আমার প্রিয় পোস্ট

আস সালাম - আপনার উপর শান্তি বর্ষিত হোক

ইউরোপের মুসলিম অভিবাসীদের সাম্প্রতিক অবস্থা ও প্রেক্ষাপট এবং ইসলাম/মুসলিম বিষয়ে সাংবাদিক ওরিয়ানা ফালাচি

২৪ শে জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১:১৫

শেয়ারঃ
0 2 0



ইদানিং শেরবিনি হত্যাকান্ডসহ বেশ কিছু ঘটনায় মুসলিম সংখ্যালঘু বিষয়ে ইউরোপের ভাবমূর্তি চ্যালেন্জ্ঞের মুখোমুখি হয়েছে। এ লেখাটিতে ইউরোপের মুসলিম সংখ্যালঘুদের ইমেজ সংকট, বিঘ্নিত নাগরিক অধিকার এবং হুমকিগ্রস্ত জীবনধারাসহ অল্প কিছু বিষয়ে আলোকপাত করছি।

স্ট্যাটিসটিকস বক্স: ইউরোপের মুসলিম জনপদ ও ইসলামোফোবিয়া

ইউরোপিয়ান মনিটরিং সেন্টার অন রেসিজম এন্ড জেনোফোবিয়ার প্রধান বিট উইন্কলার এর মতে ইউরোপ এখন ইসলামোফোবিয়ায় আক্রান্ত। এদের পরিচালিত বিভিন্ন জরিপে বিষয়টি বেশ উদ্বেগজনকভাবে ফুটে উঠেছে। সংক্ষেপে এসব ইসলামোফোবিক কিছু ফ্যাক্ট নীচে উল্লেখ করা হল। স্বল্প পরিসরের লেখায় এর পুরো চিত্র দেয়া সম্ভব নয়, তবে নীচের কয়েকটি স্ট্যাটিসটিকস আপনাকে বর্তমান ইউরোপে মুসলিমদের প্রকৃত অবস্থা সম্পর্কে মোটামুটি ধারনা দেবে।

(ডাটা কৃতজ্ঞতা: [১], [২], [৩], [৪], [১০], [২৪])



(ছবি কৃতজ্ঞতা: Click This Link )

১। ইউরোপে বসবাস করে ৫৩ দশমিক ৭ মিলিয়ন মুসলিম। যার মধ্যে ১৫ দশমিক ৯ মিলিয়ন মুসলিম বাস করে ইউরোপিয়ান ইউনিয়নে।

২। জরিপে অংশগ্রহনকারীদের মধ্যে শতকরা ৫০ ভাগ পশ্চিমা ইউরোপিয়ান স্বীকার করেছেন ইউরোপের মুসলিমদের সন্দেহের চোখে দেখা হয়। সুইডেনের ক্ষেত্রে এই হার শতকরা ৭৫ ভাগ এবং নেদারল্যান্ডস এর ক্ষেত্রে শতকরা ৭২ ভাগ।

৩। জরিপে অংশ নেয়া জার্মানীর ৭৮ ভাগ এবং স্পেনের ৮৩ ভাগ উল্লেখ করেছেন যে মুসলিমদেরকে তারা উগ্র বলেই জানেন।

৪। ২০০২ তে আয়ারল্যান্ডে নেয়া এক জরিপে দেখা যায় মুসলিমদের বেকারত্বের হার শতকরা ১১ ভাগ, যেখানে জাতিগত বেকারত্বের হার মাত্র চার ভাগ। চাকুরীর ক্ষেত্রে বিশেষত মুসলিমরাই বেশী বৈষম্যের স্বীকার হচ্ছে।

৫। ইউরোপের ৫৯% মুসলিম বিশ্বাস করেন মুসলিমদের প্রতি ঘটে যাওয়া বৈষম্যমূলক ঘটনা রিপোর্ট করে আদৌ কোন লাভ হবেনা। অন্যদিকে ৩৮% মুসলিম মনে করেন এসব ইসলামোফোবিক ঘটনা রিপোর্ট করা অর্থহীন কেননা এ ধরনের বৈষম্যমূলক ঘটনা প্রাত্যাহিক জীবনের অংশ হয়ে দাড়িয়েছে।

৬। প্রতি তিন জন মুসলিমের একজন গত এক বছরের মধ্যে বৈষম্যের স্বীকার হয়েছেন। শতকরা ১১ ভাগ মুসলিম রেসিষ্ট অপরাধের স্বীকার হয়েছেন। সবচেয়ে বেশী বৈষম্যের স্বীকার হতে হয় চাকুরী ক্ষেত্রে। চাকুরী খোজায় ১৮ ভাগ বৈষম্যের স্বীকার হয়েছেন, আর চাকুরীতে থাকাকালীন সময়ে বৈষম্যের স্বীকার হয়েছেন ১৩ ভাগ। প্রায় ৭৯% ভাগ মুসলিম এসব ঘটনাকে রিপোর্ট করেন নি।

৭। ইউনিভার্সিটি অব প্যারিসের ২০০৪ সালের এক স্টাডিতে দেখা যায় সেলস পারসনের জন্য পাওয়া ২৫৮ টি আবেদনের মধ্যে নর্থ আফ্রিকান ব্যাকগ্রাউন্ড কারো ইতিবাচক সাড়া পাওয়ার সম্ভাবনা অন্যদের থেকে পাচগুন কম।

৮। যদিও আমেরিকা এবং বৃটেনে তুলনামূলকভাবে এন্টিসেমিটিজম কম, তবুও এই দেশ দুটোর প্রতি চারজনের একজন মুসলিমদের প্রতি বিরূপ ভাবাপন্ন।

মুসলিম সংখ্যালঘুরা কেন এসব বৈষম্যকে রিপোর্ট করতে অনিচ্ছুক?
এ প্রশ্নের এসেছে বিভিন্ন জবাব:

১। ৫৯% মুসলিম বলেছেন রিপোর্ট করে কোন লাভ নেই।
২। ৩৮% মুসলিম বলেছেন এতো প্রাত্যাহিক জীবনের অংশ।
৩। ৩৩% মুসলিম বলেছেন কি করে রিপোর্ট করব তা জানা নেই।
৪। ২১% মুসলিম বলেছেন যদি উল্টো ফল হয়!!

নীচে এই প্রশ্ন ও তার জবাবের চার্ট সংযুক্ত করে দিলাম। (Click This Link)



আরো কিছু অভিমত, কথামালা:

ইইউএমসি মুসলিমদের প্রতি বৈষম্যের বিষয়ে লিখেছে, "মুসলিমদের প্রতি বৈষম্যের উৎস হচ্ছে ইসলামোফোবিক মানসিকতা, বা ইসলামের প্রতি ঘৃনা। ........। এত কিছুর পরেও দেখা যায় বৈষম্যের প্রকৃতি, বিস্তৃতি এবং মুসলিম সংখ্যালঘুদের বিরুদ্ধে ঘটে যাওয়া ইসলামোফোবিক ঘটনাগুলো খুব কম অংশই রিপোর্টেড হয়েছে। ......। সদস্য রাষ্ট্রদের মুসলিম সংখ্যালঘুদের প্রতি বৈষম্য হীন এবং সমতার নীতি গ্রহন করা উচিত, বিশেষত শিক্ষা, চাকুরী এবং অন্যান্য সামাজিক ক্ষেত্রে।"

ইসলামোফোবিয়া এবং এন্টি-সেমিটিজমের সবচেয়ে বড় ঘটনা শেরবিনি হত্যাকান্ড ইতিমধ্যেই আন্তর্জাতিক মহলে বেশ সমালোচিত হয়েছে। ইউরোপের অনেক মুসলিম এসব ইসলামোফোবিক ঘটনা রিপোর্ট করতে ভয় পান কেননা তাদের সামনে রয়েছে মারওয়া আল শেরবিনির উদাহরন যিনি দেশের আইনী ব্যবস্থার উপরে আস্থা রেখে ঠকেছেন। তার চেয়ে এরকম বৈষম্যকে ললাট লিখন বলে মেনে নেয়াটাই কর্তব্য বলে ধরে নিয়েছেন মুসলিম কম্যুউনিটির বিরাট অংশ।

নেদারল্যান্ডের একজন মুসলিম অধিবাসী এ বিষয়ে লেখেন, "যদিও আমাদের সতীর্থ ইউরোপিয়ানবৃন্দ আমাদেরকে আগুনের মুখে ফেলছেন, তবুও আমি আমার ইউরোপিয়ান পরিচয় নিয়ে গর্বিত এবং আমি ইউরোপিয়ান গনতন্ত্রকে উপভোগ করি। যে গুটিকয়েক মানুষ আমাদের অধিকারকে সমর্থন করেন তাদের জন্য রইল শুভ কামনা।"

জার্মানের একজন তরুনী এ বিষয়ে লেখেন, "আমি খুব মর্মাহত এ কারনে যে প্রতিদিনই হিজাবের জন্য আমাকে নিগৃহীত হতে হচ্ছে। আমি আমার হিজাব দিয়ে কাউকে আঘাত করছি না, আমার হিজাব অন্যদের উপরে চাপিয়ে দিচ্ছি না। কিন্তু একজন মানুষ হিসেবে তা আমি আমার নিজের জন্য পছন্দ করেছি।"

একজন অস্ট্রেলিয়ান মুসলিম তরুনী বলেন, "আমরা প্রতিদিনই ইসলামোফোবিক ঘটনার মুখোমুখি হই। কেউ কুকুর নিয়ে রাস্তায় যেতে যেতে আমাদের দিকে তাকিয়ে বলে "এটাক"।"

"যে প্রশ্নটি আমি প্রায়ই শুনে থাকি তা হল, কখন তুমি ফিরে যাবে?', একজন মুসলিম ডাচ নারী তার অভিজ্ঞতা বর্ননা করেন। "আমি তো এই রটার্ডামেই জন্মেছি, তাই কোথায় যাব? এ ধরনের প্রশ্ন খুব দুঃখজনক এবং মনে হয় আমি একজন বিদেশী।" [২৩]

ইউরোপের মুসলিম ইমিগ্রেশন প্রসংগে সাংবাদিক ওরিয়ানা ফালাচির দৃষ্টিভংগি:



[ছবি: Click This Link

ইটালিয়ান সাংবাদিক ওরিয়ানা ফালাচি। আলোচিত, সমালোচিত, নিন্দিত কিংবা নন্দিত। ২০০৫ সালে পৃথিবীর মায়া কাটিয়ে পরলোকে চলে যাওয়া এই মানুষটি কখনো মৃত্যুর কথা শুনতে চাইতেন না। তারপরেও মৃত্যু তো নিয়তির এক অমোঘ বিধান। এগারই সেপ্টেম্বরে মুসলিম সন্ত্রাসীদের টুইন টাওয়ারে হামলার পরবর্তী প্রতিক্রিয়ায় তিনি "দ্য রেজ এন্ড দ্য প্রাইড" এবং "দ্য ফোর্স অব রিজন" দুটো বই লিখেছিলেন যা সেসময় ছিল বেস্ট সেলার। ইসলাম এবং মুসলিমদের সমালোচনায় তিনি ছিলেন উচ্চকন্ঠ। এ জন্য তাকে আদালতের ঝামেলাও পোহাতে হয়েছে। ওরিয়ানা ফালাচির ইসলাম/মুসলিম বিষয়ক দৃষ্টিভংগি হয়তবা আমাদেরকে ইউরোপের সামগ্রিক দৃষ্টিভংগি বুঝতে সাহায্য করবে।

"আমি মেক্সিকানদের পছন্দ করি না।", ফালাচি বলেন, "যদি আমার সামনে বন্দুক রেখে জানতে চাওয়া হয় কে বেশী খারাপ - মুসলিম নাকি মেক্সিকান, আমি কিছুটা হতবিহ্বল হব। তারপরে আমি মুসলিমদের কথাই বলব।" এই ছিল মুসলিমদের প্রসংগে ফালাচির অভিব্যক্তি। [২২]

ইউরোপে ক্রম বর্ধমান ইসলাম প্রসারে বিরক্ত হয়ে ফালাচি লিখেছিলেন:
"ইউরোপ এখন আর ইউরোপ নেই, তা হয়ে গেছে "ইউরেবিয়া", যেন ইসলামের কলোনী যেখানে ইসলামিক আগ্রাসন শুধু অবয়বের মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই, বরং সংস্কৃতি এবং মানসিকতায় আঘাত হেনেছে।"[১৮]

মুসলিমদের প্রসংগে ফালাচি দাবী করেন, "তারা এসব মসজিদ সব জায়গাতেই তৈরী করতে চায়।" সিয়েনার প্রস্তাবিত মসজিদ প্রসংগে তিনি বলেন, "আমি যদি বেচে থাকি, আমি আমার কারারার বন্ধুদের কাছে যাব যারা সবাই এনার্কিস্ট (বা নৈরাজ্যবাদী)। তাদের সাথে করে আমি এক্সপ্লোসিভ নেব, উড়িয়ে দেব। আমি এই মসজিদ দেখতে চাই না, যা টাসকেনীতে আমার বাড়ীর খুব কাছে। তাদের দেশে তো আমি ক্রশ পড়তে পারিনা, কিংবা বাইবেলও নিতে পারি না। তাই আমি তা উড়িয়ে দেব।" [২২]

