আমার প্রিয় পোস্ট
- শরীরের মেদ একটি কুৎসিত সত্য


- ফানার
- ইসলাম বিদ্বেষী লেখালেখির জন্যে যারা টাকা পয়সা দেয়, The Fear Incorporated - মজলুম
- কালের কন্ঠ ও একজন ব্লগারের মিথ্যাচারের জবাব................ - ব্যঞ্জনবর্ন
- ডিমের ঝাল পোয়া পিঠা - তাসনিয়া
- মাননীয় শেখ হাসিনাঃ এটাই কি দিনের শেষ? - বিডি আইডল
- কেন এত বেশী আধুনিক বৃটিশ ক্যারিয়ার নারীরা ইসলাম গ্রহন করছেন? - ইভ আহমেদ - উম্মু আবদুল্লাহ
- কর্নেল তাহেরের শেষ চিঠি - শেখ আমিনুল ইসলাম
- সেক্যুলার বিপ্লবে বাংলাদেশ ও ধার্মিক হাতির পিঠে মাতাল আমেরিকা - বাঙ্গাল
- ১২ই অক্টোবর: কলম্বাস ডে, যেভাবে আমেরিকা আবিষ্কৃত হল - উম্মু আবদুল্লাহ
- ব্লগিং কি, কেন এবং কিভাবে করবেন - কানন শাহ
- বাংলায় দেবী দুর্গার উত্থান ও বিকাশের ইতিবৃত্ত - ইমন জুবায়ের
- গুগল নিয়ে ঘাঁটাঘাটি - ফিউশন ফাইভ
- নীলু'স বিরিয়ানী
- নীল-দর্পণ
- ইবন রুশদ - ৩ - উম্মু আবদুল্লাহ
- লে. জে. এ এ নিয়াজির একটি দুর্লভ সাক্ষাতকারঃ আমাদের কখনই ভারতকে বিশ্বাস করা উচিত নয় - েমাঃ_হাসান_আিরফ
- আমেরিকান দলিলে শেখ সাহেবের জমানার চিত্র - নিষ্কর্মা
- ভাবলাম একটু পিজ্জা বানাই
- পুরাতন
- সুপ্তি বাবুনির জন্যে পিজ্জা রেসিপি......
- পারভীন রহমান
- আদম আ: থেকে মুহাম্মদ সা: এর বংশধারা - বিবেক সত্যি
- একাত্তরে সংগঠিত যুদ্ধাপরাধঃ হামূদুর রহমান কমিশন রিপোর্ট - শেখ আমিনুল ইসলাম
- X Facts : মুজিব হত্যাঃ জিয়া , প্রচলিত কিছু বক্তব্য , চেপে রাখা না বলা তথ্য - দাসত্ব
- মাই কুকিং স্টাইল : ফ্রাইড রাইস উইথ স্পাইসি চিকেন এন্ড সালাদ ( খাই-দাই পোষ্ট - ১)

- পথে-প্রান্তরে
- কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের সমগ্র রচনাবলী অনলাইনে - বংশী নদীর পাড়ে
- "মুক্তিযোদ্ধা প্রজন্মে যোগদানের আহবান" ও আমার কিছু প্রশ্ন। - নাহিদ মাহমুদ
- জ্ঞানী-নির্বোধ কিংবা নির্বোধ-জ্ঞানীর গল্প - ম্যাভেরিক
ব্রিটিশ সাংসদ জর্জ গ্যালাওয়ের সাথে আমাদের এক সন্ধ্যা
০১ লা এপ্রিল, ২০০৯ ভোর ৫:৪১
রবিবারের মিঠে বিকেল। হালকা রোদে সারাদিনের টিপ টিপ বৃষ্টির গুমোট ভাবটা কেটে গিয়ে চমৎকার এক আমেজ বিরাজ করছে। আজকের বিকেল আমার অন্য দশটি সাদামাটা বিকেলের চেয়ে কিছুটা আলাদা। আজ রয়েছে স্থানীয় একটি পত্রিকার ফান্ড রেইজ অনুষ্ঠান যার মূল আকর্ষন বৃটেনের সাংসদ জর্জ গ্যালাওয়ে। এ অনুষ্ঠানে উনার বক্তব্য দেবার কথা। এদিকে বিভিন্ন কাজে ব্যস্ত থাকার জন্য সেখানে যোগ দেয়াটা আমদের পক্ষে ছিল কঠিন। আর যাত্রাপথের দূরত্বও কিছুটা বেশী। কিন্তু গ্যালাওয়ের বক্তব্য সরাসরি শোনার ব্যকুলতা আমাদের সমস্ত প্রতিকূলতাকে দমিয়ে দিল। ছেলে মেয়ে নিয়ে আমরা পুরো পরিবার সবাই তাই রওয়ানা হলাম গন্তব্য পথের উদ্দেশ্যে। ফান্ড রেইজিং এর পুরো প্রোগ্রাম না পেলেও গ্যালাওয়ের স্পীচ যাতে মিস না হয়।
