষা দেয়ার অধিকারের?

বরং মাদ্রাসা শিক্ষার আধুনিকায়ন নিয়ে কিছু বলুন। পানি ইতিমধ্যেই অনেক ঘোলা হয়েছে। মাছেরা তাতে মারা পড়ছে।
০৩ রা নভেম্বর, ২০০৮ ভোর ৫:৫৪

লেখক বলেছেন: "আপনার পোস্টেও মাদ্রাসা শিক্ষার উন্নতির কোনো দাবী দেখলাম না।"

ঠিক। আমার এই পোস্ট সে বিষয় নিয়ে নয়।

আর অন্যান্য প্রসংগ নিয়ে আপনার মন্তব্যের উপর আলোচনা পরে করব।

৭. ০৩ রা নভেম্বর, ২০০৮ ভোর ৪:০০
নরাধম বলেছেন:
পোস্টের মুল দাবির সাথে একমত। মাদ্রাসা শিক্ষার্থীদের ডিস্ক্রিমিনেশান করা মানে তাদেরকে জংগী হওয়ার জন্য উস্কে দেওয়া। তবে মাদ্রাসাগুলোকে রিফর্ম করা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এটা নিয়ে একটা পোস্ট দিছিলাম।
Click This Link



তবে আপনার মাদ্রাসা ছাত্রের প্রতি এই ভালবাসাটা এসেছে জামাতি মনোভাবাপন্ন হওয়ার কারনে। সমস্যাটার সমাধান উদ্দেশ্য নয়। তাই মাইনাস দিলাম।
০৩ রা নভেম্বর, ২০০৮ ভোর ৪:১২

লেখক বলেছেন: "তবে আপনার মাদ্রাসা ছাত্রের প্রতি এই ভালবাসাটা এসেছে জামাতি মনোভাবাপন্ন হওয়ার কারনে। "

মিথ্যা কথা। এ জাতীয় উস্কানীমূলক অনুমান নির্ভর কথা থাকলে আর মন্তব্য এপ্রুভ হবে না।

আমার ভুল হতে পারে। কিন্তু আমার মনে হয় মাদ্রাসার ছাত্ররা ইসলামী ঐক্য জোটের ছাত্র সংগঠনে রয়েছে। তারা সম্ভবত জামাত বিরোধী।

৮. ০৩ রা নভেম্বর, ২০০৮ ভোর ৪:০২
মাহমুদ৬৯ বলেছেন: @ফারজানা মাহবুবা ,আগে ঢাবি'তে পড়ার যোগ্যতা অর্জন করুক মাদ্রাসা ছাত্ররা তারপর বাদ দিলে বলুন রেসিজম।

আর হ্যা সে সকল যোগ্যতা তৈরীর জন্য কেনো চেষ্টা করছেনা মাদ্রাসা শিক্ষাবোর্ড।
০৪ ঠা নভেম্বর, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:১৬

লেখক বলেছেন: তাহলে মাদ্রাসা ছাত্ররা এডমিশন টেস্টে ভাল করলেও তারা অযোগ্য?

৯. ০৩ রা নভেম্বর, ২০০৮ ভোর ৪:০২
রাগিব বলেছেন: এই প্রসঙ্গে বলি, আমার মতে মাদ্রাসা শিক্ষাকে বাদ দিয়ে বাংলাদেশের শিক্ষা ব্যবস্থাকে চিন্তা করা অসম্ভব। প্রচুর গরীব ছাত্র ছাত্রী মাদ্রাসা সিস্টেমে পড়াশোনা করে, তাই দরকার এই শিক্ষার আধুনিকায়ন। সেটা এসব ছাত্রছাত্রীদের মৌলিক অধিকার।
০৪ ঠা নভেম্বর, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:১০

লেখক বলেছেন: একমত। ধন্যবাদ।

১০. ০৩ রা নভেম্বর, ২০০৮ ভোর ৪:০৫
মাহমুদ৬৯ বলেছেন: ধন্যবাদ রাগিব। মন্তব্যে +++++
১১. ০৩ রা নভেম্বর, ২০০৮ ভোর ৪:১০
শঙ্খচীল বলেছেন: @রাগিব, মাদ্রাসা ছাত্রদের গনিত বা বিজ্ঞানের জন্য বঞ্চিত করা হচ্ছেনা। বরং সায়েন্স ফ্যাকাল্টিতে মাদ্রাসা ছাত্রদের জন্য কোন শর্ত দেয়া হয়নি।
কলা অনুষদের কিছু ডিপার্টমেন্ট যেগুলির চেয়ারম্যান নীল দলের বা আওয়ামী পহ্নী সেই ডিপার্টমেন্ট গুলিতে মাদ্রাসা ছাত্রদের জন্য শর্তারোপ করা হয়েছে। আর যে যুক্তি দেখানো হয়েছে, তা অত্যন্ত খোড়াযুক্তি। বলা হচ্ছে, স্কুলের ছাত্ররা ২০০ নাম্বারের বাংলা বা ইংলিশ পড়েছে, আর মাদ্রাসার ছাত্ররা ১০০ নাম্বারের বাংলা বা ইংলিশ পড়েছে। এই জন্য নাকি তাদের ভাষাজ্ঞান কম। কি অদ্ভুত আর খোড়া যুক্তি।

আপনি নিজেই তো বাংলা মিডিয়ামে পড়ে আমেরিকায় ইংলিশ মিডিয়াতে উচ্চ শিক্ষা নিচ্ছেন। আজকে আমেরিকার ইউনিভার্সিটিগুলি বলতো , আপনিতো বাংলা মিডিয়ামের পড়েছেন, আপনি ইংলিশ জানেন না আপনাকে নেয়া হবেনা । তাহলে আপনার অনুভুতি কি হবে।

আসলে যার মেধা আছে সে সহজেই যেকোন ভাষা আয়ত্ত করতে পারে। বাংলাদেশের অনেক ছাত্ররাইতো রাশিয়া, জার্মান, ফ্রান্সে বা অন্যকোন দেশে ঐভাষার পুর্ব কোন জ্ঞান ছাড়াই পড়ালেখা করছে।

আর মাদ্রাসা ছাত্ররাতো কোন দয়া চাচ্ছেনা। তারা ভর্তি পরীক্ষা দিয়ে ভর্তি হতে চাচ্ছে। তাই এইসব খোড়া যুক্তি না দিয়ে , এই সব মানবতা বিরোধী কর্মকান্ডকে সাপোর্ট দিবেন না। কারো উচ্চ শিক্ষার অধিকার নস্ট করবেন না প্লীজ।
০৭ ই নভেম্বর, ২০০৮ সকাল ১১:১২

লেখক বলেছেন: অনেকটা একমত। ধন্যবাদ।

১২. ০৩ রা নভেম্বর, ২০০৮ ভোর ৪:১৬
ত্রিভুজ বলেছেন: রাগিব ভাইয়ের সাথে একমত।
১৩. ০৩ রা নভেম্বর, ২০০৮ ভোর ৪:১৮
ত্রিভুজ বলেছেন: @মাহমুদ৬৯
মাদ্রাসার ছাত্রদের জন্য ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে কোন আলাদা কোটা নেই যাতে অযোগ্য ছাত্ররা ভর্তি হতে পারে। সেক্ষেত্রে আপনি কিভাবে বলেন মাদ্রাসার ছাত্ররা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির অযোগ্য?
০৪ ঠা নভেম্বর, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:১৮

লেখক বলেছেন: ভর্তি পরীক্ষায় যোগ্যতা প্রমান করে ভর্তি হলেও অযোগ্য? তাহলে ভর্তি পরীক্ষার কি প্রয়োজন?