"ইউরোপে কি কোন মসজিদ থাকতে দেয়া উচিত?", এ প্রশ্নের জবাবে ফালাচি লিখেন: তার কাছে যখন "ইউরোপে কোন মসজিদ থাকতে দেয়া উচিত কিনা" সংক্রান্ত প্রশ্ন গুলো করা হয়, তখন তা বেশ অফেন্সিভ মনে হয়। কারন এতে করে যেন তাকে ফরাসী বিপ্লবের সেই সব উগ্র বিপ্লবীদের সমকক্ষ মনে করা হচ্ছে যারা যীশু, পবিত্র ভার্জিন এবং সেইন্টসদের মূর্তি ভেংগেছিল। কিংবা বলশেভিক বিপ্লবের বিপ্লবীদের তুল্য করা হয় যারা পাদ্রীদের হত্যা করেছিল এবং চার্চকে ওয়ারহাউস বানিয়েছিল। ফালাচি আরো বলেন, কোন সৎ ব্যক্তি এটা বলতে পারেনা আমার বিশ্বাস সেইসব বিপ্লবীদের সমতুল্য। আমি আমার এক জীবনে স্বাধীনতার জন্য সংগ্রাম করেছি, ধর্মীয় স্বাধীনতা ছিল যাদের মধ্যে অন্যতম। কিন্তু স্বাধীনতার এই সংগ্রাম ইসলামের মত কোন ধর্মের জন্য নয়, যা অন্য ধর্মকে ধ্বংস করতে চায়। যারা নিজেদের বিশ্বাসকে পুরো গ্রহে চাপিয়ে দিতে চায়। যা গত ১৪০০ বছর ধরে হয়ে আসছে। তাদের হত্যা করে, যারা ভিন্ন ভাবে বাচতে চায়। যা অন্য ধর্মের মত নয়।" [২২]

মসজিদের বিষয়ে ফালাচির দৃষ্টিভংগি অনেককেই সম্ভবত প্রভাবিত করেছে। এর আরেকটি নমুনা দেখা গিয়েছে ইটালীতে ২০০৮ এ। নর্দার্ন লীগ নামের রাজনৈতিক দল "পিগ ডে" উদযাপন করে মসজিদের চত্ত্বরে শুকর চড়িয়ে। নর্দার্ন লীগ এরপরে মসজিদটিকে বুলডোজার দিয়ে গুড়িয়ে দেয় এবং একটি পার্কের নাম মৃত সাংবাদিক ওরিয়ানা ফালাচির নামে করতে চায়। [৮]

"মুসলিমরা ইদুরের মত বংশবৃদ্ধি করে থাকে" - এই ছিল মুসলিমদের প্রতি ফালাচির ক্ষোভের প্রকাশ। এই বাক্য অনুভূতিকে আহত করতে পারে, তবে ওটাই সত্য - দাবী করেন তিনি।

ওরিয়ানা প্রচুর ভক্ত পেয়েছেন তার ইসলাম সমালোচনার জন্যে।
"ব্রাভো ওরিয়ানা", একজন বলেন, "তোমার সাহস এবং অহমিকা রয়েছে বেশীর ভাগ ইটালিয়ানের পক্ষে কথা বলার জন্যে যারা তাদের সামাজিক, নৈতিক ও ধর্মীয় মূল্যবোধ বিসর্জন দেয়নি। যদি এসব ইমিগ্রান্টরা আমাদের চিন্তাধারা গ্রহন করতে না পারে তবে তারা কেন ইটালীতে আসবে? আমরা কেন তাদের ঔদ্ধ্যত্ব এবং নাক গলানো সহ্য করব, যারা আমাদের সাথে মিশে যেতে ইচ্ছুক নয় এবং যারা পশ্চিমকে আসলে ঘৃনা করে। আমরা তাদের অতিথি হিসেবে স্বাগত জানাই, কিন্তু সাথে সাথে তারা মালিকের মত আচরন শুরু করে।" আরেকজন ফ্যান লিখেন, "এরকম ট্রাজিক এবং ঐতিহাসিক মুহুর্তে শুধু একটি গলাই উচ্চকিত হয়েছে পশ্চিমাদের জন্যে। একারনেই আমরা একটি সভ্যতার ক্ষয় দেখতে পাচ্ছি যার মূল্যবোধগুলো তাদের দ্বারাই লংঘিত হচ্ছে যারা তার রক্ষার দায়িত্বে নিয়োজিত। থ্যাক ইউ, ওরিয়ানা।" [২২]

ওরিয়ানা ফালাচিকে ইসলাম অবমাননার দায়ে আদালতে নিয়ে যান মুসলিম ইউনিয়ন অব ইটালীর প্রেসিডেন্ট আদেল স্মিথ। ২০০২ সালে ফ্রান্সের একটি গ্রুপ এবং ২০০৩ সালে সুইস একটি গ্রুপ চেষ্টা করে ফালাচির বিরুদ্ধে কোর্টে যাবার জন্য। কিন্তু সেবার ইটালী সে আবেদনে সাড়া দেয় নি। ২০০৫ এ নব্য মুসলিম আদেল শেষ পর্যন্ত সফল হন। আদেল বলেন ফালাচি ইসলাম ও মুসলিমদের বিরুদ্ধে ঘৃনার প্রসার ঘটাচ্ছেন - কখনও কখনও প্রকৃত ইতিহাসকে বিকৃত করার মাধ্যমে। "দ্য ফোর্স অব রিজন" বইয়ের আঠারোটি বাক্যকে তিনি উদাহরন হিসেবে টানেন। প্রাথমিক তদন্তে ইটালীর বিচারক আর্মান্ডো গ্রাসো বলেন, "দ্য ফোর্স অব রিজন বইয়ে কিছু কথা আছে যা অবশ্যই ইসলামের জন্য অফেনসিভ।" এবং তিনি ফালাচির বিরুদ্ধে চার্জ গঠনের অনুমতি দেন। [৭]

ফালাচির বইয়ের যে আঠারোটি বিষয়কে আদেল স্মিথ আপত্তিকর দাবী করেছেন তার কয়েকটি ছিল নিম্নরুপ [৫][৬] :

১। প্রশ্নবোধক ঐতিহাসিক বর্ননা: "নবম শতকে ইটালীতে মন্টিক্যাসিনো গীর্জা দখল করার পরে মুসলিম জিহাদী যোদ্ধারা প্রতি রাতে এই গীর্জার বেদীতে একজন করে নানের কুমারীত্ব উপভোগ করত। "- আদেল স্মিথ ফালাচির এই দাবীকে মিথ্যা দাবী করে এর ঐতিহাসিক সত্যতা জানতে চান।

২। প্রশ্নবোধক ঐতিহাসিক বর্ননা: ১৪৫৩ সালে মোহাম্মদের নেতৃত্বে তুর্কীরা কন্সটানটিনোপল দখল করার পরে শিশুদের হত্যা করা হয় - এমনকি তাদের ছোট মাথা দিয়ে আগুন নেভানো হয়। - ফালাচির এই দাবীর পক্ষেও ঐতিহাসিক সত্যতা জানতে চাওয়া হয়।

৩। বাজে প্রকাশভংগি: মুয়াজ্জিনের জঘন্য বিলাপ........

৪। বাজে প্রকাশভংগি: ইসলাম একটি পুকুর। জলাবদ্ধ পুকুর। যে পুকুর বিশুদ্ধ হয় না। যা সহজে দূষিত হয়। যে পুকুর জীবন ভালবাসে না, ভালবাসে মৃত্যু।

উপসংহার এবং শেষ কথা:
ওরিয়ানা ফালাচি যদি ইসলামকে অপছন্দ করে থাকেন সেটা তার নিজস্ব বিষয়। ইসলাম যেহেতু দ্রুত বর্ধমান ধর্ম, তাই এর বিরুদ্ধে প্রচারনা কোন অস্বাভাবিক বিষয় নয়। যারা ইসলামের সমর্থক, তাদেরকে এটা তেমন বিচলিত করে না। তারা শুধু দেখতে চান বিরোধিতার ভিতটি আসলে কি এবং তা কতটুকু গুরুত্ব পেতে পারে। মজার বিষয় হল, অপপ্রচারনার কারনে উল্টো মানুষ ইসলাম ধর্মের প্রতি বেশী আকৃষ্ট হয়ে থাকে। নিউ ইয়র্ক টাইমসের এক প্রতিবেদনে [৯] একজন ধর্মান্তরিত নারী মিসেস ডেভিস বলেন, "আমাকে বলা হচ্ছে সন্তানদের জন্য হলেও ইসলাম ত্যাগ করে ফিরে যেতে। কিন্তু আমি যাব না।" আমেরিকাতে বর্তমানে ইসলাম সবচাইতে ক্রমবর্ধমান ধর্ম, যার মূল কারন ইমিগ্রেশন, ধর্মান্তর এবং উচ্চ জন্মহার। প্রতি বছর প্রায় ২৫,০০০ মানুষ ইসলাম ধর্ম গ্রহন করে থাকেন। এদের এক তৃতীয়াংশ হচ্ছে আফ্রিকান আমেরিকান। এগারই সেপ্টেম্বরের পরে ইসলাম গ্রহনের হার আরো বেড়েছে। তাই ইসলাম কোন অবস্থাতেই কোন ব্যক্তির আপত্তির কারনে হুমকিগ্রস্ত হয়ে যায় না। তবে ইসলাম বিরোধী ক্রমাগত প্রচারনা ইসলামোফোবিক ঘটনা বাড়াতে সাহায্য করে থাকে। যা স্বীকার করতেই হবে।

আশার কথা হচ্ছে ইসলামোফোবিক এসব ঘটনা সাধারন মানুষের মধ্যে সচেতনতা বাড়িয়েছে অনেক বেশী। মুসলিমরা অনুভব করতে শিখেছে তারা ইউরোপেরই অংশ এবং এই ইউরোপের মূল্যবোধেই নিজেদের গড়তে হবে। তাই যখন কোন নারী-অবদমিত দেশের কালচারে অভ্যস্ত ইমিগ্রান্ট ইমাম ইউরোপে এসে অবাধ্য স্ত্রীকে প্রহার করে শাসন করার পক্ষে কথা বলেন, তখন প্রতিবাদ আসে ইউরোপের মুসলিমদের কাছ থেকেই। নিজের মুসলিম পরিচয়ের পাশাপাশি ইউরোপের জীবনধারা, ব্যক্তি স্বাধীনতা, গনতান্ত্রিক মূল্যবোধের সাথে ধীরে ধীরে একাত্ম হয়ে যাওয়াতেই যে সমাধান নিহিত রয়েছে - তা আজকে ইউরোপের মুসলিমরাও স্বীকার করছে।

এই লেখাটি শেষ করার আগে ছোট্ট একটি ধন্যবাদ দিতে চাই বাংলাদেশের মুসলিম/অমুসলিম সম্প্রদায়কে। হাজারো বিভিন্ন সমস্যা সত্ত্বেও বাংলাদেশ সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির উজ্জ্বল স্বাক্ষর রেখেছে - যার জন্য মুসলিম/অমুসলিম সবাই ধন্যবাদ পেতে পারে। এটা স্বীকার করতেই হচ্ছে, মুসলিমদের সহিষ্ণুতা এবং সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের দায়িত্বপূর্ন আচরনের ফলেই এই কঠিনতম অর্জনটুকু সম্ভব হয়েছে।

[উৎসর্গ: আমার এই ছোট লেখাটি উৎসর্গ করলাম একজন সৎ, সাহসী, প্রতিবাদী এবং দায়িত্ববান নারী মারওয়া আল শেরবিনিকে। যিনি আর দশজনের মত বৈষম্যকে মেনে নিতে প্রস্তুত ছিলেন না এবং সে আপোষহীনতার পরিচয় দিয়ে একজন ইসলামোফোবকে চ্যালেন্জ্ঞ ছুড়ে দিয়েছিলেন, "আদালতে দাড়িয়ে তুমি প্রমান কর যে আমি একজন টেরোরিস্ট"। তার এই আত্মদান আমাদের মাঝে সততা ও আপোষহীনতার চেতনা হিসেবে চির জাগরূক হয়ে থাকুক।]



মারওয়ার কিছুটা পরিচিতি রয়েছে সন্ধ্যাবাতির একটি পোস্টে:
Click This Link

এবং সেতু জোহরার আরেক পোস্টে:
Click This Link

আমি সম্ভবত এই সামহোয়ারেই মারওয়ার সংবাদটি প্রথমে পাই।

রেফারেন্স:
১। ইসলামোফোবিয়া এন্ড ইইউ মুসলিমস ইন্টিগ্রেশন, ইসলাম অনলাইন, Click This Link

২। মুসলিমস ইন ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন: ডিসক্রিমিনেশন এন্ড ইসলামোফোবিয়া, ই ইউ এম সি, Click This Link

৩। ডাটা ইন ফোকাস রিপোর্ট ২: মুসলিমস: Click This Link

৪। ইসলামোফোবিয়া ইন ইউরোপ: Click This Link

৫। http://97.74.65.51/readArticle.aspx?ARTID=8334

৬। Click This Link

৭।http://news.bbc.co.uk/2/hi/4576663.stm

৮। Islamophobia: Fascist Italians Demolish Verona Mosque:
Click This Link

৯।http://www.nytimes.com/2001/10/22/national/22CONV.html

১০। Click This Link

১১। Click This Link

১২। http://thedailystar.net/story.php?nid=50600

১৩। http://www.giselle.com/oriana1.html

১৪। Click This Link

১৫। Click This Link

১৬। http://www.answers.com/topic/oriana-fallaci

১৭। Click This Link

১৮। Click This Link

১৯। Click This Link

২০। Click This Link

২১। Click This Link

২২।http://www.newyorker.com/archive/2006/06/05/060605fa_fact?currentPage=6#ixzz0cY20N4CN

২৩। Click This Link

২৪। Click This Link

 

লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): ইসলামমুসলিমইসলামোফোবিয়া ;
সর্বশেষ এডিট : ২৬ শে জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ৮:১৬ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১. ২৪ শে জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১:২৯
স্বপ্নীলবেষ্ট বলেছেন: কিছুদিন আগে তো সুইজারল্যান্ডে গণভোটের আয়োজন করে মসজিদের মিনার নির্মাণ বন্ধ করে দেওয়া হল। এখানে মুসলিমদের পরিবর্তে অন্যদের বিরুদ্ধে কিছু হলে বিশ্বের প্রতিক্রিয়া নিশ্চয় একরকম হত না।
২৪ শে জানুয়ারি, ২০১০ রাত ৮:৫০

লেখক বলেছেন: ওটা বেশ আলোচিত ইস্যু ছিল। নিউ ইয়র্ক টাইমস লেখে:

"The ban has propelled the country to the forefront of a European debate on how far countries should go to assimilate Muslim immigrants and Islamic culture."

