আমার প্রিয় পোস্ট

ইরতেজা আলী এর আন্তর্জাল খেরোখাতা www.irtejaali.com/

সেই সব মা জননীদের আমাদের প্রনাম

১৪ ই মে, ২০০৭ দুপুর ১২:১৪

শেয়ার করুন:                   Facebook

১৯৫২ ভাষা আন্দোলনে শহীদ বরকতের মা হাসিনা বিবি থাকতেন সেই সময় থাকতেন ভারতে । তার ছেলে বরকত ১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারী ভাষা আন্দোলন করতে গিয়ে শহীদ হন। আমাদের দেশে স্থায়িভাবে বাসবাস না করেও প্রতি বছর ২১শে ফেব্রুয়ারীতে শহীদ মাতা ছুটে আসতেন ঢাকাতে ছেলের আজিমপুর কবরস্থানে ছেলের কবরের সামনে শ্রদ্ধা জানাতে। শহীদ মাতা হাসিনা বিবিই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ মিনার উদ্বোধন করেন। ৬৮-৬৯ সালে তাকে জোর করে দেশে প্রবেশ করতে দেয়া হয়নি তার পাসপোর্ট আটক করে রাখা হয়। এক মাকে তার ছেলের জন্য প্রাথনা করতে দেয়া হয়নি।১৯৮২ সালে তিনি বরকত বরকত করতে করতেই ইন্তেকাল করেন।

মিরপুরে কবি মেহেরুনি্নসাকে তার বৃদ্ধা মায়ের সামনেই হত্যা করা হয়। পাকিন্তানিরা এক মায়ের সামনে তার স্নেহের দুই ছেলেকে আর তার তরুনী মেয়েকে শক্ত করে রশি দিয়ে বাধা হয়। এক বৃদ্ধা মায়ের আকুতি মিনতি, পায়ে ধরে বিলাপ কিছুতেই ওই পশুদের মন গলে নি। সেই সব ভয়ন্কর পিশাচরা ভয়ন্করভাবে ধারালো ছুরি দিয়ে খুচিয়ে খুচিয়ে এক মায়ের চোখের সামনে তার সন্তানদের তিল তিল করে ছুরিকাবিদ্ধ করে হত্যা করল। আর সেই অসহায় জননীর তীক্ষ্ন আর্তনাদে সেদিন বুঝি মীরপুরের ধুসর আকাশের বুক চিরে গিয়েছিল, কিন্তু এতটুকু কাঁপেনি সেই প্রতিবেশী অবাঙালি পশুদের বুক।

ভাষা শহীদ আরমা গুনকে যখন ধরার জন্য মিলিটারীরা তাদের বাসা ঘিরে ফেলে তখন উনি তার মায়ের কাছে গিয়ে আনুরোধ করেন "আমাকে হয়ত এখানেই গুলি করে মারবে। আমার বিশেষ অনুরোধ, তোমরা আমার লাশটা বারান্দায় ফেলে রেখো যাতে সকলে আমার মৃতদেহ দেখে মনে মনে সাহস পায় বিদ্রোহ করার জন্যে।"

মুক্তিযুদ্ধের এক দিনে সেক্টর কমান্ডার রফিক ভিতর দিয়ে হেঁটে যাচ্ছিলেন। চারিদিকে গোলাগুলি, বোমা পড়ছিল। তখন তিনি দেখতে পেলেন কয়েকজন মহিলা দৌড়াচ্ছেন। একজন কিশরের দ্বিখন্ডিত দেহ পরে থাকতে দেখে উনি থামলেন। একজন মা খুব শান্ত ভাবে সেই মৃত ছেলের লাশের দিয়া একমনে চেয়ে আছেন। সেই দুঃখি মা চোখ মুছে তাকে দেখে জিগাসা করলেন "তোমরা কারা?তিনি উত্তর দিলেম "মা, আমরা আপনার ছেলে”। ছেলের দ্বিখন্ডিত দেহের সামনে তখন তার মা আল্লার কাছে হাত তুলে মোনাজাত করল "আল্লাহ আমার প্রানপ্রিয় ছেলেটিকে নিয়ে গেচ্ছিস সে জন্য আমার কোন অভিযোগ নেই, আমার ছেলের প্রানের বিনিময়ে আমি এখন শুধু এই ছেলেটার জন্য দোয়া চাইছি যারা এই দেশের স্বাধিন তার জন্য যুদ্ধ করছে”। এই কথাটা তাদের সাহস মনোবল অনেক বৃদ্ধি করেছিল। পরে মুক্তিযোদ্ধা রফিক যখন গুলিবিদ্ধ হল তখন তিনি বলছিলেন আল্লার তুমি এক দুঃখি মায়ের মায়ের দোয়া কবুল কর।