০৩ রা নভেম্বর, ২০০৮ ভোর ৫:২৯

লেখক বলেছেন: পোস্ট পড়ার জন্যে ধন্যবাদ।

১৫. ০৩ রা নভেম্বর, ২০০৮ ভোর ৪:২০
অচেনা সৈকত বলেছেন: ধন্যবাদ রাগিব ভাই। ভাল বলেছেন।
১৬. ০৩ রা নভেম্বর, ২০০৮ ভোর ৪:২০
ম্যাকলাভিং বলেছেন: মাইনাস
বিদেশে ভর্তি হওনের আগে টুফেল জি আড় ই জি ম্যাট দেওন লাগে আংরেজি ভাষায়
০৫ ই নভেম্বর, ২০০৮ সকাল ৯:০০

লেখক বলেছেন: বিদেশে কি আপনি একাই ভর্তি হয়েছেন বলে মনে করেন? অন্যরাও মনে হয় এসব জানে।

আর একটা কথা। সব জায়গায় এসব টেস্ট নাও লাগতে পারে।

১৭. ০৩ রা নভেম্বর, ২০০৮ ভোর ৪:৩৩
নরাধম বলেছেন: "এ জাতীয় উস্কানীমূলক অনুমান নির্ভর কথা থাকলে আর মন্তব্য এপ্রুভ হবে না। "


ভয় পাইছি। ঠিকাছে আর মন্তব্য করতেছিনা আপনার ব্লগে।
০৩ রা নভেম্বর, ২০০৮ ভোর ৪:৩৭

লেখক বলেছেন: ঠিক আছে। কারন আমার মন্তব্য প্রত্যাখ্যান করতে ভাল লাগে না।

১৮. ০৩ রা নভেম্বর, ২০০৮ ভোর ৪:৫৬
বিবর্তনবাদী বলেছেন: ত্রিভুজ বলেছেন: আমার মতে ভালই হয়েছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পূর্বের সেই মান এখন আছে বলে মনে করেন? ওখানে পাঠিয়ে মেধাবী ছাত্রদের মাধাগুলো নষ্ট করার কোন মানে হয় না। এখন IDB'র উচিত আমাদের এখানে আন্তর্জাতিক মানের বিশ্ববিদ্যালয় করা যেখানে মাদ্রাসা ছাত্রদের ভর্তি করা যাবে। আর তা না করতে পারলে ইসলাম নিয়ে এইসব নাঁকি কান্না বন্ধ করা উচিত তাদের...




খুব জ্ঞানগর্ভ মন্তব্য বলে মনে হচ্ছে।
১৯. ০৩ রা নভেম্বর, ২০০৮ ভোর ৪:৫৮
বিবর্তনবাদী বলেছেন: তবে আমি মনে করি, মাদ্রাসার ছাত্রদের উপর বিধিনিশেধ আরোপ না করে, ভর্তিপরীক্ষার প্রশ্নের স্টান্ডার্ড চেঞ্জ করলে ভাল হয়। পরীক্ষা দিয়ে উত্তির্ণ হতে পারলে কোন সমস্যা থাকার কথা না।
০৩ রা নভেম্বর, ২০০৮ ভোর ৫:২৯

লেখক বলেছেন: একমত।

কোন ব্যপারে এই একমত হওয়াটা আমার জন্য একটি বিরল ঘটনা। দেখা যায় আমি সব সময়েই অন্যদের থেকে ভিন্ন চিন্তা করি।

২০. ০৩ রা নভেম্বর, ২০০৮ ভোর ৫:০১
একজন সৈকত বলেছেন: অত্যন্ত যৌক্তিক, তথ্যবহুল এবং সময়োপযোগী লেখার জন্য লেখিকাকে ধন্যবাদ!
এ প্রসঙ্গে রাগিব ভাইয়ের মন্তব্যও গুরুত্বপূর্ণ।

সমকালীন ইসলামবিরোধী তথাকথিত আধুনিকতার নামে পশ্চিমা অসার বস্তুবাদসর্বস্ব ধ্যানধারনার চাতুকারিতা ও দাসত্বের গড্ডালিকা প্রবাহে এই লেখাটি শুধু ব্যতিক্রমই নয়, উল্লেখযোগ্যও বটে।
সহমত-
++++++......
০৩ রা নভেম্বর, ২০০৮ ভোর ৫:২০

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ পড়ার জন্য। ভাল লেগেছে জেনে খুশী হলাম। যা আমার লেখার ক্ষেত্রে একটি ব্যতিক্রম।

২১. ০৩ রা নভেম্বর, ২০০৮ ভোর ৫:০১
মু্ক্ত মানব বলেছেন: মাদ্রাসা শিক্ষার আধুনিকায়ন চাই।
যে সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা পরবর্তিতে (১২ গ্রেডের পরে) পাবলিক ইউনিভার্সিটিতে ভর্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহন করতে পারবে না (কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্তের কারণে) এমন কোন শিক্ষাক্রম/শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পাবলিক মানি ব্যয় করা এক ধরনের সরকারী স্ববিরোধিতা। জনগুরুত্বপূর্ণ বিষয় যা নিয়ে অনেক কথা অনেকের বলার আছে।
০৩ রা নভেম্বর, ২০০৮ ভোর ৫:২৬

লেখক বলেছেন: একমত।

২২. ০৩ রা নভেম্বর, ২০০৮ ভোর ৫:০৭
রাজর্ষী বলেছেন: মাদ্রাসা, ইংলিশ মিডিয়াম, বাংলা মিডিয়াম এসব বিভাজন মুলক শিক্ষা ব্যাবস্থা । আমাদের এসব রিফর্ম করতে হবে।
০৩ রা নভেম্বর, ২০০৮ ভোর ৫:৫০

লেখক বলেছেন: রিফর্মের পক্ষে। তবে বিভাজনেরও পক্ষে। বিভাজনমূলক শিক্ষা ব্যবস্থা কোন সমস্যা নয়।

২৩. ০৩ রা নভেম্বর, ২০০৮ ভোর ৫:১২
ত্রিভুজ বলেছেন: @বিবর্তনবাদী
আপনি ওখানে পড়েছেন.. আপনার ভাল জানার কথা। আমারও প্রচুর বন্ধুবান্ধব ওখান থেকে বের হয়েছে.. সুতরাং পরিস্থিতি যে একেবারের জানি না তাও কিন্তু নয়! আপনিই বলুন ঢাকা ভার্সিটির ইন্টারন্যাশনাল রেংক কোন পর্যায়ে আছে? আপনার ঢাকা ভার্সিটির সার্টিফিকেট নিয়ে বাইরের ভাল কোন ভার্সিটিতে গিয়ে দেখুন কি বলে! অথচ এমন একটা সময় ছিলো যখন ঢাকা ভার্সিটিতে পড়ার জন্য বাইরের দেশ থেকে ছেলেমেয়েরা চলে আসতো... কাকের মত 'চোখ বন্ধ করে কেউ আমাকে দেখছে না' ভাবলে কিছু করার নেই অবশ্য..

"পরীক্ষা দিয়ে উত্তির্ণ হতে পারলে কোন সমস্যা থাকার কথা না। " এটার সাথে একমত। কিন্তু এই অধিকারটাই দেয়া হচ্ছে না... এখানেই মুসলমানদের শিক্ষা নেয়ার অনেক কিছু আছে। ইসলামিক ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক্যালি এতটা দূর্বল নয় যে বাংলাদেশের মত একটি মুসলিম কান্ট্রির জন্য একটা ভাল মানের বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপন করতে পারবে না। কেন তারা করছে না সেখানেই আমার আক্ষেপ!