Click This Link

২. ২৪ শে জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১:৩১
নিউজকাস্টার বলেছেন: ব্লগের পাশাপাশি লেখাটা কোন পত্রিকায় পাঠান। তাহলে অনেকে উপকৃত হবেন। তথ্যবহুল লেখার জন্য ধন্যবাদ।
২৪ শে জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১০:২৯

লেখক বলেছেন: পত্রিকায় দেখেছি তথ্যের চেয়ে বিশ্লেষনী ধরনের লেখা বেশি কদর পায়। সেজন্য কোথাও পাঠাতে ইচ্ছা করে না।

আপনাকেও ধন্যবাদ।

২৪ শে জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ৭:০৪

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

৪. ২৪ শে জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১:৩৩
রিয়াজ উল বলেছেন: লেখাটা প্রিয়তে রাখলাম।
২৪ শে জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ৭:৩৯

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

৫. ২৪ শে জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১:৪৭
তায়েফ আহমাদ বলেছেন: দারুন লেখা নিঃসন্দেহে.......
২৪ শে জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ৮:৩৮

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

৬. ২৪ শে জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১:৫৮
বন্ধু-কথন বলেছেন: আসসালামু আলাইকুম।

নিউজকাস্টার বলেছেন: ব্লগের পাশাপাশি লেখাটা কোন পত্রিকায় পাঠান। তাহলে অনেকে উপকৃত হবেন। তথ্যবহুল লেখার জন্য ধন্যবাদ।

তথ্যবহুল লেখা, ভালো লাগ্লো। ইউটিউবের আলজাজিরা-ইংলিশ চ্যানেলে ক্রসরোডস ইউরোপ শিরোনামে কিছু ভিডিও আছে। যদিও পুরানো, তবুও দেখতে পারেন। Click This Link

অবিচারের বিরুদ্ধে একা ব্যক্তি কিছু করতে পারবে না, সংগঠন দরকার। কেউ সমস্যায় পড়লে কেয়ার বা অন্যান্য প্রতিষ্ঠানকে জানানো দরকার।
২৫ শে জানুয়ারি, ২০১০ রাত ২:৪৫

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ আপনাকে।

এরকম প্রতিষ্ঠান বা সংগঠন সম্ভবত সব দেশেই আছে। উন্নত বিশ্বের তো সুবিধা অনেক। তবে সংগঠনেরও অনেক সীমাবদ্ধতা রয়েছে।

৭. ২৪ শে জানুয়ারি, ২০১০ রাত ২:০৪
হ্যামেলিন এর বাঁশিওয়ালা বলেছেন: সেদিন দূরে নয়, যেদিন পশ্চিমা বিশ্বে পাড়ায় পাড়ায় মসজিদ হবে। ধন্যবাদ লেখাটার জন্য!
২৪ শে জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১০:৩৫

লেখক বলেছেন: আপনাকেও ধন্যবাদ লেখাটি পড়ার জন্যে।

৮. ২৪ শে জানুয়ারি, ২০১০ রাত ২:০৬
সাহেদ সাকিব বলেছেন:
প্রিয়তে রাখলাম,

আরো লিখার জন্য অনুরূদ রইল .

ধন্যবাদ
২৪ শে জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ৭:২০

লেখক বলেছেন: আপনাকেও ধন্যবাদ। চেষ্টা থাকবে লেখার।

শুভ কামনা রইল আপনার জন্যে।

৯. ২৪ শে জানুয়ারি, ২০১০ রাত ২:২০
কায়েস মাহমুদ বলেছেন:


ইউরোপে মুসলিম ফোবিয়া বা ইসলাম ফোবিয়ার মূলে রয়েছে ৫০০ বছর ধরে চলা ওরিয়েন্টালিজম এটার জন্য স্যার এওয়ার্ড সাইদের বই পড়লেই জানবেন।


আর এই কারনে আমি হিপোক্রিটদের সবচেয়ে ঘৃনা করি, ওরিয়ানা ফালাচি শুধু শেখ মুজিবের সাক্ষাৎকার নিয়ে তার সমালোচনা করায় এই সামু ব্লগে জামাত-শিবিরেরা তার প্রশংসায় অনেক পোষ্ট দিয়েছে।
তার কিছু নমুনা দেখাচ্ছি। একজন মুসলামন হিসেবে ওরিয়ানা ফালাচিকে আমাদের সম্মান করা উচিত

ওরিয়ানা ফালাচিকে আমাদের স্বাধীনতা পুরস্কার দেয়া উচিত

শেখ মুজিব কোন ফেরেশতা নয়, যে তার সমালোচনা করা যাবে না।( মূলত ৭১ এর আগের শেখ মুজিব ও ৭১ এর পরের শেখ মুজিব আমার কাছে এক মনে হয় না, তাই আমিও তার সমালোচনা করি)

আর আপনাদের শিবিরের আইডি ফোরামে এই ওরিয়ানা ফালাচির সাক্ষাৎকার দেওয়া আছে।

মাহবুব মোর্শেদের এই পোষ্টে আপনি কি ওরিয়ানা ফালাচির প্রশংসা করেন নাই?

শুধু শেখ মুজিব কে সমালোচনা করায় আজ জামাতি হিপোক্রিটদের কাছে ওরিয়ানা ফালাচি দামী হয়ে গিয়েছেন।

আহা !! তাদের ইসলাম।


আল-কোরান হতে হিপোক্রেটদের সম্পর্কে কিছু আয়াত দিচ্ছি,
The hypocrites - they think they are over-reaching Allah SWT But He will over-reach them: when they stand up to prayer, they stand without earnestness, to be seen of men, but little do they hold Allah SWT in Rememberance.” (Al-Mu'minun:142)


To the Hypocrites give the glad tidings that there is for them (but) a grievous penalty;” (An-Nisaa’: 138)

২৫ শে জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ৯:৪৬

লেখক বলেছেন: আমার প্রশংসা করার বিষয়টি বুঝলাম না।

ওরিয়ানার নেয়া সাক্ষাৎকার ও লেখাটি প্রচুর কভারেজ পেয়েছে। মুজিবের ইন্টারভিউটি ওরিয়ানা মোটামুটি বাজারজাত করতে পেরেছেন।

মুজিব ইন্টারভিউতে আরো বিচক্ষনতার পরিচয় দিতে পারতেন।

১০. ২৪ শে জানুয়ারি, ২০১০ রাত ২:২৩
কায়েস মাহমুদ বলেছেন:


কৌশিকের পোষ্ট ও দেখতে পারেন, Click This Link
২৫ শে জানুয়ারি, ২০১০ রাত ২:৩৩

লেখক বলেছেন: কৌশিকের পোস্ট তো বুঝতে পারলাম না। ওরিয়ানা ইসলাম/মুসলিম সমালোচনা করেছেন। সেজন্য তার সব কথাই বাতিল করতে হবে আমাদের। - এই কি পোস্টের সারাংশ?

বরং, ওরিয়ানা ঠিক কি গ্রাউন্ডে কথা বলেছে এবং তার কতটুকু যৌক্তিক ভিত রয়েছে - এরকম এপ্রোচ নেয়া হলে সেটাই তো বরং বেশী সঠিক।

১১. ২৪ শে জানুয়ারি, ২০১০ রাত ২:২৪
কায়েস মাহমুদ বলেছেন:

স্ক্রিনশট মারা আছে, আমার কমেন্ট মুছলে ধরা খাবেন কিন্তু।
২৫ শে জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১:১৪

লেখক বলেছেন: প্রাসংগিক কমেন্ট আমি মুছতে চাই না।

১২. ২৪ শে জানুয়ারি, ২০১০ রাত ২:৫৫
গরীবের কথা বলেছেন: কায়েস মাহমুদের কমেন্ট পইরা হাহাপগে। স্ক্রীনশট নিয়া রাখলাম, মুইছি ফালাইয়া লাভ নাইকা কায়েস সাব।

মাইন্সের বিরোধীতা করবেন ভালা কথা, মাগার কিয়ের মদ্দে কি আঞ্চেন, আবার কি সুন্দর(!) লজিক দিছেন - একটা গবেষণামূলক কমেন্ট দিবার আশা থাকল। আগামী ২৪ ঘন্টা পর এইপোষ্টে একবার নজর দিয়েন কাইন্ডলি।

এডওয়ার্ড সাইদ কি কইছে, তার জিস্ট দিয়া একখান পোষ্টান। আমরা যারা ইংলিশে দুর্বল, তাদের লাভ হইবো।
২৭ শে জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১০:১৫

লেখক বলেছেন: উনি অন্তত একটা ভিডিও দিয়েছেন। সেটা এখনও পুরো দেখিনি। তবে অবশ্য দেখার প্লান রয়েছে।

১৩. ২৪ শে জানুয়ারি, ২০১০ রাত ২:৫৭
গরীবের কথা বলেছেন: @লেখিকাঃ
গবেষণামূলক পোষ্টে প্লাস।
জানার আর জানাবার চেষ্টা অব্যাহত থাকুক।
২৪ শে জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ৭:১২

লেখক বলেছেন: আপনাকেও ধন্যবাদ।

১৪. ২৪ শে জানুয়ারি, ২০১০ রাত ৩:৪৫
মোহামমদ বলেছেন: ইতিহাস সাক্ষ্য দেয় অত্যাচারীরা টিকে না। যে কালদের দাস বানিয়ে এনেছিল ঐ কালদের আজ আমেরিকানরা স্যালুট দিচ্ছে। কোথায় আজ বৃটিশ সাম্রাজ্য?
মুসলমানদের সংখ্যা বৃদ্ধি ওদের মাথাব্যাথা হলেও ইসলাম বাড়বেই ওদের সমাজের অধঃপতনের কারনে। কেমন অধঃপতন? ধর্ষণ, ফ্রি সেক্স, ড্রাগ, ড্রাংক, এবরশন, ইনস্টিট, মেয়েরা এক কথায় পন্য ইত্যাদি।
১৫. ২৪ শে জানুয়ারি, ২০১০ ভোর ৫:০৭
কালের কুতুব বলেছেন: ইউরোপিয়ান মানুষ ধর্ম নিয়া মাথা ঘামায় না। এখন যেটা হচ্ছে তা মুসলমানদের দীর্ঘদিনের ঘারতেড়ামীর ফল। সুইডেনের কথা বলি। আমি যে শহরে থাকি, এখানে বিশাল একটা আশ্রয় ক্যাম্প আছে। সারা বিশ্বের বিপন্ন মানুষ, যাদের জীবন নিজ দেশে হুমকিতে, তাদেরকে মিলিয়ন ইউরো খরচ করে রাখতেছে। তারা কোন কাজ করেনা । তবুও টাকা পায়।এখন তারাই যদি কারনে অকারনে আন্দোলন করে এই দেশের মাটিতে এই দেশের পতাকা পোড়ায় তাইলে ক্যামনে হয়? আমারই তো মনে হয় লাত্থি দিয়া দেশে পাঠায় দেই। অন্য ধর্মের মানুষ তো এমন করেনা।

এখানকার মানুষ এসব ব্যাপারে মাথা ঘামায়না। সরকার সব ডিল করে।এই ভালো মানুষগুলার ভালো মানুষির সুযোগে মুসলমানরা বহুত কিছু করতাছে। ঘটনার প্রেক্ষাপট বাংলাদেশ হইলে সরকারের নিষিদ্ধ করা লাগতো না পাবলিকে পিটায়া মারতো যদি দেখতো বাংলাদেশের মাটিতে কেঊ বাংলাদেশের পতাকা পুরতাছে।
২৭ শে জানুয়ারি, ২০১০ রাত ২:০৭

লেখক বলেছেন: সবারই দায়িত্ববান হওয়া প্রয়োজন।

১৬. ২৪ শে জানুয়ারি, ২০১০ ভোর ৫:৪৩
কালের কুতুব বলেছেন: কেমন অধঃপতন? ধর্ষণ, ফ্রি সেক্স, ড্রাগ, ড্রাংক, এবরশন, ইনস্টিট, মেয়েরা এক কথায় পন্য ইত্যাদি।==========তাই? মজা পাইলাম।

রিচার্ড ডকিন্সের একটা সুন্দর কথা আছে। মেয়েরা পন্য সবখানেই।পাশ্চাত্যে নিজের ইচ্ছায়, মুসলিম দেশ সমুহে পুরুষের ইচ্ছায় ধর্মের নামে।
২৫ শে জানুয়ারি, ২০১০ ভোর ৪:২৮

লেখক বলেছেন: রিচার্ড ডকিন্সের পরিচয় দিতে পারেন? বাক্যটি বেশ ইন্টারেস্টিং। প্রসংগ জানতে চাইছি।

১৭. ২৪ শে জানুয়ারি, ২০১০ ভোর ৫:৫১
মোহামমদ বলেছেন: কালের কুতুব আপনি মনে হয় ইউরোপে নতুন। ইউরোপের মানুষ ধর্ম নিয়ে মাথা ঘামায় না হাসালেন। মুসলমানদের ঘারতেড়ামী কারনেই দুইটা বিশ্বযুদ্ধ। হ্যা আমি একমত ইউরোপ বিপন্ন মানুষদের জায়গা দেয় আমি এই ব্যপারে ওদের সাধুবাদ জানাই তবে যারা পতাকা পুড়ে অন্যায় করে ওরা কয় পারসেন্ট মুসলমান হিসাব করুন দয়া করে। ঠিক বলেছেন অন্য কোন ধর্মের মানুষ ফিলিস্তিন ইরাক বানায় না। মনে রাখবেন ফাসিস্টদের জন্ম ইউরোপেই বর্তমান বিশ্বে একমাত্র বর্ণবাদ সবচেয়ে বেশী ইউরোপেই।
০৬ ই মার্চ, ২০১০ রাত ১০:৩৬

লেখক বলেছেন: "মুসলমানদের ঘারতেড়ামী কারনেই দুইটা বিশ্বযুদ্ধ। " - এর রেফারেন্স কি?