শহীদ আজাদে ছিলেন ঢাকা শহরের সেই সময় সব থেকে ধনী ইউনুশ আহমেদের একমাত্র পুত্র। বিপুল অর্থবিত্তের ভিতর বড় হলেও আজাদ জীবনে তার মাকে নিয়ে অনেক কষ্ট করেছে। শহীদ আজাদ ঢাকায় গেরিলা অপারেশনে অংশগ্রহন করেন। তাকে তার বাসা থেকে তার মায়ের সামনে মারতে মারতে থানায় নেয়া হয়। আজাদ,শহীদ জুয়েল ধরা পরার পর টর্চার সেলে মিলিটারীদের প্রচন্ড মারে তাকে সিলিং ফেনের সাথে উলটা করে সারা দিন ঝুলিয়ে রাখা হয়। সারা শরীরে বেল্ট দিয়ে পিটানো হয়। তার সারা গা রক্তাক্ত হয়ে যায় মুখ থেকে রক্ত পরছে কিন্তু তারা কিছুই ফাঁস করেনি।

আজাদের মনবল ভাঙ্গার জন্য মোহাম্মদ কামজ্জামান( জামাতের উর্ধতন নেতা) সাথে করে আজাদের মাকে সামনে নিয়ে আসে। রমনা থানায় তার মাকে বলা হয় আজাদকে তার সিদ্ধিরগঞ্জ আর রাজারবাগ অপারেশনের অংশ নেয়া বন্ধুদের নাম ঠিকানা বলতে আর অস্র কোথায় লুকিয়ে রেকেছে তা বলতে। কিন্তু তাদের সামনেই আজাদের মা পুত্রকে সাহস দিয়ে বলে "বাবা রে, যখন মারবে, তুমি শক্ত হয়ে থাকো। সহ্য কোরো। কারো নাম যেন বলে দিও না।

আজাদ সেই রাতে থানায় মাকে বলল, "মা, ভাত খেতে ইচ্ছা করে, দুই দিন ভাত খাই না। কালকে ভাত দিছিল , আমি ভাগ পাই নাই” আজাদের মা পরের দিন টিফিন ক্যারিয়ারে করে ভাত, মাংস, আলুভর্তা, বেগুনভাজি হাতে নিয়ে মা সারা রাত থানার সামনে দাঁড়িয়ে থাকেন। কিন্তু তাকে জানান হয় আজাদ রমনা থানায় নেই । উনি সারা রাত এক থানা থেকে আরেক থানা, এমপি হোষ্টেল, কেন্টরম্যান্ট খুজেও কোথাও আজাদকে পাওয়া যায় নি। আজাদকে আর কখনও খুজে পাওয়া যায় নি।

স্বাধীনতার যে ১৪ বছর আজাদের মা সাফিয়া বেগম বেঁচে ছিলেন তিনি সারা দিন দরজার কাছে দাঁড়িয়ে থাকতেন। ডাকপিয়ন আসলে দৌড়ে যান তার ছেলের কোনও চিঠি আছে নাকি দেখতে। একটু শব্দ হলে তার বুক কাঁপত। তখন শেষ বার সেলে আজাদকে দেখেছিলেন আজাদ মাটিতে শুয়ে ছিল। মাটিতে খালি একটা পাটি ছিল কোন বালিশ ছিল না। আজাদের মা ওই দিনের পর থেকে কোন দিন বিছানায় ঘুমান নি। উনিও মাটিতে পাটি বিছিয়ে ঘুমাতেন। আজাদ মৃত্যুর আগে ভাত খেতে পারে নি তাই তার মা বাকি জীবনে কোন দিন ভাত খাননি। সুদীর্ঘ ১৪ বছর খালি রুটি খেয়েছেন দুইবেলা কখনো একবেলা শুধু পানিতে চুবিয়ে। ৩১সে আগষ্ট,১৯৮৫ আজাদের ধরা পরার সেই দিনেই এই রত্নগর্ভা নারীর শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করে। তার কবরে তার ইচ্ছা অনুযায়ি খালি একটা লাইন লিখা, শহীদ আজাদের মা”।