একই সাথে আমি আমাদের মুসলিম নেতৃবিন্দের বিষয়টা বুঝতে পারিনা। এত শক্তিশালী নেটওয়ার্ক এবং এত ক্ষমতা (অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক) নিয়ে তারা বসে বসে দেখছে সবকিছু। মাদ্রাসা শিক্ষার মত একটা ব্যাকডেটেড ব্যবস্থাকে এখনো ধরে রেখেছে! কিসের জন্য কে জানে?! হয়তো সেই পুরানো বিষয়... জনগণ সচেতন হলে রাজনীতি করতে সমস্যা... এসব ইস্যুর দিকে তাকালে ইসলামিক দলগুলোর উপর থেকে আমার আস্থা চলে যায়... আসলে তারা করছেটা কি?
২৪. ০৩ রা নভেম্বর, ২০০৮ ভোর ৫:২৩
রোবোট বলেছেন: শঙ্খচীল
আমেরিকার ইউনিভারসিটিতে টোয়েফল, জিআরই, এসএটি, জিম্যাট দিতে হয়।
২৫. ০৩ রা নভেম্বর, ২০০৮ ভোর ৫:২৫
রাগিব বলেছেন: @শঙ্খচীল

"আজকে আমেরিকার ইউনিভার্সিটিগুলি বলতো , আপনিতো বাংলা মিডিয়ামের পড়েছেন, আপনি ইংলিশ জানেন না আপনাকে নেয়া হবেনা । তাহলে আপনার অনুভুতি কি হবে।"

আসলেই কিন্তু এইটা ওরা করে, যাদের মাতৃভাষা ইংরেজি না, তাদেরকে আলাদা পরীক্ষা (টোফেল, এবং টিএসই) দিতে হয়। এমন কি যারা আমেরিকার নাগরিক, তাদেরও যদি মাতৃভাষা ইংরেজি না হয়, তাহলে তাদের ইংরেজি বলার ক্ষমতা প্রমাণের পরীক্ষা দিয়ে তবেই ভর্তির যোগ্যতা পেতে হয়।

আর আপনার আরেকটা বড় ভুল হচ্ছে, বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে আমি বাংলা মিডিয়ামে পড়িনি।
০৫ ই নভেম্বর, ২০০৮ সকাল ৯:০৪

লেখক বলেছেন: ইংরেজীর পরীক্ষা দিতে হয়। তবে না পারলে ল্যাংগুয়েজ কোর্স প্রিরিকুইজিট নিয়ে ভর্তি হওয়া যায়।

২৬. ০৩ রা নভেম্বর, ২০০৮ ভোর ৫:৩৯
শঙ্খচীল বলেছেন: রাগীব, মাদ্রাসা শিক্ষার্থীরা তো মাধ্যমিক বা উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ে বাংলা বা ইংরেজী তাদের শিক্ষার অংশ হিসাবে পড়ছে। তাছাড়া ভর্তি পরীক্ষায় বাংলা বা ইংরেজী বিষয়ে তাদের বা সাধারন শিক্ষায় শিক্ষিত দের জ্ঞান যাচাই করার পরেই ভর্তি করা হয়।

আর আপনি ইউনিভার্সিটি লেভেলে ইংরেজীতে পড়েছেন। অথচ দেখুন , আপনি স্কুল কলেজ লেভেলে বাংলা মিডিয়ামে পড়েছেন। আপনার কোন অসুবিধা হয়নি। কারন আপনি মেধাবী । ঠিক এই কথাটাই আমি বলতে চাচ্ছি। ভর্তি পরীক্ষার মাধ্যমে তো মেধাবী ছাত্রদেরকেই ভর্তি করা হয়। ফলে আমার মনে হয়, ইউনিভার্সিটি লেভেলে এই সব মেধাবী ছাত্রদের কোন অসুবিধা হবে না। এত দিন পর্যন্ত ঢাকা ইউনিভার্সিটিতেও কোন প্রবলেম হয়নি। আমি আপনাকে ইংলিশ, ইন্টারন্যাশনাল রিলেশনশীপ ইত্যাদি ডিপার্টমেন্টের কয়েকজন টিচারের নাম বলতে পারবো যারা মাদ্রাসা থেকে পড়াশুনা করে এসেছেন।
২৭. ০৩ রা নভেম্বর, ২০০৮ ভোর ৬:২৯
ত্রিভুজ বলেছেন: "লেখক বলেছেন: ঠিক ধরতে পারলাম না ত্রিভুজ। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় একটি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়। মাদ্রাসা শিক্ষা সরকার অনুমোদিত। সেখানে এইসব বৈষম্য কি করে সুস্থ বুদ্ধির পরিচয় বহন করে? এটা ভাল হয় কি করে?"

এই ভালটা অন্য ভাল। আমি বলতে চেয়েছি মুসলিমদের শিক্ষা হওয়া উচিত! তাদের বুঝা উচিত যে তাদের দেশটা আর তাদের নিজেদের নেই... এই পৃথিবীটাও এখন আর মুসলিমদের বাসযোগ্য নাই। তাদেরকে এখন টিকে থাকতে হলে ইউনাইডেট হতে হবে। মুসলিম ব্রাদারহুড শক্তিশালী করতে হবে।
০৩ রা নভেম্বর, ২০০৮ ভোর ৬:৩১

লেখক বলেছেন: ওকে। বুঝলাম।

২৮. ০৩ রা নভেম্বর, ২০০৮ ভোর ৬:৪৮
ভাইরাস! বলেছেন: মাদ্রসার মত একটা বিষফোড়া যা শুধু সমাজের ক্ষতিই করে তার প্রতি অতিরিক্ত সহানুভুতিশিল মনোভাবের কারনে মাইনাস ।
০৩ রা নভেম্বর, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:০০

লেখক বলেছেন: ঠিক আছে। ধন্যবাদ।

২৯. ০৩ রা নভেম্বর, ২০০৮ সকাল ৭:৫৮
ধীবর বলেছেন: কলা অনুষদে কি বিজ্ঞান বা গণিতের পাঠের চেয়েও বেশি মেধা লাগে? বিশ্বাস করতে কষ্ট হচ্ছে। মিডিয়া ও সাংস্কৃতিক জগতের মত দেখি কলা অনুষদেও একটি বিশেষ পক্ষ্যের মাফিয়াতন্ত্র সৃষ্টির পায়তারা চলছে।

০৫ ই নভেম্বর, ২০০৮ সকাল ৯:২৪

লেখক বলেছেন: আমার কাছেও এটাকে উদ্দেশ্যমূলক মনে হচ্ছে।

৩০. ০৩ রা নভেম্বর, ২০০৮ সকাল ৮:৩০
বিডি আইডল বলেছেন: আমাদের দেশে সমস্যাটা অন্যখানে। শুধু মেডিকেল, প্রকোশলী, প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, এই ধরনের ক্লাসিফিকেশন বিশ্বে বিরল। বিশ্ববিদ্যালয় মানেই যে খোলা হাওয়া সেটাও তো আমরা অনুভব করতে অপরাগ। ধর্ম বিষয়ক পড়াশোনা কি বিশ্বের অন্যান্য দেশে, অন্য ধর্মে নেই?

উপমহাদেশে অনেক গুলো বিষয়ই ভুল ভাবে, ভুল রীতিতে চর্চা হচ্ছে। এ থেকে পরিত্রান কবে কে জানে?
০৪ ঠা নভেম্বর, ২০০৮ সকাল ৯:০১

লেখক বলেছেন: এই আমেরিকাতে অন্তত আছে।

৩১. ০৩ রা নভেম্বর, ২০০৮ সকাল ৯:২৩
ঐক্যতান বলেছেন: ত্রিভুজ বলেছেন: আমার মতে ভালই হয়েছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পূর্বের সেই মান এখন আছে বলে মনে করেন? ওখানে পাঠিয়ে মেধাবী ছাত্রদের মাধাগুলো নষ্ট করার কোন মানে হয় না। এখন IDB'র উচিত আমাদের এখানে আন্তর্জাতিক মানের বিশ্ববিদ্যালয় করা যেখানে মাদ্রাসা ছাত্রদের ভর্তি করা যাবে। আর তা না করতে পারলে ইসলাম নিয়ে এইসব নাঁকি কান্না বন্ধ করা উচিত তাদের...

বাংলাদেশে ওআইসির অর্থায়নে একটি আন্তর্জাতিক মানের ভাল বিশ্ববিদ্যালয় আছে, আইউটি (ইসলামিক ইনস্টিটিউট অব টেকনোলোজি)। কই, সেখানেও তো মাদ্রাসা শিক্ষারথীদের কোন ছাড় দেওয়া হয় না!!! বরং নির্মম সত্য হল, এখন পর্যন্ত কোন মাদ্রাসা পাস তাদের যোগ্যতা প্রমান করে সেখানে ভর্তি হতে সমর্থ হয়নি। মানের সাথে কোন কম্প্রমাইজ চলে না।
৩২. ০৩ রা নভেম্বর, ২০০৮ সকাল ৯:৫৪
কলাবাগান বলেছেন: সদরুল আমিন স্যার যে ঝুক্তি দিলেন তা বেশ ভাল বলে মনে হলো....