১৮. ২৪ শে জানুয়ারি, ২০১০ ভোর ৫:৫৮
শাওন বলেছেন: ফ্রান্সে বোরখা নিয়ে খুবই খারাপ অবস্থা যাচ্ছে ।

লেখাটা ভালো লাগছে ।
২৪ শে জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ৭:১২

লেখক বলেছেন: লেখা পড়ার জন্যে ধন্যবাদ। ভালো থেকো।

১৯. ২৪ শে জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ৭:১৯
আরিফুর রহমান বলেছেন: ওরিয়ানার প্রতি নুতন করে শ্রদ্ধা জাগ্রত হলো... আপদুল্লার মায়েরে এটলিস্ট এইটার জন্য ধন্যবাদ দেয়া যায়।
২৪ শে জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ৭:২১

লেখক বলেছেন: হ্যা, ওরিয়ানার প্রতি শ্রদ্ধা জানানোর মত মানুষের কোন অভাব নেই।

আপনাকেও ধন্যবাদ দিলাম।

২০. ২৪ শে জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ৭:২৪
বিডি আইডল বলেছেন: মুসলমানদের বিশ্বজুড়ে অধ:পতনের দায় তাদেরই....ইউরোপ-ফালাচি-সুইজারল্যান্ডের দোষ দিয়ে লাভ নেই.....আমি চায়ের আড্ডায় একটা প্রশ্ন সবসময়ই করি এবং কেউ এটার উত্তর দিতে পারে না..ইসলামের যে জ্ঞান-বিজ্ঞান-নৈতিকতায় উৎকর্ষের কথা আমরা বলি...তার সবই কেন ইতিহাস?
২৪ শে জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১০:৫০

লেখক বলেছেন: মানুষ তার কর্মের জন্য দায়ী। এটা ধ্রুব সত্য। মুসলিমদের বিশ্ব জুড়ে পশ্চাৎপদ মানসিকতার জন্য তাদের দায় রয়েছে - এটাও সত্য। তবে নাগরিক অধিকার দিতে অপারগতার জন্য একটি দেশেরও দায়ভার রয়েছে। আমরা সৌদি আরবের সমালোচনা করি ইমিগ্রান্টদের সাথে বৈষম্যমূলক আচরনের জন্য, আমিরাতের সমালোচনা করি শিশুদের উটের জকি বানানোর জন্য। তাহলে ইউরোপকে ইসলামোফোবিয়ার জন্য সমালোচনার উপরে রাখা যায় না।

ইসলামের জ্ঞান-বিজ্ঞানের উৎকর্ষতার সবই কেন ইতিহাস? এর বিশ্লেষনে অনেকে হয়ত অনেক রকমের কথা বলবেন। ঘটনা কিংবা ইতিহাসের বিশ্লেষন একেক জন একেক ভাবে দেবেন সেটাই স্বাভাবিক। ইতিহাস ঘাটলে প্রশ্নের জবাব মোটামুটি দাড় করানো যায়। যারা ইতিহাস তেমন একটা জানে না, তারা তো কোন উত্তরই দিতে পারবে না। সেটাই কি স্বাভাবিক নয়?

ধন্যবাদ মন্তব্যের জন্য।

ভাল থাকুন।

২১. ২৪ শে জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ৮:১৫
আরিফুর রহমান বলেছেন: বিডি,

কারনটা হইলো... গোড়ায় গলদ... ইবনে সিনা প্রমুখ বিজ্ঞানীরা মুহম্মদ বা তার আল্লা'র ধারনাকে কল্পনাতেই রাখার পক্ষপাতী ছিলেন। তার ফলও তাঁরা পেয়েছিলেন জ্ঞানের চর্চায়।

গাজ্জালী ছিলো মোহামেডিয়ানদের সবচে বড় ভুল.. আর সে পথে এখনো তারা পিছলে যাচ্ছে।

মোহাম্মদ তার সময়ে একটা নতুন ধর্ম সৃষ্টি করেছিলো, স্বল্প সময়ে বিশাল সাম্রাজ্য সৃষ্টি হয়েছিলো তার ফল হিসেবে। অথচ যুগের সাথে ধর্মটাতে এডাপটেশনের কোন লক্ষনই দেখা যায় নি। সময় যতো পেরিয়েছে, পুরো পৃথিবী এগিয়ে গেছে.. মোহামেডিয়ানরা পিছিয়ে পড়তে পড়তে এক ধরনের করুনার বস্তুতে পরিনত আজ। পুরো পৃথিবী জুড়ে আরবের তৈলাক্ত পৃষ্ঠপোষনে মসজিদ মক্তবের সংখ্যা বাড়ছে সত্য... তবে মানবতার সদস্য হবার কোন চেষ্টাই মোহামেডানরা করছেনা। ওরিয়ানা ঠিকই বলেছেন... ইদুরের মতো বংশবৃদ্ধি করছে মুসলমানরা.. বাস্ ঠিক ওটুকুই...

ইউরোপ আজ বিরক্ত... যুক্তরাজ্যে স্লাম ফর ইউকে নিষিদ্ধ হয়েছে মাত্র ক'দিন হলো.. আরো হবে... যতোদিন না মোহামেডিয়ানরা গোঁড়ামি আর সৌদি-অন্ধতা ছেড়ে পৃথিবী-বাসী হতে পারবে.. ততোদিন তারা ইদুরের মতোই তাড়া খেয়ে ফিরতে থাকবে।

আইডেনটিটির সংকটে ভোগা আপদুল্লার মা, অথবা অন্যনরা শুধুমাত্র 'করার জন্যই করছি' আর কতো দিন...!!
২২. ২৪ শে জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ৮:৪৩
কোলাহল বলেছেন: তথ্য বহুল লেখা। এসব বিষয় নিয়ে আরো আলোচনা হওয়া দরকার।
২৪ শে জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ১১:১৫

লেখক বলেছেন: একমত। আলোচনা অবশ্য কম হচ্ছে না। ইসলাম অনলাইন এ নিয়ে আলাদা সেকশন চালু করেছে।

২৩. ২৪ শে জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ৯:০০
মোহামমদ বলেছেন: যুগে যুগে কিছু আবালের ইসলাম চুলকানি ছিল আছে থাকবে আর ইদুরের তাড়া খেয়েই তো ইসলাম বাড়ছে। সংখ্যার গননায় পৃথিবীতে ইদুরের বংশ বৃদ্ধিতে এখনও ইদুররাই এগিয়ে।
২৪ শে জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ১১:১৬

লেখক বলেছেন: বাদ দিন।


জন্মহারের স্বল্পতাই ইউরোপের বড় সমস্যা। মুসলিমদের অন্তত এই সমস্যাটুকু নেই। এতে তো অনেকে আক্ষেপ করতেই পারে। নীচের নিউ ইয়র্ক টাইমসের লেখাটি পড়ুন।

Click This Link

২৪. ২৪ শে জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ৯:৩৪
ভন্ডপি২ বলেছেন:
আপনার গ্রাফগুলায় immigrants দের উপর অবিচারের চিত্র ফুটে ওঠে বেশি, কেবল মুসলমান না। Ethnic origin দিয়ে ভাগ করে এই ফল তৈরি করা হয়েছে। ধরুন ইউরোপের একটা শহর নিলাম যেখানে সবার race এক। সেখানে আর্থসামাজিক একটা ভাগ যদি করি এভাবে : সমাজের দরিদ্রতম ২০% এবং বিত্তশালী ২০%। এখানে দেখা যাবে দরিদ্রতম ভাগ অশিক্ষিত (কম শিক্ষিত) এবং নানা দিক দিয়ে বৈষম্যের শিকার। আমাদের দেশের দরিদ্র মুসলিম যারা মধ্যপ্রাচ্যে যায় তারা কি রকম বৈষম্যের শিকার হয় আমরা জানি। এমনকি আমাদের দেশের রোহিংগাদের কথা ভাবুন -- আমরা তো তাদের দেশেই রাখতে চাই না, যদিও তারা মুসলিম। মোদ্দাকথা immigrant রা অনেক দেশেই অশিক্ষিত, পশ্চাৎপদশীল, তাদের দুর্ভাগ্যের কারনে। আর পুজিবািদ সমাজে তারা পিছিয়ে পড়ছে।

কিছু মনে করবেন না একটা প্রশ্ন করি। আপনি কি ইহুদিদের সন্দেহের চোখে দেখেন? দেখলে কেন? হিন্দুদের? আমেরিকায় অনেক বাংগালি কালোদের সন্দেহের চোখে দেখে।
২৪ শে জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ১০:০৪

লেখক বলেছেন: রেফারেন্সগুলো একত্রে নিয়ে পড়লে ইউরোপের ইসলামোফোবিয়ার পুরো চিত্রটি হয়ত সামনে ফুটে উঠত।

উপরের লিংকগুলো থেকে নিউ ইয়র্ক টাইমসের আবারো কয়েকটি লিংক দিচ্ছি।

Click This Link

Click This Link

আমি কাউকে সন্দেহের চোখে দেখি না। পরশ্রীকাতরতা আমার স্বভাব নয়।

ইহুদি, হিন্দুসহ ধর্ম বর্ন নির্বিশেষে সব মানুষের মংগল কামনা করি।

ধন্যবাদ। ভালো থাকুন।

২৫. ২৪ শে জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ১০:১২
ভন্ডপি২ বলেছেন: ইসলামোফোবিয়া কে অস্বীকার করিনি, সামাজিক বৈষম্যের মূলে যেতে চেয়েছি।
২৪ শে জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ১০:২২

লেখক বলেছেন: বুঝতে পারলাম। ধন্যবাদ।

২৬. ২৪ শে জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ১১:৪০
কায়েস মাহমুদ বলেছেন:



বিডি আইডল বলেছেন: মুসলমানদের বিশ্বজুড়ে অধ:পতনের দায় তাদেরই....ইউরোপ-ফালাচি-সুইজারল্যান্ডের দোষ দিয়ে লাভ নেই.....আমি চায়ের আড্ডায় একটা প্রশ্ন সবসময়ই করি এবং কেউ এটার উত্তর দিতে পারে না..ইসলামের যে জ্ঞান-বিজ্ঞান-নৈতিকতায় উৎকর্ষের কথা আমরা বলি...তার সবই কেন ইতিহাস?


বিডি আইডলকে ঝাঝা!!!

উম্মু কিন্তু এগুলোর জবাব দেবেন না। তার কাছ হতে এসব জানতে চাওয়া বৃথা।
২৪ শে জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১১:০১

লেখক বলেছেন: মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ।

আমি নিজেও হয়ত বা বেশী কিছু জানি না।

২৭. ২৪ শে জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ১১:৪৪
কায়েস মাহমুদ বলেছেন:


@গরীবের কথা, ওরিয়েন্টালিসম নিয়ে পরে কোন এক সময় লিখব। আপাতত ইউটিউবে কিছু দেখুন,
২৭ শে জানুয়ারি, ২০১০ রাত ৩:৩৫

লেখক বলেছেন: ভিডিও লিংকের জন্য ধন্যবাদ। সময় করে দেখা যাবে।

২৮. ২৪ শে জানুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৩:৫৫
জলপাই দেশি বলেছেন: আপনার পোস্টটা পড়ে খুব ভালো লাগলো। অনেক ধন্যবাদ। তথ্যগুলো খুব গুরুত্বপূর্ণ। প্রয়োজনে আমি ব্যবহার করতে চাই। অনুমতি আছে কি ? মন্তব্যগুলো পড়ে দেখলাম, অনেকে অপ্রাসঙ্গিক কথা তুলে অহেতুক বিতর্ক সৃষ্টি করতে চায়। নিন্দুক এবং অন্ধদের কথায় কান দেয়ার কোন মানে হয় না। ভালো কাজ করলে সবাই পসন্দ করবে, এটা ভাবা যায় না। ভালো থাকুন। এ রকম পোস্ট আরো দিন।
২৪ শে জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১০:১৬

লেখক বলেছেন: আপনাকে ধন্যবাদ।

অনুমতির বিষয়টি বুঝতে পারলাম না। আপনি লিংক দিয়ে কপি করতে পারেন। এতে তো সমস্যা নেই।

আমি ব্লগের পরিবেশের সাথে পরিচিত। এই মতভিন্নতাই তো ব্লগের প্রান। এর সাথে অনেক আগেই অভ্যস্ত হয়ে গিয়েছি।

২৯. ২৪ শে জানুয়ারি, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:৫০
মোহামমদ বলেছেন: সম্ভবত একেই বলে গ্ঞান বিগ্ঞান নৈতিকতার উৎকর্ষ।
Click This Link
৩০. ২৪ শে জানুয়ারি, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:০০
ত্রিশোনকু বলেছেন: ইউরোপে যদি মুসলিমরা এতই নিপিড়িত হয়ে থাকে তাহ'লে তারা সেখান থেকে অন্য কোথাও চলে যায়না কেন? কোন্ মধু তাদেরকে সেখানে আটকে রেখেছে?