গত ৩ তারিখ ছিল শহীদ জননী জাহানারা ইমামের জন্মদিন। রুমি যখন তার মায়ের কাছে এসে মুক্তিযুদ্ধে যেতে চাইল তখন তার মা বলেছিল "যা তোকে দেশের জন্য কোরবানী করে দিলাম”।এই শেষ কথাটার জন্য জাহানারা ইমাম সারা জীবন আফসোস করেছেন। আল্লাহ মনে হয় কোরবানী কথাটি কবুল করে নিয়েছেন। উনি কেন বললেন না, যা রুমি যুদ্ধ করে বীরের বেশে স্বাধীন দেশে ফিরে আয়।তাহলে হয়তবা তার ছেলে রুমি ফিরে আসত ১৬ ডিসেম্বর।

স্বাধীনতার ৩৬ বছর পর আজও বাংলার ঘরে ঘরে হাজার হাজার আজাদের মা, রুমির মা, জুয়েলের মায়েরা নিভৃতে চোখের পানি ফেলে। পৃথিবীর সব কষ্ট হয়ত সময়ের সাথে সাথে হালকা হয়ে যায় কিন্তু সন্তান হারাবার কষ্ট কি কোন দিন কমে। জীবনের প্রতিটি দিন, প্রতিটি রাত সেই ছেলে হারানোর বেদনা বুকে নিয়ে তারা বেঁচে থাকে। মায়ের কাছে সন্তান বিদায় নিয়ে দূরে কথাও চলে গেছে। সেই শহীদ মায়েরা তাদের ছেলের মুখ আর কোন দিনও দেখতে পাবে না, তাদের ছেলেরা বর্ষার তুমুল বর্ষণে মায়ের হাতের আদরে মাখা খিচুরী খাবে না, ঘোমটার ফাঁক গলে চেয়ে থাকা মায়ের দৃষ্টি নিয়ে শরতের আকাশে ঘুড়ি উড়াবে না, কনকনে শীতের রাতে মায়ের বুকের উষ্ণতা নিবে না, ক্লান্ত হয়ে বাসায় এসে মায়ের শাড়ির আঁচলে মুখ মুছবে না, গ্রীষ্মের উত্তপ্ত দুপুরে মায়ের খোলা শীতল পিঠে কচি শরীর লেপটে ঘুমাবে না, মায়ের অনেক আদরের মানুষটি কখনই মাকে নিয়ে প্রিয় মাতৃভূমি বাংলাদেশেকে দেখতে পাবে না।

 

 