গ্যালাওয়ে শেষতক আসবেন কিনা তা নিয়ে খোদ অনুষ্ঠানের আয়োজকরা বোধ করি কিছুটা দোদুল্যমানতায় ছিলেন। তাই গ্যালাওয়ের আগমনের প্রচার যতটা করা উচিত ছিলো,আয়োজকদের পক্ষ থেকে ততটা করা হয় নি। এর আগে ব্রিটিশ সাংবাদিক ইভন রিডলী আসার সময়ে বিপুল প্রচার হওয়ায় সে সময়ের অডিটোরিয়াম ছিল লোকে লোকারন্য। এবারের অনুষ্ঠানে লোক সমাগম ভালই হয়েছিল, তবে প্রচারনা কম হওয়ায় দূর দূরান্ত থেকে মানুষ এসে তিল ধারনের জায়গা দখল করে রাখার পুরোনো পরিচিত দৃশ্যটা দেখা যায় নি। আর সময়টাও এবার খুব অনুকূলে ছিল না। শহরে ইয়ুথ প্রোগ্রামসহ বেশ কিছু মৌসুমী প্রোগ্রাম চলছিল । যার ফলে ইভন রিডলীর সভার মত তিলার্ধ্ব ঠাই বিহীন লোক লোকারন্য এবারকার প্রোগ্রামে হয় নি।
এদিকে অনুষ্ঠানে যাবার আগেও আমরা দ্বিধাগ্রস্ত ছিলাম এই ভেবে যে সত্যিই কি গ্যালাওয়ে সশরীরে আসবেন, নাকি পুরো বক্তব্য হবে টেলিকাস্ট। আমার এই দ্বিধা দূর হয়ে যায় গ্যালাওয়েকে দৃঢ় পায়ে স্টেজে উঠতে দেখে। মাঝারি উচ্চতার বলিষ্ঠ এবং আত্মবিশ্বাসী একজন মানুষ যিনি কোনভাবেই সাধারনের নজর এড়িয়ে যান না। চাইলেও কারো পক্ষে তাকে উপেক্ষা করা সম্ভব নয়। আমাদের স্বাধীনতা পদক প্রাপ্ত গাফফার চৌধুরী যে কি করে প্রতিদ্বন্দী উনা কিং এর পক্ষে প্রচার চালিয়েছিলেন তা ভেবে অবাক হলাম। অবশ্য চৌধুরী সাহেবের কর্মকান্ড সব সময়ই আমাদের মত গবেটদের বোধ শক্তির বাইরে। তাই অবাক হওয়াটা নেয়ায়েৎ বোকামী ছাড়া আর কিছু নয়।
তেইশ বছর ধরে পার্লামেন্টে পাচ বারের নির্বাচিত ব্রিটিশ এম পি জর্জ গ্যালাওয়ে তার বক্তব্য শুরু করলেন "বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম" এবং "আস সালামু আলাইকুম" দিয়ে। মুর্হুমুহু করতালিতে পুরো অডিটোরিয়াম উল্লসিত। তিনি বলে চললেন তার অভিজ্ঞতার কথা, প্যালেস্টাইনীদের প্রতি তার অকৃপন সমর্থনের কথা। তেইশ বছর ধরে যে সংসদে তার নিয়মিত পদচারনা, সে সংসদেরই একটি বিশেষ কক্ষের পাশ দিয়ে তিনি প্রতিনিয়ত হেটে যান। এটি সেই কক্ষ যেখানে স্বাক্ষরিত হয়েছিলো বেলাফোর ডিক্লারেশন - প্যালেস্টাইনীদের জমি কেড়ে নেবার সূচনামূলক দলিল। তিনি বলছিলেন তার বিরুদ্ধে একটি অভিযোগ তার পরিচিত অনেকেই করে থাকে। তা হল প্যালেস্টাইনীদের অধিকার সংক্রান্ত বক্তব্যের সময়ে তিনি বার বার মুসলিম শব্দটি টেনে আনেন। তিনি কৈফিয়ত দেন, যত মানুষ আজ প্যালেস্টাইনীদের অধিকারের প্রতি শ্রদ্ধাশীল, তার সিংহভাগই মুসলিম । দুই একজন কোলাবোরেটর আর পাপেট ব্যতীত ১.