কুর'আনে তো স্পষ্ট উল্লেখ আছে এমন পরিস্থিতিতে হিজরত করার, এমনকি সেদেশ যদি জন্মগতভাবে তার দেশও হয়। যার ব্লগ Read, in the name of thy Lord , who created you from clotted blood দিয়ে শুরু হয়, তার তো এটা জানারই কথা।


_____________________________________________

"৮। যদিও আমেরিকা এবং বৃটেনে তুলনামূলকভাবে এন্টিসেমিটিজম কম, তবুও এই দেশ দুটোর প্রতি চারজনের মুসলিমদের প্রতি বিরূপ ভাবাপন্ন। "

-অনুগ্রহ করে বুঝিয়ে দিন।
_____________________________________________

আপনি মূলত দেড় কোটি অতি ভাগ্যবান মুসলমানদের কথা বলছেন যাদের অন্ন, বস্ত্র বাসস্থান, চিকিৎসা ও শিক্ষার নিরাপত্তা নিশ্চিত। যাদের কেউ কেউ ইউরোপে থেকে ইউরোপের পরে , ইউরোপের খেয়ে ইউরোপের নিন্দা গায়। They bite the same hand that feeds them.

বাংলাদেশে এর তিন গুণেরো বেশী মানুষ একবেলা খেয়ে থাকে বছরের বেশীর ভাগ সময়। তাদের বাকি চারটি মৌলিক অধিকারের কোন ব্যাপারই নেই। তারাও মুসলিম, তাদের কাছে বোরকা পরা আর হিজাব দেয়ার কোন অর্থ নেই কারন তারা একটা ছেঁড়া শাড়ীর অর্ধেকটা ধুয়ে মেলে দেয় হাতের ওপর তা শুকানোর জন্যে।। তাদেরকে নিয়ে লিখুন। International Muslim Brotherhoodএর চেয়ে তা অনেক জরুরী।

২৫ শে জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১২:৫৭

লেখক বলেছেন: "ইউরোপে যদি মুসলিমরা এতই নিপিড়িত হয়ে থাকে তাহ'লে তারা সেখান থেকে অন্য কোথাও চলে যায়না কেন? কোন্ মধু তাদেরকে সেখানে আটকে রেখেছে?"

তার জবাব তো একজন নারী দিয়েছেই।
"আমি তো এই রটার্ডামেই জন্মেছি, তাই কোথায় যাব?"

যে দেশে মানুষ জন্মায় সে দেশ থেকে কাউকে চলে যেতে বলাটা যারা সমর্থন করে না - তাদের মধ্যে আমিও একজন।

"কুর'আনে তো স্পষ্ট উল্লেখ আছে এমন পরিস্থিতিতে হিজরত করার, এমনকি সেদেশ যদি জন্মগতভাবে তার দেশও হয়। যার ব্লগ Read, in the name of thy Lord , who created you from clotted blood দিয়ে শুরু হয়, তার তো এটা জানারই কথা।"


কোরানে তা আছে। আমি এটা জানি। সেরকমটা অনুসরন করে অনেকে হয়ত চলে গিয়েও থাকতে পারে। বসনিয়া কিংবা কসভো থেকেও এরকম ভাবে মানুষ চলে গিয়েছিল। সুতরাং কেউ জানে না যে সেটা কিন্তু বলতে পারবেন না।

ব্যপার কি জানেন? এ ধরনের বহিষ্কার আবার অনেক সময় বিরূপতার মুখোমুখি হয়েছে। মিলেসোভিচ, যিনি আলবেনীয় মুসলিমদের বহিষ্কার করেছিলেন, তাকে যুদ্ধাপরাধী হিসেবে কাঠগড়ায় দাড়াতে হয়েছে আপনার মত "অন্য কোথাও চলে যায়না কেন" মানসিকতাকে বাস্তবে রূপ দিতে গিয়ে। তাই শুভাকাংখি হিসেবে বলছি আপনি "তারা সেখান থেকে অন্য কোথাও চলে যায়না কেন?" জাতীয় কথাবার্তা মনে আসলেও বেশী প্রশ্রয় দেবেন না। কারন কারো জন্মগত নাগরিক অধিকার অস্বীকার করাটা এখনও পৃথিবীতে নিন্দনীয় বলেই গন্য হয়।



"যদিও আমেরিকা এবং বৃটেনে তুলনামূলকভাবে এন্টিসেমিটিজম কম, তবুও এই দেশ দুটোর প্রতি চারজনের মুসলিমদের প্রতি বিরূপ ভাবাপন্ন। "

-অনুগ্রহ করে বুঝিয়ে দিন।"

এটা একটি ডাটা। এই দুটো দেশে এন্টি সেমিটিজম ইউরোপের অন্য দেশের চেয়ের কিছুটা কম। এন্টি সেমিটিজম কি তা জানতে দেখুন:

http://en.wikipedia.org/wiki/Antisemitism


"আপনি মূলত দেড় কোটি অতি ভাগ্যবান মুসলমানদের কথা বলছেন যাদের অন্ন, বস্ত্র বাসস্থান, চিকিৎসা ও শিক্ষার নিরাপত্তা নিশ্চিত। যাদের কেউ কেউ ইউরোপে থেকে ইউরোপের পরে , ইউরোপের খেয়ে ইউরোপের নিন্দা গায়। They bite the same hand that feeds them."

কি জানি? বাংলাদেশের অনেক মানুষ, পত্র পত্রিকা গুলোও তো দেখি সারাক্ষন বাংলাদেশের সমালোচনা করে। বাংলাদেশেরটা খেয়ে, বাংলাদেশেরটা পরে। এরকম অনেকেই আছে। বাক স্বাধীনতার এবিউস হয়েছে - তবুও তা পৃথিবীতে রয়েছে। সেজন্যে জেনোফোবিয়াকে প্রশ্রয় দিতে হবে, সেটা যারা মনে করে - তাদের একজন তো আমি নই।


"বাংলাদেশে এর তিন গুণেরো বেশী মানুষ একবেলা খেয়ে থাকে বছরের বেশীর ভাগ সময়। তাদের বাকি চারটি মৌলিক অধিকারের কোন ব্যাপারই নেই। তারাও মুসলিম, তাদের কাছে বোরকা পরা আর হিজাব দেয়ার কোন অর্থ নেই কারন তারা একটা ছেঁড়া শাড়ীর অর্ধেকটা ধুয়ে মেলে দেয় হাতের ওপর তা শুকানোর জন্যে।। তাদেরকে নিয়ে লিখুন। "

লেখালেখিটাকে কোন গন্ডির মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখতে অনিচ্ছুক। ব্লগ একটি বিকল্প মিডিয়া, যা হবে বহু মাত্রিক - এই নীতিতে বিশ্বাসী। "তাদের নিয়ে লিখুন" বলে আপনি সেটা সীমাবদ্ধ করে দিতে চাইছেন, যেটা আমি মানতে অপারগ।


"International Muslim Brotherhoodএর চেয়ে তা অনেক জরুরী।"

এটা প্রেক্ষাপট, প্রসংগ এবং ঘটনাবলীর উপর নির্ভর করে। যার কোন বাইনারী জবাব হয় না।

৩১. ২৪ শে জানুয়ারি, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:১৪
গৌরী সেন বলেছেন: অখন কি করন যায় কন। চলেন জিহাদ করি

নাড়ায়ে তকবির..... আল্লাহু আকবার

আমার মাথায় রক্ত উইঠা গেসে ......... কে কুতায় আচিস খাডের তল থিকা আমার তরুয়ালডা লয়া আমার হাতে ধরায়া দে..........
২৪ শে জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১০:২৭

লেখক বলেছেন: কি করন যায়? মারওয়া শেরবিনি আর তার পরিবারের জন্য প্রার্থনা করুন। বিশেষত তার এতিম ছেলের জন্য।

৩২. ২৪ শে জানুয়ারি, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:২২
মোহামমদ বলেছেন: পৃথিবীটাকে ভাগ তো করেছেই মুসলিম বিশ্ব নাম দিয়ে। পরিষ্কার ভাবে বলে দিতে পারে দেয় না কেন? এই দেশ বা মহাদেশ নিষিদ্ধ মুসলমানরা যাবে না চলে যাবে আর ওরাও আসবে না মুসলমানদের দেশে। ত্রিশোনকু জানেন বোধ হয় কম খেয়ে থাকলেও মুসলমানরা ধর্ম ছাড়ে না।
২৪ শে জানুয়ারি, ২০১০ রাত ৯:৩০

লেখক বলেছেন: এটা আসলে একজনের নাগরিক অধিকারের সাথে সম্পর্কিত। মানুষ যে দেশে জন্ম নেয়, সেখানে তার স্বাভাবিক অধিকার থাকে।

৩৩. ২৪ শে জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১০:২৭
কায়েস মাহমুদ বলেছেন:


একটা কমেন্ট ছিলো আপনার এখানে , ওখানে বলেছেন সবাইকে আনব্লক করা হলো, আলোচনার জন্য আসুন।

এখন ঐ কমেন্ট মুছে ফেলে , কারো কমেন্ট আপনার মনপুত না হলে তার উত্তর দিচ্ছেন না।

সবাস!! এগিয়ে চলো।
২৪ শে জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১১:৫৬

লেখক বলেছেন: আনব্লক করেছিলাম রেটিং ও মন্তব্যের জন্য।

সব সময় সব কিছুর জবাব দিতে ইচ্ছে হয় না। চেষ্টা করি।
তবে বিরক্ত লাগতে থাকলে লেখা বন্ধ করে দেই। আমি তো আর জবাবদিহি করতে বাধ্য নই। তাই ফরমায়েসী লেখা আমার অপছন্দ।


ধন্যবাদ।

ভাল থাকুন।




৩৪. ২৫ শে জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১২:৪৩
কায়েস মাহমুদ বলেছেন:


লেখক বলেছেন: আনব্লক করেছিলাম রেটিং ও মন্তব্যের জন্য।

সব সময় সব কিছুর জবাব দিতে ইচ্ছে হয় না।


একটু স্ববিরোধী হয়ে গেলো না?

আচ্ছা যাই হোক, আল্লাহ আপনাকে ভালো রাখুক। ধন্যবাদ
২৫ শে জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১২:৫৩

লেখক বলেছেন: আপনি মন্তব্য করতে পারেন। কিন্তু আমি সব সময় তার রেসপন্স নাও করতে পারি।

তার কারন, ব্যখা করার ক্ষেত্রে আমি কিছুটা দুর্বল। যেমন, এই ছোট বিষয়টি ব্যখা করতে গিয়ে আমাকে বহু লাইন খরচ করতে হয়েছে। যা ক্লান্তিকর।

৩৫. ২৫ শে জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১:৫৯
গরীবের কথা বলেছেন: @কায়েস মাহমুদঃ
২৪ ঘন্টা পরে এই পোষ্টের অন্যান্য কমেন্ট দেখে আপনার ৯-১১ নং কমেন্টের রিপ্লাই দেবার ইচ্ছা অনেকটা চলে গ্যাছে, কারণ - লেখিকার অনেকগুলা লজিকাল রিপ্লাই।

শুধু একটা জিনিস - আপনি বলছেনঃ ইউরোপে মুসলিম ফোবিয়া বা ইসলাম ফোবিয়ার মূলে রয়েছে ৫০০ বছর ধরে চলা ওরিয়েন্টালিজম এটার জন্য স্যার এওয়ার্ড সাইদের বই পড়লেই জানবেন। আমি টাইমের অভাবে এখনো ওরিয়ান্টালিজিম সম্পর্কে এখনো পড়তে/দেখতে পারি নাই। কিন্তু আপনার কথায় বুঝা যাচ্ছে ওইটা ফোবিয়ার কারণ নিয়ে ব্যাখ্যা দিবে। এই লেখা আপনি আবার পড়েন - এখানে ফলাফল স্ট্যাটিসটিক্স আকারে দেওয়া আছে। ফলাফলের পোষ্টে আপনি কারণ দিয়ে শুরু করলেন। ফলাফলগুলো ভূয়া কিনা সেটা বলতে পারতেন, অথবা সঠিক হলে ধন্যবাদ দিতে পারতেন।