  • ২৪ টি মন্তব্য
  • ৪৬২ বার পঠিত,
Send to your friend Print
রেটিং দিতে লগ ইন করুন
পোস্টটি ১২ জনের ভাল লেগেছে, ০ জনের ভাল লাগেনি
১. ১৪ ই মে, ২০০৭ দুপুর ১২:৪৮
comment by: সাব্বির০০৭ বলেছেন: যতসব ঢং
২. ১৪ ই মে, ২০০৭ দুপুর ২:৫৮
comment by: ইরতেজা বলেছেন: ভালো বলেছেন। অন্তত একজন হলেও মন্তব্য করেছে
৩. ১৪ ই মে, ২০০৭ বিকাল ৩:৫৬
comment by: সুমি বলেছেন: আমরা সব জানি বুজি কোনা আমাদের জন্য ভাল--
আসলে আমরা স্বাধীনতা যোগ্য নই --
কেননা যারা আমাদের মুখের ভাষা বদলে দিতে চেয়েছিল আমারা আজ তাদের হয়ে কথা বলি-- বলি এগুলো সব ঢং-- কি দরকার ছিল ৭১ এ ঝামেলা করার-- আরো কত কি---
আসলে আমাদের রক্তে এখনো গোলামির কণিকা আছে তাই হয়তো এমন সব কথা আমরা বলি ---
যে দিন আবার স্বাধীনতা আমরা হারাবো সেদিন বুঝবো এ মূল্য কত তার আগে নয়----
৪. ১৪ ই মে, ২০০৭ রাত ৯:৪৭
comment by: ইরতেজা বলেছেন: সুমি আপনার মন্তব্য পড়ে ভালো লাগল। আস্পনার শেষের কথাটা মনে দাগ কেটেছে
৫. ২৫ শে মে, ২০০৭ রাত ১০:৪৩
comment by: ফাহা বলেছেন: কষ্ট
৬. ০৮ ই নভেম্বর, ২০০৭ রাত ১১:৫৩
comment by: সুমি বলেছেন: ভাইয়া আজ শহীদের জননীদের নিয়ে কোন লেখা আছে কিনা তা খুজছিলাম----
একটা ব্লগে এই লেখাটা পেলাম----
পড়ে আমি অনেক ক্ষন ভাবেছি যে লেখাটা আমি অন্য কোথাও পড়েছিলাম----
অবশেষে খুজে পেলাম------
এত হৃদয় ছোয়া লেখা ------
ভাইয়া তাই আমি লেখাটাকে আবার নতুন করে আমার ব্লগে পোষ্ট করতে চাই যদি আপনার অনুমতি মেলে---
তবে লেখা মূল লিংক থাকবে আপনার ব্লগ----
জানালে খুশী হব----
প্রিয়তে + করলাম-----
৭. ০৯ ই নভেম্বর, ২০০৭ রাত ৮:১৯
comment by: ইরতেজা বলেছেন: সুমি অবশ্যই পার।
তোমাকে ধন্যবাদ
৮. ০৯ ই নভেম্বর, ২০০৭ রাত ৮:২৪
comment by: ইরতেজা বলেছেন: "একটা ব্লগে এই লেখাটা পেলাম"... আমি কিন্তু লেখাটি ব্লগস্পট ছাড়া কোথাও ছাপাই নি...অন্য ব্লগ আবার কোনটি?
৯. ০৯ ই নভেম্বর, ২০০৭ রাত ৮:৩২
comment by: মুকুল বলেছেন: *****
১০. ০৯ ই নভেম্বর, ২০০৭ রাত ৮:৪৮
comment by: ইরতেজা বলেছেন: ধন্যবাদ মুকুল
১১. ১০ ই নভেম্বর, ২০০৭ রাত ১১:৩৮
comment by: উদাসী স্বপ্ন বলেছেন: এক রাশ বুক ভরা হাহকার
কেন জন্মালাম না সেবার?
দেখিনি প্রতি সকালের নিত্য প্রার্থনা
আজানের সাথে শুনতাম রাজাকার নিপাত যা!
হাজারটা না হলেও একটা
ছিন্ন করতাম মুন্ডুটা হানাদারের ধড় থিকা!
না পারলেও দুঃখ নাই
যুদ্ধে যেতাম হাসি মুখে গুলিতেও শান্তি পাই!

কেন জন্মালাম না সেবার, রাজাকারের রক্ত চাই!
১২. ১০ ই নভেম্বর, ২০০৭ রাত ১১:৫৯
comment by: ইরতেজা বলেছেন: রাজাকারের রক্ত চাই...