৮ বিলিয়ন মুসলিমের সবাই একবাক্যে প্যালেস্টাইনীদের অধিকারের প্রতি সচেতন। সেজন্যেই তার বক্তব্যে তিনি মুসলিমদের কথা টানেন। ইহুদী বিরোধী তিনি নন। তবে মুসলিমদের প্রতি শ্রদ্ধাশীল।
তার স্মৃতি কথা থেকে আমাদের বললেন তার শৈশবের কথা। তিনি যখন ছোট ছিলেন, তখন তার শিক্ষক তাকে বৃটেনের পতাকা দেখিয়ে বলেছিলেন, বৃটেনে সূর্য কখনও অস্ত যায় না। বৃটিশ সাম্রাজ্যের ব্যপকতার দিকে ছিল এই ইংগিত। বাসায় গিয়ে তিনি যখন তার আইরিশ দাদার কাছে এ ঘটনা বললেন, তার দাদা তখন জবাব দিয়েছিলেন, "গড কখনো ব্রিটিশদের বিশ্বাস করেন না। তাই তিনি তাদের অন্ধকারে রাখতে চান না।" আমরা শ্রোতারা তার এই রসিকতায় হাসলাম। ইতিমধ্যে তিনি চলে এলেন টেররিস্ট প্রসংগে - আমেরিকার বিখ্যাত ওয়ার এগেইনস্ট টেরোরিজম। আবারও শুরু করলেন গল্প। আলেকজান্ডার আর জলদস্যুর গল্প। আলেকজান্ডার এক জলদস্যুকে ভৎসনা করেছিলেন তার দস্যুতার জন্য। জলদস্যু বলেছিলেন, "আমাকে বলার আগে আপনি আপনার নিজের দিকে দেখুন। সারা পৃথিবীকে পদানত করার জন্য আপনি নিজে কি কীর্তি কলাপ করছেন? আপনি নিজেকে আজকে "এমপারার" বা যা খুশী ভাবতে পারেন। কিন্তু তাতে আপনার এসব দস্যুময় কর্মকান্ডের সাফাই হয় না।" গল্পটা উপমা হিসেবে এল আমেরিকার ইসরাইল আর প্যালেস্টাইন নীতির প্রেক্ষাপটে। গ্যালাওয়ে আরো জানালেন ওবামার প্রতি তার সমর্থনের কথা। অন্য সবার সমর্থন দেয়ার আগে তিনি তাকে সমর্থন করেন। তখনো ফক্স নিউজ তার নাম বিকৃতভাবে উপস্থাপন করত। সেই ওবামার পররাষ্ট্র মন্ত্রী হিলারীকে এখন মোকাবেলা করতে হবে ইসরাইলের পররাষ্ট্র মন্ত্রী লিবারম্যানকে যিনি বিশ্বাস করেন কোন আরবের ইসরাইলের পাসপোর্ট ধারন করার কিংবা দখলকৃত অংশে বসবাস করার কোন অধিকার নেই।
গ্যালাওয়ে আরো জানালেন তার গাজা সফরের কথা। একটি মসজিদ পর্যবেক্ষনের কথা। মসজিদের কমপ্লেক্সে এতিমদের জন্য একটা স্কুল ছিল যা আজ বোমা বিস্ফোরনে উড়ে গেছে। বিকল্প হিসেবে সেই মসজিদের কমপ্লেক্সে বসে বাচ্চারা এখন ক্লাশ করে। মিসাইলের চিহ্ন রয়ে গেছে মসজিদের গায়ে। সে মিসাইলগুলোতে রয়েছে "মেড ইন আমেরিকা" সিম্বল।