DU Arabic Department এ ভর্তি হতে সবাই পারে না.। You need Arabic pre-requisite background. Moreover, Madrrasa curriculum allows taking 200 points of Bangla/English. Then if somebody wants to enroll those department, they just complete those 200 points courses. Nobody is preventing Madrrasa student from enrolling at those departments. anyone with the pre-requisite background can enroll.
৩৩. ০৩ রা নভেম্বর, ২০০৮ সকাল ৯:৫৮
অলস ছেলে বলেছেন: লেখক শিক্ষার ধারা বিভাজনের পক্ষে না। খুব ভালো কথা। দরকার হলে ইউরোপ আমেরিকার দেশগুলোতেও যে এধরণের ভিন্নতা আছে তার উদাহরণ ও আসতে পারে। কিন্তু কথা হলো, এখানকার এত এত মন্তব্যকারীদের কয়জন মাদ্রাসায় পড়ুয়া? কয়জনের সন্তান মাদ্রাসায় পড়ে? লেখিকা নিজেই কিছুদিন আগে জানিয়েছিলেন তাঁর ছেলের সাফল্যের কথা, কোন এক ইংলিশ এপটিট্যুড টেষ্টে, আমার যদ্দুর মনে পড়ে। তার আরও সাফল্য কামনা করি।
অনিবার্যভাবে রাজনীতিও এসে পড়ে। কয়জন ধর্মীয় সংগঠনগুলোর নেতার সন্তানরা মাদ্রাসায় পড়ে? মাদ্রাসা গুলো কিছুই না, এক দল অপদার্থ হীনমন্য সমাজের বোঝা তৈরী করার জন্য বৃটিশ দের রেখে যাওয়া সিষ্টেম, মি: ত্রিভুজ অনেকটুকুই সঠিক বলেছেন।
এর মধ্য থেকে ৫/১০ শতাংশ যারা মাথা উঁচু করে দাড়াতে পারে, তারা নিজেদের যোত্যতাতেই তা করে। আর কয়েক শতাংশ আমাদের বাংলাদেশীদের ভূয়া ইসলাম চর্চার সুযোগে পুরোহিতগিরি কিছু একটা জুটিয়ে নেয়।
তার ভেতর আরো কত কাহিনী, আলীয়া মাদ্রাসা, কওমী মাদ্রাসা, অধুনা আহলে হাদীসদের মিশর বা মধ্যপ্রাচ্যের সিলেবাস পড়ানো মাদ্রাসা, সেক্যুলারিজম এর সাথে ইসলামকে লাগিয়ে দিয়ে ক্রস ব্রিডিং করা ক্যাডেট মাদ্রাসা। আমার বন্ধু যেসব মাদ্রাসা ছাত্র ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের লোকপ্রশাসন, জীববিজ্ঞান থেকে কয়েক বছরের মধ্যে পাস করেছে, তারা ভালো রেজাল্ট নিয়েই বের হয়েছে। কেউ ওখানে শিক্ষকও হয়েছে। কিন্তু এরা, ঐ ৫/১০ শতাংশের সেরা অংশটুকু। ভর্তি পরীক্ষায় টিকেই তারা প্রমাণ করেছে তারা যোগ্য।
যাইহোক, যে মাদ্রাসায় নিজের ছোট ভাইবোন বা সন্তানকে কখনো পড়াবেননা, এমন একটা অথর্ব ব্যবস্থা তুলে দিয়ে ভালো কিছুই করা দরকার।
০৭ ই নভেম্বর, ২০০৮ সকাল ১১:১৬

লেখক বলেছেন: মাদ্রাসা শিক্ষা তুলে দেয়ার পক্ষে নই। সব দেশেই এই শিক্ষা আছে। তবে উন্নয়নের পক্ষে।

৩৪. ০৩ রা নভেম্বর, ২০০৮ সকাল ১১:১০
সন্ধ্যাবাতি বলেছেন: রাগিবের মন্তব্য--"বায়োলজি না থাকলে আপনি কি দাবী করবেন মেডিকেলে পরীক্ষা দেয়ার অধিকারের?"

অস্ট্রেলিয়ায় কিন্তু মেডিসিনে পড়ার জন্য বায়োলজি দরকার হয় না। প্রিরিকুইজিট, রেকমেন্ডেড কোনটাই না। বরং একটা পরীক্ষা দিতে হয়, যেখানে মেধা যাচাই করা হয়, বায়োলজি জ্ঞান পরীক্ষা করা হয় না। এটাই মেইক সেন্স করে, মেধা থাকলে যে কারো যে কোন কিছু পড়ার সুযোগ থাকা উচিত। বিশেষত এইচএসসি দেয়ার বয়স যেখানে ১৮... সেই বয়সে মেধা যাচাই অর্থবহ, জ্ঞান কতটুকুই বা থাকে?

"ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় একটি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়। মাদ্রাসা শিক্ষা সরকার অনুমোদিত। সেখানে এইসব বৈষম্য কি করে সুস্থ বুদ্ধির পরিচয় বহন করে? এটা ভাল হয় কি করে?"--একমত।
০৫ ই নভেম্বর, ২০০৮ সকাল ৮:৫৭

লেখক বলেছেন: আমেরিকাতেও মেডিকেলের অনেকটা সেরকম সিস্টেম।

৩৫. ০৩ রা নভেম্বর, ২০০৮ সকাল ১১:১৩
পারভেজ বলেছেন: আমার কাছে যেটা মনে হয়-
১। বাংলাদেশ-ভারত ও পাকিস্থানের মাদ্রাসা শিক্ষা অন্যান্য মুসলিম দেশের মাদ্রাসা শিক্ষার সাথে যোজন যোজন পিছানো, ধর্মান্ধতায় পূর্ণ ও মোটেও মুক্তচিন্তা বিকাশের উপযোগী নয়।
২। যদিও সিলেবাস ও শিক্ষা উপকরণের দিক থেকে যথেষ্ট আধুনিক কিন্তু মননশীলতা ও সুকুমারবৃত্তি চর্চার দিক থেকে শুন্য প্রায়।
৩। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় বা যেকোন পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়েই ভর্তি পরীক্ষার বাইরে আলাদা করে কোন শর্তের যুক্তি নেই। GDE. A/O level. HSC, মাদ্রাসা বোর্ড বা কারিগরী বোর্ড যেখান থেকেই আসুক না কেন সবাই যেন ভর্তি পরীক্ষা দেয়ার সুযোগ পায়। এই প্রসঙ্গে বলতে পারি বুয়েটের কেবল বাছাই ৬০০০ জনের ভর্তি পরীক্ষা নেয়ারও বিরোধীতা করি। কষ্ট করে হলেও অন্তত ১০/১৫ হাজার ছাত্র ছাত্রীকে পরীক্ষায় বসার সুযোগ দেয়া উচিত।
৪। বাংলাদেশে যতদিন না পর্যন্ত সবার জন্য প্রাথমিক শিক্ষা সুষ্ঠু ভাবে বাস্তবায়ন করা সম্ভব হচ্ছে ততদিন মাদ্রাসা শিক্ষার প্রয়োজন আছে বৈকি। কি মৌলানা আর ইমাম তৈরীর উদ্দেশ্যে আলাদা করে শিক্ষা ব্যবস্থার প্রয়োজন আছে কি? একটা পাবলিক স্কুল/ কলেজ/বিশ্ববিদ্যালয়ে যেমন সাইন্স, আর্টস, কমার্স ফ্যাকাল্টি থাকে। তেমনি ইসলামি শিক্ষার বিভাগে ধর্ম শিক্ষা কি দেয়া যায়না? আজকাল প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয় গুলি কিন্তু তাই করছে। IIUC চট্টগ্রামে এমবিএর জন্য খুব ভাল করছে, আবার তারা ইসলামিক স্টাডিজও পাশাপশি চালিয়ে যাচ্ছে। প্রাইমারি শিক্ষা টা অবশ্যই একধাঁচের হওয়া উচিত। আমরা তো বাচ্চাদের জীবনের শুরুতেই জানিয়ে দিচ্ছি- তুমি মোল্লা আর তুমি অমোল্লা!!
লেখকের সব কথার সাথে একমত না হলেও ভর্তি পরীক্ষার বৈষম্যের কথাটায় একমত।
০৭ ই নভেম্বর, ২০০৮ সকাল ১১:১১