উদাসী স্বপ্ন দারুন। আপনাকে ধন্যবাদ
১৩. ১১ ই নভেম্বর, ২০০৭ রাত ১২:১৬
comment by: ফারহান দাউদ বলেছেন: স্বাধীনতার জন্য ত্যাগ কথাটার আসলে ব্যাপক অর্থ আছে। ত্যাগ কিন্তু ঐ ৯ মাসে ৩০ লাখ মানুষ মারা গিয়ে শেষ হয়নি। এইযে শহীদ আজাদের মা পরের ১৪টা বছর রুটি ভিজিয়ে খেয়ে ছেলের জন্য হাহাকার করলেন,তার তুলনায় মৃত্যুও অনেক কম ত্যাগ,যদিও জেনেশুনেই এই রাস্তা তিনি বেছে নিয়েছিলেন,যখন তিনি বলেছিলেন--""বাবা রে, যখন মারবে, তুমি শক্ত হয়ে থাকো। সহ্য কোরো। কারো নাম যেন বলে দিও না।"
আর কত বলবো?
১৪. ১১ ই নভেম্বর, ২০০৭ রাত ২:১৫
comment by: নাদান বলেছেন: পড়তে গিয়ে চোখ ঝাপসা হয়ে আসে। আসাধারন। এমন একটা লেখা টপরেটেড হয়না। নিজের প্রতি ঘৃনা হয়।
১৫. ১১ ই নভেম্বর, ২০০৭ রাত ২:১৭
comment by: নাদান বলেছেন: প্রিয়তে এ্যাড করে রাখলাম। এমন লেখা হারিয়ে যেতে দেয়া যায় না।
১৬. ১১ ই নভেম্বর, ২০০৭ রাত ২:২০
comment by: মানুষ বলেছেন: প্রিয়তে এ্যাড করলাম। মন্তব্য করার মতো ভাষা খুঁজে পাচ্ছি না।
১৭. ১৬ ই নভেম্বর, ২০০৭ রাত ১১:০৫
comment by: ইরতেজা বলেছেন: সবাইকে ধণ্যবাদ
১৮. ১৬ ই নভেম্বর, ২০০৭ রাত ১১:২৬
comment by: নরাধম বলেছেন: সুমি বলেছেন :
২০০৭-০৫-১৪ ১৫:৫৬:৫১
আমরা সব জানি বুজি কোনা আমাদের জন্য ভাল--
আসলে আমরা স্বাধীনতা যোগ্য নই --
কেননা যারা আমাদের মুখের ভাষা বদলে দিতে চেয়েছিল আমারা আজ তাদের হয়ে কথা বলি-- বলি এগুলো সব ঢং-- কি দরকার ছিল ৭১ এ ঝামেলা করার-- আরো কত কি---
আসলে আমাদের রক্তে এখনো গোলামির কণিকা আছে তাই হয়তো এমন সব কথা আমরা বলি ---
যে দিন আবার স্বাধীনতা আমরা হারাবো সেদিন বুঝবো এ মূল্য কত তার আগে নয়----

১৯. ১৬ ই নভেম্বর, ২০০৭ রাত ১১:২৭
comment by: নরাধম বলেছেন: প্রিয়+৫
২০. ১৪ ই ডিসেম্বর, ২০০৭ সকাল ৭:৪০
comment by: নিবেদীতা বলেছেন: ৫
২১. ২৪ শে এপ্রিল, ২০০৮ বিকাল ৪:৩৯
comment by: নিবিড় অভ্র বলেছেন: এই লেখাটা আমি ই বুকে প্রথম পড়েছি.........
কিছু ঘটনা জানা ছিল.......... তবুও পড়ে কেঁদেছি....
আপনাকে ধন্যবাদ
২৮ শে এপ্রিল, ২০০৮ রাত ১২:১২

লেখক বলেছেন: আপনাকেও আমার লেখা পড়ার জন্য ধন্যবাদ

২২. ১৪ ই জুলাই, ২০০৮ বিকাল ৪:১৫
comment by: অতিথি_পথিক_মানুষ বলেছেন: আসলে সব মা-ই ঘুরে ফিরে এক রকম...http://www.somewhereinblog.net/blog/Otithi_Pothik_Manush/28816714
২৩. ১৪ ই জুলাই, ২০০৮ বিকাল ৪:১৮
comment by: অতিথি_পথিক_মানুষ বলেছেন: Click This Link

 



 


ছেঁড়া ছেঁড়া ভালবাসা, দুই চোখ ভরা সীমাহিন স্বপ্ন, অদ্ভুত সব স্মতি, একরাশ বেদনা, কঠিন বাস্তবতা, নিদারুণ অলসতা, আড্ডাবাজি, সত থাকার...
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ

সর্বমোট হিট

 ২৬২৭২