প্যালেস্টাইনীদের প্রতি গ্যালাওয়ে শুধু সমর্থনই ব্যক্ত করেন নি বরং যথাসাধ্য হিউম্যানিটেরিয়ান সাহায্যও করেছেন। এক বিশাল গাড়ী বহর পূর্ন বিস্কিট, ন্যাপি, হুইল চেয়ার সহ প্রচুর দ্রব্য নিয়ে তাদের দল রওয়ানা দেন এক সেইন্ট ভ্যালেন্তাইন দিনে। ১০০০০ মাইলের গন্তব্য শেষে গাজা পৌছান নবী (সা) এর জন্মদিনে। সে সাহায্য প্রতুল তবে সময়ের সাথে সাথে নিঃশেষ হয়ে যায়। তাই আমাদের প্রতি তার আহ্বান আমরাও যাতে এরকমভাবে সাহায্য নিয়ে পৌছে যাই কায়রোতে, চাপ সৃষ্টি করি যাতে হোসনে মোবারক রাফার বর্ডার খুলে দিতে বাধ্য হয়।
তিনি আরো বলেন যে তিনি কখনও হামাস সমর্থন করেন নি। ইয়াসির আরাফাতের সাথেই তার সময় বেশী কেটেছে। কিন্তু তিনি এটা বিশ্বাস করেন যে, প্যালেস্টাইনীরা তাদের শাসন নির্বাচনে সম্পূর্ন স্বাধীন। সেখানে লন্ডন কিংবা ওয়াশিংটন নাক গলাতে পারেন না।
গ্যালাওয়ে খুব বেশীক্ষন বক্তব্য দেন নি। সম্ভবত পৌনে একঘন্টার মত। তবে এই অল্প সময়টুকু তিনি আমাদের মন্ত্রমুগ্ধের করে রেখেছিলেন।
একজন মানুষ জীবনে যে এত কিছু করতে পারে তা দেখেও যেন বিশ্বাস হতে চায় না। আমার ক্লান্তিকর প্রবাস জীবনে এক টুকরো মুগ্ধতা বয়ে আনল গ্যালাওয়ের এই অনন্য অসাধারন ভাষন।
প্রকাশ করা হয়েছে: কথোপকথন বিভাগে । সর্বশেষ এডিট : ০৬ ই নভেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১২:৩৯ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
হোলসেল বলেছেন:
মাইনাস।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।
উদার আকাশ বলেছেন:
জর্জ গ্যালাওয়ে এ যুগের একজন সাহসী মানবতাবাদী কন্ঠস্বর! আমার কাছে অবাক লাগে কি করে একজন অমুসলিম এরকম সোচ্চার কন্ঠে মুসলমানদের চেয়েও ফিলিস্তিনীদের অধিকারের কথা বলতে পারেন।লেখক বলেছেন: "কি করে একজন অমুসলিম এরকম সোচ্চার কন্ঠে মুসলমানদের চেয়েও ফিলিস্তিনীদের অধিকারের কথা বলতে পারেন।"
স্বচক্ষে দেখলাম। অভিভূত হলাম।
ধীবর বলেছেন:
ন্যায় ও সত্য কথা বলার অপরাধে জর্জ গ্যালাওয়েকে অনেক ভাবে ভৎসনা করা হয়েছে। অনেক রকম অপপ্রচার এমনকি তথাকথিত সন্ত্রাসি কর্মে অর্থদাতাদের সাথ তার দররম মহরমের "অভিযোগে" মার্কিন কঙ্গগ্রেসে ডেকে নিয়েও জিজ্ঞাসবাদ করা হয়েছে। এর পরেও তিনি নির্ভয়ে সত্য কথা বলে গেছেন।এবং এখনো বলে গেছেন।আসলে পৃথিবির শক্তিশালি মিডিয়ার একটি বড় অংশের অপপ্রচারের কারণে বিশ্ব মানবতা আজ সত্য জানতে পারছে না। ওদের ক্রমাগত মিথ্যাচারের কারণেই লাই পেয়ে সন্ত্রাসি কার্ক্রম আজ রাস্ট্রিয় পৃষ্ঠপোষকতা পাচ্ছে। এরাই আবার মানবাধিকারের ধব্জাধারি হয়ে বসেছে।
জর্জ গ্যালিয়ের প্রতি রইলো অশেষ শ্রদ্ধা।প্লাস।