লেখক বলেছেন: মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ আপনাকে।

৩৬. ০৩ রা নভেম্বর, ২০০৮ দুপুর ১২:৩৭
বিবর্তনবাদী বলেছেন: @ ত্রিভুজ - হ্যা ঢাবির র‌্যাংকিন খারাপ পর্যায়ে আছে, কিছু জরিপ মতে। আবার সেই সাথে আপনার এটাও মনে রাখতে হবে, ঢাবির বয়স খুব বেশি নয়। একশত বছরও হয় নাই। বিগত ৮৮ বছরে ঢাবির প্রথম ২৫ বছর কেটে গেছে, বাংলায় একটা শিক্ষিত মধ্যবিত্ত তৈরি করতে। তারপরের ৩০ বছর গেল বাংলাদেশ স্বাধীনতা সংগ্রামকে এগিয়ে নিয়ে। স্বাধীনতা পরবর্তি সময়টুকুর প্রথম বিশ বছর গেল নানা আন্দোলন বিগ্রহতে। ঢাবির এই অর্জনগুলো বাদ দিয়ে র‌্যাংকিন করলে অবিচার হয়ে যায়। আর এগুলো বাদ দিয়ে কি কোথায় র‌্যাংকিন করল তাতে কিই বা আসে যায়!!!


আর ঢাবির সার্টিফিকেট নিয়ে বাইরের ভাল ভার্সিটিতে কার কি সমস্যা হল বুঝতে পারলাম না। শুধু আমার ব্যক্তিগতভাবে চেনা কমপক্ষে শ'খানেক ঢাবির ছাত্রছাত্রীদের কথা বলতে পারি, তারা ঢাবি সার্টিফিকেট নিয়ে বিশ্বের প্রতিষ্ঠিত বিশ্ববিদ্যালয় গুলোতে শিক্ষকতা ও গবেষণায় যুক্ত। ঢাবির একটা বড় সুবিধা হচ্ছে এই যে, তারা সব সময় দেশের সবচাইতে ভাল ছেলেমেয়ে গুলা পাচ্ছে। বিধায় ওভারল অবস্থা যাই হোক না কেন, ঢাবি থেকে ভাল ছাত্রছাত্রীই বের হচ্ছে নিয়মিত। ইঞ্জিনিয়ারিং সাইটে বুয়েটের কথা বাদ দিলে, সমগ্র বাংলাদেশে খুব কম জায়গাতেই আপনি ঢাবির ছাত্র-শিক্ষকদের মানের ছাত্র-শিক্ষক পাবেন।


মাদ্রাসা শিক্ষার মত একটা ব্যাকডেটেড ব্যাবস্থা এখনও এদেশের সোকলড ধর্মীয় নেতারা ধরে রেখেছে কারন তারা দেখেছে মূলধারার ছাত্রছাত্রীদের ব্রেন ওয়াশ করা খুব কঠিন। যদিও তাদের মাঝে কিছু শিবির বিদ্যমান, যারা চাপিয়ে দেওয়া দেড়শত বইয়ের বাইরে পড়বার সময় পায় না।


আর ঐ ইসলামিক বিশ্ববিদ্যালয়ের কথা বলছেন?? কিছু টেকনিক্যাল বিষয় পড়িয়ে, একটা ভাল টেকনিক্যাল ইন্সটিটিউট হয়ত গড়ে তোলা যায়, কিন্তু বিশ্ববিদ্যালয় গড়ে তোলা সহজ নয়। একটা ঢাবি নিয়ে হাজার গ্যাজগ্যাজ করা সম্ভব, কিন্তু একটা ঢাবি গড়ে তোলা খুব একটা সহজ ব্যাপার নয়। কিন্তু, ভাল এডমিনিস্ট্রেশন, কিছু ভাল শিক্ষক দিয়ে চাইলে একটা ভাল ইন্সটিটিউট গড়ে তোলা যদিও সম্ভব কিন্তু তা থেকে টেকনিক্যাল বিশেষজ্ঞ বের করা গেলেও, দেশ এগিয়ে নেবার মানুষ গড়া খুব একটা সহজ কাজ নয়।

বিদেশী ইসলামীক নেতৃবৃন্দের জন্য অপেক্ষা করে বসে থাকলে, একসময় মীরজাফরের ক্লাইভের হাতের দেশ তুলে দেওয়া জাতিয় ব্যাপার ঘটবে।
৩৭. ০৩ রা নভেম্বর, ২০০৮ দুপুর ১২:৩৮
মামু বলেছেন: ইংলিশ মিডিয়ামের পুলাপাইন কত নম্বরের বাংলা পড়ে?
হেরা ক্যামনে কম মার্কছের নম্বর নিয়া কম্পিছন করব?
০৩ রা নভেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৫:৫৭

লেখক বলেছেন: আমাদের সাথে বুয়েটে অনেকে বিদেশ থেকে এসেছিলো। তারা অ আ পর্যন্ত জানতো না। ইংলিশ মিডিয়ামের। ঠিকই বুয়েটে অনার্স পেয়েছে।

৩৮. ০৩ রা নভেম্বর, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:১৯
বিবেক সত্যি বলেছেন: যে ইংরেজী নিয়ে এত কথা, মজার ব্যপার হল ২০০৬-২০০৭ শিক্ষাবর্ষে সেই ইংরেজীতে ৩০ পয়েন্টে ২৮.৫ পেয়ে "গ" তে ফার্স্ট এবং "খ"তে সেকেন্ড হয় আবদুল্লাহ আল আমীন নামে এক মাদ্রাসার ছাত্র। .......


এই তথ্যের পর আসলে আর কিছু বলার থাকেনা । পুরো ব্যাপারটা উদ্দেশ্যমূলক বৈষম্য ছাড়া আর কিছু না ।

খুব ভালো লিখেছেন ।
নরাধমের একটা লেখা ছিলো বুয়েটকে উদাহরন দিয়ে । কমার্স - আর্টসের ছাত্ররা কেন বুয়েটে পড়তে পারবেনা । আপনার পোষ্টের শেষে আর্কিটেকচার এডমিশন টেষ্টের উদাহরনটা নরাধমের যুক্তিকে মিথ্যা প্রমান করেছে ।

০৩ রা নভেম্বর, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:৪২

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

৩৯. ০৩ রা নভেম্বর, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:৪৭
মোহাম্মদ আরজু বলেছেন: সহমত @রাগিব এবং বিবর্তনবাদী
সেই সাথে যোগ করি- আগে 'মাদ্রাসা বোর্ড' এর 'উচ্চ মাধ্যমিক' পর্যায়ে সংস্কার হোক পরে ভর্তির ক্যাটাগরি বদলাক।

Click This Link
০৪ ঠা নভেম্বর, ২০০৮ সকাল ৮:৩৮

লেখক বলেছেন: একমত। মাদ্রাসা শিক্ষার সংস্কার কাম্য। কিন্তু তারমানে এই নয় যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে এই অজুহাতে মাদ্রাসা থেকে আসা ছাত্র ছাত্রীরা ভর্তির অযোগ্য বিবেচিত হবে।

৪০. ০৩ রা নভেম্বর, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:৫০
ফারুক আহসান বলেছেন: ভর্তি পরীক্ষার ফিল্টার থাকার পরেও, শর্ত জুড়ে দেয়া আসলেই বৈষম্য ।
০৪ ঠা নভেম্বর, ২০০৮ সকাল ৮:০৩