উপ্রের কোনটাই করলেন না, বরং এটাক করতে গিয়ে লেখিকার যে কমেন্ট আপনি স্ক্রীনশট দিছেন, সেটাতে কেম্নে বুঝায় উনি ফালাচির প্রশংসা করছেন? আজব। উম্মু আবদুল্লাহ বলেছেন: খুব মন দিয়ে পড়লাম সাক্ষাৎকারট। পড়ে মন খারাপ হয়ে গেল। শেখ মুজিবকে এভাবে নাকানি চুবানি খাইয়েছিলেন ফালাচি!!! অথচ ক্লিনটনকে কেঊ কখনও পর্যুদস্ত করতে পারে নি। কি ঠান্ডা মাথায় চমৎকার ভাবে ইন্টারভিউ দেন!!! কোন ইন্টারভিউতেই ক্লিনটনকে কেউ বিব্রত করতে পারে নি।
এইপোষ্টেও লেখিকা কোন জায়গায় ফালাচির প্রশংসা করেন নি।

আমার রিকোয়েস্ট শুধু একটাঃ নেহায়েত বিরোধীতার স্বার্থে কমেন্ট না করে ভালো কাজকে ভালো বলুন। আর কমেন্টের শেষে কুরআনের অনুবাদ দিয়ে যেভাবে লেখিকাকে উপদেশ দিছেন, ঠিক একিভাবে আপনার ছাগুগবেষণামূলক পোষ্টের পাশাপাশি কুরআন নিয়েও পোষ্ট দ্যান।

সর্বশেষঃ আপনার ভিডিওলিঙ্ক এর জন্য থ্যাঙ্কস, দেখে আপনার কোন একটা পোষ্টে কমেন্ট করে আসবো।
২৫ শে জানুয়ারি, ২০১০ ভোর ৫:৫৯

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ। উপরে উনার মন্তব্যের ছোট একটি রেসপন্স দিয়েছি।

৩৬. ২৫ শে জানুয়ারি, ২০১০ রাত ২:০২
গরীবের কথা বলেছেন: @কমেন্ট ৩৫ -
২য় প্যারায় ইটালিকি-করণ বিষয়ক জটিলতা আছে, সরি।
২৫ শে জানুয়ারি, ২০১০ ভোর ৬:৫৯

লেখক বলেছেন: বোঝা যায়।

৩৭. ২৫ শে জানুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৫:২৮
ত্রিশোনকু বলেছেন: "তার জবাব তো একজন নারী দিয়েছেই।
"আমি তো এই রটার্ডামেই জন্মেছি, তাই কোথায় যাব?"যে দেশে মানুষ জন্মায় সে দেশ থেকে কাউকে চলে যেতে বলাটা যারা সমর্থন করে না - তাদের মধ্যে আমিও একজন।"


- আপনি ইউরোপের মুসলিমদের সমস্যার কথা বলেছেন আমি তার কুর'আন-অনুগ সমাধান দেবার চেষ্টা করেছি কারন আপনার ব্লগে আপনি কুর'আনের পংক্তি রেখেছেন। তাই মনে করেছিলাম মন্তব্যে কুর'আনের প্রসংগ অবতারনা করলে আপনি বুঝতে পারবেন সহজে।

"ব্যপার কি জানেন? এ ধরনের বহিষ্কার আবার অনেক সময় বিরূপতার মুখোমুখি হয়েছে। মিলেসোভিচ, যিনি আলবেনীয় মুসলিমদের বহিষ্কার করেছিলেন, তাকে যুদ্ধাপরাধী হিসেবে কাঠগড়ায় দাড়াতে হয়েছে আপনার মত "অন্য কোথাও চলে যায়না কেন" মানসিকতাকে বাস্তবে রূপ দিতে গিয়ে। তাই শুভাকাংখি হিসেবে বলছি আপনি "তারা সেখান থেকে অন্য কোথাও চলে যায়না কেন?" জাতীয় কথাবার্তা মনে আসলেও বেশী প্রশ্রয় দেবেন না। কারন কারো জন্মগত নাগরিক অধিকার অস্বীকার করাটা এখনও পৃথিবীতে নিন্দনীয় বলেই গন্য হয়।"

-আমি কোথাও বহিস্কারের কথা বলিনি। আমি জন্মগত অধিকারেরও কথা বলিনি। আমি বলেছি স্বেচ্ছায় দেশ ত্যাগ করার কথা।এটাও কুর'আনের আলোকেই বলেছি। এটা কোন "জাতীয় কথাবার্তা" নয়। এ ক্ষেত্রে কুরআনের অনুশাসন হ'ল অন্য দেশে চলে যাওয়া (স্বেচ্ছায়)। মিলোসোভিচ যা করেছিল তা ছিল গণহত্যা, নারী নির্যাতন,জোর করে দেশত্যাগ করানো, Ethnic Cleansing, ..............ও মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধ।

আমরা বলবো আমরা মুসলিম আর কুর'আনের নির্দেশ মানবোনা এটা হয় না। আমার বক্তব্যের সার ছিল মুসলিমদের ধর্ম পলন করতে ইউরোপে যদি অসুবিধাই হয় তা'লে কুর'আনের নির্দেশমত তাদের স্বেচ্ছায় অন্য কোথাও চলে যাওয়া উচিৎ, ধর্মীয় দৃষ্টিকোণ থেকে। লক্ষ্য করুন, এটা বলার কারন হচ্ছে আপনার ব্লগের বিষয়ব্স্তু ও আপনার আগের প্রো পিক দেখে আপনাকে আমি অনুশীলনরত মুসলিম (practicing Muslim) বলে ধরে নিয়েছি। আমার বিশ্বাস কুর'আন আইয়ুব খানের বেসিক ডেমোক্রেসি নয় যে এর কিছু গ্রহন করা যাবে আর কিছু বর্জন করা যাবে।

"কি জানি? বাংলাদেশের অনেক মানুষ, পত্র পত্রিকা গুলোও তো দেখি সারাক্ষন বাংলাদেশের সমালোচনা করে। বাংলাদেশেরটা খেয়ে, বাংলাদেশেরটা পরে। এরকম অনেকেই আছে। বাক স্বাধীনতার এবিউস হয়েছে - তবুও তা পৃথিবীতে রয়েছে। সেজন্যে জেনোফোবিয়াকে প্রশ্রয় দিতে হবে, সেটা যারা মনে করে - তাদের একজন তো আমি নই।"

-বাংলাদেশের মানুষ বাংলাদেশের সরকার, তার নীতিমালা, আইন প্রয়োগে অনীহা ও অপারগতা, যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের ব্যাপারে সৎ সাহস ও সদিচ্ছার অভাব, নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যের মূলাগামহীন মূল্যবৃদ্ধি, বিরোধী দলীয় রাজনীতিবিদ এসর ব্যাপারেই সোচ্চার। তা তারা করতেই পারে। আপনার প্রসংগটা ছিল ইউরোপের মুসলিম অভিবাসীদের সাম্প্রতিক অবস্থা ও প্রেক্ষাপট... সেখানে মুসলিম নিপিড়নের চিত্র তুলে ধরেছেন আপনি। আর সে প্রসংগেই আমি কথাটা বলেছিলাম।

"যদিও আমেরিকা এবং বৃটেনে তুলনামূলকভাবে এন্টিসেমিটিজম কম, তবুও এই দেশ দুটোর প্রতি চারজনের মুসলিমদের প্রতি বিরূপ ভাবাপন্ন। "
-উদ্ধত বাক্যাংশটি আপনাকে ধীরে ধীরে পড়তে অনুরোধ করছি। ওপরের বাক্যটি অসম্পূর্ন বলে বুঝতে পারিনি।

"লেখালেখিটাকে কোন গন্ডির মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখতে অনিচ্ছুক। ব্লগ একটি বিকল্প মিডিয়া, যা হবে বহু মাত্রিক - এই নীতিতে বিশ্বাসী। "তাদের নিয়ে লিখুন" বলে আপনি সেটা সীমাবদ্ধ করে দিতে চাইছেন, যেটা আমি মানতে অপারগ।"

-এব্যাপারে আপনার সাথে দ্বিমত প্রকাশ করের অবকাশ আমার নেই। আমার ব্যাখ্যা হ'ল যে আমি চাইছিলাম যে আপনি এদের ওপর লিখুন। এদের ভাগ্যন্নয়নের জন্যে আমরা কেউই এগিয়ে আসিনা। মানুষ হিসেবেও না, মুসলিম হিসেবেও না। আপনার লেখনীতে এদের কথা তুলে ধরুন।মানবেতর জীবন যাপন করেও এরা সৃষ্টিকর্তাতে আস্থাবান। কেননা আমার বিচারে সে রকম মানের লেখার ক্ষমতা আপনার আছে। আর সেটা আপনার আরেকটি পোস্টে আমার মন্তব্যেও প্রকাশিত। সর্বোপরী আমি ভেবেছিলাম আপনি বাংলাদেশে থাকেন। সে ধারনার কারন হ'ল আপনার আরেকটি পোষ্টে আপনাকে একটা ইসলামী গানের অনুষ্ঠানে একজন দাওয়াত দিয়েছিলেন। আজ জানলাম আপনি প্রবাসে থাকেন।

সম্ভবত: আমার প্রকাশ ভংগীতে কিছুটা রূঢ়তা ফুটে উঠেছিল যা আপনাকে আহত করতে পারে। সে জন্যে আমি দূঃখিত।

২৬ শে জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ৮:১৭

লেখক বলেছেন: এডিট করে বাক্যটি ঠিক করে দিলাম।

আপনার মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ।

ভাল থাকুন।

৩৮. ২৭ শে জানুয়ারি, ২০১০ রাত ২:১২
উদাসী স্বপ্ন বলেছেন: এই সব মিছাকথার কোনো মাত্রা নাই, এতোগুলান শহর ঘুরলাম, এতো লোকের সাথে পরিচিত হইলাম, মসজিদের খোজ নিলাম এদের কাছে, আর এইসব মিছা খবর কেমনে ছড়ায় আল্লাহ মালুম!


আসলে মধ্যপ্রাচ্যের মুসলমান বেশীরভাগই সাইকোশীট!
২৭ শে জানুয়ারি, ২০১০ রাত ২:৩৯

লেখক বলেছেন: সেও তো কথা।

৩৯. ২৭ শে জানুয়ারি, ২০১০ রাত ২:১৪
কাঙাল বলেছেন: একখান কতা কই, মুসলমান হওয়া উত্তম নাকি মানুষ হওয়া?

লেখাটি খেটেখুটে তৈরী করেছেন এজন্য অনেক ধন্যবাদ। দুর্ভাগ্য, আমাদের অনেকের এত খাটুনি তেমন কাজে লাগে না। জাকির নায়েকের মত হয়ে যায়
২৭ শে জানুয়ারি, ২০১০ রাত ২:২৬

লেখক বলেছেন: অনেক সময় মুসলমান হওয়াটা কোন সৌভাগ্যের বিষয় নয়। এই লেখাটা পড়েও বুঝতে পারছেন না?

দুর্ভাগ্যের কথা বলা সম্ভবত নিরর্থক, এরকম খাটুনি কাজে লাগে না - আপনার এ মতটি জরিপে তীব্রভাবে প্রতিফলিত হয়েছে। যা আমি উপরে দিয়েছি।

৪০. ২৭ শে জানুয়ারি, ২০১০ ভোর ৪:১১
মোহামমদ বলেছেন: বর্ণবাদ আর ধর্মীয় বর্ণবাদের কারনে আমি দেখেছি শুনেছি কিছু লোকের মুসলমান হয়ে যেতে আর কিছু মুসলমানদের হয়রানি করার পরে ওরা আরও বেশী করে ধর্ম পালন করছে।
একজনকে আমি এভাবে বলতে দেখেছি আমি আল্লাহকে পেয়ে গেছি আর কিছু চাই না অতচ সে আগে অনেক কাজ করত যা ইসলামে নিষিদ্ধ। আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি আল্লার ধর্ম আল্লাই রক্ষা করেছে করবে এটা নিয়ে চিন্তিত হবার কিছু নাই।
৪১. ২৮ শে জানুয়ারি, ২০১০ দুপুর ১:০৯
কায়েস মাহমুদ বলেছেন:


@গরীবের কথা, ওরিয়েন্টালিসমের ভিডিওটা পুরো দেখুন তাহলে বিস্তারিত বুঝতে পারবেন,বই পড়তে না চাইলে ভিডিওটা দেখুন সব পর্ব।

বাংলাতে স্যার এওয়ার্ড সাইদের ওররিয়েন্টালিজমের অনুবাদ হয়েছে কিনা জানি না, হলেও হতে পারে। ওটা পড়লে ১০০% বুঝবেন।

এওয়ার্ড সাইদের আরেকটা বই আছে কভারিং ইসলামঃ কিভাবে মিডিয়া এবং এক্সপার্টরা ইসলামকে উপস্হাপন করে। , এটার নাকি অনুবাদ আছে বাংলাতে এবং গতবারের বইমেলায় ও এসেছে। খোঁজ নিন, পাবেন হয়তো।


আর আমার লেখালেখিতে ভাল্লাগেনা, তাই ছাগু নিয়া পোষ্টাই। এই ব্লগে আসতে মন চায় না, আবার নেশাটা ও ছাড়তে পারছিনা। তবুও আশা করছি চলে যাব,আর আশবো না। সবাই ভালো থাকুন।
৪২. ২৮ শে জানুয়ারি, ২০১০ দুপুর ১:২৪
কায়েস মাহমুদ বলেছেন:


@গরীবের কথা, আমার ছাগু দৌড়ানির মূলকারন হলো দ্যা এনিমি উইথিন, ঘরের ভিতরেই শত্রু। ঘরের শত্রুই বিভিষণ। মুসলমানদের দুরাবস্হার জন্য কারা বেশী দায়ী এটা দেখতে এই পোষ্টের সব কমেন্টগুলো দেখুন, অনেক আলোচনা হয়েছে।

ধন্যবাদ।
৪৩. ২৮ শে জানুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৩:২৩
নাজনীন১ বলেছেন: @ উম্মু, অনেক তথ্যবহুল পোস্টের জন্য ধন্যবাদ।

@কায়েস, ৪২-এ দেয়া লিঙ্ক দেখলাম। সেখানে একটা কমেন্ট রেখে এসেছি, আপনার কাছে জানতে চেয়ে, কাইন্ডলী একটু দেখবেন।
২৯ শে জানুয়ারি, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:২৪

লেখক বলেছেন: আপনাকেও পড়ার ধন্যবাদ রইল।

৪৪. ৩০ শে জানুয়ারি, ২০১০ দুপুর ১২:৫১
সোহায়লা রিদওয়ান বলেছেন: অনেক তথ্যবহুল ! ওরিয়ানা ফালাচির মন্তব্য গুলো পড়েই শিউরে উঠতে হয় , এসব ওদের ঘৃনা নাকি সাম্রাজ্যবাদী মনোভাব এর কারণে ? মারওয়া আল শেরবিনীকে নিয়ে কবে যেন একটা স্পিচ দিয়েছিলাম , কোন একটা ক্লাসে ......... তার ইন্তেকালের কিছুদিন পরেই , এতোদিনে ভুলে ও গেছি আমরা মারওয়াকে ... অথচ সেদিন সবাই কেঁদেছিলাম !
আপ্পি , অনেক অনেক জাযাক্বাল্লাহ ......লেখার জন্য।
কেমন আছেন ?
৩০ শে জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১০:৫৩

লেখক বলেছেন: চলছে একরকম। তুমি ভাল আছ আপু?