লেখক বলেছেন: সর্বশেষে গ্যালাওয়েকে কানাডায় ঢুকতে দেয়া হয় নি। আমাদের ওখান থেকেই কানাডা যান। কানাডা না যেতে পারায় বরং ভালই হয়েছে কারন প্রচুর ইন্টারভিউ প্রচারনা সব পেয়েছেন।
বোনাবেল বলেছেন:
সুন্দর পোষ্ট।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।
দিগন্ত বলেছেন:
জর্জ গ্যালাওয়ে বামপন্থী নাস্তিক মানুষ তাই দলছুট হতে পারেন।
লেখক বলেছেন: দলছুট বলতে কি বোঝালেন তা ধরতে পারলাম না।
তিনি বামপন্থী হতে পারেন, তবে নাস্তিক তো মনে হল না।
রাফা বলেছেন:
শুধূ জর্জ গ্যালওয়ে কেনো , আমি অনেক ইহুদীকেও মুসলিমদের সাপোর্টে সোচ্চার হতে দেখেছি ।তবুও ধন্যবাদ জর্জকে।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ আপনাকে। আমিও সেরকম দেখেছি। তবে প্যালেস্টাইনীদের অধিকার আন্দোলনে জর্জের শ্রম তিতিক্ষা খুব প্রেরনাদায়ক।
বুঝলাম না!
মানুষের মানসিকতাই খারাপ হয়ে যাচ্ছে।
অভিজ্ঞতা শেয়ার করার জন্য ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: হতে পারে গাজার মানবাধিকার লংঘনের কথা অনেকের কাছে ভাল লাগেনা।
ফজল বলেছেন:
"দুই একজন কোলাবোরেটর আর পাপেট ব্যতীত ১.৮ বিলিয়ন মুসলিমের সবাই একবাক্যে প্যালেস্টাইনীদের অধিকারের প্রতি সচেতন। সেজন্যেই তার বক্তব্যে তিনি মুসলিমদের কথা টানেন। ইহুদী বিরোধী তিনি নন। তবে মুসলিমদের প্রতি শ্রদ্ধাশীল।"মুসলমানদের প্রতি "শ্রদ্ধাশীল" শব্দটিও আজকাল "করুণা করুণা" ঠেকে। তবে সত্যিকার অর্থেই যারা এ পর্যায়ের, তারা মুসলমানদের ব্যাপারে এক ধরনের জিম্মি। কেননা, তাদের এ শ্রদ্ধাবোধ আদৌ ধোপে টেকে না তাদের সম্মিলিত কৌশল কিংবা কোন অশুভ শক্তির চাপের কাছে; যাদেরকে তারা কর দিয়ে টিকে থাকতে হয়।
ভালো লিখেছেন।
লেখক বলেছেন: আপনার সুচিন্তিত মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ। হ্য়ত সামনে ভাল কিছু প্রত্যাশাও করতে পারি।
কোলাহল বলেছেন:
সে সন্ধ্যাটা নিসন্দেহে উপভোগ্য ছিলো।
লেখক বলেছেন: নিঃসন্দেহে।
লালসালু বলেছেন:
আমার কাছে অবাক লাগে কি করে একজন অমুসলিম এরকম সোচ্চার কন্ঠে মুসলমানদের চেয়েও ফিলিস্তিনীদের অধিকারের কথা বলতে পারেন।
লেখক বলেছেন: মুসলিমরা নিজেদের কোন্দল প্রিয়তার কারনেই বোধ করি কথা বলার যোগ্যতা হারিয়েছে।
নাজির আহমদ বলেছেন:
তায়েফ আহমাদ বলেছেন: এখানে কি এমন খারাপ কথা লেখা হয়েছে যে, মাইনাস দিতে হবে?বুঝলাম না!
মানুষের মানসিকতাই খারাপ হয়ে যাচ্ছে।
অভিজ্ঞতা শেয়ার করার জন্য ধন্যবাদ
+
লেখক বলেছেন: আপনাকেও ধন্যবাদ।
অসুস্থ লোকজনদের এড়িয়ে চলাটাই সবচেয়ে ভাল পন্থা।
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...