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদের সাথে একমত।

৪১. ০৩ রা নভেম্বর, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:৫৫
ফারুক আহসান বলেছেন: ভর্তি পরীক্ষার ফিল্টার থাকার পরেও, শর্ত জুড়ে দেয়া আসলেই বৈষম্যবাদী আচরণ ।
৪২. ০৩ রা নভেম্বর, ২০০৮ রাত ১০:২৮
দ্বীপবালক বলেছেন: মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার যোগ্য কিনা তা দেখার জন্য তো এডমিশন টেস্ট নামের ফিল্টার তো রয়েছেই। অতিরিক্ত শর্ত আরোপ করা কি বৈষম্যের পর্যায়ে পড়ে না? অথচ বৈষম্য ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মূলনীতির বিরোধী।
==================
ভাল বলেছেন। কিন্তু ওরা যুক্তি মানতে নারাজ। প্রকৃত ব্যাপার হলো যে সমস্ত শিক্ষকরা ঢাবি মাদ্রাসা ছাত্র ভর্তি করতে দিতে সমস্যা সৃষ্টি করছে হয়তো এদের অনেকেই মাদ্রাসা পড়ুয়া, কারণ ঢাবির প্রবীণ শিক্ষকদের বিরাট একটা অংশ ধর্মীয় মাদ্রসা গ্রাজুয়েট।
০৪ ঠা নভেম্বর, ২০০৮ সকাল ৮:৪৫

লেখক বলেছেন: খুব স্বাভাবিক। কারন বাংলাদেশে স্কুল সব জায়গায় নেই। ফলে অনেকেই এই কারনে মাদ্রাসায় পড়াশোনা করে থাকে।

৪৩. ০৪ ঠা নভেম্বর, ২০০৮ রাত ২:০৩
রাগিব বলেছেন: @সন্ধ্যাবাতি - বাংলাদেশ কিন্তু অস্ট্রেলিয়া বা আমেরিকা না। বাংলাদেশের শিক্ষা ব্যবস্থা এখনো সেরকম শিথিল না ... কাজেই অস্ট্রেলিয়ার বা আমেরিকার উদাহরণ খাটে না। এখানে এক যাত্রায় দুই ফল কাম্য নয়। ভর্তি পরীক্ষার শর্ত সবার জন্যই সমান হওয়া উচিত।

"মেধা থাকলে যে কারো যে কোন কিছু পড়ার সুযোগ থাকা উচিত। " - ঠিক আছে, কিন্তু মেধা যাচাই করবেন কীভাবে? ৩ ঘন্টার এক ভর্তি পরীক্ষা দিয়ে? এই জন্যই ভর্তি পরীক্ষার শর্তগুলো রাখা হয়, যাতে আগের বিভিন্ন ডিগ্রির কথাও বিবেচনায় আসে। দেশের অষ্টম শ্রেণীর মেধাবীতম ছাত্রটি হয়তো কোন বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষাতে পাশ করতে পারবে, কিন্তু তাই বলে কি তাকে এসএসসি ও এইচ এস সি বাদ দিয়ে ভর্তি করা যাবে?

----

যা ভেবেছিলাম, পানি এখনো ঘোলা, মাদ্রাসা শিক্ষার উন্নয়নের জন্য কারো মুখে রা-টি নেই। কারণ এসব নিয়ে আস্ফালনকারী নেতাদের ছেলেমেয়েরা কেউ মাদ্রাসায় পড়ে না। মাদ্রাসাতে পড়া শিক্ষার্থীদের দিয়ে এই আন্দোলন সেই আন্দোলন করানো চলে, নীল সাদা সব দলের পলিটি্ক্স চলে, কিন্তু মূলধারার শিক্ষা-চাকুরিতে তাদের নিয়ে আসার মতো যোগ্যতা দিতে এসব ডানপন্থী নেতা-সমর্থকদের কোনো মাথাব্যথা নেই!!
৪৪. ০৪ ঠা নভেম্বর, ২০০৮ ভোর ৬:৩৩
ফারজানা মাহবুবা বলেছেন:
মাদ্রাসা শিক্ষার আধুনিকায়ন এবং মাদ্রাসার ছাত্রদের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষার চান্স-ই না দেয়া, দুইটা সম্পূর্ণ দুই জিনিষ। এখানে দেখছি বেশ কিছু বুদ্ধিজীবিদের মাথায় এই সাধারন ব্যাপারটাই এখনো ঢুকেনি।

আর মাহমুদ সিক্সটি নাইন, মাদ্রাসার সব স্টুডেন্টদেরকে জেনারালাইজ করে "অযোগ্য" ঘোষনা করে সবচে বড় রেসিস্ট পরিচয় দিলেন। এটাতো হিটলারের মত 'সব ইহুদী পৃথিবীতে বেঁচে থাকার অযোগ্য'। ...... আমারতো আসলে মনে হয়, এই লাল-নীল(!!!) টীচারগুলো মাদ্রাসা স্টুডেন্টদেরকে ভয় পায়। ভর্তি পরীক্ষায় আলাদা কোনো কোটা ছাড়াই আর দশটা স্টুডেন্টদের সাথে পরীক্ষা দিয়ে মাদ্রাসা স্টূডেন্টরা ডিইউ তে ভর্তি হচ্ছে নিজেদের মেধা দিয়ে- এটাই তাদের ভয়ের বিষয় বলে মনে হচ্ছে!
০৪ ঠা নভেম্বর, ২০০৮ সকাল ৮:৪৯

লেখক বলেছেন: একমত। মাদ্রাসার ছাত্ররা কিন্তু এডমিশন টেস্ট দিয়ে ঢুকছে। আর বুয়েটে উপজাতীয় কোটা সহ নানা কোটায় অনেকে ঢুকত যারা মেধায় অনেক পিছিয়ে। কিন্তু তাদের বেলায় কিন্তু এই সব যোগ্যতার কথা নীল রং এর শিক্ষকরা তোলেন না।

(আমি অবশ্য এসব কোটা অনেকাংশে সমর্থন করি)।

৪৫. ০৪ ঠা নভেম্বর, ২০০৮ সকাল ১০:০৩
রাগিব বলেছেন: "বুয়েটে উপজাতীয় কোটা সহ নানা কোটায় অনেকে ঢুকত"

বুয়েটে উপজাতীয়দের জন্য সর্বমোট ৩টি কোটা ছিলো, এছাড়া আর কোনো কোটা দেখেছি বলে তো মনে পড়েনা। এই ব্যাপারে আলোকপাত করলে বিভ্রান্তি দূর হতো। আমার জানা মতে বুয়েটে উপজাতীয় কোটা ছাড়া আর কোনো কোটা নেই।
০৪ ঠা নভেম্বর, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:৪৩

লেখক বলেছেন: সেনা বাহিনীর কিছু সদস্য পড়ত আমাদের সময়ে। আমার মনে হয় না তারা ভর্তি যুদ্ধ পেরিয়ে এসেছে।

৪৬. ০৪ ঠা নভেম্বর, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:৫৪
সরপ বলেছেন: সুন্দর পষ্ট।
০৪ ঠা নভেম্বর, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:৫৯

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

৪৭. ০৪ ঠা নভেম্বর, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:১৮
আরিফুর রহমান বলেছেন: "তবে সে যুদ্ধে কোন পক্ষই যে পুরো সফল হতে পারেন নি, তা নির্বাচন সহ অনেক ইস্যুতে ইতিমধ্যেই প্রমানিত"....