না, ঘৃনাটা মূলত সংস্কৃতিগত পার্থক্যের কারনে। ইসলামী সংস্কৃতি যেহেতু আলাদা সেজন্যে তারা তাদের নিজের সংস্কৃতিকে অন্য কোন সংস্কৃতি দিয়ে ধ্বংস করতে চায় না। এছাড়া আরো কারন থাকলেও থাকতে পারে, তবে এদের লেখায় পড়ে সেটাই মূল কারন বলে মনে হল, অন্তত আমার কাছে।

৪৫. ০২ রা ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ৯:৪৫
গরীবের কথা বলেছেন: @কায়েস মাহমুদ (কমেন্ট ৪১-৪২)ঃ

এনিমি উইথিন যে সবচেয়ে বড় শত্রু, এই কন্সেপ্টটা কেউ আস্বীকার করতে পারবে না। জানি না আমার নিচের সাজেশন কতটুকু গ্রহণ করবেন, কিন্তু ভেবে দেখতে পারেনঃ

আপনি মানেন যে, বাংলাদেশে ইস্লামের নামধারীরা ইস্লামের সবচে বড় ক্ষতি করছে। আপনার ছাগু-তাড়ানি অভিযান যদি প্রকৃত ইস্লামকে সাহায্য করার জন্য হয়, তাহলে আপনি নিজে ছাগু তাড়াতে কোন পন্থা নিবেন? গালি দিয়ে ছাগু তাড়াবেন? নাকি ভালো দিয়ে?

নিজে মাঠে নামেন, জনগণকে ইস্লামের দাওয়াত দেন, জনগণ যদি প্রকৃত ইসলাম বুঝে, তাহলে তারা নিজেরাই ভাল-আর খারাপের মধ্যে পার্থক্য করতে শিখবে। ভেজাল ইসলামকে তারা নিজেরাই দূরে ঠেলে দিবে।
[আর যতদিন দেখবেন তারা ভেজাল ইস্লামকে অধিক গুরুত্ব দিচ্ছে, ততদিন বুঝবেন আপনার দাওয়াত এখন পর্যন্ত সফল হয় নাই।]

এখন নিজেরা যদি মানুষকে ভালো মুস্লিম বানানোর ক্যাম্পেইন বাদ দিয়ে গালা-গালিতে ডুবে থাকেন, তাহলে আম-জনতাকে দোষ দিয়ে লাভ নাই। জনতা জামাতের মুখে ইস্লামের কথা শুনা বাদ দিয়ে কেন গালিবাজদের মুখে ইস্লামের কথা শুনবে?

এখানে চয়েজ বাইনারী - ইস্লমের ভাল চান না ক্ষতি। ক্ষতি চাইলে কিছু করার নাই - গালি কন্টিনিউ করেন। আর ভাল চাইলে - দয়াকরে গালি বন্ধ করেন। চোখ বন্ধ করে বলা যায় - মন্দ ব্যবহার করে ভালো প্রতিষ্ঠিত হয়েছে - দুনিয়াতে এমন নজির নাই
৪৬. ০৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ ভোর ৫:২৪
উদাসী স্বপ্ন বলেছেন: ব্যাটা আরিফুর রহমান কিছ কথা ঠিক কইছে!

তয় আসল কথা হইলো ব্লগে পশ্চিমাগো বিরুদ্ধে বিশেষ কইরা জার্মানি আর ফ্রান্সের বিরুদ্ধে যেমনে লেখা শুরু করছে, কপাল ভালো কোনো প্রবাসী ভাইজানেরা যদি এইগুলান পড়ে তারা কইবো মিছা কেডা কয়, এই বোলগাররা নাকি বাস্তবতা। এইখানে মসজিদ গুলান এতই সুন্দর যে খালি দেখবার মন চায়। যে যার ইচ্ছামত আসে নামাজ কইরা ফুটে। কিছুদিন আগে দেখলাম নয়া কিছু পাকিস্তানী বেক্কল গুলা আইসা জার্মান আর সুইডীশ পুলাপান গো খোচানী আরম্ভ করলো, তারা ভদ্রভাবে কইলো হ তোরা অনেক ভালো, তোরা খুব মানছ। যেই না কথা কওয়া ওমনি ব্যাটারা ঘাড়ে চাইপা কয়, এখন ইসলাম কবুল কর। মন চা্য পাই্কাগুলার কানসা বড়াইয়া কয়ডা মারি। মাগার এই ফাকে ওরা পুরা কালার কইরা ছাড়লো।

আমার নিজের চোখে দেখা দলে দলে মুসলিম পুলাপান এখন নাস্তকতার দিকে ঝুকতাছে কারন তারা এখন নিজেরে মুসলমান কইতে লজ্জা পায়। তআঘো মধ্যপ্রাচ্য দেশের ঘৃন্য সংস্কৃতি আর বড় বড় আলেমদের জালেমগীরি তারা আর দেখতে চায় না। এখানে ইদানিং ইরানীদের খুব দেখা যায় কারন তারা সুযোগ পেলেই দেহস ছাড়ছে। তবে যারা স্কলারশীপ পায়, তারা ওগো দেশরে দিনে ৩ বার গাইল দেয়, কারন পড়া শেষ কইরা ওরা আর জাহান্নামে ফিরতে চায় না।

যার যার ধর্ম তার তার কাছে, এইটা যেমন হোদল কুত কুত মুসলমানরা বুঝে না, আবার মিথ্যা কথা বইলা জন গনের মধ্যে মিথ্যা জনরোষ সৃস্টি করা এইটাও ভালো লাগে না। আমরা কুন জায়গার কুন ফালাচীর কথায় ডরাইতাছি, কপাল ভালো সাঈদী সাবে সাম্পৃদায়িক বক্তৃতা, দেহসের গ্রাম গন্জ্ঞেরস হুজুর আর এতিম খানার খেজুরগো ধুদি নাছাড়াদের উপর গুষ্ঠিৈ উদ্ধার করা ডায়লগ যদি তাগো দেশে তর্জমা কইরা তাগো ভাষায় শুনান যাইটো, তাইলো ভাই মুসলমান মানেই যে সন্ত্রাসী আর প্রতিহিংসার মন মানসিকতার বাহক সেইডা বুঝতে দুই সেকেন্ড লাগবো না। তাও তো এরাস ভালো এ্যাসাইলাম বেশীরভাগ এখনো
৪৭. ০৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ ভোর ৬:৫৫
নরাধম বলেছেন:

@ত্রিশোনকু, কোরাণের যে আয়াতে মুসলমানদেরকে হিজরত করতে বলা হয়েছে সেটা এখানে প্রযোজ্য না। স্কলারদের মতে যদি এরকম হয় যে কোন এলাকায় মুসলমানরা তাদের ধর্মের ম্যান্ডাটরি বিষয়গুলো পালন করতে পারছেনা, যেমন তাদেরকে নামাজ পড়তে দিচ্ছেনা, হজ্জ করতে দিচ্ছেনা, রোজা রাখতে দিচ্ছেনা, এবং সিচুয়েশান ইমপ্রোভ হওয়ারও কোন সম্ভাবনা নেই, তখনই শুধুমাত্র সে এলাকা ত্যাগ করতে বলা হয়েছে।ইউরোপে ডিস্ক্রিমিনেশান আছে, কিন্তু সেটা ধরেন চাকরির ক্ষেত্রে সমস্যা হচ্ছে বা রাস্তাঘাটে তালিবান বলে মক করতেছে এবং সাধারণ মানুষের মনে মুসলমান-বিদ্বেষ আছে, কিন্তু সেটা এখনও এমন পর্যায়ে যাইনি যে তাদেরকে নামাজ পড়তে দিচ্ছেনা। তাই ইউরোপ ত্যাগ করে যাওয়াটা অপশন না। বরং এ ক্ষেত্রে বিভিন্ন মাধ্যমে প্রতিবাদ করাটাই সবচেয়ে ভাল অপশন, হাদিসে এটাই এসেছে। আল্লাহ্‌ই ভাল জানেন।

ভবিষ্যতে কি হবে অবশ্য বলা যায়না, আমার তো মনে হয় গত শতকে প্রথম দশক থেকে এন্টি-সেমিটিজম শুরু হইছিল চরম আকারে (অনেক আগে থেকেই ছিল যদিও), আর সেটা দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে নাৎসী গণহত্যার মাধ্যমে চরম আকার ধারণ করেছিল। ইসলাম-ফোবিয়াটা কদ্দুর যায় সেটা দেখায় বিষয়। ইউরোপে যে হারে মুসলমান ইমিগ্র‌্যান্ট আর রিভার্টদের সংখ্যা বাড়তেছে এবং একই হারে ইসলাম-ফোবিয়াও বাড়তেছে, ভবিষ্যতে হয়ত মুসলমানদেরকে গনহারে হিজরত করতেও হতে পারে। উল্লেখ্য যেসব দেশের মুসলমান ইমিগ্র‌্যান্টরা ইউরোপে আছে তাদেরকে ইউরোপীয়ানরাই শ্রমশক্তির অভাব হেতু নিয়ে এসেছিল তাদের দেশ এবং অর্থনীতি বানানোর জন্য ষাটের দশকে এবং এসব ইমিগ্র‌্যান্টদের দেশকে ৩০০ বছর ধরে ইউরোপীয়ানরা ওপনিবেশ স্থাপন করে শোষণ করাতে তাদের নিজেদের দেশ থেকে ইউরোপে আসতে বাধ্য হয়েছিল। এখন অর্থনীতি ভাল হওয়ার পর যারা তাদের অর্থনীতি ভাল করার জন্য মেনিয়াল কাজগুলো করেছে তাদেরকেই আবার তাদের দেশে ফিরে যেতে বলা সভ্যতার কোন ক্যাটাগরীতে পড়েনা। উপরন্তু ইমিগ্র‌্যান্টদের ২য়/তয় প্রজন্ম সে পরিমানই ইউরোপে থাকার অধিকার রাখে যে পরিমান সাদা ইউরোপীয়ানরা থাকার অধিকার রাখে কারন দু-শ্রেণীর মানুষই জন্মসুত্রে নাগরিক। ইমিগ্র‌্যান্টদের চলে যেতে বলাটা যুক্তরাষ্ট্রে কালদের আফ্রিকায় চলে যেতে বলার মতই।




@কাঙাল, মুসলমান হওয়া এবং মানুষ হওয়া দুটা পরষ্পর বিরোধী কোন বিষয় না যে একটা হলে একটা হওয়া যাবেনা, তাই সে প্রশ্নটা অবান্তর। বরং ভাল মুসলমান হলে ভাল মানুষ হওয়াটাই যুক্তিযুক্ত, যদিও ভাল মানুষ মানেই তাকে মুসলমান হতে হবে এটা সত্যি না।


@উদাসী, ইউরোপে ইসলামোফোবিয়া ভালমতেই আছে এবং সেটা বিভিন্ন গবেষণাতে খুবই অবজেক্টিভলি উঠে আসছে। একটু সার্চ করলেই পাবা।তাই এইসব মিছা কথা না। যুক্তরাষ্ঠ্রে থাকলে মনে হবে কালদের সাথে কোন ডিসক্রিমিনেশান নাই, বরং তাদেরকে বিভিন্ন ধরণের স্কলারশিপ দিয়ে, এফারমেটিভ একশানের মাধ্যমে সহায়তা করা হচ্ছে মনে হবে, কিন্তু বাস্তব খুবই ভিন্ন, সেটা বুঝার জন্য গেটোতে (বস্তি) যেতে হবে, কালদের সাথে ডীপলি মিশতে হবে। শুধু একটা ইনফরমেশান দিই, কালদেরকে মাথা তুলতে না দেওয়ার জন্য ষাটের দশকে সিভিল রাইটস মোভমেন্টের সময় সিআইএ কাল যুবকদের ফ্রি-তে মারিউয়ানা, হিরোইন সাপ্লাই দিত, সেই ধাক্কায় এখনও কালদের বিরাট অংশ ড্রাগ-এডিক্ট। নরেন্দ্র মোদীর গুজরাটে গেলেও দেখবা মুসলমানরা নামাজ পড়তেছে মসজিদে কোন সমস্যা ছাড়া, আপাতদৃষ্টিতে কোন সমস্যা আছে বলে মনেই হবেনা। কিন্তু সত্য তো ভিন্ন। চট্টগ্রামে রাউজানে বছরের পর বছর ধরে সাকা চৌধুরীরা সেখানকার হিন্দু এবং বৌদ্ধদেরকে শোষণ করেছে, তাদেরকে ভোট দিতে দেয়নি, কিন্তু সেখানে গেলে হিন্দুদের উপর অত্যাচারটা বুঝাই যাবেনা। এসব অনেক ডীপ-রুটেড, অন দ্যা সারফেইস বুঝার উপায় নেই।
০৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ সকাল ৮:৩৯

লেখক বলেছেন: ত্রিশোংকু সম্ভবত কোন কারনে আমার লেখার এপ্রোচটা পছন্দ করেন নি, বিরক্ত হয়েছিলেন। সেজন্যই মনে হয় অপ্রাসংগিক ভাবে কোরানের প্রসংগ এনেছিলেন। অবশ্য উনি ভাল বলতে পারবেন।

এটা ঠিক যে ইউরোপের মুসলিমদের বাংলাদেশ কিংবা রোহিংগা বা আফ্রিকার মানুষজনের মত দারিদ্র সহ্য করতে হয় না। কিন্তু নিরাপত্তাহীনতা কিংবা বৈষম্যের মধ্যে দিয়ে যাওয়ার অভিজ্ঞতাও বেশ কষ্টকর, মানুষের নৈতিক মূল্যবোধে তা সরাসরি আঘাত হানে।

ইউরোপ গনতান্ত্রিক আইনের শাসনের দেশ। তাই অভিযুক্তকে মারওয়া আদালতে নিতে পেরেছিলেন। যা আরব দেশে একজন বাংলাদেশী হয়ত বা পারতেন না। এটা তো স্বীকার করছি। কিন্তু ইসলামোফোবিয়া যে ইউরোপে আছে, তার বড় প্রমান তো মারওয়ার ক্ষেত্রেই। আর এ নিয়ে অজস্র আর্টিক্যাল (যার কয়েকটি আমি উপরে দিয়েছি) যথেষ্ট তথ্য সম্বলিত। এখন এটা বিশ্বাস করা বা না করা, মানুষের নিজস্ব বিষয়।

৪৮. ০৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ সকাল ৭:৪২
উদাসী স্বপ্ন বলেছেন: নরের অধম, দ্বীমত পোষন করলাম, আমি আবার ভাত ঘুরাইয়া খাই, আর তারজন্য মনে হয় কিছউ সত্য যেইটা চোখে পড়ে না সেইটা আবার আমার চোখে আসে। রাউজানের পাশে আমি ছয় বছর ছইলাম, সাকা চৌ এর নির্যাতনের সাথে আমেরিকার কালাগো নির্যাতন খুব একটা মিললো না। কারন এখন প্রেসিডেন্ট কালা। যদিও আমেরিকা যাই নাই সেহেতু এইখানে সেরেন্ডার। কিন্তু গবেষনা পত্রে কি হইলো না হইলো এইসব নিয়া আমি থোড়াই কেয়ার করি, কারন এইসব করে কারা, আমাগো তোমাগো মত পুলাপানরাই যারা কিছুটা বা পরোটা খাইয়া পুরাটাই বায়াসড।
আমার দুই চক্ষু খোলা, আমার সুযোগ সুবিধা সম্পর্কে আমি খুবই সজাগ সেহেতু আমি মুসল মান হইয়াও যদি কোরানের তেলায়াত স্যাটরডে নাইটে জোরে শুনতে পারি আর সেিটা শুইনা অবজেকশন না জানায় তাইলে কি ধইরা নিমু রুট লেভেলে। উপরের লেভেলে কি হইতাছে না হিতাছে সেইটা দেখার বিষয় না। কারন ইউরোপে মানুষ দঃর্ম ফেলাইয়া অনেক দূর আগাই গেছে। ইউরোপের কিছউ জায়গায় ডিসক্রিমিনেশন আছে সেিতা হইলো ইমিগ্রান্ট নন ইমিগ্রানট। অরথাৎ যারা উইড়া আইসা জুইড়া বইসা এনার্কি করে। আমার সামনে এখনো বোরখা পইরা মাইয়া হাইটা গেলেও সাদা চামড়ার পোলাপাইন তারে টিটকারী দেয় না। কারন এইসব ফাউল জিনিস নিয়া ভাবনের টািম নাই। আবার আমি যখন পার্টি তে গিয়া কই আমি মদ খাই না, কোরানে মানা, তখন কেউ না খেচাইয়া এই সাদা চামরারাই নন এ্যালকোহলিক সোডা কিন্যা আনে।

কালা খুজতে গেলেই কালা। নয়া প্রজন্ম এই সব নিয়া ভাবে না, যারা ভাবে তারা আসলেই এক ঘইরা আর সেইজন্য তাদের কনসেপ্ট রাস্তাঘাটে মিলে না আর আঘামী ১০০ বছরেও মিলবে না যদি না মুসলমানরা এই ইউরোপেও না আকাম করে। মুসলমানদের উপর মানুষ চেতে কেন? এইটা কি কেউ ভাবছে_ কারন এরা আঙ্গুলি দিতে পছন্দ করে। এইসব পাইক্কা মিডলঈস্টের পুলাপান আইসা যা করে, তখন নিজেরই খারাপ লাগে এগো আশেপাশের দেশ ভাবতে বা মুসলিম ব্রাদারহুড বইলা কিছু কইতে।

আমি কি দেখি আমার কাছে সেইডাই সত্যি আর আমার আশেপাশের মানউষ কি ফেস করে সেইডাই সত্য। যেহেতু কেউ অবজেকশন জানায় না সেহেতু আমার কাছে ঠিক
..তয় এইডা ঠিক আমি যেহেতু আদেকলা না, সেহেতু কালকা যদি এরা আমার ধর্ম আর আমার নীতী নি য়া কিছউ কয়, আমি এই দেশ ছাড়ুম। আদেকলার মতো পোইড়া থাইকা ওগো হাতের গুতা খাি্যা সাইধা যাইয়া খাইয়া সেইডা নিয়া বাহিরে ভিতরেশিজড়াদের পলিটিক্ষ করবো সেরকম অবস্হা না। কারন এরা আমারে থাকতেও কয় না, আর আল্লাহর দুনিয়ায় রিজিকের খোজ খবর মেলা জায়গাতেই আছে!

সো বি এ্যা ম্যান, এইডাই কমু আমাগো ধ্বজভঙ্গটাইপ মাসল ম্যান থুক্কু মুসলমান গো!
৪৯. ০৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ সকাল ৭:৪৩
উদাসী স্বপ্ন বলেছেন: ২ নং মাইনাস আমার দেয়া!
৫০. ০৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ সকাল ৮:০২
নরাধম বলেছেন:

"সাকা চৌ এর নির্যাতনের সাথে আমেরিকার কালাগো নির্যাতন খুব একটা মিললো না" ----- অ, এটাই বুঝছ আমার কমেন্ট পড়ে?? হাসাইলা!

"কিন্তু গবেষনা পত্রে কি হইলো না হইলো এইসব নিয়া আমি থোড়াই কেয়ার করি, কারন এইসব করে কারা, আমাগো তোমাগো মত পুলাপানরাই যারা কিছুটা বা পরোটা খাইয়া পুরাটাই বায়াসড।" ---- পরাটা খাওয়া গবেষনার কথা বলতেছিলামনা, পিয়র রেফারীড একাডেমিক গবেষণার কথা বলতেছিলাম।





যাই হোক, বাদ দাও, we can happily agree to disagree.
০৯ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১২:৩৯

লেখক বলেছেন: "we can happily agree to disagree"

সার কথা হল এইটা। পাঠকের বুদ্ধির উপর নির্ভর করাটাই সবচেয়ে কার্যকরী পন্থা।

৫১. ০১ লা মার্চ, ২০১০ দুপুর ১২:২২
মাসুদুল হক বলেছেন: তথ্যবহুল পোষ্টের জন্য ধন্যবাদ...প্রিয়তে
০১ লা মার্চ, ২০১০ বিকাল ৫:২৮

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ আপনাকে।

৫২. ১৭ ই মার্চ, ২০১০ রাত ১০:১০
ওমর নাসিফ বলেছেন: তার এই আত্মদান আমাদের মাঝে সততা ও আপোষহীনতার চেতনা হিসেবে চির জাগরূক হয়ে থাকুক।
লেখার শেষ প্রান্তে এই চমৎকার মন্তব্যটিই বলে দেয় আপনার এ লেখাটির বড় প্রেরণা হিসেবে কাজ করেছে কি।
তথ্য-সমৃদ্ধির পাশাপাশি আমার ভাল লাগার বিশেষ জায়গাটি হছ্ছে মন্তব্য প্রদানে আপনার ভারসাম্য, পুরো বিষয়টার চমৎকার নির্মোহ বিশ্লেষণ। ইসলামের Intellectual Dissemination এর ক্ষেত্রে আপনার এ লেখাটার approach follow করা যায় নি:সন্দেহে।
প্রাসঙ্গিক কিনা বলতে পারবনা, তবু একটি প্রশ্ন আপনার কাছে, সময় থাকলে জবাব দেবেন আশা করি-
ইউরোপ এবং আমেরিকাতে ইসলামের এই ক্রমবর্ধমান প্রসার সার্বিকভাবে উম্মাহর কল্যাণে কতটুকু ভূমিকা রাখবে যখন এই জনগোষ্ঠীকে নেতৃত্ব দেবার মত সার্বজনীন কোন নেতা আমরা দেখিনা, তাছাড়া মুসলমানদের মধ্যেই তো চিন্তার কত ব্যবধান। এই ব্যবধান কিন্তু শুধু বুদ্ধিবৃত্তিক বিতর্কে সীমাবদ্ধ না থেকে একেবারে মাঠে ময়দানে গড়ায় প্রায়:শই!
ইউরোপ আমেরিকার Revert দের দাওয়াতী approach নিয়েও ত আলেমদের মাঝে এন্তার বিতর্ক চলছে (যেমন মুহাম্মদ ইউসুফের গান, যা তিনি ইসলামের ইতিবাচক বার্তা পৌছে দেবার মাধ্যম মনে করেন। আমার মতেও এটি চমৎকার একটি মাধ্যম)।
ভাল থাকুন, আরো ভাল লিখুন...
১৭ ই মার্চ, ২০১০ রাত ১১:৫৫

লেখক বলেছেন: আপনি তো অতিরিক্ত প্রশংসা করে আমায় লজ্জায় ফেলে দিলেন। আসলে আমি খুব ভেবেচিন্তে সব সময় যে লিখি, তা নয়। আর আমার লেখা নিয়ে আমার নিজের ধারনা যে খুব উচু, তাও নয়।

পশ্চিমে ইসলামের প্রসার যত না মুসলিমদের জন্য কল্যানকর, তার চেয়ে বেশী ইতিবাচক সার্বিক ক্ষেত্রে। কারন পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে মুসলিমদের সাথে অন্যদের যে দূরত্ব রয়েছে, তা কাটিয়ে উঠে পৃথিবীর সব জাতি ধর্মের মানুষের সাথে মুসলিমদের সহাবস্থান নিশ্চিত করতে পশ্চিমের মুসলিমরা নিশ্চয়ই ইতিবাচক পদক্ষেপ রাখতে সাহায্য করবে। জানি না বোঝাতে পারলাম কিনা।

এমনিতে ইউসুফ ইসলাম যেহেতু প্রফেশনাল গায়ক, তার গান শুনতে আমারও ভাল লাগে।

আপনিও ভাল থাকুন।

৫৩. ১৮ ই মার্চ, ২০১০ ভোর ৫:২১
সোহায়লা রিদওয়ান বলেছেন: নাসিফ , তুমি যথার্থই চিনেছো উম্মু আপুকে !! :-)
আমার ব্লগের বড়বোন আর এই ব্লগটাকে আমি মেধাবী ব্লগ বলি!!!
ধন্যবাদ তোমাকে!

উম্মু আপা , নাসিফ আমার ছোট বেলার বন্ধু ......
১৮ ই মার্চ, ২০১০ ভোর ৫:৫৯

লেখক বলেছেন: পরিচয় জেনে খুব খুশী হলাম।

নাসিফ যেহেতু তোমার বন্ধু, তিনি নিশ্চয়ই তোমার মত মণণশীল, সৃজনশীল এবং বন্ধুবৎসল হবেন।

শুভ কামনা সবার জন্যে। আরো কথা হবে নিশ্চয়ই ........

৫৪. ১৮ ই ডিসেম্বর, ২০১১ রাত ৯:০৪
রাজদরবার বলেছেন: কারো কারো কমেন্ট শুনে মনে হচ্ছে ফালাছির লেকা তাদের নাপাক অন্তঃকরণে সুখের কারণ হয়েছে।

 

মোট সময় লেগেছে ০.৬০৬৬ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
তোমরা মুসলিম হয়ে আমাকে ধন্য করেছ, তা মনে করো না।
বরং আল্লাহ ঈমানের পথে পরিচালিত করে তোমাদের ধন্য করেছেন। (হুজুরাত:১৭)
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