এই প্রমান তো নগদ রিয়ালে কেনা।

উম্মু যে কারনে ব্লগে এসে মাদ্রাসার ওকালতি করছেন, যে কারনে দেশে ব্যাঙের ছাতার মতো গিজগিজ করছে মক্তব/মাদ্রাসা, ঠিক সে কারনেই বিদেশী (মধ্যপ্রাচ্যীয়) মদতে চালানো যুদ্ধটাতে দেশীয় বুদ্ধিজীবিরা পরাজয়ের স্বাদ চাটছেন।

তবে আশার কথা সৌদিদের এই ফান্ডিং সর্বস্ব কার্যক্রমের কোন 'সাসটেইনেবলিটি' নেই।

স্যালাইন দিয়ে হয়তো কৃত্রিম ভাবে চালানো যায়, সেটা কোনদিনও শেকড় গাঁথতে পারে না।

সুতরাং উম্মুর এ্‌ইসব কান্নাকাটির আসলে কোন সুফল নেই।
০৪ ঠা নভেম্বর, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:২৩

লেখক বলেছেন: "এই প্রমান তো নগদ রিয়ালে কেনা।"

ঠিক। জিতলে ফেয়ার হারলে র‌্যাগিং।


"সুতরাং উম্মুর এ্‌ইসব কান্নাকাটির আসলে কোন সুফল নেই"

নিজের মতকে চূড়ান্ত জেনে বিশ্বাস করে থাকতে যদি আপনার ভাল লাগে তাহলে সে স্বাধীনতা আপনার আছে।

আমার মনে হয় না, আমার এই ব্লগে আলোচনা চালিয়ে যাবার মত মানসিকতা আপনার আছে।

৪৮. ০৪ ঠা নভেম্বর, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:২০
সাঁঝবাতি'র রুপকথা বলেছেন: ওখানে পাঠিয়ে মেধাবী ছাত্রদের মাধাগুলো নষ্ট করার কোন মানে হয় না।

জোকস ...

কেউ কি আমাকে একটু কম্পেয়ার করে দেখাবেন ইন্টার পর্যন্ত একজন জেনারেল ষ্টুডেন্ট এর সিলেবাস আর একজন মাদ্রাসা ষ্টুডেন্ট এর সিলেবাস ...?

সম অধিকার এর কথাটা তখন ই আসে জখন এ পিঠ ও পিঠ সমান হয় ...
৪৯. ০৪ ঠা নভেম্বর, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:২৩
ড্রিমক্যাচার বলেছেন:
মাদ্রাসার ছাত্রদেরও সুযোগ রয়েছে ৮০০ নম্বরের সেই বাধ্যবাধকতা পুরনের যদি তারা ১৪০০ বছর আগের রুপকথা না পড়ে বাংলা ইংরেজি এর এক্সট্রা কোর্স নেই।
৫০. ০৪ ঠা নভেম্বর, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:৪৬
ইয়াহিয়া বলেছেন: এই সিদ্ধান্তটা পুরোটাই রাজনৈতিক উদ্দেশ্য প্রণোদিত এটা বুঝতে কষ্ট হয়না।তবে এতে করে একটা লাভ হয়েছে ;সবাই এখন মাদ্রাসা শিক্ষার মানোন্নয়নের উপর জোর দিচ্ছে যা আসলেই জরূরী।
৫১. ০৫ ই নভেম্বর, ২০০৮ সকাল ৯:১৬
উম্মু আবদুল্লাহ বলেছেন: আলোচনায় অংশ নেবার জন্য ত্রিভুজ, বিবর্তনবাদী, ফারজানা, শংখচীল, রাগিব, সন্ধ্যাবাতি সহ সবাইকে ধন্যবাদ জানাই। আপনাদের অংশ গ্রহন এই পোস্টকে প্রানবন্ত করেছে। আমার খুব ভাল লাগল আপনাদের এই অংশ গ্রহন।
৫২. ০৫ ই নভেম্বর, ২০০৮ দুপুর ১:২৪
রাগিব বলেছেন: সেনা সদস্যরা কিন্তু কোনো কোটাতে আসেনি। কোটা হলো মূল আসনসংখ্যার একটা অংশ সংরক্ষণ করা। বুয়েটে যেসব সেনা সদস্য পড়ে, তারা মূল আসনসংখ্যার অতিরিক্ত হিসাবে আসে। যেমন আমাদের ক্লাসের সীট ছিলো ৪৫টা, একজন বাদে সবাই ভর্তি পরীক্ষায় মেধা মানে আসা, আর ঐএকজন উপজাতীয় কোটায় আসা। এছাড়া সেনাবাহিনীর দুইজন ক্যাপ্টেন পড়েছেন, সেটা মূল আসনের অতিরিক্ত হিসাবে। উপজাতীয় কোটা ছাড়া বুয়েটে আর কোনো কোটা নেই।
০৬ ই নভেম্বর, ২০০৮ সকাল ৮:২৪

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ। আমি তেমন ভাল জানি না। তবে আমার মনে হয় সেনা সদস্যদের আসন সংখ্যাও সংরক্ষিত। মানে সর্বোচ্চ ৫ টি বা ঐ জাতীয়।

৫৩. ০৫ ই নভেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৫:৫৬
আশার আলো বলেছেন: ঐক্যতান বলেছেন:................

বাংলাদেশে ওআইসির অর্থায়নে একটি আন্তর্জাতিক মানের ভাল বিশ্ববিদ্যালয় আছে, আইউটি (ইসলামিক ইনস্টিটিউট অব টেকনোলোজি)। কই, সেখানেও তো মাদ্রাসা শিক্ষারথীদের কোন ছাড় দেওয়া হয় না!!! বরং নির্মম সত্য হল, এখন পর্যন্ত কোন মাদ্রাসা পাস তাদের যোগ্যতা প্রমান করে সেখানে ভর্তি হতে সমর্থ হয়নি। মানের সাথে কোন কম্প্রমাইজ চলে না।

*********************************

ঐক্যতান এর মন্তব্যের জবাবে বলতে হয় "আই.ইউ.টি" সম্পর্কে সে অনেকগুলো ভুল তথ্য দিয়েছে।

১) এটি "আইউটি" নয়, "আই.ইউ.টি"

২) "ইসলামিক ইনস্টিটিউট অব টেকনোলোজি" নয় ২০০১ থেকে এটি "ইসলামিক ইউনিভার্সিটি অব টেকনোলোজি"

৩) আই.ইউ.টিতে মাদ্রাসা ছাত্রদের ভর্তির আবেদনে কোন বাধা নেই।
৪) আই.ইউ.টি তে মাদ্রাসা পাশ ছাত্র ভর্তি হয়েছে এরকম উদাহরন রয়েছে। সংখ্যায় যদিও কম, এখনো মাদ্রাসা থেকে আসা বেশকিছূ ছাত্র এখানে আছে। আর তারা যে খুব একটা খারাপ করছে তাও না। তাই ঐকতানের "বরং নির্মম সত্য হল, এখন পর্যন্ত কোন মাদ্রাসা পাস তাদের যোগ্যতা প্রমান করে সেখানে ভর্তি হতে সমর্থ হয়নি। " কথাটি মিথ্যা।
০৯ ই নভেম্বর, ২০০৮ সকাল ১১:৫৭

লেখক বলেছেন: "আর তারা যে খুব একটা খারাপ করছে তাও না।"

যদি মেধার ভিত্তিতে ভর্তি হয়ে থাকে তবে খারাপ করার কথা নয়। সেটা মাদ্রাসা ব্যাকগ্রাউন্ড হোক, আর অন্য কিছু হোক।

৫৪. ০৫ ই নভেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৫:৫৯
আশার আলো বলেছেন: আর সংখ্যায় নগন্য হলেও মাদ্রাসা থেকে পাশ করে ছাত্ররা মেডিকেল আর ডেন্টালে ভর্তি হয়েছে, হচ্ছে। যোগ্যতার ভিত্তিতেই ভর্তি হচ্ছে, কোন কোটার ভিত্তিতে না।
০৬ ই নভেম্বর, ২০০৮ সকাল ৮:৩৬

লেখক বলেছেন: আমারও সেরকমই ধারনা। কখনও কোটা পেতে দেখিনি।

৫৫. ০৬ ই নভেম্বর, ২০০৮ ভোর ৪:৩৪
ফারজানা মাহবুবা বলেছেন:
আরিফুর রহমান, উম্মু আব্দুল্লাহ'পু মাদ্রাসার উকালতি করেননি, একটা অবিচার ও অন্যায়কে ফোকাস করেছেন শুধু। এত সামান্য পয়েন্টগুলো ধরতে না পারলে কী করে হবে?! ... ব্যাংগের ছাতার মত মাদ্রাসা গজালে এটাতো সরকারের ব্যার্থতা, সরকার এগুলোর ব্যাপারে পদক্ষেপ নেয় না কেনো? সরকার এদের সিলেবার পর্যালোচনা করেনা কেনো? শুধু সরকার না এটা বাংলাদেশের প্রতিটি মানুষের ব্যার্থতা, যেহেতু তারাই তাদের বাচ্চাকাচ্চাদেরকে এসব মাদ্রাসায় পাঠায়! এখনো গ্রামে মানুষ বাচ্চাকে স্কুলে না পাঠায়ে মাদ্রাসায় পাঠাতেই কমফোর্ট ফিল করে। ............ স্যালাইন?! শেঁকড়?! হাহাহাহাহাহাহা! বাংলাদেশ, পাকিস্তান, ইন্ডিয়া এবং আফ্রিকার কিছু দেশে মাদ্রাসা শিক্ষার শেঁকড় এত গভীরে প্রোথিত যে আপনার মত অনেক বুদ্ধিজীবি(!) গলা ফাটিয়ে কলম ফাটিয়ে ফেলেও কোনো কুল কিনারা পাচ্ছেনা, ব্যাঙ্গের ছাতার মত এরা গজাচ্ছেই!!

আর সাঁঝবাতি, মংগল গ্রহ থেকে ব্লগিং করেন নাকি? আত্নীয় স্বজন কেউ মাদ্রাসায় পড়ে? একটু খোঁজ নিবেন প্লীজ। সরকারী মাদ্রাসাগুলোতে এখন এরাবিক টেক্সট ছাড়া সাইন্স-আর্টসের প্রতিটা বই ক্লাস এইট থেকেই হুবুহু স্কুল কলেজের বই। একই বই ওরা পড়ছে।

০৬ ই নভেম্বর, ২০০৮ সকাল ৮:২৯

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ আপু। মাদ্রাসার কারিকুলাম, সিলেবাস ভাল মত না জানিনা বলে এর আধুনিকায়ন দরকার কিনা, কিংবা দরকার হলে কতটুকু দরকার - এ সম্পর্কে কিছুই লিখতে পারিনি। তবে পত্রিকায় পড়েছিলাম "সাফল্যের শীর্ষে তামিরুল মিল্লাত" জাতীয় খবর। সেসব পড়ে মনে হয়েছিল মাদ্রাসার ছাত্রদের পাঠ্য বই সাধারন শিক্ষার পাঠ্য বইয়ের কাছাকাছি।

৫৬. ০৭ ই নভেম্বর, ২০০৮ সকাল ১১:২৭
জেমসবন্ড বলেছেন: ভালো লাগলো পেলাস দিলাম ....
০৭ ই নভেম্বর, ২০০৮ সকাল ১১:৩২

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

৫৭. ০৯ ই নভেম্বর, ২০০৮ দুপুর ১২:২৫
সাঈফ শেরিফ বলেছেন: নরাধম বলেছেনঃ তবে আপনার মাদ্রাসা ছাত্রের প্রতি এই ভালবাসাটা এসেছে জামাতি মনোভাবাপন্ন হওয়ার কারনে। সমস্যাটার সমাধান উদ্দেশ্য নয়। তাই মাইনাস দিলাম।

দেখুন নরাধম ভাই, জামাত হয়ে যদি আজ কেউ মুক্তিযুদ্ধের সপক্ষে কথা বলতে আসতো সেটা ভন্ডামি বটে, কিন্তু এমন একটা ব্যাপারে "জামাতী ভাবধারা" খুজতে যাওয়াটা বিশেষ একটা খাটেনা। জামাতকে আমি ঘৃণা করি, তাদের কর্মকান্ডের বিরুদ্ধে উচ্চরব থাকি। কিন্তু দু চার জন জামাতি যদি উত্তম প্রস্তাব রাখে, মানবতার পক্ষে কথা বলে সেটাকে জামাতের রাজনৈতিক হাতিয়ার ভাবতে পারেন সন্দেহবাদী হিসেবে, কিন্তু একটা ভাল প্রস্তাবকে অঙ্কুরেই গলা টিপে মারার ঘোর বিরোধি আমি।

নরাধম আগাগোড়া ধার্মিক, ধর্ম সচেতন মানুষ। অতি ন্যায্যভাবে জামাত বিরোধী। কিন্তু জামাতের বিরুদ্ধে আক্রমণ যতটা ব্যক্তি আক্রোশ থেকে তার চেয়ে ব্লগে খ্যাতি পাবার একটা নেশা থেকে এসেছে বলে মনে হয়। একটা বিশেষ মহলকে খুশি করার প্রচেষ্টা করেন, তাদের সাথেই সখ্যতা রেখেই। জনস্বার্থে কামাল পাশা বিরুদ্ধে পোস্ট দিলেন ভাল কথা। জামাতের সুবিধা লাভের ভয়ে এবং আপনার বিশেষ মহলের বন্ধুদের চাপে পোস্টটি তুলেও নিলেন। নিজের বিশ্বাসের পক্ষে লড়ার দুর্বলতাটা প্রকট। আপনার বিশ্বাসের সাথে জামাতের ধ্যান ধারণা যদি কাকতালীয়ভাবে মিলে যায়, সেক্ষেত্রে জামাতের হাত থেকে নিজের বিশ্বাস ছিনতাই হবার ভয় করেন?

আপনার সাথে যেসব লোকের এক বিশেষ চেতনা সাপেক্ষে দোস্তি, সেসব লোকের সাথে পরকালে আপনার স্রষ্টার সামনে দাড়াতে পারবেন তো?

অফটপিকে বক্তব্য রাখার জন্য লেখকের কাছে ক্ষমা প্রার্থী।
০৯ ই নভেম্বর, ২০০৮ দুপুর ১২:৩৩

লেখক বলেছেন: আপনার মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ। কই, আমার কাছে তো অফ টপিক মনে হচ্ছে না।

আজকের এই গ্লোবালাইজেশনের যুগে ধ্যান ধারনার পার্থক্য থাকা খুব কমন। বব ডোল অনেক ইস্যুতে রিপাবলিকানদের পাশ কাটিয়ে ক্লিনটনের পাশে এসে দাড়িয়েছিলেন। ম্যাককেইনও এরকম অনেক স্টেপ নিয়েছিলেন। বাংলাদেশে এটা হয় না, কারন সেই গনতান্ত্রিক চর্চা এখনও অনুপস্থিত।

নরাধমকে আমি অপছন্দ করি না। তবে আশা করি তিনি ব্যক্তির পেছনে ধান্দাবাজি টাইপ মানসিকতা আবিষ্কারে ব্যস্ত থাকবেন না।

৫৮. ১০ ই নভেম্বর, ২০০৮ রাত ৯:১৯
শামসুজ্জামান সিদ্দিকী শাহীন বলেছেন: বেশ লেখা হয়েছে! রেটিং করতে পারছিনা যে!
১১ ই নভেম্বর, ২০০৮ রাত ২:২৭

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

রেটিং কোন সমস্যা নয়।

৫৯. ১৬ ই ডিসেম্বর, ২০০৮ রাত ১১:৫০
ওমর হাসান আল জাহিদ বলেছেন: এখানে শিক্ষার মানের প্রশ্ন জড়িত। যে শর্তগুলো দেয়া হয়েছে, সেগুলো মাদ্রাসার ছাত্ররা পূরণ করলেই আর কোন উঠবেনা।
২২ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ রাত ১২:৫৫

লেখক বলেছেন: আমার অভিজ্ঞতায় দেখেছি যারা কথা তুলবার তারা অনেক সময়ে কারন ছাড়াই কথা তুলে। হিটলারও অনেক কথা তুলে ইহুদীদের নির্যাতন করে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মান তো এতদিন ঠিকই ছিল। হঠাৎ এমন কি ঘটল যার জন্য এত বৈষম্য করতে হবে? যে ব্যপারে সবাই একমত নয়?

 

মোট সময় লেগেছে ১.৭৩২৭ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
তোমরা মুসলিম হয়ে আমাকে ধন্য করেছ, তা মনে করো না।
বরং আল্লাহ ঈমানের পথে পরিচালিত করে তোমাদের ধন্য করেছেন। (হুজুরাত:১৭)
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